

কুমিল্লায়
পৃথক পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবদল নেতাসহ তিনজনের।
গতকাল
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে বুধবার (২০ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত জেলার আদর্শ সদর,দেবিদ্বার
ও বুড়িচং উপজেলায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
দলীয়
কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে গতকাল মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় আদর্শ সদর উপজেলার রত্নবতী
এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন কুমিল্লা সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক
মো. কবীর হোসেন (৪৮)। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায়
ঢাকায় নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মারা
যান।
তার
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল
ইসলাম।
অপরদিকে,
মোটরবাইকে স্বামীর সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বুড়িচং উপজেলার
শংকুচাইল এলাকায় ছিটকে পড়ে নিহত হন হ্যাপি ভৌমিক (৪৫) নামে এক নারী।
স্বজনরা জানান, ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে কালভার্টে উঠতে গিয়ে তিনি মোটরবাইক থেকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে নগরীর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে,
বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে দেবিদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক
মহাসড়কে ট্রাক ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হন সিএনজিচালক মনির
হোসেন (৩৯)।মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার মোহাম্মদপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি।
বিষয়টি
নিশ্চিত করে মীরপুর হাইওয়ে ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আনিসুর রহমান জানান, ঘাতক ট্রাকটি জব্দ
করা হয়, চালক পালিয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
আদর্শ সদর উপজেলায় বিভিন্ন বেকারি ও খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআই-এর
অভিযানকালে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ
বুধবার দুপুর থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা
প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন আক্তার শিফা, সালমান ফার্সি
এবং মো. আনিসুল হক।
এ
সময় বিএসটিআই কুমিল্লার মাঠ কর্মকর্তা ইকবাল আহাম্মদ, পরিদর্শক (মেট) আরিফ উদ্দিন প্রিয়,
পরীক্ষক (রসায়ন) মো. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লায়
বিএসটিআই-এর উপ-পরিচালক কে এম হানিফ জানান, মানসনদ গ্রহণ ব্যতীত পণ্যের মোড়কে স্ট্যান্ডার্ড
মার্ক (মান চিহ্ন) ব্যবহার, বিস্কুট, পাউরুটি ও কেক পণ্য উৎপাদন এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর
তথ্য প্রদানসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে নগরীর দেশয়ালিপট্টির মেসার্স বিক্রমপুর শশী ভান্ডারকে
২৫ হাজার টাকা, বিক্রমপুর ঘি স্টোরকে দুই হাজার টাকা এবং রাজগঞ্জ বাজার এলাকার মেসার্স
নিউ প্রিমিয়াম সুইটসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলার বরল
এলাকায় একটি কোল্ডস্টোরেজ থেকে অবৈধভাবে মজুত করা জব্দকৃত ৪ লাখ ২৭ হাজার পিস ডিম
নিলামে বিক্রি করে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
ভ্রাম্যমান আদালতের নিলামে বিক্রয়কৃত
ডিমের মূল্য ২৭ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন লালমাই উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
তিনি জানান, জেলাপ্রশাসকের নির্দেশনায়
বিভিন্ন কোল্ডস্টোরেজে অবৈধ মজুদ আছে কি না জানতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরই অংশ
হিসেবে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় লালমাই উপজেলার বরল এলাকার মেঘনা কোল্ডস্টোরেজে
অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান ডিমের মজুদ সন্ধান পান ভ্রাম্যমান আদালত। ভ্রাম্যমান
আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মারজানা আক্তার তাৎক্ষনিকভাবে অবৈধভাবে মজুদকৃত ডিম
নিলামে বিক্রি করেন এবং অবৈধ মজুদারির দায়ে কোল্ডস্টোরেজকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন।
কৃষি বিপনন আইন অনুযায়ী ডিমের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ১০ থেকে
১৫ দিন মজুদ রাখতে পারবেন। এখানে গিয়ে দেখা গেছে- মাসের পর মাস ধরে মজুদ করা হয়েছে। তার মানে এসব অবৈধ মজুদ। এর আগেও এই কোল্ডস্টোরেজ
থেকে ২১ লাখ ডিমের বিশাল অবৈধ মজুদ জব্দ করে বাজারজাত করার নির্দেশনা দেয়া হয়।
প্রকাশ্য নিলামে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ প্রায়
৬ টাকা পিস দরে ৪ লাখ ২৭ হাজার পিস ডিম কিনে নেন লালমাই উপজেলার ব্যবসায়ি লোকমান হোসেন।
তিনি জানান, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট
প্রকাশ্য নিলামে ডিম বিক্রি করেন। আমি ৪ লাখ ২৭ হাজার ডিমের টাকা জমা দিয়ে নিলাম থেকে
ডিম কিনেছি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা :
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট ২০২৫-এর কুমিল্লা ভেন্যুতে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দল দুর্দান্ত সূচনা
করেছে।
আজ সোমবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী ম্যাচে তারা চাঁদপুর জেলা দলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে।
মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধের ১৮তম মিনিটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন ৭ নম্বর জার্সিধারী তুহিন আহমেদ। গোলের পর থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া দলের আক্রমণাত্মক খেলা চলমান থাকলেও চাঁদপুরের গোলরক্ষকের দৃঢ় প্রতিরোধের কারণে ব্যবধান আর বাড়েনি। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে চাঁদপুর জেলা দলের ৩ নম্বর জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় রাকিব হলুদ কার্ড দেখেন। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মাঝে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন একমাত্র গোলদাতা তুহিন আহমেদ।
এদিন বিকেলে বেলুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিরুল কায়সার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দিদারুল আলম, জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগর শাখার যুব বিভাগের সভাপতি কাজী নাজির আহমেদ, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা সুমন কুমার মিত্র এবং এ্যাডহক কমিটির সদস্য আরিফ খান, আহসান উল্লাহ স্বপন, খালেদ সাইফুল্লাহ প্রমুখ।
আগামীকাল কুমিল্লা ভেন্যুতে টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচে মুখোমুখি হবে লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলা দল।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
"শৃঙ্খলাই জীবন" এ শ্লোগান সামনে রেখে আস্থার স্বাস্থ্যসেবার ব্রত নিয়ে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা নগরীর বিষ্ণুপুর মুন্সেফ কোয়ার্টারস্থিত খায়রুন্নেসা-ইব্রাহিম জেনারেল হসপিটাল (১০০ শয্যা বিশিষ্ট বিশেষায়িত হাসপাতাল) এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনলাইনেযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা মিস শারমীন এস মুরশিদ এবং বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, ন্যাশনাল হেলথকেয়ার নেটওয়ার্ক (এনএইচএন) বোর্ড অব অ্যাডভাইজার্স এর চেয়ারম্যান সৈয়দ রেজওয়ানুল কবির, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক (রাজস্ব) এ. বি. এম মশিউজ্জামান, কুমিল্লার ডেপুটি সিভিল সার্জন রেজা মোঃ সারোয়ার আকবর, প্রফেসর হাজেরা মাহাতাব, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব, সিরডাপের প্রাক্তন মহাপরিচালক ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম এটিএম শামসুল হক এর সহধর্মিণী মিসেস রাবেয়া হক, ন্যাশনাল হেলথকেয়ার নেটওয়ার্ক (এনএইচএন) এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. এম এ সামাদ।
উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- রাজনৈতিক ব্যক্তি, বীরমুক্তিযোদ্ধা, ঔষধ কোম্পানির বিপনন প্রতিনিধি, শিক্ষক, এলাকার জনসাধারণ, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ।
ওই অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন- বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান।
উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মিস শারমীন এস মুরশিদ তাঁর বক্তব্যে বলেন- স্বল্প খরচে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে কুমিল্লায় উদ্ভোধন হলো একশত শয্যা বিশিষ্ট বিশেষায়িত হসপিটাল। কুমিল্লায় আধুনিক, সাশ্রয়ী এবং মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাই কুমিল্লার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে এই হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যের মধ্যদিয়ে কুমিল্লা ১০০ শয্যা বিশিষ্ট বিশেষায়িত খায়রুন্নেসা-ইব্রাহিম জেনারেল হসপিটালের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান আস্থার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ চিকিৎসকের সমন্বয়ে এ বিশেষায়িত হসপিটাল হবে দেশের অন্যতম সেরা মানবিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। এই হসপিটাল দেশের স্বাস্থ্যসেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং সবার জন্য বিশ্বমানের চিকিৎসা নিশ্চিত করবে বলে আমি আশা প্রকাশ করছি।
বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন বলেন, সময়ের সঙ্গে সবকিছু পরিবর্তন হলেও এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় পরিবর্তন হয়নি। এই হাসপাতালের মাধ্যমে স্বল্প আয়ের লোকজন চিকিৎসার জন্য আর ঢাকা যেতে হবে না। এখানে সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তার চেম্বার রয়েছে। ভালো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নির্ভুল রিপোর্ট দেওয়াই মানুষের আস্থা অর্জনের মূল ভিত্তি। চিকিৎসা খাতে আমরা বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চাই। বিশ্বের উন্নত মানের যন্ত্রপাতির মাধ্যমে এখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালনা করা হবে। তিনি আরও বলেন, টাকার অভাবে কারো চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না এবং মানুষের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে ভালো সেবা প্রদানই আমাদের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন- এ ধরনের একটি হসপিটাল কুমিল্লার মানুষের জন্য প্রয়োজন ছিলো। আজ তা বাস্তবে রূপান্তরিত হয়েছে। একদিন এই হসপিটালটি ১০০ শয্যা হতে ২৫০ শয্যা উন্নতি হবে। এ বিশেষায়িত হাসপাতালে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে। তারা বলেন- হাসপাতাল একটি ভবন নয়; এটি একটি মানবেতর প্রতীক। এর মাধ্যমে কুমিল্লার মানুষ সঠিক সেবা পাবেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান (মন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন), সাবেক সচিব এটিএম শামসুল হকের রুহের মাগফেরাত কামনায় দাঁড়িয়ে একমিনিট নীরবতা পালন করেন।
এদিকে, অনুষ্ঠানে দেয়া লিফলেট সূত্রে জানা যায়- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির যৌথ অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত ১০০ শর্যা বিশিষ্ট বিশেষায়িত হাসপাতালে ডায়াবেটিসসহ সকল রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা ও অত্যাধুনিক ডায়াগনস্টিক সেবা। এরমধ্যে রয়েছে মেডিসিন, ডায়াবেটিস ও হরমোন, সার্জারি, গাইনী, শিশুরোগ, কিডনি, অর্থোপেডিক, কার্ডিওলজি, নিউরোলজি, চক্ষু ও দন্ত বিষয়ক রোগের চিকিৎসাসেবা এবং সর্বাধুনিক সুবিধা সম্বলিত ল্যাবরেটরিতে সুলভ মূল্যে প্যাথলজি পরীক্ষার সুবিধা, কম্পিউটারাইজ পদ্ধতিতে মানসম্মত ও নির্ভুলভাবে ইকো, ডিজিটাল এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, কালার ডপলার, ইসিজি, ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশন এবং অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) গাইনোকোলজিক্যাল এন্ড অবস্টেট্রিক্যাল অপারেশনসহ সবরকমের সার্জিক্যাল ও ল্যাপারোস্কোপিক অপারেশনের সুব্যবস্থা। এছাড়াও থাকছে চোখের বিভিন্ন অপারেশনসহ ২৪ ঘন্টা (দিবা-রাত) জরুরি বিভাগ, এ্যাম্বুলেন্স ও ফার্মেসি সার্ভিস।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা
আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকায় আজ সকালে স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার।
এ
সময় তিনি বলেন ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট এই স্থানেই ছাত্র-জনতার উপর নির্মম হামলা চালানো
হয়েছিল। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এখানে স্থাপিত হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’। এতে প্রতিটি শহীদের নাম
যুক্ত থাকবে। এছাড়াও যেসব এলাকায় শহীদরা নিহত হয়েছেন,সেসব স্থানে নির্মাণ করা হবে
‘রোড মেমোরি স্ট্যান্ড’।”
জেলা
প্রশাসক জানান, প্রতিবছর ৫ আগস্ট স্মৃতিস্তম্ভ চত্বরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও বিশেষ শ্রদ্ধা
নিবেদনের আয়োজন করা হবে।
উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ নাজির আহমদ খান, মহানগর বিএনপির সভাপতি
উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, অতিরিক্ত
জেলা প্রশাসক পঙ্কজ বড়ুয়া, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুল ইসলাম, সিভিল
সার্জন ডা. মোঃ আলী নূর মোহাম্মদ বশির, এনসিপি নেতা মাছুমুল বারী কাউসার,উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা ফাতেমাতুজ জোহরা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিনা জাহানসহ জেলা প্রশাসনের
বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি
সঞ্চালনা করেন কুমিল্লা নজরুল ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক আল আমিন। দোয়া পরিচালনা
করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আইসিটি মাস্টার ট্রেইনার আব্দুল্লাহ নোমান।
শহীদদের
স্মরণে নির্মিত এই স্মৃতিস্তম্ভ কুমিল্লার ইতিহাসে একটি নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে, এমনটিই
প্রত্যাশা সকলের।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অর্ধবার্ষিকী জুডিসিয়াল
কনফারেন্স ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকালে কুমিল্লা বিচার
বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত কুমিল্লা জেলা জজ আদালতের কনফারেন্স রুমে এ কনফারেন্সটি অনুষ্ঠিত
হয়।
এতে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা
জজ (ভারপ্রাপ্ত) নাসরিন জাহান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব (মতামত) উম্মে
কুলসুম।
উক্ত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে
বক্তব্য রাখেন- কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ
আবদুল্লাহ আল মামুন, কুমিল্লা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ হাসান, কুমিল্লা সিভিল
সার্জন ডা. নাছিমা আকতার, সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন, অতিরিক্ত
জেলা প্রশাসক ফাহমিদা মুস্তফা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামান, GIZ এর
প্রতিনিধি মার্টিনা বারকার্ড। এছাড়াও উন্মুক্ত আলোচনা করেন- সিনিয়র সহকারী জজ ধ্রুবজ্যোতি
পাল, কুমিল্লা (ভারপ্রাপ্ত) জেলা রেজিস্ট্রার মোঃ আরিফ, কুমিল্লা জেলা জিপি এডভোকেট
তপন বিহারী নাগ ও জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম এবং কুমিল্লা জেলা আইনজীবী
সমিতির সভাপতি ও সাবেক জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, জেলা আইনজীবী
সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, কোর্ট মালখানা'র এসআই মোঃ
ফারুক প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র
কোরআন তেলাওয়াত পাঠ করেন ক্যাশিয়ার মোঃ আতাউল্লাহ এবং গীতা পাঠ করেন লাইব্রেরি সহকারী
যামিনী কুমার নাথ। এরআগে প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচছা জানান সিনিয়র সহকারী জজ আয়েশা
বেগম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য
রাখেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক রোজিনা খান।
এছাড়াও আদালতের সাথে অন্যান্য
ডিপার্টমেন্ট এর সংশ্লিষ্ট বিষয় এবং দেওয়ানি মোকদ্দমা সংশ্লিষ্ট সমস্যা / সমাধান উপস্থাপনা
করেন কুমিল্লা যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক তাওহীদা আক্তার ও ফৌজদারি মামলা
সংশ্লিষ্ট সমস্যা/সমাধান উপস্থাপনা করেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোঃ মাজহারুল হক।
অনুষ্ঠানে কনফারেন্স সম্পর্কিত
পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন সহকারী জজ মীর মাশহুর আহমেদ।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা
করেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোঃ ইমাম হাসান ও সহকারী জজ তৌফিকুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন ,কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ট্রেনের ধাক্কায় সাফরাত হোসেন সানভীর নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের আলকরা এলাকায় মেঘনা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সানভীর উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের কেন্দুয়া গ্রামের মোঃ বাহরাইন প্রবাসী রাজুর একমাত্র ছেলে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন নিহতের চাচা মোরশেদ আলম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দুয়া গ্রামের নুর হোসেন সুজন মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশের বৈছামুড়া ব্রিজের পাশে মাছ ধরার দৃশ্য দেখতে যায়। এর কিছুক্ষণ পর জেঠার খোঁজে বৈছামুড়া ব্রিজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে ভাতিজা সাফরাত হোসেন সানভীর। নুর হোসেন সুজন মনে করেছিলেন, ভাতিজা সানভীর কিছু দূর গিয়ে আবার বাড়িতে ফিরে যাবে। কিন্তু ভাতিজা সানভীর জেঠার কাছে যেতে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটতে থাকে। মুহুর্তের মধ্যেই চট্টগ্রামগামী মেঘনা এক্সেপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় সানভীর ঘটনাস্থলেই মারা যায়। নুর হোসেন সুজন পিছনের দিকে ভাতিজা সানভীরের দিকে তাকালে তাকে রেললাইনের পাশে নিহত অবস্থায় পাওয়া যায়। এদিকে একমাত্র ছেলে সানভীরকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ বাবা-মা। এ ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
নিহত সাফরাত হোসেন সানভীর চাচা মোরশেদ আলম বলেন, বাড়ি থেকে সামান্য দূরে রেললাইনের সাথে মাছ ধরা দেখতে তাঁর জেঠা বৈছামুড়া ব্রিজের পাশে যায়। জেঠার পিছনে পিছনে ভাতিজা সাফরাত হোসেন সানভীরও চলে যায়। জেঠা মনে করেছিলেন, সানভীর একটু গিয়ে আবার বাড়ির দিকে চলে গেছে। খেয়াল না করায় ট্রেনের ধাক্কায় ভাতিজা সানভীরের মৃত্যু হয়েছে।
তবে শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি জানে না লাকসাম জিআরপি থানা ও গুণবতী রেলষ্টেশন কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লাকে একটি বাসযোগ্য -আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। দীর্ঘদিন এই অঞ্চলে কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। আমি নির্বাচিত হলে কুমিল্লার উন্নয়ন নিয়ে বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করবো।
আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা টাউন হল মাঠে আমার স্বপ্ন আমার কুমিল্লা শীর্ষক উন্নয়ন প্রস্তাবনা উপস্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কুমিল্লা বিভাগ কুমিল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। কুমিল্লা নোয়াখালী অঞ্চলকে নিয়ে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন অবিলম্বে করতে হবে। আমি সংসদে গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবো।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুর সঞ্চালনায় পরিকল্পনা প্রস্তাব উপস্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, সাবেরা আলাউদ্দিন হেনা, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট কাইমুল হক রিংকু, মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বপন, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজীব, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইউম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফারুক চৌধুরী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সারসহ মহানগর ও জেলার বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মনিরুল হক চৌধুরী আরো বলেন, ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা বিমানবন্দরটি বন্ধ হয়ে আছে। বিমানবন্দরের পাশেই রয়েছে কুমিল্লা ইপিজেড। প্রতিনিয়ত এখানে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যাতায়াত করে। বিমানবন্দর চালু হলে ইপিজেডে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে তথা এ অঞ্চলের প্রবাসীদের দুঃখ দুর্দশা লাঘব হবে। অচিরেই কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু করা আমার অন্যতম পরিকল্পনার অংশ।
সিটি করপোরেশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মেগাসিটিতে রূপ নেয়নি। সিটি করপোরেশনের সীমানাও বৃদ্ধি করা হয়নি। আমি নির্বাচিত হলে কুমিল্লা সিটিকে মেট্রোপলিটন সিটিতে রূপদান ও সীমানা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
নগরীর যানজট প্রসঙ্গে বলেন, যানজট কুমিল্লা নগরীর বর্তমানে প্রধান সমস্যা। পুরোনো শহরে সংকীর্ণ রাস্তায় ছোট পরিকল্পনায় যানজট নিরসনে সুদূরপ্রসারী সুবিধা পাওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে দরকার বৃহৎ পরিকল্পনা। শহরকে বিকেন্দ্রীকরণ করে দক্ষিণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানান্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করলে মানুষ দক্ষিণমুখী হবে। উত্তরে গোমতী পাড় হয়ে উপশহর করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ, ভিক্টোরিয়া কলেজের আলাদা ক্যাম্পাস স্থাপন করলে শহরে মানুষের চাপ কমবে।
পয়োনিষ্কাশন নিয়ে তিনি জানান, জলাবদ্ধতা এখন কুমিল্লার অন্যতম সমস্যা। বিশেষ করে বর্ষায় জলাবদ্ধতা লেগেই থাকে। এক্ষেত্রে পুরোনো দখলকৃত খাল উদ্ধার ও খনন, ড্রেন বড় করা ও খনন করা, বড় খালের সাথে লিংকেজ করে দিলে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব। আমি নির্বাচিত হলে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
তাছাড়া অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভেঙ্গে পড়েছে। জগন্নাথপুরে যে বর্জ্য প্রতিদিন ফেলা হয় তা পাহাড়ের আকার ধারণ করেছে। এতে ওই বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ নানাবিধ রোগবালাইয়ে ভুগছে। শুনেছি ওই এলাকায় বর্জ্যের গন্ধে কেউ আত্মীয়তাও করতে চায় না। এক্ষেত্রে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জরুরি। এর জন্য আমার 'ওয়েস্ট রিসাইকল প্রজেক্ট' বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
কোটবাড়ি ও লালমাই পাহাড়কে ঘিরে রয়েছে স্যাটেলাইট সিটি ও ইকো ট্যুরিজম হাব বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে তার।
তিনি বলেন, এছাড়াও ঢাকা- কুমিল্লা বিকল্প সড়ক পথ ও সরাসরি রেললাইন (কর্ডলাইন) স্থাপনের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে। আমি অনেকদিন ধরে সরাসরি রেললাইন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি। সর্বশেষ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) নিকট পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছি। আশাব্যঞ্জক হলো এডিবি সরাসরি রেললাইনে অর্থ দিতে রাজি হয়েছে। সরকারের সাথে এ নিয়ে আলাপ আলোচনা চলছে। অচিরেই এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার বুড়বুড়িয়া এলাকা থেকে একজন গর্ভবতী মহিলাকে উদ্ধার করে শহরে নিয়ে আসা হয়।
মঙ্গলবার ৩ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বৈষম্য বিরতি ছাত্র আন্দোলন রেসকিউ টিমের অভিযানে গর্ভবতী মহিলাকে উদ্ধার করে এনে পরবর্তীতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
শুধু
হাসপাতাল পর্যন্ত আনাই নয় বরং হাসপাতালে নিয়ে আসার পর প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসার ব্যবস্থা
করে দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লার মেডিকেল টিমের সদস্যরা।
এসময় কুমিল্লা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মেডিকেল টিম ছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন উদ্ধারকারী টিমের সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্ণেল হাসনাত এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যসহ অন্যান্যরা।
সর্বশেষ সূত্রমতে জানা যায়, উদ্ধার করে আনা গর্ভবতী মহিলা দরিদ্র এবং অভিভাবকহীন। তাই তার চিকিৎসার সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করে উক্ত মেডিকেল টিমের কয়েকজন সদস্য।
এবং
উক্ত মহিলার হাসপাতালে অবস্থানকালে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধান এবং সকল
সুযোগ-সুবিধা প্রদানে সবকিছু তদারকির জন্য একটি টিম সার্বক্ষণিক তৎপর আছে ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার
অভিযানে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ রোববার (২২ জুন) দুপুরে আদর্শ সদর
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
উক্ত অভিযানে সালাউদ্দিন সুইটস এন্ড
হোটেল-এ পচা-বাসি (ফাংগাসযুক্ত) মিষ্টি বিক্রির অভিযোগে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা
হয়। কান্দিরপাড়ের ফারক ফল বিতানকে বেশি দামে পণ্য বিক্রি ও ভাউচার সংরক্ষণ না করায়
৩,০০০ টাকা জরিমানা এবং ধর্মসাগরের পিৎজা জোন (ভুতের বাড়ি) রেস্টুরেন্টকে অস্বাস্থ্যকর
পরিবেশে খাবার সংরক্ষণের জন্য ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: কাউছার মিয়া। অভিযানে সহযোগিতা
করেন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো: আবুল কালাম আজাদ, অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং
কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম।
মন্তব্য করুন