

এইবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে দুটোই।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, এ বছর ১১টি শিক্ষাবোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সাড়ে ১৩ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯২ হাজার ৩৬৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। গত বছর(২০২২ সালে) জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭৬ হাজার ২৮২ জন। সেই হিসাবে এই বছর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৮৩ হাজার ৯১৭ জন।
অন্যদিকে, দেশের ১১টি শিক্ষাবোর্ডে গড় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ। গত বছর ২০২২ সালে পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ। সেই তুলনায় এবার পাসের হার ৭ দশমিক ৩১ শতাংশ কমেছে।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল ১২ মে রোববার চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা
হবে।
সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে মাধ্যমিক ও সমমান
পরীক্ষা ২০২৪ এর ফলাফল এবং ফলাফলের পরিসংখ্যান তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান
চৌধুরী নওফেল। এ সময় তার সঙ্গে থাকবেন ৯টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা
বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা ১২ মে ফলাফল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সম্মতি দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর
সহকারী একান্ত সচিব-১ ইসমাত মাহমুদা এ সংক্রান্ত চিঠিতে সই করেছেন।
আর এর পরপরেই সকাল ১১টায় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফলাফল প্রকাশ
করা হবে।
নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি ও সময়সূচি নিতে প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ে চিঠি দিয়ে থাকে। প্রধানমন্ত্রী যেদিন সময় দেন, সেদিন ফল প্রকাশে প্রস্তুতি
নেওয়া হয়।
পরীক্ষার ফলাফল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট wwwdhakaeducationboard.gov.bd-G
Result-এ ক্লিক করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক
রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া www.education boardresults.gov.bdbd ওয়েবসাইটে
ক্লিক করে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরীক্ষার নাম, বছর ও শিক্ষা বোর্ড সিলেক্ট
করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করে ফল জানা যাবে।
মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে। ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে
স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম ৩ অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস
দিয়ে পাসের বছর লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফল।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়।
এবারের এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী
২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন। সারাদেশে ২৯ হাজার ৭৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা
৩ হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হয়।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি ও সমমানের বাকি পরীক্ষাগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে ।
বুধবার (৭ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি মাধ্যমিক শাখা-২ এর উপসচিব সাইয়েদ এ. জেড মোরশেদ আলীর সই করা এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা হয়েছে যে, আগামী ১১ আগস্ট ২০২৪ তারিখ থেকে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৪-এর পরীক্ষাসমূহ অনিবার্য কারণবশত স্থগিত।
এইচএসসি ও সমমানের বাকি পরীক্ষাগুলো গ্রহণের বিস্তারিত সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে মর্মে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
এর আগে কোটা সংস্কারের আন্দোলন ঘিরে দেশব্যাপী সহিংসতার কারণে দফায় দফায় চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। তিন দফায় মোট আট দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে বোর্ডগুলো। পরে ১১ আগস্ট থেকে নতুন সময়সূচিতে পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানানো হয়।
গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। এবারে পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কারিগরিভাবে বৈধ হলেও এটি কার্যত অনিরাপদ এলাকায় অবস্থিত। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোচ এরিয়ার মধ্যে পড়েছে। বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোচ এরিয়ায় থাকা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ জনসমাগম হয়— এমন সব প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া উচিত।
আজ
শুক্রবার (২৫ জুলাই) বাংলামটরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের কনফারেন্স রুমে ‘মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দুর্ঘটনা : জননিরাপত্তা এবং উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের দায় ও করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।
বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোচ এরিয়ায় থাকা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ জনসমাগম হয়, এমন সব প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া উচিত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন বিআইপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ তামজিদুল ইসলাম। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানবন্দরের রানওয়ের পর ৫০০ ফুট এলাকায় কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যায় না। এর পরের ১৩ হাজার ফুট বা প্রায় ৪ কিলোমিটার অঞ্চলকে অ্যাপ্রোচ এরিয়া বলা হয়, যেখান দিয়ে বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণ করে। বিআইপির প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপ্রোচ এলাকায় ১৫০ ফুট উচ্চতার স্থাপনা নির্মাণে সরকারের নগর কর্তৃপক্ষ ও বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের দিক থেকে কোনো বাধা নেই। সেসব স্থাপনার কী ধরনের ব্যবহার হবে, সে বিষয়েও কোনো নির্দেশনা নেই সরকারের সংস্থাগুলোর।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপ্রোচ এলাকায় এ ধরনের স্থাপনা কারিগরিভাবে বৈধ হলেও কার্যত অনিরাপদ। প্রতিবেদনে পরিকল্পনাবিদ তামজিদুল ইসলাম বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা বা ড্যাপে অ্যাপ্রোচ এলাকার স্থাপনার উচ্চতা নিয়ন্ত্রণের কথা বলা আছে। কিন্তু সেখানকার ভূমির কী ধরনের ব্যবহার হবে তা উল্লেখ নেই। গণজমায়েত হয় এ রকম কোনো স্থাপনার জন্য সেখানকার ভূমি ব্যবহার করা উচিত নয়। কৃষিজমি ও সবুজায়ন করা যেতে পারে, তবে এমন কিছু করা যাবে না, যাতে সেখানে পাখি আসে।
সংবাদ সম্মেলনে বিআইপির সভাপতি পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, অ্যাপ্রোচ এরিয়া থেকে স্কুল, কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসার মতো জনসমাগম হয়, এমন সব স্থাপনা সরাতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা ঘটলে মৃত্যুর মিছিল ঠেকানো সম্ভব হবে না। বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের জায়গা তদন্ত করে যত ধরনের ব্যত্যয় হয়েছে, সেগুলো অনুসন্ধান করতে হবে। স্থাপনার উচ্চতায় ব্যত্যয় থাকলেও বাড়তি অংশ ভেঙে ফেলতে হবে। ঢাকা থেকে বিমানবন্দর দূরে ছিল। ঢাকাকে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ বলে যে একটা জিনিস আছে তা ভুলে যাওয়া হয়েছে। তা না হলে বিমানবন্দরের উড্ডয়ন-অবতরণের পাশে স্কুল-কলেজের মতো অবকাঠামো হওয়ারই কথা নয়। মৌলিক ব্যাকরণ ভুলে যাওয়া হয়েছে। জনবহুল এলাকায় প্রশিক্ষণ বিমান উড়ানোর সুযোগ নেই।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিআইপির সহ-সভাপতি পরিকল্পনাবিদ শাহরিয়ার আমিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ তামজিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পরিকল্পনাবিদ ড. মোসলেহ উদ্দীন হাসান, বোর্ড সদস্য আবু নাঈম সোহাগ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ৩য় ধাপের পরীক্ষা আগামী ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
শেষ ধাপের পরীক্ষায় অংশ নিবেন ঢাকা ও চট্টগ্রাম (তিন পার্বত্য জেলা ব্যতীত) বিভাগের প্রার্থীরা । এ ধাপের মোট পরীক্ষার্থী ৩ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৩ জন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তৃতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষাকে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করার জন্য ২৫টি যন্ত্র সহ ৫টি টিম পরীক্ষার কেন্দ্র পাইলটিং করবে।
এ বছর প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। রংপুর, বরিশাল, সিলেট বিভাগের প্রথম ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা গত বছরের ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬২৭ জন। মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয় গত ২৭ ফেব্রুয়ারী।
রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ২ ফেব্রুয়ারী। পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিলো ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ জন। এই ধাপের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি।
৩০ মের মধ্যে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ হতে পারে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকার
ছাত্র-জনতার স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারের সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করেছে ।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ রবিবার জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর।
আদেশ বাস্তবায়নে স্কুল ও কলেজ অধ্যক্ষদের নির্দেশনা দিয়ে আদেশে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
আরো বলা হয়, এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ বা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ শহীদদের গেজেট যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা
বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের আসন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা
বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাওয়া না গেলে মেধা তালিকা থেকে ওই আসনে ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন পরীক্ষা দিয়ে বৃত্তি পেয়েছে ৫ হাজার ২৭০ জন। এর মধ্যে মেধাবৃত্তি (টেলেন্টপুল) পেয়েছে ১ হাজার ৬৭৭ জন ও সাধারণ বৃত্তি ৩ হাজার ৫৯৩ জন। বৃত্তি পেয়েছে ১৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। আজ বুধবার ওই ফল ঘোষণা করা হয়। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ বছর সারাদেশের নয়টি শিক্ষবোর্ডে ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৬০ জন পরীক্ষা দেয়। এর মধ্যে বৃত্তি পেয়েছে ৪৬ হাজার ২০০ জন। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর হার ১৪ দশমিক ৬৬। এর মধ্যে মেধাবৃত্তি পেয়েছে ১৪ হাজার ৭০০ জন, সাধারণ বৃত্তি ৩১ হাজার ৫০০ জন।
মেধাবৃত্তি প্রাপ্তরা বাৎসরিক এককালীন অনুদান পাবেন ৫৬০ টাকা ও মাসিক ৪৫০ টাকা করে। সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা বাৎসরিক এককালীন অনুদান পাবেন ৩৫০ টাকা ও মাসিক ৩০০ টাকা করে । ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেট থেকে এই বৃত্তির টাকা ছাড় দেওয়া হবে। ইএফটিতে শিক্ষার্থীরা তফসিলি ব্যাংকে হিসাব খুলে ওই টাকা পাবে।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল)
থেকে শুরু হচ্ছে চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফরম পূরণ
যা চলবে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত।
ফরম পূরণ এর ফি নিয়ে শিক্ষা
বোর্ডগুলো বলছে, এবার বিজ্ঞান শাখার পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের ফি ২ হাজার ৬৮০ টাকা
নির্ধারণ এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য ফি ২ হাজার ১২০ টাকা।
তবে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা
শাখার কোনো পরীক্ষার্থীর চতুর্থ বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা থাকলে নির্ধারিত ফি এর সঙ্গে
অতিরিক্ত ১৪০ টাকা যুক্ত হবে। আর নৈর্বাচনিক বিষয়ে ব্যবহারিক থাকলে বিষয়প্রতি আরও ১৪০
টাকা যোগ করা হবে।
এ ছাড়া অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের
ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ডগুলো বলছে পরীক্ষার্থী প্রতি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা
। জিপিএ উন্নয়ন ও প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০০ টাকা তালিকাভুক্তি ফি নির্ধারণ
করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন নবায়ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০ টাকা। আর বিলম্ব ফি নির্ধারণ
করা হয়েছে ১০০ টাকা।
তবে কোন শিক্ষার্থী ২৫ তারিখের
মধ্যে ফর্ম পূরণ করতে না পারলে নির্ধারিত সময়ের পর বিলম্ব ফি দিয়ে ২৯ এপ্রিল থেকে ২
মে পর্যন্ত ফরম পূরণ করতে পারবে ।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের এইচএসসি
ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২০ জুন হতে শুরু হবে।
মন্তব্য করুন


আজ দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপ্রধানের
সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক
ড. দীন মোহাম্মদ নুরুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়।
রোগীরা যাতে বিদেশমুখী না হয়ে বিএসএমএমইউ’র মতো সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে উৎসাহী হয় সে লক্ষ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পাশাপাশি রোগীদের চিকিৎসা ও সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি বিএসএমএমইউ’র সার্বিক কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, ‘বিদেশমুখীতা কমাতে দেশের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসায়
উৎসাহ বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন।’
এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন ব্রিফিংয়ে জানান, সাক্ষাৎকালে উপাচার্য
চিকিৎসাসহ বিএসএমএমইউ’র সার্বিক কর্মকান্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সাহাবুদ্দিন বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল
বিশ্ববিদ্যালয় একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। এখানে রোগীদের উন্নত চিকিৎসা ও সেবার বিষয়ে
সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
প্রেস সচিব আরো জানান, পরে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আব্দুর
রশীদ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় উপাচার্য ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনা
তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য প্রমাণ করতে পারে; কারিকুলাম উন্নয়নের ক্ষেত্রে সে বিষয়ে প্রাধান্য দিতে হবে।
শিক্ষার্থীরা যাতে তথ্য প্রযুক্তিসহ ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে পারে সে ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এবং সামরিক সচিব মেজর
জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


টানা
দেড় মাসের ছুটিতে যাচ্ছে দেশের সব মাদরাসা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে আগামী
১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আর এই ছুটি থেকেই শুরু হবে মাদরাসায়
টানা ৪৬ দিনের ছুটি।
গত
২০ জানুয়ারি প্রকাশিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ছুটির তালিকা
থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ছুটির
বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ছুটি, ১৩ ও ১৪
ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি মাদরাসায় শুরু হচ্ছে পবিত্র
রমজান মাসের ছুটি। এরপর একে একে ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস,
১৭ মার্চ শবেকদর, ২০ মার্চ জুমাতুল বিদা, ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা
ও জাতীয় দিবস। ২৭-২৮ মার্চ যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার।
তাই
মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হবে ২৯ মার্চ।
উল্লেখ্য,
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ দিন ছুটি থাকবে পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে। এই ছুটি
চলবে আগামী ২৪ মে থেকে ১১ জুন।
মন্তব্য করুন


সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
বুধবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব মো. সাজজাদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান চাকরিতে প্রবেশের বয়সীমা ৩৫ এবং অবসরের বয়সবৃদ্ধির দাবি জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আবেদন করেন।
আর তখন করা সেই আবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধির সম্পৃক্ততা থাকায় সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
মন্তব্য করুন