

সংঘবদ্ধ
চোর চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি।
গত
১৬ ডিসেম্বর এবং ১৮ ডিসেম্বর আবুল খায়ের মোঃ মাহবুব পারভেজ (৫৬) এবং হাসনা বেগম (৪১)
অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় দুইটি পৃথক মামলা দায়ের করে।
পরবর্তী
পুলিশ সুপার কুমিল্লার নির্দেশে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা কুমিল্লার
একটি চৌকষ টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন চাঙ্গীনি কোটবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন মনিরের বাড়ী থেকে মনিরকে
গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে চোরাইকৃত ১টি এলইডি সনি টিভি এবং একটি এন্ড্রোয়েড মোবাইল
ফোন উদ্ধার করে। মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার সহযোগী সোহেল, সুমনকে একই থানা এলাকার
কচুয়া চৌমুহনী নুরুল ইসলামের বাড়ীর ২য় তলা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে। তাদের বাসা তল্লাশি
করে চুরির কাজে ব্যবহৃত ১টা পাইপ রেঞ্জ, ১টি হাতুড়ি, ১টি প্লাস এবং ১টি এন্ড্রোয়েড
মোবাইল উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের তথ্যের ভিত্তিতে তাদের অপর সহযোগী বিল্লাল
(২৫)’কে চান্দিনা থানাধীন বাতাগাছি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে চোরাইকৃত
আরো ১টি এলইডি সনি টিভি উদ্ধার করা হয়।
জেলা
গোয়েন্দা শাখা ডিবি জানান, তারা ১০/১৫ জনের একটি গ্রুপ কুমিল্লা চাঁদপুর, ফেনী জেলার
বিভিন্ন জায়গায় খালি বাসা গুলোতে তালা কেটে চুরি করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো:
১।
মনির (৩৭), পিতা- মৃত আব্দুর রশিদ, মাতা-জোহরা খাতুন, সাং- পইয়াবাড়ি (মিয়া হাজী বাড়ী),
থানা- দেবিদ্বার, জেলা- কুমিল্লা এ/পি- চাঙ্গীনি, থানা- সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা।
২।
সোহেল (২৮), পিতা- আব্দুল হক, মাতা- পারুল বেগম, সাং- পাইপেরগোড়া, থানা- কর্ণফুলী,
জেলা- চট্টগ্রাম, এ/পি- কইচ্চা চৌমুহনী, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা।
৩।
সুমন (২৮), পিতা- জশিম, মাতা- ফুল মাসা, সাং- লাজুর, থানা- মুরাদনগর, জেলা- কুমিল্লা,
এ/পি- মুনসুরাবাদ (বোয়ালখোলা মাঠ), থানা- ডবলমুরিং, জেলা- চট্টগ্রাম।
৪।
বিল্লাল (২৫), পিতা- মৃত মজিবুর রহমান, মাতা- সাজিয়া বেগম, সাং- বাতাঘাসি, থানা- চান্দিনা,
জেলা- কুমিল্লা।
উল্লেখ্য
যে, আসামী মনির, সোহেল এবং বিল্লাল এর বিরুদ্ধে পূর্বে ০১টি করে চুরি মামলা এবং সুমন
এর বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলিসহ একাধিক মামলার আসামি মো. জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গতকাল শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাতে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে আমেরিকার তৈরি একটি নতুন ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও চার রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার জসিম উদ্দিন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের মৃত মোখলেছুর রহমানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে সাতটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুল আলম শাহ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপপরিদর্শক মো. বিল্লাল হোসেন ও উপপরিদর্শক সঞ্জয় সিকদারের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে জসিম উদ্দিনকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি জব্দ করা হয়।
তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
মন্তব্য করুন


জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা কর্তৃক হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার পূর্বক প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার সার্বিক তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল ফোন জিডি মূলে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা।
সোমবার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা রাজেস রড়ুয়া পিপিএম প্রকৃত মালিকগণের কাছে মোবাইল গুলো হস্তান্তর করে।
মোবাইল ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভিকটিমগণ তাদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে কুমিল্লা পুলিশ সুপার, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি-কুমিল্লার মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে আটক।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার উপ- পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এর সার্বিক তত্বাবধানে ও সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম এর নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং থানাধীন নিমসার বাজারস্থ ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে রোডে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করে ১৪ কেজি গাঁজাসহ আসামী মোসা: মোকলিমা আক্তার ও মো: আব সাইদকে আটক করে।
আটককৃত আসামীরা হলো: ১/ সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রাম এলাকার মো: রজব আলীর স্ত্রী মোসা: মোকলিমা আক্তার(২৫), ২/ ঢাকা জেলার
কেরানিগঞ্জ থানার বয়াতিকান্দি এলাকার আলতাফ হোসেন এর ছেলে মো: আব সাইদ (৪১)।
১ নং আসামীর বিরুদ্ধে সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম এবং ২ নং আসামীর বিরুদ্ধে সহকারী উপপরিদর্শক মোহাম্মদ মনির হোসেন বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


মৃত্যুর ১৫ বছর পর কবরে মিললো অক্ষত
মরদেহ। চারপাশে চিকচিক করছিল বালু। কাফনের কাপড়টুকুতেও লাগেনি সামান্য দাগ।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বিকেলে রংপুর মহানগরীর নব্দীগঞ্জ গোদা-শিমলা এলাকায় এ ঘটনাটি
ঘটেছে। বিরল এ ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
রংপুর-কুড়িগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে
রংপুর মহানগরীর নব্দীগঞ্জ গোদা-শিমলা এলাকায় গ্যাসের সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ চলছিল।
এ কারণে সেখান থেকে কয়েকটি কবর স্থানান্তরের উদ্যোগ নেন স্বজনরা। দুইদিনে ৪টি কবর স্থানান্তরের
পর আরেকটি কবর খুড়তেই ঘটে আশ্চর্যজনক ঘটনা। দেখা গেল, অক্ষত অবস্থায় ধবধবে সাদা কাপড়
দিয়ে মোড়ানো আছে লাশ।
স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ২০১০ সালে
সেখানে কবরস্থ করা হয়েছিল মরহুম আব্দুস সামাদকে। ১৫ বছর আগের সেই পুরোনো কবরটি স্থানান্তর
করতে গিয়ে এ ঘটনায় অবাক তারা। দ্বিতীয়বার স্বচোক্ষে অবিকল অভিভাবককে দেখতে পারায় অবাক
মরহুমের স্বজনসহ পুরো গ্রামবাসী।
জানা গেছে, ১০৫ বছর বয়সে সম্পূর্ণ সুস্থ
অবস্থায় নিজ বাড়িতে মারা যান আব্দুস সামাদ। ছিলেন কৃষিকাজের সাথে যুক্ত। তিনি আট ছেলে
ও চার কন্যাসন্তানের জনক। এরমধ্যে তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে মারা গেছেন।
আব্দুস সামাদের ছেলে জানান, আমার বাবা
যেদিন মারা যান, সেদিন বাড়ির পাশের পুকুরে একাই তিনি গোসল করেন। এরপর তিনি পুকুর থেকে
উঠে এসে চেয়ারে বসলে ওই অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি ধার্মিক মানুষ ছিলেন। কবর থেকে
মরদেহ উত্তোলনের পর তাকে পাশে অন্যদের সাথে দাফন করা হয়। তার শরীরের সবকিছুই স্বাভাবিক
মনে হয়েছে। শুধু শরীরের চামড়াটা শুকিয়ে গেছে।
আব্দুস সামাদের আরেক ছেলে জানালেন,
তার বাবার শরীরের কোথাও কোনো পচন ধরেনি। এমনকি কাফনের কাপড়ও নষ্ট হয়নি। তাকে কোনো কিছুই
স্পর্শ করেনি। হজের ইহরামের কাপড় দিয়ে তাকে কবরস্থ করা হয়েছিল। যেভাবে তাকে কিবলামুখী
করে রেখেছিলাম সেভাবেই কবরে ছিল। আলহামদুলিল্লাহ এটা আল্লাহর বান্দার প্রতি তার রহমত
ছাড়া আর কিছুই নয়।
স্থানীয়রা জানান, ১৫ বছর আগে আমরা তাকে
কবরস্থ করার সময় যেভাবে দাফন করেছিলাম। সেদিন ওই অবস্থায় তার লাশ কবর থেকে উত্তোলন
করা হয়। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য লাশের হাত-পায়ের সামান্যতম পরিবর্তন হয়নি।
ধাপ সাতগাড়া বায়তুল মোকাররম মডেল কামিল
মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আনম হাদিউজ্জামান জানান, এ ধরনের ঘটনা অস্বাভাবিক নয়, যারা
দুনিয়াতে সবকিছু ভুলে আল্লাহর আদেশ নিষেধ মেনে চলেন তাদেরকে কবরে সুসংবাদ দেওয়া হয়।
কবর পোকা-মাকড়ের ঘর হলেও তাদের কোনো কিছুই স্পর্শ করে না। শুধু তাই নয় ইসলামের পথে
থাকা ওইসব ব্যক্তির দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ নিজের। আল্লাহ ওই ব্যক্তিকে তার ভালো কাজের
জন্য পুরস্কার হিসেবে এটা দিয়েছেন। কারণ এটা আল্লাহর প্রতিশ্রুতি। আল্লাহ ঘোষণা দিয়েছেন
যারা আল্লাহর হয়ে যান, আল্লাহ তার হয়ে যান।
মন্তব্য করুন


রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রুমা-থানচি-রোয়াংছড়ি মালিক সমিতির অফিস সহকারী মিলন দাশ বলেছেন বান্দরবান থেকে রুমা-থানচিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে মালিক সমিতি ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কিছুদিন আগে বান্দরবান-থানচি সড়কে চলাচলকারী বাসগুলো থেকে বাৎসরিক চাঁদা দাবি করে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। সে সময় প্রায় তিন-চার দিন বাস চলাচল বন্ধ ছিল। চাঁদা না দেওয়ায় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৫টায় রুমার রিঝুকপাড়ায় স্থানীয় যুবক উহ্লা চিং মার্মাকে (৩৫) গুলি করে আহত করে সন্ত্রাসীরা আর এ ঘটনায় উত্তেজিত হন স্থানীয়রা আর বর্তমানে এসব সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন স্থানে মহড়া দিতে দেখা যাচ্ছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে নিরাপত্তার স্বার্থে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
রুমা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ২ নম্বর রুমা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শৈমং মারমা (শৈবং) বলেন, রুমায় এখন রাস্তায় রাস্তায় কুকিচিন আর্মির সদস্যরা টহল দিচ্ছে। মানুষজনকে হুমকি ও মারধর করছে। এ কারণে রুমা থেকে বান্দরবান সড়কে কোনও বাস ও যানবাহন চলছে না।
বান্দরবান-রোয়াংছড়ি-রুমা-থানচি মোটরযান পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আলম বলেন, সকাল থেকে বান্দরবান, বাঘমারা ও রোয়াংছড়ি সড়কে বাস চলাচল স্বাভাবিক আছে। তবে রুমা ও থানচি স্টেশন থেকে সকাল থেকে কোনও বাস ছেড়ে আসেনি। লাইনম্যানের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, কুকিচিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) বাস না চালানোর জন্য নিষেধ করেছে তাই বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান এ বিষয়ে বলেন, রুমা থেকে বান্দরবানে সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে শুনেছি। সকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহলও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখনও এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন জানান, থানচি সড়কে সন্ত্রাসীদের অস্ত্রসহ মহড়া দেওয়ার খবর শোনা যায়নি। তবে সম্প্রতি রুমায় এক বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে নিরাপত্তার জন্য বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে।
মন্তব্য করুন


বরিশাল-ঢাকা রুটের এমভি মানামী লঞ্চ থেকে এক তরুণী কীর্তনখোলা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন ।
গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) রাতে বরিশাল নৌ বন্দরে এই ঘটনা ঘটে।
এক যুবক তাকে চড় দিলে অভিমানে ওই তরুণী লঞ্চ থেকে ঝাঁপ দেন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ঘটনার পর পর নৌ পুলিশ ও ঘাটে উপস্থিত থাকা লোকজন ওই তরুণীকে নদী থেকে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ সকল তথ্য নিশ্চিত করেছেন সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল জলিল।
তিনি বলেছেন, লঞ্চ পন্টুন ত্যাগ করার কিছুক্ষণ আগের ঘটনা। তরুণী নদীতে ঝাঁপ দেয়। নৌ পুলিশের সদস্য ও ঘাটে উপস্থিত থাকা লোকজন তাৎক্ষণিক নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে তরুণীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এই কর্মকর্তা বলেছেন, ওই তরুণী কি কারণে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা পরিবারের পক্ষ থেকে বলেনি।
এমভি মানামী লঞ্চের মাস্টার আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, এক যুবকের সঙ্গে ওই তরুণী লঞ্চের নিচতলার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। তারা দুজনে ঝগড়াও করছিলেন। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ওই তরুণীকে একটা চড় দেয় তরুণ। এরপরই তরুণী নদীতে ঝাঁপ দেন। তবে এক লোক সঙ্গেসঙ্গেই নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়া তরুণী এমভি মানামী লঞ্চের যাত্রী ছিলেন না বলে জানান তিনি।
মারুফ নামের এক যাত্রী বর্ণনা দেন, প্রথমে দুজনের মধ্যে উচ্চস্বরে কথাবার্তা শুনি। এরপর চড়-থাপ্পড়ের ঘটনা ঘটলে মেয়েটি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে দেয়।
মন্তব্য করুন


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন সাবিকুন নাহার তামান্না। তিনি ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল থেকে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। আজ বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
ডাকসু নির্বাচনে তিনি সদস্য পদে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ১০ হাজার ৮৪টি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে গতকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ভোটে দিনভর ছিল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, উচ্ছ্বাস ও উত্তেজনা।
সাবিকুন নাহার তামান্না কুমিল্লা জেলা দেবিদ্বার উপজেলা ইউছুফপুর গ্রামে ছফর উদ্দিন সরকার বাড়ীর মোঃ বেলাল হোসেনের দ্বিতীয় মেয়ে তিনি বর্তমান গাজীপুর জেলা কালিয়াকৈর উপজেলা বসবাস করেন, তিনি ২০১৫ সনে থেকে সপরিবারে গাজীপুরে বসবাস করছেন,তার বাবা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কালিয়াকৈর উপজেলার আমীর হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। ডাকসু নির্বাচন ২০২৫-এ প্যানেলটি ২৮টি কেন্পদের মধ্যে ২৩টিতেই জয়লাভ করেছে। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন
সাবিকুন নাহার তামান্নার বাবাকে মেয়ের জয়ের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ক্যাম্পাস শহীদ আব্দুল মালেক, শহীদ নিজামী, শহীদ অধ্যাপক গোলাম আজম এর বিজরিত পদধূলি, এবং ২৪শে জুলাইয়ে বিল্পবের গণআন্দোলন সিপাহিদের আত্ম ত্যাগের ক্যাম্পাস, আমি সকল শহীদে আত্মা মাগফিরাত কামনা করছি, সকল শিক্ষার্থীদের কাছে আমি ও আমার পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী কুমিল্লা (০৪) এর মনোনীত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম শহিদকে সাবিকুন নাহার তামান্না বিজয়ী বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাবিকুন নাহার তামান্না আমাদের দেবিদ্বারের গর্ব পাশ্চাচ্য খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাহী সদস্য পদে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোটে নির্বাচিত হয়ে সে আমাদের দেবিদ্বারকে সম্মানিত করেছে আমরা এই প্রিয় মেধাবী নেত্রীর প্রতি শুভ কামনা রহিল, আগামী দিনে বৃহত্তর অঙ্গনে সে তার মেধা প্রতিভা দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করবে এবং নারী জাগরণের ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে। আমি তার পরিবারের সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।
এইদিকে’ সাবিকুন নাহার তামান্নার এ অর্জনে দেবিদ্বারসহ কুমিল্লা জেলায় আনন্দের বন্যা বইছে।
মন্তব্য করুন


মো:
মাসুদ রানা,কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
মুড়ি ভাজার কারখানা চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কাদলা গ্রাম। মাহে রমজানকে সামনে রেখে দেশীয় মুড়ি ভাজার কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন ওই গ্রামের পালবাড়ির বাসিন্দারা। এ যেন কারিগরদের ধম নেয়ারও সময় নেই।
সরেজমিনে কাদলা গ্রামের পাল বাড়িতে গিয়ে কয়েকজন মুড়ি ভাজার কারিগরদের সাথে কথা হয়। ওই গ্রামের বিমল পাল,শ্যামল পাল, যুবরাজ,অমর পাল ও অজয় পাল জানান,মুড়ি ভাজা আমাদের বাপ-দাদার ঐতিহ্যগত পেশা হিসেবে মুড়ি ভাজার কাজে আছি। সংসারের হাল ধরার একমাত্র উপার্জনক্ষন ব্যক্তি হিসেবে তারা বংশগত এ পেশার উপরেই নির্ভরশীল রয়েছেন বলেও তারা জানান।
তারা আরো জানান, মুড়ি ভাজতে অনেক পরিশ্রম হয়। বর্তমান যুগে মুড়ির চাহিদা কমে যাওয়ায় তাদের এখানে আগের মতো এখন আর কেউ মুড়ি ভাজতে আসে না। প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ কেজি মুড়ি ২০ টাকা প্রতি কেজি ধরে ভাজা হয় প্রতিটি পরিবারে। প্রতি কেজি মুড়ি তারা ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি করেন। এক সময় এ গ্রামে ২৫টি পরিবার মুড়ি ভাজার কাজে থাকলেও বর্তমানে ৩/৪টি পরিবার মুড়ি ভাজার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। ধানের দাম বেশি হওয়ায় এবং আধুনিক মেশিনে মুড়ি ভাজায় হাতে ভাজা মুড়ির চাহিদা অনেকটাই কমে গেছে। তবে রমজান আসলে একটু চাহিদা থাকলেও বছরের অন্যান্য সময় অনেকটা অলস সময় কাটাতে হয় তাদের। মুড়ি ভাজতে লবন, বালু লাগলেও এতে সহায়ক হিসেবে মাটির চুলা, লাকরি ও মাটির কড়াইয়ে মুড়ি ভাজা হয়। এতে এক একটি পরিবারের ৪ থেকে ৫ জন সদস্য সার্বক্ষনিক মুড়ি ভাজার কাজে সহায়তা করে থাকেন।
এমনি ভাবে কাদলা পাল বাড়ির অজয় পাল, যুবরাজ পাল, বিমল পাল, দিলিপ পাল, বিষ্ণু পদ পাল, বিমল পালের পরিবারও এ মুড়ি ভাজার কাজ করে তাদের সংসার চালিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। তবে তারা জানান, এ পেশায় আগের মতো চাহিদা না থাকায় এবং লোকজন আগের মতো মুড়ি না ভাজায় বাধ্য হয়ে বংশগত পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে অনেকে।
তাদের দাবি বাপ-দাদার ঐতিহ্যগত এ পেশা বদল করতে চাইলেও পারছে না এবং কাছা-কাছি এলাকায় বৃহৎ বাজার না থাকায় ইচ্ছা করলেও ব্যবসা করতে পারছে না তারা।
বিমল পাল,শ্যামল পাল ও অমর পাল জানান, চলতি বছর এক মন ধান ১৭-১৮শ টাকায় ক্রয় করতে হয়। মুড়ির দাম কম হওয়ায় এবং আগের মতো মানুষের হাতে ভাজা মুড়ি ক্রয়ে আগ্রহ না থাকায় এ পেশায় আমাদের এখন আর পোষে না। আমরা বাপ দাদার ঐতিহ্য পেশায় ধরে রাখলে ভবিষ্যত প্রজন্ম আমাদের ছেলেরা এ পেশায় থাকবে না। তারা আরো জানান, ইচ্ছা করলেই এ পেশা বদল করা যায় না। তাই সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা কিংবা এনজিও সংস্থার ঋণ সহায়তা নিয়ে এ পেশাকে এগিয়ে নিতে চান কাদলা গ্রামের মুড়ি ভাজার কারিগড়রা ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
আজ (১১ জুন) সকালে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটা চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে
কোতয়ালী মডেল থানাধীন টিক্কারচর ব্রীজ -টু-পালপাড়া গামী রোডের উত্তর পাশ হতে ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী মোঃ ইকবাল
হোসেন ওরফে শুক্কুর আলীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন রাজমঙ্গলপু এলাকার আবুল মিয়ার
ছেলে মোঃ ইকবাল হোসেন ওরফে শুক্কুর আলী (৪০)।
উক্ত ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল
থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১টি বিদেশী পিস্তল, ১টি ম্যাগজিন,
২ রাউন্ড গুলি ও ১টি মোটর সাইকেলসহ তিনজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা।
বৃহস্পতিবার রাতে কোতয়ালী মডেল থানার
এসআই (নিঃ) মো: মনির হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন
২নং দূর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নের আড়াইওড়া ভোলানগর গ্রামে রুপা ব্রিক ফিল্ডের পাশে সেলিম
মিয়ার মুদি দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপরে ১টি মোটর সাইকেলযোগে তিনজন ব্যক্তি চেকপোষ্টের
কাছাকাছি পৌঁছে পুলিশের উপস্থিতি দেখে মোটর সাইকেল দ্রুতগতিতে চালিয়ে পালানোর চেষ্টা
করলে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিদেরকে দেহ তল্লাশী করে মোঃ মোজাম্মেল এর প্যান্টের
নিচে কোমরে গোজা অবস্থায় ১টি বিদেশী পিস্তল ও ওমর ফারুক এর প্যান্টের ডান পকেট থেকে
১টি ম্যাগজিন ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: কুমিল্লা
জেলার আড়াইওড়া এলাকার আব্দুল আউয়াল এর ছেলে মো. মোজাম্মেল (২৯), বুড়িচং উপজেলার মোকাম
গ্রামের ইয়াছিন মিয়ার ছেলে ওমর ফারুক(৩২), একই এলাকার মোঃ তাজুল ইসলাম এর ছেলে শাহপরান
সোহাগ (৩০)।
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা
দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন