

মাদক সেবন করে পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি ও মা–বাবাকে মারধরের অভিযোগে মো. শাকিল (২২) নামে এক যুবককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার মাধবপুর ইউনিয়নের মকিমপুর আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে দণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারেক রহমান। এ সময় ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুজন কুমারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।
স্থানীয়রা জানান, শাকিল দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও গাঁজা সেবন করে মাতলামি ও আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দাদের শান্তি বিনষ্ট করে আসছিলেন। মাদক কেনার টাকার জন্য তিনি প্রায়ই মা ও বাবাকে মারধর করতেন। এতে অতিষ্ঠ হয়ে কয়েক দিন আগে তাঁর বাবা শাহাদাত হোসেন বাড়ি ছেড়ে চলে যান।
গত সোমবার (৬ অক্টোবর) রাতে মাদক সেবনের পর মা শাহনাজ বেগমকে মারধর করেন শাকিল। পরদিন দুপুরে আবারও মাদক কেনার টাকার জন্য তাঁর ওপর হামলার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন শাকিলকে আটক করে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি মাদক সেবনের কথা স্বীকার করেন।
এ সময় শাকিলের ঘরে তল্লাশি চালিয়ে বিছানার নিচ থেকে দুই পুরিয়া গাঁজা ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শাকিলের মা শাহনাজ বেগম বলেন, আমার ছেলে মাদক সেবন করে আমাদের মারধর করত। তার বাবাও রাগ করে কয়েক দিন আগে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। অবশেষে প্রশাসন ব্যবস্থা নেওয়ায় আমরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারেক রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শাকিলকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে মাদক সেবনের কথা স্বীকার করে। ঘর তল্লাশি করে গাঁজা ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়। তাঁকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৮ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ (২ মার্চ) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মনাগ্রাম এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোঃ পাভেল মিয়া (৩০) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ পাভেল মিয়া (৩০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার দ্বিতীয় মুরাদপুর গ্রামের মৃত আবাদ মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে ঢাকা, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
২০ কেজি গাঁজাসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা জেলা
গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
আজ
(১৮জানুয়ারী) জেলা গোয়েন্দা শাখায়
কর্মরত এসআই মোঃ আহসান
হাবিব, এএসআই আব্দুল্লাহ, এএসআই সাইদুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দাউদকান্দি মডেল থানাধীন দাউদকান্দি
পৌরসভার চট্টগ্রাম-টু-ঢাকা গামী
মহাসড়কের দক্ষিণ পাশ্বে বিআরটিসি বাস কাউন্টারের সামনে
পাকা রাস্তার উপর পৌঁছে ঢাকা
মেট্রো-ন-১৭-৯৯৫১ রেজিঃ
নম্বরের একটি পুরাতন পিকআপ গাড়ী তল্লাশী করে
গাড়ীর পেছনে বডিতে ২টি প্লাষ্টিকের বস্তার
ভেতরে রাখা মোট ২০
কেজি গাঁজা সহ মোঃ রাসেল কে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: ফরিদপুর জেলার সালথা থানার ছোট লক্ষনদিয়া
(বাজারের পাশে) এ লাকার মৃত ইদ্রিস মাতাব্বর এর ছেলে মোঃ রাসেল (২৫)।
উক্ত
ঘটনায় দাউদকান্দি মডেল থানায় এজাহার
দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর শাসনগাছা এলাকায় বাদশা মিয়া বাজারে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লা।
শুক্রবার (১৭ মে) জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন।
উক্ত অভিযানে ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা অভিযোগে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয়।
এ সময় জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী গভর্নমেন্ট প্লিডার (এজিপি) এডভোকেট মোঃ আবু
মুছা ভূঁঞা ১৯৭৯ সালের ২৫ নভেম্বর কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার বাগমারা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত
মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি
বাগমারা দাখিল মাদ্রাসায় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে মুরাদনগর
বাঁশ কাইট পীতাম্বর জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৪ সালে ১ম বিভাগে মাধ্যমিক পাশ করেন।
তৎপর চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ১৯৯৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
হয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগে অর্নাস করেন।
পরে উক্ত বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়াকালীন সময়ে
বিএনসিসি ও স্কাউট এর সাথে জড়িত ছিলেন।
অ্যাড.
আবু মুছা ভূঁঞার দাদা মনিরুল ইসলাম মাষ্টার বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তবে
দাদা মনিরুল ইসলাম মাষ্টার এর অনুপ্রেরণায় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত হন তিনি। সেই
সুবাদে এডভোকেট মোঃ আবু মুছা ভূঁঞা ১৯৯৬-৯৭ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র দলের
রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে "ওয়াসিম-ছানাউল্লাহ পরিষদ" এর পাশের ক্ষেত্রে ভূমিকা
রাখেন এবং ১৯৯৯ সালে কুমিল্লা আইন কলেজে অধ্যয়নরতকালে ছাত্র সংসদ "নাজমূল-মহান
পরিষদ" এর নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালের ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ
বার কাউন্সিল থেকে সনদ প্রাপ্ত হয়ে একই সালে ৩১ অক্টোবর কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতিতে
যোগদান করে পেশাগত জীবনে আত্ম প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে তরুণ আইনজীবী হিসেবে জাতীয়তাবাদী
আইনজীবী ফোরামের রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্য
হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লাস্থ দেবীদ্বার সমিতির নির্বাচন
কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দেবীদ্বার সমিতির "ক্রীড়া সম্পাদক"
হিসেবে মনোনীত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। এড. আবু মুছা ভূঁঞা ২০১০ সালে সর্ব সম্মতিক্রমে
দেবীদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়ন বিএনপির "সভাপতি" নির্বাচিত হয়ে বর্তমানেও
পুনরায় দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপি'র "মানবাধিকার বিষয়ক
সম্পাদক" হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। পরে ২০২২ সালের ২৯ মে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
(বিএনপি)'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম এর স্বাক্ষরিত কুমিল্লা উত্তর জেলার আহবায়ক
কমিটির "সদস্য" মনোনীত হন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, কুমিল্লা
ইউনিটের "যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক" হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও জেলা
আইনজীবী সমিতির "লাইব্রেরী সেক্রেটারি" হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।
তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার
আইনজীবী ও কুমিল্লা জেলা পিপি এডভোকেট কাইমুল হক রিংকু'র নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের
মামলা পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। অ্যাড. মুছা ভূঁঞা বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের
সকল প্রকার দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। সরকারের পতনের পর যখন দেশের ক্রান্তিলগ্নে
অতিক্রম করে তখন ১৫নং বরকামতা ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাছাড়াও
তিনি জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ও আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের প্যানেল আইনজীবী
হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সর্বশেষ গেলো ৩রা জুন দেবীদ্বার উপজেলাধীন বাগমারা ইসলামিয়া
আলীম মাদ্রাসা'র গভর্ণিং বডির "সভাপতি" মনোনীত হয়েছেন। তিনি দীর্ঘ দেড় যুগেরও
বেশি সময় ধরে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে আইন পেশা পরিচালনা করে আসছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১,৯৫০ পিস ইয়াবাসহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১১ জুলাই রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন মতিনগর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ কাইয়ুম মিয়া
(২৪), ২। মোঃ লিমন হোসেন (২৪), ৩। মোঃ সোহাগ হোসেন (২৬) এবং ৪। মোঃ ইয়াছিন (২৩) নামক
চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ১,৯৫০ পিস ইয়াবা ও মাদক
পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোঃ কাইয়ুম মিয়া (২৪) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার মতিনগর গ্রামের মোঃ সাদেক
মিয়া এর ছেলে, ২। মোঃ লিমন হোসেন (২৪) একই গ্রামের মোঃ নুরু মিয়া এর ছেলে, ৩। মোঃ সোহাগ
হোসেন (২৬) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার তালতলী গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলাম এর ছেলে
এবং ৪। মোঃ ইয়াছিন (২৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বারপাড়া গ্রামের মোঃ হালিম
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা
দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মোটরসাইকেল ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত
অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান
অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা ও ৫০ বোতল ফেন্সিডিল’সহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
(০২ জুলাই) তারিখ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ শাহিন উদ্দিন (২৫) এবং ২। মনি আক্তার (২৯) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা, ৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে (০২ জুলাই) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মাঝিগাছা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৩) নামক ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ শাহিন উদ্দিন (২৫) কক্সবাজার জেলার সদর থানার মধ্যম মাইজপাড়া গ্রামের শামসুল আলম এর ছেলে, ২। মনি আক্তার (২৯) নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার গুরুবদী গ্রামের হানিফ মিয়া এর মেয়ে এবং ৩। মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ভরজালা গ্রামের মৃত আলী আকবর এর ছেলে। আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা ও ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
আদর্শ
সদর আর্মি ক্যাম্প ও পুলিশের সমন্বয়ে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় একটি
যৌথ তল্লাশি চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়।
আজ
মঙ্গলবার (৩ জুন) দুপুর ১টা ৩৩ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলা এই অভিযানে যানবাহনের
কাগজপত্র যাচাই করা হয়।
তল্লাশিকালে
দুইটি মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মোট ৬,০০০ (ছয় হাজার) টাকা জরিমানা আদায়
করা হয়। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় উক্ত দুইটি মোটরসাইকেল
জব্দ করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
সেনাবাহিনী
ও পুলিশের এ যৌথ অভিযান এলাকায় শৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখে বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


এক্সিম ব্যাংক ৩৫তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে কুমিল্লা জেলা হ্যান্ডবল দল।
সোমবার (৩ জুন) এক্সিম ব্যাংক ৩৫তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা-২০২৩ এর উদ্বোধন হবে ঢাকায়।
১২ সদস্যের কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দল রবিবার কুমিল্লা থেকে ঢাকার উদ্দ্যেশে যাত্রা করে।
রবিবার সকালে কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দলকে বিদায় জানান কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাদক্ষ আল আমিন ভূইয়া ও সদস্য দেলোয়ার হোসেন জাকির।
নারী হ্যান্ডবল দলকে শুভেচ্ছা জানান, নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন, তিনি শৃংখলার সাথে খেলায় অংশ নিয়ে নিজেদের ও কুমিল্লা জেলার সুনাম বয়ে আনতে মনোযোগী হতে বলেন।
কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দলের ম্যানেজার হিসেবে রয়েছেন রোকসানা বেগম ও কোচ আলমগীর আলম রাজু।
মন্তব্য করুন


আর্জেন্টাইন
সুপাস্ট স্টার লিওনেল মেসি ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর পরই বদলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের
ফুটবল। আর এবার যুক্তরাষ্ট্রের এনএফএলের (ন্যাশনাল ফুটবল লিগ) চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচ
‘সুপারবোল’ও মেসির খ্যাতিকে কাজে লাগাতে চলেছে।
আর
এবারই ১ম সুপারবোলের বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়েছেন মেসি। ৬০ সেকেন্ডের সেই বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে
১ কোটি ৪০ লাখ ডলার (১৫৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা) আয় করবেন মেসি। সম্প্রতি মেসি একটি বিয়ারের
বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়েছেন।
বিয়ার
কোম্পানি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পেজগুলোয় এরই মধ্যে মেসির বিজ্ঞাপনের একাধিক টিজার
প্রকাশ করেছে। ১৫ সেকেন্ডের একটি টিজারে দেখা যাচ্ছে, সাগরপাড়ে ফুটবল খেলছেন মেসি।
কয়েকজনকে ড্রিবল করে বল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। পাশে
থাকা পর্যটকেরা তাঁর খেলা মুগ্ধতাভরে দেখছেন।
এই বিজ্ঞাপন আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি লাস ভেগাসের অ্যালেজায়ান্ট স্টেডিয়ামে ন্যাশনাল ফুটবল লিগে (এনএফএল) সুপারবোলের বিরতির সময় দেখানো হবে। প্রতি ৩০ সেকেন্ড বিজ্ঞাপনের জন্য ৭০ লাখ ডলার (৭৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা) দিয়ে আসছে বিয়ার কোম্পানি। সে হিসাবে মেসি ৬০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে পেতে যাচ্ছেন এর দ্বিগুণ অর্থ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩২ কেজি গাঁজা ও একটি প্রাইভেটকারসহ
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে হোমনা থানা পুলিশ ।
আজ (১২ জুলাই) সকালে হোমনা থানার এসআই
মোজাফফর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোমনা থানার ছয়ফুল্লাকান্দি মাথাভাঙ্গা
এলাকায় ছিনাইয়া-টু-মেঘনাগামী পাকা রাস্তার উপর চেকপোস্টে একটি প্রাইভেটকার তল্লাশী
করে ৩২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সেলিম কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো- হবিগঞ্জ জেলার
মাধবপুর থানার গজনগর গ্রামের মোরশেদ এর ছেলে মোঃ সেলিম (৩৭)।
উক্ত ঘটনায় হোমনা থানার মামলা দায়ের
করা হয়।
মন্তব্য করুন