

ঢাকা
দক্ষিণ ও উত্তরসহ দেশের ১২ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে অপসারণ করা হয়েছে।
স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম স্বাক্ষরিত
এক প্রজ্ঞাপনে আজ (১৯ আগস্ট) এ কথা জানানো হয়েছে।
‘স্থানীয়
সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এর ধারা ১৩ক প্রয়োগ করে এসব সিটি
কর্পোরেশনের মেয়রদের স্ব স্ব পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা
হয়েছে।
যে
১২ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়েছে এগুলো হলো- ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর,
চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর ও
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।
এ
ছাড়া অন্য এক প্রজ্ঞাপনে ১২টি সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তর
ও ঢাকা দক্ষিণ এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে অতিরিক্ত সচিব ও সমমর্যাদার চার কর্মকর্তাকে
প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম,
খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে বিভাগীয় কমিশনারদের
প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
‘স্থানীয়
সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ক-এর উপধারা (১) প্রয়োগ
করে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই প্রশাসকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে
উল্লেখ করা হয়েছে।
এদের
মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব
ড. মো. শের আলীকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, স্থানীয় সরকার বিভাগের মহাপরিচালক
(অতিরিক্ত সচিব) মো. মাহমুদুল হাসানকে ঢাকা
উত্তর সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রামের বিভাগীয়
কমিশনারকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, খুলনার বিভাগীয় কমিশনারকে খুলনা সিটি কর্পোরেশন,
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারকে সিলেট
সিটি কর্পোরেশনে, বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে, স্থানীয়
সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ. এইচ. এম কামরুজ্জামানকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন,
কুমিল্লার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড)-এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব)কে
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, রংপুরের বিভাগীয়
কমিশনারকে রংপুর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
এবং ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনারকে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ
দেয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
বোয়ালখালীতে বসতঘরের দরজা ভেঙে আলমারিতে রাখা ৫ ভরি স্বর্ণের গয়না ও ৫০ হাজার টাকা
চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার
(২৫ জুলাই) এই বিষয়ে বোয়ালখালী থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মো. জালাল উদ্দিন।
মো.
জালাল উদ্দিন উপজেলার শাকপুরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শাকপুরা গ্রামের আমির
হামজা সওদাগর বাড়ির বাসিন্দা। তিনি বলেন, শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে ঘরের
দরজা তালাবদ্ধ করে স্ত্রীকে নিয়ে কধুরখীলে মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলাম। সন্ধ্যা ৭টার
দিকে ঘরে ফিরে দেখি দরজা ভাঙা, আলমারি খোলা। সমস্ত জিনিসপত্র এলোমেলো পড়ে রয়েছে। চোরের
দল আলমারিতে থাকা প্রায় ১২ লাখ টাকা মূল্যের ৫ ভরি স্বর্ণের গয়না এবং নগদ ৫০ হাজার
টাকা নিয়ে গেছে।
বোয়ালখালী
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে
পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৃতীয় দিনের মতো সোমবার(২০ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি চলছে। আজ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ৩৩৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। এতে দলের আয় হয়েছে প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকা।
এই সময়ের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫৫টি, চট্টগ্রামে ৮২টি, ময়মনসিংহে ২৯টি, সিলেটে ১৫টি, খুলনায় ৪৫টি, বরিশালে ৪০টি, রাজশাহীতে ২৯টি এবং রংপুর বিভাগে ৪০টি ফরম বিক্রি হয়।
এছাড়া বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে মোট ৫৮টি ফরম বিক্রি হয়েছে। অনলাইনে বিক্রি হয় মোট ২৯ লাখ টাকার ফরম।
আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরমের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। ফরম বিক্রি শেষ হওয়ার পর দলের মনোনয়ন বোর্ড যাচাই-বাছাই শেষে ৩০০ আসনে নৌকার প্রার্থী চূড়ান্ত করবে আওয়ামী লীগ।
গত শনিবার (১৮ নভেম্বর) সকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়। মনোনয়নপত্র বিক্রির কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
প্রথমদিনেই আওয়ামী লীগ মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে এক হাজার ৭৪টি । এতে পাঁচ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আয় হয় ।
মনোনয়ন ফরম বিক্রি এবং জমা নেওয়ার কার্যক্রম চলবে ২১ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


আগামী
দিনে র্যাবকে একটি জনবান্ধব ও দায়িত্বশীল বাহিনী হিসেবে পুর্নগঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রী
আজ (১৮ মে) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তরে র্যাব ফোর্সেস এর ২২তম
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান।
মন্ত্রী
বলেন, র্যাবকে একটি জনবান্ধব ও দায়িত্বশীল বাহিনী হিসেবে পুর্নগঠনের লক্ষ্যে বর্তমান
গণতান্ত্রিক সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- র্যাব
সদস্যদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিভিন্ন অভিযান পরিচালনার সময় আন্তর্জাতিক
মানদন্ড রক্ষা করে ন্যূনতম বল প্রয়োগ, মানবাধিকার প্রশিক্ষণ, অপরাধ দমনে এআই (Al) এর
ব্যবহার ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং এ লক্ষ্যে অতিশীঘ্রই র্যাব
ফোর্সেস এর জন্য জঙ্গল সলিমপুরে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা; পরিবর্তনশীল
অপরাধের ধরন ও কৌশল বিবেচনায় সময়োপযোগী কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা ও কার্যক্রমকে
আরও উন্নতকরণ; জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনআস্থা অর্জন; মানবাধিকার,
আইনের শাসন ও পেশাগত নৈতিকতার মানদণ্ড বজায়
রেখে নিরাপদ ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে কার্যকরী ভূমিকা রাখা; স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত
করার লক্ষ্যে দ্রুত র্যাব আইন প্রণয়ন, ইত্যাদি।
মন্ত্রী
আরো বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় সরকারের এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই যেটি ক্ষতিগ্রস্ত
হয়নি। প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তার বেআইনি কর্মকাণ্ডের কারণে পুরো প্রতিষ্ঠানকে
দায়ী করা যাবে না। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব সুনাম ও গৌরব বজায় রেখে কাজ
করে যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের কোন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না। সারাবিশ্বের নিকট
প্রতিষ্ঠা করতে হবে যে বাংলাদেশের সকল প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা রয়েছে।
এর মাধ্যমে আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক রাখতে একটি এলিট
ফোর্সের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সে বিবেচনায় র্যাবের বিদ্যমান আইন পরিবর্তন ও সংশোধনপূর্বক
