

কুমিল্লার মুরাদনগরে নিখোঁজের ২০ দিন পর মাটি খুঁড়ে মেহেদী হাসান (১৮) নামে এক যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মুরাদনগর থানা ও বাঙ্গরা বাজার থানার সহযোগীতায় নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের উত্তর ত্রিশ এলাকা থেকে মাথার খুলি ও হাড়গোর উদ্ধার করে কুমিল্লা সিআইডি পুলিশের একটি বিশেষ টিম। নিহত মেহেদী হাসান বাঙ্গরা বাজার থানার দীঘিরপাড় গ্রামের মৃত মোস্তফা’র ছেলে। সে পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলো।
গত ১১ আগস্ট রাতে মেহেদী হাসান বাঙ্গরা বাজার থেকে তার অটোরিকশায় ভাড়া নিয়ে কোম্পানীগঞ্জ যাওয়ার সময় অটোরিক্সাসহ নিখোঁজ হন। নিখোঁজের পর দিন পরিবারের পক্ষ থেকে বাঙ্গরা বাজার থানায় একটি জিডি করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মদের বোতল ও গাঁজা ধ্বংস করেছে উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে গঠিত টাস্কফোর্স।
গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া, তেতাভূমি ও ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া এলাকায় টানা কয়েক ঘণ্টা এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা জাহান। এতে সেনাবাহিনী, থানা-পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। পুলিশের নেতৃত্বে ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা “ মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম ” এবং সেনাবাহিনীর (১২ বীর) দলের নেতৃত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট মো. এহসান সিরাজী সাদ। প্রশাসন ও যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অনেক মাদক কারবারি ও চোরাকারবারি পালিয়ে যায়। তবে তেতাভূমি এলাকায় ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত কয়েক হাজার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদের খালি বোতল ধ্বংস করা হয়। পরে ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা কয়েকটি গাঁজার পুরিয়াও ধ্বংস করা হয়। এ সময় সীমান্ত এলাকা থেকে আসা বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়।
মন্তব্য করুন


সুশৃঙ্খল সুরক্ষিত মহাসড়ক - এ লক্ষ্যকে নিয়ে দিনরাত কাজ করে যায় হাইওয়ে পুলিশ কারণ মূল উদ্দেশ্য থাকে একটাই দিনশেষে সুরক্ষার সাথে বাড়ি ফেরার নিশ্চয়তা সুনিশ্চিতকরণ ।
শনিবার (২০ এপ্রিল ২০২৪) সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলমের নেতৃত্বে কুমিল্লায় হাইওয়ে পুলিশ কর্তৃক কুমিল্লা রিজিয়নের ২২টি হাইওয়ে থানা পুলিশের বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট ডিউটি, অভিযান পরিচালনা এবং স্পিড গান বা স্পিড ডিটেক্টর ব্যবহার সহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় ।
হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজির নেতৃত্বে হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সংশ্লিষ্ট সার্কেল সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, সাব-ইন্সপেক্টর, সার্জেন্ট সহ সকল পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্স মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বডি ওয়ার্ন ক্যামেরায় সজ্জিত হয়ে সারাক্ষণ লাইভ স্ট্রিমিংয়ে থেকে চেকপোস্ট ডিউটি, অভিযান পরিচালনা ও স্পিড গান ব্যবহার করাসহ আজ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ লঙ্ঘন কারী গাড়ির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় গাড়ি আটক ও গ্রেফতার করা হয়।
আজকের এই বিশেষ অভিযানের সময় কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নে ফিটনেস বিহীন বাস, ফিটনেস বিহীন পণ্যবাহী ট্রাক সহ সকল ফিটনেস বিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
শুধু তাই নয়, পণ্যবাহী গাড়িতে যাত্রী পরিবহন করার অপরাধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
পাশাপাশি মহাসড়কে অবৈধভাবে এবং ঝুঁকিপূর্ণভাবে থ্রি হুইলার চালানোর অপরাধে কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৩টি থ্রি হুইলার আটক, ফিটনেস বিহীন ১টি পিকআপ আটক, দুর্ঘটনায় জড়িত ১টি সাউদিয়া বাস আটক ও গাড়ি ১ ড্রাইভারকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ছাড়াও সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ লঙ্ঘনের অপরাধে বিভিন্ন ধারায় মোট ১৭৩টি প্রসিকিউশন দেওয়া হয় এবং একই সাথে হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৬৬ ধারায় ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত মোটরযান ও গণপরিবহন চালানোর অপরাধে ২৮টি, ৭৫ ধারায় ফিটনেস সনদ ব্যতীত বা মেয়াদ উত্তীর্ণ ফিটনেস সনদ ব্যবহার করে মোটরযান চালানোর অপরাধে ০৬টি, ৮৭ ধারায় নির্ধারিত গতিসীমার অতিরিক্ত গতিতে মোটরযান চালানো বা স্পীড ডিটেক্টরের সাহায্যে মোটরযানের গতি চিহ্নিত অপরাধে ৫৯টি, ৮৯(১) ধারায় কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী মোটরযান নিষিদ্ধ হর্ণ স্থাপন/ব্যবহার ইত্যাদির অপরাধে ০৭টি, ৮৯(২) ধারায় ঝুঁকিপূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষিত মহাসড়কের চলাচলের অনুপোযোগী যান চালনা ইত্যাদির অপরাধে ৫১টি, ৯২(১) ধারায় মোটরযান চলাচলের সাধারণ নির্দেশাবলী সংক্রান্ত (১ম অংশ) অপরাধে ২০টি এবং ৯২(২) ধারায় (২য় অংশ) অপরাধে ০২টি সহ কুমিল্লা রিজিয়ন কর্তৃক বিভিন্ন অপরাধে সর্বমোট ১৭৩টি প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়।
হাইওয়ে পুলিশ প্রধান এবং বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজি মো: শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম (বার) মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কুমিল্লা রিজিয়ন জোরদার ভাবে স্পিড গান বা স্পিড ডিটেক্টর ব্যবহার করা হচ্ছে ।
জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে হাইওয়ে পুলিশের বডি ওয়ার্ণ ক্যামেরার মাধ্যমে লাইভ স্ট্রিমিংয়ে অভিযান সংক্রান্ত এ কার্যক্রম কুমিল্লা রিজিয়নে অব্যাহত থাকবে।
ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কে ৮০ কি:মি গতিসীমার মধ্যেই যানবাহন সমূহ চালানোর নির্দেশনা সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কিনা সেদিকেও সজাগ দৃষ্টি সদা সর্বদা থাকবে কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ এর । এসময় কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম উল্টোদিকে গাড়ি চালানো এবং মহাসড়কে থ্রি হুইলার ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল অফিসার ইনচার্জদের নির্দেশ প্রদান করেন।
পাশাপাশি তিনি পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নের্তৃত্ব এবং সংশ্লিষ্ট সকল গাড়ির ড্রাইভারদের দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি পরিহার এবং ফিটনেস সার্টিফিকেট থাকা গাড়ি গুলোকেই গতিসীমা মেনে গাড়ি চালানোর জন্য অনুরোধ করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
সদর উপজেলার মির্জানগর গ্রামের মোতালেব মিয়া নামে এক প্রবাসীর বাড়ি থেকে ২০০ কেজি
গাঁজা জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় মোতালেব মিয়ার স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৩৭) এবং মেয়ে
ইসরাত জাহানকে (১৯) আটক করা হয়েছে। তাসলিমা ও ইসরাত সম্পর্কে মা ও মেয়ে।
আটকের
বিষয়ে কোতয়ালি থানা পুলিশ জানায়, বুধবার ভোর রাতে মির্জানগরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
অভিযান পরিচালনা করা হয় মালয়েশিয়া প্রবাসী মোতালেব মিয়ার বাড়িতে। এ সময় তার বাড়ি
থেকে পাঁচ মন গাঁজা জব্দ করে পুলিশ। আটক করা হয় ইসরাত জাহান ও তাসলিমা বেগমকে। এই
সময় ওমর ফারুক, হান্নান ও আমজাদ নামে তিন মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়।
তারা
সবাই মিলে মাদক পাচার ও ব্যবসার সাথে জড়িত বলে জানিয়েছে কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মাহিনুল ইসলাম।
গ্রেফতারকৃত
ইসরাত জাহান কোতোয়ালি থানাধীন মির্জানগর গ্রামের মোতালেব মিয়ার মেয়ে ও তাসলিমা আক্তার
মোতালেব মিয়ার স্ত্রী।
কোতয়ালি
থানা ওসি মাহিনুল ইসলাম জানান, তাসলিমা বেগমের বিরুদ্ধে আগেরও একটি মাদকের মামলা রয়েছে।
এবার মা-মেয়ে দুজনই আটক হলেন। অভিযানে মোতালেবের ঘরে লুকানো অবস্থায় ১০ টি বড় ধরনের
বস্তায় ভর্তি ৫ মন গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওমর ফারুক,
হান্নান ও আমজাদ পালিয়ে যায়। তারা তিনজন ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদকের
এই সিন্ডিকেট টি ওই বাড়িতে রেখে দীর্ঘদিন ধরে গাঁজার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলো।
এই ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃত মা-মেয়েকে
আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা জেলার মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর বশির, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইনউদ্দিন চিশতি, বিএডিসি (সেচ) নির্বাহী প্রকৌশলী রুবাইয়াত ফয়সাল আল মাসুম, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান হীরা, সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুন, কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও)।
সভায় জেলার গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ও উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে রাস্তা ও ড্রেনের অবস্থা, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং যানজট সমস্যা সমাধানের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে জুলাই শহীদদের কবরের নির্মাণকাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এছাড়া গৃহহীন জুলাই শহীদ ও আহতদের জন্য ঘর নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় জানানো হয়, মুরাদনগর উপজেলায় আহত ও গৃহহীন জুলাই যোদ্ধার জন্য ইতোমধ্যে একটি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, “আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এসব বিষয় মাথায় রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ তৎপর থাকতে হবে।” তিনি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও নথিপত্র সংরক্ষণের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি প্রত্যেক দপ্তরকে নিজ নিজ কার্যালয়ের নিরাপত্তা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। জেলা প্রশাসক বলেন, আগামী নির্বাচন পর্যন্ত সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে সর্বোচ্চ সচেতন থাকতে হবে।
সভায় কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মিজানুর রহমান বলেন, নির্বিচারে কৃষিজমি ধ্বংস করা হচ্ছে। ড্রেজার ও এক্সকেভেটর ব্যবহার করে ইটভাটার জন্য কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি (টপ সয়েল) তুলে নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, টপ সয়েল তৈরি হতে ৩০ থেকে ৪০ বছর সময় লাগে। এই টপ সয়েল রক্ষা করতে না পারলে ভবিষ্যতে কৃষিজমি নিচু ও অনুর্বর হয়ে পড়বে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও কঠোর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
সভা শেষে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সকল দপ্তর প্রধানকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে যথাযথ দায়িত্ব পালনের জন্য আহ্বান জানানো হয়
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
শুকনা খাবারসহ নিত্যপণ্যের বাজারে
ভোক্তা অধিদপ্তরের তদারকি অভিযান, চার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে।
কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় সৃষ্ট বন্যার প্রেক্ষিতে শুকনা খাবারসহ নিত্যপণ্যের দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে এমন তথ্যা পাওয়ায় নগরীর বৃহৎ পাইকারি বাজার চকবাজারে ভোক্তা অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিশেষ তদারকি অভিাযান পরিচালনা করা হয়। চিড়া, মুড়ি, গুড়, গ্যাস সিলিন্ডারসহ নিত্যপণ্যের দোকানে এ তদারকি কার্যক্রম চলে। অভিাযানে অনিয়ম পাওয়ায় চার প্রতিষ্ঠানকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানাকৃত প্রতিষ্ঠানগুনলো যথাক্রমে বেশি দামে চিড়া বিক্রি করায় আনোয়ার স্টোরকে ১০ হাজার, ক্রয়ের ভাউচার না রেখে বেশি দামে মিষ্টি বিস্কুট বিক্রি করায় লক্ষণ স্টোরকে ৫ হাজার, বেশি দামে পেয়াজ বিক্রির প্রস্তাব করায় নারায়ণ চন্দ্র চৌধুরীকে ২ হাজার এবং অতিরিক্ত মূল্যে পেয়াজ বিক্রি এবং মূল্য উল্লেখ না করে ইচ্ছে মাফিক দামে বিক্রির সুযোগ করে দেওয়ায় শাহ পরান ট্রেডার্সকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানাসহ আজ মোট চার প্রতিষ্ঠাকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তদারকি করা হয় অন্তত অর্ধ শতাধিক নিত্যেপণ্যের দোকান। বেলা ১১টা থেকে সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে চলা এ তদারকি কার্যক্রমে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর একেচ আজাদ এবং কোতয়ালি থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার গাইনি চিকিৎসক ডা. ফাহমিদা আজিম কাকলী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ রোববার (২৩ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।চিকিৎসকের বড় ভাই মনজুরুল আজীম পলাশ এই মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কয়েক দিন আগে ডা. কাকলী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন। এ সময় তার কিডনি ও লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গতকাল শনিবার অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হঠাৎ রক্তচাপ কমে যাওয়ায় তাকে আইসিইউ থেকে ভেন্টিলেশনে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই আজ সকালে তিনি মারা যান।
ডা. কাকলীর মৃত্যুতে কুমিল্লায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি কুমিল্লা ময়নামতি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গাইনি ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং নগর মাতৃসদন কুমিল্লার কনসালট্যান্ট ছিলেন। বহু দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে সিজার করিয়েছেন বলে মানবিক চিকিৎসক হিসেবে তার পরিচিতি ছিল।
স্বজনরা জানিয়েছেন, তার মরদেহ আপাতত হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত তার একমাত্র কন্যা তুর্ণা দেশে ফিরলে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হবে
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার
দাউদকান্দির গৌরীপুর মুন্সি ফজলুর রহমান সরকারী ডিগ্রী কলেজের একটি ভবনের দেয়াল ধ্বসে
পড়েছে।
গতকাল
বুধবার রাতে বজ্রপাতের কম্পনে এ দেয়াল ধ্বসে পড়েছে। তবে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যাযনি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলেজের চত্বরের পশ্চিম পাশে রাবেয়া কবির স্মৃতি হলের উত্তর সাইটের দেয়াল ধ্বসে পড়েছে। কলেজের সামনে পুকুরে মাছ চাষে ভবনের নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় ধ্বসে পড়েছে বলে জানান কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ শহিদুজ্জামান মিয়া।
তিনি
বলেন, কলেজের সামনের পুকুরে মাছ চাষের ফলে ভবনের নিচের অংশের মাটি ধীরে ধীরে সরে গেছে।
আর কয়েকদিন আগে পুকুরের পানি সেচের কারনে ফাটল দেখা দেয়। একারনে ভবনটিকে তালাবদ্ধ করে
রেখেছি। আর গত রাতে বজ্রপাতের প্রচন্ড কম্পনে ভবনের দেয়ালটি ধ্বসে পড়েছে। পুরো ভবনের
উত্তরাংশে গাইড ওয়াল করার বিষয়ে শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগকে জানানো হয়েছে। অতি দ্রুত প্রোটেকশান
দেয়াল করা না হলে পুরো ভবনটি রক্ষা করা যাবে না।
এ
বিষয়ে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা ইসলাম বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের
সাথে আলোচনা করে কলেজের পুরো ভবনটি রক্ষা করতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ঈদুল ফিতরের আনন্দে যখন সারা দেশ উচ্ছ্বাসে ভাসছে, তখন তার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি দেখা গেল কুমিল্লা শহরের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে। ঈদের দিন সকাল গড়াতেই নগরীর ধর্ম সাগর পাড় সহ বিনোদন স্পটগুলোতে নেমে আসে মানুষের ঢল।
শনিবার (২১শে মার্চ) বিকালে নগরীর ধর্মসাগর পার্কে গিয়ে দেখা যায় পরিবার-পরিজন নিয়ে আসা মানুষের ভিড়ে হাঁটার জায়গাও সংকুচিত হয়ে পড়ে। শিশুদের উচ্ছ্বাস, কিশোরদের হৈ-হুল্লোড় আর বড়দের স্বস্তির হাসি সব মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। বিশেষ করে শিশুদের আনন্দ ছিল চোখে পড়ার মতো। নানা ধরনের রাইড, ট্রেন, নৌকা ভ্রমণ এবং খেলার সরঞ্জাম ঘিরে ছিলো তাদের উপচে পড়া ভিড়।
নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও ছিলো বাড়তি নজর। বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়। একই সঙ্গে দর্শনার্থীদের চাপ সামাল দিতে কর্মীদেরও বাড়ানো হয়েছে। তবে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে কিছু জায়গায় সাময়িক বিশৃঙ্খলার কথাও শোনা গেছে।
অন্যদিকে, খাবারের স্টলগুলোতেও ছিলো ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন। ফুচকা, চটপটি, আইসক্রিম থেকে শুরু করে ফাস্টফুড সবকিছুর চাহিদা ছিল তুঙ্গে।
বিক্রেতারা জানান, ঈদের দিন তাদের বছরের অন্যতম ব্যস্ত সময়, আর এবার সেই ব্যস্ততা আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।
নগরীর ধর্মসাগর পাড় ঘুরতে আসা দর্শনার্থী ইসরাত জাহান ঐশী বলেন, “বন্ধুদের সঙ্গে ঈদের দিনটা এমন সুন্দর পরিবেশে কাটাতে পেরে দারুণ লাগছে। ভিড় থাকলেও আনন্দটা অন্যরকম।”সুমাইয়া আক্তার বলেন, “বাচ্চাদের আনন্দ দেখতেই এখানে আসা। তারা খুব খুশি, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া।”
আব্দুল করিম বলেন, “নিরাপত্তা ব্যবস্থা মোটামুটি ভালো। পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে স্বস্তি পাচ্ছি।”
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং সাদা পোশাকেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছি।
মন্তব্য করুন


পরকীয়া প্রেমে বাঁধা দেওয়ায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণে রাজ গোয়ালি মোঃ ইয়াছিন মিয়া (২৫) কে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপরজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খান।
মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়া (৩৭) ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি সেলিম মিয়া (৪৭) হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন জোলাই কুড়িয়াপাড়া (ফকিরমূড়া) গ্রামের মৃত আলী মিয়ার ছেলে।
রায় ঘোষণাকালে দন্ডপ্রাপ্ত উভয় আসামি আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণে ও আদালত সূত্রে জানা যায়- নিহতের খালাতো ভাইয়ের স্ত্রী মোসাঃ জেসমিন আক্তার (৩৭) এর সহিত আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়া'র পরকীয়া প্রেম বাধা দেওয়ায় আসামিরা পরষ্পর যোগসাজশে ২০২০ সালের ১৮ মে দিবাগত রাত সোয়া ৯টায় স্থানীয় মসজিদে নামাজ পড়ে বাড়ী ফেরার সময় প্রথমে ভিকটিমের বড়ভাই বাদী মোঃ মিজানুর রহমানকে ধারালো চুরি দিয়ে ঘাই মারে পরে ভিকটিম ইয়াছিন মিয়ার বুকে ধারালো অস্ত্র ছুরিকাঘাতে হত্যা করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এরপর নিহতের স্বজনরা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ইয়াছিনকে উদ্ধার করে কুমেক হসপিটাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরদিন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন জোলাই কুড়িয়াপাড়া (ফকিরামূড়া) গ্রামের মোঃ শাহজাহান খানের ছেলে নিহতের বড়ভাই মোঃ মিজানুর রহমান (৩৫) বাদী হয়ে একই গ্রামের মৃত আলী মিয়ার তিন ছেলেসহ ৫ জনকে আসামি করে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মোঃ জসিম উদ্দিন ও কুমিল্লা পিবিআই এসআই (নিঃ) আব্দুর রজ্জাক সর্দার তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনার ৩ দিনপর অর্থাৎ ২০২০ সালের ২১ মে আসামি মোঃ শাহজাহান ও ১১ জুন আসামি সেলিম মিয়াকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করে দন্ডিত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০২১ সালের ১৭ নভেম্বর দণ্ডবিধির ৩৪১/৩২৪/৩০২/৩৪ ধারার বিধানমতে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি বিচারে আসলে ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জ গঠনক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে ৯জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে এবং আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামিদ্বয়কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার বিধানমতে দোষী সাবস্ত ক্রমে আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়াকে মৃত্যু দণ্ড এবং আসামি মোঃ সেলিম মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: সেই সাথে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন আদালত।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্তীয় কৌশলী অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট নুরুল ইসলাম বলেন আমরা আশাবাদী শীঘ্রই উচ্চ আদালত রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।
এদিকে, এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসামি পক্ষে নিযুক্তীয় কৌশলী এডভোকেট জালাল উদ্দীন টিপু বলেন রায়ের কপি হাতে পেলে শীঘ্রই উচ্চ আদালতে আপীল করবো।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার চান্দিনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিশেষ অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মাধাইয়া বাজার ফুটওভার ব্রিজের পশ্চিম পাশে একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালানো হয়। খালেক মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের সামনে সন্দেহজনক গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি করলে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আটক রাসেল মিয়া (২৯) বরগুনা সদর উপজেলার সাহেরো হাওলা গ্রামের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে এসআই (নিঃ) মো. মনিরুল ইসলাম চৌধুরী জব্দ তালিকা প্রস্তুত করেন। উদ্ধারকৃত মাদক ও ব্যবহৃত গাড়ি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন