

মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার দেবীদ্বারে ভ্যানচালক শফিউল্লাহকে নৃশংসভাবে চোখ উপড়িয়ে হত্যার প্রধান আসামী মোঃ রাছেল হোসেন (৩৫)কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি- ২ ।
র্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ১৭ মে শনিবার রাতে পটুয়াখালী জেলার বাউফলের নগরের হাট এলাকা থেকে অভিযান পরিচালনা করে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত প্রধান আসামী মোঃ রাছেল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। সে , দেবীদ্বার উপজেলার আন্দিরপাড় গ্রামের পিতা-মোঃ কিরনের পুত্র।
র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানী কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে। গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ০৬ মে ২০২৫ ইং তারিখ দুপুরে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের কারনে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানাধীন ত্রিবিদ্যা গ্রামে মোঃ ছফিউল্লাহ (৪৩) নামে এক ভ্যান চালককে শাবল দিয়ে ভিকটিমের মাথা ও বুকে গুরুতর আঘাত করে হত্যা ড্রিল মেশিন দিয়ে নির্মমভাবে ভিকটিমের চোখ উপড়ে ফেলে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় সৃষ্ট
বন্যার প্রেক্ষিতে শুকনা খাবারসহ নিত্যপণ্যের দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ
আসায় গতকাল শনিবার (৩১ আগস্ট) নগরীর রাজগঞ্জ বাজার এলাকায় বিশেষ তদারকি অভিযান পরিচালনা
করা হয়।
অভিযানে অনিয়ম ধরা পড়ায় ৬ প্রতিষ্ঠানকে
২২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলাম। উক্ত অভিযানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন।
মন্তব্য করুন


সংশ্লিষ্ট সকলকে অবগত করা যাচ্ছে যে, সরকার জরিমানা ব্যতীত মূল কর ও ফি প্রদানপূর্বক সকল প্রকার মোটরযানের কাগজপত্র (ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন ও রুট পারমিট) এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের সময়আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। এমতাবস্থায়, আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখের মধ্যে শেষবারের মত জরিমানা ব্যতীত মূল কর ও ফি জমা প্রদানপূর্বক সকল প্রকার মেটারযানের কাগজপত্র (ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন ও রুট পারমিট) এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেয়ার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
জরিমানা মওকুফের এ সুযোগ শেষবারের মতো বৃদ্ধি করা হলো।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় সার্কেল কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়েছে। কুমিল্লা জেলা পুলিশের আয়োজনে ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় বুধবার ( ১৪ ফেব্রুয়ারি ) সকালে কুমিল্লা জিমনেসিয়ামে কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়।
কাবাডি প্রতিযোগিতায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের ৮টি সার্কের টিম অংশ গ্রহন করে। দুটি গ্রুপে নক আউট পর্যায়ে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। কুমিল্লা উত্তর ও দক্ষিন জেলার চৌদ্দগ্রাম সার্কেল, সদর দক্ষিন সার্কেল, লাকসাম সার্কেল, সদর সার্কেল, হোমনা সার্কেল, দাউদকান্দি সার্কেল, দেবিদ্বার ও মুরাদনগর সার্কেল টিম অংশ নেয়। ১৫ ফেব্রুয়ারি ৩ টায় আইজিপি কাপ ও চট্টগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি ও কুমিল্লা জেলা সার্কেল টিমের বিজয়ী কাবাডি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন করা হবে।
কুমিল্লায় সার্কেল কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার মংনে খোয়াই মারমা। প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার কামরান হোসেন, কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন জাকির।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ‘হামের টিকার বিষয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যথেষ্ট গাফিলতি ছিল। তাদের সাতবার এ বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। তারা চেয়েছিল প্রাইভেটলি, টাকা খেতে। তবে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে হাম নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। বর্তমানে টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ১২২ শতাংশে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত দুই কোটিরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে যে ১৮টি উপজেলায় টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছিল, সেখানে হামের সংক্রমণের হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষা করা এবং আর যেন কোনো মায়ের বুক খালি না হয়, তা নিশ্চিত করা।’
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা সদর হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
হাম সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ে সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে স্বাধীন তদন্ত চেয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যদি ১০ জনকে ফাঁসি দিয়েও হাম সংক্রমণে মায়ের বুক খালি হওয়া থামাতে না পারি, তাহলে কি আমি রক্ষা পাব? আসলে শুধু শাস্তি দিলেই সমস্যার সমাধান হয় না।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের টিকা প্রসঙ্গে বলেন, ‘দুই কোটির বেশি শিশুদের টিকা দেওয়ার পরও আমরা বসে থাকিনি, সারাদেশে মেডিকেল সেন্টারগুলোতে বলেছি, যে বাচ্চারা হামের টিকা পায়নি তাদের ডেকে ডেকে টিকা দিতে। এই দেশের পরিসংখ্যান ও পৃথিবীর সবদেশের পরিসংখ্যান ভুল আছে। পরিসংখ্যানের ওপর নির্ভর না করে যারা টিকা পায়নি তাদের সবাইকে দেব।’
এর আগে মন্ত্রী কুমিল্লার সদর হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সংকট ও সমস্যার কথা শোনেন। খাবারের মান যাচাই করেন। এছাড়াও রোগীদের বিভিন্ন অভিযোগের কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ‘আমরা ১০টি জেলায় পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর সেবা, অক্সিজেন কনসেনট্রেটরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সাপ্লাই করেছি, আগামী কয়েকদিনের ভেতরে আমরা সেখানেই নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিও) চালু করব, পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকটি জেলায় আমরা পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর (আইসিও) চালু করব। চিকিৎসকরা আগের থেকেও এখন বেশি উপস্থিত থাকছেন, আগে তো আসতেন না। আজকে এখানে সবার উপস্থিতি দেখলাম। এখানে জরুরি বিভাগ খোলা আছে, লেবার ওয়ার্ডে ডাক্তার আছে, সারাদেশব্যাপী উন্নত হইছে, তিন মাসে তো সব করতে পারব না। দোয়া করেন, আমাদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই।’
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘পাঠ খেত যখন পরিচর্যা শুরু করেন, কামলা নেন, শুরু করেই কি খেতের শেষ মাথায় যাইতে পারে? আস্তে আস্তে যেতে হবে। আমরা কাজ শুরু করেছি।’
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রত্যেকটি উপজেলায় স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত করব, বেড সংখ্যাও আমারা বৃদ্ধি করব, যাতে মানুষ সঠিক চিকিৎসা পায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা জেলা প্রশাসক রেজা হাসান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মির্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলাম, জেলা সিভিল সার্জন আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ, ডেপুটি সিভিল সার্জন রেজা মো. সারোয়ার আকবর, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের (ভারপ্রাপ্ত) পরিচালক ডা. মো. শাহজাহান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় লিপি আক্তার (৪০) নামে এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি ও তার স্বামী মো. সুমনকে (৩০) গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
শনিবার (৩০ মে) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১১ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক সিনিয়র এএসপি মিঠুন কুমার কুণ্ডু।
তিনি জানান, উপজেলা সদরের নোয়াপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় একা বসবাস করতেন লিপি আক্তার। তার তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ঈদুল আজহার দিন ২৮ মে বিকেলে তার মেয়ে মায়ের সঙ্গে দেখা করে শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন সকালে মুঠোফোনে খবর পেয়ে তিনি মায়ের বাসায় এসে খাটের ওপর লিপি আক্তারের মরদেহ দেখতে পান।
এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামিদের গ্রেফতারে মাঠে নামে র্যাব।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার ভোরে র্যাব-১১ সিপিসি-২ এবং র্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে গাজীপুর সদর থানার ধীরাশ্রম বুড়ি বটতলা এলাকা থেকে মো. সুমনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত সুমন একজন মাদকাসক্ত। লিপি আক্তার ছিলেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী। ঘটনার রাতে তিনি লিপি আক্তারের বাসায় অবস্থান করেন। পরদিন ভোরে নিহতের মোবাইল ফোন নিয়ে চলে যাওয়ার সময় লিপি বাধা দিলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে সুমন তাকে বিছানায় ফেলে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেফতার এড়াতে তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেন। পরে র্যাবের অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিকে বুড়িচং থানায় হস্তান্তরসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে প্রায় ৪ লাখ টাকার মাদকসহ এক মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।
আটককৃত তাফাজ্জল হোসেন ভুট্টু (৪৬) উপজেলার গোপচর গ্রামের রাশেদ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে গৌরীপুর বাজারের কাঠপট্টিতে সেকান্দরের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ৪৬ বোতল বিদেশি মদ ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টোকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, গৌরীপুর বাজারে মাদকের একটি বড় চালান ঢুকছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যের যৌথ অভিযান চালিয়ে ৪৬ বোতল বিদেশি মদসহ এক মাদক কারবারীকে আটক করা হয়েছে। যার অনুমানিক মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা।
মাদক আইনে মামলা দায়েরের পর তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্কের মোড় হতে পিস্তলসহ ২ তরুণ ও ২ তরুণীসহ ৪ জনকে আটক করেছে তাজহাট থানা পুলিশ।
গতকাল সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাজহাট থানা পুলিশ একটি প্রাইভেট কারসহ ওই তরুণ-তরুণীদের আটক করে এবং এরপর থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায়।
আটককৃতরা হলেন- নগরীর ধাপ কটকিপাড়ার তাসনিম স্বর্গ ও কলেজপাড়ার সাদিয়া, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ এলাকার হারুনউর রশিদ মেহেদি ও একই এলাকার কাওসার আহমেদ সোলায়মান আলী।
আটকের বিষয়ে তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম সর্দার বলেন, পিস্তলটি আসল না নকল তা আমরা খতিয়ে দেখছি। তার সাথে এই তরুণদ্বয় অন্য কোনো অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকায় ভোক্তা অধিদপ্তরের একটি অভিযানে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে
অনিয়ম ও ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আজ বুধবার (২৮ মে) দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার ও প্রযুক্তিবিদ (টেকনোলজিস্ট) না থাকায় “কুমিল্লা তিতাস মেডিকেল” প্যাথলজিকে ৫০,০০০ টাকা এবং আল নুর হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগে রেডিওলজিস্ট না থাকায় ২০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা
অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা তিতাস মেডিকেলে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া রিএজেন্ট ব্যবহার
করা হচ্ছিল এবং সেখানে কোনো রেজিস্টার্ড মেডিকেল টেকনোলজিস্ট কর্মরত ছিলেন না। অন্যদিকে,
আল নুর হাসপাতালে এক্স-রে পরীক্ষার সময় কোনো রেডিওলজিস্ট উপস্থিত না থাকায় রোগীদের
সেবা বিঘ্নিত হচ্ছিল। এছাড়া, প্রতিষ্ঠান দুটি রোগীদেরকে প্রতিশ্রুতিসম্মত সেবা প্রদান
করতে ব্যর্থ হয়।
ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর অধীন এ অনিয়মের জন্য মোট ৭০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
পাশাপাশি, ভবিষ্যতে সঠিকভাবে সেবা প্রদান ও নিয়ম মেনে চলার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া
হয়।
জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়ার নেতৃত্বে
এই অভিযান পরিচালিত হয়। তাকে সহযোগিতা করেন অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা
জেলা পুলিশের একটি টিম।
ভোক্তা
অধিদপ্তর জানিয়েছেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো প্রতিষ্ঠানই
ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে রেয়াত পাবে না।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা টাউন হলের মুক্তিযোদ্ধা কর্ণারে 'ইভেন্ট ৩৬০' কুমিল্লায় প্রথম বারের মতো আয়োজিত 'কুমিল্লা ম্যারাথন' দৌড় প্রতিযোগিতার লোগো উন্মোচন ও প্রতিযোগিতার তারিখ ঘোষণা করেছে। 'কুমিল্লা ম্যারাথন' দৌড় প্রতিযোগিতাটি আগামী ২০২৫ সালের ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় 'কুমিল্লা ম্যারাথন' দৌড় প্রতিযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন বছরব্যাপি এ-কার্যক্রম নিয়ে বিশদ বর্ণনা করেন 'ইভেন্ট ৩৬০' এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সাইক্লিস্ট মাহমুদুল হাসান ইফাজ।
কুমিল্লাকে ব্র্যান্ডিং করতে ও সুস্থসবল তরুণ প্রজন্ম গড়তে বিশেষ করে ডিজিটাল ডিভাইস আসক্তি ও মাদক বিরোধী সমাজগঠন এবং কুমিল্লা ম্যারাথনকে সফল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে দীপ্ত অঙ্গিকারের কথা উল্লেখ করেন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারি কুমিল্লার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াঙ্গনের নেত্রীবৃন্দ ও আয়োজক কমিটির তরুন-তরুনিরা।
আবৃত্তিকার রুবেল কুদ্দুস এর সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক বদরুল হুদা জেনু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহজাহান চৌধুরী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান, সংবাদিক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংগঠক দেলোয়ার হোসেন জাকির, সাবেক ক্রিকেটার ও সংগঠক মোঃ রফিকুল ইসলাম সোহেল, লোগো ডিজাইনার ও রোটারিয়ান আল মাহমুদ, রোটরিয়ান ও সমাজকর্মী আবদুল্লা হিল বাকী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান ও সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। আয়োজন সহযোগে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা সাইক্লিস্ট ও কুমিল্লা রানার্স এর অর্ধশত সদস্য।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা চান্দিনার মাধাইয়া এবং দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ বাজার এলাকায় মসলা, মৌসুমি ফলসহ নিত্যপণ্যের বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা।
শনিবার ভোক্তা-অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।
অভিযানে রং যুক্ত, মেয়াদহীন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
অভিযানের সময় ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার যাচাই করা হয়। ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রয় করতে, দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন করতে এবং মেয়াদহীন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয় ও সংরক্ষণ না করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন