

সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন
বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে
রাজধানী ঢাকার রাস্তাঘাটে আছড়ে পড়েছে অগণিত
জনতার ঢেউ। মানিক মিয়া
অ্যাভিনিউ রূপ নিয়েছে জনসমুদ্রে।যতদূর
চোখ যায়, চারদিকে শুধু
মানুষ আর মানুষ।
জাতীয়
সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের দক্ষিণ
প্লাজায় খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে সকাল
থেকেই সমবেত হতে থাকেন শোকাহত
মানুষেরা।
মানিক
মিয়া অ্যাভিনিউ ঘুরে দ্য ডেইলি
স্টারের সংবাদদাতা জানান, দিনের শুরুতেই মানুষের সারি তৈরি হতে
থাকে এবং সময় গড়ানোর
সঙ্গে সঙ্গে তা আরও দীর্ঘ
হয়।
ধানমন্ডি
৩২ নম্বর এলাকা থেকে শোকাহত মানুষের
লাইন আসাদ গেট পেরিয়ে
কারওয়ান বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। প্রধান সড়কের
সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি রাস্তা ও গলিপথে মানুষ
ধৈর্যের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অনেকের হাতে ছিল দলীয়
পতাকা ও প্ল্যাকার্ড, আবার
অনেকেই নীরবে দোয়া করছিলেন।
জনসমাগম
কেবল সড়কেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বিভিন্ন
এলাকায় মানুষকে উড়াল সড়কের ওপর
এবং আশপাশের ভবনের ছাদে দাঁড়িয়ে জানাজার
কার্যক্রম একনজর দেখার চেষ্টা করতে দেখা যায়।
বিএনপি
সমর্থকদের পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দলের
সঙ্গে যুক্ত নন, এমন সাধারণ
নাগরিকদেরও পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, যা
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের ব্যাপক প্রভাবের প্রতিফলন। বয়স্ক মানুষ, নারী ও তরুণ—সব বয়সের মানুষই
উপস্থিত ছিলেন; অনেককেই শেষ শ্রদ্ধা জানাতে
ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা
করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত দেখা
যায়।
এই অভূতপূর্ব জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও চলাচল স্বাভাবিক
রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন
করা হয়। আশপাশের সড়কে
যান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। বিশৃঙ্খলা
এড়াতে কর্তৃপক্ষ সবাইকে শান্ত থাকার এবং নির্দেশনা মেনে
চলার আহ্বান জানায়।
অনেক
শোকাহত মানুষ খালেদা জিয়াকে দেশের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাস গড়ে দেওয়া এক
প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন।আসাদ গেটের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা
এক ব্যক্তি বলেন, 'খালেদা জিয়া শুধু একটি
দলের নেত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন
এ দেশের সব মানুষের নেত্রী।'
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ দফায় দফায় সময় বাড়িয়েও হজের কোটা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে ।
আগামী ১ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে হজ নিবন্ধন। সরাসরি হজযাত্রী পাঠাতে এজেন্সির সর্বনিম্ন কোটা ৫০০ নির্ধারণ ছিল। হজ এজেন্সিগুলো হজের কোটা পূরণ করতে না পাড়ায় শঙ্কা দেখা দেয় হজযাত্রী পাঠানো নিয়ে।
আর এ পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার সৌদি সরকারের নিকট অনুরোধ করে সরাসরি হজযাত্রী পাঠাতে কোটা কমানোর জন্য। সৌদি সরকার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোটা অর্ধেক করে ।
শনিবার (২৭ জানুয়ারি) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এবং এজেন্সিগুলোকে এটি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছর ২৫০ জন হজযাত্রী থাকলেই সরাসরি হজে পাঠাতে পারবে হজ এজেন্সিগুলো।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কোটা কমানোর চিঠিতে জানিয়েছে, সৌদি সরকার ২০২৪ সালের হজের জন্য বাংলাদেশসহ সব দেশের হজ এজেন্সির সর্বনিম্ন কোটা প্রথমে দুই হাজার জন এবং পরবর্তী সময়ে ৫০০ জন নির্ধারণ করে পত্র প্রেরণ করে। সর্বনিম্ন কোটা ৫০০ জনের পরিবর্তে পূর্বের ন্যায় বাংলাদেশের সব এজেন্সিকে হজযাত্রী প্রেরণের সুযোগ দেওয়ার জন্য ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক সৌদি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
এতে আরও বলা হয়, ধর্মমন্ত্রীর নির্দেশে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার সর্বশেষ গত ২৪ জানুয়ারি সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার আবদুল ফাত্তাহ সুলেমান মাশাত এবং হজ অ্যাফেয়ার্স অফিসের মহাপরিচালক ড. বদর আলসোলামির সঙ্গে টেলিফোনে কোটার বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানান।
অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ জানুয়ারি ভাইস মিনিস্টারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের হজ এজেন্সির সর্বনিম্ন কোটা ৫০০ জনের পরিবর্তে ২৫০ জন নির্ধারণের কথা ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে জানানো হয়।
এর আগে গত ২৯ নভেম্বর ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে হজ এজেন্সিগুলোকে জানানো হয়, সৌদি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, হিজরি ১৪৪৫/২০২৪ সনের হজ মৌসুমে অনুমোদিত প্রতিটি হজ এজেন্সির সর্বনিম্ন ৫০০ জন হজযাত্রী থাকলে ওই এজেন্সি সৌদি আরবে সরাসরি হজযাত্রী পাঠাতে পারবে।
এ বার্তার পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী কোনো হজ এজেন্সি ২৫০ জন হজযাত্রী থাকলে সরাসরি সৌদি আরবে পাঠাতে পারবে। যেসব এজেন্সির হজযাত্রীর সংখ্যা ২৫০-এর কম সেসব এজেন্সিকে অন্য এজেন্সির সঙ্গে সমন্বয় করে লিড এজেন্সি নির্ধারণ করে হজযাত্রী পাঠাতে হবে বলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে জানানো হয়।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৬ জুন (১৪৪৫ হিজরি সনের ৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। চলতি বছরের মতো আগামী বছরও (২০২৪ সাল) বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। এরমধ্যে সরকারি মাধ্যমের কোটা ১০ হাজার ১৯৮ জন ও বেসরকারি এজেন্সির কোটায় এক লাখ ১৭ হাজার জন হজ পালন করতে পারবেন বলে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।এবার হজে যেতে সরকারি-বেসরকারি হজযাত্রী নিবন্ধন শুরু হয় গত ১৫ নভেম্বর। গত ১০ ডিসেম্বর নিবন্ধন শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নিবন্ধনে সাড়া না পাওয়ায় তিন দফা সময় বাড়ানো হয়। সর্বশেষ বাড়ানো নিবন্ধনের আট দিন সময় ১ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে।
মন্তব্য করুন


আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড.
আসিফ নজরুল জানিয়েছেন তিনি বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের শোষণ, পাসপোর্ট ও এনআইডি প্রাপ্তি
এবং ব্যাংকে টাকা স্থানান্তর ও টাকা তোলার ক্ষেত্রে ভোগান্তি নিরসনে কাজ করছেন।
তিনি বলেন, 'বিদেশে শ্রমিক শোষণ বন্ধের
বিষয়ে আমরা কাজ করছি। কিছুটা অগ্রগতি হোক, তখন জানাবো।'
আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) উপদেষ্টা
তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে একথা বলেন, আমি সরকারী কাজে কাতারে ছিলাম তিনদিন।
আমার হোটেলে যেসব বাংলাদেশী ভাইরা কাজ করেন তাদের থেকে তাদের বঞ্চনার অনেক খবর শুনেছি।
দুতাবাসে আমন্ত্রিত অনেক শ্রমিক ও পেশাজীবী ভাই-বোনের সাথে কথা বলেছি। দূতাবাসের কর্মকর্তাদের
বক্তব্যও শুনেছি। সেখানকার প্রবাসী ভাই-বোনদের মূল অভিযোগ পাসপোর্ট-এনআইডি-পাওয়ার অব
এটর্নি সংক্রান্ত বিষয়ে এবং সেখানে কর্মসংস্থান ও পারিশ্রমিক নিয়ে। এর মধ্যে পাসপোর্টের
বিষয়ে আমি ডিজির সাথে কথা বলেছি। তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে
পাসপোর্ট সরবরাহ শুরু হবে।
পাসপোর্ট আর এনআইডি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
বিষয় উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, তবে সেখানে আমি যোগাযোগ অব্যাহত রাখবো। কালকে আমি
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে পাসপোর্ট ফি কমানো বা কমহারে সবার জন্য একরকম করার কথা বলেছি।
এটা নিয়ে আমার যোগোযোগ অব্যাহত থাকবে।
তিনি আটো বলেন, এছাড়া পাসপোর্ট আর এনআইডি
সহজীকরণের বিষয়ে কি কি করা যায় তা আইন মন্ত্রনালয়ের থেকে খতিয়ে দেখবো।
আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, 'আপনারা ভালো
থাকবেন। পবিত্র জুম্মার দিনে আমাদের শহীদ ভাই চট্টগ্রামের আইনজীবী সাইফুল ইসলামের মাগফেরাত
এবং আমাদের সকলের হেদায়েতের জন্য দোয়া করবেন।'
মন্তব্য করুন


ঢাকা-৮
আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান
হাদির এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। পরিবারের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুরেই অপারেশন
করবার অনুমতি দেয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর) ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের
এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে লেখা হয়, আপনারা দোয়া করুন আল্লাহ যেন তাকে হায়াতে তাইয়্যেবাহ নসিব করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাখাওয়াত হোসেন প্রথমবার আয়োজিত আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ডসে ‘বেস্ট হসপিটালিটি আইকন’ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। নিউইয়র্কের কুইন্সে ২৪ মে অনুষ্ঠানে তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন জর্জিয়ার সিনেটর শেখ রহমান।
বিশ্বজুড়ে রন্ধনশিল্প ও আতিথেয়তা শিল্পে উৎকর্ষের স্বীকৃতি প্রদানের এ অনুষ্ঠানে সমবেত হয়েছিলেন বিভিন্ন দেশের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও উদ্ভাবকরা। খালিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ইউএসএ এবং আশা গ্রুপ ইউএসএ আয়োজিত আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ডস একটি মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চ, যা আতিথেয়তা ও রন্ধনশিল্পে অসাধারণ অবদানকে স্বীকৃতি দিচ্ছে।
প্রথমবার ১৮টি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। মোঃ শাখাওয়াত হোসেন ‘বেস্ট হসপিটালিটি আইকন’ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছেন। বাংলাদেশের আতিথেয়তা শিল্পে তার অনন্য অদ্বিতীয় নেতৃত্ব, যুগান্তকারী অবদান ও রূপান্তরকারী প্রভাবের স্বীকৃতি এই সম্মাননা। বিশেষ করে, ফুড কস্ট অপ্টিমাইজেশনের ওপর তার উদ্ভাবনী কাজ বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। তার এই অর্জন বাংলাদেশের জন্য এক গৌরবের মুহূর্ত, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের আতিথেয়তা শিল্পের ক্রমবর্ধমান অবস্থানকে তুলে ধরে।
মোঃ শাখাওয়াত হোসেন এরই মধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য সম্মাননা হলো : যুক্তাজ্যের এশিয়ান ক্যাটারিং ফেডারেশন প্রদত্ত এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ড ২০২১, সাউথ এশিয়ান ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৪-এ ‘ট্যুরিজম ফেস অব সাউথ এশিয়া’ খেতাব, নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হোটেল ইন্ডাস্ট্রি আর্কিটেকচার, ইন্টেরিয়র অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সম্মেলনে ‘বাংলাদেশের সেরা হোটেলিয়ার’ পুরস্কার। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত শেফস ক্যুলিনারি কাপ কোরিয়া ২০২৪ ও ২০২৫-এর বিচারক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসি হলো দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা, শেরাটন ঢাকা ও হানসা আ প্রিমিয়াম রেসিডেন্সের মূল কোম্পানি। ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাখাওয়াত হোসেন একমাত্র বাংলাদেশি হোটেলিয়ার, যিনি এই শিল্পের একজন অভিজ্ঞ পেশাজীবী, শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে কাজ করছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে পিএইচডি করছেন এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি হিসেবে পড়ান। তার প্রভাব শুধু করপোরেট ও একাডেমিক ক্ষেত্রেই নয়, তিনি শেফস ফেডারেশন অব বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা, ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম নেটওয়ার্ক ঢাকা চ্যাপ্টারের পরিচালক এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রি স্কিল কাউন্সিল বাংলাদেশের পরিচালক পদসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ ১৮ বছর পর বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ শুক্রবার বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও বাবা জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করতে আসেন তারেক রহমান।
প্রথমেই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়। পরে বাবার কবরের সামনে দাঁড়িয়ে দু’হাত তুলে আল্লাহ-তায়ালার দরবারে মোনাজাত করেন তারেক রহমান। কবরের সামনে কিছু সময় তিনি নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং সূরা ফাতিহা পাঠ করেন। এ সময় বিএনপি মহাসচিবসহ দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব থাকাকালে ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবীর খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে বাবার করবের উদ্দেশ্যে রওনা হন তারেক রহমান। লাল-সবুজ রঙে সাজানো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নামক বিশেষ নিরাপত্তা-বেষ্টিত বাসে চড়ে তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করতে আসেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার এই বাসেই তিনি বিমানবন্দর থেকে গণসংবর্ধনাস্থলে যান। গতকালের মতো আজকেও তারেক রহমান বাসের সামনে দাঁড়িয়ে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে হাত নাড়েন।
তারেক রহমানের আসা উপলক্ষে সকাল থেকেই ঢাকার শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েক হাজার নেতা-কর্মী লক্ষ করা গেছে। কারো হাতে ছিল দলীয় পতাকা, কেউ ব্যানার ও পোস্টার হাতে মিছিল নিয়ে এসে একসঙ্গে জড়ো হন। এ সময় নেতাকর্মীরা স্লোগান ধরেন— ‘এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া ঘরে ঘরে; আজকের এই দিনে, জিয়া তোমায় মনে পড়ে; তারেক রহমান বীরের বেশে, আসছে ফিরে বাংলাদেশে।’
তারেক রহমানের বাবার কবর জিয়ারতকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে এক ধরনের আবেগও দেখা গেছে। তারা বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে জিয়াউর রহমান, যা বাস্তবায়ন করেছে বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানের হাত ধরে তা এখন প্রস্ফুটিত হবে। নির্বাচন-কেন্দ্রিক জটিলতাসহ দেশের সকল ধোঁয়াশা তারেক রহমানের আগমনে তা কেটে গেছে।
নেতা-কর্মীরা জানান, এটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং দলের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও প্রতীকী মুহূর্ত।
শুক্রবার দুপুর ২টায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে। তার রাজসিক প্রত্যাবর্তন সেই বার্তাই বহন করে।’ তার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনেরও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মির্জা ফখরুল।
এ উপলক্ষে শেরেবাংলা নগর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। জিয়ার সমাধি ও আশপাশের সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। প্রবেশপথগুলোতে তল্লাশি চৌকি বসানো হয়েছে। দলীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বপালন করেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুরের আগেই জিয়া উদ্যান সংলগ্ন রাস্তাগুলোতে জনসমাগম বাড়তে থাকে। নিরাপত্তাজনিত কারণে নেতা-কর্মীদের নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের তৎপরতায় পরিস্থিতি ছিল নিয়ন্ত্রিত।
গতকাল বৃহস্পতিবার তারেক রহমান বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০২ ফ্লাইটে দেশে ফেরেন। তিনি লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে গতকাল বেলা ১১টা ৪৩ মিনিটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র মেয়ে জাইমা রহমান। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের ৩০০ ফিটে যেতে যানজট না থাকলে আধা ঘণ্টার বেশি সময় লাগে না। গতকাল তারেক রহমানের সেই পথে যেতে সময় লেগেছে তিন ঘণ্টা। কারণ, রাস্তার দুই ধারে নেতা-কর্মী-সমর্থকদের সারি, মানুষের ঢল।
কেবল নেতা-কর্মী নন, অনেকেই এসেছেন ১৭ বছর পর দেশে ফেরা তারেক রহমানকে একপলক দেখার কৌতূহল নিয়ে, কেউবা প্রত্যাবর্তনের একটি স্মরণীয় দিনের সাক্ষী হতে। বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের সংবর্ধনা মঞ্চ পর্যন্ত সাড়ে ছয় কিলোমিটার পথ যেন লোকারণ্য হয়ে ওঠে।
মাজার জিয়ারতের পর ৫টা ৫ মিনিটে তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি)
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনসার সদস্যদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২৫ আগস্ট) রাত ৯টা
২০ মিনিটে এই সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষের কয়েক মিনিটেই শিক্ষার্থীদের
জনস্রোতে পালিয়ে গেছেন হাজারো আনসার সদস্য।
জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, সমন্বয়ক
সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ অনেককে সচিবালয়ে আটকে রাখে আনসার সদস্যদের একটি দল।
এই খবরে সচিবালয়ের দিকে অগ্রসর হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হন তারা। পেটুয়াদের
ভূমিকায় অবতীর্ণ হন আনসার সদস্যদের অনেকে। পরে স্রোতের মতো আসতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।
তাদের ধাওয়ায় পালিয়ে যান আনসার সদস্যরা।
জানা যায়, মেনে নেওয়া হয়েছে তাদের যৌক্তিক দাবি। তারপরও আনসারদের একাংশ ঘেরাও করেন সচিবালয়। সেখানে আটকে রাখেন সমন্বয়কদের। সচিবালয় থেকে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডিতে করা লাইভে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ জানান সেখানের পরিস্থিতি। এরপর পরই এক পোস্টে তিনি লেখেন, সচিবালয়ের সামনে আনসার সদস্যরা শিক্ষার্থীদের নির্মমভাবে পেটাচ্ছে।
এর আগে বিকেলে কয়েক দফা
দাবিতে আন্দোলন করে আসা আনসার সদস্যরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন বলে জানান।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে সমন্বয়ক
হাসনাত আবদুল্লাহ্ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, সবাই রাজুতে আসেন। স্বৈরাচারীশক্তি
আনসার হয়ে ফিরে আসতে চাচ্ছে। দাবি মানার পরও আমাদের সবাইকে সচিবালয়ে আটকে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে
তার স্বামী এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে দাফন করা হয়েছে।
বুধবার
(৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে তাকে জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে সমাহিত করা হয়।
এর
আগে বিকেল ৩টার পর পূর্ণ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত
হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক তার জানাজা নামাজ পড়ান।
বেগম
জিয়ার জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী,
তিন বাহিনীর প্রধান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূতরা,
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও শীর্ষ নেতারা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের
প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সে
সময় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের আশপাশ, বিজয় সরণি, খামার বাড়ি, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট,
শাহবাগ, মোহাম্মদপুর পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। যে যেখানে পারেন সেখানেই দাঁড়িয়ে
জানাজায় যোগ দেন। জানাজার আগে বেগম জিয়ার দীর্ঘ জীবন নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
পরে
পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে কথা বলেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আপনারা
আমার মরহুমা মায়ের জন্য দোয়া করবেন। কারও কাছে আম্মার কোনো ঋণ থাকলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ
করবেন। আমি পরিশোধ করবো। কেউ আমার মায়ের আচরণে বা কথায় কষ্ট পেয়ে থাকলে তার পক্ষ থেকে
আমি ক্ষমাপ্রার্থী। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।
এদিন
দুপুর পৌনে ১২টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার মরদেহ জাতীয় সংসদ ভবনের
দক্ষিণ প্লাজায় নেওয়া হয়। তাকে বহন করা হয় লাল-সবুজ রঙের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি
ফ্রিজার ভ্যানে। সেনাবাহিনী হিউম্যান চেইন তৈরি করে রাষ্ট্রীয় প্রোটোকলে তার মরদেহ
সেখানে নেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশের কাজে অবৈধভাবে কেউ বাধা দিতে পারবে না। পুলিশের আইনানুগ কাজে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করা যাবে না। একইসঙ্গে পুলিশের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে যাতে তাদের দ্বারা মানুষ হয়রানির শিকার না হয়৷
মন্ত্রী আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চেইন অভ কমান্ড বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে দেশে লটারি করে এসপি এবং ওসিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে৷ এতে করে যার যেখানে যাওয়ার কথা না সেখানে দেওয়া হয়েছে৷ এসব পদায়ন সার্ভিস রেকর্ড দেখে করা উচিত ছিল৷ তাছাড়া লটারি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন আছে। আমরা দক্ষতা ও উপযুক্ততা বিবেচনায় নিয়ে এগুলো নিয়ে কাজ করবো। তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক কারণে বিধির বাহিরে পুলিশ সুপাররা যেন কাউকে প্রটোকল না দেয় সে বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে- জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পরিচালনা করা৷ মন্ত্রী এ সময় দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুলিশের ২ হাজার ৭০১টি কনস্টেবলের শুন্য পদে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান।
মন্ত্রী আরো বলেন, ২০২৪ সালের ০৫ আগস্টের পর বেশকিছু মামলায় অনেক সুবিধাবাদী গ্রুপ ভোগান্তিতে ফেলতে নিরীহ ও সাধারণ অনেক মানুষকে মামলায় জড়িয়েছে৷ পুলিশ বিভাগকে এগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট দিয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুনরায় কমিশন গঠন করে সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখে সেই কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী এর বিচার করা হবে। তিনি আরো বলেন, এটা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারেও আছে। আমরা যেকোনো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় যে সকল আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে সেগুলো আমরা আবার ভেরিফাই করবো৷ সেগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় হয়েছে কিনা আমরা সেটা খতিয়ে দেখবো৷ তিনি বলেন, লাইসেন্স যারা পেয়েছে তারা এটা পাওয়ার উপযুক্ত কিনা সেটা যাচাই করা হবে৷ যেগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লাইসেন্স পেয়েছে সেগুলো বাতিল করা হবে৷ এসব লাইসেন্স এর অধীনে অস্ত্র থাকলে সেগুলোও বাতিল হবে৷
মন্ত্রী বলেন, পাসপোর্ট সেবা নিয়ে জনগণের অনেক অভিযোগ আছে। আমাদের অনেকেই অনলাইনে ইলেকট্রনিকভাবে পাসপোর্ট আবেদনে অভ্যস্ত নয়।সেজন্য পাসপোর্ট অফিসের আশপাশে কিছু লোকজনের সহযোগিতা নেয় যারা অনলাইনে কাজ করার মাধ্যমে আয় রোজগার করে। তাদের মাধ্যমে এবং পাসপোর্ট অফিসের কিছু লোকজনের যোগসাজশে জনগণ অনেক সময় ভোগান্তিতে পড়ে। সেটা নিরসনে রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখকদের ন্যায় তাদের নাম তালিকাভুক্ত করা হলে সেবা সহজীকরণ হবে এবং তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা যাবে। তাদের কাজের জন্য তারা যাতে সার্ভিস চার্জ পায়- সেটাও নির্ধারণ করে দেয়া হবে। তিনি বলেন, জনগণের হয়রানি ও ভোগান্তি নিরসনে ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে এটি পরীক্ষামূলকভাবে আমরা চালুর চিন্তাভাবনা করছি। যদি ট্রায়াল এন্ড এরর পদ্ধতিতে এটা টিকে যায়, পরবর্তীতে এটি সারাদেশে চালু করা হবে। এ বিষয়ে শীঘ্রই মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি নীতিমালা তৈরি করা হবে।
২০০৬ সালে নিয়োগ বঞ্চিত এসআই'দের নতুন করে নিয়োগ প্রদান করা হবে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নিয়োগ বঞ্চিত এসআই'দের ফাইলটি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সারসংক্ষেপ আকারে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে গিয়েছিলো। তখন কি কারণে ফাইলটি অনুমোদন হয়নি- জানিনা। তিনি বলেন, তদন্ত করে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের নিয়োগ প্রদান করা হবে।
মতবিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মোঃ দেলোয়ার হোসেন সহ আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন,দেশের তরুণদের ভাগ্য উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে উদ্যোক্তা উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং যুব ঋণ নীতিমালাকে যুগোপযোগী করা হচ্ছে।
আজ শনিবার (৯ আগস্ট) নাটোর সদর উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম সরাসরি ও ১০টি জেলার ১৩টি উপজেলার মিনি স্টেডিয়াম ভার্চুয়ালি উদ্বোধনের পর জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, তরুণদের নেতৃত্বেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। দেশের তরুণদের বেকারত্ব দূর করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে বিশ্বমানের এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তিসহ আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা ও একটি টেকসই ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে একটি টাস্কফোর্সও গঠিত হয়েছে। সারা দেশে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড়শটি উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি উপজেলাগুলোতেও মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ সম্পন্ন করা হবে।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে বিকেন্দ্রীকরণ নীতিমালা বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব স্টেডিয়ামের পরিচর্যা করতে হবে। স্টেডিয়ামগুলো যেন বিভিন্ন ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে বছরব্যাপী সচল থাকে। এক্ষেত্রে ক্রীড়া সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও সফলতা বয়ে আনা সম্ভব। মিনি স্টেডিয়ামগুলোতে তিনতলা বিশিষ্ট প্যাভিলিয়ন ভবন এবং পাঁচ ধাপ বিশিষ্ট তিনটি সাধারণ গ্যালারি রয়েছে। পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা আলাদা টয়লেট ব্লকও রয়েছে।
নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম এবং নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইফতে খায়ের আলম।
উপদেষ্টা দুপুর ১টায় নাটোর সার্কিট হাউসে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে একে 'এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ' বলে
বর্ণনা করেছেন তাঁর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
আজ
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর ২৮ পদক্ষেপের
কথা তিনি তুলে ধরেন।
মাহদী
আমিন বলেন, আজ ১৭ মার্চ। ঠিক এক মাস আগে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করে। মাত্র ২৮ দিনে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি
মুহূর্তে তিনি নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। এই পদক্ষেপগুলো শুধু
প্রশাসনিক কার্যক্রম নয়, এটি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার স্পষ্ট প্রতিফলন।
প্রতিমন্ত্রী
পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়,
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্বে রয়েছেন।
স্ট্যাটাসে
মাহদী আমিন সরকারের ২৮ দিনে নেওয়া পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে বলেন, এসব পদক্ষেপ সামাজিক
সুরক্ষা, অর্থনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধের
প্রতিটি অঙ্গনকে আলোকিত করেছে। মাহদী আমিনের ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখা প্রধানমন্ত্রীর
২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ সমূহ হলো-
সামাজিক
সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা
১.
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি: ৩৭,৫৬৭ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে, প্রতিটি
কার্ডে মাসিক ২,৫০০ টাকা সহায়তা। মাত্র ২১ দিনে বাস্তবায়ন, সরকারের মানবিক অগ্রাধিকারের
উদাহরণ।
২.
ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় সেবকদের সম্মানী: ৪,৯০৮ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, ৯৯০ মন্দিরের
পুরোহিত, ১৪৪ বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬ গির্জার যাজক ও পালকরা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন।
৩.
ঈদে ত্রাণ ও উপহার বিতরণ: নির্বাচনী এলাকার অসহায় ও গরিবদের জন্য শাড়ি, থ্রিপিস ও হাজি
রুমাল বরাদ্দ। সকল পরিচ্ছন্নতা কর্মীর জন্য ঈদ উপহার।
৪.
প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থা:ু দরিদ্রদের কাছে সম্পদ পৌঁছানো ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে
সহায়তার জন্য আলেম মাশায়েখদের সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থা
চালুর উদ্যোগ।
কৃষি
ও গ্রামীণ অর্থনীতি
৫.
কৃষক কার্ড ও কৃষিঋণ মওকুফ: প্রায় ২৭,০০০ কৃষককে বহুলপ্রত্যাশিত কৃষক কার্ড প্রদানের
মাধ্যমে শীঘ্রই কার্যক্রম শুরু, প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের সর্বোচ্চ
১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ, নতুন উদ্যমে চাষাবাদে সহায়তা।
৬.
দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি: ২০,০০০ কিলোমিটার খাল ও জলাশয় খনন, ইতোমধ্যে ৫৪ জেলায়
শুরু। সেচ উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।
প্রশাসনিক
সংস্কার ও সুশাসন
৭.
সাপ্তাহিক অফিস ও অফিস সময়: প্রধানমন্ত্রী শনিবারও অফিস করছেন। কর্মকর্তাদের সকাল ৯টার
মধ্যে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
৮.
ভিভিআইপি প্রটোকল হ্রাস: প্রধানমন্ত্রীর অতি সাধারণ চলাফেরায় ট্রাফিক ব্যবস্থায় নজিরবিহীন
পরিবর্তন, জনগণও ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উৎসাহিত।
৯.
বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা সীমিত: উপস্থিত থাকবেন একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী, চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ
সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।
১০.
এমপিদের বিশেষ সুবিধা বাতিল: শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ না করার ঐতিহাসিক
সিদ্ধান্ত, যার ফলে রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমবে, জনগণের আস্থা পুনঃস্থাপিত হবে।
অর্থনীতি
ও বাজার স্থিতিশীলতা
১১.
বাজার মনিটরিং ও জ্বালানি স্থিতিশীলতা: রমজান ও ঈদে মূল্যবৃদ্ধি রোধ, বৈশ্বিক জ্বালানি
অস্থিতিশীলতার মাঝেও বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে স্পট এলএনজি ক্রয়।
১২.
বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণ: ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাবাসনে কেন্দ্রীয়
ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া।
১৩.
শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস নিশ্চিতকরণ: সব শিল্পকারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস
সময়মতো পরিশোধ। পোশাকসহ রপ্তানিমুখী শিল্পে ২,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।
১৪.
রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু:ু পর্যায়ক্রমে সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ
কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।
১৫.
স্থানীয় উদ্যোগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি: স্বল্প ব্যবহৃত ইকোনমিক জোন, ইপিজেড, বিসিক এলাকা,
হাই-টেক পার্ক ও ইন্ডাস্ট্রি ক্লাস্টারের তালিকা প্রস্তুত করে সেখানে সম্ভাবনাময় ব্যবসা
ও স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইকোসিস্টেম তৈরী শুরু।
শিক্ষা
ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
১৬.
পুনর্ভর্তি ফি বাতিল ও লটারী বাতিল:ু প্রতি বছর পুনরায় ভর্তি ফি বাতিল, লটারীর পরিবর্তে
আধুনিক ভর্তি পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকার, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ।
১৭.
বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সহায়তা: রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক সহায়তায় সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জামানতবিহীন
ব্যাংক গ্যারান্টি।
১৮.
ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ: ৯,০০০ শিক্ষক নিয়োগ, নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জোরদার।
১৯.
ক্রীড়া উন্নয়ন ও নতুন কুঁড়ি কর্মসূচি: শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের মাঠ শিশু-কিশোরদের জন্য উন্মুক্ত, নতুন কুঁড়ি সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও কোরআন
তেলাওয়াত উদ্যোগ, উপজেলা পর্যায়ে ৬টি খেলায় ৩ জন করে মোট ১৮ জন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ
শুরু।
স্বাস্থ্য
ও জনকল্যাণ
২০.
ই-হেলথ কার্ড ও চিকিৎসা কেন্দ্র: স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে ই-হেলথ কার্ড চালু, ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী
নিয়োগ শুরু যার ৮০ ভাগ হবেন নারী।
২১.
ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান: সাপ্তাহিক জাতীয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান, স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটি
সমন্বয়ে কার্যক্রম।
আইনশৃঙ্খলা
ও নিরাপত্তা
২২.
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
২৩.
নারীর নিরাপত্তা ও পিংক বাস: সম্পূর্ণ নারী পরিচালিত পিংক বাস চালুর নির্দেশ, সাইবার
বুলিং প্রতিরোধ।
রাষ্ট্রীয়
শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ
২৪.
রাষ্ট্রীয় ইফতার সীমিতকরণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়: সরকারি অফিসে অর্ধেক ফ্যান ও এসি, অপচয়
রোধে ইফতার সীমিত।
২৫.
অবৈধ দোকান উচ্ছেদ: কক্সবাজার সুগন্ধা সি বিচে ২০ বছর পরে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ এবং
দেশজুড়ে সমন্বিত উদ্যোগ।
২৬.
শহীদ সেনা দিবস: ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’
ঘোষণা ও পালনের পাশাপাশি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ বিচারে গুরুত্বারোপ।
২৭.
ঢাকা হয়রত শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল: উচ্চপর্যায়ের সভার মাধ্যমে এবং বহুপাক্ষিক
আলোচনা ও কর্মকৌশল ঠিক করে দ্রুত তৃতীয় টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ।
২৮.
বিমানবন্দর ও চলন্ত ট্রেনে ফ্রি ইন্টারনেট: ঢাকা, চট্রগ্রাম ও সিলেটে শাহজালাল, শাহ
আমানত ও এম এ জি ওসমানী বিমানবন্দরে উন্নত দেশের মতো ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবস্থার নির্দেশ
ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উদ্বোধন।
স্ট্যাটাসের
শেষ দিকে মাহদী আমিন বলেন, সরকার গঠনের প্রথম ২৮ দিনে নেওয়া পদক্ষেপগুলো তারেক রহমানের
দৃঢ় নেতৃত্ব, অক্লান্ত পরিশ্রম এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিফলন। তাঁর নেতৃত্ব
এভাবেই সাধারণ মানুষের আশা ও অনুভূতিকে ধারণ করছে, স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন
করছে। অভূতপূর্ব এ পথযাত্রায় নতুন প্রজন্মও দেশের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করবে,ইনশাআল্লাহ।
তাই তো তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেন, 'সবাই মিলে করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন