

সরকারি
কর্মকর্তাদের পাঁচ বছরের বেশি সময় সরকারি চাকরিতে থাকা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার মতে, দীর্ঘদিন একই চাকরিতে থাকলে কর্মকর্তাদের
মানসিকতা স্থবির হয়ে পড়ে এবং সৃজনশীলতা কমে যায়।
আজ
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত
‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো–২০২৬’-এর
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় তিনি ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’-এর
ওয়েবসাইট ও লোগোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
তিনি
বলেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে প্রতি দশ বছর অন্তর নতুনভাবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। কারণ সময়ের
সঙ্গে সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য পরিবর্তিত হলেও সেখানে কর্মরত ব্যক্তিরা পুরোনো চিন্তা
ও ধারণা নিয়ে কাজ করে যান।
প্রধান
উপদেষ্টা সবাইকে চাকরিমুখী না হয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সবার জন্য
চাকরি নিশ্চিত করার ধারণা ভুল এবং এটি দাসপ্রথার মতো। উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকারকে সহায়ক
ভূমিকা পালন করতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জুলাই
আন্দোলনকারীরাই ভবিষ্যতে বিশ্ব নেতৃত্ব দেবে—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, দেশের রাজনীতিতে জুলাই আন্দোলন যেমন নতুন সম্ভাবনার সূচনা করেছে, তেমনি
ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার
বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
আইসিটি
বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ
হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা এবং বাংলাদেশ
কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান উপদেষ্টা প্রদর্শনীর
বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, কোনো ধরনের আগাম সতর্কতা এবং প্রস্তুতির সুযোগ না দিয়ে বাঁধ খুলে দিয়ে ভারত অমানবিকতার পরিচয় দিয়েছে বলে ।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, উজানের পানি এসে বাংলাদেশে বন্যা সৃষ্টি করছে। এভাবে বাঁধ খুলে দেওয়ার মাধ্যমে ভারত অমানবিকতার পরিচয় দিয়েছে এবং অসহযোগিতা করছে। আশা করি, ভারত দ্রুত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের জনগণবিরোধী এ ধরনের নীতি থেকে সরে আসবে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ রক্ষায় দুই দেশের জনগণকে সুষ্ঠু সমাধানের পথ বের করতে হবে। ন্যায্যতার ভিত্তিতে যেন বাংলাদেশ-ভারত রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক প্রতিস্থাপন করা হয়।
এ সময় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সব সামাজিক ও রাজনৈতিক শক্তি এবং জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।
তিনি
বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের মতো বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে
হবে। সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়ীদেরও এগিয়ে আসতে হবে।
মন্তব্য করুন


দেশের
খাদ্যপণ্যে দূষণ ও ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের
উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
খাদ্যদূষণ
প্রতিরোধ এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমাতে জরুরি উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেছেন,
‘খাদ্যে বিভিন্ন দূষণের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমরা জানি; এটাকে কীভাবে মোকাবিলা করা যায়
সেই ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে। আমাদের সন্তান, বাবা-মা, আপনজন সবাই এর ভুক্তভোগী। নিজেদের
স্বার্থেই আমাদের সকলকে একসঙ্গে এই সংকট মোকাবিলায় কাজ করতে হবে। বাস্তবায়নের দিকগুলো
নিয়ে আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব কোনটি এখনই শুরু করা জরুরি। এ বিষয়ে জরুরি উদ্যোগগুলো
আমরা তাৎক্ষণিকভাবে নেব।’
আজ
রবিবার ( ০৭ ডিসেম্বর ) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি
ভবন যমুনায় খাদ্যে বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি ও এর প্রেক্ষাপটে জনস্বাস্থ্যের
ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যক্রম গ্রহণ এবং খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে
তিনি এ কথা বলেন। প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে
কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার,
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, জাতীয়
নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সায়েদুর রহমান, প্রধান
উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ এবং বাংলাদেশ
স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) মহাপরিচালক এস এম ফেরদৌস
আলম, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফারুক আহম্মেদ, বাংলাদেশ নিরাপদ
খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) চেয়ারম্যান জাকারিয়া ও পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান
ড. মো. মজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে
খাদ্যবাহিত রোগ, দূষণ সম্পর্কিত ঝুঁকি এবং এ সংকট মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত
আলোচনা হয়েছে। এসময় সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খাদ্যে দূষণ সংকট
মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রস্তাবনা লিখিত আকারে পাঠানোর
নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
বৈঠকে
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কিছু তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হয়। তারা জানান,
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী বছরে খাদ্যবাহিত রোগে প্রতি বছর ১০ জনের মধ্যে
এক জন শিশু বছরে অন্তত একবার অসুস্থ হয়। খাদ্যবাহিত রোগে আক্রান্ত ৩ ভাগের ১ ভাগ শিশু
মৃত্যুবরণ করে। খাদ্যবাহিত রোগে প্রতিবছর বিশ্বে ৬০ কোটি এবং বাংলাদেশে ৩ কোটি শিশু
আক্রান্ত হয়।
নিরাপদ
খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, খাবারে চার ধরনের দূষক থাকতে পারে। ভারী ধাতু, কীটনাশক-জীবনাশক
এর অবশিষ্টাংশ, তেজস্ক্রিয়তা ও জৈবদূষক। গত অর্থবছর ১৭১৩টি এবং এ বছর এ পর্যন্ত ৮১৪টি
নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে অতিরিক্ত মাত্রায় পাওয়া গেছে সীসা বা সীসা ক্রোমেট। মোট
১৮০ নমুনার মধ্যে ২২টিতে সীসা শনাক্ত হয়েছে।
শেরে
বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউএমইএ সুইডেন এর যৌথ গবেষণায়
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৮৭টি পানি ও ২৩ মাছ এর নমুনা সংগ্রহ করে ৩০০ ধরনের ঔষধ, ২০০
ধরনের কীটনাশক, ১৬ ধরনের পিএফএএস শনাক্ত করা হয়।
ইউনিসেফের
এক জরিপে জানা গেছে, বাংলাদেশে সাড়ে তিন কোটি শিশু সীসার সংক্রমণে আক্রান্ত। এ তথ্য
তুলে ধরে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জাকারিয়া বলেন, ‘সীসা মানবদেহে প্রবেশ
করে মস্তিষ্ক, যকৃৎ, কিডনি, হাড় এবং দাঁতে জমা হয়। শিশুদের হাড় নরম হওয়ায় সীসা সরাসরি
মস্তিস্কে চলে যায়। ফলে শিশুদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।’
প্রধান
উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সায়েদুর রহমান জানান, বাংলাদেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে
ল্যাব আছে। শিক্ষার্থীদের এ ধরনের পরীক্ষা করার ক্যাপাসিটিও রয়েছে। খাদ্যে সীসার পরিমাণ
নিয়ে একটি সমন্বিত গবেষণা করে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।
বৈঠকে
খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা হাঁস-মুরগি, দুগ্ধজাত খাদ্য ও মাছের মাধ্যমে
মানবদেহে প্রবেশকারী ক্ষতিকারক পদার্থ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। তারা জানান,
হাঁস-মুরগির খামারগুলোতে অনিয়ন্ত্রিত ওষুধ প্রয়োগ হয়। মুরগিকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া
হলে তা ৭ থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত থেকে যায়। ২৮ দিন পার হওয়ার আগেই মুরগিকে বাজারজাত করা
হলে সেই মুরগির মাংসের মাধ্যমে মানবদেহে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ঢুকতে পারে। তারা
জানান, বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে এসব বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন হলেও কিছু চোরাগোপ্তা কোম্পানি
কর্তৃপক্ষের নজরদারি এড়িয়ে গোপনে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পোল্ট্রি ফার্ম পরিচালনা করছে।
পোল্ট্রি
ফার্মগুলোকে নজরদারিতে আনা এবং কৃষিতে অবৈধ কীটনাশকের ব্যবহার রোধে কী কী ব্যবস্থা
নেওয়া হয়েছে এবং আরও কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য নিশ্চিত করতে গিয়ে কখনো কখনো যা খাচ্ছি
তা নিরাপদ কি না সে দিকটি উপেক্ষা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমগুলো
ভূমিকা রাখতে পারে। খাদ্য নিরাপত্তা একটি জরুরি বিষয়। পাঠ্যপুস্তকে এ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত
হওয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা
জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি নিয়মিতভাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অগ্রগতি
সম্পর্কে খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট
সবার প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর
দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করে বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার
চিকিৎসায় যেন কোনো ঘাটতি না থাকে, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা দিতে সরকার প্রস্তুত।’
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, গণতান্ত্রিক
উত্তরণের এই সময়ে বেগম খালেদা জিয়া জাতির জন্য ভীষণ রকম অনুপ্রেরণা। তাঁর সুস্বাস্থ্য
দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা ও সমন্বয়ে
সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


দেশের গণমাধ্যম এখন নজিরবিহীন স্বাধীনতা
ভোগ করছে বলে মন্তব্য করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন,
তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল তথ্যের বন্যা বয়ে গেছে।
আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) অর্থনীতি পুনর্গঠন,
সম্পদপাচার, ভুল তথ্য মোকাবেলা এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নে বাংলাদেশের
প্রচেষ্টা নিয়ে ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের নেতারা সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধান উপদেষ্টা
এসব কথা বলেন।
ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান
অ্যালেক্স সোরোস এবং সভাপতি বিনাইফার নওরোজির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে।
বৈঠকে অ্যালেক্স সোরোস ইতিহাসের একটি
গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া এবং দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিক করা ও অর্থনীতি
পুনর্গঠনে প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় ড. ইউনূসের প্রশংসা করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থান দেশের জন্য একটি নতুন গতিপথ নির্ধারণের জন্য
বিরাট সুযোগ এনে দিয়েছে। তারা জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান, ভিকটিমদের জন্য অন্তর্বর্তী
ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক সংস্কার, গণমাধ্যম, চুরি যাওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার, নতুন সাইবার
নিরাপত্তা আইন, কিভাবে তাদের উন্নতি করা যায় এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করেন।
অ্যালেক্স সোরোস বলেন, আমরা এসব ক্ষেত্রে
আপনার প্রচেষ্টা সমর্থন করার উপায় খুঁজব।
প্রধান উপদেষ্টা ওপেন ফাউন্ডেশনকে তাদের
সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।
তিনি নজিরবিহীন ছাত্র-নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থানের
খবর ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ডাভোস সফরে গিয়ে
আমি যা প্রত্যক্ষ করেছি তা হলো, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে অনেকেই জানে না।
অনেক অপপ্রচার হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা শেখ হাসিনার ১৬ বছরের
শাসনামলে পাচার হওয়া প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করার জন্য ফাউন্ডেশনের
প্রতি আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বলেন,
অন্তর্বর্তী সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে একটি ‘বিধ্বস্ত ও যুদ্ধবিধ্বস্ত’ অর্থনীতি পেয়েছে
এবং তিনি পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় ফাউন্ডেশনের সমর্থন কামনা করেন।
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনে
সাহায্য করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে ফাউন্ডেশন। এই পদক্ষেপকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূস স্বাগত জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ ছাড়া ব্রেইল বইসহ বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মাতৃভাষায় পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা নিয়েও তিনি কথা বলেন।
তিনি বলেন, মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমি বাংলাসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। ইউনেস্কো ২০০০ সাল থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে এ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করে আসছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘মেইক ল্যাঙ্গুয়েজ কাউন্ট ফর সাসটেউনেবল ডেভেলপমেন্ট’ যুক্তিযুক্ত হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ ও দেশের ভাষাসমূহের মর্যাদা রক্ষায় নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে, যা দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।
ড. ইউনূস আরো বলেন, শত বছরের শোষণে ও শাসনে জর্জরিত বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম জয়যাত্রা ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিতে। বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত রচিত হয়েছিল। এ দিনে আমাদের মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণোৎসর্গ করেছিলেন আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিক উদ্দিন আহমদ, শফিউর রহমানসহ আরো অনেকে।
পাশাপাশি তিনি আরো বলেন, ১৯৫৬ সালে বাংলা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায় এবং ২১ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এই দিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
প্রফেসর
ইউনূস সবাইকে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৫ এর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
জানান। তিনি এ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন। সূত্র: বাসস
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন।
গতকাল বুধবার (সেপ্টেম্বর ২৫) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ কথা জানান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
এ তথ্য জানানো হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আহ্বানে সাড়া দিয়ে চীনা সোলার প্যানেল প্রস্তুতকারকরা বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনে আগ্রহী। চীনা সরকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে।’
এরআগে গত মাসে ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূত সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় চীনের সোলার প্যানেল প্রস্তুতকারকদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা।
সাক্ষাৎকালে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘চীনের জনগণের পুরনো বন্ধু’ উল্লেখ করেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।
ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ থাকবে উল্লেখ করে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা পূর্ণ আস্থা রাখি যে, আপনি (ড. মুহাম্মদ ইউনূস) দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবেন।’
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, ‘চীনের সোলার কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বড় আকারে বিনিয়োগ করতে পারে, যা অনেক ধনী দেশে রপ্তানির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারমূলক বাজার প্রবেশাধিকারের সুবিধা পাবে। তিনি আরও বলেন, ‘সোলার কোম্পানি ছাড়াও অন্যান্য চীনা প্রস্তুতকারকরা তাদের কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তর করতে পারে।’
চীনের সাথে আরো ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের ‘নতুন অধ্যায়’সূচনার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা। দুই দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধিরও আহ্বানও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের একদিন
আগে গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে International Convention for the Protection of
All Persons from Enforced Disappearance (ICPPED) যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) উপদেষ্টা পরিষদের
সভায় গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে সই করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক
সনদটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। ৩২টি দেশ এটি অনুস্বাক্ষর করার পর ২০১০ সালে
এ সনদের বাস্তবায়ন শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ৭৫টি দেশ এ সনদে যুক্ত হয়েছে।
গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদের লক্ষ্য
হলো: গুম বন্ধের পাশাপাশি এ অপরাধের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের
সহায়তা দেওয়া।
মন্তব্য করুন


নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখ নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর
সদস্যদেরকে দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২৫
উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তোরণে
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। একটি নির্বিঘ্ন
ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে
দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।’
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের
সকল শহীদ, যুদ্ধাহত এবং অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করেন এবং ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট
মাসে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সকল শহীদ, আহত এবং অংশগ্রহণকারী সর্বস্তরের জনগণের প্রতিও
শ্রদ্ধা জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম ১৯৭১ সালে
রণক্ষেত্রে। সেসময় ২১ নভেম্বর সেনাবাহিনীর সাথে নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তানি
বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়েছিল বলে ২১ নভেম্বরকে মুক্তিযুদ্ধের একটি মাইলফলক হিসেবে গৌরবের
সাথে পালন করা হয়। তবে মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর সংগ্রামের সূচনা ঘটে ২৫শে মার্চের
রাত থেকেই। আমরা যদি বিজয় অর্জন না করতাম তাহলে এই বীর সেনাদের মৃত্যুদন্ড ছিল অনিবার্য,
অসহনীয় হয়ে যেত তাঁদের পরিবারের সকল সদস্যের জীবন।
ড. ইউনূস আরও বলেন, মুক্তিকামী সেনা, নৌ ও বিমান
বাহিনীর অকুতোভয় বীর সেনানীরা জীবনের পরোয়া না করে, পরিবারের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা
না করে এদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তারাই এদেশের আপামর জনসাধারণকে সাহস
জুগিয়েছেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জল-স্থল ও আকাশপথে সম্মিলিতভাবে
প্রতিরোধ গড়ে তুলে দেশমাতৃকাকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে এনেছেন। যুদ্ধ বেগবান
ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে তখন বাংলাদেশ ফোর্সেস গঠন করা হয়েছিল। যার অধীনে ১১টি সেক্টরে
দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে আসা মুক্তিযোদ্ধাদের সামরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি গেরিলা প্রশিক্ষণ
দেওয়া হয়।
এরই চূড়ান্ত রূপ আমরা দেখি ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর
সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর সম্মিলিত অভিযানে। পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে
এই যৌথ অভিযানই ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের চুড়ান্ত বিজয়
এনে দিয়েছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র
বাহিনীর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
ড. ইউনূস বলেন, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষাসহ
জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনী সবসময় জনগণের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে এবং
২০২৪ এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও চলমান দেশ পুনর্গঠনের কাজে সশস্ত্র বাহিনী মানুষের
পাশে দাঁড়িয়ে আস্থার প্রতিদান দিয়েছে। তিনি গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক নেতৃত্বের প্রতি
অনুগত থেকে বাহিনীর পেশাগত দক্ষতা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে এই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকবে
বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, একটি শান্তি প্রিয় জাতি হিসেবে আমরা সকল
বন্ধু রাষ্ট্রের সাথে সম্মানজনক সহাবস্থানে বিশ্বাসী। তথাপি, যেকোন আগ্রাসী বহিঃশত্রুর
আক্রমন থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমাদেরকে সদা প্রস্তুত এবং সংকল্পবদ্ধ থাকতে
হবে। এ লক্ষ্যে আমাদের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং উন্নত
বিশে¡র সাথে তাল মিলিয়ে বাহিনীগুলোতে যুগোপযোগী প্রযুক্তি সংযোজনের প্রয়াস অব্যাহত
রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, বিগত ৩৭ বছরে জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা ৪৩ টি দেশে ৬৩ টি মিশন সম্পন্ন করেছে এবং বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ১০টি মিশনে অংশগ্রহণকারী রয়েছে। তিনি বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের সাফল্যের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা যাতে বিশ্বের চ্যালেঞ্জিং ও বিপদজনক অঞ্চল সমূহে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারে সেজন্য তাদের সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রাপ্তির চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
(সূত্র- বাসস)
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এমন তথ্য জানিয়ে বলা হয় যে, তাজুল ইসলাম ছাড়াও ট্রাইব্যুনালে আরও চার আইনজীবীকে প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- মিজানুল ইসলাম, গাজী মোনাওয়ার হোসাইন তামিম, বিএম সুলতান মাহমুদ, আব্দুল্লাহ আল নোমান।
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয় যে, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম অ্যাটর্নি জেনারেলের সমমর্যাদা ভোগ করবেন।
এতে
পরিশেষে আরো বলা হয়, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, তিনি নিজেকে রংপুরের সন্তান বলে মনে করেন, কারণ তিনি জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে
শহিদ আবু সাঈদের সাহস ও আত্মত্যাগে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) প্রধান
উপদেষ্টা ঢাকায় তার কার্যালয়ে আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমাকে
রংপুরের একজন উপদেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করুন।
প্রধান উপদেষ্টা এসময় শহিদ আবু সাঈদ
ফাউন্ডেশনের সনদপত্র আবু সাঈদের পরিবারের হাতে তুলে দেন। আবু সাঈদের পিতা মকবুল হোসেন সনদপত্র গ্রহণ করেন।
আবু সাঈদের ভাতিজা মো. লিটন মিয়া এ
উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা শহিদ আবু সাঈদের পিতামাতার
স্বাস্থ্যর খোঁজখবর নেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তার আশ্বাস দেন।
মন্তব্য করুন