

ব্রাহ্মণপাড়া থানায় কর্মরত
এসআই (নিরস্ত্র)শফিক উল্লাহ, এএসআই (নিরস্ত্র) মোঃ হেলাল উদ্দিন ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ ব্রাহ্মণপাড়া
থানা এলাকা থেকে ৩৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় ।
শুক্রবার দিনে গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ডিউটি করাকালে ব্রাহ্মণপাড়া
থানাধীন ৪নং শশীদল ইউনিয়নের পশ্চিম বাগড়া সাকিনে আছমত আলী বেপারী বাড়ির পুকুরের দক্ষিণ
পাড়ে পৌঁছামাত্রই পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন লোক দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের
মোকাবেলায় আসামীদের ফেলে যাওয়া ১টি সাদা রংয়ের বিশেষ কায়দায় তৈরী মাছ রাখার ড্রাম তল্লাশী
করে ড্রামের ভিতর লুকিয়ে রাখা ১ টি পাটের বস্তার ভিতর থেকে খাকী রংয়ের কসটেপ দিয়ে মোড়ানো
১০টি বান্ডেল গাঁজা উদ্ধার করা হয় যারে মোট পরিমাণ ২০ কেজি গাঁজা ।
আরেকটি সাদা রংয়ের প্লাস্টিকের
বস্তার ভিতর থেকে খাকী রংয়ের কসটেপ দ্বারা মোড়ানো উদ্ধারকৃত ৭টি বান্ডেল গাঁজার ওজন
হয় ১৪ কেজি গাঁজা ।
সর্বমোট ৩৪কেজি উদ্ধারপূর্বক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ
করে উক্ত ঘটনায় ব্রাহ্মণপাড়া থানায় এজাহার দায়ের করা হয়।
এদিকে ব্রাহ্মণপাড়া থানার
মামলা নং- ২০/১০৫ তারিখ- ২৭/০৪/২০২৪খ্রিঃ ধারা ৩৬(১) সারনির ১৯(গ) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ
আইন ২০১৮ তে রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


দেশের
২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান
চৌধুরী। দেশের বিচারাঙ্গণের শীর্ষ পদে তিনি বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের স্থলাভিষিক্ত
হবেন।
আজ
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর)
এই নিয়োগ চূড়ান্ত করেন রাষ্ট্রপতি।
চব্বিশের
অভ্যুত্থানের ধাক্কায় রাষ্ট্রের সব অঙ্গে পরিবর্তনের মধ্যে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব
নিয়েছিলেন বিচারপতি রেফাত আহমেদ। ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় আগামী ২৭ ডিসেম্বর তিনি অবসরে
যাচ্ছেন। বিচারক জীবনের ইতি টেনে বর্তমানে তিনি ওমরাহর জন্য অবস্থান করছেন সৌদি আরবে।
তার অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বিচারপতি
জুবায়ের। তাকেই নতুন প্রধান বিচারপতি করে বুধবার গেজেট জারি করেছে সরকার। বঙ্গভবনে
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে তিনি শপথ নেবেন। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে
জ্যেষ্ঠতার ক্রমে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ছিলেন তিন নম্বরে। বিচারপতি মো. আশফাকুল
ইসলামকে ডিঙিয়ে তাকে সর্বোচ্চ পদ দেওয়া হল।
১৯৬১
সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করা জুবায়ের রহমান চৌধুরীর বাবা প্রয়াত এ এফ এম আবদুর রহমান
চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম করার
পর যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর আরেকটি মাস্টার্স করেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
১৯৮৫ সালে তিনি জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগে আইনজীবী
হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
২০০৩
সালের ২৭ অগাস্ট তিনি অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাই কোর্টে নিয়োগ পান। দুই বছর পর হাই
কোর্ট বিভাগে তার নিয়োগ স্থায়ী হয়। কিন্তু আওয়ামী লীগের আমলে তাকে আর আপিল বিভাগে নেওয়া
হয়নি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। আন্দোলনকারীদের
দাবির মুখে ১০ অগাস্ট পদত্যাগ করেন তখনকার প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
ওইদিনই
হাই কোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হিসেবে
নিয়োগ দেওয়া হয়। দুই দিন পর বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীসহ চারজনকে হাই কোর্ট বিভাগ
থেকে আপিল বিভাগে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৩ অগাস্ট তারা শপথ নেন। বয়সের নিয়ম অনুযায়ী, বিচারপতি
জুবায়ের রহমান চৌধুরী ২০২৮ সালের ১৮ মে পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন।
তার
সঙ্গে আপিল বিভাগে এখন বিচারক হিসেবে আছেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি মো.
রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি
ফারাহ মাহবুব।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) লিখিত পরীক্ষায় ২ হাজার ৫৩৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।
বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ফল প্রকাশ করে বলা হয়, আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) লিখিত পরীক্ষা গত ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ২ হাজার ৫৩৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এছাড়াও তৃতীয় পরীক্ষকের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রাখা হয়েছে ৩৪৫ জনকে।
উত্তীর্ণ প্রার্থীদের এখন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি পরে জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে সনদ পেতে তিন ধাপে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।
প্রথমত, আইনের উপর স্নাতক উত্তীর্ণের পরপরই আইনজীবী হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছর পেশায় রয়েছেন এমন একজন সিনিয়রের অধীনে ইন্টিমেশন জমা দিতে হয়।
দ্বিতীয়ত, ইন্টিমেশন জমা দেওয়ার পর ছয় মাস অতিক্রম হলে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পূর্ণ করে এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।
এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা লিখিত পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পান।
আর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভ করেন।
সবশেষে সনদ লাভের পর সংশ্লিষ্ট জেলা বার এ যোগদানের মধ্য দিয়ে আইন পেশা শুরু করতে পারেন।
আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
ঝিগাতলা এলাকা থেকে জাতীয় নাগরিক
পার্টির (এনসিপি) নেত্রী জান্নাত আরা রুমির ঝুলন্ত
মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি এনসিপির ঢাকা
মহানগর দক্ষিণের (ধানমন্ডি থানা) সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী ছিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার
সকালে ঝিগাতলার জান্নাতী ছাত্রী হোস্টেল থেকে তার মরদেহ
উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে
পাঠানো হয়।
হাজারীবাগ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, ঝিগাতলা পুরান কাঁচা বাজারের পাশে অবস্থিত একটি
ছাত্রী হোস্টেল থেকে জান্নাত আরা
রুমির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে
এটি আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড—তা
নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি
তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, রুমি পারিবারিকভাবে মানসিক
চাপে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা
গেছে।
নিহত
জান্নাত আরা রুমি নওগাঁ
জেলার পত্নীতলা থানার নাজিরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা মো.
জাকির হোসেন এবং মা নুরজাহান
বেগম।
নিহতের
সাবেক স্বামী মো. বিপ্লব সরকার
জানান, চার থেকে পাঁচ
মাস আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ
হয়। এর আগেও রুমির
আরেকটি বিয়ে হয়েছিল, সেখানেও
তার ডিভোর্স হয়েছিল। তিনি বলেন, প্রথম
স্বামীর ঘরে রুমির আট
বছরের একটি মেয়ে এবং
তার সঙ্গে সংসারে সাড়ে তিন বছরের
একটি ছেলে রয়েছে। দীর্ঘ
কয়েক মাস ধরে রুমির
সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ
ছিল না।
জান্নাত
আরা রুমি আগে একটি
বেসরকারি হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে ২০২৪ সালের
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং
এর পর এনসিপির রাজনীতিতে
যুক্ত হন।
হাজারীবাগ
থানার উপপরিদর্শক কামরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ
ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে সিলিং
ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায়
ঝুলতে দেখতে পায়। হোস্টেলের কাজের
বুয়া সকালে দরজায় ধাক্কা দিলে দরজা খুলে
যায় এবং ভেতরে ঢুকেই
এ দৃশ্য দেখতে পান।
তিনি
আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে
পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ
তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে প্রেমঘটিত বিরোধের জেরে মুক্তার মিয়া (২২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে চাতলপাড় ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মুক্তার মিয়া চাতলপাড়ের কাঠালকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। ঘটনার পর তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে মুক্তারের সঙ্গে কচুয়া গ্রামের রাব্বান মিয়ার মেয়ে শেউলা আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। সম্পর্কের বিষয়টি দুই পরিবারের কাছে প্রকাশ পেলে মুক্তারের পরিবার বিয়ের প্রস্তাব দেয়, কিন্তু মেয়ের পরিবার তা মানতে রাজি হয়নি। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।ঘটনার দিন মুক্তার অটোরিকশায় চাতলপাড় বাজার থেকে কচুয়ার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে শেউলার বড় ভাই শাহালমের নেতৃত্বে ১০–১৫ জন তাকে আটকিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। হাত, পা ও পেটে গুরুতর আঘাত পেয়ে মুক্তার ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিলেও চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নাসিরনগর থানার ওসি মাকছুদ আহাম্মদ জানান, হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুরে এমভি পারিজাত-১ নামে একটি লঞ্চের মালিককে নিয়ম অমান্য করে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে ১০
হাজার টাকার জরিমানা করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে সদরের মজু চৌধুরীর হাটের লঞ্চঘাট এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের
মাধ্যমে এ জরিমানা আদায় করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুর
রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিআইডব্লিউটিএ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আবদুর রহমান ও নৌপুলিশের
এএসআই মো. সাইফুজ্জামান।
জানা যায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর ভোলা-বরিশাল নৌ-রুটে যাত্রীদের উপচেপড়া
ভিড় সৃষ্টি হয়। এ সুযোগে লঞ্চগুলো সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে ঝুঁকি নিয়ে অতিরিক্ত
যাত্রী পরিবহন করছে। এমভি পারিজাত-১ নামে একটি লঞ্চ অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করে ভোলার
উদ্দেশ্যে রওনা হয়। বারবার বারণ করা সত্ত্বেও লঞ্চটি না থেমে চলতে থাকে। এমন অভিযোগে
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মজু চৌধুরীর হাট লঞ্চঘাট এলাকায়
অভিযান চালানো হয়। স্পিডবোডে চড়ে ধাওয়া করে মাঝ নদীতে লঞ্চটি থামানো হয়। এ সময় ভ্রাম্যমাণ
আদালত পরিচালনা করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুর রহমান বলেন, ঈদ এলেই লক্ষ্মীপুর
ভোলা-বরিশাল নৌ-রুটে ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় থাকে। এ সুযোগে কিছু অসাধু লঞ্চ ঝুঁকি জেনেও
অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে নদীপথে যাতায়াত করে।
যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


৩ সেপ্টেম্বর ছিল অস্ত্র-গোলাবারুদ জমা দেওয়ার শেষ দিন।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর সারাদেশে বিক্ষুব্ধ জনতা বিভিন্ন থানায় অগ্নিসংযোগ ও হামলা করে। তখন থানা ও ফাঁড়িতে হামলার পর অস্ত্র-গোলাবারুদ লুট করে নেয় দুর্বৃত্তরা।
গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের ১৮৫টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া অভিযানে ৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সদরদপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানানো হয়েছে যে, ৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে ১৮৫টি। এ সময় ৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১১টি রিভলভার, ৫৬টি পিস্তল, ১১টি রাইফেল, ২৫ টি শটগান, ৫টি পাইপগান, ২০টি শুটারগান, ১৩টি এলজি, ২৫টি বন্দুক, একটি একে-৪৭, দুটি গ্যাসগান, একটি চাইনিজ রাইফেল, তিনটি এয়ারগান, চারটি এসবিবিএ, চারটি এসএমজি, দুটি টিয়ার গ্যাস লঞ্চার ও দুটি ত্রি-কোয়াটার।
প্রসঙ্গত, গত ৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো খুদে বার্তায় জানানো হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ঘিরে দেশের বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের দুই হাজার ৬৬টি অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। এ ছাড়াও তিন লাখ ২০ হাজার ৬৬০টি গুলি, আট হাজার ৯০৫টি টিয়ারগ্যাস সেল, দুই হাজার ৫৭৬টি সাউন্ড গ্রেনেড, ৭৫১টি টিয়ারগ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার হয়নি বলেও জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে শনিবার ভ্রাম্যমান আদালত একটি বিশেষ পরিচালনা করে ।
রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে দালাল নির্মুলের লক্ষ্যে ভ্রাম্যমান আদালতের বিশেষ অভিযানে জুয়েল নামের এক দালালকে গ্রেফতার করে তার পকেট থেকে একটি ইয়াবা ট্যাবলেট ও সেবনের যন্ত্রাংশ পাওয়া যায় ।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ও সাধারণ রোগীদের ঠকিয়ে দালালি করার অপরাধে জুয়েল নামের দালালকে ৩ মাসের জেল ও ৫০ টাকা জরিমান করা হয় ।
জরিমানা দিতে ব্যর্থ হইলে আরো সাত দিন জেল খাটতে হবে বলে এই আদেশ দেন এসিল্যান্ড ভূমি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান।
রোগীদের সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে সামনের দিনগুলোতেও এমন অভিযান চলমান থাকবে বলে জানা যায়।
মন্তব্য করুন


সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরায় সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি কোপের শিকার মেহেবুল হাসান ও মোছা. নাসরিন আক্তার ইপ্তির সম্পর্ক গণমাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে প্রকাশ করা হলেও মূলত তারা স্বামী-স্ত্রী নন।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) প্রকৃত স্ত্রী দাবি করে গণমাধ্যমে এমনটি জানিয়ে এক নারী সাংবাদিকদের বলেন, উত্তরায় হামলার শিকার মেহেবুল হাসান আমার স্বামী। পাশে থাকা ওই নারীকে (ইপ্তি) আমি চিনি না। তবে কিছুদিন ধরে বুঝেছি আমার স্বামী অন্য কারও সঙ্গে কথা বলেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় এ ঘটনা ঘটে। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। হামলায় আহতরা হলেন মেহেবুল হাসান (৩৬) ও মোছা. নাসরিন আক্তার ইপ্তি (৩০)। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মেহেবুলের আঘাত গুরুতর হলেও আশঙ্কামুক্ত।
আর হামলা করা নিয়ে নারী বলেন, যেহেতু ওখানে আমি ছিলাম না, সেহেতু ওই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আমার স্বামীর সঙ্গে কারও বিরোধের কথাও জানি না। কারণ তিনি (স্বামী) আমার কাছে কোনো কিছুই শেয়ার করতেন না।
নাসরিন আক্তার ইপ্তির সঙ্গে মেহেবুল হাসানের কোনো বিয়ের ঘটনা ঘটেনি জানিয়ে ওই নারী জানান, আমার স্বামী গোপনে ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। তবে ওই ঘটনার পর থেকে তারা নিজের স্বামী-স্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন। ওই ঘটনা যখন আমি ফেসবুকে দেখেছি, সঙ্গে সঙ্গে তাকে কল দিই। কিন্তু তিনি কোনো রেসপন্স করেনি। পরে হাসপাতালে গিয়ে তার সঙ্গে আমার কথা হয়। তিনি আমাকে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে নিষেধ করেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ওই নারী তার শাশুড়ির সঙ্গে লাউড স্পিকারে ফোনে কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, আমার শ্বশুর-স্বামী সবাই আমাকে ভয় দেখাচ্ছে। আমার স্বামী আমাকে বলছে, সে সুস্থ হলে আমাকে দেখে নেবে।
ওই দিন রাতেই ঘটনার বিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, মোটরসাইকেলে উচ্চশব্দ করে দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা একটি শিশুকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। পাশ দিয়ে আরেকটি মোটরসাইকেলে যাওয়া দম্পতি প্রতিবাদ করে। এরপর কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা তাদের লোকবল ডেকে দম্পতির ওপর রামদা দিয়ে হামলা চালায়।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় ওই নারীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে মো. মোবারক হোসেন (২৫) ও রবি রায় (২২) নামে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে স্থানীয়রা দুজনকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
মন্তব্য করুন


মোবাইল ফোন আমদানির ওপর আরোপিত শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে সরকার। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, আমদানিকৃত মোবাইল ফোনে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের ওপর করহার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।
প্রেস সচিব বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের মোবাইল ফোন শিল্প আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের বাজার শক্তিশালী হবে এবং ভোক্তারাও উপকৃত হবেন।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বিপুল পরিমাণ ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বিদেশ থেকে দেশে আনা হচ্ছে, যা সামান্য সংস্কার করে পুনরায় বাজারে বিক্রি করা হয়। এতে সাধারণ ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন এবং সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কর কমানোর ফলে দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের চাহিদা বাড়বে এবং বাজারে ফোনের দামও তুলনামূলকভাবে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই সব বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে ইতোমধ্যে ১২৩টি পাঠ্যবইয়ের ভুল সংশোধন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, এ পর্যন্ত মোট পাঠ্যপুস্তকের প্রায় ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি বইগুলো পৌঁছে দিতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


গত মঙ্গলবার
রাতে চাঁদপুর শহরের পালবাজারে এ ঘটনা ঘটে।
জানা
গেছে, নৌ পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান হাঁস কিনতে গেলে ৬টি হাঁসের ওজন ৯ কেজি একশো
গ্রাম হিসেবে দেখানো হয়। এতে সন্দেহ হওয়ায় তিনি ওজন মাপার স্কেলে নজর দেন। সেখানে দেখা
যায়, ভারি লোহার পাত ব্যবহার করে ওজন নির্ধারণ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে
তিনি জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারকে অবহিত করেন। পরে ঘটনাস্থল পালবাজারে উপস্থিত
হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাপ্পী দত্ত।
এ সময়
হাঁস বিক্রেতা আফজাল সরকার (৩০) ও জিল্লুর রহমান (২৫) ওজনে কারচুপি করার কথা স্বীকার
করেন। এতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৬০ ধারায় তাদের দুই জনকে নগদ ৮ হাজার টাকা জরিমানা
ও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
চাঁদপুর
পালবাজারের ব্যবসায়ী নেতা মনির হোসেন জানান, প্রতারণার সঙ্গে জড়িত হাঁস-মুরগির দোকানটি
বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
এদিকে,
খোদ পুলিশ সুপার বাজারে প্রতারণার শিকার হওয়ায় বিষয়টি শহরে ছড়িয়ে পড়েছে।
মন্তব্য করুন