

স্ত্রী
আফরা ইভনাত ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ছোট পর্দার জনপ্রিয়
অভিনেতা জাহের আলভী (মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া) এর ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার
(২৪ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুণী মীরের আদালত এ আদেশ দেন। মামলার
তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির মিরপুর বিভাগের পরিদর্শক মো. আব্দুল মালেক আসামিকে আদালতে হাজির
করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডের
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএমএম কোর্টের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট হারুনুর
রশিদ।
এর
আগে, গত ১৮ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ
করে জামিন আবেদন করেন জাহের আলভী। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে
কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে
আফরা ইভনাত ইকরাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে স্বজনরা
তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার
পর ইকরার বাবা কবির হায়াত খান মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের
পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।
উল্লেখ্য,
একই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন
লাভ করেন।
মন্তব্য করুন


নারীদের কাছে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় প্রসাধনী হচ্ছে লিপস্টিক। ঠোঁট রাঙাতে এই প্রসাধনীর জুড়ি মেলা ভার। অনেকের কাছে এটি শুধু ঠোঁট রাঙানোর উপকরণ নয়, বরং ব্যক্তিত্ব, আত্মবিশ্বাস ও ফ্যাশনেরও প্রতীক। এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যারা লিপস্টিক ছাড়া ঘর থেকেই বের হতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। তবে এই লিপস্টিকের জন্যই যে একটি বিশেষ দিন রয়েছে, তা অনেক লিপস্টিকপ্রেমীই জানেন না। এই জনপ্রিয় প্রসাধনীকে ঘিরেই প্রতি বছর ২৯ জুলাই পালিত হয় লিপস্টিক দিবস। আজ বুধবার (২৯ জুলাই) বিশ্বজুড়ে লিপস্টিকপ্রেমীরা দিনটি উদযাপন করছেন।
লিপস্টিকের
ইতিহাসও বেশ সমৃদ্ধ। ইতিহাসবিদদের মতে, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে প্রাচীন মেসোপটেমিয়ায়
নারীরা গুঁড়ো করা মূল্যবান পাথর দিয়ে ঠোঁট রাঙাতেন। প্রাচীন মিসরে লাল ঠোঁট ছিল সৌন্দর্য
ও সামাজিক মর্যাদার প্রতীক। সে সময় নারী-পুরুষ উভয়েই ঠোঁটে রং ব্যবহার করতেন। ইতিহাসে
উল্লেখ রয়েছে, মিশরের বিখ্যাত রানি ক্লিওপেট্রাও প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি লাল রঙের ঠোঁটের
প্রসাধনী ব্যবহার করতেন।
প্রাচীন
গ্রিস ও রোমেও ঠোঁট রাঙানোর প্রচলন ছিল। সময়ের পরিবর্তনে বিভিন্ন সমাজে এর জনপ্রিয়তায়
ওঠানামা হলেও শেষ পর্যন্ত এটি বিশ্বজুড়ে সৌন্দর্যচর্চার অন্যতম অপরিহার্য অনুষঙ্গ হিসেবে
প্রতিষ্ঠা পায়।
আধুনিক
লিপস্টিকের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হয় ১৮৮৪ সালে। তখন এটি কাগজে মোড়ানো অবস্থায় বিক্রি
হতো। পরে ধাতব আবরণে লিপস্টিক তৈরি হলে ব্যবহার আরও সহজ হয়ে যায়।
বিশ
শতকে চলচ্চিত্র, ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি এবং বিজ্ঞাপনের প্রসারের সঙ্গে লিপস্টিকের জনপ্রিয়তা
নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যায়। হলিউড তারকা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন আইকনদের হাত
ধরে এটি হয়ে ওঠে সৌন্দর্য ও স্টাইলের অন্যতম প্রতীক।
বর্তমানে
ম্যাট, গ্লসি, সাটিন, লিকুইড কিংবা টিন্ট—বিভিন্ন ধরনের লিপস্টিক বাজারে পাওয়া
যায়। রঙের বৈচিত্র্যও এখন অসীম। তাই সৌন্দর্যচর্চার পাশাপাশি ব্যক্তিত্ব প্রকাশের মাধ্যম
হিসেবেও লিপস্টিকের গুরুত্ব দিন দিন বেড়েই চলেছে।
শুধু
একটি প্রসাধনী নয়, হাজার বছরের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ফ্যাশনের বিবর্তনের সাক্ষী এই লিপস্টিক।
আর সেই দীর্ঘ পথচলাকেই স্মরণ করে প্রতিবছর ২৯ জুলাই বিশ্বজুড়ে পালিত হয় জাতীয় লিপস্টিক
দিবস।
মন্তব্য করুন


গণভবনকে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের
জাদুঘর নির্মাণের জন্য উপদেষ্টাদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) গণভবন পরিদর্শনের
সময় এই নির্দেশ দেন তিনি।
‘‘গণভবনে ক্ষমতাচ্যুত ‘স্বৈরশাসক’ শেখ
হাসিনা গত ১৫ বছর ধরে বাস করেছিলেন, যা দমন ও তার নৃশংস শাসনের প্রতীক হয়ে উঠেছে’’
বলে উল্লেখ করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
গণভবনের ধ্বংসাবশেষ পরিদর্শনকালে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘তার (শেখ হাসিনা) দুঃশাসনের স্মৃতি এবং জনগণ যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল, যখন তারা তাকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করেছিল, সেসব জাদুঘরের রাখা উচিত হবে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার কয়েক মুহূর্ত পর ৫ আগস্ট গণভবনে কয়েক লাখ বিক্ষোভকারী হামলা চালায়। বিক্ষোভকারীরা গণভবনের দেয়াল ও কক্ষে গ্রাফিতি এঁকে এবং খুনি হাসিনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী নোট লিখে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আয়নাঘর, যেখানে হাসিনার কুখ্যাত নিরাপত্তা সংস্থাগুলো গোপনে শত শত ভিন্নমতাবলম্বী ও বিরোধী কর্মীকে আটক করেছিল, তার একটি রেপ্লিকাও গণভবনের জাদুঘরে নির্মাণ করা উচিত। আয়নাঘরের উচিত দর্শকদের গোপন বন্দিদের নির্যাতনের কথা মনে করিয়ে দেওয়া।
গণভবন পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ।
এসময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী
মাহফুজ আলমও উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক ইউনূস উপদেষ্টাদের জাদুঘর বিশেষজ্ঞদের
সঙ্গে পরামর্শ করতে বলেন। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জাদুঘরের জন্য প্রস্তাব চূড়ান্ত
করতে বলেন তিনি।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০০৯ সাল
থেকে শুরু হওয়া হাসিনার শাসনের অপকর্মগুলো জাদুঘরে যত্নসহকারে সংরক্ষণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় লিপি আক্তার (৪০) নামে এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি ও তার স্বামী মো. সুমনকে (৩০) গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
শনিবার (৩০ মে) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১১ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক সিনিয়র এএসপি মিঠুন কুমার কুণ্ডু।
তিনি জানান, উপজেলা সদরের নোয়াপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় একা বসবাস করতেন লিপি আক্তার। তার তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ঈদুল আজহার দিন ২৮ মে বিকেলে তার মেয়ে মায়ের সঙ্গে দেখা করে শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন সকালে মুঠোফোনে খবর পেয়ে তিনি মায়ের বাসায় এসে খাটের ওপর লিপি আক্তারের মরদেহ দেখতে পান।
এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামিদের গ্রেফতারে মাঠে নামে র্যাব।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার ভোরে র্যাব-১১ সিপিসি-২ এবং র্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে গাজীপুর সদর থানার ধীরাশ্রম বুড়ি বটতলা এলাকা থেকে মো. সুমনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত সুমন একজন মাদকাসক্ত। লিপি আক্তার ছিলেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী। ঘটনার রাতে তিনি লিপি আক্তারের বাসায় অবস্থান করেন। পরদিন ভোরে নিহতের মোবাইল ফোন নিয়ে চলে যাওয়ার সময় লিপি বাধা দিলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে সুমন তাকে বিছানায় ফেলে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেফতার এড়াতে তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেন। পরে র্যাবের অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিকে বুড়িচং থানায় হস্তান্তরসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের
গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম নুঠুরচর গ্রামের এক ইউপি সদস্য সরকারি
রাস্তার (হালট) ইট তুলে নিয়ে নিজ বাড়িতে পাকা বাথরুম বানিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওই ইউপি সদস্যের নাম আয়েশা বেগম। তিনি ওই ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের
মহিলা সদস্য।
সরেজমিন
গিয়ে দেখা যায়, গোপালপুর উপজেলা গ্রামীন অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচি(কাবিটা) মোতাবেক
(উপজেলা পরিষদ ওয়ারী) ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে (১ম ও ২য় পর্যায়)পশ্চিম নুঠুরচর গ্রামের জসিম
মিয়ার বাড়ি থেকে আজমত হোসেনের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৬শ মিটার গ্রামীন
সড়ক বা হালটে মাটি ভরাট ও ইটের সলিং করা হয়।
গ্রামের
মোড়ল আব্দুল হালিম অভিযোগ করেন, পাশেই প্যারাজানি বিল। সেখানে সহস্রাধিক একরে বোরো
ও রোপা আবাদ হয়। বিলে হালচাষ এবং সেখান থেকে ফসল ঘরে আনার জন্য সড়কটি একমাত্র অবলম্বন।
এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন গ্রামীন সড়কটি মেরামত ও ইটের সলিং করে।
প্রকল্পের
সভাপতি ছিলেন ইউপি সদস্য আয়েশা বেগম নিজেই। আর কাজের ঠিকাদারি পান স্বামী তোফাজ্জ্বল
হোসেন। কিন্তু দুই মাস আগে ইউপি সদস্য ও তার স্বামী দুজনে মিলে দিন দুপুরে রাস্তার
সকল ইট তুলে রিকসা ভ্যানে করে বাড়ি নিয়ে যায়।
গ্রামবাসীরা
ইট তোলার কারণ জানতে চাইলে বলা হয়, রাস্তা পাকা হবে। তাই ইট তুলে খোয়া বানানো হবে।
পরে সেই ইট দিয়ে তারা বাড়িতে পাকা বাথরুম বানায়।
এদিকে ইট তুলে নেওয়ায় চলতি বর্ষায় রাস্তার মাটি ধ্বসে পড়ছে। ফলে মাঠ থেকে কৃষকরা
বোরো ধান বাড়ি নিয়ে আসতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
গ্রামের
প্রবীন আব্দুল জলিল জানান, স্বামী-স্ত্রী দুইজনে মিলা সরকারি টেহায় ইচ্ছামত ইটের রাস্তা
বানাইছে। আবার তারাই দিন দুপরে রাস্তার ইট তুইলা নিয়া বাড়িতে গোছলখানা আর পাকা পায়খানা
দিছে। এরা প্রভাবশালী। কিছু কইতে গেলেই মাইরতে আসে। তাই সবাই চুপচাপ হইয়া আছে।’
গত রবিবার ওই ইউপি সদস্যের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার কাজের সাইনবোর্ডটি বাথ রুমের
পাশে পড়ে রয়েছে। এ ব্যাপারে ইউপি সদস্যের স্বামী
এবং ঠিকাদার তোফাজ্জল হোসেন জানান, তিনি ওই অর্থ বছরে ওই ইউনিয়নের ৪টি গ্রামীন সড়ক
সলিং করার কাজ পান।
কাজ
শেষে সাড়ে তিন হাজার ইট থেকে যায়। সেই ইট দিয়ে বাড়িতে পাকা বাথরুম বানিয়েছেন। বরাদ্দ
দেওয়া বাড়তি সরকারি ইট ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা যায় কিনা প্রশ্নে জানান, উপজেলা
প্রশাসন তো কখনো ইট ফেরত চায়নি। এখানে সাংবাদিকদের কি সমস্যা? এদিকে ইউপি সদস্য আয়েশা
বেগম জানান, গ্রামের কিছু দুষ্ট লোক রাতের আধাঁরে রাস্তার ইট চুরি করে নিয়ে গেছে। তাই
রাস্তার ইট দিয়ে বাথরুম বানানোর প্রশ্নই আসেনা।
ইট
চুরির ঘটনা প্রশাসনকে কেন জানানো হয়নি প্রশ্নে জানান, রাস্তাটি পুনঃসংস্কার করার জন্য
নতুন প্রকল্প দাখিল করা হয়েছে। তাই হারিয়ে যাওয়া ইট নিয়ে ভাবা হচ্ছেনা। গোপালপুর উপজেলা
প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ইউপি সদস্যকে মাত্র তিন দিন
সময় দেওয়া হয়েছে।
এ
সময়ের মধ্যে নিজের টাকায় ইট কিনে রাস্তা চলাচলের উপযোগী না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির
(এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে তার ৮০০ টাকা পাওনা রয়েছে।
ভাইরাল
হওয়া ভিডিওতে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, আমি এখনো হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে টাকা পাব,
৮০০ টাকা। ভার্সিটিতে গাড়ি নিয়ে বসতাম আমি। এসেই বলতো, ভাই চা খাওয়ান, মামা চা খাওয়ান,
খাওয়াইতাম।
ভিডিওর
আরেক অংশে তিনি হাসনাত আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন অভিযোগ ও সমালোচনামূলক মন্তব্য
করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্টের ঘটনার সময় শেখ হাসিনার বাসভবন থেকে মালামাল
নেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং বর্তমান রাজনীতিতেও এ ধরনের ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ
অবস্থানে রয়েছেন।
তার
ভাষ্যে, সেই চোরের ঘরে চোর ৫ আগস্টে শেখ হাসিনার বাড়ি থেকে বস্তা নিয়ে যায়। ওই চোরের
ঘরে চোরে সংসদে বড় বড় কথা বলে। চোর তো সংসদেই বসে আছে। পবিত্র জায়গাকে অপবিত্র করে
ফেলছে।
তবে
ভিডিওতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এছাড়া হাসনাত আবদুল্লাহ
বা তার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লেও এর বক্তব্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই
করা সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন


গতকাল রোববার চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত
হয়েছে। এবার এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ শিক্ষার্থী। উত্তীর্ণদের
মধ্যে ছাত্র ৮ লাখ ৬ হাজার ৫৫৩ এবং ছাত্রী ৮ লাখ ৬৫ হাজার ৬০০ জন।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী উত্তীর্ণ
শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হবে আগামী ২৬ মে।
সোমবার (১৩ মে) দুপুরে শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ে আন্ত:শিক্ষা বোর্ডের সাথে মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে নেয়া এ সিদ্ধান্ত এর বিষয়টি
নিশ্চিত করে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত)
অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল মনছুর ভুঁঞা বলেন, ২৬ মে থেকে একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু হবে।
বিষয়টি চূড়ান্ত করতে আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় মন্ত্রণালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় আর সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
।
চলতি বছর অনলাইনে নির্ধারিত
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণির ভর্তির আবেদন করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী
যতগুলো কলেজে আবেদন করবেন, তার মধ্য থেকে তার মেধা, কোটা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি
কলেজে তার অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।
শিক্ষা বোর্ড বলছে, এবার
সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে আসন সংখ্যা ২৪ লাখ যা পাস করা শিক্ষার্থীদের তুলনায় অনেক
বেশি। তাই ভর্তিতে কোনো ধরনের সংকট হবে না।
তবে যেসব শিক্ষার্থী বিশেষ
চাহিদাসম্পন্ন হিসেবে এসএসসি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারা বোর্ডে ম্যানুয়ালি ভর্তির
জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এছাড়া প্রবাসীদের সন্তান
ও বিকেএসপি থেকে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বোর্ডে ম্যানুয়ালি আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রে
বোর্ড প্রমাণপত্র যাচাই-বাছাই করে শিক্ষার্থীকে ভর্তির ব্যবস্থা নেবে।
মন্তব্য করুন


ফেনী জেলার পরশুরামে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) পরিদর্শনকালে কুমিল্লা সেনানিবাসে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর বিবিধ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন সেনাপ্রধান। এরপর তিনি হেলিকপ্টার যোগে ফেনী জেলার পরশুরাম এবং সংলগ্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় তিনি উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত সেনা সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পরিদর্শনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়াসহ সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭, ২৪ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যগণ যথাক্রমে সিলেট, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা এলাকায় বন্যা দুর্গতদের উদ্ধারে মোতায়েন রয়েছে। মোতায়েনরত সেনাসদস্যগণ নিরলসভাবে পানিবন্দী মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেই সাথে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধান বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীকে এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-বরিশাল
মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও মালবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আন্তত ৭ জন আহত হয়েছে।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ খরব পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায়
তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।
শনিবার
(০৪ জুলাই) সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তাদের
নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
হাইওয়ে
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা বরগুনার পাথরঘাটাগামী
‘আলিফ পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা
ঢাকাগামী একটি মালবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাস ও ট্রাকের সম্মুখভাগ দুমড়েমুচড়ে
যায়। এ সময় বাসে থাকা ৫ জন যাত্রী এবং ট্রাকের চালক ও হেলপার গুরুতর আহত হন।
গৌরনদী
হাইওয়ে পুলিশের ওসি মোহাম্মদ মোহসীন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনা খবর
পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা
করেছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


লন্ডনে
চার মাস চিকিৎসা শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আগামী মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে
ঢাকায় ফিরছেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন দুই পুত্রবধূ। এদিন সকালে কাতারের আমিরের পাঠানো একটি বিশেষ এয়ার
অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পৌঁছাবেন তিনি।
বেগম
খালেদা জিয়ার দেশে ফেরার বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বলছে, বিএনপি চেয়ারপারসনের দেশে
ফেরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, পাশাপাশি
থাকবে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থা।
ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার
(ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা
উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে তার বাসভবন
পর্যন্ত যাত্রা সুগম করতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাও
থাকবে।
ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কর্মকর্তার সূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়ার ঢাকায় ফেরার উপলক্ষে
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তার জন্য
কাজ করছে। একইরকম তথ্য দিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি
জানান, আগামীকাল সোমবার (৫ মে) যাত্রা শুরু করে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে হযরত
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে বহন করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি অবতরণ করবে। এদিন
বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা পর্যন্ত খালেদা জিয়ার যাত্রাপথে থাকবে নিশ্ছিদ্র
নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়া নেতাকর্মীদের জন্যও জারি করা হয়েছে কড়া নির্দেশনা।
নির্দেশনাগুলো
হলো: অত্যন্ত শৃঙ্খলার সঙ্গে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে কোনো যানজট সৃষ্টি না করে একহাতে
জাতীয় পতাকা এবং আরেক হাতে দলীয় পতাকা নিয়ে দেশনেত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
এছাড়া
সাধারণের চলাচলের জন্য ওইদিন বিমানবন্দর থেকে কাকলী পর্যন্ত মূল সড়ক এড়িয়ে এলিভেটেড
এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারেরও অনুরোধ জানানো হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে।
আরও
বলা হয়েছে, বিমানবন্দর ও চেয়ারপারসনের বাসভবনে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। সব নেতাকর্মী
দলীয় পতাকা এবং জাতীয় পতাকা হাতে রাস্তার একপাশে দাঁড়াবে। চেয়ারপারসনের গাড়ির সঙ্গে
মোটরসাইকেল এবং হাঁটা সম্পূর্ণরূপে নিষেধ।
অভ্যর্থনা
জানানোর জন্য বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অবস্থানের কথাও জানিয়েছে দলটি।
সংগঠনের
নাম ও অবস্থান:
>মহানগর
উত্তর বিএনপি, বিমানবন্দর থেকে লা মেরিডিয়ান হোটেল।
>ছাত্রদল,
লা মেরিডিয়ান হোটেল থেকে খিলক্ষেত।
>যুবদল,
খিলক্ষেত থেকে হোটেল র্যাডিসন।
>মহানগর
দক্ষিণ বিএনপি, হোটেল র্যাডিসন থেকে আর্মি স্টেডিয়াম।
>স্বেচ্ছাসেবক
দল, আর্মি স্টেডিয়াম থেকে বনানী কবরস্থান।
>কৃষকদল,
বনানী কবরস্থান থেকে কাকলী মোড়।
>শ্রমিক
দল, কাকলী মোড় থেকে বনানী শেরাটন হোটেল।
>ওলামা
দল, তাঁতী দল, জাসাস, মৎস্যজীবী দল, বনানী শেরাটন হোটেল থেকে বনানী কাঁচাবাজার।
>মুক্তিযোদ্ধা
দল ও সব পেশাজীবী সংগঠন, বনানী কাঁচাবাজার থেকে গুলশান-২।
>মহিলা
দল, গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ রোড।
>বিএনপি
জাতীয় নির্বাহী কমিটির নেতারা, গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ রোড।
>বিভিন্ন
জেলা থেকে আগত নেতাকর্মী, যার যার সুবিধামতো স্থানে অবস্থান করবেন।
মন্তব্য করুন


‘ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনে’ (ওয়াইকো) প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষক
হিসেবে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ।
সাংহাইভিত্তিক
ওয়াইকো হলো একটি আন্তঃসরকার সংস্থা, যা ২০২৬ সালের ১৬ জুলাই গঠিত হয়েছিল।
সংস্থাটির
ঘোষিত লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে— উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা
জোরদার করা; বৈশ্বিক ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা;
বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিকাশের জন্য উন্মুক্ত, ন্যায্য ও বৈষম্যহীন পরিবেশ
নিশ্চিত করা; এবং এআই-সংক্রান্ত নীতিমালা এমনভাবে এগিয়ে নেয়া, যাতে এই নতুন ও ক্রমবিকাশমান
প্রযুক্তিটি মানুষের জন্য নিরাপদ ও কল্যাণকর হয়।
মন্তব্য করুন