

যারা উদ্যমী এবং প্ররিশ্রমী কোন বাধা বিপত্তিই তাদের দমিয়ে রাখতে পারে না। তার এক উজ্জল দৃস্টান্ত শারীরিক প্রতিবন্ধী সজীব। লেখাপড়া শেষ করে নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশের সেবা করতে চায় সে। কিন্তু তার এই স্বপ্নে বাধা হয়ে দাড়িয়েছে দরিদ্রতা। আদেও কি তার এই স্বপ্ন পূরণ হবে কিনা এবং শিক্ষা জীবন শেষ করে সমাজে মাথা উচু করে দাড়াতে পারবে কিনা এমন দু:শ্চিন্তায় দিন কাটছে তার।
সজীব মহম্মদপুর আমিনুর রহমান ডিগ্রী কলেজের স্নাতক বর্ষের ছাত্র। ২০২০ সালে মহম্মদপুর উপজেলার চৌবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০২২ সালে বিনোদপুর ডিগ্রী কলেজ থেকে এইসএসসি পাস করে এ বছর স্নাতক পাশ কোর্সে ভর্তি হয়েছেন। শিক্ষা জীবন শেষ করে সে শিক্ষক হয়েই শিক্ষার মানোউন্নয়ন এবং সমাজ গঠনে অবদান রাখতে চায়। এখনো প্রর্যন্তু পঙ্গুত্ব এবং অভাব তার শিক্ষার অগ্রযাত্রা কে বাধাগ্রস্থ করতে পারেনি। তবে আদৌকি তার এই স্বপ্ন পূরণ হবে কিনা এবং শিক্ষা জীবন শেষ করে সমাজে মাথা উচু করে দাড়াতে পারবে কিনা এমন দু:শ্চিন্তায় দিন কাটছে তার পরিবারের।
সজীব মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের খাদুনা গ্রামের হতদরিদ্র কাঠমিস্ত্রী সুনীল মন্ডলের ছেলে। বাবা-মাসহ ৫ সদস্যের সংসারে দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সে মেজো। বড় বোন চন্দ্রিকা মন্ডলের বিয়ে হয়েছে গেছে। ছোট বোন অনিন্দিতা এ বছর এইসএসসি পাস করে অনার্সে ভর্তির অপেক্ষায় আছে। টাকার অভাবে এখনো সে ভর্তি হতে পারেনি। বাবা সুনীল মন্ডল মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে কাঠমিস্ত্রীর কাজ করে যা উপার্জন করে তা দিয়ে সংসার চালাতেই হিমসিম খেতে হয়ে। মা স্বপ্না রাণী মন্ডল গৃহীণি।
তিনি বলেন, আমার প্রতিবন্ধী ছেলে এবং মেয়ের লেখাপড়ার জন্য অনেকের কাছে গিয়েছি। অনেকেই সহযোগিতা করেছে। আমি আমার ছেলে এবং মেয়ের লেখা পড়ার জন্য মানুষের বাড়িতেও কাজ করেছি। এতদিন অনেক কষ্টো করে তাদের লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে এসেছি কিন্তু এখন আর পারছি না। আমি আমার প্রতিবন্ধী ছেলের জন্য সমাজের সকলের সহযোগিতা চাই। কারন, কারন, সজীবের বাবারও আগের মত কাজ করার শক্তি এখন আর নাই।
বাবা সুনিল মন্ডল বলেন, ছেলের লেখাপড়ার করার ইচ্ছা আমাকে সাহস যোগায় কিন্তু সামর্থের কাছে বারবার হেরে যায় আমি। তবু তার তার ইচ্ছে পূরণে আমার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তবে সরকারি সহায়তা পেলে আমার ছেলেটা তার শিক্ষা জীবন শেষ করে হয়ত কিছু একটা করতে পারতো। তারপর আবার মেয়েটা বড় হয়ে হয়ে গেছে তাকেও সময় মত বিয়ে দিতে হবে। নানান চিন্তায় মাঝেমধ্যে দিশেহারা হয়ে পড়ি আমি।
প্রতিবন্ধী সজীব মন্ডল বলেন, ছোট বেলায় মায়ের কোলে চড়ে স্কুলে গিয়েছি। বড় হয়ে ভ্যানে। কলেজে উঠলে ভগ্নিপতির সহযোগিতায় একটি ব্যাটারি চালিত হুইল চেয়ার কিনে আসাযাওয়া করতাম। এখনো হুইল চেয়ার চালিয়েই কলেজে আসা যাওয়া করি। নিজের নামে একটি প্রতিবন্ধী ভাতা আছে তা দিয়ে এবং বাবার সহযোগিতায় ডিগ্রীতে ভর্তি হয়েছে। আমার খুব ইচ্ছে লেখাপড়া শেষ করে একজন আদর্শবার শিক্ষক হওয়ার। তার ইচ্ছে পূরণে সে সমাজের মানবিক বিত্তবান এবং সরকারের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
এ বিষয়ে আমিনুর রহমান ডিগ্রী কলেজের অফিস সহকারি তরুণ কুমার গুহ পিকিং বলেন, উদ্যমি সজীবের আগ্রহের কথা জেনে আমরা সীমিত খরচে তাকে ডিগ্রীতে ভর্তি করে নিয়েছি। অধ্যক্ষ শওকত বিপ্লব রেজা বিকো বলেন, প্রাথমিকভাবে তাকে ভর্তি করে নেওয়া হয়েছে। তাকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। ইউএনও পলাশ মন্ডল বলেন, আমি তার খবর পেয়ে অফিসে আসতে বলেছে। তার লেখা পড়া চালিয়ে যেতে সর্বচ্চো সহায়তা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে করার লক্ষ্যে
সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন,
মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে পরীক্ষার সিস্টেমে পরিবর্তন আনা হবে। ‘অটোপাশ’র
আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।
আজ
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান
এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায়
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এসময় মন্ত্রী পরীক্ষায়
যেকোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি ঘোষণা করেন।
তিনি
বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে।
পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথ ‘বডি সার্চ’
নিশ্চিত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
ড.
এহছানুল হক মিলন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘পরীক্ষা কেন্দ্রের টয়লেটেও যদি নকল পাওয়া যায়,
তবে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে এর জন্য দায় নিতে হবে।’
এছাড়া
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র সংক্রান্ত কোনো গুজব বা কনটেন্ট ছড়ালে কঠোর আইনানুগ
ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
পরীক্ষার্থীদের
প্রকৃত মেধা যাচাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, প্র্যাকটিক্যাল বা ব্যবহারিক
পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত প্রথা বন্ধ করতে হবে। প্রকৃত মূল্যায়নের মাধ্যমেই
শিক্ষার্থীদের ফলাফল নির্ধারিত হতে হবে।
নকলের
বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়তে দেশব্যাপী জেলা পর্যায়ে ‘মোটিভেশনাল মিটিং’
আয়োজন করা হবে বলেও সভায় জানানো হয়।
সভায়
মন্ত্রী দেশের শিক্ষা কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একটি দূরদর্শী পরিকল্পনার কথা
তুলে ধরেন। তিনি জানান, যেসব জেলায় বর্তমানে ‘জিলা স্কুল’
নেই, সেখানে নতুন করে জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে। এই স্কুলগুলো প্রথম শ্রেণি থেকে
দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের আদলে পরিচালিত হবে।
মতবিনিময়
সভায় মন্ত্রী এসএসসি পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর
তালিকা পুনরায় তদন্ত করে হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন।
সভায়
শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানগণ পরীক্ষা আয়োজনের বর্তমান অগ্রগতি তুলে ধরেন।
মন্তব্য করুন


পাঠ্যপুস্তক
সংশোধন ও পরিমার্জনের জন্য গঠিত ১০ সদস্যের সমন্বয় কমিটি বাতিল করা হয়েছে।
শনিবার
(২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী
সচিব ইয়ানুর রহমানের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
অফিস
আদেশে বলা হয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত ও মুদ্রিত
সব পাঠ্যপুস্তক সংশোধন ও পরিমার্জন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে
গঠিত সমন্বয় কমিটি বাতিল করা হলো।
কিছুদিন
আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব (সরকারি মাধ্যমিক-২)
মো. ইয়ানুর রহমানের সই করা এক অফিস আদেশ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)
প্রণীত ও মুদ্রিত সব পাঠ্যপুস্তক সংশোধন ও পরিমার্জনে ১০ সদস্যের সমন্বয় কমিটি গঠন
করা হয়।
শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা
বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইয়ানুর রহমানকে সদস্যসচিব করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
কিছুদিন
আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব (সরকারি মাধ্যমিক-২)
মো. ইয়ানুর রহমানের সই করা এক অফিস আদেশ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)
প্রণীত ও মুদ্রিত সব পাঠ্যপুস্তক সংশোধন ও পরিমার্জনে ১০ সদস্যের সমন্বয় কমিটি গঠন
করা হয়।
শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা
বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইয়ানুর রহমানকে সদস্যসচিব করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রোজায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন ।
আজ মঙ্গলবার (১২ মার্চ) দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি শুরু করেন আইনজীবীরা।
আজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ (এ এম) আমিন উদ্দিন। অন্যদিকে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ।
গত ১০ মার্চ পবিত্র রমজানে বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ পরের দিন সোমবার (১১ মার্চ) স্থগিত হয়নি। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এই আদেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সেটি শুনানি শুরু হয়।
মন্তব্য করুন


রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের অন্যতম এবং নওগাঁ জেলার বারবার
প্রথম স্থান অধিকারী নওগাঁর ধামইরহাটের ঐতিহ্যবাহী স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চকময়রাম
সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক এসএম খেলাল ই রব্বানীকে হাতির পিঠে চড়ে
বিদায় জানিয়েছে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।
হাতির পিঠে চড়ে প্রধান শিক্ষকের রাজকীয় বিদায় জানানোর
দৃশ্য এক নজর দেখতে রাস্তার দুই পাশে হাজারো শিক্ষার্থী ও নারী-পুরুষ ভিড় জমায়।
গতকাল শনিবার দুপুরে হাতির পিঠে চড়ে ৩৯ বছরের শিক্ষকতা
জীবনের ইতি টানেন প্রথিতযশা এই গুণী শিক্ষক। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে
দাতা সদস্য আব্দুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক
এসএম খেলাল ই রব্বানীর বিদায় সংবর্ধনার শুভ সূচনা করা হয়।
পরে প্রাক্তন শিক্ষার্থী কলেজ শিক্ষক হারুন-অর-রশীদ
ও মুমিনুল ইসলামের যৌথ সঞ্চালনায় বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা
অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, একাডেমিক সুপারভাইজার কাজল কুমার সরকার সহ আরও অনেকে।
এ সময় প্রধান শিক্ষক ছাড়াও সহকারী শিক্ষক খোরশেদা আক্তার, ফয়জুল ইসলাম, অসীম চন্দ্র কুণ্ডু, রেজাউল করিম ও অফিস সহকারী আব্দুস সাত্তারকে বিদায় সম্মাননা জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


৫ ই অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস। শিক্ষক গণের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন পূূর্বক এই দিনটি বিশেষভাবে উদযাপন করা হয়ে থাকে।
বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।
তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা জেলাতেও খুব অনাড়ম্বর ভাবে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করা হয়েছে।
'শিক্ষকের কণ্ঠস্বর : শিক্ষায় নতুন সামাজিক অঙ্গীকার' - এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন কমিটি কুমিল্লা জেলার উদ্যোগে শনিবার ৫ই অক্টোবর কুমিল্লা জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে বিশ্বশিক্ষক দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
উক্ত আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ শামসুল তাবরীজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার।
বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় কুমিল্লা শহরের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিস্বরূপ শিক্ষকগণ এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় শিক্ষকগণ শিক্ষকতা পেশার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তুলে ধরেন এবং তাঁদের সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করেন।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি শিক্ষকগণের তুলে ধরা বিভিন্ন মতামত এর উপর আলোকপাত করে তার সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করেন এবং ভবিষ্যতের দিনগুলোতে শিক্ষকতা পেশার চলমান বিভিন্ন দিক সম্পর্কেও আলোকপাত করেন।
মন্তব্য করুন


শিক্ষার্থীদের আর্থিক অসুবিধার কথা বিবেচনা করে অবশেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন পরীক্ষার ফি কমানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গত বুধবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রক্টর এবং অন্যান্য বিভাগীয় প্রধানদের উপস্থিতিতে এই জরুরি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরাও এই সময় উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, বর্তমান পরীক্ষার ফি নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দাবি ও সমস্যা জানানো হচ্ছিল, সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
ঘোষণার সময় ও কার্যকরিতা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বিষয়ে একটি চূড়ান্ত ঘোষণা আগামী ১৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখের মধ্যে আসতে পারে। ঘোষণাটি দেওয়ার আগে বিভিন্ন কলেজের প্রিন্সিপাল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারকদের নিয়ে একটি মিটিং করা হবে।
যেহেতু অনেক শিক্ষার্থী এরই মধ্যে বর্তমান পরীক্ষার জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে ফেলেছে, তাই ফি কমানোর এ সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকর হচ্ছে না। সিদ্ধান্তটি কার্যকর হবে অনার্স পার্ট-৪, পাস কোর্স পার্ট-২ এবং এর পরের সব পরীক্ষা থেকে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশ ছাড়ার পর থানায় হামলার ঘটনায় রাজধানীসহ দেশের যেসব থানায় রাখা প্রশ্নপত্র পুড়ে গেছে, সেসব এলাকার এইচএসসি ও সমমানের ১১ আগস্টের পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না।
তবে এখনও এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। পরীক্ষা নেওয়া না নেওয়ার সিদ্ধান্ত দু-এক দিনের মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নতুন শিক্ষাক্রমে বিভাগ
বিভাজন (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য) নেই। ফলে নবম শ্রেণিতেও একই পাঠ্যবই পড়ছে সব
শিক্ষার্থী।
রোববার (১ সেপ্টেম্বর)
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচির মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার সাক্ষরকৃত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা নির্দেশনা থেকে জানা গেছে, নবম শ্রেণির
শিক্ষার্থীর যখন দশম শ্রেণিতে উঠবে, তখন বিভাগ বিভাজনের সুযোগ পাবে। তারা আগের
নিয়মে যেন ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে, সেজন্য সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচিও
প্রণয়ন করা হবে।
নির্দেশনায় আরো বলা
হয়েছে, ২০২৫ সালে দশম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা
(২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য) নেওয়ার লক্ষ্যে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা
অব্যাহত রেখে পূর্বের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর আলোকে প্রণীত সংশোধিত ও পরিমার্জিত
পাঠ্যপুস্তকগুলো (অর্থাৎ ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ব্যবহৃত পুস্তক) শিক্ষার্থীদের সরবরাহ
করা হবে।
এতে আরও বলা হয়, যেসব
শিক্ষার্থী ২০২৫ সালে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে, তাদের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর
আলোকে প্রণীত শাখা ও গুচ্ছভিত্তিক সংশোধিত ও পরিমার্জিত পাঠ্যপুস্তকগুলো (২০২৩
শিক্ষাবর্ষে ব্যবহৃত) প্রদান করা হবে। এসব শিক্ষার্থী নবম ও দশম শ্রেণি মিলিয়ে দুই
শিক্ষাবর্ষে সম্পূর্ণ পাঠ্যসূচি শেষে ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ
করবে।
‘জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ অনুসারে প্রণীত বিজ্ঞান,
মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষাভিত্তিক এ পাঠ্যপুস্তকগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি
প্রণয়ন করা হবে, যেন শিক্ষার্থীরা এক শিক্ষাবর্ষের মধ্যেই পাঠ্যসূচিটি সম্পন্ন
করতে পারে। পাঠদান ও মূল্যায়ন পদ্ধতি জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ অনুসারে পরিচালিত
হবে।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষাবিদ, শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞ, মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ,
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও
অভিভাবক প্রতিনিধিদের সহযোগিতায় ২০২৫ সালে পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করা হবে,
যা ২০২৬ সাল থেকে পরিপূর্ণরূপে কার্যকর করা হবে।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি ও সমমানের বাকি পরীক্ষাগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে ।
বুধবার (৭ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি মাধ্যমিক শাখা-২ এর উপসচিব সাইয়েদ এ. জেড মোরশেদ আলীর সই করা এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা হয়েছে যে, আগামী ১১ আগস্ট ২০২৪ তারিখ থেকে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৪-এর পরীক্ষাসমূহ অনিবার্য কারণবশত স্থগিত।
এইচএসসি ও সমমানের বাকি পরীক্ষাগুলো গ্রহণের বিস্তারিত সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে মর্মে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
এর আগে কোটা সংস্কারের আন্দোলন ঘিরে দেশব্যাপী সহিংসতার কারণে দফায় দফায় চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। তিন দফায় মোট আট দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে বোর্ডগুলো। পরে ১১ আগস্ট থেকে নতুন সময়সূচিতে পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানানো হয়।
গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। এবারে পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন।
মন্তব্য করুন


তীব্র
তাপদাহকালীন মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখা
সংক্রান্ত নতুন কিছু নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
রোববার
(১৯ মে) দেশের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও স্কুল এন্ড কলেজ এবং বেসরকারি নিম্ন
মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও স্কুল এন্ড কলেজের প্রধানদের কাছে এই
নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায়
বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন মাধ্যমিক
পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তীব্র তাপ প্রবাহকালীন শ্রেণি কার্যক্রম চালু অবস্থায়
নিম্নে বর্ণিত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো-
১।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রাত্যহিক সমাবেশ বন্ধ রাখা।
২।
শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালীন শ্রেণি কক্ষের সব দরজা-জানালা খোলা রাখা।
৩।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈদ্যুতিক পাখা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (যদি
থাকে) সচল রাখা।
৪।
পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানির সুব্যবস্থা রাখা।
৫।
শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থীদের প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পানের ব্যবস্থা করা।
৬।
নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা, যেন কোন শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক
জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা যায়।
৭।
প্রয়োজনীয় খাবার স্যালাইনের ব্যবস্থা রাখা।
৮।
শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক শ্রেণিকক্ষে অবস্থান নিশ্চিত করা।
৯।
বেলা ১১টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থীরা যেন যথাসম্ভব
সূর্যের আলো থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখে সে বিষয়টি নিশ্চিত করা।
মন্তব্য করুন