

কুমিল্লা
নাঙ্গলকোটে আলোচিত গণধর্ষনের ঘটনায় জড়িত একজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ০৯/০১/২০২৫ ইং তারিখ দুপুর ১ টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানাধীন নুরপুর সাকিনস্থ সেবাখোলা বাজারের খোকন স’মিলের টিনের ঘরের ভিতর দুই নারীকে গনধর্ষণ এর ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম লাকি বেগম (৪০) বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে একটি গনধর্ষণ মামলা দায়ের করে। উক্ত ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ২৯ জানুয়ারী দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন ধামতী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ধর্ষন মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামী মোঃ খোকন (৪২), পিতা-আলী মিয়া, সাং-করের ভোমরা, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।
ধৃত
আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিম মায়া খাতুন (২০) এর সাথে ১ নং আসামী
সহিদ (২৬) এর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। ঘটনার দিন সকালে আসামী সহিদ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে
ভিকটিমকে দেখা করার জন্য আসতে বলে। তখন ভিকটিম মায়া খাতুন তার সাথে অন্য ভিকটিম লাকি
বেগম (৪০)’কে নিয়ে বাঙ্গড্ডা বাজারে গেলে আসামী সহিদ ভিকটিমদ্বয়কে নিয়ে অটোরিক্সাযোগে
বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাফেরা করে এবং একপর্যায়ে ভিকটিম মায়া খাতুন’কে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব
দেয়। ভিকটিম মায়া উক্ত প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। পরবর্তীতে
আসামী সহিদ সুযোগ বুঝে ভিকটিমদ্বয়কে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় এবং তার পরিকল্পনা মোতাবেক
সেখানে পূর্ব থেকে ৭-৮ জন অবস্থান করছিল। ভিকটিমদ্বয়কে সেখানে নেয়ার পর আসামী সহিদ’সহ
অন্যান্য ৭-৮ জন আসামী মিলে ভিকটিমদ্বয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ
করে এবং কাউকে কিছু না বলার ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে। পরবর্তীতে ধৃত আসামীসহ অন্যান্য আসামীরা
গ্রেফতার এড়াতে আত্নগোপনে চলে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
কুমিল্লার
মুরাদনগরে এসএসসি পরীক্ষায় নকল সরবরাহ করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে রাহাত (১৯) ও সুজন
মৃধা (২১) নামের দুই যুবককে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
রবিবার
(৪ মে) দুপুরে উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন বেগম সুফিয়া শওকত কলেজ কেন্দ্রে ভ্রাম্যমাণ
আদালতের মাধ্যমে এ শাস্তি দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট
সাকিব হাছান খান।
দণ্ডপ্রাপ্ত
রাহাত উপজেলার রঘুরামপুর গ্রামের মো. শাহিন মিয়ার ছেলে এবং সুজন মৃধা একই গ্রামের মো.
মতিউর রহমানের ছেলে।
পাবলিক
পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন-১৯৬০ অনুযায়ী তাদের প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে মোট ৪০০ টাকা
অর্থদণ্ড এবং ৭ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। পরে বিকেলে পুলিশি নিরাপত্তায়
তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।
ঘটনার
বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খান জানান, “পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে
বহিরাগত দুই যুবক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে নকল সরবরাহ করছিল। ঘটনাস্থলেই তাদের আটক করে
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”
তিনি
আরও বলেন, “পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্টকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এই ধরনের অপরাধ
প্রতিরোধে আমরা সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে আছি।”
স্থানীয়
প্রশাসনের এমন পদক্ষেপে সচেতন মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং পরীক্ষার সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর
নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চান্দিনায় কাভার্ডভ্যানের
পেছনে ট্রাকের ধাক্কায় মো. নাজমুল (৫০) নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মহাসড়কের
উভয় পাশে অন্তত ১০ কিলোমিটার জুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়।
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) ভোরে ঢাকা-চট্রগ্রাম
মহাসড়কের চান্দিনার ছয়ঘড়িয়া এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নাজমুল চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার
শিবগঞ্জ উপজেলার শরতনগর গ্রামের মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রোববার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের ছয়ঘড়িয়া এলাকায় একটি মালবোঝাই কাভার্ডভ্যানকে পেছন থেকে ধাক্কা
দেয় অপর একটি ট্রাক। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকে থাকা ব্যবসায়ী নাজমুল নিহত হয়। এ ঘটনায়
মহাসড়কের উভয় পাশে যানজট সৃষ্টি হয়। সকাল ১১টায় হাইওয়ে পুলিশ দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক
ও কাভার্ডভ্যান উদ্ধার করে। তারপর থেকে ধীর গতিতে
যান চলাচল শুরু করে। দুপুর ১টায় মহাসড়কে
যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মো. রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন- এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করে কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। (৩ সেপ্টেম্বর) বুধবার রাতে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের দেউষ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
থানা সূত্রে জানা যায়, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন এর নির্দেশে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মেহেদী হাসান জুয়েল ও উপপরিদর্শক (এসআই) সুজন কুমার আচার্য্যা সঙ্গীয় ফোর্স বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের দেউষ এলাকায়। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ একজন নারী এবং একজন পুরুষকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো পটুয়াখালী সদর উপজেলার টাউন বহাল গাছিয়া গ্রামের মো. শাহ আলম হাওলাদারের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন হাওলাদার প্রকাশ সাগর (২০) এবং মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানার খালিয়া গ্রামের মো. ওহাব আলী বেপারীর মেয়ে সোনিয়া আক্তার (২৫)।
আটককৃতদের কোর্টের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


বন্যা দুর্গত অঞ্চলে ও কুমিল্লা মহানগরীর আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে সহমর্মিতা প্রকাশ করে যাচ্ছেন বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু।
উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে, কুমিল্লা জিলা স্কুলের আশ্রয় কেন্দ্রে চাহিদা মত রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, মেডিসিন, ওরস্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী দিয়ে যাওয়ার কাজ করে যাচ্ছে বিবেক ।
কুমিল্লাতে এরই মধ্যে কুমিল্লা হাই স্কুল, সংরাইশ সালেহা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,ধর্মপুর মহিলা সরকারি কলেজর আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে প্রত্যেকের চাহিদা অনুযায়ী উপহার সামগ্রী বন্টন করেছে আত্ম মানবতার সেবায় নিয়োজিত সংগঠন বিবেক ।
পাশাপাশি বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনেও আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের কাজ করে আসছে সংগঠনটি ।
সহযোগিতা প্রদানের কাজ নিয়ে ইতিমধ্যেই ইউসুফ মোল্লা টিপু আশ্বস্ত করেছেন বন্য পরবর্তী সময়ে পুনর্বাসন সহ অনেক উদ্যোগ বিবেক হাতে নিয়েছে যার কার্যক্রম কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে।
এখানে
বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বিবেক সংগঠন থেকে যা কিছু করা হয় সেগুলোর আর্থিক অনুদান একমাত্র
বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু'র নিজ অর্থায়নে করা হয়।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা আন্দোলনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গুলিতে নিহত কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলার ১১জন শহীদের বাড়ি বাড়ি যান কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় তিনি প্রথমে উপজেলার ভানী ইউনিয়নের সূর্যপুর গ্রামের নিহত কাদির হোসেন সোহাগের বাড়িতে যান। ওখানে সোহাগের মা ও তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। পরে গত ২০ জুলাই নারায়ণগঞ্জের চিটাগং রোডে পুলিশের গুলিতে নিহত ১০ বছরের শিশু মোঃ হোসাইন গ্রামের বাড়ি উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের বেতুয়া গ্রামে গিয়ে তার কবর জিয়ারত করেন। সেখান থেকে এক এক করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা আন্দোলনে দেবিদ্বার উপজেলার ১১ নিহতদের বাড়িতে যান হাসনাত আবদুল্লাহ এবং তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেন।
সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহদুপুরে যান দেবিদ্বার সদরে গুলিতে নিহত সেচ্ছাসেবকদল নেতা রুবেল মিয়ার বাড়িতে। সেখানে নিহত রুবেলের নবজাতক সন্তানকে কোলে তুলে নেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দেবিদ্বারে আন্দোলনে নেতৃত্ব দানকারী নাজমুল হাসান নাহিদ, মুক্তাদির জারিফ সিক্ত, শরীফ আল বান্না, সাজেদুল রাসেদ রাফসান, সিয়াম ইসলাম ও ডাঃ আল আমিন সহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
জাপানের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট ফুজির চূড়ায় সফলভাবে আরোহণ করেছেন কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার ইকবাল বিন রশিদ। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টা ৫০ মিনিটে তিনি চূড়ায় পৌঁছান।
ইকবাল জানায়, তার এ অভিযান শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০টায়। দীর্ঘ ৮ ঘণ্টা হাঁটার পর তিনি ৩,৭৭৬ মিটার উচ্চতার চূড়ায় পৌঁছাতে সক্ষম হন। এ অর্জনকে জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। অভিযাত্রার সময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, কঠিন চড়াই ও ঠান্ডা আবহাওয়া মোকাবিলা করে নিজেকে প্রমাণ করার তৃপ্তি পেয়েছেন।
ইকবাল জানান, আমার স্বপ্ন ছিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্বত জয় করে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা সেখানে উড়ানো। ফুজি ছিল আমার প্রথম আন্তর্জাতিক অভিযান। ২০২৩ সালে একটি ভিডিও দেখে স্বপ্ন জাগলো একদিন মাউন্ট ফুজির চূড়ায় উঠবো। আমার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।
এ সময় ইকবাল তার সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বহন করেন এবং চূড়ায় পৌঁছে সেটি উড়ান। এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে তা ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার গোমতী নদীতে ককশীট ও কলাগাছের সঙ্গে বেঁধে পাচারের জন্য ভাসিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে বিজিবি। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) ভোরে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী গোলাবাড়ি পোস্টের বিজিবি সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।
কুমিল্লা ১০ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ শুক্রবার সকাল ৯টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মাদক কারবারিরা প্রতিনিয়ত কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে অভিনব পদ্ধতিতে মাদক পাচারের চেষ্টা করে। তার ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোরে আদর্শ সদর উপজেলার গোলাবাড়ী এলাকায় গোমতী নদীতে কলা গাছ ও ককশীটের সঙ্গে বেঁধে বিপুল পরিমাণ মাদক পাচারের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের সময় পানিতে ভেসে আসা বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় মদ, ভদকা, বিয়ার স্কাফসহ ১০ লাখ টাকার মূল্যমানের মাদক। তবে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মাদকদ্রব্যগুলো কাস্টমসে জমা দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা: সৈয়দ আবদুল্লাহ মো: তাহের বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জুলাই চেতনায় বিশ্বাসীদের নিয়ে জোট হবে।
সেখানে সকল ইসলামি দল,জুলাই চেতনাকে ধারন করে এসম সমমামনা দল নিয়ে এক বৃহৎ জোটের জন্য আমরা কাজ করছি। এ বিষয়ে আলেম-ওলামা ও ইসলামি রাজনীতিকদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। নির্বাচন যত কাছে আসবে, আমাদের এ প্রক্রিয়া তত দৃশ্যমান ও সুসংগঠিত হবে।
দিন দিন জামায়াতের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। পক্ষান্তরে অন্য একটি দলের জনপ্রিয়তা কমছে। ওই দলটি গত কয়েকদিন আগেও হানিফ পরিবহনের কাউন্টার ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। দেশের জনগন কোন চাঁদাবাজ ফ্যাসিবাদকে আর চায় না।
শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের কুলিয়ারা কেন্দ্র নির্বাচনী সমাবেশে জামায়াত নেতা আবুল কালাম মজুমদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমীর এডভোকেট মু. শাহজাহান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আমীর মাহফুজুর রহমান, বাতিসা ইউনিয়ন নির্বাচনের অঞ্চল পরিচালক মজিবুর রহমান ভুঁইয়া।
ডা: তাহের আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন চায়। যেখানে মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। যেন তেন উপায়ে কারো চাপিয়ে দেয়া নির্বাচন জনগণ মেনে নিবে না। জাতীয় নির্বাচন এই নির্বাচন হবে ভারতীয় আধিপত্যবাদ, দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক ও ইসলামপ্রিয় জনগণের বিজয়ের নির্বাচন।
এই নির্বাচন হতে হবে সন্ত্রাস ও দখলদার মুক্ত অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। প্রত্যেক ভোটারের কাছে দাঁড়িপাল্লার প্রতীকের আহবান পৌঁছে দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
জামায়াত নেতা মাস্টার কামাল উদ্দিন ও আবদুল কাইয়ুম মানিকের যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর সাইয়েদ রাশীদুল হাসান জাহাঙ্গীর, এম ইউসুফ, ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন মিন্টু, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মহসিন মজুমদার। এরআগে প্রধান অতিথি ডা: তাহেরকে ফুলেল শুভেচছা জানান সমাজসেবক মহসিন মজুমদার, আবদুল হক, মো: লিটন।
এ সময় যুবনেতা নুরুল করিম মামুন, পেয়ার আহমেদ, হোসাইন মোহাম্মদ কাউসার, জাফর আহমেদ, রেজাউল করিম মিন্টু, ইব্রাহিম চৌধুরী অরুপ, ফরহাদ হোসেন, ওহিদুর রহমানসহ লুদিয়ারা, কুলিয়ারা, কালিকসার ও দুর্গাপুর গ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। এছাড়া একই সময়ে মহিলা সমাবেশে বিপুল সংখ্যক উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল - প্রতিবেদক:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কার্যক্রমে সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও রাতের অন্ধকারে কাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, নির্ধারিত নিয়ম ও সময় উপেক্ষা করে রাতের বেলায় নির্মাণ কাজ চলায় এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি ও জনভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
ডিসির বাসভবন সড়ক সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের পাঠানো ছবিতে দেখা যায়, রাতের সময় কারাগারের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নির্মাণকাজ সাধারণত নির্ধারিত কর্মঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না।
আইন ও বিধি অনুযায়ী অবস্থান
সরকারি নির্মাণকাজে সরকারি ক্রয় বিধিমালা (PPR), শ্রম আইন ২০০৬, এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে আবাসিক এলাকায় রাতের বেলায় ভারী নির্মাণকাজ চালানো হলে তা শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬–এর পরিপন্থী হতে পারে।
এ ছাড়া কারাগারের মতো সংবেদনশীল স্থাপনার আশপাশে রাতের নির্মাণকাজ চললে তা সার্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলেও মনে করছেন সচেতন মহল।
স্থানীয়দের উদ্বেগ
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের বেলায় কাজ চলার কারণে চলাচলে বিঘ্ন, শব্দদূষণ এবং অনাকাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুপস্থিত
এ বিষয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সচেতন নাগরিকদের মতে, সরকারি নির্দেশনা ও আইনগত বিধি মেনে স্বচ্ছভাবে নির্মাণকাজ পরিচালনা না হলে তা জনস্বার্থের পরিপন্থী হিসেবে বিবেচিত হবে
মন্তব্য করুন