

তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো.মান্নান ভূইয়াকে (৫৮) অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী। গত (২৮ নভেম্বর ) শুক্রবার রাত্রে সাহাপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তিতাস থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তি ওই ওয়ার্ডের মৃত মোহাম্মদ আলী ভূইয়ার ছেলে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (এস আই) মাহমুদুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও তিতাস থানা পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বাসার বহিঃ বাথরুমের ছাদ থেকে বস্তাবন্দি দেশীয় তৈরী পাইপ গান সদৃশ্য ১টি,সিসা কার্তুজ ৫টি, দুটি রামদা, ১টি পুরাতন চাপাতি ও ১টি লম্বা ছোড়া এবং ঘর থেকে দুই লাখ তেষট্টি হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে ঐ ব্যাক্তির স্ত্রী হাজেরা খাতুন জানায়,আমাদের গ্রামের আওয়ামী লীগের লোকদের সাথে মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে, তারই জেরে পরিকল্পিতভাবে আমার বাসার বাহিরে বাথরুমের ছাদে এইগুলো দিয়ে আমার স্বামীকে গ্রেফতার করিয়েছে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট আমি ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করছি।এ ঘটনায় তিতাস থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং মান্নান ভূইয়াকে আজ শনিবার(২৯ অক্টবর ) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
মন্তব্য করুন


গণভোটে 'হ্যাঁ'র প্রচারণায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সামনে কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, এবারের গণভোট কোনো দলকে ক্ষমতায় বসানো কিংবা কোনো দলকে ক্ষমতায় যেতে বাধা দেয়ার এজেন্ডা নয়; এটি রক্তের অক্ষরে লেখা জুলাই জাতীয় সনদভিত্তিক রাষ্ট্র সংস্কারের এজেন্ডা, যা বাংলাদেশের সকল মানুষের। এই গণভোট হলো জনগণের সম্মতি নেওয়ার একটি প্রক্রিয়া: যার মাধ্যমে নির্ধারণ হবে আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে চলবে।
গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে বিভাগীয় কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গতকাল শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, সকালে রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করে ঢাকা বিভাগীয় প্রশাসন।
ঢাকা বিভাগের কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি ও পূর্ত সচিব মো: নজরুল ইসলাম ওঢাকা রেন্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক।
অনুষ্ঠানে প্রফেসর আলী রীয়াজ বলেন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সাবেক বিচারপতি ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনায় ‘একবাক্যে’ মত পেয়েছি-গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ওপর আইনগত নিষেধাজ্ঞা নেই। যারা এ বিষয়ে বাধা আছে বলে প্রচার করছে, তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে অথবা ভিন্ন উদ্দেশ্যে বিষয়টি উত্থাপন করছে।
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে যে ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ছিল, তার বিরুদ্ধে যারা সংগ্রাম করেছেন, প্রাণ দিয়েছেন, জেল–জুলুম–নিপীড়ন সহ্য করেছেন, গুমের শিকার হয়েছেন, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন-তারাই আমাদের দুইটি সুস্পষ্ট দায়িত্ব দিয়ে গেছেন। ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্র যেন আর ফিরে আসতে না পারে, সেই পথ রুদ্ধ করা। আরেকটি দায়িত্ব হচ্ছে ভবিষ্যতের বাংলাদেশের পথনকশা নির্মাণ। বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ মানুষ ২৭ থেকে ৩৭ বছরের নিচে। আগামী অন্তত ৪০ বছর এই দেশ কেমনভাবে চলবে, আজ আমার ও আপনার দায়িত্ব হচ্ছে সে পথ নির্ধারণ করা এবং দুর্বার গতিতে সাফল্য ও সমৃদ্ধির এগিয়ে যাবার আয়োজন করা।
আলী রীয়াজ বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা কেবল কর্মকর্তা-কর্মচারী নন; তারা একই সঙ্গে নাগরিকও। তাই, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ কাঠামো নির্ধারণে নাগরিক দায়িত্ব পালনের প্রশ্নে তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্তদের জনগণের সেবায় সর্বদা সচেষ্ট থাকার কর্তব্য এবং নাগরিকদের আইন মানা, শৃঙ্খলা রক্ষা ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব উল্লেখ রয়েছে। সেই দায়িত্বের আলোকে গণভোটে মানুষকে সচেতন করা ও ভোটদানে উদ্বুদ্ধ করার কাজটিও নাগরিক কর্তব্যের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।
গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তির বিষয়টি উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ সময় ভোট নিয়ে অনাস্থার কারণে অনেকের কাছে গণভোট নতুন অভিজ্ঞতা। ফলে জনগণকে বোঝাতে হবে কীভাবে ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের অর্থ কী। তারা জানান, গণভোটের ব্যালটে ‘টিক চিহ্ন’কে প্রচারণার মূল প্রতীক হিসেবে ধরে জনগণকে ভোটকেন্দ্রে আনতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
আলী রীয়াজ আরও বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে তিনটি ম্যান্ডেট নিয়ে কাজ করছে-সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। নির্বাচন সরকার আয়োজন করে না; অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে সরকার, আর নির্বাচন পরিচালনা করে নির্বাচন কমিশন। একইভাবে বিচারও আদালত পরিচালনা করবে, সরকার শুধু বিচার প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করছে।
অতীতে এক ব্যক্তির ইচ্ছায় সংবিধান সংশোধন হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পঞ্চদশ সংশোধনী করার জন্য জাতীয় সংসদের একটা কমিটি করা হয়েছিল। তাতে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোনো দলের সদস্যরা ছিল না। সেই কমিটি ২৫ থেকে ২৬টি বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা থাকবে। তবে কিছু শর্ত আরোপ করা হবে। যেমন ৯০ দিনের বেশি এটা থাকতে পারবে না। বিদেশের সঙ্গে কোনো চুক্তি করতে পারবে না। একটা বৈঠকে সেটা পরিবর্তিত হয়েছে। সেই বৈঠকটা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে পঞ্চদশ সংশোধনী তৈরি হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়েছে এক ব্যক্তির ইচ্ছায়। সংবিধান সংশোধনী ছেলে খেলায় পরিণত যাতে আর না থাকে সেটা বন্ধ করা দরকার।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত ৪৮টি সুপারিশ গণভোটে আসছে চারটি ক্যাটাগরিতে। চার ক্যাটাগরিতে ৪৮টি সুপারিশ থাকলেও কার্যত প্রশ্নটি একটাই। সেটি হলো—আপনি কি জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে, না বিপক্ষে?
তিনি বলেন, গণভোট ব্যর্থ হলে ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসবে এবং সেটি কতটা বীভৎস আর নির্মম ও নৃশংস হতে পারে সেটা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুযায়ী আমাদের মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক একটি রাষ্ট্র তৈরী করা। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত গত ৫৪ বছরে সেই রাষ্ট্র আমরা পাইনি। বরং এই দীর্ঘ সময়ে ব্যাক্তি ও গোষ্ঠীবিশেষ আমাদের স্বাধীনতাকে অ্যাবিউজ করেছে নিজেদের হীন স্বার্থে। এবার জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের সুযোগ করে দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সেই লক্ষ্য অর্জনের। এখন গণভোটের মাধ্যমে এই সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে।
সভায় ঢাকা বিভাগের জেলা সমূহের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নরসিংদীর পলাশে ডাংগা ইউনিয়নের কেন্দুয়াব গ্রামে এমরান ওরফে নয়ন বাবু (৩৫) নামে একজন পাওয়ারলোম শ্রমিককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাতের কোনো এক সময় তিনি নিহত হন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, এমরান বাড়ির পাশে মোস্তফার পাওয়ারলোমে ডিউটি করছিলেন। রাত ৩টার দিকে প্রকৃতির ডাক সাড়া দিতে বাইরে বের হওয়ার পর তিনি আর ভেতরে প্রবেশ করেননি। মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে এক শ্রমিক তাকে মিলের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর পরিবার তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেন। ঢাকা যাওয়ার পথে এমরান মারা যান।
নিহতের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম অভিযোগ করেছেন, তার স্বামীর বন্ধু কামাল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। কিছুদিন আগে কামাল রাত ১২টার সময় এমরানকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল।
পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন জানান, রাতের ডিউটিরত অবস্থায় পাওয়ারলোমের বাইরে আসার পর অজ্ঞাতপরিচয় হামলাকারীরা এমরানের মাথায় কোপ দিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যান। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
(বিজিবি) কোনো ধরনের লেথাল ওয়েপন (মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে না বলে জানিয়েছেন বিজিবির
ঢাকা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এস এম আবুল এহসান। তিনি জানান, দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার
সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই নির্বাচনে সারা দেশে ৩৭ হাজারেরও অধিক বিজিবি সদস্য
মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি কুইক রেসপন্স ফোর্স এবং বিজিবি হেলিকপ্টার ইউনিট সর্বদা প্রস্তুত
থাকবে বলে জানানো হয়।
আজ
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে
এসব তথ্য জানান তিনি।
নির্বাচনকালীন
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবির প্রস্তুতি
ও পরিকল্পনা নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
কর্নেল
এস এম আবুল এহসান বলেন, ‘আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বর্ডার গার্ড
বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি একটি অবাধ,
সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী মোতায়েন রয়েছে।’
তিনি
বলেন, ‘ঢাকা সেক্টরের অধীন ঢাকা ব্যাটালিয়ন (৫ ও ২৬ বিজিবি), নারায়ণগঞ্জ ব্যাটালিয়ন
(৬২ বিজিবি) এবং গাজীপুর ব্যাটালিয়নের (৬৩ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ৯টি জেলা এবং
৪টি সিটি করপোরেশনের মোট ৫১টি আসনে সর্বমোট ১৩৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য ৪২টি অস্থায়ী
বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া বিশেষ তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনার
জন্য বিজিবির বিশেষায়িত কে-৯ ডগ স্কোয়াড ইউনিট মোতায়েন থাকবে।
ডিজিটাল
ডিভাইসের ব্যবহার ও দায়িত্ব পালনের বিষয় জানিয়ে বিজিবির ঢাকা সেক্টর কমান্ডার বলেন,
নির্বাচনে বিজিবি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বডি ওর্ন ক্যামেরা, নাইট ভিশন ডিভাইস, মেটাল
ডিটেক্টর, এপিসি, আধুনিক সিগন্যাল ও যোগাযোগ সরঞ্জামাদি ব্যবহার করবে, যার মাধ্যমে
স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নির্বাচনী পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক
পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যাটালিয়ন এবং সেক্টর সদর দপ্তরে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা
হয়েছে। নির্বাচনের দিন বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে টহল পরিচালনা, গুরুত্বপূর্ণ
স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন, যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা
করবে, যাতে কোনো মহল নাশকতা বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে।
নির্বাচনকে
কেন্দ্র করে কোনো ধরনের শঙ্কা দেখছেন কি না জানতে চাইলে কর্নেল এস এম আবুল এহসান বলেন,
এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের শঙ্কা দেখছি না।
আমাদের
মহাপরিচালকের নির্দেশ, আমরা নির্বাচনের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কোনো
ধরনের লেথাল ওয়েপন (মারণাস্ত্র) ব্যবহার করব না।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী।
আজ
বুধবার (৭ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এ-সংক্রান্ত পরিপত্র থেকে বিষয়টি
জানা গেছে।
পরিপত্রে
বলা হয়েছে, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। নিয়োজিত থাকবে ১৪
ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, মোট সাতদিন।
এছাড়া
মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে প্রতি ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৫–১৬
জন। গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৭–১৮ জন। মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রতি সাধারণ
ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৬ জন। গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) ভোটকেন্দ্রে
থাকবে ১৭ জন।
দুর্গম
ও বিশেষ এলাকায় সাধারণ ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৬–১৭
জন। আর গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে থাকবে ১৭ থেকে ১৮ জন।
ইসি
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৫ জানুয়ারি
থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে।
প্রার্থিতা
প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা
প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি।
প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের
মধ্যে নির্বিঘ্ন নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের
নির্বাহী কমিটি (একনেক) আজ (৭ অক্টোবর) কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর উপর বিদ্যমান পুরাতন
সেতুর পাশে ১১,৫৬০.৭৭ কোটি টাকার নতুন রেল-কাম-সড়ক সেতু প্রকল্প অনুমোদন করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাজধানীতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত
চলতি অর্থবছরের (অর্থবছর ২৫) তৃতীয় ও অন্তর্বর্তী সরকারের দ্বিতীয় একনেক বৈঠকে এ অনুমোদন
দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, দিনের বৈঠকে
মোট আনুমানিক ২৪ হাজার ৪১২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট চারটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া
হয়েছে। মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অংশ থেকে ৭,৭৪৬.৬৬ কোটি টাকা, প্রকল্প
সহায়তা থেকে ১৬,০১২.৩৩ কোটি টাকা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৬৫৩.৯৫ কোটি
টাকা আসবে।
অনুমোদিত চারটি
প্রকল্পের মধ্যে দু’টি নতুন ও দু’টি সংশোধিত প্রকল্প। এছাড়া বৈঠকে ব্যয় না বাড়িয়ে সাতটি
প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়।
রেলপথ মন্ত্রণালয়
২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রেল-কাম-সড়ক সেতু প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে ।
মোট ১১,৫৬০.৭৭
কোটি টাকার প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ৪,৪৩৫.৬২ কোটি টাকা আসবে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে
এবং বাকি ৭,১২৫.১৫ কোটি টাকা আসবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা তহবিল (ইডিসিএফ) এবং ইকোনমিক
ডেভেলপমেন্ট প্রমোশন ফ্যাসিলিটিজ (ইডিপিএফ), কোরিয়া থেকে। পরিকল্পনা উপদেষ্টা জানান,
কালুরঘাটে বিদ্যমান সেতুটি পুরনো ও জরাজীর্ণ হওয়ায় এ ব্যাপারে নতুন প্রকল্পের কথা বিবেচনা
করা হয়েছে।তিনি বলেন, সরকার কক্সবাজারকে আরও উন্নত পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর
করতে চায়। এছাড়াও মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সংলগ্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলের
জন্যও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রয়োজন। এ জন্য সরকার মনে করেছে, এ ক্ষেত্রে একটি নতুন
প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত।
পরিকল্পনা কমিশনের
একজন কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে নির্বিঘ্ন
ও নিরবচ্ছিন্ন রেল যোগাযোগ নিশ্চিত করা এবং ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের সঙ্গে সংযোগের সুযোগ
তৈরি করা। রেলপথ মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে পুরানো ও জরাজীর্ণ কালুরঘাট
সেতু দিয়ে ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে ট্রেন চলাচল করতে পারে না। এছাড়া মাতারবাড়ী
গভীর সমুদ্র বন্দর চালু হলে, এ অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য যেমন চাঙ্গা হবে, তেমনি এ রুটের
গুরুত্বও বাড়বে। ইতোমধ্যেই দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন চালুর মাধ্যমে ঢাকা ও কক্সবাজারের
মধ্যে সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। ফলে পর্যটন নগরীর সঙ্গে নির্বিঘ্নে যোগাযোগ
নিশ্চিত করতে বিদ্যমান পুরাতন সেতুর পাশে কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর নতুন রেল-কাম-সড়ক
সেতু নির্মাণ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এমন একটি পরিস্থিতিতে প্রকল্পটি তৈরি করা হয়েছে
এবং এইভাবে কোরিয়ান সরকারের অর্থায়নে অনুমোদিত হয়েছে।
বর্তমানে দেশের
আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রমের ৭০ শতাংশ হয়ে থাকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। প্রস্তাবিত
প্রকল্পটি চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে নির্বিঘ্ন
রেল যোগাযোগ এবং পণ্য পরিবহন নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
নতুন সেতুটি নির্মিত হলে, এই অঞ্চলের বিভিন্ন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল ও বিশেষ অর্থনৈতিক
অঞ্চলে অবস্থিত কল-কারখানার পাশাপাশি শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য পরিবহন করতে সক্ষম
হবে। মূল প্রকল্পের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ৭০০ মিটার রেল-কাম-রোড ব্রিজ নির্মাণ,
৬.২০ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট নির্মাণ, ২.৪০ কিলোমিটার সড়ক ভায়াডাক্ট, ৪.৫৪ কিলোমিটার বাঁধ,
১১.৪৪ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক কাজ।
অতিরিক্ত ৬,৫৭৩.৯৬
কোটি টাকা ব্যয়ে দ্বিতীয় সংশোধিত মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়নের অনুমোদন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা
বলেন, এটি একটি বড় প্রকল্প। প্রকল্পটির ভূ-রাজনৈতিক দিকও রয়েছে। তিনি বলেন, এই বন্দরের
অর্থায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চীন ও ভারতের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন,
মাতারবাড়ী বন্দরে প্রয়োজনীয় কাজ এখনো শুরু হয়নি এবং বন্দরের উন্নয়নে রাস্তা নির্মাণ
করা হবে।
সভায় অনুমোদিত
অন্য দুটি প্রকল্প হল- সাজেক রোড কানেক্টিভিটি, প্রকল্প-২: এলেঙ্গা-হাটিকামরুল-রংপুর
মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, ৩৭৬.৯৯ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ে দ্বিতীয় সংশোধিত ও ৫,৯০১.২২২
টাকা দিয়ে রেসিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (আরইইউটিডিপি)।
মন্তব্য করুন


আজ রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ।
সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন প্রার্থীরা।
তফশিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি বাছাই হবে। প্রত্যাহার করা যাবে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আর ভোটের তারিখ ১৪ মার্চ।
নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলে ভোটের প্রয়োজন হবে না। তাই এরই মধ্যে দলগুলো তাদের প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করেছে। এতে ভোট হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম সম্প্রতি জানিয়েছেন, ৫০টি সংরক্ষিত আসনের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৪৮টি আসন পাবে। আর জাতীয় পার্টি পাবে দুটি আসন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, তার দল আগামী নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী।
একই সঙ্গে তিনি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট বা জাতীয় ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান
করেছেন।
বার্তা
সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি কীভাবে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে
নিয়ে সরকার গঠন করব, তাহলে বিরোধী দলে কে থাকবে?’ জামায়াতে ইসলামীর জোট সরকার গঠনের
প্রস্তাব প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি একথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ‘তাদের আসন সংখ্যা কত
হবে আমি জানি না, তবে যদি তারা বিরোধী দলে থাকে, আমি আশা করি তারা একটি ভালো বিরোধী
দলের ভূমিকা পালন করবে।’তবে রয়টার্স স্মরণ করিয়ে দেয়, ২০০১
থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী একসঙ্গে বাংলাদেশ শাসন করেছিল।
সংবাদ
সংস্থাটি জানায়, ২০২৪ সালে কয়েক মাসের অস্থিরতায় দেশের বৃহৎ তৈরি পোশাক শিল্প মারাত্মকভাবে
ব্যাহত হওয়ার পর জামায়াত সম্প্রতি দেশকে স্থিতিশীল করতে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের লক্ষ্যে
অংশীদারিত্ব পুনর্নবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পরিস্থিতি বর্ণনা করে রয়টার্স জানায়,
৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান প্রায় দুই দশক লন্ডনে নির্বাসিত থাকার পর গত ডিসেম্বর দেশে
ফেরেন। ছাত্র-যুব নেতৃত্বাধীন এক গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের নেতা শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত
হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ একটি অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। সংবাদ সংস্থাটি
আরও জানায়, বিএনপির সহযোগীরা বলছেন, ৩০০ আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ের
বিষয়ে দলটি আত্মবিশ্বাসী। বিএনপি ২৯২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এবং বাকি আসনে এর
মিত্ররা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
তবে
তারেক রহমান নির্দিষ্ট সংখ্যা বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসী যে সরকার
গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন আমরা পাব।’
বিভিন্ন
জনমত জরিপে বিএনপির বিজয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হলেও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের কাছ থেকে
কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। ওই জোটে ছাত্র-যুব আন্দোলন থেকে
গড়ে ওঠা একটি ‘জেন জেড’ দলও রয়েছে।
বিশ্বের
সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়টার্স মন্তব্য করে, গত বছর ঢাকার একটি আদালত দমন-পীড়নে ভূমিকার জন্য
শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিলে ভারতের তাকে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের
অবনতি ঘটে এবং এতে চীনের বিনিয়োগ ও রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়।
জয়ী
হলে ভারত থেকে সরে গিয়ে চীনের দিকে ঝুঁকবেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান
বলেন, প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ (১৭৫ মিলিয়ন) মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে
সক্ষম এমন অংশীদার বাংলাদেশের প্রয়োজন। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে তরুণদের জন্য
কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশে ব্যবসা আনা এবং মানুষের জীবনমান উন্নত করার উদ্যোগ নিতে হবে।
তারেক
রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে যে দেশ আমার জনগণ ও দেশের
জন্য উপযোগী প্রস্তাব দেবে, তাদের সঙ্গেই আমাদের বন্ধুত্ব থাকবে, কোনো নির্দিষ্ট দেশের
সঙ্গে নয়। নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গারা থাকতে পারবে বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ
এবং উচ্চ দারিদ্র্যহারসম্পন্ন দেশ বাংলাদেশে প্রায় ১২ লাখ (১.২ মিলিয়ন) রোহিঙ্গা মুসলিম
শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে।
এদের
অনেকেই প্রতিবেশী বৌদ্ধপ্রধান মিয়ানমারে একাধিক দমন অভিযানের মুখে পালিয়ে এসেছে, যেখানে
তাদের বহিরাগত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বাংলাদেশের
অন্তর্বর্তী সরকার গত বছর জানিয়েছিল, নানা চ্যালেঞ্জের কারণে শরণার্থীদের জন্য অতিরিক্ত
সম্পদ বরাদ্দ দেওয়ার সক্ষমতা তাদের নেই এবং তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক
সম্প্রদায়ের সহায়তা চেয়েছে।
বিএনপি
চেয়ারম্যান বলেন, তিনিও রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পক্ষে, তবে তা অবশ্যই নিরাপদ
পরিস্থিতিতে হতে হবে।
তিনি
বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করব যেন এই মানুষগুলো তাদের নিজ ভূমিতে ফিরে যেতে পারে। তবে সেখানে
পরিস্থিতি নিরাপদ হতে হবে। যত দিন নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তত দিন তারা এখানে থাকতে
স্বাগত।’
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘‘পুরোনো ব্যবস্থার রাজনীতি ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে আগামীর বাংলাদেশ পরিচালিত হবে”। যেই রাজনীতি হবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে, খুনের বিরুদ্ধে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে, মামলাবাজদের বিরুদ্ধে, দুর্নীতি-অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারুণ্যের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মান না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চলবেই। যত বাঁধা, ভয়ভীতি আসুক আমরা থেমে যাবো না। আমরা জাতির স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, আগামীর নির্বাচনে কোনো ধরনের কারিগরি ষড়যন্ত্র জনগণ হতে দেবে না। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে কোনো আনুকূল্য চাই না কিন্তু কমিশন যদি কারো প্রতি আনুকূল্য দেখায় তবে সেটি বরদাস্ত করা হবে না। কালো টাকায় কেউ মানুষকে কেনার চেষ্টা করলে মানুষ মুখে ছাঁই মেরে দেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত জাতিকে কেউ কালো টাকায় কিনতে পারবে না।
আমীরে জামায়াত বলেন, পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের ওপর অবিচার করার কারণে, বৈষম্যের সৃষ্টি করায় মানুষ ফুঁসে উঠেছিল। যারা ৭০ এর নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছিল তারা জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বৈষম্যহীন শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলবেন। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর তারা ক্ষমতায় বসে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছিল। তারা বহুদলীয় গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। রক্ষী বাহিনী গঠন করে যখন যাকে ইচ্ছে তাকে খুন করা হয়েছিল, মা-বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন করা হয়েছিল। বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে পরিবারতন্ত্রের শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের ছেলেরা ব্যাংক ডাকাতি করেছিল। বিদেশী দাতা সংস্থাদের দান করা খাদ্য সামগ্রী ও অর্থ লুট করা হয়েছিল। তাদের সাড়ে চার বছরের দুঃশাসন মানুষকে বিদ্রোহী করে তুলেছিল। কে তাদেরকে হত্যা করেছিল?- একাত্তরের রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দেওয়া জাতীয় বীরদের হাতেই তারা হত্যার শিকার হয়েছিল। কেন হত্যার শিকার হয়েছে সেই উত্তর আওয়ামী লীগকেই খুঁজতে হবে। ৭২ এর ১০ জানুয়ারী, ৯৬ এর ১০ জানুয়ারী, ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারী তারা তিনবার ক্ষমতায় এসেছে। ৯৬ সালে তারা ক্ষমতায় আসার আগে অতীতে তাদের দল যেই খুন করেছে, জুলুম করেছে তা স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিল। জনগণ সরল বিশ্বাসে তাদেরকে ক্ষমতায় বসানোর পর তারা আবার নিজের রূপে ফিরে আসে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী চট্রগ্রামে গিয়ে ঘোষণা দিয়েছিল তার দলের একজন মারা গেলে ১০ জনকে হত্যা করা হবে। একজন প্রধানমন্ত্রী কতটা দায়িত্ব জ্ঞানহীন হলে এমনটা বলতে পারে। সেই সময় তারা মানুষকে হত্যা করে খালে-বিলে লাশ ফেলেছে।
পরবর্তীতে তারা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টন মোড়ে মানুষকে সাপের মতো পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। শুধু তাই নয় হত্যার পর তারা লাশের উপর নৃত্য করেছিল। যেই দৃশ্য দেখে পুরো বিশ্ব ব্যথিত হয়েছে। ২০০৯ সালে আবার ক্ষমতায় এসে তারা প্রথমেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। একে একে তারা জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যা করেছিল। শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে এদেশের আলেম-ওলামাদের হত্যা করেছিল। তাদের শাসনামলের ১৫ বছরে এমন কোনো জনপদ নেই যেখানে আওয়ামী লীগের জুলুম থেকে মানুষ রক্ষা পেয়েছে। যার কারণে জুলাই আন্দোলনে তাদের বিরুদ্ধে পুরো দেশবাসী ফুঁসে উঠেছিল। তারা জনরোষের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। এখন তারা পলাতক থেকেই চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছে। তাদের টার্গেট এখন এদেশের তরুণ ও বিপ্লবীরা। সেই টার্গেটের অংশ হিসেবে তারা জুলাইয়ের অন্যতম শীর্ষ নেতা ওসমান হাদীকে হত্যা চেষ্টা করেছে। ওসমান হাদীর কিছু হলে বিপ্লবীরা বসে থাকবে না। আওয়ামী লীগ ভেবেছে ওসমান হাদীকে শেষ করতে পারলে কিংবা কয়েকজন বিপ্লবীকে শেষ করতে পারলে তারা সফল হবে কিন্তু না! বিপ্লবীর সংখ্যা তারা কমাতে পারবে না। বরং ক্রমেই বিপ্লবী তরুণদের সংখ্যা বাড়বে। তরুণরা আওয়ামী লীগের সকল অপশক্তি রুখে দিতে প্রস্তুত রয়েছে। আমীরে জামায়াত, উপস্থিত যুব সমাজকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী সভায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘‘রাজপথে বিজয়ে, চলো এক সাথে বাংলাদেশ গড়ি’’- স্লোগানে জামায়াতে ইসলামী সকলকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে প্রস্তুত। আজকের এই যুব ম্যারাথন অতীতের বস্তা পঁচা রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ধারার রাজনীতির বার্তা দেয়। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা যেই স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছিলাম সেই বাংলাদেশে মানুষের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি। ৭১ এর চেতনা বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই চব্বিশে নতুন চেতনায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে জুলাই বিপ্লব অর্জিত হয়েছে। জুলাই চেতনার নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ হবেই, হবে। বুলেট-বোমাকে ভয় না করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ যুব সমাজকে দৃঢ় শপথ নিতে হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেনের পরিচালনায় যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনী সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক প্রমুখ। এসময় কেন্দ্রীয় এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী সভা শেষে, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে যুব ম্যারাথন উদ্বোধন করেন। যুব ম্যারাথনে অর্ধ লাখ তরুণ যুবক অংশগ্রহন করেন। ম্যারাথনটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে শুরু করে শাহবাগ-সাইন্সল্যাব হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের মামলার চার্জশিট আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
শনিবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে ইনকিলাব মঞ্চের চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে জড়িত সবাইকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে দৃঢ়ভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, “অনেক সময় আপনাদের মনে হতে পারে—আমরা সব তথ্য প্রকাশ করছি না। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আমরা শত্রুপক্ষের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তদন্ত করছি। এমন কোনো তথ্য আমরা প্রকাশ করতে চাই না, যা অপরাধীদের শক্তিশালী করে তুলতে পারে।”
তিনি আরও জানান, সব ধরনের ফরেনসিক ও তদন্তসংক্রান্ত পরীক্ষা শেষ করেই নির্ভুল চার্জশিট দেওয়া হবে। “চার্জশিট দেওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই যেন দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা যায়, সে নিশ্চয়তা আমি আপনাদের দিচ্ছি। আমরা থাকতেই এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হবে,”—বলেন উপদেষ্টা।
হাদি হত্যার দ্রুত বিচার প্রসঙ্গে তিনি আছিয়ার ঘটনার উদাহরণ টেনে বলেন, ওই মামলায় মাত্র ছয় কার্যদিবসের মধ্যে বিচার শেষ করা সম্ভব হয়েছিল। সঠিক ও শক্ত চার্জশিট হলে হাদি হত্যার বিচারেও বিলম্ব হবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অপরাধীরা পালিয়ে গেলেও বিচার সম্ভব। “ইন অ্যাবসেন্সিয়া বিচার ব্যবস্থা আমাদের আইনে আছে। শেখ হাসিনার বিচার হয়েছে তিনি দেশে না থেকেও। যারা হাদিকে হত্যা করেছে তারা দেশ ছাড়লেও বিচার এড়াতে পারবে না।” তিনি জানান, কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ভারতকে এ বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে এবং ভারত সরকার জানিয়েছে—অভিযুক্তরা ভারতে অবস্থান করলে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করা হবে।
তদন্তের স্বার্থে সব তথ্য এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামীকাল (রোববার) সকাল সোয়া ১১টায় ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
এদিকে হাদি হত্যার বিচার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। এর আগে শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে ইনকিলাব মঞ্চ, জুলাই মঞ্চের নেতাকর্মী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। পরে সেখানে ধারাবাহিক কর্মসূচি শুরু হয়, যেখানে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


শনিবার (১ মার্চ) দেয়া বাণীতে দেওয়া বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান-
বাণীতে তিনি বলেন, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ জানাই।
রমজানের পবিত্রতা ও তাৎপর্য অনুধাবন করে ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে এর সঠিক প্রতিফলন ঘটানো এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আসুন, পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যাবতীয় ভোগ-বিলাস, হিংসা-বিদ্বেষ, উচ্ছলতা ও সংঘাত পরিহার করি এবং জীবনের সর্বস্তরের পরিমিতিবোধ, ধৈর্য্য ও সংযম প্রদর্শনের মাধ্যমে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি।
সিয়াম পালনের পাশাপাশি বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করি এবং ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকি।
সিয়াম সাধনা ও সংযমের মাস মাহে রমজান আজ আমাদের মাঝে সমাগত। পবিত্র এ মাসে আত্মসংযমের মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে, সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, নৈকট্য লাভ ও ক্ষমা লাভের অপ
সিয়াম ধনী-গরিব সবার মাঝে পারস্পরিক সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা পালন করে।
মহান আল্লাহ আমাদের জাতীয় জীবনে পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষা কার্যকর করার তাওফিক দান করুন। মাহে রমজান আমাদের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল শান্তি।
মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে ক্ষমা ও হেফাজত করুন, আমিন।
মন্তব্য করুন