

ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা এলাকায় নির্বাচন আচরণবিধি বিষয়ক এক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, নির্বাচন ঘিরে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যাশিত তৎপরতাও দেখা যাচ্ছে না বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, ভোটগ্রহণের আগেই একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনা করছে—এমন তথ্য রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোর তালিকা তৈরি করে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কিছু কেন্দ্রে অস্ত্র মহড়ার প্রস্তুতির তথ্যও পাওয়া গেছে।
নির্বাচনের অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০১ সালের পর দেশে সত্যিকার অর্থে একটি ভালো নির্বাচন হয়নি। ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে ভালো নির্বাচন সম্ভব নয়।
সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় জোটের বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


হজরত
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত
এক বৈঠকে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেন।
বৈঠক
শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি
জানান, প্রধানমন্ত্রী থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর বিষয়ে আন্তরিক এবং এ নিয়ে প্রয়োজনীয়
নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন যেন সামনে টার্মিনালটি চালু
করা যায়। এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে।
থার্ড
টার্মিনাল কবে নাগাদ চালু হতে পারে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী
জানান, নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনই বলা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, এখন আলোচনা হবে, প্রয়োজন হলে
তদন্ত হবে। কীভাবে দ্রুত চালু করা যায়, সে বিষয়েই কাজ চলছে। তবে নির্দিষ্ট কোনো সময়
বলা যাচ্ছে না।
মন্ত্রী
আরও জানান, থার্ড টার্মিনাল নিয়ে বেশ কিছু সুপারিশ রয়েছে। কিছু অংশে কাঠামোগত পরিবর্তন
প্রয়োজন হতে পারে, পাশাপাশি নেটওয়ার্কসংক্রান্ত কিছু সমস্যাও ছিল। প্রকল্পের ৯৯ শতাংশের
বেশি কাজ সম্পন্ন হলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি।
কেন
এত অগ্রগতি সত্ত্বেও টার্মিনাল চালু হয়নি—এমন প্রশ্নের জবাবে আফরোজা খানম বলেন,
বিষয়টি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার। তবে বর্তমান সরকার দ্রুত চালুর লক্ষ্যে কাজ করছে
এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক
বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত,
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা
মাহমুদ সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পাবনায় কারাগারে থাকা কয়েদিদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ এবং তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
তারা হলেন—জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তৌফিক ইমাম খান, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ লালু, গয়েশপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মোতাহার হোসেন মুতাই এবং আসাদুজ্জামান সুইট। তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হামলা ও হত্যার ঘটনায় করা মামলার আসামি।
এ ঘটনায় শাস্তিস্বরূপ পাঁচ আসামিকে মঙ্গলবার (৪ মার্চ) অন্য জেলার কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।
পাবনা জেলার জেল সুপার মো. ওমর ফারুক বলেন, কয়েকদিন ধরেই কারাগারে থাকা অন্য সাধারণ কয়েদিদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছিলেন তারা। সবশেষ ৩ মার্চ বিকেলে এই পাঁচ কয়েদি কারাগারের অন্য কয়েদিদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং বাকবিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে তাদের গায়ে হাত তোলেন।
এ ঘটনার পরে শাস্তিস্বরূপ কয়েদি তৌফিক ইমাম, শেখ লালু ও আসাদুজ্জামান সুইটকে রাজশাহী এবং মুতাই ও অন্যজনকে নওগাঁ জেলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
পাবনা জেলার জেল সুপার আরো বলেন, বিগত সময়ে তারা বাইরে যেমন বেপরোয়াভাবে কথাবার্তা বলেছেন ও চলেছেন, কারাগারেও তেমনই চলছিলেন। ফলে ঝামেলাটা বাঁধে। অন্য কয়েদিদের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও কারাগারে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে ৪ মার্চ বিকেলে তাদের রাজশাহী ও নওগাঁ কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার
সিদ্ধান্ত হয়েছে। আজ মধ্যরাতের পরে অথবা কালকে সকালের ভেতরে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হবে
বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ০৪ ডিসেম্বর ) দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার
হাসপাতালের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।
এই
সফরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকবেন চিকিৎসক, দলের নেতাকর্মীসহ ১৪ জন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা
ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তারা
হলেন—পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান, ডা. জাহিদ হোসেন, ডা. এনামুল
হক চৌধুরী (চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা), ডা. ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী, ডা. সাহাবুদ্দিন
তালুকদার, ডা. নুরুদ্দিন আহমেদ, ডা. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, ডা. মোহাম্মদ আল মামুন, হাসান
শাহরিয়ার ইকবাল (এসএসএফ), সৈয়দ সামিন মাহফুজ (এসএসএফ), আব্দুল হাই মল্লিক (ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যানের সহকারী), মাসুদের রহমান (অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রাইভেট সেক্রেটারী), ফাতেমা
বেগম (গৃহকর্মী), রুপা শিকদার (গৃহকর্মী)।
ডা.
জাহিদ জানান, বেগম খালেদা জিয়াকে আজ মধ্যরাতের পরে অথবা কালকে সকালের ভেতরে লন্ডনে
নিয়ে যাব। আমরা সেখানে বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতাল নির্ধারণ করেছি।
দীর্ঘদিন
ধরে খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায়
ভুগছেন। গত বছরের ৫ আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর খালেদা জিয়া
মুক্তি পান। এরপর চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান খালেদা জিয়া।
চিকিৎসার জন্য ১১৭ দিন লন্ডনে অবস্থান শেষে গত ৬ মে দেশে ফেরেন তিনি।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়
করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় নীতি প্রতিযোগিতা
(National Policy Competition) ২০২৫-এর দশটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়ী শিক্ষার্থীরা।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত
অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শিক্ষার্থীরা মতবিনিময় করেন এবং প্রতিযোগিতায়
নিজেদের অভিজ্ঞতা ও নীতি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।
তরুণ প্রজন্মের বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা, নীতি উদ্ভাবন ও গঠনমূলক
সংলাপকে উৎসাহিত করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
দেশব্যাপী ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজে সফলভাবে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়,
এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে একটি করে দল বিজয়ী নির্বাচিত হয়।
বিজয়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো— ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়,
ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ULAB), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়,
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ
বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং শাহজালাল
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
শিক্ষার্থীরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, শান্তি, কৃষি, প্রযুক্তি,
রাজনীতি, সংবিধান, পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনীতি— এই দশটি জাতীয় অগ্রাধিকার খাতে বাস্তবসম্মত
ও উদ্ভাবনী নীতি প্রস্তাবনা উপস্থাপন করে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।
মন্তব্য করুন


বিএনপিই
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করেছে বলে মন্তব্য দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। বক্তব্যের
শুরুতেই চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় তিনি বলেন, ‘অনেরা ক্যান আছেন (আপনারা কেমন আছেন)?’
তারেক
রহমান বলেন, বিএনপি একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা সরকারের সময়ে দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য
পরিবর্তনের জন্য কাজ করেছে। আমরা দেশের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য
সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলাম।
গত
১৬ বছর ধরে দেশের মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার, বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তি স্বাধীনতা
হরণ করা হয়েছে। তাই ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন এসেছে পরিবর্তনের জন্য। বাংলাদেশের
মানুষ চায় নিরাপদ পরিবেশ, নিরাপদ চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সন্তানদের জন্য উন্নত শিক্ষা
ও চিকিৎসা সুবিধা।
তিনি
বলেন, আমাদের এই পরিকল্পনা তরুণ প্রজন্মকে সামনে রেখে তৈরি করা হয়েছে।
বর্তমানে
জনসংখ্যার অর্ধেক তরুণ, যারা কর্মসংস্থান ও নিরাপদ জীবন চায়। বিএনপি হিসেবে আমরা চেষ্টা
করি দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে। বিএনপি সরকারের
সময়ে আমরা লক্ষ লক্ষ মানুষকে কর্মসংস্থানের সুযোগ দিয়েছি। চট্টগ্রামের ইপিজেডগুলো সেই
কর্মসংস্থানের উদাহরণ।
নতুন
পরিকল্পনার মাধ্যমে আরও বেশি ইপিজেড তৈরি করা হবে, যাতে যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান
বৃদ্ধি পায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে।
সারাদেশের
মানুষ যাতে নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে তা নিশ্চিত করা হবে উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান
বলেন, বিগত বিএনপি সরকারের সময় আমরা আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সফলভাবে কাজ
করেছি এবং ভবিষ্যতেও একইভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোন ছাড়
দেওয়া হবে না। এটি দেশের মানুষের অধিকার সুরক্ষায় অপরিহার্য। সমস্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন
করতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
এটাই
দেশের পরিবর্তনের জন্য সত্যিকারের পথ।
তিনি
আরও বলেন, বাংলাদেশে জলাবদ্ধতা ও বন্যার সমস্যা দূর করতে আমরা খাল খনন কর্মসূচি শুরু
করব। এটি দেশের নিরাপত্তা, জীবনমান এবং কৃষি-অর্থনীতি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রাখবে। পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে নাগরিকদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য। আমাদের
পরিকল্পনাগুলো
বাস্তবায়নের জন্য দেশের মানুষকে একত্রিত হতে হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের
ভোট ও সমর্থন দিয়ে বিএনপিকে সরকার গঠনে সক্ষম করতে হবে। তাহলে আমরা দেশের মানুষের ভাগ্য
পরিবর্তনের এই পদক্ষেপগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারব।
বক্তব্যের
শেষে চট্টগ্রামের সকল আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। সভায় সভাপতিত্ব
করেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ।
এর
আগে কঠোর নিরাপত্তায় বেলা সোয়া ১২টায় তারেক রহমান মঞ্চে ওঠেন। এসময় করতালিতে সমাবেশস্থল
মুখরিত হয়ে উঠে। বিএনপির চেয়ারম্যান হাত নেড়ে নেতা-কর্মী-সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানান।
সমাবেশে
উপস্থিত ছিলেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন,
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, উদয় কুমার বড়ুয়া, সাঈদ আল
নোমান, মোহাম্মদ নাজিমুর রহমান, সরোয়ার জামাল নিজাম, আবু সুফিয়ান, মোহাম্মদ শাহাজাহান
চৌধুরী, সুকোমল বড়ুয়া, আসলাম চৌধুরী, গোলাম আকবর খন্দকার, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী,
মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, এস এম ফজলুল হক, হারুনুর রশিদ, এম নাজিম উদ্দীন, আবুল হাশেম
বক্কর, আব্দুল ওয়াদুদ ভুইঁয়া, লুৎফুর রহমান কাজল, ম্যামাসিং, জেরি প্রু চৌধুরী, বেগম
নুরে আরা সাফা, ইদ্রিস মিয়া, আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ, মোস্তফা কামাল, দীপেন দেওয়ান
তালুকদার, মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন, মোহাম্মদ এনামুল হক, নাজমুল মোস্তফা আমিন, মিশকাতুল
ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, মোহাম্মদ নুরুল আমিন।
মন্তব্য করুন


দেশের
সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের
সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
প্রধান
উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে
আর্থিক খাত স্থিতিশীল ও সংস্কার এবং মূল্যস্ফীতি মোকাবিলার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার
চারটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সিদ্ধান্তগুলো
হলো-
১।
চাহিদা ও জোগানের যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের বিদ্যমান মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনতে
হবে। এজন্য মুদ্রানীতিকে সংকোচমূলক অবস্থায় ধরে রাখতে হবে এবং একই সঙ্গে সরবরাহ পরিস্থিতির
উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু হয়েছে। তবে মূল্যস্ফীতির চাপ
থেকে স্বস্তি পেতে সবাইকে আরও কিছুদিন ধৈর্য ধরতে হবে।
২।
বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে তারল্য বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা
লেনদেনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ব্যান্ড ১ শতাংশ থেকে ২ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
৩।
ব্যাংকিং খাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে সংস্কারের
বিষয়টি চলে এসেছে। ব্যাংকিং খাতে টেকসই সংস্কারের জন্য একটি ব্যাংকিং কমিশন গঠন করে
দ্রুত কার্যক্রম নেওয়া হবে।
৪।
আর্থিক খাতের সার্বিক পরিস্থিতি এবং সংস্কারের বিষয়ে একটি রূপকল্প তৈরি করা হবে, যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।
মন্তব্য করুন


সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আনতে পেরে আমরা
গর্বিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে
ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আজকে আমরা বিশেষভাবে সৌভাগ্যবান এবং সম্মানিত যে, বাংলাদেশের তিনবারের
নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া আজ এখানে আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন। এক যুগ ধরে তিনি এই মহাসম্মেলনে
অংশগ্রহণের সুযোগ পান নাই। আজকে সুযোগ পেয়েছেন, আমরা সবাই আনন্দিত এবং গর্বিত। আমরা
এই সুযোগ দিতে পেরেছি আপনাকে। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও এই বিশেষ দিবসে সবার সঙ্গে
শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আমরা তার আশু রোগ মুক্তি কামনা করছি। এবং এই
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে স্বাগত জানাচ্ছি।
দীর্ঘ এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন
তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস এবং খালেদা জিয়া পাশাপাশি বসেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়া কুশল
বিনিময় করেন। খালেদা জিয়াকে বেশ উৎফুল্ল দেখা যায় এবং তাদের হাস্যোজ্জ্বল কথাবার্তা
বলতে দেখা যায়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘুরে ঘুরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
জানা গেছে, এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির ২৬ নেতাকে সেনাকুঞ্জে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার
ক্ষেত্রে কোনো ছাড় নেই বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট
জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরে আয়োজিত
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি
দেন।
উপদেষ্টা
বলেন, ‘আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোস্ট
গার্ড সদস্যদের নিরপেক্ষতার প্রশ্নে সরকার বিন্দুমাত্র শৈথিল্য দেখাবে না। কোনো ব্যক্তি,
দল বা রাজনৈতিক এজেন্ডার সঙ্গে জড়িত হলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও কঠোর
আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি
বলেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট
গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫ জন সদস্যসহ সারা দেশে প্রায় ৯ লাখ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন
করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ইতিমধ্যে
১০০ প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে।’
তিনি
কোস্ট গার্ড সদস্যদের অবদান তুলে ধরে বলেন, ‘উপকূলীয় এলাকা ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে নিরাপত্তা
নিশ্চিতকরণ, অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান, মানবপাচার, ডাকাতি
ও জলদস্যুতা দমনে কোস্ট গার্ড সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি নিয়মিত টহল কার্যক্রমের
অনুষ্ঠানে
দায়িত্ব পালনে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৪০ জন কোস্ট গার্ড সদস্যদের পদক দেওয়া হয়।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি ও কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক
রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


চাঁদাবাজি,
ছিনতাই ও মাদক প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের
নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের আইজিপি বাহারুল আলম।
তিনি
বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের কোনো ধরনের তৎপরতা চলতে দেওয়া যাবে না। কেউ
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
আজ
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে পুলিশের সব ইউনিট প্রধান,
মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারদের সাথে এক ভার্চুয়াল
সভায় এ নির্দেশনা দেন।
তিনি
বলেন, যেকোনো মূল্যে স্বাভাবিক আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কেউ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস
বা মাদক সংক্রান্ত অপরাধ করলে দল-মত-নির্বিশেষে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
করতে হবে।
তিনি
বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের কোনো ধরনের তৎপরতা চলতে দেওয়া যাবে না। কেউ
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
আইজিপি
মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি
বলেন, যে কোনো মূল্যে হাইওয়ে ডাকাতি বন্ধ করতে হবে।
তিনি
হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকেও মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের
নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ
সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রান্তে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত আইজিগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পিলখানা হত্যাকাণ্ড, গুম-খুন-আয়নাঘর, শাপলা ম্যাসাকার এবং ভোট ডাকাতিসহ শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসনের সব গল্প ঐতিহাসিক তথ্য আকারে উপস্থাপন করা হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে।
আজ শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক বৈঠকে জাদুঘর নির্মাণ কর্তৃপক্ষ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে এ তথ্য জানান।
সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী প্রধান উপদেষ্টাকে জানান, ৩১ অক্টোবর ২০২৫ এর মধ্যে এ জাদুঘরের নির্মাণকাজ শেষ হবে এবং নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।
তিনি বলেন, আমরা হাসিনার দুঃশাসনের চিত্রগুলো এই জাদুঘরে প্রদর্শনের জন্য কিউরেট করছি যাতে ১৬ বছরের ফ্যাসিজমের ইতিহাস জীবন্ত থাকে। জীবন্ত থাকে সরাসরি গণভবন থেকে আসা নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত সব অত্যাচারের এবং নৃশংসতার ইতিহাস।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস জাদুঘর নির্মাণ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং আশা প্রকাশ করেন এ জাদুঘরে যারা আসবেন তারা ৫ আগস্ট গণভবনে জনতার ঢলকে অনুভব করবেন।
‘মানুষের মধ্যে দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলার এই অনুভব নিয়ে আসাটাই এই জাদুঘরের একটা বড় কাজ,’ বলেন তিনি।
জাদুঘর নির্মাণে আইসিটি প্রসিকিউশন টিম ও গুম বিষয়ক তদন্ত কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে বলে জানান জাদুঘরের চিফ কিউরেটর তানজীম ওয়াহাব।
তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করছি এটি একটি ইউনিক জাদুঘর হবে। ১৬ বছরের দুঃশাসনের গল্পগুলো এই জাদুঘরে সিকোয়েন্স আকারে থাকবে। দর্শনার্থীরা জানতে পারবেন শেখ হাসিনা কীভাবে দেশ চালাতেন। ’
সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘গুম-খুনের নির্দেশ দেওয়া অনেক অডিও ইতোমধ্যেই জাদুঘর কর্তৃপক্ষের হাতে এসেছে। এই অডিওগুলো জাদুঘরে রাখা হচ্ছে। শেখ হাসিনা কীভাবে গুমের শিকার পরিবারগুলোকে ডেকে এনে মিথ্যা সান্ত্বনা দিতো সে চিত্রও উঠে আসবে। ’
এ ছাড়াও জাদুঘরে একটা স্ক্রিনিং সেন্টার থাকবে যেখানে জুলাই ও ১৬ বছরের দুঃশাসন নিয়ে ডকুমেন্টারি প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির সদস্য ড. নাবিলা ইদ্রিস, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের গভর্নিং বডির চেয়ারপারসন মেরিনা তাবাসসুম। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের গবেষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ড্যানিয়েল আফজালুর রহমান, কবি হাসান রোবায়েত, মালিহা নামলাহা, জাদুঘরের শিল্পী তেজশ হালদার জশ, মোসফিকুর রহমান জোহান, জাদুঘরের স্থপতি সালাউদ্দিন আহমেদ এবং সমন্বয়কারী হাসান এনাম।
মন্তব্য করুন