এটিকে যুগোপযোগী ও বিশ্বমানের করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে যাতে করে এলিট ফোর্সটির সদস্যদের
পেশাদারিত্বের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়। একইসঙ্গে র্যাবের
বিদ্যমান নাম পরিবর্তনের কথাও বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতির দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক রাখতে এলিট ফোর্সের প্রয়োজনীয়তার কথা ভেবে
২০০১ সালের বিএনপি সরকারের মেয়াদে র্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,
র্যাব যে উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, তখন র্যাবকে কেবল সে উদ্দেশ্যেই ব্যবহার
করা হয়েছে। পরবর্তীতে ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় র্যাবকে রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থ
করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফলে প্রতিষ্ঠান হিসেবে র্যাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য, পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি এবং সংস্কৃতি
বিষয়ক উপদেষ্টা ডাঃ জাহেদ উর রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আইজিপি মোঃ আলী হোসেন ফকির।
স্বাগত বক্তৃতা করেন র্যাবের মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ।
অনুষ্ঠানে
তিন বাহিনীর প্রধানগণ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ
সহ বিভিন্ন সামরিক-অসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কৃষক
কার্ড চালুর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীরা আর সুবিধা নিতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী
মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ।
তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের
কৃষকদের একটি ডেটাবেস তৈরি হবে। ফলে কোন অঞ্চলে কী ফসল উৎপাদন হয় তা আমরা জানতে পারবো।
যেসব এলাকায় আলুর ফলন বেশি তাদেরকে চাহিদার পরিমাণ আগেই জানিয়ে দিতে পারবো। তখন কৃষকেরা
সে অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারবে। এভাবে যোগান ও চাহিদার সামঞ্জস্য থাকলে মধ্যস্বত্বভোগীরা
সুবিধা আর নিতে পারবে না।
আজ
শনিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়
সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারাও
উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, একেক মৌসুমে একেক সবজি বেশি
উৎপাদিত হয়। অনকে সময় বেশি উৎপাদনের কারণে সবজির দাম পাওয়া যায় না। দেখা যায়, কৃষকের
ক্ষেতে টমেটো আছে। কিন্তু দাম না পাওয়ায় টমেটো তুলে না। কারণ ক্ষেত থেকে নিয়ে বাজারে
নিতে যে খরচ সেটিও পাওয়া যায় না। এতে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন।
সরকার
ইউনিয়ন পর্যায়ে মিনি কোল্ডস্টোরেজ করার কথা ভাবছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর
কনসেপ্ট থেকে এগুলো করা হবে। এসব কোল্ডস্টোরেজ সোলার প্যানেলের মাধ্যমে চলবে। ফলে কৃষকেরা
ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে
এগিয়ে নিতে কৃষিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অর্থনৈতিক অগ্রগতি দরকার। তাই কৃষকদের উন্নয়নে
কাজ করে যাচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে হতদরিদ্র কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ
করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মন্ত্রী
বলেন, সরকার কৃষিকে আধুনিক ও তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় আনতে কৃষক কার্ড চালু করেছে।
এই কার্ডের আওতায় শুধু ধান, গম বা পাটচাষিই নন; লবণ, সুপারি, নারিকেল, পান, মৎস্য ও
প্রাণিসম্পদ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরাও অন্তর্ভুক্ত হবেন। এতে প্রকৃত কৃষকের সংখ্যা,
উৎপাদনের ধরন ও ফসলভিত্তিক তথ্য সরকারের কাছে থাকবে। ভবিষ্যতে কৃষি ভর্তুকি, প্রণোদনা
ও অন্যান্য সরকারি সহায়তাও এই কার্ডের মাধ্যমেই প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম
ফিশারি ঘাটের মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে স্থানীয় প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণের অভিযোগের বিষয়ে
তিনি বলেন, বিষয়টি সরকার খতিয়ে দেখবে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।
ইলিশের
উৎপাদন কমে যাওয়া ও দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঝাটকা সংরক্ষণ ও প্রজনন মৌসুমে
মাছ ধরা বন্ধ রাখতে সরকার জেলেদের সহায়তা দিচ্ছে। পাশাপাশি তাদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা
গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা দাদননির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন। দেশীয়
চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ইলিশ রপ্তানি বাড়ানোও সরকারের লক্ষ্য।
মন্তব্য করুন


বুধবার (২০ মার্চ) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ‘প্রত্যয় স্কিম’ নামে নতুন স্কিম চালু করা হয়েছে। সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য প্রত্যয় স্কিমের রূপ রেখা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের ১ জুলাই ও তারপরে নতুন যোগদান করবেন তাদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইনের অন্তর্ভূক্ত করেছে সরকার।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১৩ মার্চ জারি করা এসআরও (নং-৪৭-আইন/২০২৪) এর মাধ্যমে সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানগুলোর চাকরিতে যেসব কর্মকর্তা বা কর্মচারী চলতি বছরের ১ জুলাই ও তার পরে নতুন যোগদান করবেন, তাদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইনের অন্তর্ভূক্ত করেছে সরকার।
এছাড়া ১৩ মার্চ জারি করা এসআরও (নং-৪৮-আইন/২০২৪) এর মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য প্রত্যয় স্কিমের রূপ রেখা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রত্যয় স্কিম চালুর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান কর্মকর্তা/কর্মচারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হবে না এবং তাদের বিদ্যমান পেনশন/আনুতোষিক সুবিধা অক্ষুণ্ন থাকবে।
তবে, যাদের ন্যূনতম ১০ বছর চাকরি অবশিষ্ট আছে তারা আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে অবসর জীবনে মাসিক পেনশন প্রাপ্য হবেন বিধায় চলতি বছরের ১ জুলাই ও তার পরবর্তী সময়ে নতুন যোগদান দেওয়া কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, বিদ্যমান ব্যবস্থায় খুব কম সংখ্যক স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানে পেনশন স্কিম চালু রয়েছে। এ ধরনের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীরা আনুতোষিক স্কিমের আওতাভুক্ত এবং তাদের জন্য সিপিএফ ব্যবস্থা প্রযোজ্য। উক্ত ব্যবস্থায় কর্মচারীরা চাকরি শেষে অবসর সুবিধা হিসাবে এককালীন আনুতোষিক প্রাপ্য হন, কিন্তু মাসিক কোনো পেনশন প্রাপ্য হন না।
ফলে অবসরোত্তর জীবনে প্রায় ক্ষেত্রেই আর্থিক অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হন। কর্মচারীদের অবসরোত্তর জীবনের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা প্রদানে বিদ্যমান ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে সরকার ‘প্রত্যয় স্কিম’ প্রবর্তন করেছে। প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর প্রাপ্ত মূল বেতনের ১০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা, যাহা কম হয় তা কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বেতন থেকে কর্তন করা হবে এবং সমপরিমাণ অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা প্রদান করবে।
এরপর উভয় অর্থ ওই প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ওই কর্মকর্তা/কর্মচারীর কর্পাস হিসাবে জমা করবে। এ প্রক্রিয়ায় ওই কর্মকর্তা-কর্মচারীর পেনশন ফান্ড গঠিত হবে এবং ওই ফান্ড জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাভজনক খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রাপ্য মুনাফা এবং চাঁদা হিসাবে জমা করা অর্থের ভিত্তিতে পেনশন প্রদান করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদ্যমান সিপিএফ ব্যবস্থায় কর্মচারী মূল বেতনের ১০ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠান মূল বেতনের ৮.৩৩ শতাংশ প্রদান করে থাকে। প্রত্যয় স্কিমে প্রতিষ্ঠান প্রদান করবে মূল বেতনের ১০ শতাংশ যা সিপিএফ ব্যবস্থা থেকে ১.৬৭ শতাংশ বেশি। প্রত্যয় স্কিমে একজন ব্যক্তি একটি প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকা নিজ বেতন থেকে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে একই পরিমাণ টাকা ৩০ বছর চাঁদা প্রদান করলে তিনি অবসর গমনের পর অর্থ্যাৎ ৬০ বছর বয়স থেকে মাসিক ৬২ হাজার ৩৩০ টাকা হারে পেনশন প্রাপ্য হবেন।
তবে এ ক্ষেত্রে ৩০ বছর ধরে মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকা হারে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিজ বেতন থেকে প্রদত্ত মোট চাঁদার পরিমাণ নয় লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত মোট চাঁদার পরিমাণ নয় লাখ টাকা। অর্থ্যাৎ প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারী মিলিয়ে সর্বমোট চাঁদার পরিমাণ হবে ১৮ লাখ টাকা। তিনি যদি ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তবে ১৫ বছরে পেনশন প্রাপ্য হবেন এক কোটি ১২ লাখ ১৯ হাজার ৪০০ টাকা। যা সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিজ জমার ১২.৪৭ গুণ।
মন্তব্য করুন


বিশ্বকাপের
শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। নিজেদের টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর কান্না ধরে
রাখতে পারেননি নেইমার জুনিয়র। ম্যাচ শেষে জাতীয় দলের হয়ে আর না খেলার কথাও জানান তিনি।
এর একদিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ছেলে নেইমারকে উদ্দেশ্য করে আবেগঘন
একটি দীর্ঘ বার্তা দিয়েছেন তার বাবা নেইমার সিনিয়র।
২০২৬
বিশ্বকাপের জন্য নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে চূড়ান্ত দলে একবারই ডাক পান নেইমার।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ দিকে মাঠে নামার পর নরওয়ের বিপক্ষে প্রায় ৩০ মিনিট
খেলেন তিনি। সেই ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করে জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপে নিজের নবম
গোলের দেখা পান।
ইনস্টাগ্রামে
দেয়া দীর্ঘ বার্তায় ছেলে নেইমারের ফুটবলজীবনের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত নানা স্মৃতি
তুলে ধরেন তার বাবা। তিনি লেখেন, ‘বাবা, কী অসাধারণ এক যাত্রা! কত সুন্দর একটি পথ;
যেখানে ছিল চ্যালেঞ্জ, ছিল কষ্ট, কিন্তু ছিল ঈশ্বরের অশেষ আশীর্বাদও।’
তিনি
বলেন, ছোটবেলা থেকেই নেইমারের মধ্যে ভিন্ন কিছু দেখেছিলেন। তার ভাষায়, ‘ওটা শুধু প্রতিভা
ছিল না, ছিল একটি উদ্দেশ্য।’
নেইমারের
বাবা জানান, জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তাদের পরিবার নিজেদের বিশ্বাস
ও খ্রিস্টান ধর্মীয় মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিয়েছে। অনেক সময় প্রত্যাশার বিপরীতে গিয়ে
কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হলেও তারা বিশ্বাস রেখেছেন, আর সেই বিশ্বাসের প্রতিদানও পেয়েছেন।
ছেলের
ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাপের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, প্রথম গোল, প্রথম সাফল্য, পেশাদার
ফুটবলে অভিষেক, বড় বড় স্টেডিয়াম, শিরোপা, ব্রাজিল জাতীয় দল এবং বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি;
সবকিছুরই সাক্ষী তিনি। তবে তার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন একজন বাবা হিসেবে প্রতিটি মুহূর্তে
সন্তানের পাশে থাকতে পারা।
বার্তার
একপর্যায়ে ছেলেকে উদ্দেশ্য করে তিনি অনুরোধ করেন, ‘বাবা, ফুটবল খেলা চালিয়ে যাও। আবারও
বল পায়ে খেলার আনন্দ খুঁজে নাও, মাঠে হাসিমুখে ফিরে এসো। ঈশ্বর তোমাকে সুস্থ করে আরেকটি
সুযোগ দিয়েছেন।’
তিনি
আরও লেখেন, ‘সমালোচনা, প্রত্যাশা কিংবা জীবনের নানা চাপ নিজের কাঁধে বহন করো না। সব
সিদ্ধান্ত মানুষের হাতে থাকে না, কিছু সিদ্ধান্ত শুধুই ঈশ্বরের। আজকের একটি সিদ্ধান্ত
তোমার পুরো জীবনকে সংজ্ঞায়িত করে না। একটি স্বপ্ন পূরণ না হলেও তার মানে এই নয় যে সেটি
শেষ হয়ে গেছে।’
ভবিষ্যৎ
নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে নেইমারের বাবা বলেন, ‘সামনের দিনগুলোকে ভয় পেয়ো না। আজকে বাঁচো,
অনুশীলন করো, খেলো, হাসো, সন্তানদের সময় দাও, পরিবারকে ভালোবাসো। বাকিটা ঈশ্বরের ওপর
ছেড়ে দাও।’ বার্তার শেষাংশে তিনি বলেন, ট্রফি, গোল কিংবা খ্যাতির
চেয়েও তিনি দেখেছেন ঈশ্বরের অলৌকিক আশীর্বাদ। তার বিশ্বাস, নেইমারের জীবনে আরও অনেক
সুন্দর অধ্যায় এখনও লেখা বাকি।
শেষে
আবেগঘন ভাষায় তিনি লেখেন, ‘মনে রেখো, পৃথিবী তোমাকে ভালোবাসার আগেই ঈশ্বর তোমাকে ভালোবেসেছেন।
আর বাবা হিসেবে আমি সবকিছু আবারও করতে প্রস্তুত; প্রতিটি সফর, প্রতিটি ত্যাগ, প্রতিটি
নির্ঘুম রাত, প্রতিটি দুশ্চিন্তা এবং প্রতিটি প্রার্থনা।’
মন্তব্য করুন


মাদারীপুরের
রাজৈরে দুধে পানি মিশ্রণের অপবাদ দিয়ে গরুর খামারিদের মাথায় জনসম্মুখে দুধ ঢেলে হেনস্তা
ও নির্যাতনের অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর এনামুল বাঘাকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার
(২৬ জুন) দুপুরে রাজৈর উপজেলার টেকেরহাটের পূর্ব স্বরমঙ্গল গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার
করা হয়।
সূত্র
জানায়, গত ২২ জুন দুপুরে রাজৈরের খালিয়া থেকে টেকেরহাট বাজারে দুধ বিক্রি করতে আসেন
বেশ কয়েকজন গরু খামারি। এ সময় ছোট একটি যন্ত্র নিয়ে বাজারে হাজির হন এনামুল। নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট-এর ভাব নিয়ে শুরু করেন ভেজাল দুধের অভিযান। এক নারীসহ তিনজন বিক্রেতার
দুধে পানি মেশানো আছে অভিযোগ তুলে দুইজনের মাথায় দুধ ঢেলে দেয় এনামুল। এসময় তাদের অকথ্য
ভাষায় গালাগালিও করেন। সেই ভিডিও এনামুল বাঘা তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করলে
শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এনামুল বাঘার বিচার দাবি
করা হয়। বিষয়টি নজরে আসলে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ভাইরাল
ভিডিওতে দেখা যায়, টেকেরহাট বাজারে উৎসুক জনতার মাঝে দাড়িয়ে পর পর দুটি দুধের বোতল
হাতে নেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর এনামুল বাঘা। এ সময় দুধের বোতলের মধ্যে ছোট একটি কাঠি সাদৃশ্য
যন্ত্র দিলে কিছু অংশ ভেসে ওঠে। এসময় এনামুল বাঘাকে বলতে শোনা যায় দুধে ৬০০ গ্রাম পানি
মেশানো আছে, দুধের মালিক কে? এসময় দুইজন দুধের মালিক পরিচয় দিয়ে সামনে আসলে তাদেরকে
অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বোতলে থাকা দুধ তাদের মাথায় ঢেলে দেয় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত
করে এনামুল বাঘা। এ সময় উৎসুক জনগণকে হাসিঠাট্টা করতে দেখা যায়।
রাজৈর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এনামুল বাঘাকে শুক্রবার
জুম্মার নামাজের পর তার নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) তাকে মাদারীপুর
আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।’
তিনি
আরও বলেন, ‘এনামুল শুধু কনটেন্ট ক্রিয়েটর নয়, সে আওয়ামী লীগেরও বড় নেতা। তার বিরুদ্ধে
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নাশকতাসহ একাধিক মামলাও রয়েছে।’
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থান
ছাড়াও সুফি মাজারে যেকোনো বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী
সরকার। সেই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে
কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছে সরকার।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয় থেকে পাঠানো
বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত কয়েকদিনে কিছু দুর্বৃত্তের
দেশের সুফি মাজারগুলোতে হামলা চালানোর বিষয়টি অন্তর্বর্তী সরকারের নজরে এসেছে। অন্তর্বর্তী
সরকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা এবং সুফি মাজার সম্পর্কিত যেকোনো বিদ্বেষমূলক বক্তব্য
এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। এসব হামলার সঙ্গে জড়িতদের অতি দ্রুত আইনের আওতায়
আনা হবে। সেই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ধর্মীয় উপাসনালয়
ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের
দেশ। ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক সহিষ্ণুতা ও সম্প্রীতিকে বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা
সরকার দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করবে।
মন্তব্য করুন


মুন্সীগঞ্জে
বিয়ের প্রলোভনে ১৪ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক মোফাজ্জলকে (৩৮) আটক করেছে
পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে
আটক করা হয়। আটক মোফাজ্জল পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার মেলাপাড়া এলাকার মৃত আকরাম
শরীফের ছেলে।
জানা
যায়, পঞ্চসার ইউনিয়নের ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকার রহমত মিয়ার বাড়িতে দীর্ঘদিন পাশাপাশি কক্ষে
বসবাস করার সুবাদে অভিযুক্ত মোফাজ্জলের সাথে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর সুসম্পর্ক গড়ে
উঠে। একই বাড়িতে পাশের কক্ষে অভিযুক্ত মোফাজ্জল ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করত। সুসম্পর্কের
সূত্রে বিভিন্ন সময়ে তার কক্ষে ভিকটিমকে একাধিকবার বিবাহের প্রলোভনে ধর্ষণ করে। গত
১৮ মে রাত ৩টার সময় ভিকটিমকে ধর্ষণকালে ভিকটিমের বাবা মা দেখে ফেললে অভিযুক্ত কৌশলে
পালিয়ে যায়।
পরে
শনিবার রাতে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় অভিযুক্ত মোফাজ্জলকে এলাকা থেকে আটক করা হয়
এবং জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ রবিবার। সর্বোচ্চ
ভোট পেয়ে পরিচালক পদে বিজয়ী হয়েছেন তামিম ইকবাল খান। পরিচালকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৩
ভোট পেয়েছেন তিনি।
রবিবার
(৭ জুন) বিকালে মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভোট গণনা শেষে এই তথ্য
জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
প্রাপ্ত
ভোটে ঢাকার ক্লাব থেকে জিতেছেন তামিম ইকবাল, মাসুদুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম বাবু, ইয়াসির
আব্বাস, ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম, শাহনিয়ান তানিম, ফাহিম সিনহা, ইয়াসির ফয়সাল,
আসিফ রাব্বানি, ডা. মাহবুব শামীম, সাকেফ আহমেদ সালাম।
এই
ক্যাটাগরি থেকে লড়েছেন ১৬ জন। পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন ১২ জন। হেরে যাওয়া প্রার্থীরা
হলেন বোরহানুল পাপ্পু, আমজাদ হোসেন, ফরজুর মিতু এবং মেজর ইমরোজ আহমেদ।
যেখানে
সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়েছেন তামিম ইকবাল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ ভোট পেয়েছেন সাইদ ইব্রাহিম
আহমেদ এবং ইশরাফিল খসরু। মাসুদুজ্জামান ৭০ এবং ফয়সাল ইয়াসির পেয়েছেন ৬৮ ভোট। ফাহিম
সিনহা এবং শানিয়ান তানিম ৬৬টি করে ভোট পেয়েছেন। আসিফ রাব্বানী ৬৪, মির্জা ইয়াসির আব্বাস
৬৩ টি ভোট পেয়েছেন। রফিকুল ইসলাম ৫৩ এবং ড. শামীম ৪১ ভোট পেয়েছেন।
হেরে
যাওয়া ৪ প্রার্থীর প্রাপ্ত মোট ভোট–বোরহানুল পাপ্পু ৪০, আমজাদ হোসেন ৩২,
ফয়জুর মিতু ২৩ ও মেজর ইমরোজ আহমেদ ২০ ভোট।
ক্লাব
ক্যাটাগরিতে মোট ভোটার ছিল ৭৬ জন। এর মধ্যে ৭৪টি ভোট কাস্ট হয়েছে।
মন্তব্য করুন