

মন্তব্য করুন


খুব শিগগিরই জাতীয় ঐকমত্য কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানিয়েছেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক
আলী রীয়াজ।
আজ রোববার (৫ অক্টোবর) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি
ভবন যমুনায় কমিশন সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক বৈঠকে এ কথা জানান তিনি।
প্রায় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে জুলাই সনদের
বিষয়বস্তু ও এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাব ও এবিষয়ে ঐকমত্য
কমিশনের অবস্থান সম্পর্কে সভাকে অবহিত করা হয়।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস ঐকমত্য কমিশনের কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন,
ঐকমত্য কমিশন সকল রাজনৈতিক দল থেকে ব্যাপকভাবে সহযোগিতা পেয়েছে। এছাড়া,
গণমাধ্যমগুলো ঐকমত্য কমিশনকে অকল্পনীয় সমর্থন দিয়েছে।
কমিশন সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড.
মুহাম্মদ ইউনূস কমিশনের সকল সদস্যদের ধন্যবাদ ও শুভ কামনা জানিয়েছেন। কমিশনের
কাজের চুড়ান্ত অগ্রগতি সম্পর্কে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাঁকে জানানোর নির্দেশ
দিয়েছেন।
আজকের বৈঠকে কমিশনের পক্ষ থেকে বৈঠকে ঐকমত্য
কমিশনের সহসভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, কমিশন সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড.
ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার
বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
পাশাপাশি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, আসিফ নজরুল ও আদিলুর রহমান খান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারা দেশে ২১ হাজার ৯৪৬টি অতি গুরুত্বপূর্ণ
ও ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য ৭১ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার
টাকা বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।
আজ
মঙ্গলবার প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৯তম সভা
শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার
উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম উপস্থিত ছিলেন।
আজাদ
মজুমদার বলেন, সারা দেশে প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬ হাজার ৫৫২টি কেন্দ্রে
আগে থেকেই সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। বাকি কেন্দ্রগুলোতে নতুন করে ক্যামেরা স্থাপন করা
হচ্ছে। এর মধ্যে ২১ হাজার ৯৪৬টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত
করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে সিসিটিভি বসানোর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ এই বরাদ্দ
দেওয়া হয়েছে।
তিনি
জানান, বরাদ্দের আওতায় প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে কমপক্ষে ছয়টি করে সিসিটিভি ক্যামেরা
স্থাপন করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ তালিকার বাইরে থাকা কেন্দ্রগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন, সিটি
করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনের নিজস্ব অর্থায়নে ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে সব জেলায়
এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং অনেক এলাকায় তা দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে।
উপ-প্রেস
সচিব আরও জানান, কয়েকটি জেলায় প্রায় শতভাগ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।
এর মধ্যে গাজীপুর জেলা উল্লেখযোগ্য। গাজীপুরে মোট ৯৩৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৪৭টি ঝুঁকিপূর্ণ
হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের অধিকাংশে ইতিমধ্যে বিশেষ বরাদ্দের আওতায় সিসিটিভি
স্থাপন করা হয়েছে। বাকি কেন্দ্রগুলোতেও আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ক্যামেরা স্থাপন সম্পন্ন
হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আজাদ
মজুমদার বলেন, সারা দেশে ২৯৯টি ভোটকেন্দ্র শনাক্ত করা হয়েছে, যেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ
নেই। এসব কেন্দ্রে সৌর বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনকে নির্দেশ
দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনে জেনারেটরের মাধ্যমে হলেও ভোটের দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে
হবে।
এদিকে
ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে
ব্যবস্থাপনার বিষয়েও নিকার সভায় আলোচনা হয়েছে। ঢাকার আয়তন ও জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ায় আইনশৃঙ্খলা
রক্ষা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক
পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা যায় কি না, তা নিয়ে
আলোচনা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) উত্তর ও দক্ষিণে বিভক্ত করা হবে, নাকি একাধিক
অংশে পুনর্গঠন করা হবে—এ বিষয়ে আলোচনা হলেও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত
হয়নি।
শফিকুল
আলম চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন,
ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। সেখানে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে আরও
জোরদার অভিযান চালানো হবে এবং আশপাশের এলাকায় লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে কম্বিং অপারেশন
পরিচালনা করা হবে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজধানীর সচিবালয় এলাকায় আনসার সদস্যদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়েছেন । তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেক) নিয়ে আসা হয়েছে।
রোববার (২৫ আগস্ট) রাতে অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
এর আগে রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে সচিবালয়ের সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এদিকে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সচিবালয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে ওসেকে তার চিকিৎসা চলছে। সচিবালয়ে অবরুদ্ধ থাকায় হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। জরুরি বিভাগের ওসেকে তাকে অক্সিজেন লাগিয়ে রাখা হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন তার বড় ধরনের কোনো সমস্যা হয়নি।
রাজধানীর সচিবালয় এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমকে আটক রাখার খবরে সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় আনসার সদস্যরা শিক্ষার্থীদের ধাওয়া করে। এ সময় কয়েকজনকে লাঠিপেটা করে আনসার সদস্যরা। পরে শিক্ষার্থীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে আনসার সদস্যরাও পিছু হটে।
প্রথমদিকে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হলেও একপর্যায়ে সেনাবাহিনী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে এবং পুলিশ কয়েকটি সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে।
তারও
আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম তাদের ফেসবুক পোস্টে আটক রাখার
বিষয়টি জানালে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জমা হতে থাকে। পরে রাত
৯টায় তারা সচিবালয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর জানিয়েছেন, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা সিটির সঙ্গে ৯ মার্চ পৌরসভা, জেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনও আছে। পরিস্থিতি ভালো আছে।
তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে ভোট বন্ধ করে দেওয়া হবে।
বুধবার (৬ মার্চ) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. আলমগীর বলেছেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি। যে সব জায়গা থেকে চাহিদা এসেছে সেখানে বেশি ফোর্স দিয়েছি। অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেটও দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমাদের মূল্যায়ন পরিবেশ ভালো। আশাকরি নির্বাচন ভালোভাবেই হবে। আমাদের প্রস্তুতি সব দিক থেকেই ভালো।
তিনি বলেছেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) বিষয়টা হলো আমাদের প্রকল্পে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। জনবল রাখা হয়নি। এজন্য নিয়মিত কর্মকর্তাদের দিয়েই বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির সহায়তায় রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকি। আমাদের আর্থিক, জনবলের সীমাবদ্ধতা আছে। এজন্য অনেকগুলো ইভিএমই কাজ করছে না। অচল হয়ে যাচ্ছে। ইভিএম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যেগুলো সচল পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোই ব্যবহারের জন্য পাঠানো হচ্ছে।
সিটি ভোটে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না, সে ধরনের কোনো ব্যবস্থা নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, ভোটের ক্ষেত্রে উত্তেজনা থাকেই। সব প্রার্থীই চায় নির্বাচনে জেতার জন্য। তবে এরকম কোনো ইয়ে নাই ওখানে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হবে, এ ধরনের তথ্য আমাদের কাছে নাই। তারপরও সতর্কতা হিসেবে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন থেকে তারা যে অতিরিক্ত ফোর্স চেয়েছে সেভাবে দিয়েছি। নিয়ন্ত্রণের বাইরে পরিস্থিতি চলে গেলে কেন্দ্রের নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারা বন্ধ না করলে আমরা (কমিশন) বন্ধ করে দেবো।
মন্তব্য করুন


দায়িত্বশীল
ভূমিকা পালন করে নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ করে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার
জন্য তারেক রহমান, ডা. শফিকুর রহমান এবং নাহিদ ইসলামের প্রতি অভিনন্দন, ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা
জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
শনিবার ( ১৪ ফেব্রুয়ারি ) পৃথক টেলিফোন আলাপে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি),
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই নেতাদের সঙ্গে কথা
বলেন।
এ
সময়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পরিমিতি, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণের ফলে
নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
প্রথমে
প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার দলের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে
বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানান।
প্রধান
উপদেষ্টা পরে শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামকে সাফল্যের জন্য এবং নির্বাচন পরবর্তী দায়িত্বশীল
ভূমিকা পালনের জন্য ধন্যবাদ জানান।
তিনি
আশা প্রকাশ করেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক দলগুলো একইভাবে
সহযোগিতাপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
বৃহত্তম রপ্তানি বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখতে
দ্রুত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনা শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি
বলেছেন, আগামী বছরগুলোতে বর্তমান শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশের
সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজারে বিদ্যমান বাণিজ্য সুবিধা সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
হয়ে উঠবে।
আজ
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউরোপীয় চেম্বার অব কমার্স ইন
বাংলাদেশ (ইউরোচ্যাম) চেয়ারপার্সন নুরিয়া লোপেজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান
জানান। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারও উপস্থিত
ছিলেন।
বৈঠকে
বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিনিয়োগ বাড়ানো, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক আরো সহজ ও কার্যকর
করা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
হয়। পাশাপাশি আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক
মোতায়েনের বিষয়টিও উঠে আসে।
অধ্যাপক
ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্প্রতি জাপানের সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব
চুক্তি (ইপিএ) সম্পন্ন করেছে। এর ফলে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে ৭ হাজার
৩০০টিরও বেশি বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হয়েছে।
তিনি
জানান, বাংলাদেশ অদূর ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে একই ধরনের
আলোচনা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যাতে ইইউ বাজারে বিশেষ করে তৈরি পোশাকসহ বাংলাদেশের
পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দীর্ঘমেয়াদে বজায় থাকে।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, জাপানের সঙ্গে ইপিএ আমাদের জন্য নতুন দরজা খুলে দিয়েছে। এটি আমাদের
রপ্তানি খাতে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আমরা অবশ্যই ইইউর
সঙ্গে একটি এফটিএ স্বাক্ষরের প্রত্যাশা করছি।
ইউরোচ্যামের
চেয়ারপার্সন নুরিয়া লোপেজ বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে উত্তরণের
পর বাংলাদেশ ইইউতে তার বিদ্যমান বাণিজ্য সুবিধা হারাতে পারে। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে
এফটিএ আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন।
তিনি
বলেন, একটি এফটিএ বাংলাদেশে আরও ইউরোপীয় বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি
করবে এবং উন্নত পশ্চিমা বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। তিনি উদাহরণ হিসেবে
ভারতের সঙ্গে ইইউর এফটিএ আলোচনা এবং ভিয়েতনামের স্বাক্ষরিত চুক্তির কথা উল্লেখ করেন।
লোপেজ
উল্লেখ করেন, ভারত ইইউর সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করছে, অন্যদিকে ভিয়েতনাম
এরইমধ্যে এমন একটি চুক্তি করেছে, যার ফলে উভয় মধ্যম আয়ের দেশই ইউরোপীয় বাজারে অগ্রাধিকারমূলক
প্রবেশাধিকার পাবে।
তিনি
বলেন, আমরা একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পক্ষে কথা বলছি। আমি বাংলাদেশে বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে
বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করার জন্য ইউরোপ যাব।
ইইউ
রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউর বাণিজ্যিক
সম্পর্ক নতুনভাবে বিকশিত হবে, তবে তা ২০২৯ সালের আগে কার্যকর হবে না।
তিনি
প্রায় ২০ কোটি মানুষের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে বাংলাদেশের কথা উল্লেখ করে
বলেন, দেশটিতে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি আনতে ইইউ দৃঢ় আগ্রহী। তিনি ২০২৬ সালে
একটি ইইউ-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম আয়োজনের প্রস্তুতির কথাও জানান।
মিলার
বলেন, আমরা প্রাথমিক রাজনৈতিক সংকেত খুঁজছি, যাতে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে
আসতে উৎসাহিত হয় এবং সমান সুযোগ পায়।
প্রধান
উপদেষ্টা ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর জন্য বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরের সুযোগের কথাও
তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক ব্যয়ে দেশের বিশাল দক্ষ শ্রমশক্তি কাজে লাগিয়ে
বাংলাদেশ বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
তিনি
বলেন, আমরা একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল গড়ে তুলছি। আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী
ব্যবসার জন্য একটি উৎপাদন হাবে পরিণত করা। আমরা বাংলাদেশে আরও ইউরোপীয় বিনিয়োগ চাই।
আসন্ন
সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে ইইউর বড় পরিসরের পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর সিদ্ধান্তে
সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি আমাদের গণতন্ত্র
পুনরুজ্জীবনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ আস্থার প্রতিফলন।
তিনি
নির্বাচনী প্রচারণার সামগ্রিক পরিবেশকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলেও মন্তব্য করেন।
বৈঠকে
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) সমন্বয়কারী ও সরকারের সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদও
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক “ড. মুহাম্মদ ইউনূস” দেশের নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারকে মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে সারা দেশে ক্যান্সার বিষয়ে, বিশেষ করে ফ্যাটি লিভারজনিত ও স্তন ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সিঙ্গাপুরের খ্যাতনামা ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক “তোহ হান চং-এর সঙ্গে” এক বৈঠকে এই আহ্বান জানান।
গত শনিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সিঙ্গাপুরের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক তোহ হান চং-এর সঙ্গে বৈঠককালে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় এখন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের মতো অসংক্রামক রোগগুলো মৃত্যুর প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। তিনি এই রোগগুলো প্রতিরোধে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর জোর দেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস আরও বলেন, "আমাদের দেশে এসব রোগ নিয়ে ব্যাপক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। ক্যান্সার বা হৃদরোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সহজ ও সাশ্রয়ী করতে হবে, বিশেষ করে মধ্যবিত্ত, নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র পরিবারের জন্য। বৈঠকে অধ্যাপক তোহ হান চং জানান, দক্ষিণ এশিয়ায় শত শত মিলিয়ন মানুষ ফ্যাটি লিভার রোগে আক্রান্ত, যা লিভার ক্যান্সারসহ গুরুতর রোগের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি এই রোগ সম্পর্কে আরও বেশি সচেতনতা তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরেন। প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে স্বল্প ব্যয়ে ও ব্যাপকভাবে স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং চালুর প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতা বাড়ানোর, বিশেষ করে বাংলাদেশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সহায়তা করার আহ্বান জানান।
অধ্যাপক তোহ জানান, চলতি সপ্তাহে সিঙ্গাপুরের বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন এবং এমন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রতি বছর অব্যাহত থাকবে। এই বৈঠকে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ক্যান্সার সেন্টারের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অধ্যাপক তোহ হান চং-এর সঙ্গে ছিলেন সিংহেলথ ডিউক-এনইউএস গ্লোবাল হেলথ ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক বিজয়া রাও এবং সিংহেলথ ও এডিনবারা ন্যাপিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার ম্যানেজমেন্ট বিশেষজ্ঞ কালউইন্ডার কৌর।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে কৃষিঋণ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিতে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। এতে অর্থ, বাণিজ্য, স্থানীয় সরকার, আইনসহ সব মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা অংশ নেন। সংক্ষিপ্ত এই বৈঠকে কৃষিঋণ সংক্রান্ত একটিমাত্র এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। তিনি জানান, শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতের কৃষকেরা এ সুবিধা পাবেন। এ সিদ্ধান্তের ফলে মওকুফ হবে মোট ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। এতে প্রায় ১২ লাখ কৃষক সুফল পাবেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ নেওয়ার পর যত সুদই হোক, সুদ-আসলসহ পুরোটা মওকুফ হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এই হারে কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী করা। এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা ঋণের দায় থেকে মুক্ত হতে পারবেন, যা তাঁদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
নাসিমুল গনি আরও বলেন, ঋণের কিস্তি বাবদ যে অর্থ কৃষকের ব্যয় হতো, সেই অর্থ তাঁরা উন্নত মানের বীজ বা আধুনিক সেচপ্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। মাথার ওপর ঋণের বোঝা না থাকায় কৃষক পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে সক্ষম হবেন। এ ছাড়া এই মওকুফ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড বা ঋণমান ভালো হবে। ফলে তাঁরা ব্যাংক থেকে আবার স্বল্প সুদে কৃষিঋণ গ্রহণ করতে পারবেন, যা তাঁদের স্থানীয় মহাজনি ঋণের উচ্চ সুদের হাত থেকে রক্ষা করবে।
মন্তব্য করুন


আগামী নির্বাচন ও গণভোটে শতভাগ সততা, নিরপেক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এবারের নির্বাচন গতানুগতিক কোনো নির্বাচন নয়; বরং এটি দেশ রক্ষার নির্বাচন।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সদ্য পদায়নকৃত ৫০ জেলা প্রশাসকসহ ৬৪ জেলার প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আগামী নির্বাচনকে শুধু পাঁচ বছরের সরকার গঠনের একটি নির্বাচন নয়; বরং গণভোট যুক্ত হওয়ায় এটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ নির্বাচন হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এটা সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি নির্বাচন। জাতি বহু প্রহসনের নির্বাচন দেখেছে, সেই স্মৃতি ছাপিয়ে যেতে আমাদের ভূমিকা রাখতে হবে।”
“এটা গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নির্বাচন; এই নির্বাচন গণঅভ্যুত্থানকে
পূর্ণতা দেওয়ার নির্বাচন। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জাতির জন্য নির্ধারিত হবে
শতাব্দীর গতিপথ,” বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
এই নির্বাচনে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ
করে তিনি বলেন, কোনোভাবেই ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জাতি
নবজন্ম লাভ করবে এবং জেলা প্রশাসকরা থাকবেন ধাত্রীর ভূমিকায়।
জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আপনাদের যা যা
জানা প্রয়োজন সব জেনে নেবেন। নির্বাচনকে একই সঙ্গে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ করতে
হবে।”
তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে বিপুল সংখ্যক তরুণ ও নারী ভোটার রয়েছেন,
যারা ভোট দেওয়ার উপযুক্ত হলেও গত ১৫ বছর ধরে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ইতোমধ্যে আগামী নির্বাচনের
বিষয়ে গভীর উৎসাহ দেখাচ্ছেন। তাঁরা দেখতে চান কেমন নির্বাচন হচ্ছে—এটা নিয়ে
তাঁদের গভীর আগ্রহ।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই নির্বাচনকে স্বার্থক করা গণঅভ্যুত্থানের
প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি। এই নির্বাচন একটি বিরাট অভিযান, এ অভিযানে আমাদের
জিততেই হবে।”
তিনি বলেন, “স্বাধীন জাতি হিসেবে টিকে থাকতে হলে এ লড়াইয়ে আমাদের
জিততেই হবে।”
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব শেখ আব্দুর রশীদের সঞ্চালনায় বৈঠকে আরও
উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং আইন উপদেষ্টা
প্রফেসর আসিফ নজরুল।
অনুষ্ঠানে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে ঢাকার বিভাগীয়
কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক এবং বগুড়ার
জেলা প্রশাসক মো: তৌফিকুর রহমান বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ,
বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা
হাসান বলেছেন, রাজধানীসহ সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারি
কর্মকমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৫ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার
(৪ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস
ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা জানান, রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আজ
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অতিরিক্ত দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তিনি
বলেন, গ্রামগঞ্জে মানুষ চিকিৎসা পায় না। তাদের তাদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসক
নিশ্চিত করার অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য।
সৈয়দা
রিজওয়ানা হাসান বলেন, পিএসসির মাধ্যমে ৩ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগের
প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এটার অতিরিক্ত হিসেবে আরও ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের
সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
প্রেস
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ডেপুটি প্রেস
সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, ডেপুটি প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর এবং সহকারী
প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি।
মন্তব্য করুন