

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সফিবাদ দরবার শরীফ মাদরাসা কমপ্লেক্সের আওতায় জামেয়া আহমাদিয়া সফিবাদ মাদরাসা ও দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষনা,শিক্ষা উপকরণ ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার মাদ্রাসা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে সফিবাদ দরবার শরীফের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান সিরাজাম মুনিরা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের ব্যাগ,খাতা,কলম সহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।
সফিবাদ দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদরাসার সভাপতি মুফতি সোলেয়মান বিন কাশেমের সভাপতিত্বে ও দরবার শরীফ মাদরাসা কমপ্লেক্সের সেক্রেটারী মাওলানা জিসান শরীফের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিংআড্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল গণি মাষ্টার। প্রধান মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কচুয়া উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সুপারভাইজার হাসান মজুমদার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, আব্দুল মবিন মাষ্টার,সেকান্দার মোল্লা সহ আরো অনেকে।
এসময় মাদ্রাসার হেড ইনচার্জ যাকারিয়া বখতিয়ার,সহকারী শিক্ষক হাফেজ মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক,সমাজসেবক ফজলুর রহমান,আব্দুস সাত্তার, আব্দুল মুনাফ,খন্দকার আব্দুর রহিম সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ।
উল্লেখ্য যে, মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষায় পাঠদান করা হয়। তাছাড়া গরীব-অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ভর্তি ও পাঠদান করানো হচ্ছে। মাদ্রাসার সফলতা ও অগ্রগতি কামনায় সকলের দোয়া কামনা করেছেন মাদ্রাসার সভাপতি মুফতি সোলেয়মান বিন কাশেম।
মন্তব্য করুন


সনাতন
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা উৎসব পালিত
হয়।
গত
বুধবার (১৫ নভেম্বর) কুমিল্লা মহানগরীর কালিয়াজুরীতে বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা
ইউনিট এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এর একমাত্র মেয়ে অর্পিতা
সরকার তার একমাত্র ছোট ভাই অরন্য সরকার প্রিন্স এর কপালে চন্দন দিয়ে ফোঁটা এঁকে ছড়া
কেটে বলেন "ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে
ফোঁটা, আমি দেই আমার ভাইকে ফোঁটা।" এভাবেই
ভ্রাতৃদ্বিতীয়া যমের দুয়ারে কাঁটা দিয়ে ভাইয়ের দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করেন বোন।
এ
বিষয়ে রিতা রাণী মজুমদার বলেন, শুভ দিনের পরম পবিত্র লগ্নে ভাই-বোনের মধুর সম্পর্কের
পুনঃ নবীকরণ করে নেওয়া হয় প্রতি বছর। শৈশবের হারিয়ে যাওয়া মধুর এই দিনটিতে বড় বেশি
করে মনে পড়ে যায়। ভাই-বোনের স্নেহ ভালোবাসার সম্পর্কের প্রকাশ ভাইফোঁটা আচার অনুষ্ঠানটি
মন কেড়ে নেয়। একটি অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে চিরন্তন আবেগ অনুভূতিই জীবন্ত হয়ে ওঠে। কার্তিক
মাসের শুক্লপক্ষে দ্বিতীয় তিথিতে বোন তার ভাইকে পরম যত্ন সহকারে একটি সুন্দর আসনে বসিয়ে
হেমন্তের শিশির ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে হাতের তিন আঙ্গুলের সাহায্যে বোন তাঁর ভাইয়ের
কপাল ধুয়ে দেয়। এরপর বোন তার কনিষ্ঠা আঙ্গুল দিয়ে একইভাবে চন্দন তিলক এঁকে দিয়ে ছড়া
কেটে বলে "ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে
ফোঁটা, আমি দেই আমার ভাইকে ফোঁটা।"
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকার
ছাত্র-জনতার স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারের সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করেছে ।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ রবিবার জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর।
আদেশ বাস্তবায়নে স্কুল ও কলেজ অধ্যক্ষদের নির্দেশনা দিয়ে আদেশে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
আরো বলা হয়, এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ বা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ শহীদদের গেজেট যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা
বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের আসন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা
বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাওয়া না গেলে মেধা তালিকা থেকে ওই আসনে ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
ছাত্র সমাজে দুর্নীতি বিরোধী মনোভাব সৃষ্টি ও গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে দুর্নীতি দমন কর্তৃক চাঁদপুরের কচুয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার উপজেলার কোমরকাশা জামালিয়া কমপ্লেক্স দাখিল মাদ্রাসায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব শিক্ষা উপকরণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
মাদ্রাসার সুপার মো. আবু ছালেহ এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক মানিক সরকার।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মাদ্রাসার সহ-সুপার মো. বোরহান উদ্দিন,শিক্ষক গৌতম সরকার,শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাছান সহ আরো অনেকে। এসময় মাদ্রাসার শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও এলাকার গন্যমান্র ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অস্ত্র ও কার্তুজসহ একজন অস্ত্রধারীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
মঙ্গলবার
(১৭ এপ্রিল) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন উত্তর কালিয়াজুরি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা
করে আসামী মোঃ নাইম (২৪) নামক একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর
কাছ থেকে ১ টি এলজি গান ও ১ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ নাইম (২৪) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার উত্তর কালিয়াজুরি গ্রামের মোঃ তপন
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম
সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল আসছিল। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের
বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
চাঁদপুরের কচুয়ায় রেড রিলেশন যুব সমাজকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে নারীদের সাবলম্বী করে তুলতে গরীব ও অসহায় পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সংগঠনের কার্যালয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব সেলাই মেশিন বিতরণ করেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও পালাখাল বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারন সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেন।
সংগঠনের সভাপতি মো: রিজন পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সাধারন সম্পাদক অজিত সাহা,যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মেহেদী হাসান অভি,উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সৌরভ,ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোজাম্মেল তালুকদার,পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন ও সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম রানাসহ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বরগুনা জেলায় অনেকেই অংশগ্রহণ করেছিল তাদের মধ্যে অন্যতম ছাত্র সমন্বয়ক মীর রিজন মাহমুদ নিলয় ও ফৌজিয়া তাসনীন আনিকার অংশগ্রহণ করেছিলেন। আন্দোলনের শুরু থেকেই দুজনের সাথে দুজনের পরিচয় হাতে হাত রেখে একসাথে মিছিলে তারা অংশগ্রহণ করেছিল। আন্দোলন থেকে শুরু হয়েছে প্রেম, তারা গতকাল শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) একে অপরের সঙ্গী হিসেবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।
জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একসঙ্গে হাতে হাত রেখে লড়াই চালিয়ে যেতে যেতেই ভালো লাগা থেকে শুরু হয় তাদের প্রেম। এরপর প্রায় ৫ মাস পর বিয়ের পিঁড়িতে বসে প্রেমকে পূর্ণতা দিলেন তারা।
আনিকা ও নিলয় জানান,
আন্দোলন চলাকালীন সময়ে সবার সঙ্গে একত্রে থাকলেও গত ৫ আগস্ট
থেকে দু’জনার ভালো লাগা শুরু হয়। পরবর্তীতে ৭ আগস্ট ভালোবাসা
প্রকাশের পর ২৫ আগস্ট
দুজনের সম্পর্কের বিষয়টি তাদের পরিবারকে জানান। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে প্রণয়ে রূপ নেয় তাদের প্রেম।একদিকে আন্দোলনের ফলে অনেকেই তাদের স্বজন হারিয়েছেন, অপরদিকে নতুন একটি পরিবারও গঠন হয়েছে।
মীর রিজন মাহমুদ নিলয় বরগুনা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের আমতলারপাড় এলাকার মরহুম মীর মোয়াজ্জেম হোসেন নিপুর ছেলে। নিলয় বর্তমানে আনোয়ার খান মর্ডান ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে বরগুনা পৌরসভার কলেজ রোড এলাকার মনোয়ারুল ইসলাম শামীমের মেয়ে ফৌজিয়া তাসনীন আনিকা। সে বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন কলেজের রসায়ন বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
ফৌজিয়া তাসনীন আনিকা বলেন, আন্দোলনের সময় নিলয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। ওই সময় আন্দোলন নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে কথা হতো। তখন সাহস এবং সততা দেখে নিলয়ের ওপর আমি দুর্বল হই।
এ বিষয়ে মীর রিজন মাহমুদ নিলয় বলেন, আনিকার সঙ্গে আন্দোলনের মাধ্যমেই পরিচয় হয়। এমনিতে ওকে আগে দূর থেকে চিনলেও কখনও কথা হয়নি। আন্দোলন চলাকালে সবার সঙ্গেই আমার কথা হতো। সবাইকে সাহস দিয়ে আন্দোলন বেগবান করার জন্য বলতাম। এই কারণেই ওর সঙ্গে আমার কথা বলা শুরু হয়। তবে সেই সময়ে আমাদের কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। গত ৫ আগস্ট যখন একত্রে বিজয় মিছিলে আনন্দ উল্লাস করছিলাম তখন আমাদের মধ্যে ভালো লাগা শুরু হয়।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
কুমিল্লা মহেশাঙ্গণ শ্রী শ্রী লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক হারাধন ভৌমিক ও কুমিল্লা সরকারি কলেজের প্রাক্তন ভিপি চিত্তরঞ্জন ভৌমিক এর গর্ভধারিনী মাতা এবং চট্টগ্রাম মিরসরাই উপজেলার আবুতোরাবস্থিত শ্রী শ্রী জগন্নাথ ধাম, শিব মন্দির ও কালীমাতা বিগ্রহ বাড়ী পরিচালনা পরিষদের প্রাক্তন উপদেষ্টা স্বর্গীয় গোপাল কৃষ্ণ ভৌমিক এর সহধর্মিণী এবং শ্রী শ্রী মা নয়নমণি শ্রীধাম পরিচালনা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শ্রী মিহির কান্তি নাথের শাশুড়ী মাতা স্বর্গীয় কিরণ বালা ভৌমিক এর শ্রাদ্ধানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
গত বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) মৃতার নিজ বাসায় শ্রাদ্ধকার্য অনুষ্ঠিত হয়।
তদুপলক্ষে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান শেষে পরদিন শুক্রবার দুপুরবেলা কুমিল্লা মহেশাঙ্গণে শাকান্নভোজ এর আয়োজন করা হয়।
উল্লেখ যে, চলতি বছর ২৯ অক্টোবর মঙ্গলবার প্রয়াত কিরণ বালা ভৌমিক বার্ধক্যজনিত কারণে ইহলোকের মায়ামমতা ত্যাগ করে পরলোকগমন করেন। তিনি মৃত্যুকালে হারাধন ভৌমিক, চিত্তরঞ্জন ভৌমিক, অমূল্য ধন ভৌমিক, পূর্ণধন ভৌমিক, জর্নাধন ভৌমিককে ০৫ (পাঁচ) পুত্র এবং বর্ণানী ভৌমিক ও জয়ন্ত ভৌমিককে (০২) দুই কন্যা, পুত্রবধূ, নাতি-নাতনি ও আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
বিরোধ হলে শুধু মামলা নয়, লিগ্যাল এইড অফিসে আপোষও হয়" এবং "গরিব দুঃখির মামলার ব্যয়, বাংলাদেশ সরকার দেয়"- এই শ্লোগান সামনে রেখে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে যানবাহনে ষ্টিকার লাগাচ্ছেন কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ মাহাবুবুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইয়াছির আরাফাত, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ সহিদ উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমানসহ কুমিল্লা জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসির কর্মরত সকল বিচারকগণ ও জেলা আইনজীবী সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। স্টিকার লাগানো শেষে ২৮ এপ্রিল সোমবার সকালে কুমিল্লা জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি কুমিল্লার আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনাসভার মঞ্চের কাজের অগ্রগতি ঘুরে ঘুরে দেখেন কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ মাহাবুবুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার এফ এম শেফায়েত ছালাম ও ম্যাজিস্ট্রেট ইনচার্জ মোঃ কামাল হোসেন সহ কুমিল্লা জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসির কর্মরত সকল বিচারকগণ ও জেলা আইনজীবী সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
ওই অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে জেলা জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসির সকল বিজ্ঞ বিচারকগন ও জেলা আইনজীবী সমিতির সকল বিজ্ঞ আইনজীবীগণ, অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিচারপ্রার্থী জনসাধারণকে যথাসময়ে উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেছেন কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং কুমিল্লা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ মাহাবুবুর রহমান।
মন্তব্য করুন


খবর ছড়িয়েছে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন চট্টগ্রামের তরুণ রাজনীতিবিদ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল জনপ্রিয় মানবিক ব্যক্তিত্ব ফারাজ করিম চৌধুরী। এ বিয়ের গুঞ্জন সবদিকে দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ছে।
তবে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠলেও বিশেষ কোনা কারণে মুখ খোলেননি কেউ। এমনকি বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ পেলেও এ বিষয়ে কথা বলতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফারাজ করিম চৌধুরী'র পক্ষ থেকেও কেউই সাড়া দেননি।
জানা যায়, অনলাইন ফ্ল্যাটফর্মে দেশের বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ ফারাজ করিম চৌধুরীর সাপোর্টার ও ফলোয়ার্স। কদিন আগেই একটি বিয়ের কার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যার কারণে তার বিয়ে নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতুহল অনেক বেশি বেড়েছে। গত বছরও একই কাণ্ড ঘটেছিলো।
ছোটবেলা থেকে মানুষের বিপদে আপদে পাশে দাঁড়ানো এই তরুণকে ঘিরে দেশবাসীর কৌতুহলের শেষ নেই। কেননা, দেশজুড়ে বিভিন্ন দূর্যোগকালীন মুহুর্তে সাহসিকতার সাথে মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে কোটি কোটি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি।
১৯৯২ সালে চট্টগ্রামের রাউজানে জন্মগ্রহণ করা ফারাজ করিম চৌধুরীর পিতা এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরী টানা ৫ বারের সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র হতে জানা যায়, ইতোপূর্বে বিয়ে প্রসঙ্গে ফারাজ করিম চৌধুরী বিভিন্ন মিডিয়ায় ঘোষণা দিয়েছিলেন সাদামাটাভাবে মসজিদে শরীয়াহ নিয়ম মেনে বিয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।
সত্যিই কি এমন কিছু ঘটতে থাকে এ জন্য আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে বলে ফারাজ করিম চৌধুরীর ঘনিষ্টদের অনেকেই জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলায় সংসারের খরচ চাওয়ায় মাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাতে উপজেলার সাতানি ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত মঞ্জুরা বেগম (৬৫) ওই গ্রামের শান্তি মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শান্তি মিয়ার দুই ছেলে তিন মেয়ে। ছোট ছেলে প্রবাসী বাবুল মিয়া বাহরাইনে থাকেন। আর বড় ছেলে নবীর হোসেন স্থানীয় একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। শান্তি মিয়ার বয়স হয়েছে, উপার্জন করতে পারেন না। সাংসারিক খরচের জন্য তাকিয়ে থাকেন দুই ছেলের দিকে। ছোট ছেলে প্রবাস থেকে মাস শেষে টাকা পাঠালেও বড় ছেলে খুব একটা সংসার খরচ দেন না। এতে করে কয়েকদিন পর পরই বড় ছেলে নবীর হোসেনের সঙ্গে তার বাবা মায়ের ঝগড়া লাগতো। এর আগেও কয়েকবার সাংসারিক খরচ নিয়ে নবীর হোসেনের সঙ্গে তার মায়ের কথা কাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয়রা বসে সমস্যার সমাধান করেন।
মঙ্গলবার রাতে সংসারের খরচ চাওয়ায় নবীর হোসেন তার মাকে গালিগালাজ করেন। শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। এক পর্যায়ে চেয়ার দিয়ে মাকে মারধর করতে শুরু করেন। এই সময় তার বাবা শান্তি মিয়া বাধা দিলে তাকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে মা মঞ্জুরা বেগমকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে মা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তিতাস উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাতেই ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে সকালে পুলিশ এসে মঞ্জুরা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
কুমিল্লা তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষ্ণ কান্তি দাস বলেন, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আমরা পাইনি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে মূল ঘটনা জানা যাবে। আমরা এই বিষয়ে তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
মন্তব্য করুন