

একটি
বিষয়ে পাঁচবার পরীক্ষা দিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি অর্পিতা নওশিন। অভিযোগ, শিক্ষকের
রোষানলেই বারবার ফেল করতে হয়েছে তাকে। শেষ পর্যন্ত মানসিক যন্ত্রণায় অভিমানে প্রাণ
দিলেন এই মেডিকেল শিক্ষার্থী।
শুক্রবার
(৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কুমিল্লার একটি হোস্টেলের নিজ কক্ষ থেকে অর্পিতা নওশিনকে অসুস্থ
অবস্থায় উদ্ধার করে সহপাঠীরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
বন্ধুরা
জানান, নওশিন মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে ১০৯টি এভেন্ডার ৪০ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট সেবন
করেন। নওশিন কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার
গ্রামের বাড়ি খুলনা সদরে। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছোট।
খুলনার
সরকারি করোনেশন গার্লস হাইস্কুল থেকে এসএসসি এবং খুলনা কলেজিয়েট গার্লস স্কুল অ্যান্ড
কেসিসি উইমেন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন
মেডিকেলে। কিন্তু সেই স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই ফিরছে তার নিথর দেহ। সহপাঠীদের অভিযোগ, প্রথম
বর্ষ থেকেই কলেজের এনাটমি বিভাগের প্রধান ডা. মনিরা জহিরের রোষানলে পড়েন নওশিন। প্রথম
প্রফেশনাল পরীক্ষায় অন্যান্য সব বিষয়ে পাস করলেও এনাটমিতে ফেল করেন তিনি। এরপর গত তিন
বছরে আরও চারবার একই বিষয়ে পরীক্ষা দিলেও প্রতিবারই অকৃতকার্য হন।
বন্ধুরা
জানান, প্রথম বর্ষে থাকতেই প্রকাশ্যে তাকে ফেল করানোর হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তবে ঠিক
কী কারণে এমন আচরণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। এদিকে এই মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীরাও
অভিযোগ করেন শিক্ষক মনিরা জহির কোনো কারণ ছাড়াই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করেন।
তার বিষয়ে তদন্ত করলে নওশিনের আত্মহত্যার বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
নওশিনের
বন্ধুরা জানান, গত ৮ মার্চ চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে তাদের ব্যাচের
তৃতীয় প্রফেশনাল পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। একই সেশনের অন্য শিক্ষার্থীরা এখন পঞ্চম
বর্ষে পড়লেও নওশিন প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষাতেই আটকে ছিলেন।
নওশিনের
ভাই শাহরিয়ার আরমান বলেন, আমার বোনের আত্মহত্যা করার মতো মানসিকতা ছিল না। কলেজের মানসিক
চাপই তাকে এই পথে ঠেলে দিয়েছে। প্রথম বর্ষ থেকেই তাকে মানসিকভাবে নিপীড়ন করা হয়েছে।
সবাই পাস করলেও আমার বোনকে একটি বিষয়ে আটকে রাখা হয়েছে। তার সমস্যা কী, সেটাও কেউ বলেনি।
তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবারও তার সঙ্গে কথা হয়েছে। ফর্ম ফিলআপের জন্য টাকা চেয়েছিল।
আমি আশ্বস্ত করেছিলাম টাকা পাঠাব। এমন খবর পাব, কখনও ভাবিনি। এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক
ডা. মনিরা জহিরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ
বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফজলুল হক লিটন বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৭ মিনিটে
ওই শিক্ষার্থীর অসুস্থতার খবর পাই। খবর পাওয়ার পর পর জরুরি বিভাগে থাকা সব চিকিৎসককে
প্রপার ট্রিটমেন্টের অনুরোধ জানাই। তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানায় ওই ছাত্রী মারা
গেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি ও পরিচালক হাসপাতালে ছুটে যাই। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমরা একটা তদন্ত কমিটি করেছি।
থানা থেকেও তদন্ত চলছে। যদি এ ঘটনায় কেউ যুক্ত থাকে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
নেওয়া হবে। সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) সিরাজুল মোস্তফা বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এর আগে এটি নিয়ে মন্তব্য করতে
চাই না।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেন, শাপলা প্রতীক পেতে এনসিপির আইনগত কোনো বাধা নেই। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী যে নির্বাচন কমিশন এসেছে তারা অবশ্যই এ স্বেচ্ছাচারিতা করবে না। আমরা আশা করি অবশ্যই শাপলা প্রতীক পাব, এ প্রতীকেই আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।
আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে নেত্রকোনায় এনসিপির জেলা সমন্বয় সভায় অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা শহরের একটি রেস্টুরেন্টের হলরুলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের কেন্দ্রীয় সংগঠক প্রীতম সোহাগ এবং কেন্দ্রীয় সদস্য ফাহিম রহমান খান পাঠান। এছাড়াও নেত্রকোনা জেলার জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এ কুমিল্লা জেলা পুলিশ সারাদেশে সেরা হবার গৌরব উজ্জ্বল কৃতিত্ব অর্জন করেছে ।
চলমান পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এর দ্বিতীয় দিনে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স এ ২০২৩ সালে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার অভিযান ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সার্বিক কার্যক্রম মূল্যায়নে কৃতিত্ব অর্জনকারী কুমিল্লা জেলা পুলিশকে পুরস্কার প্রদান করেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বিপিএম (বার), পিপিএম ।
বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল কামরান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) পুরস্কার গ্রহণ করেন ।
সারা দেশে পুলিশের সকল ইউনিটের মধ্যে মাদকদ্রব্য উদ্ধারে ১ম স্থান, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সার্বিক কার্যক্রম মূল্যায়নে ১ম স্থান ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে ২য় স্থান অর্জন করেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের জন্যে এটি এক গৌরবময় অর্জন।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) জেলা পুলিশের অপরাধ শাখাসহ সকল ইউনিটের সদস্যদের ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
মন্তব্য করুন


রাজবাড়ীতে
ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা এক সেনা সদস্যের বিশেষ কেটে দিয়েছেন তার স্ত্রী। গুরুতর আহত অবস্থায়
হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছেন সেনা সদস্য ইমান মোল্লা (২৮)।
সোমবার
(২৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের পার শাইলকাঠি গ্রামে ইমান
মোল্লার শ্বশুরবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ইমান মোল্লা সুলতানপুর ইউনিয়নের লক্ষণদিয়া গ্রামের
এখলাছ মোল্লার ছেলে ও রোকসানা একই ইউনিয়নের পার শাইলকাঠি গ্রামের নুর ইসলাম শেখের মেয়ে।
এ দম্পতির চার বছর বয়সি এক ছেলে রয়েছে।
জানা
গেছে, ভালোবেসে ছয় বছর আগে আপন খালাতো বোন রোকসানা বেগমকে বিয়ে করেন সেনা সদস্য ইমান
মোল্লা। বিয়ের পর থেকে বাবার বাড়িতেই থাকেন রোকসানা। দাম্পত্য জীবনের শুরুটা স্বাভাবিক
থাকলেও গত তিন বছর ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি
১০ দিনের ছুটিতে বাড়ি আসেন ইমান। ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ইমানকে ফোন করে বাবার বাড়িতে
ডেকে নেন রোকসানা। সেখানে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়েছিলেন ইমান। ইমানের অভিযোগ, রাত ২
টার দিকে স্ত্রী রোকসানা ধারালো চাকু দিয়ে তার গোপনাঙ্গ কেটে দেন।
হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন ইমান বলেন, আমার ছেলের অসুস্থতার কথা বলে রোকসানা আমাকে ফোন করে তাদের বাড়িতে
যেতে বলে। আমি সন্ধ্যার দিকে তাদের বাড়িতে যাই। রাতের খাবার খেয়ে ১২ টার দিকে আমি পরনের
প্যান্ট পরে ঘুমাতে যাই। কিন্তু রোকসানা আমাকে জোর করে লুঙ্গি পরায়। তার মনে যে এতোবড়
ভয়াবহ পরিকল্পনা ছিলো তা আমি বুঝতে পারিনি। আমি আমার ছেলেকে বুকের মধ্যে নিয়ে ঘুমিয়ে
যাই। রাত ২ টার দিকে আমি ঘুমের ঘোরে বুঝতে পারি রোকসানা আমার পুরুষাঙ্গ চাপ দিয়ে ধরেছে।
এসময় আমি ঘুম থেকে উঠে তার হাত সরাতে গেলে সে তার অন্য হাতে থাকা চাকু দিয়ে আমার হাতে
কোপ দেয়। এরপর সে চাকু দিয়ে আমার আমার যৌনাঙ্গ কাটে। তাৎক্ষণিক আমি চিৎকার করি এবং
গামছা দিয়ে পুরুষাঙ্গ বেঁধে ফেলি। পরে আমার বাড়িতে ফোন করলে পরিবারের সদস্যরা আমাকে
উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে
ওই রাতেই আসি যশোর সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি হই। আমার পুরুষাঙ্গে অনেকখানি অংশ কেটে
গেছে, বেশ কয়েকটি সেলাই লেগেছে। এ ঘটনায় আমি মামলা করবো। আমি রোকসানার দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি চাই।
ইমান
মোল্লার মা রহিমা বেগম বলেন, রোকসানা আমার ছেলের জীবনটা ধ্বংস করে দিয়েছে। আমরা তার বিরুদ্ধে মামলা করবো। আমরা রোকসানার দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি চাই।
মন্তব্য করুন


কুষ্টিয়ার
কুমারখালী উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে
অন্তত ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
শনিবার
(২১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া এলাকায়
এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত
দোকানগুলোর মধ্যে একটি কাঠ ও ফার্নিচারের দোকান, একটি কম্পিউটার ও ফটোকপি দোকান এবং
একটি ডেন্টাল (পল্লি চিকিৎসক) চেম্বার রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্তরা
হলেন, ওই এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে জাকির হোসেন (কাঠ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ী), ফজলু
শেখের ছেলে ফয়সাল শেখ (কম্পিউটার ও ফটোকপি ব্যবসায়ী) এবং আলতাফ হোসেনের ছেলে শরিফ উদ্দিন
(ডেন্টাল চিকিৎসক)।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে তিনটার দিকে লাহিনীপাড়া এলাকার দোকানগুলোতে হঠাৎ দাউ দাউ
করে আগুন জ্বলতে দেখে এলাকাবাসী। তারা চিৎকার-চেঁচামেচি করে আশপাশের লোকজনকে ডাকেন
এবং নিজেরাই আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত
ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে
এলেও ততক্ষণে তিনটি দোকানই সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
স্থানীয়
বাসিন্দা বাপ্পী হোসেন জানান, ‘রাত সাড়ে তিনটার দিকে আগুন দেখতে পেয়ে সবাই ছুটে আসে।
পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু এর আগেই তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে
যায়।’
বিষয়টি
নিশ্চিত করে কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার আলী হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে
গিয়ে দেখি দোকানগুলোতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে
আনা সম্ভব হয়েছে। তবে তিনটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। আগুনের কারণ ও প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির
পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।’
মন্তব্য করুন


বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় একটি পোষা বিড়ালকে দা দিয়ে আঘাত করে পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সালেহ আল রেজা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জানুয়ারি বাকেরগঞ্জ উপজেলার এক এলাকায় গৃহবধূ তানিয়া বেগমের পোষা বিড়ালকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রতিবেশী নাসিমা বেগম দা দিয়ে আঘাত করেন। এতে বিড়ালটির একটি পা ভেঙে যায়। ঘটনার প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত নারীর স্বামী আইউব মৃধা তানিয়া বেগমকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সোমবার বাকেরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী তানিয়া বেগম।
তানিয়া জানান, আহত অবস্থায় বিড়ালটিকে উদ্ধার করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিড়ালটির শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সালেহ আল রেজা বলেন, “বিড়ালটিকে ভারী কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ সুস্থ হতে কিছুটা সময় লাগবে।”
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা বাকেরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজু আহমেদ বলেন, “লিখিত অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের রামুতে সহোদর দুই শিশুকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে ০৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ০৩ নারীসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক ওসমান গণি এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) মীর মোশারফ হোসেন টিটু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—গর্জনিয়া বড়বিল এলাকার জাহাঙ্গীর আলম, আবদু শুক্কুর, আলমগীর হোসেন প্রকাশ বুলু, মিজানুর রহমান ও মো. শহীদুল্লাহ। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—একই এলাকার আবদুল মজিদ বদাইয়া, ফাতেমা খাতুন, রাশেদা খাতুন ও লায়লা বেগম।
রায় ঘোষণাকালে প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অন্যরা সবাই পলাতক রয়েছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল এলাকার দোকান কর্মচারী মো. ফোরকানের দুই ছেলে হাসান শাকিল (১০) ও হোসেন কাজল (৮) বাড়ির অদূরে খেলছিল। পাখির ছানা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে জাহাঙ্গীর আলমসহ একটি চক্র তাদের অপহরণ করে।
আরও জানা গেছে, অপহরণের পর ওই দিন রাতে মুঠোফোনের মাধ্যমে পরিবারের কাছ থেকে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী চক্র। এরপর পুলিশ ও স্থানীয়রা মিলে স্থানীয় পাহাড়ি এলাকাসহ অপহরণকারীদের আস্তানায় তল্লাশি চালায়। অপহরণের দুদিন পর ১৯ জানুয়ারি রাত ১২টার দিকে স্থানীয় জালালের ফলের বাগান সংলগ্ন একটি খালের পাড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় অপহৃত দুই শিশুর মরদেহ পাওয়ায় যায়। নিহত শিশুদের বাবা ফোরকান বাদী হয়ে রামু থানায় আটজনের নাম উল্লেখ ও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করা করেন। ঘটনার পরপরই ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী “ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ” বলেন, প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম জবানবন্দিতে স্বীকার করেছেন, মুক্তিপণ না দিয়ে পুলিশকে ঘটনা জানানোয় ক্ষুব্ধ হয়ে দুই শিশুকে হত্যা করা হয়। একটি বাড়িতে হত্যা করে মরদেহ প্রথমে ড্রামে ভরে রাখা হয়। পরে সুযোগ বুঝে স্থানীয় খালের পাড়ে ফেল দেয় আসামিরা। তার নেতৃত্বে এ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে এবং সঙ্গে কয়েকজন ছিল।
আইনজীবী “মীর মোশারফ হোসেন টিটু ” বলেন, ৯ বছর ধরে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম চলে। এ সময় সাক্ষী-প্রমাণসহ পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। তাই আদালত আইনের বিধি মোতাবেক সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং চার আসামিকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন। এ ছাড়া তাদের জরিমানা করেছেন আদালত।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে বিএনপি। এর পাঁচ দিনের মাথায় সরকার গঠন করছে
তারেক রহমানের নেতৃত্বে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলটি।
আজ
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার
সদস্যদের শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।
নতুন
সরকারের মন্ত্রিপরিষদে ডাক পেয়েছেন ঢাকা- ৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক
প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন।
জাতীয়
সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনের বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। তিনি ধানের
শীষ প্রতীক নিয়ে মোট ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে
ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট।
মঙ্গলবার
(১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেন নতুন মন্ত্রিসভার
সদস্যরা। তাদের মধ্যে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ জনের নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হলো।
নতুন
মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে স্থান পেয়েছেন, এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য
ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, ফরহাদ হোসেন আজাদ, শামা ওবায়েদ, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু,
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান,
আজিজুল বারি হেলাল, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল,
ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহমেদ
সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ খৈয়াম, আমিনুল হক (টেকনোক্রেট)।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইল
শাড়ি বুনন শিল্পকে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো।
আজ
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) ভারতের নয়াদিল্লিতে ইউনেস্কো ২০০৩ কনভেনশনের চলমান ২০তম আন্তঃরাষ্ট্রীয়
পর্ষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এই
কনভেনশনের আওতায় এটি বাংলাদেশের ষষ্ঠ একক নিবন্ধন। এর আগে পাওয়া অন্য পাঁচটি স্বীকৃতি
হলো— বাউল সংগীত (২০০৮), জামদানি বুনন (২০১৩), পহেলা বৈশাখে
মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), শীতল পাটি (২০১৭) এবং রিকশা পেইন্টিং (২০২৩)।
চলমান
এই সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের দলনেতা এবং ইউনেস্কো সাধারণ পরিষদের সভাপতি বাংলাদেশের
স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এই স্বীকৃতি
বাংলাদেশের জন্য একটি অসামান্য গৌরবের বিষয়। দীর্ঘ দুই শতকের অধিক সময় ধরে টাঙ্গাইলের
তাঁতিদের অনবদ্য শিল্পকর্মের বৈশ্বিক স্বীকৃতি এটি। টাঙ্গাইল শাড়ি বাংলাদেশের সকল নারীর
নিত্য পরিধেয়, যা এই শাড়ি বুনন শিল্পের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের পেছনে অনুপ্রেরণা
হিসেবে কাজ করেছে।
রাষ্ট্রদূত
এই অর্জন বাংলাদেশের সকল তাঁতি এবং নারীদের প্রতি উৎসর্গ করেছেন। তিনি বলেন, ঐতিহ্য
হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি অর্জনের মতো বাংলাদেশের বহু অপরিমেয় সাংস্কৃতিক উপাদান রয়েছে।
নথি প্রস্তুত করার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কনভেনশন সংক্রান্ত অভিজ্ঞ জনবল তৈরি করার মাধ্যমে
এই রকম আরও অনেক ঐতিহ্যের ইউনেস্কো-স্বীকৃতি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর
আন্তঃরাষ্ট্রীয় পর্ষদের চলমান ২০তম সভা উদ্বোধন করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর।
অনুষ্ঠানে ইউনেস্কোর নবনিযুক্ত মহাপরিচালক খালেদ এল এনানি যোগ দেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে পুলিশ
এবং নির্বাচন কমিশনসহ প্রধান প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে সহায়তা
করবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন
তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়,
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর সৌজন্য সাক্ষাতে
তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার, দুর্নীতি, বন্যা, রোহিঙ্গা সংকট এবং জুলাই-আগস্ট গণহত্যা
বিষয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বে তদন্ত বিষয়ে আলাপ করেন।
গোয়েন লুইস অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া
সংস্কার উদ্যোগে সহায়তায় আগ্রহের কথা জানান এবং বিপ্লব পরবর্তী প্রশাসনের প্রধান হিসেবে
অসাধারণ ভূমিকা নেওয়ায় ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানান।
জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের কথা উল্লেখ করে
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, এটা ছিল গোটা জাতির জন্য এক অনন্য আন্দোলন। তার সরকারের
প্রধান কাজ প্রত্যেকের জন্য একটা ভালো উদাহরণ স্থাপন করা। এটা দেশের অর্থনীতি এবং প্রায়
সকল প্রতিষ্ঠান সংস্কারের জন্য বিরাট সুযোগ।
গোয়েন লুইস পুলিশ প্রশাসনসহ নিরাপত্তা
বাহিনীর সংস্কার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তার সরকার পুলিশের সংস্কারের
সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে।
ড. ইউনূস বলেন, সরকার সারা দেশে সমন্বিত
তথ্যপ্রযুক্তি পদ্ধতি স্থাপনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি দেশে হয়রানি এবং দুর্নীতি হ্রাস
করবে। নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কারে সরকার একটি কমিশন গঠন করেছে। সুতরাং আগামীতে অবাধ ও
সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত
বিষয়ে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস বলেন, জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড
এবং ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন তদন্ত টিম ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা,
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আইএলও আহত এবং মানসিক ট্রমাতে থাকা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা
করছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা বিষয়ে
গোয়েন লুইস বলেন, বাংলাদেশের পূর্ব এবং দক্ষিণ অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বন্যা
পরবর্তী পুর্নবাসনে সহায়তা হিসেবে ৪ মিলিয়ন ডলার সরবরাহ করেছে।
তিনি বলেন, বন্যায় বাংলাদেশে প্রায়
১৮ মিলিয়ন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বিভিন্ন সংস্থা
ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় করেছে জাতিসংঘ।
দক্ষিণ এশিয়ায় আগাম বন্যা সতর্কতার
জন্য একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপনে জাতিসংঘের সহায়তা চান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা এবং জাতিসংঘের আবাসিক
সমন্বয়ক পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুতে আলাপ করেন।
তিন পার্বত্য জেলায় জাতিসংঘের সংস্থাগুলো
যে সাহায্য কাজ করেছে, তার চিত্র তুলে ধরেন গোয়েন লুইস।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলাপকালে ড. মুহাম্মদ
ইউনূস রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য অধিকতর সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে জাতিসংঘের সহায়তা চান।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার লাউর ফতেহপুর গ্রামে নাহিদা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা মিনুয়ারা বেগম বাদী হয়ে রোববার (৩০ মার্চ) নবীনগর থানায় স্বামীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।
স্থানীয়রা জানান, পাঁচ বছর আগে নবীনগরের লাউর ফতেপুর গ্রামের শিশু মিয়ার ছেলে তানভীর আহমেদের সঙ্গে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার গাঙ্গেরকোট গ্রামের খলিল মিয়ার মেয়ে নাহিদা আক্তারের বিয়ে হয়। বর্তমানে দম্পতির ৪ বছর বয়সী এক ছেলে রয়েছে। বিয়ের পর থেকে নাহিদাকে শারীরিক নির্যাতন করা হতো বলে পরিবার দাবি করেছে। স্বামী তানভীর কয়েক বছর আগে প্রবাস চলে যান এবং সম্প্রতি দেশে ফেরার পর ঝগড়া-বিবাদ আরও বৃদ্ধি পায়।
পুলিশ জানায়, শনিবার (২৯ মার্চ) রাতে নাহিদার মরদেহ ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
মৃত্যু নিয়ে বিবাদ দেখা দিয়েছে। স্বামীর বাড়ির লোকজন এটিকে আত্মহত্যা বলে জানালেও, নিহতের বাবার বাড়ির পক্ষ দাবি করছে, নাহিদাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
নবীনগর থানার ওসি (তদন্ত) রাজীব কান্তি নাথ বলেন, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর নিশ্চিত হবে। তবে মৃতের মা তিনজনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেছেন। স্বামী পলাতক রয়েছেন। মামলা তদন্তাধীন।
মন্তব্য করুন