

পাবনার
ঈশ্বরদীতে আটটি কুকুরছানাকে বস্তায় ভরে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার
রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন বাদী হয়ে প্রাণী কল্যাণ
আইন, ২০১৯–এর ৭ ধারায় এ মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় উপজেলা ক্ষুদ্র
কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমানের স্ত্রী নিশি রহমানকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে
পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঈশ্বরদী পৌর সদরের রহিমপুর গার্লস স্কুলের
পাশে একটি বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
ঘটনাটি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়। প্রাণী
কল্যাণ আইন লঙ্ঘন হওয়ায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার বিষয়টিকে
‘অমানবিক’ উল্লেখ করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপরই মামলার
প্রক্রিয়া শুরু হয় বলে নিশ্চিত করেন বাদী আকলিমা খাতুন।
সপ্তাহখানেক
আগে তার সরকারি বাসার আঙিনায় একটি মা কুকুর আট ছানার জন্ম দেয়। পরে ছানাগুলোকে আর খুঁজে
পাওয়া যাচ্ছিল না। সোমবার সকালে মা কুকুরটিকে অস্থির অবস্থায় ঘোরাঘুরি করতে দেখলে স্থানীয়রা
অনুসন্ধান শুরু করেন। পরে জানা যায় ছানাগুলোকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা পুকুর থেকে মৃত ছানাগুলো উদ্ধার করে মাটিচাপা দেন।
এদিকে
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তা হাসানুর রহমানকে সরকারি কোয়ার্টার ছাড়ার
নির্দেশ দেয়। সে অনুযায়ী তিনি মঙ্গলবার বিকালে কোয়ার্টার ছেড়ে যান। ঘটনার বিষয়ে হাসানুর
রহমান জানান, “সন্তানদের নিরাপত্তার জন্য স্ত্রী ছানাগুলোকে সরিয়ে দিতে বলেছিলেন। তবে
এগুলো মারা যাবে—এটা ভাবিনি। আমি দুঃখিত।”
মন্তব্য করুন


তরুণদের মাধ্যমে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার
আধুনিকায়নের আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া।
বুধবার (৯ অক্টোবর) ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা
ও সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের (২য় পর্যায়) উদ্বোধনের পর এ আহ্বান জানান
তিনি।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মিলনায়তনে এ
আয়োজন করে যুব উন্নয়ন অধিদফতর। দুই দিনব্যাপী এই কোর্সের আওতায় প্রতি ব্যাচে ৩০০
জন করে সাতটি ব্যাচে মোট ২ হাজার ১০০ জন প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
বলেন, ‘যানজট বাংলাদেশের একটি অন্যতম সমস্যা। গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের পর
তিন দিন দেশে সরকার ছিল না। ঠিক সেই সময় সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে শিক্ষার্থীরা রাস্তায়
নেমে আসে। যানজট নিরসনে ছাত্ররাই প্রথম ট্রাফিক পুলিশের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে। কোনও
প্রশিক্ষণ না থাকা সত্ত্বেও তরুণ ছাত্র-যুবরা দিন-রাত সড়কের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়
নিরলসভাবে কাজ করেন। দেশ পুনর্গঠনে তরুণদের দায়িত্ব নিতে হবে। আমরা তারুণ্যের শক্তিকে
কাজে লাগিয়ে একটি আধুনিক সুন্দর দেশ গড়তে চাই। এ জন্য ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সবাইকে
সচেতন হতে হবে। ট্রাফিক আইন বিষয়ে সবার মাঝে সামাজিক সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে ম্যানুয়াল পদ্ধতি থেকে আধুনিকায়নে উত্তরণ ঘটাতে হবে।’
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো.
রেজাউল মকছুদ জাহেদী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্রদের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নজিরবিহীন
দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল; যার সুফল আমরা পেয়েছি। উপদেষ্টার দিক-নির্দেশনা এবং সবার
সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব উন্নয়ন
অধিদফতরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান।
মন্তব্য করুন


ভারতের
মধ্যপ্রদেশের ভোপাল শহরে নজিরবিহীন এক ঘটনা ঘটেছে।
মধ্যপ্রদেশ পুলিশ সদর দপ্তরে কর্মরত নারী পুলিশ কর্মকর্তা, ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি)
কল্যাণা রঘুবংশীর বিরুদ্ধে চুরির মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, তিনি এক বন্ধুর বাড়ি
থেকে নগদ ২ লাখ রুপি
ও একটি মোবাইল ফোন চুরি করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে ভোপাল শহরের জহাঙ্গীরাবাদ থানা এলাকায়।
অভিযোগ
অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারী গোসলে যাওয়ার আগে নিজের মোবাইল ফোন চার্জে দিয়ে যান। সেই সময়ে ডিএসপি রঘুবংশী তার বাড়িতে প্রবেশ করে ব্যাগে রাখা নগদ টাকা ও একটি মোবাইল
ফোন নিয়ে চলে যান।
ভুক্তভোগী
ফিরে এসে টাকাপয়সা ও ফোন না
পেয়ে বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করেন। ফুটেজে দেখা যায়, ডিএসপি রঘুবংশী বাড়িতে ঢুকছেন ও কিছুক্ষণ পর
হাতে টাকার বান্ডেল নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন।
এই
দৃশ্য দেখে হতবাক হয়ে তিনি সঙ্গে সঙ্গে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ওই ফুটেজের ভিত্তিতে
ডিএসপি রঘুবংশীর বিরুদ্ধে চুরির মামলা রুজু করেছে। অভিযোগের পর থেকে অভিযুক্ত
কর্মকর্তা পলাতক। তাকে ধরতে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
ঘটনাটি
গোটা পুলিশ বিভাগে চাঞ্চল্য ও বিব্রতকর পরিস্থিতি
তৈরি করেছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা আইনের ঊর্ধ্বে নন। এ ঘটনার স্বচ্ছ
ও কঠোর তদন্ত হবে বলেও জানান তারা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার এমপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী
চৌধুরীর ভাড়া বাসার সামনে ককটেল হামলার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার
(১৩ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে দুর্বৃত্তরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে
আশপাশের এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের
খবর পাওয়া যায়নি।
ঘটনার
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন
বলেন, ‘নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত করার জন্য জামায়াতের প্রার্থীর বাসার সামনে
দুর্বৃত্তদের ককটেল হামলা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। অনতিবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে
আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তিনি
এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি
আকর্ষণ করেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
খাগড়াছড়ি
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কায় কিসলু জানান, ‘পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদশন
করেছে। স্থানীয়রা বিকট শব্দের আওয়াজ শুনলেও বিস্ফোরকের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে
প্লাস্টিকের টুকরা পাওয়া গেছে। সেটি পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো
হবে।
মন্তব্য করুন


বিপিএলের ১২তম আসরের খেলোয়াড় নিলাম রোববার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনের গ্র্যান্ড বলরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। নিলাম শুরুতেই তুলে নেওয়া হয় নাইম শেখ ও লিটন দাসকে, তবে অভিজ্ঞ দুই ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ কোনো দল পাননি।
চট্টগ্রাম রয়্যালস ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় দলে ভেড়ায় ওপেনার নাইমকে। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে থাকা নাইমকে নিতে প্রতিযোগিতায় নেমেছিল সিলেট, রংপুর ও নোয়াখালী—শেষ পর্যন্ত বিডের লড়াই জিতে চট্টগ্রামই তাকে দলে পায়।
অন্যদিকে রংপুর রাইডার্স ৭৫ লাখ টাকায় দলে নেয় উইকেটকিপার ব্যাটার লিটন দাসকে।
তবে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে থাকা মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর প্রতি কোনো দল আগ্রহ দেখায়নি, ফলে দুজনই প্রথম ডাকে অবিক্রিত থেকে যান।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, নারীদের সম্ভাবনা ও কর্মদক্ষতাকে উৎপাদনমুখী কাজে সম্পৃক্ত করে উন্নত
বাংলাদেশ গড়ার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ
করে যাচ্ছে।
উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন
করতে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের নারীরা- এ কথা উল্লেখ করে
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের নারী সমাজের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এটাই
হোক আমাদের অঙ্গীকার।’
‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষ্যে
আজ দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘৮ মার্চ, আন্তর্জাতিক
নারী দিবস। ১৯৭৫ সালে ৮ মার্চকে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান
করে। নারী অধিকার রক্ষায় এই দিনটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রতি বছর
উদযাপিত হয়। এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়:‘অধিকার, সমতা, ক্ষমতায়ন-নারী ও কন্যার
উন্নয়ন’। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের আকাঙ্ক্ষায় ছাত্র-শ্রমিক-জনতা যে গণ-অভ্যুত্থান
সংগঠিত করেছিল গত জুলাই-আগস্টে তার সম্মুখ সারিতে ছিল নারী। লক্ষ লক্ষ ছাত্রী বিভিন্ন
ক্যাম্পাসে দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হয়েছে। একাধিক নারী এই গণ-অভ্যুত্থানে
শাহাদত বরণ করেছেন। আমি এই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারীদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি
এবং জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’ দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। তারা
এগিয়ে যাচ্ছে সর্বক্ষেত্রে। নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক
উন্নয়নসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে মহিলা
ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। নির্যাতিত, দুস্থ ও অসহায়
নারীদের জন্য শেল্টার হোম, আইনি সহায়তা দিতে
‘মহিলা সহায়তা কেন্দ্র’, কর্মজীবী মহিলাদের আবাসন ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থান
সৃষ্টির লক্ষ্যে সহায়তা ও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে
ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অদম্য মেয়েরা
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বমহিমায় এগিয়ে যাচ্ছে। নারীর অর্জনকে স্বীকৃতি
দিতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ ও ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদানসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,দেশের সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটি কমিয়ে তালিকা সংশোধন করা হয়েছে। এতে পবিত্র রমজানের প্রথম ১৫ দিন ক্লাস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বছরের শুরুতে প্রকাশিত বাৎসরিক ছুটির তালিকায় ১১ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি রাখা হয়েছিল। আর পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ, জাতীয় শিশু দিবস, স্বাধীনতা দিবস, ইস্টার সানডেসহ বেশ কয়েকটি সরকারি ছুটির সমন্বয়ে দীর্ঘ এ সময় ক্লাস বন্ধ রাখার কথা ছিল। তবে তা থেকে সরে এসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গত ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে ৩৭.০০.০০০০.০৭১.০৪.০০২.০২ (অংশ)-৬৪০ নং স্মারকে জারিকৃত সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের ২০২৪ সালের (১৪৩০-১৪৩১ বঙ্গাব্দ) শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এই সংশোধনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১১ মার্চ ২০২৪ হতে ২৫ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত মোট ১৫ দিন সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।
২০২৪ সালে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে ১১ অথবা ১২ মার্চ। তবে শাবান মাসের শেষে রমজানের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে এই তারিখ পরিবর্তন হতে পারে আর সে হিসাবে রমজানে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চালু থাকবে ক্লাস ।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন
খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) ও প্রেসিডেন্ট
গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। ভিভিআইপি
প্রটোকলের অংশ হিসেবে , আজ (০২ নভেম্বর ) মঙ্গলবার দুপুর থেকে তারা দায়িত্ব পালন শুরু
করেছেন।
হাসপাতাল ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ২টা ২০ মিনিট থেকে এসএসএফের ৭ জন কর্মকর্তা নিরাপত্তার দায়িত্ব বুঝে নেন।
এ সময় তাদের সঙ্গে পিজিআরের ডেপুটি কমান্ডার কর্নেল ইমতিয়াজ ও মেজর আহনাফ উপস্থিত ছিলেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পিজিআরের সদস্যরা হাসপাতালের গাড়ি পার্কিং এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন।
এ ছাড়া ইউনিটের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা হাসপাতালের ৪ র্থ তলায় খালেদা জিয়ার কেবিনের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছেন।
হাসপাতালে মোট কতজন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে বা কীভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কেমন হবে,
সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি
বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় কুমিল্লায় চলছে ধারাবাহিক বিশেষ প্রার্থনা, কুরআন খতম, খাবার বিতরণ ও সদকার কর্মসূচি। স্থানীয় নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে টানা আটদিন ধরে এ আয়োজন রাজধানীর বাইরে অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয়–মানবিক উদ্যোগ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং কুমিল্লা-৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের উদ্যোগে এ ধারাবাহিক কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। তার সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিদিন কুরআন তেলাওয়াত, বিশেষ মোনাজাত, খাবার বিতরণ এবং বিভিন্ন এতিমখানায় গবাদিপশু সদকার আয়োজন করা হচ্ছে। দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) কান্দিরপাড় বিএনপি কার্যালয়ে দিনব্যাপী কুরআন খতম অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে অনুষ্ঠিত বিশেষ দোয়ায় দেশনেত্রীর দীর্ঘায়ু, রোগমুক্তি এবং দেশের শান্তি–স্থিতিশীলতা কামনা করা হয়। এর আগে দুপুরে বিভিন্ন এতিমখানার শিশুদের খাবার পরিবেশন করা হয়। অংশগ্রহণকারী নেতারা জানান, মানবিক এই আয়োজনে কুমিল্লার মানুষ ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত হচ্ছেন, যা দেশনেত্রীর প্রতি জনগণের ভালোবাসার প্রতিফলন।
দলীয় কার্যালয়ে দোয়ার অনুষ্ঠানে বক্তব দেন সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এসএ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, মাহবুবুর রহমান দুলাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহবায়ক কাজী শাহিনুর, মহানগর যুবদলের সদস্য–সচিব রুমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য–সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানাসহ অন্যরা।
জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালমান সাইদ, মহানগর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিব, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রবিন, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
নেতারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও রাজনীতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাই তার রোগমুক্তি প্রত্যাশায় কুমিল্লা বিএনপি ও অঙ্গ–সংগঠনগুলো মানবিক ও ধর্মীয় কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। দোয়া–মোনাজাতে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষও দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় আন্তরিক প্রার্থনা করেন।
মন্তব্য করুন


সাংবাদিকদের
অধিকার প্রশ্নে সরকারের দায়িত্ব নিয়ে সমালোচনা করতে গিয়ে গণমাধ্যমের মালিকরা দায়িত্ব
এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন,
দায়িত্ব পালনে সরকারের ব্যর্থতা আছে, পাশাপাশি অন্য যাদের দায়িত্ব আছে কি দায়িত্ব পালন
করছে, এটাও বড় ব্যর্থতা। তাদের ব্যর্থতাও তুলে ধরা হবে। জুলাই-আগস্টে ছয়জন সাংবাদিক
নিহত হয়েছেন, তারা যেমন গুলিতে নিহত হয়েছেন।
আবার
বিরূপ পরিস্থিতিতে কাজ করার সময় এসব সাংবাদিকের কোনো প্রটেকটিভ ইক্যুইপমেন্ট দেওয়া
হয়নি।
আজ
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে জার্নালিস্ট সাপোর্ট
ডেস্ক হ্যান্ডওভার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল
আলম বলেন, যেসব সাংবাদিকরা সামনে থেকে সংবাদ সংগ্রহ করলেন, গুলির মধ্যে কাজ করলেন তাদের
একটি হেলমেট নেই, তাদের একটি প্রটেক্টিভ ভেস্ট ছিল না, টিয়ার গ্যাস থেকে রক্ষা পেতে
কোনো ব্যবস্থা ছিল না। আশ্চর্যের বিষয় হলো সংবাদপত্রের মালিকদের যে সংগঠন নোয়াব একজন
সাংবাদিকের নিরাপত্তা সামগ্রী দেন না।
কয়েকদিন
আগে অনেক বড় অনুষ্ঠান করেছেন। সেখানে তারা অনেক কথা বলেছেন। কিন্তু তারা কোনো সাংবাদিকের
নিরাপত্তা সামগ্রী নিয়ে কথা বলেননি। ছয়জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন তারা এটা কোনো বিবৃতি
দেননি। তারা তাদের কর্মী নিয়ে কোনো দায়িত্ব পালন করেননি।
ঐক্য
প্রশ্নে তিনি বলেন, কয়েকদিন পর আমি সাংবাদিকতায় ফিরতে চাই। আমিও মনে করি সব সাংবাদিকরা
ঐক্যবদ্ধ থাকুক। কিন্তু সেটা হতে হবে সবার জন্য। কয়েকজন লোকের জন্য সিলেক্টিভ ঐক্য
নয়।
সবার
জন্য ঐক্য থাকতে হবে। সাংবাদিক যখন যুদ্ধক্ষেত্রে যায় সবার কাছে থেকে সাপোর্ট চায়,
তার জন্য বিশেষ কোনো পরিস্থিতি থাকে না। তারা তাদের পাঠকের জন্য খবর সংগ্রহ করবে, খবর
সার্ভ করবে। সব এক রকম হতে পারে না। একজন সম্পাদককে অফিস থেকে টেনে হিছড়ে বের করে আনা
হবে তথ্য ঐক্যের কথা বলা হবে না, একটা বিবৃতি দেবো না, এটা হতে পারে না। ঐক্য তখনও
থাকতে হবে।
ফেডারেল
সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন বলেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় অন্য
কেউ যখন মাঠে দাঁড়াতে পারছিল না তখন সাংবাদিকরা মাঠে থেকেছে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের
পর সেই সাংবাদিকদের মূল্যায়ন করা হয়নি, জায়গামতো পদায়ন করা হয়নি। এর মাধ্যমে সাংবাদিকদের
সঠিক ব্যবহার করা হয়নি।
সরকারি একটি গণমাধ্যমে ফ্যাসিস্ট বসানো হয়েছে, এখনো বহাল। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ডিআরইউ নেতাদের সাক্ষাতের খবর রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমটিতে প্রকাশের অনুরোধ করা হলে ডিআরইউ নেতার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান এখনো এমন সাহস কোথায় থেকে পায়, তার জবাব চান ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের এ শীর্ষনেতা।
সিনিয়র
সাংবাদিক সোহরাব হাসান বলেন, এখন সাংবাদিক আক্রান্ত। সাংবাদিক আক্রান্ত হলে আর সাংবাদিকতা
থাকে না। এখন তাই হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর দুই শতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা
মামলা দেওয়া হয়েছে। অনেককে জেলে পাঠানো হয়েছে। কোনো সাংবাদিককে হত্যা মামলার আসামী
করে জেলে থাকবে এটা কোনোভাবে ভালো দেখায় না। কেউ সাংবাদিকতার নামে দালালি করলে তার
বিরুদ্ধে দালাল হিসেবে বিচার করা হোক, হত্যা মামলা নয়।
তিনি
সাংবাদিকদের ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, জুলাই পরবর্তী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে
সাংবাদিকদের ইউনিটি ধরে রাখতে পারলেও প্রেসক্লাব ধরে রাখলে পারলো না। কাউকে বাদ দিল,
কারো সদস্য পদ স্থগিত করলো। প্রেসক্লাবের নির্বাচনটাও শেষ পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।
তিনি
বলেন, সরকার সফলতার সঙ্গে এবং দ্রুত অনেক তদন্ত সম্পন্ন করেছে, কিন্তু সাগর-রুনির তদন্ত
করতে পারলো না। শুরুতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, শেষ পর্যন্ত তা রক্ষা করতে পারেনি। আগের
সরকারের সময়ে বারবার তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। কী এমন হলো কেউ
প্রতিবেদন দিতে পারছে না। তদন্ত প্রতিবেদন না দিতে না পারলে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে
সরে যাওয়া হোক।
জুলাই
আন্দোলন পরবর্তী কোন কোন গণমাধ্যমের অফিস দখল করা হয়েছে, মহল বিশেষের চাপে সাংবাদিকদের
চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কেন চাকরিচ্যুত করা হয়েছে সে কথাটিও বলা হয়নি। এগুলো সাংবাদিকের
নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলে বলে মন্তব্য করেন সোহরাব হাসান।
ডিআরইউ
সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, সাংবাদিকরা ঘরে, বাইরে এবং অফিসে নির্যাতন ও নিগ্রহের শিকার
হচ্ছে। বেতনের নিরাপত্তা না থাকার কারণে পকেটে টাকা থাকে না। এজন্য পরিবারে নির্যাতনের
শিকার হন। খবর সংগ্রহ করতে বাইরে গিয়ে গন্তব্যে পৌছতে না পেরে নিগ্রহের শিকার হন। আর
পকেটে টাকা না থাকার কারণে ভালো রিপোর্টটি না দিতে পেরে নিগ্রহের শিকার হন। শুধু আইনি
নিরাপত্তা নয়, সাংবাদিকের বেতন-ভাতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। যাতে ব্যক্তি, পরিবার,
সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
রাজনৈতিক
পালা বদলে সাংবাদিক হত্যা মামলায় দুই শতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা নিয়ে
দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গে টেনে ডিআরইউ সভাপতি বলেন, এখন উষ্ণ পরিবেশে উষ্ণ দাবি তোলা
হচ্ছে। অতীতে ভিন্ন মত হওয়ার কারণে যখন ৭ নম্বর ক্রমিকের নয়া দিগন্ত পত্রিকা ৫৭ নম্বরে
নামিয়ে দেওয়া হয় তখন কোনো কথা উঠে না, এখন কথা উঠছে। আগেও এ ধরনের কথা উঠা দরকার ছিল।
ঢাকা
সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইইজে) সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, অতীতে যাদের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের
নিয়ে কাজ করা হয়েছে, সাগর-রুনি হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন দাবি দাওয়া দিয়ে কর্মসূচি শুরু
হয়েছে তখন মনে করেছে সাংবাদিকদের স্বার্থ ও নিরাপত্তায় দাবি জানাতে থাকলে সরকার বিরক্ত
হবে। তাই কারা আন্দোলন-কর্মসূচি থেকে পিছিয়ে আসে। এজন্য সাগর-রুনির হত্যার বিচার করা
যায়নি। সাংবাদিকের অধিকার ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক
মাইনুল হাসান সোহেল।
অনুষ্ঠানে
আরও বক্তব্য রাখেন ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক এমএম বাদশাহ, ডিআরইউ এর সাবেক নারী বিষয়ক
সম্পাদক নাদিয়া শারমিনসহ ইউনিসেফের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে
ইউনিসেফের পক্ষ থেকে ডিআরইউকে জার্নালিস্ট হেল্প ডেস্ক হস্তান্তর করা হয়। পেশাগত দায়িত্ব
সম্পর্কিত যে কোনো আইনি সহায়তা দেবে এ হেল্প ডেস্ক। আইনি কোনো সহায়তা চেয়ে ডেস্কে ফোন
করার সঙ্গে এ হেল্প ডেস্ক যেখানে যে ধরনের সহায়তা প্রয়োজন সহায়তা দেবে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনে
নিরাপত্তা দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে ধরনের প্রস্তুতি প্রয়োজন, সব ধরনের প্রস্তুতি
নেওয়া আছে বলেও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী।
তিনি
বলেন, যে সময় নির্বাচন হবে, সে সময়ের জন্য যে ধরনের প্রস্তুতি দরকার আমরা সেই ধরনের
প্রস্তুত রয়েছি।
আজ
শনিবার (১৪ জুন) বিকেলে র্যাব-১ অফিস পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এটা আপনারাও বলছেন। গত ১১ মাসে
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে।
মন্তব্য করুন