

নির্বাচনের আগেই একটি গোষ্ঠী জনগণকে প্রতারণার মধ্যে ফেলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এখনই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে নির্বাচনের পর পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। শুধু রাজনৈতিক প্রতারণাই নয়, মুসলমানদের শিরকের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত নিজের প্রথম নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোর সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, গত দেড় দশকে দেশে একের পর এক বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে। কোথাও ব্যালট ছিনতাই, কোথাও রাতের আঁধারে ভোট, আবার কোথাও ডামি প্রার্থীর মাধ্যমে ভোটের নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক অধিকার হরণ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
বিএনপির লক্ষ্য দেশের প্রতিটি মানুষকে স্বনির্ভর করে তোলা—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিথ্যা, কুফরি ও হঠকারিতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি দাবি করেন, দেশকে স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করা হয়েছে, এবার মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পালা। শুধু ভোট দেওয়ার বা মত প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করলেই চলবে না, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতাও জরুরি।
তারেক রহমান আরও বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে বিএনপি কৃষকদের জন্য বিশেষ কার্ড চালু করতে চায় এবং ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। বেকারত্ব দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে এবং কর্মক্ষম মানুষদের উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
সিলেটের জনসভা শেষে তিনি সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। পথে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ঘেঁষে ছয়টি জেলার ছয়টি পৃথক স্থানে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার। এর মধ্যে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার শেরপুর এলাকার একটি মাঠ এবং হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রস্তাবিত নতুন উপজেলা পরিষদ মাঠে সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন ও তাদের
দায়িত্ব বণ্টন করে শুক্রবার (৯ আগস্ট) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট ১৭ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত
হয়েছে ।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাতে শপথ নিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের
প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং অন্য ১৩ জন উপদেষ্টা। তবে ঢাকার বাইরে থাকায় সেদিন
তিনজন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিতে পারেননি।
এক নজরে কে কোন মন্ত্রণালয় এর দায়িত্বপ্রাপ্ত হলেন -
১. প্রধান উপদেষ্টা ড.
মুহাম্মদ ইউনূস
১. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ২. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, ৩. সশস্ত্র
বাহিনী বিভাগ, ৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ৫. সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, ৬. খাদ্য
মন্ত্রণালয়, ৭. গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ৮. ভূমি মন্ত্রণালয়, ৯. বস্ত্র ও পাট
মন্ত্রণালয়, ১০. কৃষি মন্ত্রণালয়, ১১. বিজ্ঞান ও প্রযুুক্তি মন্ত্রণালয়, ১২. রেলপথ
মন্ত্রণালয়, ১৩. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ১৪. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ
মন্ত্রণালয়, ১৫. নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, ১৬. পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, ১৭. মহিলা ও
শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ১৮. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, ১৯. তথ্য ও
সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, ২০. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ২১.
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ২২. শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ২৩. সংস্কৃতি বিষয়ক
মন্ত্রণালয়, ২৪. বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, ২৫. মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ২৬. পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ২৭. প্রাথমিক ও
গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
অন্য উপদেষ্টারা
২. ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ- অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা
মন্ত্রণালয়।
৩. ড. আসিফ নজরুল- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৪. আদিলুর রহমান খান- শিল্প মন্ত্রণালয়।
৫. এ এফ হাসান আরিফ- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
মন্ত্রণালয়।
৬. মো. তৌহিদ হোসেন- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৭. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন
মন্ত্রণালয়।
৮. শারমিন এস মুরশিদ- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
৯. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন- স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়।
১০. আ ফ ম খালিদ হোসেন- ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১১. ফরিদা আখতার- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
১২. নুরজাহান বেগম- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
১৩. মো. নাহিদ ইসলাম- ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি
মন্ত্রণালয়।
১৪. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
তবে ঢাকার বাইরে থাকায় ফারুক-ই-আযম, সুপ্রদীপ চাকমা ও বিধান
রঞ্জন রায় উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিতে পারেননি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান “এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, বিবিপি, ওএসপি, জিইউপি, এনএসডব্লিউসি, পিএসসির” সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন পাকিস্তান নৌবাহিনী প্রধান “এডমিরাল নাভিদ আশরাফ”। আজ মঙ্গলবার ( ১১ নভেম্বর ) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। সাক্ষাতের সময় বিমান বাহিনী প্রধান পাকিস্তান নৌবাহিনী প্রধানের সঙ্গে পারস্পরিক কুশল বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা খাতসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।
এছাড়া তারা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার বিদ্যমান সর্ম্পক জোরদার ও পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসময় পাকিস্তান নৌবাহিনীর প্রতিনিধি দল, পাকিস্তান হাই কমিশনার, ডিফেন্স এ্যাটাশে ও বিমান বাহিনী সদর দপ্তরের পিএসওরা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদের দেওয়া এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আব্দুল হাফিজ প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক দায়িত্ব পালনে প্রধান উপদেষ্টাকে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা প্রদান করবেন। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী পদে থাকা অবস্থায় তিনি উপদেষ্টা পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
উল্লেখ্য যে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন পরীক্ষা দিয়ে বৃত্তি পেয়েছে ৫ হাজার ২৭০ জন। এর মধ্যে মেধাবৃত্তি (টেলেন্টপুল) পেয়েছে ১ হাজার ৬৭৭ জন ও সাধারণ বৃত্তি ৩ হাজার ৫৯৩ জন। বৃত্তি পেয়েছে ১৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। আজ বুধবার ওই ফল ঘোষণা করা হয়। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ বছর সারাদেশের নয়টি শিক্ষবোর্ডে ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৬০ জন পরীক্ষা দেয়। এর মধ্যে বৃত্তি পেয়েছে ৪৬ হাজার ২০০ জন। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর হার ১৪ দশমিক ৬৬। এর মধ্যে মেধাবৃত্তি পেয়েছে ১৪ হাজার ৭০০ জন, সাধারণ বৃত্তি ৩১ হাজার ৫০০ জন।
মেধাবৃত্তি প্রাপ্তরা বাৎসরিক এককালীন অনুদান পাবেন ৫৬০ টাকা ও মাসিক ৪৫০ টাকা করে। সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা বাৎসরিক এককালীন অনুদান পাবেন ৩৫০ টাকা ও মাসিক ৩০০ টাকা করে । ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেট থেকে এই বৃত্তির টাকা ছাড় দেওয়া হবে। ইএফটিতে শিক্ষার্থীরা তফসিলি ব্যাংকে হিসাব খুলে ওই টাকা পাবে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারো
নেই।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মব জাস্টিসের ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। কাল দেখলাম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হত্যা হয়েছে। তারা তো সবচেয়ে শিক্ষিত, তাদের সচেতনতা আসতে
হবে। একজন অন্যায় করলে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার
কারও নেই। একজন অন্যায় করলে আইনের হাতে তাকে তুলে দেন। নিরপরাধ লোক যেন কোনো অবস্থায়
হেনস্তা না হয় জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে দায়ের করা মামলাগুলোয়
বিপুল সংখ্যক আসামি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, এখন পুলিশ মামলা করছে না, করছে সাধারণ জনগণ। আগে পুলিশ মামলা দিতো,
এই সময়ে কোনো পুলিশ একটা মামলা দিয়েছে? আগে পুলিশ ১০ জনের নাম দিয়ে ১০০ জনের নাম দিতো
অজ্ঞাত। আজ পর্যন্ত কিন্তু পুলিশ (মামলা) দিচ্ছে না। এটা কিন্তু সাধারণ পাবলিকরা দিচ্ছে।
মিডিয়াতেও বলছি, পেপারে দিয়েছি যে সাধারণ লোক যেন হেনস্তা না হয়। তদন্ত ছাড়া কাউকে
এরেস্ট করা হবে না। ডিবিকে আজকেই নির্দেশনা দিয়েছি। পরিচয় তারা নিজেরা দেবে, তারপর
ধরবে। এখানে ধরার কথা শুধু অপরাধীদের সাধারণ মানুষদেরকে তো ধরবে না। বাংলাদেশ পুলিশকে
পুরোনো রূপে মানবিক পুলিশ হতে উজ্জীবিত করে কীভাবে তাদের পুরোনো গৌরব ফিরে পাওয়া যায়
এবং জনবান্ধব পুলিশ যেন বাস্তবে হয় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। থানা পর্যায়ে লোকজনকে অনেক
সময় বিভিন্ন কাজের জন্য গিয়ে তাদের যে সমস্যা সেটা সমাধান করতে পারে না, সবসময় সমাধান
সম্ভবও নয়। কিন্তু তারপরেও কীভাবে সমাধান করা যায় এটা বলা হয়েছে। প্রধানত আলোচনা হয়েছে
তাদের যে পুরোনো ফর্মে যেন পুলিশ যতো তাড়াতাড়ি ফিরে যেতে পারে। তারা যেন জনবান্ধব পুলিশ
হতে পারে। জনগণের একটা আশা, তারা যেন জনবান্ধব পুলিশ হতে পারে। সবার একটা আশা জনবান্ধব
পুলিশ। ট্রাফিকে যে একটা সমস্যা হচ্ছে, এই ট্রাফিকটা কীভাবে উন্নত করা যায়, চাঁদাবাজি
কীভাবে বন্ধ করা যায় এ সম্পর্কে বলা হয়েছে। চাঁদাবাজিটা যদি বন্ধ হয় জিনিসপত্রের দামটা
একটু সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে। এই চাঁদাবাজি যেন না হয়, প্লাস এই ঘুষ এবং দুর্নীতিতে
আমাদের সমাজটাকে গ্রাস করে নিছে। এটাকে কীভাবে বন্ধ করা যায় এগুলো সম্পর্কে তাদের সঙ্গে
আলোচনা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ও ঘানা এই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও ব্যবসা সম্প্রসারণে সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সফররত ঘানার পররাষ্ট্র ও আঞ্চলিক সংহতি বিষয়ক মন্ত্রী শার্লি আয়োরকর বোচওয়ে-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়ে একমত হয় বাংলাদেশ ও ঘানা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, “বাংলাদেশ ও ঘানা কৃষি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ফার্মাসিউটিক্যালস, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, পাট, চামড়া ও গার্মেন্টস সহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে।” গণভবনে আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ঘানার পররাষ্ট্র ও আঞ্চলিক সংহতি মন্ত্রী শার্লি আয়োরকার বোচওয়ের মধ্যে বৈঠকে এ বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর ওপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আফ্রিকান দেশগুলির সাথে ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আফ্রিকান দেশগুলো বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য এবং টেক্সটাইল পণ্য আমদানি করতে পারে।
ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ ও ঘানার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এ লক্ষ্যে তিনি দুই দেশের মধ্যে কৃষি, ওষুধ, আইসিটি এবং কৃষিভিত্তিক খাদ্য পণ্যের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন। তিনি আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য কমনওয়েলথের মহাসচিব হিসেবে আসন্ন নির্বাচনে তার দেশের প্রার্থীতার পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন। এবার আফ্রিকার দেশগুলো থেকে কমনওয়েলথ মহাসচিব নির্বাচিত হবেন।
কমনওয়েলথ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সংস্থা এক সময় নিষ্ক্রিয় ছিল। কিন্তু কমনওয়েলথ এখন বিনিয়োগ এবং মানবসম্পদ প্রশিক্ষণ (সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে) বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।” প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলেন, কমনওয়েলথের মহাসচিব পদে যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন।
সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
আজ রাত পোহালেই শুরু হচ্ছে বহুল আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। কাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে শুরু হবে ভোট উৎসব। উৎসবের আবহ থাকলেও, একই সঙ্গে নানা শঙ্কা ও উৎকণ্ঠাও বিরাজ করছে নির্বাচনী মাঠে।
কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনসহ সারা দেশের মোট ৩০০টি সংসদীয় আসনে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবার দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় ভোটযজ্ঞে অংশ নেবেন কোটি কোটি ভোটার।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, কাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে এবং বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে: চলবে। ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পারবেন সে লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।" কুমিল্লায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি, মোতায়েন ৭৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট:
কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ১১টি সংসদীয় গআসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ
নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনী মাঠে সার্বিক তদারকির জন্য মোট ৭৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছেন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নির্বাহী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। নিরাপত্তা জোরদার, মাঠে সব বাহিনী নির্বাচন ঘিরে কুমিল্লায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাব, পুলিশ ও আনসার বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
কুমিল্লায় ভোটার সংখ্যা লাখে লাখে:
নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, কুমিল্লা জেলার ১১টি আসনে প্রায় দেড় হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোট দেবেন ৪৮ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটার। ভোটের আগের শেষ দিনে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা জমজমাট থাকলেও, ভোটগ্রহণ ঘিরে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহের
পাশাপাশি উদ্বেগও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শেষ মুহূর্তের উত্তেজনা ও প্রত্যাশা: ভোটের আগের দিন কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী উত্তাপ স্পষ্ট। বড় রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ, কেন্দ্র দখল ও জাল ভোটের আশঙ্কা ভোটারদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশাড়সব শঙ্কা পেরিয়ে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন উপহার দেবে আগামীকালের ভোট।সব মিলিয়ে, রাত পোহালেই কুমিল্লাসহ সারাদেশে শুরু হচ্ছে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব। এখন দেখার বিষয়, ভোটারদের অংশগ্রহণ ও প্রশাসনের ভূমিকার মধ্য দিয়ে এই নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়।
কুমিল্লার ১১টি আসনের ১ হাজার ৪৯১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৯৩৪টি:
বিগত কয়েকটি জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় নির্বাচনের সময় সহিংসতার বিষয় মাথায় রেখে কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের ১৭টি উপজেলার ১ হাজার ৪৯১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৯৩৪টি কেন্দ্র। এর মধ্যে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের শতভাগ ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। জেলা রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, দেশের কৃষক ও কৃষাণী ভালো থাকলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে। দেশের মানুষের
ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই বিএনপির রাজনীতি। বিএনপি জনগণের দল জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা
সরকার পরিচালনা করব।
সোমবার
(১৬ মার্চ) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় ‘শাহাপাড়া খাল’
পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিন
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে দেশের ৫৩টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
এই কর্মসূচির আওতায় পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার
খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী
বলেন, খাল খনন কর্মসুচির মাধ্যমে আমরা দেশ গড়ার কর্মসুচিতে হাত দিলাম। কৃষক ও কৃষানের
ভাগ্য পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।
তিনি
বলেন, ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ শাহাপাড়া খালটির খনন কাজ শেষ হলে এলাকার প্রায় ৩৩ হাজার কৃষক
সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন। এর মাধ্যমে ১২০০ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আসবে এবং এলাকার
সাড়ে তিন লাখ মানুষ নানাভাবে এই খালের সুবিধা ভোগ করবেন। এতে এই এলাকায় আগের চেয়ে প্রায়
৬০ হাজার টন বেশি ফসল উৎপাদিত হবে। এ সময় শুধু খাল খননই নয়, খালের দুই পাড়ে সাত হাজার
বৃক্ষরোপণ এবং মানুষের চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণেরও ঘোষণা দেন তিনি।
নির্বাচনি
প্রতিশ্রুতি পূরণের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে কথা
দিয়েছিলাম ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করব। সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম
বৈঠকেই আমরা সুদসহ সেই কৃষি ঋণ মওকুফের ব্যবস্থা করেছি। তিনি বলেন, দেশের চার কোটি
পরিবারের মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’
দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার
মায়ের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আগামী মাস থেকে কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’
চালু করা হবে।
উত্তরাঞ্চলের
কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় কৃষিপ্রধান
এলাকা। এখানকার বেকার যুবক ও নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য ইপিজেডগুলোতে কৃষিভিত্তিক
শিল্পকারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঈদের পর এ বিষয়ে বড় বড় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে
আমরা বসব।
বিএনপি
সরকারকে ‘কৃষকবান্ধব’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের রাজনীতির
লক্ষ্য হলো মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করা। আজকে যে মানুষটি মাসে পাঁচ হাজার টাকা আয় করে,
আগামী দুই থেকে চার বছরের মধ্যে তার আয় যেন ১০ হাজার টাকায় পৌঁছায়, আমরা সেই পলিসি
নিয়েই কাজ করছি। কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকবে। দেশের উন্নয়ন ও শান্তিশৃঙ্খলা
বজায় রাখতে জনগণের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের সমর্থন ছাড়া দেশের উন্নয়ন
কাজ করা সম্ভব নয়। জনগণই হচ্ছে আমাদের সব ক্ষমতার উৎস। এই দেশের মানুষই একাত্তর সালে
যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে এবং ২৪ সালে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচার বিদায় করেছে। এ মানুষগুলোই
ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
তবে
বিভিন্ন রকম মিষ্টি কথা বলে যারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে
সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্যের শেষে তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে ‘করব কাজ,
গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান তুলে দেশ গড়ার কাজে সবাইকে
একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। এ সময় তিনি কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল কাটার উদ্বোধন
করেন এবং সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে
অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পানিসম্পদ
মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল
হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মধ্যপ্রাচ্যে
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে দেশে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি
হয়েছে, তা নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল
হাসান মাহমুদ টুকু।
তিনি
বলেছেন, ‘দেশে ডিজেল, পেট্রল, অকটেনসহ সব ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
তাই সাধারণ মানুষের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।’
শনিবার
(৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের
সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের
জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন জ্বালানিমন্ত্রী।
মন্ত্রী
বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি
হয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা থেকে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের
চেষ্টা করছেন। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে।
তবে
বাস্তবে দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’তিনি
আরও জানান, ‘ভবিষ্যতে কোনো ধরনের সংকট এড়াতে সরকার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের
পরিকল্পনাও প্রস্তুত করে রেখেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে সেসব বিকল্প উৎস ব্যবহার
করা হবে।’
ইকবাল
হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘আগামী ৯ মার্চ দেশে আরও দুটি জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ পৌঁছানোর
কথা রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা নেই।’
তবে গুজব বা আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান
তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘প্যানিক হয়ে কেউ যেন
প্রয়োজনের বেশি তেল সংগ্রহ না করেন। এতে অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি হয়।’
জ্বালানি
তেল সরবরাহে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অতিরিক্ত দাম আদায়ের অভিযোগ এড়াতে সরকার কঠোর অবস্থানে
রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। জনভোগান্তি কমাতে আগামীকাল থেকে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ
আদালত পরিচালনা করা হবে। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে
এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে।’
মন্তব্য করুন


কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচন নিয়ে তাড়াহুড়ার
করছেন, তাড়াহুড়ার প্রয়োজন নেই, সংস্কার শেষ হলেই নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন হবে।
নির্বাচন নিয়ে অধৈর্য হওয়ায় সরকারের সংস্কার কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন
অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও
ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আজ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে দিনাজপুরের
কাহারোল উপজেলা মিলনায়তনে শীত বস্ত্র বিতরণ এবং উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে
মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ফ্যাসিবাদী
ব্যবস্থার বিলোপের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান যেভাবে সংস্কার করা দরকার সেই সংস্কারের
এজেন্ডা নিয়ে কাজ করছে। সংস্কার কমিশন রিপোর্ট দিলে আমরা সে অনুযায়ী কাজ করব। প্রধান
উপদেষ্টা নির্বাচনের একটি রোড ম্যাপ ঘোষণা করেছেন। তবে আগামী নির্বাচন নির্ভর করছে
সংস্কার কার্যক্রমের ওপর। সংস্কার কমিশনগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারের প্রস্তাব
দেবে। সে রিপোর্টগুলো নিয়ে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডার পলিটিক্যাল পার্টিদের সঙ্গে আলোচনা
করা হবে। সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মতবিনিময় শেষে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। এর আগে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড
অব অনার প্রধান করা হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামের
সভাপতিত্বে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার
বিভাগের রংপুর বিভাগীয় পরিচালক আবু জাফর, উপদেষ্টার একান্ত সচিব আবুল হাসান, পুলিশ
সুপার নাজমুল হাসান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোকলেছুর রহমানসহ বিভিন্ন
কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন