

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কা ও ইন্দোনেশিয়া ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় আজ (০১ নভেম্বর ) সোমবার সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহে এশিয়ার ৪টি দেশে বন্যা ও ভূমিধসে প্রায় ১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
গত সপ্তাহে শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা, দক্ষিণ থাইল্যান্ড ও উত্তর মালয়েশিয়ায় পৃথক আবহাওয়া ব্যবস্থার কারণে টানা ভারী বর্ষণ হয়। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মুখে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রা পরিদর্শন করে প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার হলো দুর্গত এলাকায় দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া। বিচ্ছিন্ন গ্রামগুলোতে সহায়তা পাঠাতে ইতোমধ্যে হেলিকপ্টার ও বিমান মোতায়েন করা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে, শতাধিক মানুষ নিখোঁজ। ২০১৮ সালের সুলাওয়েসি ভূমিকম্প–সুনামির পর এটি দেশটিতে সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনা। ত্রাণ বহনে ৩ টি যুদ্ধজাহাজ ও ২ টি হাসপাতাল জাহাজ পাঠানো হয়েছে, যদিও অনেক সড়ক এখনও অচল।
অন্যদিকে শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়া’র প্রভাবে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৩৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যাঞ্চলে ত্রাণকর্মীরা গাছ, কাদা ও ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কারে কাজ করছেন। প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমার দিসানায়েকে জরুরি অবস্থা জারি করে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পুনর্নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা আমাদের ইতিহাসের অন্যতম বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি। দেশটির রাজধানী কলম্বোর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় বৃহৎ ত্রাণ অভিযান চলছে। আটকে পড়াদের কাছে খাবার পৌঁছে দিতে সামরিক হেলিকপ্টার ব্যবহৃত হচ্ছে। দক্ষিণ থাইল্যান্ডেও বর্ষণজনিত বন্যায় কমপক্ষে ১৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটি এক দশকের মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ বন্যা। ত্রাণ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার অভিযোগে ২ স্থানীয় কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার পার্লিস রাজ্যে বন্যায় ২’জনের প্রাণহানি হয়েছে। বর্ষাকাল, বিরল ক্রান্তীয় ঝড় ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অতিমাত্রার বৃষ্টিপাতের কারণে এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও
গণভোটের জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
রবিবার
(১১ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইইউ’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন প্রধান
পর্যবেক্ষক ইভারস আইজাবসের সঙ্গে বৈঠকালে তিনি একথা বলেন।
বিকালে
রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বৈঠকের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানান।
ড.
মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আসন্ন নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে। এটা নিয়ে তিনি কোনো সমস্যা
দেখছি না।
প্রধান
উপদেষ্টা জানান, নির্বাচনের সময় ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের
সঙ্গে বডি ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে একটা অ্যাপের মাধ্যমে কোথাও
সমস্যা হচ্ছে কি না, নিরাপত্তাব্যবস্থা বিঘ্ন ঘটেছে কি না ইত্যাদি মনিটর করা হবে। ফলে
স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনা সদস্যরা দ্রুত রেসপন্স করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের বিষয় তদন্তের জন্য গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে।
আজ
রোববার (৩০ নভেম্বর) কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান ও অন্য সদস্যরা
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেন। এ সময় উপস্থিত
ছিলেন কমিশনের সদস্য মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার (অব.), ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল মো. সাইদুর রহমান বীর প্রতীক (অব.), মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ যুগ্মসচিব (অব.),
ড. এম আকবর আলী ডিআইজি (অব.), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী
অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের
সহকারী অধ্যাপক মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতি দীর্ঘদিন ধরে অন্ধকারে
ছিল। আপনারা সত্য উদ্ঘাটনে যে ভূমিকা রেখেছেন জাতি তা স্মরণে রাখবে। জাতির পক্ষ থেকে
আপনাদের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ইতিহাসের এই ভয়াবহতম ঘটনা নিয়ে জাতির
অনেক প্রশ্ন ছিল, এই কাজের মধ্য দিয়ে সেসব প্রশ্নের অবসান ঘটবে। এই প্রতিবেদনে শিক্ষণীয়
বহু বিষয় এসেছে। জাতির জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে থাকবে এটি।
কমিশন
প্রধান ফজলুর রহমান বলেন, তদন্তকাজ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ত্রুটিমুক্ত করার স্বার্থে সর্বোচ্চ
পেশাদারত্ব বজায় রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা যখন কাজ শুরু করি তখন ১৬ বছর আগের এই
ঘটনার বহু আলামত ধ্বংস হয়ে গেছে।
এই
ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকে বিদেশে চলে গেছেন।
আমরা
দুটো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছি। সাক্ষীদের ডাকলাম, কারো কারও ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বক্তব্য
শুনেছি আমরা। যতক্ষণ তিনি বলতে চেয়েছেন। যারা তদন্তে জড়িত ছিল তাদের সঙ্গে কথা করেছি।
তাদের তদন্তের রিপোর্ট কালেক্ট করেছি, অন্যান্য এলিমেন্ট কালেক্ট করেছি।
তিনি
বলেন, এই তদন্তের মাধ্যমে বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে জনমনে থাকা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর
খোঁজা হয়েছে, উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে কার কী ভূমিকা ছিল। কেন সেনাবাহিনী দাঁড়িয়ে
থাকল অ্যাকশন নিল না। তদন্তে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বহিঃশক্তির সরাসরি সম্পৃক্ততা ও তৎকালীন
ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সরাসরি জড়িত থাকার শক্তিশালী প্রমাণ মিলেছে। এসময় কমিশনের
ফাইন্ডিংস সম্পর্কে জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার বলেন, এই ঘটনা কিছু বাহ্যিক ও প্রকৃত কারণ
বের করেছে কমিশন।
তিনি
বলেন, এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত এবং এর পেছনে প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেছিল
তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের রক্ষা করতে স্থানীয়
আওয়ামী লীগ সরাসরি ভূমিকা রেখেছে। তারা ২০-২৫ জনের একটি মিছিল নিয়ে পিলখানায় ঢুকেছে
এবং বের হবার সময় সেই মিছিলে দুই শতাধিক মানুষ ছিল।
তিনি
বলেন, পুরো ঘটনাটি সংঘটিত করার ক্ষেত্রে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রিন
সিগন্যাল’ ছিল।
তিনি
এই ঘটনার দায় নিরূপণের ক্ষেত্রে বলেন, দায় তৎকালীন সরকার প্রধান থেকে শুরু করে সেনাপ্রধানেরও।
এই ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে সমাধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুলিশ ও র্যাব এবং গোয়েন্দা
সংস্থাগুলোরও রয়েছে চরম ব্যর্থতা। ওই হত্যাকাণ্ডের সময় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়
(তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন) যেসব বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে শেখ হাসিনা বৈঠক করেছে,
তাদের সঠিক নাম পরিচয় ও তথ্য সংরক্ষণ করা হয়নি।
কমিশন
তাদের প্রতিবেদনে বেশকিছু সুপারিশ করে, যাতে করে ভবিষ্যতে বাহিনীগুলোতে এই ধরনের ঘটনা
এড়ানো যায় এবং এই ঘটনার ভিকটিমরা ন্যায় বিচার পায়।
বৈঠকে
অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার
প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল
আব্দুল হাফিজ ও স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে তার ভেরিফাইড ফেসবুক
পেজে গুরুতর অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে একটি
স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে
তিনি উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়া সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন।
তার রোগমুক্তির জন্য দল–মত–নির্বিশেষে দেশের সব শ্রেণির মানুষ
আন্তরিকভাবে দোয়া করছেন। একইসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা তার সুস্থতার জন্য দোয়ার পাশাপাশি
চিকিৎসায় সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তারেক
রহমান লেখেন, দেশি–বিদেশি চিকিৎসক দল পেশাদারিত্বের পাশাপাশি
সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। বন্ধুপ্রতীম বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকেও উন্নত
চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আগ্রহ জানানো হয়েছে। সবার দোয়া ও ভালোবাসার
জন্য জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। পাশাপাশি খালেদা জিয়ার দ্রুত
আরোগ্যের জন্য দোয়া অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন।
স্ট্যাটাসে
নিজের অনুভূতির কথাও তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ
পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যে কোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো
এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন
নয়।’
পরিস্থিতি
অনুকূলে এলেই দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সম্ভব হবে বলে
আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত।
রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে
আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’
মন্তব্য করুন


দেশের ইতিহাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে আজ নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও
খনিজ
সম্পদ
মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য
কর্মকর্তা মীর
মোহাম্মদ আসলাম
উদ্দিন
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, আজ সোমবার (২২
এপ্রিল)
রাত
৯টায়
১৬
হাজার
২৩৩
মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের এ
রেকর্ড
হয়।
আজকের দিনের এর
আগে পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড
ছিল
গতকাল
রবিবার
১৫
হাজার
৬৬৬
মেগাওয়াট।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা
হয়, দেশের ইতিহাসে
বিদ্যুৎ উৎপাদনে
রেকর্ড হয়েছে। এ
সময় ১৬ হাজার
২৩৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
উৎপাদন হয়েছে। বর্তমানে
দেশব্যাপী চলছে
তীব্র দাবদাহ। জনজীবনে
স্বস্তি বজায়
রাখতে এই মুহূর্তে
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ
উৎপাদনে আন্তরিকভাবে
কাজ করে যাচ্ছে
বিদ্যুৎ বিভাগ।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন
হাদির মরদেহ নিয়ে আজ শুক্রবার বাংলাদেশ
বিমানের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট
স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা
৫০ মিনিটে ছাড়বে। ঢাকায় নামবে সম্ভাব্য সময় সন্ধ্যা ৬টা
৫ মিনিটে।
গত বৃহস্পতিবার
রাতে ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের সদস্য
সচিব ও ঢাকা মেডিক্যাল
কলেজ ও হাসপাতালের নিউরোসার্জারী
বিভাগের রেসিডেন্ট ডা. মো. আব্দুল
আহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য,গত বৃহস্পতিবার
রাতে শরিফ ওসমান বিন
হাদি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানান, নির্বাচনী নিরাপত্তায় মোট ৪২৮টি ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়—সে লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ডসহ স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।
তিনি জানান, প্রথম ধাপে বর্তমানে যেসব বাহিনী মাঠে রয়েছে, তাদের মোতায়েন বহাল থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে ভোটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা সাত দিন দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় পুলিশ ও আনসার ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও র্যাবের সমন্বয়ে একটি আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হবে। এই সেলে প্রতিটি বাহিনীর একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।
নির্বাচন উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর এক লাখ সদস্য, নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিমান বাহিনীর তিন হাজার ৭৩০ জন (এর মধ্যে স্থলভাগে এক হাজার ২৫০ জন), পুলিশের এক লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩ জন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪ জন, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্টগার্ডের তিন হাজার ৫৮৫ জন, র্যাবের সাত হাজার ৭০০ জন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৩ হাজার ৩৯০ জনসহ মোট আট লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি এবং সাধারণ কেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ২৫ হাজার বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ড্রোন ব্যবহারের বিষয়টি এবারের নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন বলে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী সেনাবাহিনী ২০০টি, নৌবাহিনী ১৬টি, বিজিবি ১০০টি, পুলিশ ৫০টি, কোস্টগার্ড ২০টি, র্যাব ১৬টি এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ১৬টি ড্রোন ব্যবহার করবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বাহিনীর ডগ স্কোয়াডও মাঠে থাকবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে—এমন যে কোনো দুষ্কৃতিকারী কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করা হবে। যারা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করবে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকে প্রভাবিত করার যেকোনো অপচেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকার শক্ত হাতে মোকাবিলা করবে বলেও তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৬ (আত্রাই ও রানীনগর) আসনের বিএনপি প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজুর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) নওগাঁ-৬ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান এবং নওগাঁর সিভিল জজ আদালতের (ধামইরহাট) বিচারক সাথি ইসলাম এ নোটিশ জারি করেন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির কাছে প্রাপ্ত অভিযোগ অনুযায়ী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজু বিভিন্ন স্থানে পোস্টার ও সিএনজি অটোরিকশার পেছনে স্টিকার ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা ২০২৫-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে প্রতীয়মান হয়েছে।
এ অবস্থায় কেন তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না অথবা কেন অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচারিক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে না—সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ জানুয়ারি বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে নওগাঁর সিভিল জজ আদালতের বিচারক সাথি ইসলামের কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজু বলেন, ‘নোটিশের বিষয়টি শুনেছি। আমরা নির্বাচনের কোনো পোস্টার লাগাইনি। সিএনজির পেছনে যেগুলো রয়েছে, সেগুলো নির্বাচনের অনেক আগের। সেগুলোতেও নির্দিষ্ট করে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কোনো আহ্বান নেই। আগামী ১৫ জানুয়ারি আদালতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে আমার ব্যাখ্যা প্রদান করবো।’
মন্তব্য করুন


ভারতের
কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার
করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ
করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই
নারীকে হত্যা করেছে।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ৩৪ বছর বয়সী শর্মিলা ডিকেকে গত ৩ জানুয়ারি
মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল যে, রামামূর্তি নগরের সুব্রামানি
লেআউটে তাঁর অ্যাপার্টমেন্টে অগ্নিকাণ্ডের পর ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
মরদেহ
উদ্ধারের পর পুলিশ ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৯৪(৩)(৪) ধারায় একটি
অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করে। তদন্ত চলাকালে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি
এবং প্রযুক্তিগত প্রমাণ ব্যবহার করে পুলিশ অভিযুক্তকে শনাক্ত করে। গ্রেপ্তারকৃত তরুণ
কর্ণেল কুরাই নিহতের পাশের বাসাতেই থাকত।
জিজ্ঞাসাবাদে
কুরাই অপরাধ স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে। সে পুলিশকে জানায়, ৩ জানুয়ারি রাত ৯টার
দিকে যৌন লালসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে একটি স্লাইডিং জানালা দিয়ে সে শর্মিলার ঘরে
ঢোকে। ভুক্তভোগী নারী বাধা দিলে সে জোরপূর্বক তাঁর মুখ ও নাক চেপে ধরে, যার ফলে তিনি
প্রায় অচেতন হয়ে পড়েন। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী রক্তাক্ত জখমও হন।
পুলিশ
জানিয়েছে, প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই নারীর পোশাক এবং অন্যান্য
আলামত শোবার ঘরের তোষকের ওপর রেখে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পালানোর সময় সে ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোনটিও চুরি করে নিয়ে যায়।
স্বীকারোক্তি
এবং পারিপার্শ্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস)
১০৩(১) (খুন), ৬৪(২), ৬৬ এবং ২৩৮ (প্রমাণ ধ্বংস) ধারায় মামলা করা হয়েছে। এই ঘটনায়
বর্তমানে অধিকতর তদন্ত চলছে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা -৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে জামায়তে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য, ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. মোবারক হোসাইন বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হচ্ছে দুর্নীতি। এটা যদি আমরা বন্ধ করে দিতে পারি অটোমেটিক দেখবেন বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। কারণ হচ্ছে আমাদের দেশে রিসোর্সের অভাব নাই। আমরা কাজে লাগাতে পারছি না। মাটির নিচেও রিসোর্স আছে, মাটির উপরেও আছে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার নাগাইশ এলাকায় উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মোবারক বলেন, মাদক নির্মূল করা সময়ের ব্যাপার মাত্র। এটা ৫৪ বছরে কেউ পারেনি। আমরা পারব ইনশাআল্লাহ। যারা নিজেরা মাদকের সাথে জড়িত তারা কী মাদকমুক্ত করবে? সেটি সম্ভব না। মাদক মুক্ত করতে হলেমাদক মুক্ত ব্যক্তির দরকার। আমরা চাই এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে। তরুণরা যেন এলাকায় খেলাধুলা করতে পারে। আমার লক্ষ্য হলো ব্রাহ্মণপাড়ায় একটি বুড়িচংয়ে একটি মিনি স্টেডিয়াম করা।
শিবিরের সাবেক এই সভাপতি বলেন, আমরা যদি আমাদের তরুণদেরকে কাজে লাগাতে পারি, তাহলে আমরা অনেক এগিয়ে যেতে পারবো। সারা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তরুণ হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশে। তাদের যদি সুন্দর কর্মসংস্থান করতে পারি। আগে বিএনপি করলে, জামায়াত করলে তার চাকরি ছিল না। এদেশে অসংখ্য শিক্ষিত বেকার রয়েছে। রাজনৈতিক বিষম্যের শিকার হয়ে তারা চাকরি পায়নি। ইনশাআল্লাহ আমরা তাদের ধরে ধরে চাকরির ব্যবস্থা করব।
তিনি আরও বলেন, আজকের সকল জায়গায় একটা স্লোগান দাঁড়িপাল্লা। আজকের দুই বছর একটি শিশুও আমাদেরকে দেখলে দাঁড়িপাল্লা বলে। তারমানে তার ভেতর থেকে উজ্জীবিত হচ্ছে। গতকাল এক হিন্দু ভাই আমাকে বলেছেন, মাধবপুর কেন্দ্রে পাস করার জন্য আপনি আসা লাগবে না আমি একাই যথেষ্ট। আমার ৭৮০ টা ভোট আছে হিন্দু পুরোটাই আপনি পাবেন। এক টাকাও খরচ করা লাগবে না। মানুষের মধ্যে একটা উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য আমাদেরকে আগামী দিনে শক্ত থাকতে হবে।
এসময় ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নায়েবে আমীর শাহজালাল, ছাত্র শিবিরের বুড়িচং উপজেলা সভাপতি বর্তমান সৌদি প্রবাসী রাকিবুল হাসান, প্রবাসী জসিমউদ্দীনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের সর্বশেষ অবস্থান সম্পর্কে পুলিশের কাছে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম।
রোববার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “মূল অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্তে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একযোগে কাজ করছে। তবে সে দেশের বাইরে পালিয়ে গেছে—এমন কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যও এখনো পাওয়া যায়নি। অনেক সময় অপরাধীরা ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেদের অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে থাকে।”
হত্যাকাণ্ডটিকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখা হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “ঘটনার পেছনে ব্যক্তিগত কোনো কারণ আছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে হয়নি। ঘটনার শুরু থেকেই আমরা মাঠে আছি। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে এবং সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সম্ভাব্য সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, দ্রুতই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন