

প্রধান
উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা অত্যন্ত সুস্পষ্ট
এবং দ্বিধাহীনভাবে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাব সমূহের অনুকূলে তাদের
রায় দিয়েছেন। এই রায় থেকে এটা স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের নাগরিকদের বৃহদাংশ আর পুরনো
ব্যবস্থায় ফিরে যেতে বা স্থিতাবস্থা বহাল রাখতে চান না। তারা চান পরিবর্তন, রাষ্ট্রব্যবস্থায়
সংস্কার।
আজ
শনিবার ( ১৪ ফেব্রুয়ারি ) সকালে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি
এসব কথা বলেন।
গণভোটের
আগে জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়ার ভাষণের উদ্ধৃতি তুলে
ধরে আলী রীয়াজ বলেন, ‘একটি জাতীয় রূপান্তর কখনোই একক সিদ্ধান্ত বা একক শাসনের মাধ্যমে
টেকসই হবে না। জনগণ রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি। পরিবর্তনের চূড়ান্ত বৈধতা আসে জনগণের
সম্মতি থেকেই। তাই দেশের ভবিষ্যৎ দিক-নির্দেশনা নির্ধারণে জনগণকে সরাসরি সিদ্ধান্ত
গ্রহণের সুযোগ দেওয়ায় হলো গণতান্ত্রিক পথের মূল ভিত্তি।
এই
লক্ষ্যেই আমরা গণভোটের আয়োজন করেছি যাতে দেশের ভবিষ্যৎ সংস্কারের দিশা নির্ধারণে জনগণ
সরাসরি নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারে। জনগণ আমার আহবানে সাড়া দিয়েছেন। সংস্কারের পক্ষে
জনরায় এসেছে।’
আলী
রীয়াজ বলেন, ‘গণভোটে দেওয়া জনগণের রায়কে কেবল সংখ্যার বিবেচনায় দেখলেই হবে না।
জনগণের
এই রায় হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ অভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, যারা
আহত হয়েছেন, যারা অকুতোভয়ে লড়াই করেছেন, তারা আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন
তার স্বীকৃতি। তাদের দেওয়া দায়িত্ব পালনের জন্য জনগণের অঙ্গীকার।’
প্রায়
১৬ বছর ধরে যে বীরের রক্তস্রোত, মাতার অশ্রুধারা, নির্যাতিতের হাহাকার; তার যেন আর
পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের জনমত আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ
এই গণভোট। সার্বভৌম জনগণের যে অভিপ্রায়ের প্রকাশ ঘটেছিল ২০২৪ সালে; গণভোটের মধ্যে দিয়ে
এই রায় পুনর্বার প্রকাশিত হলো। আমাদের এই বিষয়গুলো বিস্মৃতত হবার সুযোগ নেই।
আলী
রীয়াজ বলেন, ‘গণভোটের মধ্যে দিয়ে সংস্কারের ব্যাপারে যে সুস্পষ্ট গণরায় প্রকাশিত
হয়েছে, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব রাজনৈতিক দলসমূহের। আর রাষ্ট্র সংস্কারের ব্যাপারে
সকল রাজনৈতিক দল অঙ্গীকারবদ্ধ। ক্ষমতাসীন দল এবং জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের
প্রতিনিধিত্বকারী দলসমূহ এবং সংসদের বাইরেও যেসব রাজনৈতিক দল আছে তাদের সকলের প্রতি
আহ্বান হচ্ছে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে এই গণরায় বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে
হবে।’
মন্তব্য করুন


বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আল্লাহর রহমতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয়
সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ তথা বিএনপির বিজয় হবে। জনগণের বিপুল সমর্থন ও জাতীয় ঐক্য
সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে বিএনপি এমন একটা সরকার পরিচালনা করবে যে সরকারের মালিক হবে সকল
জনগণ।
আজ
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় চকরিয়ার সাহারবিল ইউনিয়নের বিএমএস উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে
অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, জনগণ তাদের রাষ্ট্রের মালিকানা ফেরত পাবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের
মধ্য দিয়ে।
আপনার
ভোট আপনি দিবেন, যাকে খুশি তাকে দিবেন। আপনার পছন্দের প্রার্থীকে দিবেন। গণতন্ত্রকে
শক্তিশালী করবেন। বাংলাদেশে যেন আর কোনদিন এই কথা শুনতে না হয় কেউ গুম হয়েছে।
কোন
মাকে যেন তার সন্তান হারানোর বেদনা অনুভব করতে না হয়। বিএনপি এমন একটা বাংলাদেশ বিনির্মাণ
করবে যে বাংলাদেশে আর কোন মানুষ গুম হবেনা। যারা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন তাদের
মর্যাদাবান করতে হবে।
তিনি
আরো বলেন, বিএনপি কর্মসূচি, বিএনপির প্ল্যান, পরিকল্পনা এবং রাষ্ট্র চিন্তা যদি মানুষের পছন্দ হয় তাহলে অবশ্যই তারা বিএনপিকে
ভোট দিবে।
অন্য
যে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন করছেন তারাও তাদের কর্মসূচি, পরিকল্পনা প্রকাশ করবে। জনগণ
তাদেরটা পছন্দ করলে তাদেরই ভোট দিবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য্য। এমনই হওয়া উচিত।
কিন্তু একটা দল তা না করে তাদের ভোট দিলে মরলে পরে জান্নাত পাবেন বলে ধোঁকাবাজি করছে
তাদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে আপনাদের সাথে আছি। আমি জেলে
থাকার কারণে ২০০৮ সালে নির্বাচন করতে পারিনি জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, সেবার আমার
স্ত্রী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদকে আমার চাইতে বেশি ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। এ কারণে
আমি এবং আমার পরিবার আজীবন আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সুতরাং এতে করে বুঝতে পারি আপনারা
আমাকে ভালোবাসেন। এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করতে গিয়ে আমার জীবন বিপন্ন হতে
বসেছিল। আমরা গণতন্ত্রকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। কেউ মুক্ত পরিবেশে কথা বলতে পারেনি। তাদের
ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন- মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহীম চৌধুরী,
সাধারণ সম্পাদক হেফাজতুর রহমান টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শোয়াইবুল ইসলাম সবুজসহ অসংখ্য
নেতাকর্মী।
মন্তব্য করুন


এলপিজি
(তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) খাতে কর কাঠামোয় পরিবর্তন এনেছে সরকার। উৎপাদন ও ব্যবসায়িক
পর্যায়ে থাকা ভ্যাট ও অগ্রিম কর তুলে দিয়ে আমদানি পর্যায়ে এককভাবে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ
ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের মতে, এ ব্যবস্থায় কর আদায় প্রক্রিয়া সহজ
হবে এবং এ খাতে বিদ্যমান জটিলতা কমবে।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ০৫ ফেব্রুয়ারি ) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক
বৈঠকে এলপিজি কর কাঠামো পুনর্গঠন সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব
করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বিকেলে
ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম
এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আগে এলপিজির ক্ষেত্রে উৎপাদন ও ব্যবসায়িক পর্যায়ে ৭ দশমিক
৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানির সময় ২ শতাংশ অগ্রিম কর প্রযোজ্য ছিল। নতুন কাঠামো অনুযায়ী
উৎপাদন ও ব্যবসায়িক পর্যায়ের ভ্যাট ও অগ্রিম কর তুলে দিয়ে আমদানি পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫
শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে।
প্রেস
সচিব বলেন, কর কাঠামো সরলীকরণের লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে এলপিজি খাতে কর
ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ হবে এবং ব্যবসায়ীদের জন্য প্রক্রিয়া সহজ হবে।
একই
বৈঠকে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও চুরি রোধে আরও কঠোর আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ গ্যাস
(সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬-এর খসড়া নীতিগতভাবে চূড়ান্ত অনুমোদিত হয়।
শফিকুল
আলম বলেন, অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও অপব্যবহারের কারণে প্রতিবছর দেশে হাজার হাজার কোটি টাকার
ক্ষতি হয়। ক্ষতি রোধ করতে সংশোধিত অধ্যাদেশে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের সংজ্ঞা বিস্তৃত করা
হয়েছে। সর্বোচ্চ লাইনে অবৈধ সংযোগের পাশাপাশি ঠিকাদার বা অন্যের সহায়তায় বেআইনিভাবে
গ্যাস ব্যবহারকেও অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সংশোধিত
আইনে মিটারযুক্ত ও নন-মিটার গ্রাহকদের অপরাধ ও দণ্ড পৃথকভাবে নির্ধারিত হয়েছে। ভবন
বা ফ্ল্যাটের মালিক এবং সংশ্লিষ্ট গ্যাস বিতরণ কোম্পানির কর্মচারীদের দায় ও শাস্তির
বিষয়ও এতে অন্তর্ভুক্ত। শফিকুল আলম বলেন, আইনটিকে আরও যুগোপযোগী করতে এসব পরিবর্তন
আনা হয়েছে।
তিনি
আরও জানান, গ্যাস সংযোগ নেওয়ার পর গ্রাহকরা লোড ম্যানেজমেন্ট বা মিটার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে
এত দিন গ্যাস বিতরণ কোম্পানির অনুমতির ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। নতুন ব্যবস্থায় এ অনুমতির
বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে, ফলে গ্রাহকদের সেবা আরও সহজ হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বতী সরকারের
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত সার্চ কমিটিও গঠন হয়ে
গেছে। প্রজ্ঞাপনে হয়তো প্রধান উপদেষ্টা স্বাক্ষরও করেছেন। আজ অথবা কালকের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন
জারি হবে। আমাদের নির্বাচনমুখী যাত্রা শুরু হয়ে গেছে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর)
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এ কথা বলেন তিনি।
আইন উপদেষ্টা আসিফ
নজরুল বলেন, সার্চ কমিটি হয়ে গেলে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। এরপর ভোটার তালিকা সংশোধন
করা হবে। ভোটার তালিকা নিয়ে প্রচুর প্রশ্ন ছিল। আগের নির্বাচনগুলো ছিল ভুয়া। ফলে ভোটার
তালিকা নিয়ে কারও কোনো মাথা ব্যথা ছিল না। আমরা তো ভুয়া নির্বাচন করব না। আমরা অসাধারণ,
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করব। ফলে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর
সঙ্গে কথা বলে প্রধান উপদেষ্টা সবকিছু ঠিক করবেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর কোতোয়ালি থানা এলাকা হতে ১৮ টি চোরাই মোবাইলসেট উদ্ধারসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো, মো. আব্দুল্লাহ (২৪), মো. সোহাগ মোল্লা (৩০), জয় হোসেন (২২) ও মো. শহিদুল ইসলাম (৪৮) এ সময় তাদের হেফাজত হতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৮টি পুরাতন মোবাইল ফোন, ১টি পুরাতন পাওয়ার ব্যাংক এবং ৪টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পুরাতন হাতঘড়ি উদ্ধার করা হয়।
গতকাল রবিবার রাতে কোতোয়ালি থানাধীন ওয়াইজঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করা হয় তাদের।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
কোতোয়ালি থানা সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্য পাওয়া যায়, ওয়াইজঘাট এলাকার ব্যাকল্যান্ড বাঁধ রোডের সিটি কর্পোরেশন মার্কেটের সামনে কিছু ব্যাক্তি চোরাই মোবাইল ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশে অবস্থান করছে এমন সংবাদে অভিযান পরিচালনা করে থানার একটি টিম। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পালানোর সময় উল্লিখিত ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৮ পুরাতন মোবাইল ফোন, একটি পুরাতন পাওয়ার ব্যাংক এবং চারটি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পুরাতন হাতঘড়ি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
সূত্র আরো জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা পরস্পর যোগসাজসে ঢাকার গুলিস্তানসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা হতে ছিনতাইকৃত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পুরাতন মোবাইল সেট, পাওয়ার ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হাতঘড়ি স্বল্প মূল্যে ক্রয় করে দীর্ঘদিন যাবৎ ঢাকার সদরঘাটসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করে আসছে। তারা প্রাথমিক স্বীকার করেছে, উদ্ধারকৃত মোবাইল সেট, পাওয়ার ব্যাংক এবং হাতঘড়ি একই উদ্দেশে তাদের কাছে ছিল।
মন্তব্য করুন


কপ ২৯ সম্মেলনের আগে ন্যায়সংগত জলবায়ু
অর্থায়নের জন্য উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
আজ রাজধানীর পরিবেশ অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত
‘রোড টু বাকু: কপ ২৯ - বাংলাদেশে সিএসওগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত অবস্থান’ শীর্ষক
এক সেমিনারে এ আহ্বান জানান তিনি।
পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
বলেন, জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন ও প্রশমন কৌশলগুলো ন্যায়সংগত হতে হবে এবং সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ
জনগোষ্ঠীকে প্রাধান্য দিতে হবে। আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সংকট মোকাবেলায় একশ’ বিলিয়ন ডলার
প্রদানের প্রতিশ্রুতি বাড়াতে হবে। উন্নত দেশগুলোর অর্থ সাহায্য কিছু আর্থিক সমস্যার
সমাধান করলেও প্রকৃত জলবায়ুর ক্ষেত্রে ন্যায় বিচার হবে না।
পরিবেশ উপদেষ্টা বাংলাদেশ বৈশ্বিক উষ্ণতা
১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার বিষয়ে দৃঢ় অবস্থানের আশাবাদ পুন:ব্যক্ত
করেন।
তিনি অভিযোজন পদক্ষেপের ওপর গুরুত্বারোপ
করেন এবং তরুণদের এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার আহ্বান জানান।
এছাড়াও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জগুলো স্পষ্টভাবে
তুলে ধরা এবং উচ্চাভিলাষী প্রশমন উদ্যোগ নিয়ে কথা বলার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন
তিনি।
তিনি কপ ২৯ সম্মেলনের আগে বাংলাদেশে
নাগরিক সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্বও তুলে ধরেন।
উক্ত সেমিনারে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
ড. আবদুল হামিদ, এনএসিওএমের নির্বাহী পরিচালক
ড. এস এম মুনজুরুল হান্নান খান, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ
কবির বক্তব্য রাখেন। এতে বিভিন্ন সিএসও, জলবায়ু কর্মী এবং নীতি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
সেমিনারের মূল লক্ষ্য ছিল কপ ২৯ সম্মেলনের
আগে বাংলাদেশে নাগরিক সমাজের একটি একক অবস্থান গঠন করা।
পরে কপ ২৯ সম্মেলনে জোরালো এডভোকেসির
আহ্বান জানানো হয়, যাতে বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর
কণ্ঠস্বর শোনা যায়।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ঈদ উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। আগামী ১১ এপ্রিল ঈদের দিন ধরে
হিসেব করে যাত্রা বিবেচনায় টিকিট বিক্রি শুরুর দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার
( ২৪ মার্চ) শুরু হওয়া অগ্রিম টিকিট বিক্রি চলবে ৩০ মার্চ পর্যন্ত।
বাংলাদেশ
রেলওয়ে জানিয়েছে, ৩ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৪ মার্চ, ৪ এপ্রিলের ভ্রমণের
টিকিট পাওয়া যাবে ২৫ মার্চ, ৫ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৬ মার্চ, ৬ এপ্রিলের
ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৭ মার্চ। এছাড়া ৭ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৮
মার্চ, ৮ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৯ মার্চ, ৯ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া
যাবে ৩০ মার্চ। সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে রেলের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট আলাদা
সময়ে বিক্রি করা হবে। সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে আর দুপুর ২টায় পশ্চিমাঞ্চলে
টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
এবারও
ঈদযাত্রার কোনো টিকিট কাউন্টারে বিক্রি করা হবে না। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকেই শতভাগ
টিকিট বিক্রি হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট, রেল সেবা অ্যাপ ও সহজ ডটকমের
প্ল্যাটফর্ম থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
এ
বিষয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারোয়ার বলেন, শতভাগ অনলাইনে টিকিট বিক্রি
হবে। কালোবাজারি রোধে সহজ.কম যেন টিকিট ব্লক করতে না পারে সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর প্রামাণ্যচিত্র
নির্মাণে সরকার সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ
ইসলাম।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয়
গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে কনটেন্ট ক্রিয়েশন, স্ক্রিন প্লে অ্যান্ড ভিজ্যুয়াল প্রোডাকশন
টেকনিকস্ বিষয়ক প্রশিক্ষণ পাঠ্যধারার সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিডিও সংরক্ষণের
ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণের
দায়িত্ব আামাদের সকলের। এ গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করেই আমাদের সৃষ্টিশীল কাজে মনোনিবেশ
করতে হবে। এই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী শাসকের
যেমন বর্বরতার গল্প রয়েছে, তেমনি ছাত্র-জনতার সাহসিকতার গল্পও রয়েছে। তিনি ছাত্র-জনতার
সাহসিকতার গল্প জনসম্মুখে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তথ্য উপদেষ্টা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের
ওপর ভিডিও কনটেন্ট নির্মাণের জন্য প্রশিক্ষণার্থী ও কোর্স প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগানোর জন্য প্রশিক্ষণার্থীর প্রতি আহ্বান জানান।
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক
সুফী জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
সচিব মাহবুবা ফারজানা, কোর্স পরিচালক ড. মো. মারুফ নাওয়াজ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
সার্চ কমিটির আহ্বায়ক মো. আল আমিন রাকিব তনয়।
অনুষ্ঠানের শেষে উপদেষ্টা প্রশিক্ষণার্থীদের
মাঝে সনদ বিতরণ করেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, স্বজনপ্রীতি পরিহার করে স্বচ্ছতার সঙ্গে
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করতে হবে। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা সরকারি সহায়তা পাবেন।
তিনি
আরও বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান ও দু’জন
সমাজসেবকের সমন্বয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে টিম গঠন করা হবে। এর মাধ্যমে
উপকারভোগীদের যথার্থতা যাচাই করে সম্পূর্ণ দলীয়প্রভাবমুক্ত থেকে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা যাবে।
আজ
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশাল সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে জেলা পর্যায়ের
কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিসংখ্যান
ব্যুরোর কাজের নির্ভুলতা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, একটি রাষ্ট্র কতটা সভ্যতা
ও প্রাতিষ্ঠানিক চরিত্র অর্জন করেছে সেটা নির্ভর করে সঠিক পরিসংখ্যানের ওপর। এক্ষেত্রে
নিখুঁত তথ্য সংগ্রহ, তথ্যের সংরক্ষণ এবং দ্রুত তথ্য সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জহির
উদ্দিন স্বপন বলেন, আধুনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ডাটাবেস
সিস্টেম। সঠিক ডাটাবেস সিস্টেম না থাকলে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব নয়। বরিশালের
স্বাস্থ্যসেবাকে আধুনিকীকরণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ দিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বরিশাল দক্ষিণ
বাংলার রাজধানী হওয়া সত্ত্বেও উন্নত চিকিৎসার অভাব রয়েছে।
তিনি
বলেন, গুরুতর অসুস্থ রোগীদের সুচিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়া কষ্টসাধ্য এবং সাধারণ মানুষের
জন্য ব্যয়বহুল। এই সংকট নিরসনে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন
হাসপাতালে রূপান্তর করা এখন সময়ের দাবী। বরিশালে
একটি বিশেষায়িত ট্রমা সেন্টার স্থাপন করাও জরুরি হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
মতবিনিময়
সভায় জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পুলিশ
সুপার ফারজানা ইসলাম। সভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেন, শাপলা প্রতীক পেতে এনসিপির আইনগত কোনো বাধা নেই। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী যে নির্বাচন কমিশন এসেছে তারা অবশ্যই এ স্বেচ্ছাচারিতা করবে না। আমরা আশা করি অবশ্যই শাপলা প্রতীক পাব, এ প্রতীকেই আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।
আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে নেত্রকোনায় এনসিপির জেলা সমন্বয় সভায় অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা শহরের একটি রেস্টুরেন্টের হলরুলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের কেন্দ্রীয় সংগঠক প্রীতম সোহাগ এবং কেন্দ্রীয় সদস্য ফাহিম রহমান খান পাঠান। এছাড়াও নেত্রকোনা জেলার জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে
বিদ্যমান আইনের নামকরণে ‘নিয়ন্ত্রণ’ শব্দটির বদলে ‘প্রকাশ্যে ব্যবহার নিষেধ’
শব্দটি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য তিনি জাতীয় সংসদে প্রস্তাব উত্থাপন করবেন। তিনি বলেন,
‘নিয়ন্ত্রণ’ শব্দটির মধ্যে একটি ঢিলেঢালা ভাব থাকে, যা ‘প্রকাশ্যে
নিষেধ’ শব্দটির মাধ্যমে কঠোর আইনি অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা
সম্ভব।
আজ
সোমবার (৯ মার্চ) সকালে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা সেমিনার কক্ষে
‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ: সরকারের সাফল্য, প্রতিশ্রুতি ও জনপ্রত্যাশা’
শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময়
মন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রণীত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
(সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ কে আইনে পরিণত করার আশা প্রকাশ করেন।
তামাক বিরোধী সংগঠন ‘আত্মা’ (অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স)
এবং ‘প্রজ্ঞা’ (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
তথ্যমন্ত্রী
জহির উদ্দিন বলেন, সমাজে তামাকের ক্ষতিকর দিক নিয়ে সচেতনতা থাকলেও ডাক্তার গোলাম মহিউদ্দিন
ফারুকের উপস্থাপনায় উঠে এসেছে যে এখনো তামাকজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। মন্ত্রী বলেন,
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের আমলেই বাংলাদেশ তামাক নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক
চুক্তি এফসিটিসি-তে স্বাক্ষর করেছিল। তিনি বলেন, ‘আমি ২০০৫ সালে যখন সংসদ সদস্য ছিলাম,
তখনই ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন-২০০৫’
পাস হয়। আমি সেই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে গর্বিত।’
আসন্ন
সংসদ অধিবেশন প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
হচ্ছে। সেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রণীত প্রায় ১৩০টি অধ্যাদেশ উপস্থাপিত হবে।
এর মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যাদেশ
রয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি, এই আইনটির নামকরণে ‘নিয়ন্ত্রণ’
শব্দের বদলে ‘প্রকাশ্যে ব্যবহার নিষেধ’ করার প্রস্তাব দেব। এটি আমার সংসদীয়
এজেন্ডার শীর্ষে রয়েছে।’
আইন
বাস্তবায়নের বিষয়ে তিনি ‘আত্মা’ ও ‘প্রজ্ঞা’-কে
একটি কার্যকর রূপরেখা বা গাইডলাইন তৈরির আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা সরকারের সহযোগিতার
জন্য একটি পূর্বপ্রস্তুতি সম্পন্ন করে রাখলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য তা বাস্তবায়ন
সহজ হবে।’
তথ্যমন্ত্রী
হিসেবে নিজের দায়বদ্ধতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আইনটি হওয়ার সাথে সাথেই একটি ‘পজিটিভ
ইকোসিস্টেম’ ডেভেলপ করার জন্য আমি একটি ‘ক্রিয়েটিভ ক্যাম্পেইন’
করার নির্দেশ আমার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিয়ে রাখব। যাতে জনমত তৈরি হয় এবং আইন প্রয়োগকারী
সংস্থাও সহজে এটি প্রয়োগ করতে পারে।’
বর্তমান
সরকারের রাজনৈতিক দর্শনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতা দেশনায়ক তারেক রহমান
১৭ বছর পর দেশে ফিরে অতীতের আবেগ বা প্রতিহিংসার রাজনীতি না করে ‘ফিউচার হোপ’
বা আগামীর সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলছেন। আমাদের দল তামাকমুক্ত সমাজ গঠনের যে প্রতিশ্রুতি
দিয়েছে, আমরা তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।’
অনুষ্ঠানে
অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, যুগান্তর সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার, এনটিভির
হেড অব নিউজ জহিরুল আলম, চর্চা ডট কম-এর সম্পাদক সোহরাব হোসেন, বাংলাদেশ ক্যান্সার
সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক প্রমুখ।
গোলটেবিল
বৈঠকে তামাকবিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন