

মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা–৬ (আদর্শ সদর, কুমিল্লা মহানগরী,
সদর দক্ষিণ ও সেনানিবাস এলাকা) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মাদ বলেন,
বেবিস্টেন্ডে চাঁদা বন্ধ হবে, কোন সিএনজি চালক বিশ টাকা চাঁদা দিতে হবে না, স্থানীয়
বেবিস্টেন্ডে চাঁদা দিতে হয় এতে সমাজে ক্ষোভ ছড়িয়েছে, চাঁদাবাজ, দুর্নিতিবাজকে লালকার্ড
দেখাবো।
আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) দিনব্যাপী গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, নির্বাচনি অফিস উদ্বোধন ও সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তিনি মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
দিনের
কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা উত্তর ইউনিয়নে নির্বাচনি
অফিস উদ্বোধন করেন মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মাদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন
সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা নেছার উদ্দিন লস্কর।
এতে
উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গণি, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. আবদুল মুমিন, মো.
মিজানুর রহমান ও সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট আরিফুজ্জামান।
উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মাদ বলেন, মাদকমুক্ত সুন্দর একটি
কুমিল্লা গঠন আমাদের অঙ্গীকার। সমাজ পরিবর্তন ও দুর্নীতি রুখতে সংসদে সৎ ও আদর্শবান
প্রতিনিধি প্রয়োজন।
তিনি
আরও বলেন, ‘আদর্শবান নেতৃত্ব থাকলে সমাজ ও রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব। ডা.
সফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দেশে ন্যায়, ইনসাফ ও সুশাসনের পথে এগোনোর সুযোগ এসেছে।
তিনি জামায়াতে ইসলামীকে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ উল্লেখ করে অতীতের ভুলভ্রান্তির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার সুযোগ দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি
আরও বলেন, বেবিস্টেন্ডে চাঁদা বন্ধ হবে, কোন
সিএনজি চালক বিশটাকা চাঁদা দিতে হবে না,স্থানীয় বেবিস্টেন্ডে চাঁদা দিতে হয় এতে সমাজে
ক্ষোভ ছড়িয়েছে, চাঁদাবাজ, দুর্নিতিবাজকে লালকার্ড দেখাবো।
এ
ছাড়া একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেরুয়ালি গ্রামে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত
হয়। এতে বক্তব্য দেন মাওলানা মামুন হোসাইন হাবিবি, হাফেজ মো. সোলাইমান, মাওলানা মো.
আইয়ুব, ইউনিয়ন সহ-সভাপতি মো. সলিমুল্লাহ, ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি মো. আব্দুল হালিমসহ
স্থানীয় নেতারা।
সভায়
মেরুয়ালি গ্রামের নতুন কমিটির সভাপতি হিসেবে মো. জসিম উদ্দিন ও সেক্রেটারি মো. হেদায়েতুল্লাহ
এবং নগরকান্দি গ্রামের সভাপতি মো. আইয়ুব আলী ও সেক্রেটারি ডা. সৈকতের নেতৃত্বে ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট
পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়।
বিশেষ
অতিথির বক্তব্যে মাওলানা ফারুক হোসাইন বলেন, সমাজ সংস্কার ও ন্যায়–ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য দাঁড়িপাল্লার
পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি কল্যাণমুখী ও শান্তির সমাজ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার
আহ্বান জানান।
এর
আগে রাজেন্দ্রপুর, বাংলাবাজার ও আমরাতলি ইউনিয়নের
তেলকুপি বাজারে গণসংযোগ পরিচালনা করেন কাজী দ্বীন মোহাম্মাদ। এ ছাড়া দৌলতপুর বড় মসজিদে
এক জানাজায় অংশগ্রহণ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


বন্যার পানি কমে এলেও কমেনি মানুষের দুর্ভোগ, মানুষের কষ্ট।
গৃহহীন মানুষগুলো আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে।
এ মানুষগুলোর ঘরবাড়ি পুনর্বাসনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেক।
কুমিল্লায় স্মরণকালের ইতিহাসের ভয়াবহ বন্যায় অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিবেক যেটি হলো মানবতার তরে কাজ করা সামাজিক সংগঠন মানুষদের আশ্রয়স্থল পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে।
এ উদ্যোগেরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ১১সেপ্টেম্বর বিবেক এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু এর নেতৃত্বে কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের নমষোদ পাড়া ও ইন্দ্রবতি গ্রাম এবং কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের বালেশ্বর গ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তের মাঝে গৃহ পূর্ণনির্মাণের জন্য নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয় ।
অসহায় মানুষের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস নিয়ে বিবেকের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবর শুনে রাফেয়া আক্তার (২১) নামের এক গৃহবধূ গলায়
ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
তিনি উপজেলার জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের আতাকরা গ্রামের প্রবাসী ওবায়দুল ইসলামের স্ত্রী।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে
ঘটনাটি ঘটেছে।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবুল হাসেম সবুজ।
স্বাস্থ্য কপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেল ৩ টায় রাফেয়া আক্তারকে তার স্বামী ওবায়দুল ইসলাম ও প্রতিবেশী এক নারীসহ হাসপাতালে নিয়ে আসে। এ সময় তার গলায় কালো জখমের চিহ্ন দেখা যায়। ডাক্তার পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাফেয়ার স্বামী ওবায়দুল ইসলাম গত ৯ সেপ্টেম্বর স্ত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। আর স্বামীর বিয়ের খবর প্রথম স্ত্রী রাফেয়া সোমবার দুপুরে জেনে যায়। ক্ষোভে তিনি বসতঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
রাফেয়ার চাচা শ্বশুর খোকন মিয়া বলেন, ওবায়দুল ইসলাম ১৫ দিনের ছুটিতে ওমান থেকে দেশে আসে। দেশে আসার আগে ওবায়দুল মুঠোফোনে ঢাকার এক মেয়েকে বিয়ে করে।
বিষয়টি সোমবার তার প্রথম স্ত্রী জেনে যায়। আমরা তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলি এই বাড়িতে তুমি ছাড়া অন্য কোনো নারী আসতে পারবে না। তারপরও সে সবার অজান্তে স্বামীর ওপর অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
কর্তব্যরত চিকিৎসক আবুল হাসেম সবুজ বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই রাফেয়ার মৃত্যু হয়। তার গলায় কালো জখমের দাগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি গলায় ফাঁস দেওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ টি এম আক্তার উজ জামান জানান, গলায় ফাঁস দিয়ে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার সংবাদ পেয়ে পুলিশ গিয়ে হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা ইয়ুথ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের
(২০২৫-২৬) ১৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৬ জুন সাধারণ সভা শেষে ৩০ জুন
দুপুরে সবার মতামতের ভিত্তিতে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে কুমিল্লা টোয়েন্টি
ফোর টিভির হেড অব নিউজ তামজিদ হোসেন লিপুকে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক খোলা কাগজের জেলা প্রতিনিধি
শাহ ইমরান ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দৈনিক পূর্বাশার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ম্যাক রানাকে
নির্বাচিত করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য পদে সিনিয়র সহ সভাপতি
পদে দৈনিক পূর্বাশার সিনিয়র প্রতিবেদক মো:
আলাউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ডেইলি বাংলাদেশ মিররের বিশেষ প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন
সোহেল, কোষাধ্যক্ষ পদে চ্যানেল বাংলাদেশের জুয়েল খন্দকার, দপ্তর সম্পাদক পদে দৈনিক
আজকের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক
পদে দৈনিক সংবাদের সৈয়দ রাজিব, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে চ্যানেল বাংলাদেশের কন্ট্রিবিউটর বি এম মহিউদ্দিন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক
সম্পাদক পদে দৈনিক আজকের কুমিল্লার বার্তা সম্পাদক নাছরিন আক্তার ও আমোদ- প্রমোদ বিষয়ক
সম্পাদক পদে দৈনিক পূর্বাশার সিনিয়র ডেস্ক ইনচার্জ সাবিয়া সুলতানা রয়েছেন।
নির্বাহী সদস্য পদে রয়েছেন বৈশাখী টিভির
প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন, ডেইলি বাংলাদেশ মিররের সিনিয়র রিপোর্টার এড. সুদীপ রায় , দৈনিক মানবকন্ঠের মাহবুবুল আলম
আরিফ ও দৈনিক যায় যায় দিনের বেলাল হোসাইন।
এ কমিটির উপদেষ্টা পদে রয়েছেন দৈনিক
ইনকিলাবের স্টাফ রিপোর্টার সাদিক হোসেন মামুন, দৈনিক পূর্বাশার নির্বাহী সম্পাদক মাহবুব
আলম বাবু, কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম বিপুল, দৈনিক আজকের কুমিল্লার সম্পাদক
ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, মোহনা টিভির প্রতিনিধি তাওহিদ হোসেন মিঠু, বাসসের প্রতিনিধি দেলোয়ার
হোসাইন আকাঈদ।
এছাড়া কমিটিতে সদস্য পদে রয়েছেন জিটিভির প্রতিনিধি সেলিম রেজা মুন্সি, দৈনিক আজকের জীবনের নেকবর হোসেন, দৈনিক বাংলার আলোড়নের বার্তা সম্পাদক হাবিবুর রহমান খান, মাই টিভির প্রতিনিধি আবু মুসা, দৈনিক রূপসী বাংলার এন কে রিপন, আরটিভির প্রতিনিধি জহিরুল হক বাবু, সময় টিভির প্রতিনিধি ইসতিয়াক আহমেদ, দৈনিক পূর্বাশার জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জাগরণী টিভির প্রতিনিধি আশিকুর রহমান আশিক, দৈনিক আলোকিত কুমিল্লার সম্পাদক সাইফুল সুমন, সাপ্তাহিক মেগোতীর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আসিফ মান্না, সারাবাংলা টোয়েন্টি ফোরের প্রতিনিধি রাসেল সোহেল, এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ, কুমিল্লা টোয়েন্টি ফোর টিভির আব্দুল মোতালেব নিখিল, ঢাকা মেইলের প্রতিনিধি সাকলাইন জোবায়ের, জাগো কুমিল্লার সম্পাদক অমিত মজুমদার, দৈনিক পূর্বাশার স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান মুন্না, দৈনিক ইত্তেফাকের দাউদকান্দি প্রতিনিধি শরীফ প্রধান, বার্তা টোয়েন্টি ফোরের মঈন নাসের খান রাফি, চ্যানেল এস এর প্রতিনিধি রাজিব সাহা, ডিবিসি টিভির ক্যামেরাপার্সন বিপ্লব।
মন্তব্য করুন


পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যাসোসিয়েশন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় -এর উদ্যোগে এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগিতায় ‘বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ ও বাংলাদেশের বাস্তবতা’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান।
বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসাইন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুর রহমান জীবল এবং ড. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। সেমিনারটির সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল।
এছাড়া লোকপ্রশাসন এবং আইন বিভাগের শিক্ষকগণও উক্ত সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণ এবং পৃথকীকরণ পরবর্তীতে বাংলাদেশের ওপর কী প্রভাব পড়বে- এ বিষয় নিয়ে সেমিনারটি আয়োজন করা হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, 'বাংলাদেশের চালিকাশক্তির তিনটা স্তম্ভ হলো-আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগ। এ তিনটা বিভাগের মধ্যে একধরনের প্রতিযোগিতা হওয়া দরকার ছিল, কোন বিভাগ কত ভালো করবে। স্বাধীনভাবে দেশ পরিচালনা করতে হলে বিচার বিভাগকে স্বাধীন হতে হবে। যারা নির্বাহী বিভাগে কাজ করেন তাদেরও স্বাধীন হতে হবে। অন্যথায় আবার সেই ফ্যাসিজম আরও ভয়ানকভাবে ফিরে আসবে।'
অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসেন বলেন, 'কীভাবে রাষ্ট্র কাঠামো হবে এর ওপর অনেকে তাদের বিজ্ঞ মতামত দিয়েছেন। আপনি একটা রাষ্ট্রের সংবিধান করবেন, আইন করবেন কিন্তু সেটা জনবান্ধব অথবা সেটা জনগণের জন্য কল্যাণকর কি-না, সংবিধান সেটা দেখার দায়িত্ব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট কে। কোনো আইন যদি জনকল্যাণকর না হয় তাহলে সুপ্রিমকোর্ট সেই আইন ডিক্লাইন করে দেয়।
তিনি আরও বলেন, '১৭৩১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ১৮৬ বছরে ১৮২ বার বিচার বিভাগকে আলাদা করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে। কারণ রাজা যে শাসন চালাবে, কেউ যদি তাকে হস্তক্ষেপ করে তাহলে সে তো এটা স্বাভাবিকভাবে নিবে না। ২০০৭ সালে আমার মামলায় (মাসদার হোসেন মামলায়) বিচার বিভাগকে কাগজ-কলমে আংশিক স্বাধীন করা হলেও আসলে এটি স্বাধীন হয়নি। তবে এখন সংস্কার কমিটির কাজ চলমান আছে।'
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, 'আমরা আশা করি বাংলাদেশ একটি উন্নত বিচার ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাবে। যেখানে মানুষ মনে করবে এটা তার শেষ আশ্রয়স্থল। সেখানে গিয়ে সে ন্যায় বিচার পাবে, সে যেই রাজনৈতিক দলের হোক, যে ধর্মের হোক, দুর্বল কিংবা শক্তিশালি হোক।'
সেমিনারটির সভাপতি মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, 'রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ণের কারণে প্রশাসক ও বিচারকদের স্বাধীনতা আমাদের দেশে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। মাসদার হোসেন মামলা ২০০৭ সালে ফয়সালা হয়েছে। উনি একজন জীবন্ত কিংবদন্তি, নিজেই একজন প্রতিষ্ঠান। দেশে-বিদেশে মাসদার হোসেন মামলা এখন পঠিত বিষয়। তিনি একজন বিচারক এবং আইন সংস্কার কমিশনেরও একজন সদস্য।'
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার
চাঞ্চল্যকর ৩য় শ্রেণীর পড়ুয়া ৮ বছরের শিশু ধর্ষণ এর ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামী মাওলানা
নাছির পাটোয়ারীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গত ৪ জুলাই
কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানাধীন খালিশা এলাকায় ৮ বছরের এক মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশুকে
ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ভিকটিমের মা বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দিাদ থানায় নারী ও
শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ধর্ষণের ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে গুরুত্ব সহকারে প্রচারিত হলে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। উক্ত
ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১১ ও র্যাব-১০
এর যৌথ অভিযানে গত ১১ জুলাই রাতে ঢাকা জেলার হাজারীবাগ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা
করে ধর্ষক মাওলানা নাছির পাটোয়ারী কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানাধীন খালিশা এলাকার মৃত আব্দুস সামাদ পাটোয়ারীর
ছেলে মাওলানা নাছির পাটোয়ারী (৪২)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে
গ্রেফতারকৃত আসামী ধর্ষণের ঘটনার সাথে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে।
স্থানীয় সূত্রে
জানা যায়, ভিকটিমের পিতা মালেশিয়া প্রবাসী এবং তার মা একজন গৃহিনী। ভিকটিম এবং তার
ভাই স্থানীয় খালিশা মোহাম্মাদিয়া মিসবাউল উলুম মাদ্রাসায় তৃতীয় শ্রেণীতে অধ্যায়নরত
রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী মাওলানা নাছির পাটোয়ারী উক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিচালক।
প্রতিদিনের মতো ঘটনার দিন গত ৪ জুলাই ২০২৪ইং তারিখে ভিকটিম ও তার ভাই মাদ্রাসায় যায়।
ঘটনার দিন প্রবল বর্ষণের কারণে মাদ্রাসার অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী অনুপস্থিত ছিল। গ্রেফতারকৃত
আসামী নাছির পরিবারসহ মাদ্রাসার পিছনের একটি বাড়িতে বসবাস করতো এবং ঘটনার দিন আসামীর
পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে অনুপস্থিত ছিল। মাদ্রাসায় ছাত্র-ছাত্রীদের কম উপস্থিতি এবং
গ্রেফতারকৃত আসামীর পরিবারের অনুপস্থিতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে আসামী নাছির মাদ্রাসার
পিছনে অবস্থিত তার বাসা ঝাড়ু দেয়ার জন্য ভিকটিমকে ডেকে নিয়ে যায়। ভিকটিম বাসায় প্রবেশ
করলে গ্রেফতারকৃত আসামী তার বাসার দরজা লাগিয়ে দেয় এবং ভিকটিমকে তার খাটের উপর নিয়ে
ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের একপর্যায়ে ভিকটিম চিৎকার করলে
গ্রেফতারকৃত আসামী ভিকটিমকে উক্ত ঘটনা গোপন রাখতে বলে এবং প্রকাশ করলে তাকে মেরে ফেলার
হুমকি দেয়। বাড়িতে আসার পর ভিকটিমের কান্নাকাটির কারণ ভিকটিমের পরিবার জানতে চাইলে
একপর্যায়ে ভিকটিম মাদ্রাসায় ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা বর্ণনা করে। ঘটনার পর গ্রেফতারকৃত
আসামী নিজ এলাকা ছেড়ে ঢাকায় পালিয়ে যায় এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে সেখানে
আত্মগোপন করে।
উক্ত বিষয়ে
গ্রেফতারকৃত আসামীকে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার
আদর্শ সদর উপজেলার ৫ নম্বর পাঁচথুবী ইউনিয়নের শিবির বাজার এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে
ইসলামীর কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও মহানগরী আমীর কাজী দ্বীন
মোহাম্মদ গণসংযোগ করেছেন।
আজ
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত এ গণসংযোগে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে বিপুল সংখ্যক
জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রতি ব্যাপক সমর্থন চোখে পড়ে।
অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আমীর কাজী মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদের। এ সময় উপস্থিত ছিলেন
১ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর মাস্টার, ২ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ও বিশিষ্ট
সমাজকর্মী ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, মোঃ শাহ আলম ওরফে জামাই শাহ আলম, বাজারের বিশিষ্ট
ব্যবসায়ী মোঃ হিরন, ব্যবসায়ী আমির হোসেন বাবু এবং ২ নম্বর ওয়ার্ড সেক্রেটারি মাওলানা
মোঃ মাহবুবসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
প্রধান
অতিথির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, “জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ে ইসলামী আন্দোলনের
কোনো বিকল্প নেই। আল্লাহর জমিনে আল্লাহর আইন বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে দাঁড়িপাল্লার
পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
তিনি
নেতা-কর্মীদের দাওয়াতি কাজ আরও গতিশীল ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করে মাদক ও নগদ অর্থসহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়িকে আটক করা হয়।
বুধবার (২ অক্টোবর) যৌথবাহিনী এই অভিযান পরিচালনা করেন।
উক্ত
অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ ইব্রাহিম হোসেন (২৭), মোঃ মিতন মিয়া (২৫), মোঃ মাহফুজ মিয়া
(৩৫), মোছাঃ সুলতানা বেগম (৪৭) ও মোছাঃ ফাতেমা বেগম (৪৫) নামক ৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে
আটক করা হয় ।
আটককৃতদের কাছ থেকে ৪৭ বোতল হুইস্কি, ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২ কেজি গাঁজা, ৬২০টি ফয়েল
পেপার, ৫টি এন্ড্রয়েড মোবাইল ও নগদ ৩২ হাজার ১৪০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তি এবং উদ্ধারকৃত মাদক বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অবৈধ
অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদেরকে আটক না করা পর্যন্ত যৌথ বাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত থাকবে
বলে সেনাবাহিনী সূত্র জানায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা শিশু পার্ক এমন এক জায়গায় যেখানে আনাগোনা সব বয়সী মানুষের হয়, ছোট থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত।
শিশুরা এসে ঘুরে বেড়ানোর জন্য এখানে অনেক রাইড,দোলনা সহ অনেক কিছু যেমন আছে বয়সী ব্যক্তিরা এসেও যেন এখানে দু'দন্ড গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতে পারে তেমন পরিবেশ রয়েছে।
সারা দেশের দেয়ালগুলো শিক্ষার্থীদের আঁকা গ্রাফিতিতে সুন্দরভাবে সেজে উঠেছে।
কুমিল্লার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই শিশু পার্কের দেয়ালগুলো এর ব্যতিক্রম নয়।
বর্ণিল ক্যালিগ্রাফি আর গ্রাফিতিতে ভরে উঠেছে শিশু পার্কের প্রবেশের তোরণ।
মন্তব্য করুন


আন্তঃজেলা ট্রান্সফরমার চোর চক্রের মূল হোতাসহ আরো ৮ সদস্য গ্রেফতার এবং চোরাই মালামাল উদ্ধার করেছে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গত ২৪ জানুয়ারি রুজুকৃত বুড়িচং থানার মামলা নং-১৮, তারিখ-২৪/০১/২০২৪, ধারা- ২০১৮ সালের বিদ্যুৎ আইনের ৩৫ এর রহস্য উদ্ঘাটন পূর্বক গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ মনির হোসেন (৩২), ২। মোঃ সোহেল (৩০), ৩। কামরুল হাসান (৩২), ৪। মাঈনউদ্দিন (২৮), ৫। রুবেল আহমেদ @মিন্টু (২৯) দের গত ০৪/০২/২০২৪খ্রিঃ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। বিজ্ঞ আদালতে আসামি সোহেল ও মাঈনউদ্দিন ফোজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
উল্লেখ্য যে, তারা কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন থানায় ট্রান্সফরমার চুরি সংক্রান্তে রুজুকৃত ৮টি মামলার ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলো এবং তাদের দেওয়া তথ্য তদন্তকালে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণে সত্যতা পাওয়া যায়।
আসামী মাঈন উদ্দিন (২৮) এর দেওয়া বিজ্ঞ আদালতের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি মোতাবেক কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা করে তথ্য প্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্সের সহায়তায় চোর চক্রের চোরাই মাল ক্রয় -বিক্রয়ের মূল মধ্যস্থতাকারী রুবেল (২৮) কে নোয়াগাঁও চৌমোহনী এলাকায় মা-বাবার দোয়া এন্টারপ্রাইজ দোকানের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়। কুমিল্লার অধিকাংশ চোরাই মাল ক্রয়কারী মাঈন উদ্দিন ঢাকায় চোরাই মাল বিক্রয় করে। ঢাকায় চোরাইমাল ক্রয় চক্রের মূলহোতা ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ এর মালিক দেলোয়ার ও ম্যানেজার মনসুর। তার দেওয়া তথ্য মতে চোরাই মালামাল ক্রয়কারী ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ এর ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম মনছুর কে ঢাকা মিডফোর্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মনসুরের দেখানো মতে ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ নামক দোকান হতে ৫০ কেজি চোরাই তামার তার উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।
উল্লেখ্য, ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক দেলোয়ার পলাতক রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামী রুবেলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে কুমিল্লায় ট্রান্সফরমার চোর চক্রের সাথে জড়িত অনেক সদস্যের নাম প্রকাশ করে। প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে লালমাই থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০৩/০২/২০২৪ ইং, ধারা- ২০১৮ সালের বিদ্যুৎ আইনের ৩৫/৪১ এর পলাতক আসামী চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য ১। রবিউল আলম @ রফিক (২৬) কে নোয়াগাঁও চৌমোহনী এলাকায় থেকে গ্রেফতার করা হয় । তার দেখানো স্থান হতে ২টি ট্রান্সফরমারের খালি খোসা, ৩৩ কেজি ষ্টিলের পাত, ২টি ট্রান্সফরমারের ঢাকনা ও ২টি লোহার তৈরি কয়েলের ঢাকনা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। রবিউল আলম রফিককে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে অত্র মামলার সাথে জড়িত আসামী ২। মেহেদী হাসান শাকিল (২৩), ৩। রুবেল (২৬), ৪। মাসুদ রানা (২৩) দেরকে ভূশ্চি এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয় এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত অটোটি জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী রুবেলের দেওয়া তথ্য মতে, তথ্য প্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্সের মাধ্যমে সদর দক্ষিণ থানার মামলা নং-৭, তারিখ- ০২/০২/২০২৪ ইং, ধারা- ৩৭৯ দন্ডবিধি এর পলাতক আসামী জহিরুল ইসলাম (২৮) কে সদর দক্ষিণ থানাধীন সুয়াগাজি থেকে গ্রেফতার করা হয়। জহিরুল ইসলাম (২৮) এর দেওয়া তথ্য মতে, অত্র মামলার আর এক পলাতক আসামী মোঃ কবির হোসেন (৩০) কে জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে, তারা ট্রান্সফরমার চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা ৩/৪ বছর যাবৎ কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর, চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, দেবিদ্বার, সদর দক্ষিণ থানাসহ বিভিন্ন থানা এলাকায় এবং পাশর্^বর্তী জেলা চাঁদপুর ও নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় ট্রান্সফরমারের তামার তার চুরি করে আসছে। তারা দিনের বেলায় টার্গেট ট্রান্সফরমারের স্থানে রেকি করে এবং রাতের বেলা গিয়ে ট্রান্সফরমারের ঢাকনা খুলে তামার তার নিয়ে চলে আসে। ট্রান্সফরমার থেকে তামার তার চুরি করতে তাদের মাত্র ২০ থেতে ২৫ মিনিট সময় লাগে। চুরি করার পরে ট্রান্সফরমারের খালি খোলস (বক্স) সাধারণত ঘটনাস্থলেই ফেলে দেয়।
উল্লেখ্য যে, আসামী মোঃ কবির হোসেন এর বিরুদ্ধে পূর্বে ৬টি মাদক মামলা রয়েছে। আসামী জহিরুল ইসলাম জহির এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১ টি চুরি মামলা, ৩টি মাদক মামলা, ২টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী মাসুদ রানা এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী মেহেদী হাসান শাকিল এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১ টি চুরি মামলা, ১টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী রবিউল আলম রফিক এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি মাদক ও ১টি মারামারি মামলা রয়েছে। আসামী রফিকুল ইসলাম মনছুর এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি মারামারি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো:
১। মোঃ কবির হোসেন (৩০), পিতাঃ মোঃ জসিম উদ্দিন, সাং-কাদির বক্স বাড়ী, গ্রাম- সৈয়দপুর, থানা- দেবিদ্বার, জেলা- কুমিল্লা,
২। জহিরুল ইসলাম (২৮), পিতাঃ মৃত মোঃ জাকির হোসেন, সাং- পূর্ব পাড়া, গ্রাম- বড় দৌলতপুর, থানা- কোতয়ালী, জেলা- কুমিল্লা
৩। রুবেল (২৬), পিতাঃ মিজান, সাং- চৌকিদার বাড়ী, গ্রাম- দূর্গাপুর, ওয়ার্ড- ১, থানা- সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা।
৪। মাসুদ রানা (২৩), পিতাঃ আব্দুল গফুর, সং- গ্রাম- ভুচ্চি (নুরপুর) মুক্তিযোদ্ধা জহির সাহেবের বাড়ী, থানা- লালমাই, জেলা- কুমিল্লা।
৫। মেহেদী হাসান @শাকিল (২৩), পিতাঃ শুক্কুর আলী,সাং- মোহরী বাড়ী, গ্রাম- চেংহাটা, থানা- লালমাই, জেলা- কুমিল্লা।
৬। রবিউল আলম @রফিক (২৬), পিতাঃ মৃত সুরুজ, সাং- ভুচ্চি( নুরপুর) ডাক্তার বাড়ী, থানা- লালমাই, জেলা-কুমিল্লা।
৭। রুবেল (২৮), পিতাঃ মৃত ফোরকান মিয়া, সাং- আহাম্মদপুর(ধানুর বাড়ী), থানা-নবীনগর, জেলা- ব্রাহ্মনবাড়ীয়া
৮। মোঃ রফিকুল ইসলাম @মনছুর (৪৮), পিতাঃ মোঃ শাহজাহান আলী , সাং- পায়না (প্রামানিক বাড়ী), থানা- ভেড়া, জেলা- পাবনা
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
পৃথক দুইটি অভিযানে কোতয়ালী মডেল থানা এলাকা হতে জাবেদ মিয়া হত্যা মামলার যাবজ্জীবন
সাজাপ্রাপ্ত দুইজন আসামী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৯ সেপ্টেম্বর রাতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন ফৌজদারী মোড় ও বাটপাড়া চৌমুহনী এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে
জাবেদ মিয়া হত্যা মামলার দুইজন যাবজ্জীবন যাজাপ্রাপ্ত আসামী ১। মোঃ আল আমিন এবং ২। রতন দত্ত কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোঃ আল আমিন (৪১) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার লক্ষীপুর গ্রামের মোঃ সেলিম মিয়া
এর ছেলে এবং ২। রতন দত্ত (৩৮) একই জেলার কোতয়ালী মডেল থানার কালিয়াজুরি গ্রামের হরিপদ
দত্ত এর ছেলে।
র্যাব জানান, আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, গত ২৭/০১/২০১২ ইং তারিখে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় ও তার অন্যান্য সহযোগীরা মিলে চাঁদা দাবীর বিষয়ে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাইয়া ভিকটিম মোঃ জাবেদ মিয়া (২৫) কে হত্যা করে। উক্ত ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার বিচারকার্য শেষে বিজ্ঞ আদালত গত ১৮/০৭/২০২৪ ইং তারিখে পেনাল কোড ৩০২/৩৪ ধারায় বর্ণিত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডের রায় প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করে আসামীদ্বয়কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন