

কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে মিনি পিকআপে
করে মাদক পরিবহনকালে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ পাঁচজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১
সিপিসি-২।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) সকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন
চান্দিনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিনব কৌশলে
মিনি পিকআপের পিছনে মাছ রাখার ড্রামের মধ্যে লুকিয়ে গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী ১। মোঃ
দিপু , ২। কামরুল ইসলাম , ৩। মোঃ ছুটন মিয়া , ৪। শিপন এবং ৫। মোঃ মাহফুজ নামের পাঁচজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ৪৮ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ
কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ দিপু
(২৭) বি.বাড়িয়া জেলার কসবা থানার কাইয়ুমপুর গ্রামের আইয়ুব খান এর ছেলে; ২। কামরুল ইসলাম
(৩০) কুলনা পাথর গ্রামের মৃত জামাল হোসেন এর ছেলে; ৩। মোঃ ছুটন মিয়া (৩০) কামালপুর
গ্রামের মৃত মকবুল হোসেন এর ছেলে; ৪। শিপন (৩০) নোয়াগাঁ গ্রামের টুনু মিয়া এর ছেলে
এবং ৫। মোঃ মাহফুজ (২৪) কামালপুর গ্রামের বাছির মিয়া এর ছেলে।
র্যাব
জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ
করে কুমিল্লা সহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন
অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক
অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে
র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবিদ্বারের ভিংলাবাড়ীতে
চাঞ্চল্যকর বিধবা মহিলাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা মামলার ঘটনায় মৃত্যুদন্ড সাজাপ্রাপ্ত
একজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৩ মার্চ হতে ৪ মার্চ ২০১০ ইং তারিখের
মধ্যবর্তী সময়ে কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন ভিংলাবাড়ীতে বিধবা মহিলা আনোয়ারা
বেগম খুন হয়। এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ মার্চ ২০১০ ইং তারিখ রাতে বিধবা মহিলা নিজ
শয়নকক্ষে ঘুমাতে যায় এবং পরবর্তী দিন ৪ মার্চ ২০১০ ইং তারিখ সকালে খাটের উপরে বিধবা
মহিলার মৃতদেহ পাওয়া যায়। এসময়ে বিধবা মহিলার মুখে, গালে, গলায় জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়।
এরই প্রেক্ষিতে ঐ দিনই মৃত বিধবা মহিলা মেয়ে বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানায়
একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে উক্ত হত্যাকান্ডের বিচারকার্য শুরু হলে ঘটনার
সাথে জড়িত আসামী আল আমিন দীর্ঘদিন যাবত পলাতক অবস্থায় থাকে এবং তার অনুপস্থিতিতেই বিচারকার্য
শেষে বিজ্ঞ আদালত তার নামে মৃত্যুদন্ডের সাজা পরোয়ানা জারি করেন।
এরই ভিত্তিতে ১২ জুন রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারায়নগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানাধীন
পবনকল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী আল আমিনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কুমিল্লা জেলার
দেবিদ্বার থানাধীন ডিংলা বাড়ী এলাকার সাজু মিয়ার ছেলে আল আমিন (৩৪)।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী আল
আমিন (৩৪) উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে তার নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। এছাড়াও হত্যাকান্ডের
পর হতে বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক বিচারকার্য শেষ হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন সময় নিজের গ্রেফতার
এড়াতে সে বিভিন্ন জায়গায় আত্নগোপনে থাকে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে সাজা কার্যকরের
জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
২০ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
গতকাল
(২ ডিসেম্বর) কোতয়ালী মডেল থানাধীন কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই (নিঃ) মফিজুল
ইসলাম খান ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন রাজমঙ্গলপুর পশ্চিম মধ্যপাড়ায়
২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সোহেল মিয়া
কে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামি হলো: মোঃ সোহেল মিয়া(২৩), পিতা-মোঃ জামাল ভূইয়া,
মাতা-মৃত-আমেনা বেগম ,স্থায়ী: গ্রাম- রাজমঙ্গলপুর (পোঃ-বিবির বাজার) , উপজেলা/থানা-
কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা –কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত
আসামী মোঃ সোহেল মিয়া এর বিরুদ্ধে পূর্বের ১টি মাদক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে
।
মন্তব্য করুন


দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুরের লক্ষ্মীপুর এলাকায় স্যাবলেট বাসা ভাড়া থেকে দম্পতির লাশ উদ্ধার করেছে দাউদকান্দি থানা পুলিশ।
জানা যায়,গতকাল ইফতারের পর থেকে রুমের দরজা দুই দিন ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় স্থানীয়রা জানালা দিয়ে মৃত অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে দেখে দম্পতির লাশ উদ্ধার করে এবং দীর্ঘ সময় পরে পুলিশ তাদের পরিচয় উদ্ধারে সক্ষম হয়।
তারা হলেন তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সিনিয়র নার্স মালেকা বেগম (৪০) ও তিতাস উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের ওমরপুর গ্রামের আব্দুল মান্নান মুন্সির ছেলে ঔষধ দোকানদার আমিনুল ইসলাম (৪৫)।
মান্নান দ্বিতীয় বিয়ে করে স্ত্রী নিয়ে অজ্ঞাত পরিচয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্তারিত জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
সারাদেশের
ন্যায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কুমিল্লা অফিসে অভিযান পরিচালনা করছেন
দুনীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ
বুধবার (৭ মে) দুদক কুমিল্লা আঞ্চলিক অফিসের সহকারী পরিচালক মাসুম আলীর নেতৃত্বে তিন
সদস্যের একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।
এ
সময় কুমিল্লা দুদক সহকারী পরিচালক মাসুম আলী বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ
(বিআরটিএ) কুমিল্লা সার্কেল অফিসে দালাল ছাড়া কোনো কাজ হয় না। এ ছাড়াও বিআরটিএ অফিসে
আসা সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাই। পাশাপাশি আনসার বাহিনীর
সদস্য দায়িত্ব পালনের সময় এসব কাজে সরাসরি জড়িত রয়েছেন।
এসব
অনিয়ম দুনীতির অভিযোগের আলোকে প্রথমে আমরা ছদ্মবেশে অভিযান পরিচালনা করি। আমরা এ অভিযানে
সকল অভিযোগের সত্যতা পাই। অন্যদিকে আনসার বাহিনীর সদস্যদের কোন সত্যতা পাইনি। পাশাপাশি
এ অফিসের কোন কর্মকর্তা এ কাজে জড়িত আছে কি না, আমরা তা খতিয়ে দেখছি।
এ
অফিসের কেউ বাহিরে কাজ করছে কি না তাদের কিছু রেকর্ডপত্র আমরা চেয়েছি। তা পর্যালচনা
করে জানানো হবে।
মন্তব্য করুন


অভিনব
কৌশলে পিকআপে করে মাদক পরিবহনকালে ৪২ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
২ ডিসেম্বর রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিনব কৌশলে পিকআপ
ভ্যানের বডির ভিতরে গোপন প্রকোষ্ঠ বানিয়ে মাদকদ্রব্য গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী ১। আলী
করিম রিয়াদ এবং ২। মোঃ জাকির হোসেন রানা নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৪২ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার
করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। আলী করিম রিয়াদ (৩৩) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার কালিকাপুর গ্রামের জসিম উদ্দিন
এর ছেলে এবং ২। মোঃ জাকির হোসেন রানা (৩৭) একই থানার ছাঁন্দকরা গ্রামের মৃত দেলোয়ার
হোসেন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা সহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


প্রায় এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার
পর কুমিল্লার ১৮টি থানার কার্যক্রম সোমবার শুরু হয়।
কর্মবিরতিতে থাকা পুলিশ
কর্মকর্তা ও সদস্যরা কাজে যোগ দেওয়ায় থানার কার্যক্রমে গতি এসেছে আর এদিকে১ যঙয ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের উপস্থিতিতে সড়কে
দায়িত্ব পালন করা শিক্ষার্থী ও আনসার সদস্য কমতে শুরু করেছে।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১৩
আগষ্ট) কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান জানান, গতকাল (সোমবার) থেকে
জেলার ১৮ থানার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রায় সব পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাগণ ডিউটি
করছেন। সেবা গ্রহীতাদের তারা বিভিন্ন সেবা প্রদান করা শুরু করেছেন।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন বলেন, আমরা ইতোপূর্বে
থানার অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমগুলো শুরু করেছি। আমাদের কোতোয়ালি মডেল থানায় ১০৪ জন
অফিসার ফোর্স কর্মরত আছেন সবাই কাজে যোগদান করেছেন । সোমবার ও আজ মঙ্গলবার এ দুই
দিনে ৬টি অভিযোগ এবং ১৯টি জিডি করা হয়েছে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায়। যেকোনো
সেবা প্রত্যাশীরা জিডি কিংবা অভিযোগ অনায়াসেই আমাদের ডিউটি অফিসারের কাছে গিয়ে
করতে পারবেন। আমি এবং আমার ডিউটি অফিসাররা এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছি।
থানার সেবা আমরা চালু করেছি। কোতোয়ালি মডেল থানার কোন হামলা হয়নি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে এক ভারতীয় তরুণকে আটক করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। এ সময় তার কাছ থেকে ১০০ বোতল ফেনসিডিল ও একটি মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি অবৈধভাবে বাংলাদেশে মাদকসহ প্রবেশ করেছিলেন।
আজ মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে ১০ বিজিবি, কুমিল্লার অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইফতেখার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক ভারতীয় তরুণের নাম মেহেদী হাসান (১৮)। তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সিপাহিজলা জেলার সোনামুড়া থানার এনসি নগর গ্রামের মো. স্বপন মিয়ার ছেলে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইফতেখার হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের (১০ বিজিবি) অধীন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার গোলাবাড়ি পোস্টের টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিজিবির টহলদল সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কেরানীনগর নামক স্থান হতে ওই ভারতীয় নাগরিককে আটক করে। মাদকসহ অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনায় ওই তরুণের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার সীমান্তবর্তী রসুলপুর রেলস্টেশন থেকে বিজিবি অভিযান চালিয়ে ৮৭ লাখ ১৫ হাজার টাকার আতশবাজি ও কিসমিস জব্দ করেছে।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার ব্যাটালিয়ন -১০ বিজিবি অধিনায়ক ।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানাধীন রসুলপুর রেল স্টেশনে চোরাচালান বিরোধী ট্রাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনা করা হয় অভিযান কালে পাস কোর্স সদস্যরা পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪ লাখ ২ হাজার ৫৭৫ পিস ভারতীয় অবৈধ বাজি এবং ৫৯ কেজি কিসমিশ আটক করেন।এসব পণ্যের বাজার মূল্য ৮৭ লাখ ১৫ হাজার টাকা।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অধিনায়ক লে.কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান কুমিল্লা ব্যাটেলিয়ান বিজিবি নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিশেষ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ কুমিল্লা জেলার রসুলপুর রেলওয়ে স্টেশনে একটি চোরা চালান বিরোধী বিশেষ ট্রাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে সহকারী কমিশনার রতন কুমার দত্ত এর উপস্থিতিতে বিজিবি এবং পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স দল কর্তৃক মালিক বিহীন অবস্থায় ৪ লাখ ২ হাজার ৫৭৫ পিস বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় অবৈধ বাজি এবং ৫৯ কেজি কিসমিস আটক করা হয়। যার সর্বমোট মূল্য ৮৭ লাখ ১৫ হাজার টাকা।
জব্দকৃত সকল অবৈধ দ্রব্য সামগ্রী বিধি মোতাবেক কাস্টমসে জমা করা হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লায় চোরকে চিনে ফেলায় রাশেদা বেগম(৬৫) নামে এক বৃদ্ধাকে নিজ ঘরে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারের পর হত্যার দায় স্বীকার করে এমন তথ্য জানিয়েছেন মোঃ নাদিম(১৯)।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে আসামি নাদিমকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া নাদিমের দেওয়া তথ্যমতে, উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি দোকান থেকে স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল উদ্ধার করেছেন দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুরে দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোঃ মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃত নাদিম দাউদকান্দি পৌরসভার নুরপুর গ্রামের নুর আলমের ছেলে।
পুলিশ জানায়, সোমবার (১জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে দাউদকান্দি পৌরসভার নুরপুর গ্রামের মৃত আলী আশাদ মিয়ার স্ত্রী রাশেদা বেগম নিজ বাড়িতে খুন হন। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থলে পাওয়া জুতার সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
ঘটনার চার ঘন্টার মধ্যে হত্যাকারী নাদিমকে জড়িত সন্দেহে আটক করা হয়। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেন নাদিম৷ তার দেওয়া তথ্য মতে উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি স্বর্ণের দোকান থেকে লুন্ঠিত স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায়, নিহত রাশেদা বেগমের দুই ছেলে ও চার মেয়ে। বড় ছেলে প্রবাসে আর ছোট ছেলে দেশেই থাকেন। ঘটনার সময় বাড়িতে একাই ছিলেন রাশেদা বেগম। নাদিমের ধারণা নিহত রাশেদা বেগমের বাড়িতে অনেক টাকা পয়সা থাকবে। তাই তিনি রাশেদা বেগমের বাড়িতে যান। পরে তার কানের দুল গলার চেইন ছিনিয়ে নেন। তখন নিহত রাশেদা বেগম তাকে চিনে ফেলেন। পরে নাদিম গলা টিপে বৃদ্ধা রাশেদাকে হত্যা করেন শরীরে থাকা স্বর্ণের কানের দুল ও গলার চেইনটি নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান। কিন্তু যাওয়ার সময় পায়ের জুতা ফেলে যান নাদিম। সেই জুতার সূত্র ধরেই তাকে আটক করা হয়।
দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় এবং সহকারী পুলিশ সুপার (দাউদকান্দি সার্কেল) এনায়েত কবির সোয়েব স্যারের দিকনির্দেশনায় ঘটনার ৪ ঘন্টার মধ্যে হত্যাকারীকে সনাক্ত করে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্য মতে বৃদ্ধা রাশেদা বেগমের শরীর থেকে লুন্ঠিত স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল উদ্ধার করা হয়েছে। এঘটনায় নিহত রাশেদা বেগমের ছোট ছেলে সাহাব উদ্দিন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় স্ত্রীকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ড
দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের
বিচারক রোজিনা খান এ রায় দেন।
রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাজু আদালতের কাঠগড়ায় অনুপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, খালেদা আক্তারকে বিয়ের পর
থেকেই তার স্বামী রাজু বেকার ছিলেন। এ কারণে মেয়েসন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে
থাকতেন খালেদা।
রাজু ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে
যান। পরের দিন ভোরে স্বামীকে কাপড় ধুয়ে দেয়ার কথা বলেন খালেদা। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির
একপর্যায়ে খালেদার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তার স্বামী।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, খালেদার মরদেহ পুকুর ঘাটের কাছে ফেলে রেখে আসামি পালিয়ে যান। এরপর ঘাটে মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে রাজুকে আসামি করে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানায় হত্যা মামলা করেন খালেদার বাবা।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অতিরিক্ত পিপি আমিনুল ইসলাম ও নুরুল
ইসলাম জানান, তাদের আশা, উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করবে।
মন্তব্য করুন