

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয়
উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
আজ রবিবার (৭ জুলাই) আষাঢ়ের শুক্লপক্ষের
দ্বিতীয়া তিথিতে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) কুমিল্লা জগন্নাথপুর শ্রী শ্রী
জগন্নাথ দেবের মন্দির ও নগরী ঠাকুরপাড়া রামকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দিরের যৌথ আয়োজনে শ্রী
শ্রী জগন্নাথপুর মন্দিরে সকাল ৭টা হতে যথাক্রমে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের পূজা ও দর্শন
আরতী, বিশ্ব শান্তি কামনায় অগ্নিহোম যজ্ঞ, ভজন কীর্তন, বাউল সংগীত ও পদাবলী কীর্তন
এবং মহাপ্রসাদ বিতরণ ও দুপুর ২টায় ধর্মসভা শেষে ভক্ত সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা।
পৃথক পৃথক রথারোহণ, শুভ আরতি ও মহা হরিনাম সংকীর্তন সহযোগে জগন্নাথ মন্দির হতে চকবাজার-রাজগঞ্জ-কান্দিরপাড়
হয়ে ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দির এসে শেষ হয় বর্ণাঢ্য শুভ রথযাত্রা।
ওই শোভাযাত্রায় লাখো পূণ্যার্থী ও ভক্তের সমাগম ঘটে। এতে সকল ধর্মের মানুষের উপস্থিতি
ছিলো চোখে পড়ার মতো। এরপর সন্ধ্যায় গুন্ডিচা মন্দিরে সন্ধ্যারতি কীর্তন ও ভজন কীর্তন
এবং রাত ৮টায় ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দিরে শ্রী শ্রী জগন্নাথ লীলামৃত
ও মহাপ্রসাদ বিতরণ।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, জগন্নাথদেব
হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর। জগৎ হচ্ছে বিশ্ব আর নাথ হচ্ছেন ঈশ্বর। তাই জগন্নাথ হচ্ছেন
জগতের ঈশ্বর। তার অনুগ্রহ পেলে মানুষের মুক্তিলাভ হয়। জীবরূপে তাকে আর জন্ম নিতে হয়
না। এই বিশ্বাস থেকেই রথের ওপর জগন্নাথ দেবের প্রতিমূর্তি রেখে রথ নিয়ে যাত্রা করেন
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
আজ কুমিল্লা জগন্নাথ মন্দিরে বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মধ্য দিয়ে রথযাত্রা উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। দুপুর দুইটায় ধর্ম সভা শেষে সাড়ে ৪টায় বেলুন উড়িয়ে রথযাত্রার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম । এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা-৭ সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।
রথযাত্রা মহোৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে
স্থানীয় সরকার মন্ত্রীস্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম
বলেন- অসম্প্রদায়িক দেশ গড়তেই বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল দেশের
হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সকল ধর্ম জাতির মানুষ সম্মিলিতভাবে স্বপ্নের সোনার বাংলা
বিনির্মাণ করবে। কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫আগস্ট নির্মমভাবে বঙ্গবন্ধুকে হত্য্যা করে এই
স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করতে চেয়েছিল স্বাধীনতাবিরোধী চক্র৷ পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিলো
ধর্মীয় বিভাজনের ভিত্তিতে৷ এই বিভাজন আমরা মানতে পারিনি বলে পরবর্তীতে অসম্প্রদায়িক
চেতনাকে বুকে ধারণ করে দেশ স্বাধীন হয়েছে। বাংলাদেশে তাই কোন ধর্মীয় বৈষম্য থাকবে না৷
শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের সভাপতি
শ্রীমান সুদর্শন দাশ ব্রহ্মচারীর সভাপতিত্বে ধর্মসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা
পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার
মু. মুশফিকুর রহমানসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
কুমিল্লা সদর উপজেলার জগন্নাথপুরের শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের মন্দির হতে রথযাত্রার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহকারে শ্রী জগন্নাথদেব, বলদেব ও শুভদ্রাদেবের ৩টি পৃথক রথারোহনের মাধ্যমে মাসির বাড়ি পাথুরিয়া পাড়া আগমন করেন। সেখান তিনি প্রায় আটদিন অবস্থান করার পর পুনরায় উল্টো রথে নিজ বাড়ীতে ফিরে যাবেন। প্রতি বছর হাজার হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সমাগম ঘটে থাকে রথযাত্রা উৎসবে।
এদিকে, আগামী ১৪ জুলাই রবিবার (উল্টো
রথযাত্রা) গুন্ডিচা মন্দিরে সকাল ৭টা হতে যথাক্রমে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেব এর পূজা ও
দর্শন আরতি, বিশ্ব শান্তি কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞ, ভজন কীর্তন ও মহাপ্রসাদ বিতরণ এবং
দুপুর ২টায় ধর্মসভা শেষে ভক্ত সমাবেশ ও পৃথক পৃথক রথারোহণ, শুভ আরতি ও মহাহরিনাম সংকীর্তন
সহযোগে ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দির হতে কান্দিরপাড়, রাজগঞ্জ ও
চকবাজার হয়ে জগন্নাথপুর মন্দির পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা'র মধ্যদিয়ে শেষ হবে রথযাত্রা
মহোৎসব।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি (যুদ্ধসমাধি)
থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
তাদের দেহাবশেষ জাপানে নেওয়া হবে। এরই মধ্যে জাপানের পক্ষ থেকে ৭ সদস্যদের একটি ফরেনসিক
বিশেষজ্ঞ দল ওই ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছেন। যেটি
শেষ হবে আগামী ২৪ নভেম্বর।
কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম
পাশে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান
হিসেবে পরিচিত। সেখানে রোববার বিকেল পর্যন্ত খনন করা হয়েছে ১০টি সমাধি। জাপানের বিশেষজ্ঞ
ফরেনসিক টিমকে সহায়তা করছেন বাংলাদেশ সরকার। পুলিশি নিরাপত্তায় খনন কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে
নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের ৭৩৭জন বীর সৈনিককে ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রিতে সমাহিত করা হয়েছিল।
এর মধ্যে ১৯৬২ সালে একজন সৈনিকের দেহাবশেষসহ সমাধির মাটি তার স্বজনরা যুক্তরাষ্ট্রে
নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে ২৪ জন জাপানি সৈনিকের মরদেহ রয়েছে। গত বুধবার থেকে খনন কাজ
শুরু হয়।
সমাধিস্থলের মাটি খুঁড়তেই মিলছে দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈনিকদের মাথার খুলিসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড়। সেগুলো অত্যন্ত
যত্নসহকারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন এই যুদ্ধ সমাধি ক্ষেত্র
তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে আসছে।
সমাধিস্থলের খননকাজে জাপানের প্রতিনিধিদের
সহায়তা করছেন মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.)
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কবর (সমাধি) শনাক্তকরণ, দেহাবশেষ
সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছেন। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ সরিয়ে আনার কাজটিও করেছেন
তিনি। জাপানের প্রতিনিধিদলের পক্ষে পুরো কর্মযজ্ঞের বর্ণনা দিয়েছেন তিনি।
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বলেন, ‘জাপান
সরকার ২০১৩ সালে আমাকে তাদের দূতাবাসে ডেকেছিল এই ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে
নেওয়ার বিষয়ে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে ওই সময়ে সেটি সম্ভব হয়নি। গত বছর থেকে তারা বিষয়টি
নিয়ে আবারও যোগাযোগ করে। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে জাপান সরকার আমাদের সরকারের কাছে চিঠি
লেখে এবং কমনওয়েলথের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে এই কাজ শুরু করেছে। এখানে জাপানের পক্ষ থেকে
সাতজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ কাজ করছেন, যারা এ কাজে অত্যন্ত দক্ষ। তাদের ছয়জন জাপানি ও
একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এই সমাধিগুলো ৮১ বছরের পুরোনো। এরই মধ্যে খনন করে আমরা
১০ জনের দেহাবশেষ সমাধি থেকে উত্তোলন করতে পেরেছি।’
দেহাবশেষে কী কী পাওয়া যাচ্ছে, জানতে
চাইলে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘৮১ বছর পর খুব বেশি কিছু পাওয়ার সুযোগ নেই। আমরা
প্রতিটি সমাধির দুই ফুটের মতো খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে খুঁড়ছি। বাকিটা ম্যানুয়ালি
অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে খনন করা হচ্ছে। কোনোটিতে তিন ফুট, আবার কোনোটিতে ছয় ফুট খননের
পর দেহাবশেষ পাওয়া যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত যেগুলো খনন করা হয়েছে, সেসব সমাধিতে মাথার খুলি,
শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড় পাওয়া যাচ্ছে। তবে যা-ই পাচ্ছি, সবকিছুই জাপানের বিশেষজ্ঞ
দল যত্নসহকারে সংরক্ষণ করছে।’
তিনি বলেন, আমরা এক তরুণ সৈনিকের দেহাবশেষ
তুলতে গিয়ে মাথার খুলির মধ্যে বুলেটের চিহ্ন পেয়েছি। রেকর্ড অনুযায়ী ওই সৈনিকের বয়স
২৮ বছর ছিল। আমার তখন বুকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করেছে। এত তরুণ বয়সে পৃথিবী থেকে চলে গেছে
সে। এখানে জাপানের সৈনিকদের ২৪ সমাধির মধ্যে ২০টির নাম-পরিচয় আছে। বাকি চারটির পরিচয়
শনাক্ত করা এখনো সম্ভব হয়নি। নিশ্চয়ই তারা (জাপানের প্রতিনিধিদল) দেহাবশেষ নিয়ে গেলে
ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হবে।’
কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশনের পক্ষে
দায়িত্ব পালন করা কান্ট্রি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর আবদুর রহিম সবুজ বলেন, গত বুধবার সকাল
থেকে জাপানের প্রতিনিধি দল কার্যক্রম শুরু করে। এখানে সমাহিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের
সময় নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের।
মন্তব্য করুন


বন্যার পানি কমে এলেও কমেনি মানুষের দুর্ভোগ, মানুষের কষ্ট।
গৃহহীন মানুষগুলো আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে।
এ মানুষগুলোর ঘরবাড়ি পুনর্বাসনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেক।
কুমিল্লায় স্মরণকালের ইতিহাসের ভয়াবহ বন্যায় অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিবেক যেটি হলো মানবতার তরে কাজ করা সামাজিক সংগঠন মানুষদের আশ্রয়স্থল পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে।
এ উদ্যোগেরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ১১সেপ্টেম্বর বিবেক এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু এর নেতৃত্বে কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের নমষোদ পাড়া ও ইন্দ্রবতি গ্রাম এবং কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের বালেশ্বর গ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তের মাঝে গৃহ পূর্ণনির্মাণের জন্য নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয় ।
অসহায় মানুষের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস নিয়ে বিবেকের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে উপজেলার সীমান্তবর্তী শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আবু হানিফ (৫০) নামে এক মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে যৌথবাহিনী তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে মাদক কারবারী আবু হানিফ মাদকসহ তার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছে। এসময় যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করে।
মাদক কারবারী আবু হানিফ শশীদল ইউনিয়নের আশা বাড়ি গ্রামের মৃত আবদুল খালেকের ছেলে।
এ সময় যৌথবাহিনী তার কাছ থেকে ৭ হাজার ৬ শত পিস ইয়াবা টেবলেট ও নগদ ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪০ টাকা এবং ৩ টি পাসপোর্ট উদ্ধার করে। অভিযান পরিচালনা করেন, যৌথবাহিনী এবং ব্রাহ্মণপাড়া থানার এস আই অমর্ত্য মজুমদারসহ পুলিশের একটি দল।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আতিক উল্লাহ সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সংবাদের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা তাকে গ্রেফতার করি। তার বিরুদ্ধে থানার একটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন
ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে গ্র্যান্ড রিইউনিয়ন ২০২৫ এর রেজিষ্ট্রেশনের কার্যক্রমের উদ্বোধন
করা হয়েছে।
রবিবার বিকেলে প্রতিষ্ঠানের হল রুমে
শিক্ষক, শিক্ষিকা ও ৩৭টি ব্যাচের (১৯৮৮-২০২৪) তাইমিয়ান্স মডারেটর ও ছাত্র-ছাত্রীদের
উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
আগামী ১০ জানুয়ারী ২০২৫ এ কুমিল্লা
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে এই রিইউনিয়ন আয়োজনের লক্ষ্যে রেজিষ্ট্রেশন চলবে
আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত।
বাকী বিল্লাহ’র সঞ্চালনায় তাইমিয়ান্স গ্রুপের এডমিন
আলমগীর এইচ রিপনের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ইবনে
তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মু. শফিকুল আলম হেলাল, প্রাক্তন শিক্ষক মোঃ মোছলেহ উদ্দিন, তাইমিয়ান্স
বদরুল ইসলাম খান, ইশতিয়াক শাহীন, ও মাজহারুল হক। এছাড়া বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষকদের
মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমিনুল ইসলাম, ইউনুস সরকার, কামারুজ্জামান, ইসরাফিল, মাওলানা মোছলেহ
উদ্দিন, কামাল হোসেন, আমাতুস সালাম শিরিন, হাজেরা বেগম, উম্মে হাবিবা, এবং রাবেয়া আক্তার।
বক্তারা বলেন, ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড
কলেজের ৩৭ টি ব্যাচের তাইমিয়ান্সদের অংশগ্রহনে গ্র্যান্ড রি-ইউনিয়নের মাধ্যমে প্রাক্তন
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগের সেতুবন্ধন তৈরি হবে। এতে স্বনামধন্য এই প্রতিষ্ঠানের
ইতিহাস-ঐতিহ্য দেশ বিদেশে ছড়িয়ে পড়বে। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে উপস্থিত
তাইমিয়ান্স সদস্য ও মডারেটরগণ একটি সফল অনুষ্ঠান আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। রেজিষ্ট্রেশন
ওয়েবসাইট এবং মোড়ক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে অনুস্থানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চান্দিনায় গরুর গোবর ফেলাকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের হাতে খুন হলো আপন বড় ভাই হানিফ মিয়া (৩৫)।
বুধবার (২৭ মার্চ) দুপুরে চান্দিনা উপজেলা সদরের আনিছ মোহাম্মদ এর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চান্দিনা থানার এস.আই মো. গিয়াস উদ্দিন।
নিহত হানিফ মিয়া ওই এলাকার আনু মিয়ার ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় হানিফ। হত্যাকারি আনিছ মিয়া নিহতের আপন ছোট ভাই।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা দুই ভাইয়ের পৃথক গরুর খামার আছে। বাড়ির পাশের একটি অন্যের খালি জায়গায় দুই ভাই দীর্ঘদিন যাবৎ গরুর গোবর ফেলে আসছে। বুধবার দুপুরে ওই স্থানে গরুর গোবর ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। চরম উত্তেজনার মধ্যে মেঝ ভাই আনিছ মিয়া বড় ভাই হানিফ মিয়াকে মারধর করে এক পর্যায়ে তাকে কাঠের চোখা টুকরো দিয়ে আঘাত করায় ওই কাঠের চোখা অংশ বাম চোখের ভিতর দিয়ে মাথায় ঢুকে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. আরিফুর রহমান জানান, তার শরীরের বিভিন্ন অংশের ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রচন্ড রক্তক্ষরণ ও মস্তিস্কে আঘাত জনিত কারণে মৃত্যু ঘটে তার।
ঘটনাস্থল থেকে চান্দিনা থানার এস.আই মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, ঘটনার পরপর হত্যাকারী পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থাসহ হত্যাকারীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা মহানগরে জেলা এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল ও অননুমোদিত ওষুধ, ওষুধ তৈরির কেমিক্যাল, উৎপাদন মেশিন এবং অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। এ সময় নকল ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ চক্রের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
গত ২৬ জুন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত প্রায় ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত জেলা এনএসআই কুমিল্লার তথ্যের ভিত্তিতে ও সরেজমিন উপস্থিতিতে পুলিশের সহযোগিতায় কুমিল্লা মহানগরের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড সংলগ্ন শ্রীবল্লভপুর এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে পিকআপ থেকে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তৈরি অননুমোদিত নকল ক্যাপসুল, ট্যাবলেট ও সিরাপসহ মোট ১৮ হাজার ৬৬০ পিস ওষুধ, প্রায় ১০০ কেজি ওষুধ তৈরির কেমিক্যাল পাউডার, ৭ লিটার তরল কেমিক্যাল, প্রায় ২০ হাজার প্যাকেট ওষুধের লেবেল, ১৫ কেজি ফয়েল পেপার এবং নকল ওষুধ উৎপাদনে ব্যবহৃত তিনটি মেশিন জব্দ করা হয়।
এ সময় নকল ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীনিবাস এলাকার বাসিন্দা জুনায়েদ ইসলাম (৩০)কে আটক করা হয়। তিনি মো. আব্দুল কাদেরের ছেলে।
অভিযান শেষে জব্দকৃত মালামাল সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নেওয়া হয়। পরে সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং জেলা ঔষধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক ফখরুল ইসলামের উপস্থিতিতে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এ ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিয়মিত আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এনএসআই সূত্র আরও জানায়, অভিযানের আগে দীর্ঘদিন যাবত থেকেই কুমিল্লা বিসিক শিল্পনগরীর একটি গুদামে রাখা এসব অবৈধ মালামালের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছিল। পরে গুদাম থেকে মালামাল অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার তথ্য পেয়ে এনএসআই সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেন। এরপর উপযুক্ত সময় ও স্থানে অভিযান চালিয়ে পিকআপভর্তি নকল ওষুধ ও উৎপাদন সামগ্রী জব্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আটক করা হয়। ইতিপূর্বে এনএসআই বিসিক শিল্প নগরীতে নকল ওষুধ কারখানায় অভিযানের ধারাবাহিকতায় অভিযান গুলো পরিচালনা করা হচ্ছে, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) শুরু হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা-২০২৫। বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের আয়োজনে বুধবার (৭ মে) সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিযোগিতাটির উদ্বোধন করেন মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, "খেলোয়াড়দের
মধ্যে খেলোয়াড়সুলভ আচরণ এবং দর্শকদের মধ্যে সহিষ্ণুতা থাকা প্রয়োজন। কখনও কখনও এ জায়গায়
ব্যত্যয় দেখা যায়, তবে আমি আশা করি এবারের প্রতিযোগিতায় সব বিভাগ দায়িত্বশীলতা ও সৌহার্দ্য
বজায় রাখবে।" তিনি আরও বলেন, "হার-জিত খেলার অংশ, তাই তা মেনে নেওয়ার মানসিকতা
থাকতে হবে। আবহাওয়াজনিত কারণে কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া উচিত। প্রতিটি বিভাগ যেন
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও সুন্দর খেলা উপহার দেয়, সেই প্রত্যাশা রইল।"
তিনি আরও যোগ করেন, "এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অংশগ্রহণযোগ্য ভালো ক্রিকেটার উঠে আসবে। ব্যক্তিগত অনুশীলনের
পাশাপাশি দলীয় বোঝাপড়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যান্ডিংয়ে শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখতে পারবে। ভবিষ্যতে আন্তঃহল প্রতিযোগিতা আয়োজনের দিকেও ক্রিয়া কমিটি সচেষ্ট
থাকবে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়া কমিটির আহ্বায়ক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন জানান, “নভেম্বরে কমিটি গঠনের পর থেকে কোনো খেলা বাদ যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাৎসরিক খেলাগুলো তিন মাসে সম্পন্ন করেছি। আশা করি, আন্তঃবিভাগ প্রতিযোগিতাটিও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে।”
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম বলেন,
“খেলায় হার-জিত থাকবেই। শিক্ষার্থীদের উচিত এই বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া এবং আম্পায়ারের
সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো। বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলার উদ্দেশ্য পূরণে সবাই যেন সচেষ্ট
থাকেন।”
প্রতিযোগিতার সর্বশেষ আপডেট বিশ্ববিদ্যালয়ের
নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে জানতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।
মন্তব্য করুন


বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার ২০২৪-২০২৫ সনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
২৯ আগস্ট বৃহস্পতিবার কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির কার্যালয়ে সকাল ৯টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এতে ৫১৭জন ভোটারের মধ্যে ৪২৮জন ভোটার গোপন ব্যালট পেপার এর মাধ্যমে তাদের সুনিশ্চিত মতামত প্রদান করেন।
ওই নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি এডভোকেট মোঃ মনির হোসেন পাটোয়ারী এবং সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এডভোকেট মাহাবুল আলম রিমন। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুল বারী সরদার (বারেক) এবং সহকারী নির্বাচন কমিশন সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম ও মোঃ আবুল কালাম আজাদ। এছাড়াও নির্বাচন পরিচালনা করেন বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতির উচ্চ পরিষদের সদস্য মোঃ এমদাদ হোসেন ও আবুল খায়ের খোকন। এসময় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাকির হোসেন, রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি এডভোকেট আছিয়া মাহজাবিন খান নিশু, সাবেক এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি এডভোকেট মোঃ এনামুল হক সরকার, এডভোকেট মোসাঃ কামরুন্নাহার ও এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার প্রমুখ।
ওই নির্বাচনে ১৫টি পদের মধ্যে দু'টি পদে গোপন ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের দ্বিতীয় তলায় ৭নং হল রুমে ভোট গণনা শুরু হয় আর শেষ হয় রাত ৯টায়। ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি এডভোকেট মোঃ মনির হোসেন পাটোয়ারী।
ওই নির্বাচনে সভাপতি পদে মোঃ নুরুল ইসলাম ২২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ ওমর ফারুক পেয়েছেন ১৮০ ভোট ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (সিভিল কোর্ট) পদে মোঃ সামছুল আলম ২৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ আতাউর রহমান সরকার মাসুদ পেয়েছেন ১৫১ ভোট।
ভোট গণনার সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাকির হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এডভোকেট মাহাবুল আলম রিমন ও এডভোকেট মোসাঃ কামরুন্নাহার, এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার, জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির সাবেক সভাপতি আবু তাহের কালন, সাবেক সভাপতি মোঃ এমদাদ হোসেন, সাবেক সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান (মজিব), সাবেক সভাপতি মোঃ আবুল খায়ের (খোকন) ও সাবেক সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিনসহ জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির প্রায় শতাধিক সদস্য।
এ ছাড়াও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সহ-সভাপতি পদে মোঃ শহিদুল হক লিটন, সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ হোসেন মিয়া, সহ-সাধারণ (ফৌজদারি কোর্ট) পদে মোঃ হরমুজ আলী সরকার, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক পদে মোঃ জসিম উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক পদে মোঃ লিটন মিয়া মুন্সি, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ মনিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক পদে মোঃ মাহাবুব আলম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোঃ শাহজাহান মিয়া এবং সদস্য পদে মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ শাহাদাত হোসেন, মোঃ খোরশেদ আলম, মোঃ আবুল কাশেম ও মোঃ জহিরুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
ঢাকার ধানমন্ডি মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কনফেডারেশন কর্তৃক আয়োজিত মার্শাল আর্ট ক্লাব কাপ প্রতিযোগিতায় কুমিল্লা জেলার পক্ষে ২টি স্বর্ণ, ১টি রৌপ্য ও ১টি তাম্য প্রদক অর্জন করে কুমিল্লার কৃতি সন্তানেরা।
উক্ত প্রতিযোগিতায় কুমিল্লা হাই স্কুলের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী বাধন বিশ্বাস কমবাট জুজুৎসু জুনিয়র বিভাগে (-৪৫ কেজি) ওজন শ্রেণিতে স্বর্ণপদক অর্জন, অভিজিৎ পোদ্দার জুনিয়র (-৬০ কেজি) ওজন শ্রেণিতে স্বর্ণপদক, দীপ্ত দাস জুনিয়র (-৬৫ কেজি) ওজন শ্রেণিতে রৌপ্য পদক এবং জান্নাতুল ফেরদাউস (লাক্কি) বালিকা বিভাগে (-৭০ কেজি) ওজন শ্রেণীতে তাম্য পদক অর্জন করে কুমিল্লার সুনাম অক্ষুন্ন রাখে।
উক্ত দলের দলনেতা হিসেবে দ্যা রয়েল কারাতে-দো অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোফাজ্জল মাহিন চৌধুরী দায়িত্ব পালন করেন।
মন্তব্য করুন