

ইন্ডিয়া
বাংলাদেশ স্পোর্টস ফ্রেন্ডশিপ ফোরাম এর উদ্যোগে রবিবার (১০ মার্চ) আগরতলা
এনএসআরসিসি বক্সিং হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে কুমিল্লা-ত্রিপুরা ফ্রেন্ডশিপ কাপ কারাতে
চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪। ইন্ডিয়া বাংলাদেশ স্পোর্টস ফ্রেন্ডশিপ ফোরামের আমন্ত্রনে
খেলোয়াড় কর্মকর্ত সহ ১৫ সদস্যের কুমিল্লা কারাতে দল রবিবার আগারতলা সফরে যায়।
রবিবার বিকেলে আগরতলা এনএসআরসিসি বক্সিং হলে দুই দেশের বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলা
কারাতে দল ও ভারতের ত্রিপুরা কারাতে দলের মধ্যে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায়
৮ বছর ১৩ বছর, ১৫ বছর ও ২১ বছর বয়সি খেলোয়ারড় দের মধ্যে ৩০ কেজি, ৪৫ কেজি, ৫০ কেজি
ও ৭২ কেজি ওয়েটের কাতা এবং কারাতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় কুমিল্লা
জেলা কারাতে দল চ্যাম্পিয়ন হয়।
বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলা কারাতে দল ও ভারতের
ত্রিপুরা জেলা কারাতে দলের মধ্যে কারাতে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন এবং খেলোয়াড়দের
হাতে পুরস্কার তুলে দেন ইন্ডিয়া বাংলাদেশ স্পোর্টস ফ্রেন্ডশিপ ফোরাম এর সহ-সভাপতি
শ্রী রতন সাহা। পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ত্রিপুরা স্পোর্টস
কাউন্সিলের যুগ্মসচিব শ্রী স্বপন সাহা, ইন্ডিয়া বাংলাদেশ স্পোর্টস ফ্রেন্ডশিপ
ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুজিত রায় ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ
সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন, ত্রিপুরা ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি অধিকর্তা শ্রী
দেবাশিস নন্দী, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কোচ এমদাদুল হক এমদু, ক্রীড়া সংগঠক
জুবায়দুল হক জুয়েল ও সারোয়ার জাহান, ত্রিপুরা ক্রীড়া আধিকারিক ধীমান বিশ্বাস
প্রমুখ।
ত্রিপুরা-কুমিল্লা জেলার মধ্যে কারাতে
প্রতিযোগিতার মুখ্য আয়োজক ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ স্পোর্টস ফ্রেন্ডশিপ ফোরাম।
প্রতিযোগিতা আয়োজনে সহযোগিতা করে ক্রীড়া সংগঠন ইউনাইটেড অল স্টাইল কাারাতে
ত্রিপুরা অ্যাসোসিয়েশন। অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা সকল পর্যায়ের ক্রীড়ামোদি ও ক্রীড়া
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের উপস্থিতি প্রতিযোগিতাকে সাফল করে তুলে।
রবিবার ত্রিপুরা-কুমিল্লা ফ্রেন্ডশিপ কাপ ক্যারাটে
চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪ এ অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের কুমিল্লা থেকে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট
প্রতিযোগী ও প্রতিনিধি দল রবিবার ১০ই মার্চ সকালে সোনামুড়ার শ্রীমন্তপুর সীমান্ত
এলাকা দিয়ে ত্রিপুরায় যায়। সোনামুরায় কুমিল্রা জেলা কারাতে দলকে স্বাগত জানান
সোনামোরা স্পোর্টিং অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ঝুটন রায় ও সোনামুড়া স্পোটিং এসোসিয়েশনের
অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলা
কারাতে দলের সফরে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ
সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন।
তিনি
জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে একটি কারাতে দল নিয়ে আমরা ত্রিপুরা খেলে এসেছি। মূলত আমরা
গিয়েছি ইন্ডিয়া বাংলাদেশ স্পোর্টস ফ্রেন্ডশিপ ফোরামের সাধারন সম্পাদক শ্রী সুজিত
রায়ের আমন্ত্রনে। সেখানে সুজিত রায় সহ ত্রিপুরার বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিগণ ও
ত্রিপুরা স্পোটর্স মিনিষ্ট্রির কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাত হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে
খেলাধুলা কিভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় এবিষয়ে আলোচনা হয়েছে। শিঘ্রই ত্রিপুরা ফুটবল দল
কুমিল্লা সফরে আসবে। পরবর্তিতে আমরা কুমিল্লা জেলা ফুটবল ও ক্রিকেট দল নিয়ে
ত্রিপুরা সফর করবো।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (১৪ নভেম্বর) বলেছেন, তাঁর সরকার দেশের তৈরি
খাতে আরও বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করার প্রয়াসে শ্রম খাতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করবে।
এখানে
প্রাপ্ত এক খবরে বলা হয়েছে, আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ-২৯ বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনের
ফাঁকে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র
সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশের
সাম্প্রতিক অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করার সময় অধ্যাপক ইউনূস তাকে বলেন, ‘শ্রম ইস্যুটি আমাদের
সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের অন্যতম এবং আমরা সকল শ্রম সমস্যার সমাধান করতে চাই।’
থেরেসা
মে বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রম ইস্যুতে কাজ করার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে মানব পাচার ও অভিবাসন ইস্যু নিয়েও আলোচনা করেন।
অধ্যাপক
ইউনূস আইনি মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে অভিবাসন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি
ঝুঁকি ও অনিয়মিত অভিবাসন কমিয়ে দেবে এবং মানব পাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ
করবে।
অধ্যাপক
ইউনূস থেরেসা মেকে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের সময় বাংলাদেশী তরুণদের আঁকা গ্রাফিতি ও ম্যুরাল
বিষয়ক বই আর্ট অফ ট্রায়াম্ফের একটি অনুলিপি উপহার দেন।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব ও মুখ্য
সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, তুরস্ক এবং আজারবাইজানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আনামুল
হক উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রায় ২,০০০ বছর আগের একটি রোমান মূর্তি আবিষ্কার করেছে যুক্তরাজ্যের একটি পার্কিং লট নির্মাণকারী শ্রমিকরা । খননকারী গ্রেগ ক্রালি গত বছর সংস্কারের কাজ করার সময় ইংল্যান্ডের পিটারবারোতে ষোড়শ শতকের কান্ট্রি এস্টেট বার্গলে হাউসে একজন রোমান নারীর মার্বেল মূর্তির মাথা খুঁজে পান। ২ সপ্তাহ পরে একটি আবক্ষ মূর্তিও ওই স্থানের কাছে পাওয়া গিয়েছিল। ধ্বংসাবশেষগুলিকে একজন সংরক্ষক পরিষ্কার করে পরীক্ষা করার উদ্দেশে নিয়ে যান। তিনি জানান ভাস্কর্যটির তারিখ প্রথম বা দ্বিতীয় শতাব্দীর।
বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, একটি লোহার কীলক আবক্ষ মূর্তিটিকে পাদদেশের সাথে সংযুক্ত করেছিলো। ঐতিহাসিকভাবে ১৮ শতকের শেষের দিকে ইতালিতে ভ্রমণকারী অভিজাতদের কাছে বিভিন্ন পুরনো আইটেম বিক্রি করার সময় ইতালীয় ব্যবসায়ীরা এই কিলোকটি যুক্ত করেছিলেন ।
অনুমান করা হয়, ১৭৬০-এর দশকে নবম আর্লের ইতালিতে ২টি সফরের একটির সময় যখন তিনি অনেক পুরাকীর্তি কিনেছিলেন, তখন তিনি ভাস্কর্যটি বারঘলিতে ফিরিয়ে এনেছিলেন। ব্রাউনলো সেসিল ১৭৫৪ সালে উত্তরাধিকারসূত্রে 'এক্সেটারের নবম আর্ল' শিরোনামটি পেয়েছিলেন।
এস্টেট অনুসারে তিনি একজন ভ্রমণকারী এবং চারুকলার সংগ্রাহক ছিলেন।এস্টেট অনিশ্চিত যে কীভাবে মাথা এবং আবক্ষ মূর্তিটি গাড়ি পার্কে মাটি দ্বারা সমাহিত হয়েছিল। বার্গলে হাউস মনে করে কেউ মূর্তিটি চুরি করে মাটিতে পুঁতে দিয়েছিলো। খননকারী ক্রাওলির মতে, এই মূর্তিটি অনেক পুরানো। এই ধরণের প্রাচীন মূর্তি খুঁজে পাওয়ার অনুভূতি সত্যিই অবিশ্বাস্য।
এই মূর্তিটি তার ‘এখনও পর্যন্ত সেরা আবিষ্কার’ বলে অভিহিত করেছেন ক্রাওলি।
এখন মূর্তিটি বার্গলে হাউসে নবম আর্ল দ্বারা সংগৃহীত অন্যান্য মূর্তির পাশাপাশি প্রদর্শিত হবে। সূত্র : সিএনএন
মন্তব্য করুন


মাত্র ৪২ ঘণ্টার মধ্যে এটি প্রবল আকার ধারণ করেছে। ক্যাটাগরি ৪-এ পৌঁছানো ঘূর্ণিঝড়টিকে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ বলে অভিহিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে, ঘূর্ণিঝড় বেরিল দক্ষিণ-পূর্ব ক্যারিবীয় অঞ্চলের কাছে পৌঁছে গেছে এবং স্থানীয়দের নিরাপদে আশ্রয় নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, ‘বেরিল’ এখন পর্যন্ত আটলান্টিক মহাসাগরে রেকর্ড করা প্রথম এবং জুন মাসে রেকর্ড করা একমাত্র ক্যাটাগরি ৪ হারিকেন।
হারিকেন এবং ঝড়-জলোচ্ছ্বাস বিশেষজ্ঞ মাইকেল লোরির মতে, ‘বেরিল এই অঞ্চলে বছরের এই সময়ের জন্য একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং বিরল হারিকেন। আঘাত হানার আগেই এটি ঐতিহাসিক হয়ে উঠেছে।’
ঘূর্ণিঝড় বেরিল রোববার রাত কিংবা সোমবার (১ জুলাই) ভোরে ক্যারিবীয় উইন্ডওয়ার্ড উইন্ডওয়ার্ড দ্বীপপুঞ্জে ভয়াবহ তাণ্ডব চালাতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইউএস ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার (এনএইচসি)।
ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলের কাছাকাছি বড় এবং ধ্বংসাত্মক ঢেউ নিয়ে আসতে পারে উল্লেখ করে এনএইচসি বলছে, ঘূর্ণিঝড় সতর্কীকরণ এলাকায় যেখানে মূল অংশটি আছড়ে পড়তে পারে, সেখানে এবং তার কাছাকাছি উপকূলীয় অঞ্চলে ৬ থেকে ৯ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের
জুনের মধ্যে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি
ইলেকশনস (এএনএফআরইএল)-কে আশ্বস্ত করেছেন।
বৃহস্পতিবার
ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এএনএফআরইএল এর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, এই নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সেরা
এবং দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এক মাইলফলক।
এএনএফআরইএল
প্রতিনিধিদলে ছিলেন নির্বাহী পরিচালক ব্রিজা রোসালেস, বাংলাদেশ নির্বাচন ও গণতন্ত্র
কর্মসূচির পরামর্শক মে বুটয়, প্রচারাভিযান ও অ্যাডভোকেসি বিভাগের সিনিয়র প্রোগ্রাম
কর্মকর্তা থারিন্ডু অ্যাবেইরাথনা, প্রোগ্রাম অফিসার আয়ান রহমান খান এবং প্রোগ্রাম অ্যাসোসিয়েট
আফসানা আমেই।
প্রধান
উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ কথা জানান।
এএনএফআরইএল
হলো নাগরিক সমাজের একটি আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক যা এশিয়ায় গণতান্ত্রিক নির্বাচনী ব্যবস্থার
উন্নয়নে নিবেদিত, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, গণতান্ত্রিক সংস্কার
এবং নাগরিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বৈঠকে,
এএনএফআরইএল প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ বিশেষ করে নাগরিক সমাজের-নেতৃত্বাধীন
স্বাধীন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কাঠামো পুনর্গঠনের অঙ্গীকার তুলে ধরেন।
প্রতিনিধিদলটি
অংশীজন ম্যাপিং এবং চাহিদা নিরূপণের মাধ্যমে নাগরিক সমাজের সম্পৃক্ততা জোরদার এবং নির্বাচনী
স্বচ্ছতা বৃদ্ধির সুযোগ চিহ্নিত করার বিষয়েও আলোচনা করে।
এএনএফআরইএল
প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ পেয়ে কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ এবং বাংলাদেশে স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে অংশীজনদের সঙ্গে
চলমান সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
মন্তব্য করুন


ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুতে
বিষাক্ত বুটলেগ অ্যালকোহল পানে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করছেন স্থানীয়
কর্মকর্তারা।
মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন
তারা। খবর- বিবিসির
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, কল্লাকুরুচি
জেলায় গত মঙ্গলবার (১৮ জুন) একাধিক মানুষ বুটলেগ অ্যালকোহল কিনে পান করেছিলেন। যাদের
অধিকাংশই শ্রমিক শ্রেণির। একাধিক মানুষের বমি, ডায়রিয়া, পায়খানা, পেটে ব্যথা, চোখ
জ্বালা করাসহ নানা উপসর্গ দেখা দেয়।
অসুস্থতার জন্য হাসপাতালে কমপক্ষে ৮০
জনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কর্মকর্তারা বলছেন, মৃতের সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনকে গ্রেফতার
করা হয়েছে। তদন্তও চলছে ব্যাপক হারে।
দ্য নিউজ মিনিটের ওয়েবসাইট অনুসারে,
কল্লাকুরুচিতে অভিযুক্তরা স্থানীয় বিক্রেতার মাধ্যমে প্যাকেটে এই মদ বিক্রি করে বলে
অভিযোগ রয়েছে।
যারা মারা গেছেন তাদের পরিবারকে ১ লাখ
রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন। যারা
হাসপাতালে ভর্তি আছেন তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার রুপি দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
তিনি এক্স-এ একটি পোস্টে লিখেছেন, অপরাধের
সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে। যারা এটি প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে তাদের বিরুদ্ধেও
ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চীনের আনহুই প্রদেশে ২০১৪ সালে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন এক ব্যক্তি। তারপর তিনি কোমায় চলে যান। কিন্তু স্ত্রীর বিশ্বাস ছিল, তার জীবনসঙ্গী একদিন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন। আর সেই বিশ্বাস, মনের প্রবল জোর ও নিঃস্বার্থ সেবায় দীর্ঘ ১০ বছর পর কোমা থেকে স্বামীকে ফিরে পেলেন সান হংশিয়া নামের ওই নারী।
এই দম্পতির একটি আবেগঘন ভিডিও চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, জেগে ওঠা স্বামীর পাশে বিছানায় বসে আছেন সান হংশিয়া। গত কয়েক বছর কীভাবে কেটেছে, সেই বর্ণনা স্বামীকে দিচ্ছিলেন ওই নারী। এসব শুনে কোমা থেকে জেগে ওঠা ওই ব্যক্তির চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছে।
গণমাধ্যমকে সান বলেন, যদিও আমি অনেক ক্লান্ত। তারপরও একটি পরিবারের সবাই যদি আবার এক হয়, সেটার অনুভূতি অন্য রকম।
হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে স্বামী কোমায় চলে যাওয়ার পর তিনি কী দুরবস্থার মধ্য দিয়ে গেছেন, সেগুলোর স্মৃতিচারণা করেন সান। তিনি বলেন, দুই সন্তানের চিন্তাই তাকে শক্তি জুগিয়েছে, ভেঙে পড়তে দেয়নি। পাশাপাশি তিনি সন্তানদের জন্য সুন্দর একটি উদাহরণও তৈরি করতে চেয়েছিলেন।
সান আরও বলেন, তার কাছে অগ্রাধিকার ছিল স্বামী। অচেতন স্বামীর থাকাটা যেন আরামদায়ক হয়, সে জন্য তিনি সময় ও শক্তি দুটিই ব্যয় করেছেন। দীর্ঘদিন কোমায় থাকার কারণে ওই ব্যক্তির (স্বামী) অনেক ধরনের শারীরিক সমস্যা হয়েছিল। শ্বাসপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে তার জন্য ট্র্যাকিওস্টমি প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়েছে। পুরুষাঙ্গে ক্যাথেটার ব্যবহার করা হয়েছে। অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। তারপরও সান লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হননি।
সানের ৮৪ বছর বয়সী শ্বশুর বউমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, সে আমার বউমা, কিন্তু আমার মেয়ের চেয়েও বেশি। ওর সঙ্গে কারও তুলনা হয় না।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট
মন্তব্য করুন


ক্যাথলিক চার্চের শীর্ষস্থানীয় দুই
নেতা কার্ডিনাল সিলভানো মারিয়া তোমাসি এবং কার্ডিনাল জ্যাকব কুভাকাড গতকাল শনিবার রোমে
পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
দুই কার্ডিনাল পোপ ফ্রান্সিসের আজীবন
দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, যুদ্ধ এবং পারমাণবিক
অস্ত্রবিহীন পৃথিবীর স্বপ্নের কথা স্মরণ করেন।
তাঁরা অধ্যাপক ড. ইউনূসের কাজের প্রতি
গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁকে পোপের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে দারিদ্র্যের
বিরুদ্ধে সংগ্রামে জীবন উৎসর্গ করার জন্য ধন্যবাদ জানান।
অধ্যাপক ড. ইউনূস পোপ ফ্রান্সিসের সাথে
তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের স্মৃতিচারণ করে বলেন, পোপ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে আপন
করে নিতে পারতেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন,তিনি একজন অসাধারণ
মানুষ ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস উল্লেখ করেন,
পোপ ফ্রান্সিসের দায়িত্ব পালনকালে বহুবার তাঁর সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে এবং কীভাবে ভ্যাটিকান
ব্যাংকের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তাঁর লেখা একটি সমালোচনামূলক চিঠি ভ্যাটিকানের
সরকারি পত্রিকা এল ওসারভেটরি রোমানোর প্রথম পাতায় প্রকাশিত হয়েছিল, তা স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, আমি লিখেছিলাম কিভাবে ভ্যাটিকান
তার ব্যাংককে দরিদ্রবান্ধব করে তুলতে পারে। আমি ব্যাংকের কার্যকারিতা ও বিতর্ক নিয়ে
সমালোচনা করেছিলাম। তবুও, পোপ সম্পূর্ণ চিঠিটি প্রকাশ করেছিলেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস আরও জানান, পোপ ফ্রান্সিস
তাঁকে ভ্যাটিকান ব্যাংকের সংস্কার এবং চার্চের দরিদ্রবান্ধব উদ্যোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে
বিভিন্ন কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেন।
গত নভেম্বরে, রোমে পোপ ফ্রান্সিস-ইউনূস
থ্রি জিরো ক্লাব উদ্বোধন করা হয়, যার লক্ষ্য অধ্যাপক ইউনূসের ‘শূন্য বেকারত্ব, শূন্য
সম্পদ মজুদ এবং শূন্য নেট কার্বন নির্গমন’ ভিশন বাস্তবায়ন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, আমি
মুসলিম, তবুও পোপ ফ্রান্সিস কখনোই তাঁর নাম একজন ভিন্ন ধর্মাবলম্বীর সাথে যুক্ত হওয়া
নিয়ে আপত্তি করেননি।
তিনি আরও জানান, তাঁকে ক্যাথলিক চার্চের
পক্ষ থেকে সেন্ট ফ্রান্সিস অব অ্যাসিসির টর্চ দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছিল, ১৩ শতকের ইতালিয়ান
সাধক ও মিসটিকের চেতনা ধারণ করার জন্য।
পোপের সাথে তাঁর মধুর সম্পর্কের কথা
স্মরণ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘তিনি কখনোই আমাকে বহিরাগত ভাবেননি।’
কার্ডিনাল তোমাসি এবং কার্ডিনাল কুভাকাড
জানান, তাঁরা উভয়েই ভ্যাটিকানের কার্ডিনাল কলেজের সদস্য এবং আগামী সপ্তাহে নতুন পোপ
নির্বাচনের জন্য বৈঠক করবেন। তাঁদের দুজনকেই চার্চের শীর্ষ নেতৃত্বের সম্ভাব্য প্রার্থী
হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
কার্ডিনাল
তোমাসির সাথে সাক্ষাৎ:
জেনেভায় জাতিসংঘ অফিসের ভ্যাটিকানের
সাবেক স্থায়ী পর্যবেক্ষক কার্ডিনাল তোমাসি শনিবার প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করেন।
সম্প্রতি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফর শেষে
তিনি অধ্যাপক ইউনূসের সাথে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। উভয়েই ইউক্রেন এবং
গাজায় সংঘাত বন্ধে পোপ ফ্রান্সিসের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
ভিয়েতনাম যেখানে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে
উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে সেখানে সফরের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তিনি বলেন,
‘দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে।’
তিনি এ অঞ্চলে আরও শান্তি প্রতিষ্ঠার
উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেন এবং উত্তেজনার সময় শান্ত থাকার পরামর্শ দেন।
অধ্যাপক ইউনূসও ভিয়েতনামের চমৎকার অর্থনৈতিক
অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং বলেন, তাঁর সরকার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বাড়ানোর
জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় মডেল অনুসরণ করছে।
কার্ডিনাল তোমাসি আশা প্রকাশ করেন,
পোপ ফ্রান্সিসের মতোই পরবর্তী পোপ সরলতা বজায় রাখবেন এবং আন্তঃদেশীয় শান্তি সংলাপকে
এগিয়ে নেবেন।
কার্ডিনাল
জ্যাকব কুভাকাডের সাথে সাক্ষাৎ:
এর আগে বিকেলে, ভ্যাটিকানের আন্তঃধর্মীয়
সংলাপ বিষয়ক দপ্তরের প্রধান কার্ডিনাল কুভাকাড রোমে প্রধান উপদেষ্টার সাথে হোটেলে সাক্ষাৎ
করেন।
কেরালার বাসিন্দা কার্ডিনাল কুভাকাড
জানান, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশে ক্যাথলিক চার্চের উদ্যোগে একটি আন্তঃধর্মীয়
সংলাপের আয়োজন করা হবে, যেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা অংশ নেবেন।
অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী
মানুষের মধ্যে অব্যাহত সংলাপের গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায়
দেশের অঙ্গীকার এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রচেষ্টা তুলে ধরেন, যা জাতি, ধর্ম,
বর্ণ ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার সুরক্ষায় কাজ করছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, ভ্যাটিকানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
তারেক আরিফুল ইসলাম এবং ইতালিতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রকিবুল হক।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ঢাকা এখন
ব্যবসার জন্য প্রস্তুত এবং উভয় দেশকে তাদের সম্পর্কের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো
উচিত।
সোমবার (১৪ অক্টোবর)
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন অধ্যাপক
ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা
অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে উভয়দেশকে আররো জোরালো প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব
আরোপ করেন।
বৈঠকে তারা মুসলিম
সংখ্যাগরিষ্ঠ দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা
বাড়ানোর উপায়, রোহিঙ্গা সংকট নিরসন এবং শিক্ষার্থী বিনিময় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাাপক
ইউনূস বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বন্যায় তুরস্কের মানবিক সহায়তা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের
প্রতি অব্যাহত সহায়তা প্রদানের জন্য তুরস্কের প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক
সম্পর্ক বাড়ানোর লক্ষ্যে তুরস্কের একটি অফিসিয়াল প্রতিনিধিদলের সফরের কথা উল্লেখ করেন।
তিনি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট
ও ফার্স্ট লেডিকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
তুর্কি রাষ্ট্রদূত
গত বছর তুরস্কে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সংহতি জানিয়ে দশ হাজার তাঁবু পাঠানোর
জন্য বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, আসন্ন
ওয়ার্ল্ড হালাল সামিট এবং ইস্তাম্বুলে মন্ত্রী পর্যায়ের একটি সম্মেলনে যোগদানের জন্য
তুরস্ক বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
রাষ্ট্রদূত আরো জানান,
তুরস্কের একটি অফিসিয়াল প্রতিনিধিদল বর্তমানে বাংলাদেশ সফর করছে, যারা মূলত নতুন ব্যবসা
ও বাণিজ্যিক সুযোগ খুঁজে বের করতে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগে সহায়তা
করার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন,‘আমরা অর্থনৈতিক
ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো নিবিড় করতে চাই।’
রাষ্ট্রদূত বলেন,
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব এলাকায় সাম্প্রতিক বন্যার সময় তুরস্কের আরেকটি দল দেশটি সফর
করেছে। তারা ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লায় বন্যার্তদের জন্য মানবিক সহায়তা
প্রদান করেছে।
তিনি জানান, দুই দেশের
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বর্তমানে ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে, তবে উভয় দেশ থেকে
রপ্তানি বাড়ানোর অনেক সুযোগ এখনো রয়ে গেছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন,
তুরস্কের ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশের একটি উচ্চ
পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল দেশটি সফর করার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি জানান, তুরস্কের
বাণিজ্যমন্ত্রী এই বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ সফর করবেন।
মন্তব্য করুন


মা হতে চলেছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সেপ্টেম্বরে প্রথম সন্তানের জন্ম দেবেন তিনি।
(২৯ ফেব্রুয়ারি)বৃহস্পতিবার সকালে দীপিকা তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মা হতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। একই পোস্ট শেয়ার করেছেন তার স্বামী অভিনেতা রণবীর সিং।
এই দম্পতি ইনস্টাগ্রামে যে ছবিটি পোস্ট করেছেন তার ক্যাপশনে কিছুই লেখেননি। তবে ছবিতেই সুখবরটি স্পষ্ট। যেখানে দেখা যায়- ছোট বাচ্চার জামা-কাপড়, জুতা, খেলনার ছবি। এতে লেখা রয়েছে— ‘সেপ্টেম্বর ২০২৪, দীপিকা-রণবীর।’
নিজেদের জীবনের অন্যতম এই সুখবরটি প্রকাশ্যে আনতেই শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসছেন রণবীর-দীপিকা দম্পতি। ভক্ত-অনুরাগীদের পাশাপাশি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বলিউড তারকারাও।
কয়েক দিন আগে দীপিকার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র দ্য উইককে জানিয়েছিলেন, দীপিকা পাড়ুকোন এখন সেকেন্ড ট্রাইমেস্টার’র (১৪-২৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা) পার করছেন। খুব শিগগিরই বলিউডের তারকা দম্পতির সংসারে আসতে চলেছে প্রথম সন্তান।
দ্য উইককের এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, কয়েক দিন আগে লন্ডনের রয়্যাল ফেস্টিভ্যালে বসেছিল ৭৭তম ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টস (বাফটা) অ্যাওয়ার্ডেসের আসর। এতে সব্যসাচি মুখার্জির ডিজাইন করা শাড়ি পরে হাজির হয়েছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। এ মঞ্চে শাড়ি দিয়ে বারবার পেট আড়াল করার চেষ্টা করেছেন তিনি। এরপর দীপিকার মা হতে যাওয়ার গুঞ্জন আরো জোরালো হয়। সেই সকল গুঞ্জনকে সত্য প্রমাণ করে আনুষ্ঠানিকভাবেই মা হওয়ার ঘোষণা দিলেন অভিনেত্রী।
উল্লেখ্য, সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত রাম-লীলা সিনেমার শুটিং সেট থেকে প্রেম শুরুর পর ২০১৮ সালে বিয়ে করেন রণবীর-দীপিকা জুটি। বিয়ের প্রায় ৬ বছরের মাথায় তাদের সংসার আলো করে আসতে চলেছে প্রথম সন্তান।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে পুলিশ
এবং নির্বাচন কমিশনসহ প্রধান প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে সহায়তা
করবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন
তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়,
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর সৌজন্য সাক্ষাতে
তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার, দুর্নীতি, বন্যা, রোহিঙ্গা সংকট এবং জুলাই-আগস্ট গণহত্যা
বিষয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বে তদন্ত বিষয়ে আলাপ করেন।
গোয়েন লুইস অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া
সংস্কার উদ্যোগে সহায়তায় আগ্রহের কথা জানান এবং বিপ্লব পরবর্তী প্রশাসনের প্রধান হিসেবে
অসাধারণ ভূমিকা নেওয়ায় ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানান।
জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের কথা উল্লেখ করে
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, এটা ছিল গোটা জাতির জন্য এক অনন্য আন্দোলন। তার সরকারের
প্রধান কাজ প্রত্যেকের জন্য একটা ভালো উদাহরণ স্থাপন করা। এটা দেশের অর্থনীতি এবং প্রায়
সকল প্রতিষ্ঠান সংস্কারের জন্য বিরাট সুযোগ।
গোয়েন লুইস পুলিশ প্রশাসনসহ নিরাপত্তা
বাহিনীর সংস্কার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তার সরকার পুলিশের সংস্কারের
সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে।
ড. ইউনূস বলেন, সরকার সারা দেশে সমন্বিত
তথ্যপ্রযুক্তি পদ্ধতি স্থাপনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি দেশে হয়রানি এবং দুর্নীতি হ্রাস
করবে। নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কারে সরকার একটি কমিশন গঠন করেছে। সুতরাং আগামীতে অবাধ ও
সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত
বিষয়ে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস বলেন, জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড
এবং ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন তদন্ত টিম ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা,
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আইএলও আহত এবং মানসিক ট্রমাতে থাকা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা
করছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা বিষয়ে
গোয়েন লুইস বলেন, বাংলাদেশের পূর্ব এবং দক্ষিণ অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বন্যা
পরবর্তী পুর্নবাসনে সহায়তা হিসেবে ৪ মিলিয়ন ডলার সরবরাহ করেছে।
তিনি বলেন, বন্যায় বাংলাদেশে প্রায়
১৮ মিলিয়ন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বিভিন্ন সংস্থা
ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় করেছে জাতিসংঘ।
দক্ষিণ এশিয়ায় আগাম বন্যা সতর্কতার
জন্য একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপনে জাতিসংঘের সহায়তা চান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা এবং জাতিসংঘের আবাসিক
সমন্বয়ক পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুতে আলাপ করেন।
তিন পার্বত্য জেলায় জাতিসংঘের সংস্থাগুলো
যে সাহায্য কাজ করেছে, তার চিত্র তুলে ধরেন গোয়েন লুইস।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলাপকালে ড. মুহাম্মদ
ইউনূস রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য অধিকতর সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে জাতিসংঘের সহায়তা চান।
মন্তব্য করুন