

বরিশালের
আগৈলঝাড়ায় ঋণের কিস্তির টাকা দিতে না পারায় এক গৃহবধূর পালিত হাঁস জোর করে ধরে নিয়ে
যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক এনজিও কর্মীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার
বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত
কর্মীর নাম ফিরোজ খাঁন। তিনি ‘ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ’
(টিএমএসএস) নামের একটি এনজিওর মাঠকর্মী। ভুক্তভোগী গৃহবধূর নাম হাফিজা খানম, তিনি ওই
গ্রামের মো. মুরাদ হোসেনের স্ত্রী।
স্থানীয়
ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, হাফিজা খানম ২০২৫ সালের শুরুর দিকে টিএমএসএস থেকে ৬০
হাজার টাকা ঋণ নেন। তিনি নিয়মিত সপ্তাহে ১ হাজার ২৫০ টাকা করে কিস্তি পরিশোধ করে আসছিলেন।
মঙ্গলবার দুপুরে মাঠকর্মী ফিরোজ খাঁন ও তার এক সহযোগী কিস্তি আদায়ে হাফিজার বাড়িতে
যান। হাফিজা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে সময় চাইলে ফিরোজ খাঁন তা মানতে নারাজ হন।
একপর্যায়ে তিনি উঠানে থাকা হাঁস-মুরগি দেখে টাকার বদলে হাঁস দাবি করেন। গৃহবধূ এতে
রাজি না হয়ে প্রতিবেশীর বাড়িতে গেলে ফিরোজ ও তার সহযোগী হাঁসটিকে ধাওয়া করে ধরে নিয়ে
যান।
হাফিজা
খানম বলেন, “আমি আগামী সপ্তাহে টাকা দেব বলেছিলাম, কিন্তু তারা শোনেনি। আমার মেয়ে লাবিবার
শখের চিনাহাঁসটি তারা জোর করে ধরে নিয়ে গেছে। হাঁসটির বাজারমূল্য ১৫০০-১৬০০ টাকা হলেও
তারা মাত্র ৮০০ টাকা দাম ধরে সেটি নিয়ে যায়।”এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাঠকর্মী ফিরোজ খাঁন
হাঁস নিয়ে যাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “কিস্তির টাকার বদলে ৮০০ টাকা দাম ধরে হাঁসটি
আনা হয়েছে।
টিএমএসএস-এর
ম্যানেজার মো. রাজেক ইসলাম কর্মীর সাফাই গেয়ে বলেন, “ঋণগ্রহীতা হাঁস বিক্রি করেই টাকা
দিতেন। তাই কর্মী দাম ধরে সেটি নিয়ে আসলে অপরাধের কিছু নেই।”
তবে
উপজেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদের সভাপতি কাজল দাস গুপ্ত বলেন, “কিস্তির বদলে গ্রাহকের বাড়ি
থেকে হাঁস-মুরগি বা আসবাবপত্র নিয়ে আসার কোনো বৈধতা নেই। টিএমএসএস আমাদের সমন্বয় পরিষদের
আওতাভুক্ত নয়।”উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তপন বিশ্বাস বলেন, “কিস্তির
টাকার পরিবর্তে হাঁস নিয়ে আসা সম্পূর্ণ অবৈধ। ওই এনজিও কীভাবে এখানে কার্যক্রম চালাচ্ছে,
তা খতিয়ে দেখা হবে।”
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ইতালি প্রবাসী দুলাভাই ও তার শ্যালককে কুপিয়ে জখম করে মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ভাঙ্গা–বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা পৌর এলাকার বিদ্যুৎ অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ গিয়ে পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়রা গুরুতর আহত দুইজনকে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে ইতালি প্রবাসী এক জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
আহতরা হলেন—ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের ডাঙ্গারপাড় গ্রামের মন্নু শেখের ছেলে ইতালি প্রবাসী মেহেদী হাসান এবং তার শ্যালক হারেছ মাতুব্বরের ছেলে শামিম মাতুব্বর।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি হেলাল উদ্দিন বলেন, “পোড়ানো মোটরসাইকেলটি থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মন্তব্য করুন


চাঁদাবাজি,
ছিনতাই ও মাদক প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের
নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের আইজিপি বাহারুল আলম।
তিনি
বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের কোনো ধরনের তৎপরতা চলতে দেওয়া যাবে না। কেউ
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
আজ
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে পুলিশের সব ইউনিট প্রধান,
মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারদের সাথে এক ভার্চুয়াল
সভায় এ নির্দেশনা দেন।
তিনি
বলেন, যেকোনো মূল্যে স্বাভাবিক আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কেউ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস
বা মাদক সংক্রান্ত অপরাধ করলে দল-মত-নির্বিশেষে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
করতে হবে।
তিনি
বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের কোনো ধরনের তৎপরতা চলতে দেওয়া যাবে না। কেউ
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
আইজিপি
মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি
বলেন, যে কোনো মূল্যে হাইওয়ে ডাকাতি বন্ধ করতে হবে।
তিনি
হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকেও মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের
নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ
সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রান্তে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত আইজিগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভিক্টোরিয়া কলেজের একজন শিক্ষার্থীর মার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইন্টার্নি ডাক্তার,
ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার (২১ মার্চ) রাত প্রায় এগারটায় সংবাদ পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
ওই সময় উত্তেজিত সংঘর্ষকারীরা সেনাবাহিনীর দিকে ধেয়ে আসলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য
সেনাবাহিনী ৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে উত্তেজিত লোকদের ছাত্র ভঙ্গ করে।
এতে করে দুই পক্ষের লোকজন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়। সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পন্ন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
মন্তব্য করুন


শাকিব
খানের বিপরীতে অভিনয় করতে চলেছেন পাকিস্তানের হানিয়া আমির। এ নিয়ে আলোচনা
অনেক দূর এগিয়েছে।
গত
সেপ্টেম্বরে একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণে ঢাকায় এসেছিলেন হানিয়া আমির। প্রতিষ্ঠানটির এক আয়োজনে হানিয়া
বলেন, ‘আমার মনে হয়, তোমরা শাকিব খানকে অনেক বেশি পছন্দ করো, তাই আমারও পছন্দ শাকিব খান।’
এর
পর থেকেই গুঞ্জন ছড়িয়েছে, শাকিব খানের নায়িকা হচ্ছেন হানিয়া আমির। বিষয়টি নিয়ে চর্চার মধ্যে শাকিব খান জানালেন, আসলেই একটি সিনেমা নিয়ে হানিয়া আমিরের সঙ্গে কথা হচ্ছে।
কনটেন্ট
ক্রিয়েটর রাফসান দ্য ছোটভাইয়ের এক ভ্লগে বিষয়টি
নিয়ে শাকিব খানকে কথা বলতে দেখা গেছে। শুক্রবার বিকেলে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ভ্লগটি প্রকাশ করেন রাফসান।
সপ্তাহখানেক
আগে বনানীতে একটি ব্র্যান্ডের শোরুম উদ্বোধন করেন শাকিব খান, সেখানে রাফসানও ছিলেন। ভ্লগে দেখা গেছে, রাফসানকে দেখে শাকিব খান বলেন, ‘তোমার অনেকগুলো ভ্লগ দেখলাম আমার ফিউচার হিরোইনের সাথে, হানিয়ার সাথে।’
এ
সময় পাশ থেকে একজন জানতে চান, উনি (হানিয়া আমির) কি আপনার সঙ্গে
মুভি করছেন? উত্তরে শাকিব খান বলেন, ‘হ্যাঁ, একটা মুভির কথা হচ্ছে।’
কোন
সিনেমা নিয়ে কথা হচ্ছে, তা এখনো খোলাসা
করেননি শাকিব খান। তিনি বর্তমানে ‘সোলজার’ নামে একটি সিনেমা করছেন, তাঁর বিপরীতে আছেন তানজিন তিশা ও জান্নাতুল ঐশী।
প্রিন্স: ওয়ানস আপন আ টাইম ইন
ঢাকা নামে আরেক সিনেমায়ও দেখা যাবে শাকিব খানকে। তাঁর বিপরীতে তাসনিয়া ফারিণের অভিনয়ের কথা শোনা যাচ্ছে।
পাকিস্তানের
গণ্ডি পেরিয়ে ভারত ও বাংলাদেশে হানিয়া
আমিরের পরিচিতি রয়েছে। ২০২৪ সালে পাকিস্তানি টিভি সিরিয়াল ‘কাভি মে কাভি তুম
–এ অভিনয় করে খ্যাতি পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে ‘সরদারজি
৩’ সিনেমা দিয়ে বলিউডেও অভিষেক ঘটেছে হানিয়ার। ছবিটি পাকিস্তানে সাফল্য পেয়েছে।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম , কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার সীমান্তে পারাপারের সময় গুলি ছুড়ে মিস্টার আলী নামের বাংলাদেশি এক যুবককে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের খাটিয়ামারী সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১০৬২-১০৬৩ নম্বর সীমানা পিলার এলাকা থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যায় বিএসএফ।
রৌমারী সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক মিস্টার আলী (২৫) উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে।
সীমান্তের স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার ভোরে ৮ থেকে ১০ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারিরা সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার ওপর দিয়ে কম্বল পারাপার করছিল। এ সময় ভারতের আসাম রাজ্যের মানকারচর শাহপাড়া ক্যাম্পের বিএসএফের টহলরত সদস্যরা গেট খুলে তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে বাকিরা পালাতে পারলেও মিস্টার আলীকে ধরে ক্যাম্পে নিয়ে যায় বিএসএফ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধীন মোল্লাচর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কোমান্ডার ফখরউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশি এক যুবককে ধরে নিয়ে গেছে শুনেছি। তবে আমার এরিয়া থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায়নি। ওই ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে গেছে ১০৬৩ নম্বর পিলার থেকে।
রৌমারী সদর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন, গুলি ছুড়ে বাংলাদেশি কাউকে ধরে নিয়ে গেছে কি না আমাদের বিজিবির টহলরত সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যাবে। তবে এ বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সারাদিন সদর ও সদর দক্ষিণ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেছে মনিরুল হক চৌধুরী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া আয়োজন করা হয়।
সকাল ১০ টায় তিনি সদর দক্ষিণ উপজেলার বারোপাড়া ইউনিয়নের বড় ধর্মপুর এলাকায় ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন।
পরবর্তীতে দুপুর ১২ টায় বিশ্বরোডস্থ কার্যালয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেন।
বিকেলে গোলমার্কেট বড় মসজিদে আসরের নামাজ পড়ে মহানগর বিএনপি আয়োজিত দোয়া মিলাদে অংশ নেন। কয়েক হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে মোনাজাত করেন মনিরুল হক চৌধুরী। দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় মোনাজাতে কাঁদলেন তিনি।
দোয়া মিলাদ শেষে নগরীর কাটাবিল, নুরপুর, গোলমার্কেট এলাকায় ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ করেন।
দোয়া ও লিফলেট বিতরণে অংশ নেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফারুক চৌধুরী, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক ফয়সালুর রহমান পাভেল, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সিনিয়ার যুগ্ন আহবায়ক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক সেলিম রুবেল, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নাদিমুল ইসলাম শিশির, সাবেক কাউন্সিলর সেলিম খান, খলিলুর রহমান মজুমদার, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক শিল্পীসহ মহানগর ও দক্ষিণ জেলার নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের আজ মঙ্গলবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ।
এসময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যুগোপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের উপর জোর তাগিদ দিয়েছেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যাতে দেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, সংস্কৃতি ও ইতিহাস-ঐতিহ্যসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন রাষ্ট্রপ্রধান।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানিয়েছেন ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম যুগোপযোগী করার উপর তাগিদ দিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, উচ্চশিক্ষা বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া খুবই জরুরি। এসময় তিনি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম প্রসারে কর্তৃপক্ষ দ্বারা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা নিয়েও তাঁর আশাবাদ পোষণ করেন ।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিকসহ সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। আজকের এই বৈঠক নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে সে লক্ষ্যে যুগোপযোগী কারিকুলাম প্রণয়ন করতে হবে।
আজকের এ সৌজন্য সাক্ষাৎ এর সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহউদ্দিন ইসলাম ও রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নতুন শিক্ষাক্রমে বিভাগ
বিভাজন (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য) নেই। ফলে নবম শ্রেণিতেও একই পাঠ্যবই পড়ছে সব
শিক্ষার্থী।
রোববার (১ সেপ্টেম্বর)
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচির মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার সাক্ষরকৃত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা নির্দেশনা থেকে জানা গেছে, নবম শ্রেণির
শিক্ষার্থীর যখন দশম শ্রেণিতে উঠবে, তখন বিভাগ বিভাজনের সুযোগ পাবে। তারা আগের
নিয়মে যেন ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে, সেজন্য সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচিও
প্রণয়ন করা হবে।
নির্দেশনায় আরো বলা
হয়েছে, ২০২৫ সালে দশম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা
(২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য) নেওয়ার লক্ষ্যে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা
অব্যাহত রেখে পূর্বের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর আলোকে প্রণীত সংশোধিত ও পরিমার্জিত
পাঠ্যপুস্তকগুলো (অর্থাৎ ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ব্যবহৃত পুস্তক) শিক্ষার্থীদের সরবরাহ
করা হবে।
এতে আরও বলা হয়, যেসব
শিক্ষার্থী ২০২৫ সালে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে, তাদের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর
আলোকে প্রণীত শাখা ও গুচ্ছভিত্তিক সংশোধিত ও পরিমার্জিত পাঠ্যপুস্তকগুলো (২০২৩
শিক্ষাবর্ষে ব্যবহৃত) প্রদান করা হবে। এসব শিক্ষার্থী নবম ও দশম শ্রেণি মিলিয়ে দুই
শিক্ষাবর্ষে সম্পূর্ণ পাঠ্যসূচি শেষে ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ
করবে।
‘জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ অনুসারে প্রণীত বিজ্ঞান,
মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষাভিত্তিক এ পাঠ্যপুস্তকগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি
প্রণয়ন করা হবে, যেন শিক্ষার্থীরা এক শিক্ষাবর্ষের মধ্যেই পাঠ্যসূচিটি সম্পন্ন
করতে পারে। পাঠদান ও মূল্যায়ন পদ্ধতি জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ অনুসারে পরিচালিত
হবে।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষাবিদ, শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞ, মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ,
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও
অভিভাবক প্রতিনিধিদের সহযোগিতায় ২০২৫ সালে পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করা হবে,
যা ২০২৬ সাল থেকে পরিপূর্ণরূপে কার্যকর করা হবে।
মন্তব্য করুন


ভারতশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের একটি নবপ্রতিষ্ঠিত মেডিকেল কলেজে অধিকাংশ শিক্ষার্থী মুসলিম হওয়াকে কেন্দ্র করে চরমপন্থী হিন্দু সংগঠনগুলোর প্রবল বিরোধিতার মুখে কলেজটির কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ।আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি ভারতের চিকিৎসা শিক্ষার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন (এনএমসি) রিয়াসি জেলার শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী মেডিকেল ইনস্টিটিউটের অনুমোদন বাতিল করে দেয়।নভেম্বর মাসে যাত্রা শুরু করা এই মেডিকেল কলেজের প্রথম ব্যাচে মোট ৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হন। তাদের মধ্যে ৪২ জন মুসলিম, সাতজন হিন্দু এবং একজন শিখ ধর্মাবলম্বী ছিলেন। কলেজটি একটি হিন্দু ধর্মীয় ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হওয়ায় এখানে মুসলিম শিক্ষার্থীর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো আপত্তি তোলে এবং ধারাবাহিক আন্দোলন শুরু করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এই চাপের মধ্যেই সরকার কলেজটির বিরুদ্ধে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নেয়।বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, বৈষ্ণো দেবী মন্দিরের ভক্তদের অনুদানে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানে মুসলিম শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। আন্দোলন জোরালো হলে স্থানীয় বিজেপি নেতারাও উপরাজ্যপালের কাছে আবেদন জানান, যেন কলেজটিতে শুধু হিন্দু শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি সীমিত করা হয়।এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে এনএমসি হঠাৎ করে কলেজটির অবকাঠামোগত দুর্বলতার কথা তুলে ধরে। তাদের দাবি ছিল, সেখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক, হাসপাতালের শয্যা এবং গবেষণাগারের ঘাটতি রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক প্রতিষ্ঠিত সরকারি মেডিকেল কলেজের তুলনায় এখানে আধুনিক ল্যাব ও উন্নত শিক্ষার পরিবেশ ছিল।ভারতের নিয়ম অনুযায়ী, মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে হলে সর্বভারতীয় নিট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কেন্দ্রীয় মেধা তালিকার মাধ্যমে কলেজ বরাদ্দ পেতে হয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, তারা সম্পূর্ণভাবে মেধার ভিত্তিতেই এই কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন এবং সেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কোনো ভূমিকা ছিল না।তবে কট্টর হিন্দু সংগঠনগুলো মেধার বিষয়টিকে উপেক্ষা করে ধর্মের প্রশ্নে কলেজ বন্ধের দাবি জানায়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কলেজটি চালুর সময় এনএমসি যখন অনুমোদন দিয়েছিল তখন অবকাঠামো নিয়ে কোনো আপত্তি তোলা হয়নি। শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশের পর হঠাৎ ঘাটতির অভিযোগ ওঠা সন্দেহজনক।এদিকে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি আশ্বাস দেন, ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ জন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন নষ্ট হতে দেওয়া হবে না এবং তাদের রাজ্যের অন্যান্য মেডিকেল কলেজে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যেখানে মানুষ নতুন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে, সেখানে কেবল ধর্মীয় বিদ্বেষের কারণে একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার আন্দোলন কীভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।মানবাধিকারকর্মী ও ছাত্র সংগঠনগুলো সতর্ক করে বলেছে, উচ্চশিক্ষায় এ ধরনের সাম্প্রদায়িক বিভাজন অত্যন্ত বিপজ্জনক। এতে শুধু শিক্ষাব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, বরং মেধাবী তরুণদের মনেও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত তৈরি হয়।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের
রূপগঞ্জে ফেসবুক পোস্টে কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এসময় গুলিবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের ৫ জন আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। রোববার (৮ ডিসেম্বর)
দিবাগত রাত ২টায় উপজেলার তারাব পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের
মধ্যে তারাব পৌরসভার বরাব ছাপরা মসজিদ এলাকার আল ইসলামের ছেলে শহিদুল ইসলামকে গুলিবিদ্ধ
অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ সময় ৩ রাউন্ড গুলির খোসা
উদ্ধার করে পুলিশ।
স্থানীয়
ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার তারাব পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর এলাকার
মৃত সুজাত আলীর ছেলে সাকিবুল হাসান রূপগঞ্জ মানবাধিকার সংস্থার সদস্য হয়। এ নিয়ে তার
নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট করেন। সেই পোস্টে একই এলাকার আবু দায়েন প্রধানের ছেলে
মাহিম চুদলিংপং লিখে কমেন্ট করেন। এরই জের ধরে রাত ১১টার দিকে সাকিবুল হাসান ও মাহিমের
বাগবিতণ্ডা হয়। পরে রাত ২টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে
জড়ায়। এসময় উভয় লোকজনের বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করে লুটপাট চালায়। এতে শহিদুল ইসলাম
নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া
হয়। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের আরও ৪ জন আহত হয়। তাদেরকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া
হয়েছে।
এ
বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, ফেসবুক পোস্টে কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে
দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক
রয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ৫ জনের মতো আহত হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। দুই পক্ষের বিরুদ্ধে
মামলা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন