

কুমিল্লায় স্ত্রীকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ড
দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের
বিচারক রোজিনা খান এ রায় দেন।
রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাজু আদালতের কাঠগড়ায় অনুপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, খালেদা আক্তারকে বিয়ের পর
থেকেই তার স্বামী রাজু বেকার ছিলেন। এ কারণে মেয়েসন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে
থাকতেন খালেদা।
রাজু ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে
যান। পরের দিন ভোরে স্বামীকে কাপড় ধুয়ে দেয়ার কথা বলেন খালেদা। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির
একপর্যায়ে খালেদার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তার স্বামী।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, খালেদার মরদেহ পুকুর ঘাটের কাছে ফেলে রেখে আসামি পালিয়ে যান। এরপর ঘাটে মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে রাজুকে আসামি করে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানায় হত্যা মামলা করেন খালেদার বাবা।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অতিরিক্ত পিপি আমিনুল ইসলাম ও নুরুল
ইসলাম জানান, তাদের আশা, উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। চাঞ্চল্যকর এ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন ৯ জনকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা জবাইখানার পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। লাকসাম রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহত যুবকের নাম মইন উদ্দিন অন্তর (১৮)। বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে। ওই ঘটনার পর নির্যাতিত অন্তরের মা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১১ দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ওরফে ক্যামেল (৩২), মোঃ ইসমাইল খান (২৫), মিলন হোসেন ওরফে ছোট মিলন (১৫), মোঃ হাসান ওরফে এমআই হাসান (২২) সহ আরও ৫ জন। তাদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় নিহত অন্তর স্থানীয় একটি ভাংড়ির দোকানে কাজ করত এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে চলাফেরা করত। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় সে এবং গ্রেফতারকৃতরা জড়িত ছিল। চোরাই মাল ও মাদক ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তারা অন্তরকে হত্যা করে এবং লাশ গুম করতে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদেরকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা:
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে এবং জুলাই শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও অনলাইন ইসলামিক কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলেজের মাল্টিপারপাস কক্ষে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ শাখার উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ শাখার আহ্বায়ক মো. মোমরেজ হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল বাসার ভূঁঞা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল মজিদ, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক গাজী মোহাম্মদ গোলাম সোহরাব হাসান, অর্থনীতি বিভাগের প্রধান জাহাঙ্গীর আলম, গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন, আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বদরন্নেছা এবং কলেজ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. মোসলেহ উদ্দীন ভূঁইয়া।
পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও নাতে রাসূল (সা.) এর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে মিলাদুন্নবী (সা.) এর তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য দেন খতিব মাওলানা মোসলেহ উদ্দীন ভূঁইয়া ও মাওলানা আনোয়ার রেজা সাকি। জুলাই বিপ্লব ও শহীদদের স্মৃতিচারণ নিয়েও আলোচনায় অংশ নেন অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ২০ জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। এছাড়া গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের কার্যক্রম তুলে ধরতে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন অনুষ্ঠানের সঞ্চালক মো. কামরুল হাসান। তিনি জানান, কলেজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও মানবতার কল্যাণে সংগঠনটি অব্যাহতভাবে কাজ করে যাবে।
সবশেষে মিলাদ, কিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়। কিয়াম পরিচালনা করেন মাওলানা আনোয়ার রেজা সাকি এবং মুনাজাত পরিচালনা করেন কলেজ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোসলেহ উদ্দীন ভূঁইয়া।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন।
আজ শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে ঢাকা-কচুয়া সড়কের উপজেলার শায়েস্তানগরের কাছে বাসের ধাক্কায় ট্রাক্টর উল্টে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দৌলতপুর এলাকায় বাসের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন।
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের ওসি কৌশিক আহমেদ দুর্ঘটনার বিষয় নিশ্চিত করে জানান, সকাল ৭টার দিকে শায়েস্তানগরের কাছে একটি ইটবোঝাই ট্রাক্টরকে ঢাকাগামী আল আরাফা পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাক্টরটি উল্টে ইটভাটার দুই শ্রমিক নিহত হন। তারা হলেন- উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে বোরহান (২৮) ও জামালপুরের সদর উপজেলার সৈয়দ আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী (৩২)।
অন্যদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দৌলতপুরের কাছে ঢাকাগামী অর্ণিবান পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার এক যাত্রী মারা যান। তার নাম জানা যায়নি। এই দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আহতদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের ওসি কৌশিক আহমেদ বলেন, দুর্ঘটনার পর অটোরিকশাটি আটক করা হয়েছে। তবে লাশের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক মো. হেলাল বলেন, মরদেহগুলোর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। ঘাতক বাসটি আটক করেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যাসোসিয়েশন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় -এর উদ্যোগে এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগিতায় ‘বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ ও বাংলাদেশের বাস্তবতা’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান।
বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসাইন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুর রহমান জীবল এবং ড. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। সেমিনারটির সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল।
এছাড়া লোকপ্রশাসন এবং আইন বিভাগের শিক্ষকগণও উক্ত সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণ এবং পৃথকীকরণ পরবর্তীতে বাংলাদেশের ওপর কী প্রভাব পড়বে- এ বিষয় নিয়ে সেমিনারটি আয়োজন করা হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, 'বাংলাদেশের চালিকাশক্তির তিনটা স্তম্ভ হলো-আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগ। এ তিনটা বিভাগের মধ্যে একধরনের প্রতিযোগিতা হওয়া দরকার ছিল, কোন বিভাগ কত ভালো করবে। স্বাধীনভাবে দেশ পরিচালনা করতে হলে বিচার বিভাগকে স্বাধীন হতে হবে। যারা নির্বাহী বিভাগে কাজ করেন তাদেরও স্বাধীন হতে হবে। অন্যথায় আবার সেই ফ্যাসিজম আরও ভয়ানকভাবে ফিরে আসবে।'
অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসেন বলেন, 'কীভাবে রাষ্ট্র কাঠামো হবে এর ওপর অনেকে তাদের বিজ্ঞ মতামত দিয়েছেন। আপনি একটা রাষ্ট্রের সংবিধান করবেন, আইন করবেন কিন্তু সেটা জনবান্ধব অথবা সেটা জনগণের জন্য কল্যাণকর কি-না, সংবিধান সেটা দেখার দায়িত্ব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট কে। কোনো আইন যদি জনকল্যাণকর না হয় তাহলে সুপ্রিমকোর্ট সেই আইন ডিক্লাইন করে দেয়।
তিনি আরও বলেন, '১৭৩১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ১৮৬ বছরে ১৮২ বার বিচার বিভাগকে আলাদা করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে। কারণ রাজা যে শাসন চালাবে, কেউ যদি তাকে হস্তক্ষেপ করে তাহলে সে তো এটা স্বাভাবিকভাবে নিবে না। ২০০৭ সালে আমার মামলায় (মাসদার হোসেন মামলায়) বিচার বিভাগকে কাগজ-কলমে আংশিক স্বাধীন করা হলেও আসলে এটি স্বাধীন হয়নি। তবে এখন সংস্কার কমিটির কাজ চলমান আছে।'
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, 'আমরা আশা করি বাংলাদেশ একটি উন্নত বিচার ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাবে। যেখানে মানুষ মনে করবে এটা তার শেষ আশ্রয়স্থল। সেখানে গিয়ে সে ন্যায় বিচার পাবে, সে যেই রাজনৈতিক দলের হোক, যে ধর্মের হোক, দুর্বল কিংবা শক্তিশালি হোক।'
সেমিনারটির সভাপতি মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, 'রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ণের কারণে প্রশাসক ও বিচারকদের স্বাধীনতা আমাদের দেশে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। মাসদার হোসেন মামলা ২০০৭ সালে ফয়সালা হয়েছে। উনি একজন জীবন্ত কিংবদন্তি, নিজেই একজন প্রতিষ্ঠান। দেশে-বিদেশে মাসদার হোসেন মামলা এখন পঠিত বিষয়। তিনি একজন বিচারক এবং আইন সংস্কার কমিশনেরও একজন সদস্য।'
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর ১৪ নং ওয়ার্ড মুরাদপুরে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ইয়াবা, ফেনসিডিল
ও দেশীয় অস্ত্রসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে বউ বাজার এলাকায় এ অভিযান
চালায় সেনাবাহিনীর ২৩ বীরের আওতাধীন একটি আর্মি প্যাট্রল দল।
আটক ব্যক্তিরা হলেন , সোহেল (৩৫), মামুন (৩৫), মো. জুয়েল
(২৫), সোহেল মিয়া (২৪) ও সবুজ আহমেদ (২৮)।
সেনা সূত্রে জানা গেছে, আটককৃতদের মধ্যে দুইজন বিভিন্ন
মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১ হাজার ৪০০ পিস
ইয়াবা, ২ বোতল ফেনসিডিল, ২টি ওয়াকিটকি সেট, ১১টি মোবাইল ফোন, ৬টি চাইনিজ ছুরি, একটি
চাপাতি, একটি দেশীয় তৈরি ছুরি, ৩টি পেন ড্রাইভ ও ৪টি মেমোরি কার্ড।
অভিযান শেষে সেনাবাহিনী আটককৃতদের মাদক ও অস্ত্রসহ স্থানীয়
থানায় হস্তান্তর করে।
সেনা সূত্র জানায়, জাতীয় নিরাপত্তা ও মাদক নির্মূলের অংশ
হিসেবে তথ্যভিত্তিক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে উপজেলার সীমান্তবর্তী শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আবু হানিফ (৫০) নামে এক মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে যৌথবাহিনী তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে মাদক কারবারী আবু হানিফ মাদকসহ তার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছে। এসময় যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করে।
মাদক কারবারী আবু হানিফ শশীদল ইউনিয়নের আশা বাড়ি গ্রামের মৃত আবদুল খালেকের ছেলে।
এ সময় যৌথবাহিনী তার কাছ থেকে ৭ হাজার ৬ শত পিস ইয়াবা টেবলেট ও নগদ ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪০ টাকা এবং ৩ টি পাসপোর্ট উদ্ধার করে। অভিযান পরিচালনা করেন, যৌথবাহিনী এবং ব্রাহ্মণপাড়া থানার এস আই অমর্ত্য মজুমদারসহ পুলিশের একটি দল।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আতিক উল্লাহ সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সংবাদের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা তাকে গ্রেফতার করি। তার বিরুদ্ধে থানার একটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সংশ্লিষ্ট সকলকে অবগত করা যাচ্ছে যে, সরকার জরিমানা ব্যতীত মূল কর ও ফি প্রদানপূর্বক সকল প্রকার মোটরযানের কাগজপত্র (ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন ও রুট পারমিট) এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের সময়আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। এমতাবস্থায়, আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখের মধ্যে শেষবারের মত জরিমানা ব্যতীত মূল কর ও ফি জমা প্রদানপূর্বক সকল প্রকার মেটারযানের কাগজপত্র (ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন ও রুট পারমিট) এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেয়ার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
জরিমানা মওকুফের এ সুযোগ শেষবারের মতো বৃদ্ধি করা হলো।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম বলেছেন, দেশে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আমার দল জাতীয়তাবাদী দল কুমিল্লা ৯ আসনে আমাকে ধানের শীষের প্রতীকের সালাম নিয়ে আপনাদের কাছে পাঠিয়েছে। দীর্ঘদিন লড়াই-সংগ্রাম করার পরে ধানের শীষ আমার হাতে দিল, ধানের শীষের পবিত্রতা রাখতে হবে। ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের কাছে ওয়াদাবদ্ধ আপনার আমানত এই লাকসাম মনোহরগঞ্জের মানুষ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে। সততা-নিষ্ঠার সহিত কাজ করে প্রমাণ করে দেবো যে আমরা আমানতের খেয়ানত করি না।
আজ শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে লাকসামের কাঠালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মুদাফফরগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের ৪, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা দলের উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল কালাম বলেন, আওয়ামী লীগ আমাদের ওপর যে জুলুম-নির্যাতন করেছে, সরকার পতনের পর আমরা কিছুই করিনি। আমাদের কোনো কর্মী কারও কোনো ক্ষতি করেনি। আমরা হিংসাত্মক রাজনীতি করি না।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এতবড় বিশ্বাসঘাতক, নিজের প্রতিও তাদের কোনো বিশ্বাস ছিল না। না থাকার ফলশ্রুতিতে, তারা দিনের ভোট রাতে, রাতের ভোট দিনে, আমি- ডামি ইলেকশন করেছে। আওয়ামী লীগ যারা করে তারাও কিন্তু ভোট দিতে পারেনাই।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ মনে করে হিন্দুরা তাদের কেনা গোলাম। হিন্দু মানেই নৌকায় ভোট দিবে, এটা একটা ডাহা মিথ্যা কথা। কে কোথায় ভোট দেবে এটা আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার, আপনার চিন্তা-চেতনা, আপনার বিচার-বিশ্লেষণ। আমি যদি আপনাকে বুঝাতে পারি তাহলে আপনি আমাকে ভোট দিবেন।
বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, আরেকটি দল (জামায়াত) বলে যে আমরা আপনাদেরকে নিরাপদ রাখবো। হিন্দুদের জন্ম যেখানে আমার জন্ম সেখানে, পাশাপাশি জন্ম। তাহলে তুমি কে হিন্দু কে নিরাপদ রাখার? হিন্দু বাড়ি পাশে মুসলমান বাড়ি হয়ে আমরা তো থাকতেছি। যুগ যুগ ধরে বছরের পর বছর, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। এখন একটি দল বলে আমরা আপনাদেরকে দেখে রাখবো ভোট দেন। এগুলো ডাহা মিথ্যা কথা। তাদের কথায় বিভ্রান্ত হবেন না।
মুজাফফরগঞ্জ উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে এসময় ইউনিয়ন মহিলা দলের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


শারদীয় দুর্গাপূজার মহাসপ্তমী আজ বৃহস্পতিবার। সারাদেশের ন্যায় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার কুমিল্লা মহেশাঙ্গণসহ জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে সকাল ৬টা ১০মিনিট থেকে সপ্তমীপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
চণ্ডী ও মন্ত্রপাঠের মধ্যদিয়ে পূজা, দেবীদর্শন, দেবীর পায়ে ভক্তদের অঞ্জলি প্রদান শেষে প্রসাদ গ্রহণের মতো আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। মণ্ডপে মণ্ডপে সকাল থেকেই ছিল পুণ্যার্থীদের ভিড়।
এ বছর কুমিল্লা মহানগরী সহ জেলায় ৭৯৪ টি পূজা মন্ডপে শারতীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ।
এদিকে পূজাকে কেন্দ্র করে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে যাতে না পারে সেক্ষেত্রে প্রশাসনের পক্ষ প্রতিটি পূজা মন্ডপে ব্যাপক নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিলায় আলাউদ্দিন নামে এক ট্রাক চালককে হত্যা করে চল্লিশ লাখ টাকার চিনি ছিনতাই করে নিয়েছে সঙ্গবদ্ধ ছিনতাই কারীদের একটি দল। এ ঘটনায় জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশে জেলার ডিবির ওসি শামসুল আলম শাহ-র নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল ফেনী, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৫ ছিনতাই কারী কে গ্রেফতার করেছে।
সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা ডিবি পুলিশের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবির ওসি সামসুল আলম শাহ জানান, চট্টগ্রামের বন্দর এলাকা থেকে আকিজ কোম্পানির ৪০ লাখ টাকা মূল্যের ২৭ মেট্রিক টন চিনি (চট্ট- মেট্রো - শ-১১-০৬৫৫) ট্রাকে বোঝাই করে চালক আলাউদ্দিন (৩১) গত ১৫ জানুয়ারি গাজীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা করেন। ১৭ জানুয়ারি খালি গাড়িসহ চালক আলাউদ্দিনের লাশ কুমিল্লার মনোহরঞ্জ থানার কুমিল্লা -নোয়াখালী আঞ্চলিক সড়কের বিপুলা সারের বড় কাছি এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।হত্যাকাণ্ডের শিকার চালক আলাউদ্দিন ভোলা জেলার লালমোহন থানার রায়চাঁদ গ্রামের পলান মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় গাড়ির মালিক নাজমুল হোসেন (২৯) বাদী হয়ে গত ১৯ জানুয়ারি মনোহরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশে থানা পুলিশের পাশাপাশি জেলা ডিবি পুলিশ ও মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। ডিবির ওসি শামসুল আলম শাহ-র পুলিশের একটি দল গত দুদিন ধরে ফেনী, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। এসময় পুলিশ ছিনতাইকারি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করে। পুলিশ ছিনতাইকারীদের লুন্ঠিত প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে ৯৯ বস্তা চিনি উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃত ছিনতাইকারী হচ্ছে - নোয়াখালীর সুধারাম থানার ধর্মপুর গ্রামের নূর হোসেন মুন্না (২৮), চট্টগ্রামের ভুজপুর থানার হারুয়ালছড়ি গ্রামের মিন্টু বড়ুয়া (৩৬),কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আল করা গ্রামের শাহাদাত হোসেন রকি (২৬), একই থানার বসন্তপুর গ্রামের মোহাম্মদ বাবলু (৩৯) ও ফেনীর সদর থানার ইজ্জতপুর গ্রামের আমিনুল ইসলাম (৫৫)। গ্রেফতারকৃতদেরকে সোমবার আদালতের মাধ্যমে জেলাজতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন