

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় র্যাবের অভিযানে মাদকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শারিফপুর গ্রামের মো. রশিদের ছেলে মো. আরিফ (২৮), পাথুরিয়া গ্রামের মৃত কফিল উদ্দীনের ছেলে মো. ইমান হোসেন (৫৯) ও ফেনী সদর উপজেলার লালপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. রনি (২৮)।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় প্রায় ৩৫ কেজি গাঁজা, একটি প্রাইভেটকারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অপর অভিযানে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নোয়াগাঁও এলাকা থেকে ৫০ বোতল স্কাফ ও সাড়ে নয় কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধ গাঁজা ও অন্যান্য মাদক সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রি ও সরবরাহ করছিল।
মেজর সাদমান ইবনে আলম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। র্যাব-১১ ভবিষ্যতেও মাদক প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত রাখবে।
মন্তব্য করুন


ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে
রাজশাহীতে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ১৮ মিনিটের
দিকে ঢাকার একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি রাজশাহীর হজরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
তবে বিমান থেকে নামার সময় তারেক রহমান নিজেই লাগেজ
নিয়ে নেমেছেন। এমন একটি ছবি কালবেলার ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে প্রত্যাবর্তন করে তারেক রহমান
ইতোমধ্যেই বেশকিছু ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ড করেছেন। যার জন্য তিনি প্রশংসায় ভাসছেন। মানবিক
এই নেতা এর আগে গত ২০ জানুয়ারি রাজধানীর মহাখালীতে কড়াইলবাসীর আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শুরুর আগে এক হুজুর মঞ্চের সামনে
এগিয়ে এলে বসার জন্য চেয়ার প্রয়োজন হয়। তখন তারেক রহমান নিজের ব্যবহৃত চেয়ারটি এগিয়ে
দেন।
ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা
নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। শুধু তাই নয়, তারেক রহমান দেশে ফেরার পর বেশ কয়েকজন নেতা
তাকে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে গেলে তিনি সেটি করতে দেননি। এমন নানা প্রশংসিত কাজ করে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশব্যাপী ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। আর আজ রাজশাহী
বিমানবন্দরে বিমান থেকে নামার সময় নিজের লাগেজ নিজে বহন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন
তিনি।
দুপুর ২টায় রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী
সমাবেশে উপস্থিত হন। এই জনসভায় রাজশাহী জেলা ও মহানগরের পাশাপাশি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও
নাটোরের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন।
এরপর বিকেল সাড়ে ৫টায় নওগাঁর এটিএম মাঠে নির্বাচনী
জনসভায় ভাষণ দেবেন। এ জনসভায় জয়পুরহাটের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে
নিজ জেলা বগুড়ার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তারেক রহমান বগুড়ায়
আলফাতুন্নেসা খেলার মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেবেন। রাত সাড়ে ৮টায় রাতযাপনের
উদ্দেশে তিনি হোটেল নাজ গার্ডেনে চলে যাবেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা
ময়দানে কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা শুরু হয়। সকাল থেকেই
রাজশাহী মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানা-উপজেলা ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার বিভিন্ন
এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হন। মানুষের ঢলে মাদ্রাসা ময়দান
ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
সকাল থেকেই রাজশাহী নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড, থানা ও উপজেলা
থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেন। মিছিলে নানা ধরনের
স্লোগান, ব্যানার ও ফেস্টুনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো ময়দান। সংসদ সদস্য প্রার্থীদের বড়
বহর মাঠে প্রবেশ করলে উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়। বিপুল মানুষের চাপে সমাবেশস্থলের আশপাশের
সড়কে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। অনেক তরুণকে প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার আশায় গাছ,
উঁচু দেয়াল ও বিভিন্ন স্থাপনার ওপর উঠে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তরুণ, যুবক, বৃদ্ধ-
সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মাদ্রাসা ময়দান পরিণত হয় এক বিশাল জনসমুদ্রে।
সমাবেশ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী। মাঠ ও আশপাশে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবিকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। সভামঞ্চের
সামনে ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আকাশে ড্রোন
উড়তে দেখা গেছে, যার মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পতিত শক্তি গন্ডগোল লাগিয়ে নির্বাচনের আয়োজনকে ভন্ডুল করার চেষ্টা করছে। এই অপচেষ্টাকে প্রতিহত করতে ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
আজ শনিবার
(২৬ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন
তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অভ্যুত্থানের সকল শক্তি মিলে একটি সুন্দর নির্বাচন করতে না পারলে এই মস্ত বড় সুযোগ আমাদের হাতছাড়া হয়ে যাবে। পরাজিত শক্তি যখনই সুযোগ পাচ্ছে তখনই নানা রকম গন্ডগোল সৃষ্টি করছে। এসব করে তারা দেশের স্বাভাবিক অগ্রযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। যখনই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আমরা অগ্রসর হচ্ছি তখনই নানা ষড়যন্ত্র সামনে আসছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে কোন ষড়যন্ত্র করেই গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। কারণ ফ্যাসিবাদ প্রশ্নে সবগুলো গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য স্পষ্ট।
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।
উপস্থিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও প্রধান উপদেষ্টাকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে
উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণফ্রন্টের আমিনুল হক টিপু বিশ্বাস, ১২ দলীয় জোটের মোস্তফা জামাল হায়দার, নেজামে ইসলাম পার্টির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, ন্যশনাল পিপলস পার্টির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ জাসদের ড. মুশতাক হোসেন, ন্যাশনালিস্ট ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের ববি হাজ্জাজ, ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, ভাসানী জনশক্তি পার্টির রফিকুল ইসলাম বাবলু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ডা: মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) -এর মাসুদ রানা এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী।
বৈঠকের শুরুতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনার ঘটনায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শেখ হাসিনার ‘নির্মমতা ও পাশবিকতার’ বিচার একদিন হবেই এবং তাকে ইতিহাস ক্ষমা করবে না। তিনি বলেন, 'হাসিনা মানবজাতির কলঙ্ক, মায়েরদের কলঙ্ক। তার বিচার হবেই, ক্ষমা নেই।
আজ
রোববার (২০ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী কৃষক দল ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ আয়োজিত একটি স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি। ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪: জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা—সবুজ পল্লবে স্মৃতি অম্লান’ শীর্ষক এ কর্মসূচিতে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে মাজার প্রাঙ্গণে নিম গাছ রোপণ করা হয়।
এক শহীদ মায়ের আহাজারির কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, 'এক মা তার সন্তানের স্বপ্ন দেখেছিলেন—পরিবার দেখেছিল ভবিষ্যৎ। কিন্তু সেই সন্তানকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পড়ে গেলে একটি ভ্যানে তোলা হয়, মরে গেছে কি বেঁচে আছে তা না দেখেই আরও লাশসহ আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়। এটা কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের কাজ হতে পারে না।'
তিনি আরও বলেন, '১৯৭১ সালে আমরা যুদ্ধ করেছি একটি স্বাধীন দেশের জন্য। অথচ সেই রাষ্ট্রের পুলিশ, প্রশাসন—যাদের বেতন আমরা দেই, তারা আজ আমাদের সন্তানদের হত্যা করছে, পুড়িয়ে মারছে। এটা নিষ্ঠুরতা, বর্বরতা, আর সেই অপরাধের দায় থেকে হাসিনা রেহাই পেতে পারেন না।'
এই ঘটনায় শহীদ ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করে বিএনপি মহাসচিব জানান, দলীয়ভাবে একটি পুনর্বাসন ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, 'আজই আমি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে বলব, যেন শহীদ ও আহতদের জন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়। এরইমধ্যে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ পক্ষ থেকে কিছু সহায়তা শুরু হয়েছে।'
অনুষ্ঠানে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, কৃষক দলের সভাপতি হাসান জারিফ তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনসহ দলটির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মিয়ানমার
থেকে ছোড়া গুলিতে টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা আফনান (৯) মারা গেছে। আজ
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯.৪৫ মিনিটের দিকে ঢাকার জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স
ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শিশু
হুজাইফার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার চাচা শওকত আলী।
এর
আগে, গত ১১ জানুয়ারি সকালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত হয়
শিশু হুজাইফা। সেইদিন সন্ধ্যা ছয়টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড়
পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানে শিশুটিকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
তখন চিকিৎসকেরা জানান, গুলিটি তার মস্তিষ্কে প্রবেশ করেছে।
এরপর
উন্নত চিকিৎসার জন্য হুজাইফাকে ঢাকায় জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে
আনা হয়। সেখানে ২৭ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ মারা গেছে।
প্রসঙ্গত,
গত ১২ জানুয়ারি সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে গুলিবিদ্ধ হয় সে। আহত হন আরও ২ জন।
এ ঘটনায় ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সো মো-কে তলব করে পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও প্রজ্ঞাকে মূল্যবান সম্পদ হিসেবে দেখে দেশ।
অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এ মন্তব্য করেছেন।
উপদেষ্টা
তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে বলেন, 'সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া
দেশের গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার প্রশ্নে এক আপোসহীন ও সর্বজন
শ্রদ্ধেয় নেতৃত্ব। এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে তার
সংগ্রাম, সাহসী ভূমিকা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।' তিনি আরও বলেন,
'দেশ তাঁর নেতৃত্ব ও প্রজ্ঞাকে মূল্যবান সম্পদ হিসেবে দেখে। আমরা তাকে হারাতে চাই না।
গণতান্ত্রিক ধারার অভিভাবকসুলভ এই নেত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দ্রুত আরোগ্যের জন্য দেশবাসীর
দোয়া কামনা করছি।'
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার
ভি ম্যান্টিটস্কি।
বুধবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁও
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে ম্যান্টিটস্কি রুশ ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে বাংলাদেশে তার
দায়িত্বপালনের তিন বছরের বেশি ঘটনাবহুল সময়ের কথা স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রদূত প্রধান উপদেষ্টাকে রূপপুর
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন এবং জানান এই কেন্দ্রে আগামী
বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে বলে তারা আশা করছেন। প্রকল্পটি মূলত রাশিয়ার অর্থায়ন ও
কারিগরি বা বিশেষজ্ঞ সহায়তায় বাস্তবায়ন হচ্ছে।
সাক্ষাতে তারা বাংলাদেশে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়াত্ত
কোম্পানি গাজপ্রমের অনুসন্ধান কার্যক্রম, রাশিয়া থেকে গম ও সার রপ্তানি এবং রূপপুর
প্রকল্পের ঋণ পরিশোধের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বিদ্যু ও জ্বালানি
খাতে রাশিয়ার সহায়তা এবং বাংলাদেশে গম ও সার সরবরাহে রাশিয়ার ভূমিকার প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার রূপপুর
প্রকল্পের অর্থ পরিশোধের বিষয় সমাধান করবে। তিনি বাংলাদেশে রাশিয়ার আরো বিনিয়োগকে স্বাগত
জানান।
উভয় দেশের যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব
আরোপ করে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমরা একসাথে কাজ করব।’
এ সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি
বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মো. আবুল হাসান
মৃধা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারাল। তাঁর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।
প্রফেসর ইউনূস বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না; তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁর অবদান, তাঁর দীর্ঘ সংগ্রাম এবং তাঁর প্রতি জনগণের আবেগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার চলতি মাসে তাঁকে রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর আপোষহীন নেতৃত্বের ফলে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে, মুক্তির অনুপ্রেরণা পেয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও জাতির কল্যাণে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং দৃঢ় মনোবল সব সময় পথ দেখিয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত রাজনীতিককে হারাল।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি’র চেয়ারপারসন, যিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তাঁর স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালে গৃহবধূ থেকে রাজনীতির মাঠে আসা বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব স্বৈরশাসক এরশাদের দীর্ঘ ৯ বছরের দুঃশাসনের পতন ঘটাতে প্রধান ভূমিকা রাখে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বহু কর্ম ও সিদ্ধান্ত দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে। তিনি মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালু করেন, যা বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়া ভীষণভাবে সফল ছিলেন। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনগুলোতে তিনি পাঁচটি পৃথক সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে তিনি যে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, সেখানেই তিনি জয়লাভ করেছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর অর্থনৈতিক উদারীকরণের মাধ্যমে তিনি দেশের অর্থনীতির একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সংগ্রাম ও প্রতিরোধের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর আপোষহীন ভূমিকা দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামে জাতিকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক সাফল্যের কারণেই বেগম খালেদা জিয়া চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন। মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় তাঁকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং দীর্ঘদিন কারাবাস করতে হয়েছিল।
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতির দিনে তিনি দেশবাসীকে শান্ত থাকার ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং যার যার অবস্থান থেকে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন।
মন্তব্য করুন


চলতি
ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। ডিসেম্বর মাসের ২০ দিনে দেশে প্রবাসী আয়
(রেমিট্যান্স) এসেছে ২১৭ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ
২৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।
রোববার
(২১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য
মতে, চলতি মাসের ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এসেছে ২১৭ কোটি ২১ লাখ ডলার। এরমধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত
ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৭ কোটি ১৩ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে
২১ কোটি ৫২ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৫৮ কোটি ১৩ লাখ ডলার এবং
বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪২ লাখ ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন,
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগে হুন্ডি প্রতিরোধ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের
উন্নতি রেমিট্যান্স আয় বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।
একদিকে
প্রবাসী আয় বাড়ছে, অন্যদিকে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বাড়ছে। এদিকে প্রবাসী আয়ের
প্রবাহের ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের বৈদেশিক
মুদ্রার জোগান-চাহিদার ভারসাম্য ঠিক রাখতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয়
ব্যাংক মোট ২ হাজার ৮৭১ মিলিয়ন বা ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার ক্রয় করেছে।
চলতি
অর্থবছরের সদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার,
দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।
অক্টোবর
মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্স
এসেছে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার, আগস্ট মাসে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার, জুলাই
মাসে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রীর
বাসভবন নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে একটি জায়গা চূড়ান্ত করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত
মন্ত্রণালয়। গণভবনের পাশেই নির্মাণ করা হবে এই বাসভবন। ইতিমধ্যে নকশা প্রণয়নের কাজ
শুরু করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর চূড়ান্ত মতামত নিয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর
বাসভবন’ তৈরির কাজ শুরু করতে চায় গণপূর্ত অধিদপ্তর।
তবে
সেটি তৈরি হতেও দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে। সে সময় পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন
‘যমুনা’ অথবা সংসদ ভবনসংলগ্ন স্পিকারের বাসভবনকে প্রধানমন্ত্রীর
বাসস্থান হিসেবে নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে। এটি নির্ভর করবে হবু প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের
ওপর। তিনি চাইলে স্পিকারের বাসভবনের সঙ্গে লাগোয়া ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনকেও যুক্ত
করে দেওয়া হবে।
আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের পরই শপথ নেবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর
বাসভবন হিসেবে শেরেবাংলানগরের ‘গণভবন’ নির্ধারিত ছিল। জুলাই অভ্যুত্থানের
পর সেটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’
হিসেবে তৈরির উদ্যোগ নেয় এবং জাদুঘর তৈরির কাজ এখন শেষের পথে।
প্রধানমন্ত্রীর
নতুন বাসভবন যে এলাকায় নির্মিত হচ্ছে, তাতে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের নকশায় কোনো ব্যত্যয়
হবে কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে স্থাপত্য অধিদপ্তরের দায়িত্বশীলরা
এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ঈদ উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। আগামী ১১ এপ্রিল ঈদের দিন ধরে
হিসেব করে যাত্রা বিবেচনায় টিকিট বিক্রি শুরুর দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার
( ২৪ মার্চ) শুরু হওয়া অগ্রিম টিকিট বিক্রি চলবে ৩০ মার্চ পর্যন্ত।
বাংলাদেশ
রেলওয়ে জানিয়েছে, ৩ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৪ মার্চ, ৪ এপ্রিলের ভ্রমণের
টিকিট পাওয়া যাবে ২৫ মার্চ, ৫ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৬ মার্চ, ৬ এপ্রিলের
ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৭ মার্চ। এছাড়া ৭ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৮
মার্চ, ৮ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে ২৯ মার্চ, ৯ এপ্রিলের ভ্রমণের টিকিট পাওয়া
যাবে ৩০ মার্চ। সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে রেলের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট আলাদা
সময়ে বিক্রি করা হবে। সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে আর দুপুর ২টায় পশ্চিমাঞ্চলে
টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
এবারও
ঈদযাত্রার কোনো টিকিট কাউন্টারে বিক্রি করা হবে না। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকেই শতভাগ
টিকিট বিক্রি হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট, রেল সেবা অ্যাপ ও সহজ ডটকমের
প্ল্যাটফর্ম থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
এ
বিষয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারোয়ার বলেন, শতভাগ অনলাইনে টিকিট বিক্রি
হবে। কালোবাজারি রোধে সহজ.কম যেন টিকিট ব্লক করতে না পারে সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন