

মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সোমবার (২ জুন) আলেখারচরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথ অভিযান
পরিচালিত হয়েছে।
দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলা এ অভিযানে এলাকায় অবৈধ যান চলাচল রোধে কার্যকর তল্লাশি চালানো হয়।
অভিযানকালে মোট ১টি সিএনজি, ১টি পিকআপ ও ৪টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়।
এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা এবং নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে মোট
২২,৫০০ (বাইশ হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এছাড়া ১টি মোটরসাইকেল ও ১টি পিকআপ জব্দ করে হাইওয়ে থানায় হস্তান্তর
করা হয়েছে।
সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনী
ও পুলিশের এই যৌথ তৎপরতা এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা তৈরি করেছে। স্থানীয়রা
এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এমন অভিযান চলমান রাখার আহ্বান
জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত কয়েকটি টেলিকম দোকানে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা
করে অবৈধ অশ্লীল ভিডিও কন্টেন্ট বিক্রির অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামিরা হলেন- কুমিল্লা নগরীর রেইসকোর্স এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে এম. আর টেলিকমের
মালিক জহিরুল ইসলাম (৩৬) ও পশ্চিম রেইসকোর্স এলাকার মোঃ আব্দুর রশিদের ছেলে মা টেলিকমের
মালিক জাকির হোসেন (৪৫)।
অভিযানে
তাদের দোকান থেকে পর্নোগ্রাফি ভিডিও সংরক্ষিত বিভিন্ন ডিভাইস উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত
দ্রব্যাদির মধ্যে রয়েছে ২টি হার্ডডিস্ক, ৩টি পেনড্রাইভ, ৬টি মেমোরি কার্ড ও একটি কার্ড
রিডার।
গ্রেফতারকৃত
আসামিদের স্থানীয় থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জব্দকৃত আলামতও পুলিশের
কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ
ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুরের লক্ষ্মীপুর এলাকায় স্যাবলেট বাসা ভাড়া থেকে দম্পতির লাশ উদ্ধার করেছে দাউদকান্দি থানা পুলিশ।
জানা যায়,গতকাল ইফতারের পর থেকে রুমের দরজা দুই দিন ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় স্থানীয়রা জানালা দিয়ে মৃত অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে দেখে দম্পতির লাশ উদ্ধার করে এবং দীর্ঘ সময় পরে পুলিশ তাদের পরিচয় উদ্ধারে সক্ষম হয়।
তারা হলেন তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সিনিয়র নার্স মালেকা বেগম (৪০) ও তিতাস উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের ওমরপুর গ্রামের আব্দুল মান্নান মুন্সির ছেলে ঔষধ দোকানদার আমিনুল ইসলাম (৪৫)।
মান্নান দ্বিতীয় বিয়ে করে স্ত্রী নিয়ে অজ্ঞাত পরিচয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্তারিত জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের পাশের ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে ও মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচল প্রতিরোধে বাংলাদেশ
সেনাবাহিনী ও হাইওয়ে পুলিশ যৌথভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে।
এ সময় মহাসড়কের পাশের ফুটপাতের অবৈধ
স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদ, মহাসড়কে অবৈধভাবে চলাচলকারী থ্রি-হুইলার ও বৈধ কাগজপত্র
বিহীন মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। পরে এ সংক্রান্তে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানা সূত্রে জানা
গেছে, গত সপ্তাহে মহাসড়কের পাশের ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে জনস্বার্থে হাইওয়ে পুলিশের
পক্ষ থেকে বিশেষ প্রচারনা করা হয়। প্রচারনা শেষে আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকাসহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে মিয়াবাজার হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা
হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন সড়ক আইন ভঙ্গের দায়ে হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে মোট ২৫টি মামলা
করা হয়।
যৌথ এ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর চৌদ্দগ্রাম ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রিফায়েত তারেক মজুমদার, হাইওয়ে পুলিশের
সার্জেন্ট মো: হাসান, মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক মো: নজরুল
ইসলাম সহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-সদস্যবৃন্দ ও মিয়াবাজার হাইওয়ে থানা
পুলিশের একটি টিম।
এ অভিযানের বিষয়ে মিয়াবাজার হাইওয়ে
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জসিম উদ্দিন বলেন, মহাসড়কের পাশের ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত
রাখতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং থ্রি-হুইলার বন্ধে
যৌথবাহিনী সোমবার বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিভিন্ন অপরাধে মোট ২৫টি মামলা
দায়ের করা হয়েছে। মহাসড়ক অবৈধ দখল ও যানজটমুক্ত রাখতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
বিএনপি চেয়ারপার্সন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়ার মধ্য দিয়ে কুমিল্লায় শুরু হয় রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা এবং কুমিল্লা নিয়ে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের স্বপ্ন–ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্বলিত লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম।
আজ শনিবার (৬ নভেম্বর) বিকালে নগরীর নূরপুর জামে মসজিদে আছরের নামাজ শেষে দোয়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। পরে নূরপুর, হাউজিং ও কাটাবিল এলাকা ঘিরে এই কর্মসূচি ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।
দোয়া শেষে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং কুমিল্লা-৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন লিফলেট বিতরণ শুরু করেন। তার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই গণমুখী কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায় এবং সড়কে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নারী-পুরুষ, তরুণ-প্রবীণসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ লিফলেট গ্রহণ করতে এগিয়ে আসেন।
চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং কুমিল্লা-৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন,“মনোনয়ন নিয়ে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। আমি বিষয়টি দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। কারণ আমি আমার জীবনের বাকি সময়টা এই অঞ্চলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেই থাকতে চাই।
অতীতের কঠিন সময়ে তারা যেমন আমার পাশে ছিলেন, আমিও তেমনি তাদের পাশে ছিলাম—এ সম্পর্ক আস্থার, ত্যাগের এবং আন্দোলনের। মামলা-হামলা, জুলুম-নির্যাতন—সব প্রতিকূল সময় আমরা একসঙ্গেই অতিক্রম করেছি।
তিনি আরও বলেন,“দলীয় মনোনয়ন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন নেত্বত্বে থাকা দায়িত্বশীলরা। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিষয়টি দেখছেন বলেও আমাকে জানিয়েছেন। বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল—এখানে জনগণের ইচ্ছাই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়। জনগণ যা চাইবে, বিএনপিও সেই পথেই চলবে।”
দিনব্যাপী লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এস এ বারী সেলিম,কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুবুর রহমান দুলাল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, আসিফ মাহমুদ জহির, সালমান সাঈদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহরম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা,
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রবিন, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম চেয়ারম্যান, মহানগর যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিবসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল এবং কৃষকদলের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও বিভিন্ন ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা গণবিতরণ কার্যক্রমে যুক্ত হন।
নূরপুর, হাউজিং এবং কাটাবিল এলাকায় লিফলেট বিতরণের স্থানীয় দোকানদার, পথচারী, রিকশাচালক, শিক্ষার্থীসহ সবাই লিফলেট হাতে নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে প্রায় ৪ লাখ টাকার মাদকসহ এক মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।
আটককৃত তাফাজ্জল হোসেন ভুট্টু (৪৬) উপজেলার গোপচর গ্রামের রাশেদ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে গৌরীপুর বাজারের কাঠপট্টিতে সেকান্দরের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ৪৬ বোতল বিদেশি মদ ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টোকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, গৌরীপুর বাজারে মাদকের একটি বড় চালান ঢুকছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যের যৌথ অভিযান চালিয়ে ৪৬ বোতল বিদেশি মদসহ এক মাদক কারবারীকে আটক করা হয়েছে। যার অনুমানিক মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা।
মাদক আইনে মামলা দায়েরের পর তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুর ভূঁইয়া ট্রাক হোটেল এলাকায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে গাঁজা, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত যুবক হলেন সাতক্ষীরা জেলার গোনা গ্রামের মো. তুহিন হোসেন (২৭)। তার পিতা মো. রওশন আলী (৫৫)। জানা গেছে, তুহিন হোসেনের নামে পূর্বে কোনো মামলা ছিল না।
সেনা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম আর্মি ক্যাম্পের জেসিও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মনজুরুল হকের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়। এতে ১.৫ কেজি গাঁজা, নগদ ১০ হাজার ৮৭০ টাকা এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ট্রাক হোটেল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনা রয়েছে। দূরপাল্লার ট্রাক চালক ও সহকারীরা এখানে খাবার খেতে এসে মাদক গ্রহণ করেন। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তারা গাড়ি চালানোয় সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। এর আগেও এ এলাকায় একাধিকবার
অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অভিযান শেষে গ্রেপ্তারকৃত তুহিন হোসেনকে জব্দকৃত মালামালসহ চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেনা ও পুলিশ উভয়ই জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে
মন্তব্য করুন


ঋণ
খেলাপির তালিকা থেকে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান
মুন্সীর নাম বাদ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত।
এর
ফলে তিনি ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবেন এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে
পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
বৃহস্পতিবার
(৮ জানুয়ারি) চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন।
আদালতে
প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার।
তিনি
জানান, বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবেন এবং জাতীয়
সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
এর
আগে ঋণখেলাপির তালিকায় কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম
স্থগিত করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করে প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য,
কুমিল্লা-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩৪৮ বোতল ফেন্সিডিল ও ১,৯২৫
পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ রবিবার (৮ ডিসেম্বর) ভোরে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ
মডেল থানাধীন সুয়াগাজী বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী আশরাফ আলী শাহিন ও সবুর উল্লাহ নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৩৪৮ বোতল
ফেন্সিডিল, ১,৯২৫ পিস ইয়াবা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা
হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। আশরাফ আলী শাহিন
(২০) চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী থানার মাইজপাড়া গ্রামের জাফর আলম এর ছেলে এবং ২। সবুর
উল্লাহ (৪৫) একই জেলার সাতকানিয়া থানার আফজালনগর গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক।।
আইন পেশায় সফলতার নয় বছর অতিক্রম করে দশম বর্ষে পদার্পণ করেছেন অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার। কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সুপরিচিত এই সদস্য দীর্ঘদিন ধরে আইনজীবী হিসেবে যেমন সুনাম অর্জন করেছেন, তেমনি গণমাধ্যমকর্মী হিসেবেও তিনি একজন পরিচিত ও সম্মানিত মুখ।
চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার খাদেরগাঁও ইউনিয়নস্থিত লামচরী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেয়া তাপস চন্দ্র সরকার ছোটবেলা থেকেই ছিলেন মেধাবী ও চঞ্চল। ২০১৬ সালের ১৪ মে বার কাউন্সিলের সনদ পাওয়ার পর ৯ জুন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতিতে যোগ দিয়ে পেশাগত জীবনে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। তবে তার পথচলার শুরু আরও আগেই ২০০০ সাল থেকে সাংবাদিকতা ও সিনিয়র আইনজীবীদের সহকারী হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করে গড়ে তুলেছেন নিজেকে একজন দক্ষ আইনজীবী হিসেবে। তাঁর পিতা নিখিল চন্দ্র সরকার ছিলেন একজন আইনজীবী সহকারী। বাবার প্রেরণাতেই ছেলেবেলা থেকে কালো কোর্টের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয় তাপসের। দুঃখের বিষয়, বাবার মৃত্যুর কারণে তিনি ছেলেকে আইনজীবী হিসেবে দেখে যেতে পারেননি। তবে পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পর তাপস চন্দ্র সরকার তার পেশাগত জীবনে সততা, নিষ্ঠা ও মানবসেবাকে রেখেছেন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে।
অ্যাড. তাপস চন্দ্র সরকার বলেন, “যারা শর্টকাট পথে বিশ্বাসী, তাদের জন্য এই পেশা নয়। কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্য আর মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে এগোলে আইনজীবী হিসেবে সফল হওয়া সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, “সেবা দেওয়ার মনোভাব থাকলে এই পেশা অনেক বড় কিছু। এখানে টাকা নয়, আগে দরকার নিষ্ঠা ও প্রতিশ্রুতি।”
আইনজীবী হওয়ার পাশাপাশি তিনি কুমিল্লা ভিত্তিক পাক্ষিক ‘বিবর্তন’ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং পরে ‘দৈনিক আমাদের কুমিল্লা’য় এক যুগেরও বেশি সময় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন। তাঁর লেখা সংবাদ ও প্রতিবেদন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
তাঁর স্ত্রী রিতা রানী মজুমদার কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কেরণখাল ইউনিয়নের ডুমুরিয়া মজুমদার বাড়ির সন্তান। তাঁদের একটি কন্যা ও একটি পুত্র রয়েছে। পরিবার নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা মহানগরীর কালিয়াজুরী এলাকায় বসবাস করছেন।
অ্যাড. তাপস চন্দ্র সরকার শুধু আইন ও সাংবাদিকতা নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও সক্রিয়। নিজেকে তিনি সবসময় একজন সেবক হিসেবে দেখতে চান। তাঁর বিশ্বাস, “মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারাটাই প্রকৃত মানবতা।”
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চান্দিনায় সৎ মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শাহিন মুন্সি নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নের সব্দলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃতা হালিমা খাতুন (৩৪) সব্দলপুর গ্রামের এমদাদুল হক মুন্সির (৭৫) দ্বিতীয় স্ত্রী। গতকাল বুধবার গুরুতর আহত অবস্থায় কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার ( ৩০ অক্টবর ) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। অভিযুক্ত শাহিন মুন্সি মৃতার সৎ ছেলে এবং এমদাদুল হক মুন্সির চতুর্থ ছেলে। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এমদাদুল হক মুন্সির প্রথম স্ত্রী মারা যান প্রায় ৩ বছর আগে। তার চার ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। যারা সবাই বিবাহিত এবং ৪ ছেলে সৌদি আরব প্রবাসী। ছোট ছেলে শাহিন মুন্সি প্রায় আট মাস আগে দেশে ফেরেন। দুই মাস আগে এমদাদুল হক মুন্সি দাউদকান্দি উপজেলার জয়নগর গ্রামের হালিমা খাতুনকে বিয়ে করেন।
এমদাদুল হক মুন্সি জানান, ‘গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে আমি শৌচাগারে যাই। তখন আমার স্ত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন, পাশের কক্ষে ছোট ছেলে শাহিন ছিল। ঘরে ফিরে দেখি স্ত্রী রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় কাতরাচ্ছেন। চিৎকার দিলে পুত্রবধূসহ আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে অ্যাম্বুল্যান্সে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
তৃতীয় পুত্রবধূ শিরিনা আক্তার জানান, ‘আমরা অন্য ঘরে ঘুমাচ্ছিলাম। শ্বশুরের চিৎকার শুনে ছুটে এসে দেখি শাহিন ঘর থেকে বের হয়ে যাচ্ছে, শ্বশুর কান্নাকাটি করছেন। সৎ শাশুড়ি তখন রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে ছিলেন।’ বাতাঘাসী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান সিরাজ বলেন, ‘এমদাদুল হক মুন্সি আমার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। দ্বিতীয় বিয়েতে পরিবারের কারোর আপত্তি ছিল না। কী কারণে শাহিন সৎ মাকে হত্যা করেছে, তা কেউ বলতে পারছে না। ঘটনার পর সে পালিয়ে যায়।’
চান্দিনা থানার (ওসি) “জাবেদ উল ইসলাম” জানায়, মৃতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার স্বামী এমদাদুল হক মুন্সি বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শাহিন মুন্সির ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন