

মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লায়
গাঁজা’সহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।
আজ রোববার সকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ
মডেল থানাধীন কনেশতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা আলমগীর হোসেন ওরফে কানা আলমগীর নামের
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ২০ কেজি ৮ শত গ্রাম গাঁজা
ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক (মিশুক) উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী
আলমগীর হোসেন ওরফে কানা আলমগীর (৪০) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার একবালিয়া গ্রামের মৃত আঃ রাজ্জাক এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ
দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা
হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর উদ্যোগে যাকাত শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(৬ মার্চ) বিকাল ৪ টায় নগরীর গোল্ডেন স্পুন অডিটরিয়ামে মহানগর জামায়াতের আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ড.আবরার আহমেদ।বিশেষ আলোচক হিসাবে আলোচনা করেন ড.মাসুদুল হক চৌধুরী,আড়াইবাড়ী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতী আমিনুল ইসলাম।
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতে সেক্রেটারী মু.মাহবুবর রহমান এর সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন,মহানগর জামায়াতে নায়েবে আমীর যথাক্রমে মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দিন,অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন,মহানগর জামায়াতে কর্মপরিষদ সদস্য এড এয়াকুব আলী চৌধুরী,অধ্যাপক মজিবুর রহমান,কাজী নজীর আহম্মেদ,অধ্যাপক জাকির হোসেন,কাজী মোতাহের আলী দিলাল প্রমুখ।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে হবে। আল্লাহতাআলার আইন দিয়ে দেশ না চললে কেউ সুখ শান্তি পাবে না। এখানে চুরি, হত্যা রাহাজানিসহ যতধরনের অপকর্ম চলতে থাকবে। ইসলাম মানেই সুবিচার, ইসলাম মানলেই সুবিচার হবে। ইসলাম যতদিন না থাকবে কোথাও সুবিচার কায়েম হবে না। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ইসলাম কায়েমের মাধ্যমেই সমাজের সকল স্তরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী সমাজ, রাষ্ট্র ও বিচার বিভাগ চালাবে না তারা কাফের, ফাসেক ও জালেম।
সেমিনার সম্মিলিত সকলের অংশগ্রহণে ইফতার করার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন পলিসি অ্যাডভোকেসি বিষয়ে তামাক বিরোধী নারী জোট সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৭ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) একটি হলরুমে
কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের তামাক বিরোধী নারীর জোটের সদস্য এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের উপস্থিতিতে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা (উবিনীগ) ও তামাক বিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) এর আয়োজনে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্থাটির পরিচালক সীমা দাস সীমু।
কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থাপনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব পরিচালনা করেন ক্যাম্পেইন ফর টোবাকো ফ্রি কিডস এডভোকেসী ম্যানেজার জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আতাউর রহমান মাসুদ।
হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন কুমিল্লা'র নির্বাহী পরিচালক পারভীন হাসান এর সঞ্চালনায় আলোচনায় তামাক সেবনের ক্ষতিকর দিক, বর্তমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ, WHO-FCTC ও MPOWER কাঠামো, এবং FCTC’র আর্টিকেল ৫.৩ অনুযায়ী সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরেন। তিনি পলিসি এডভোকেসির কার্যকর কৌশল সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা করেন।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী তাবিনাজ সদস্যরা দলীয় আলোচনার মাধ্যমে “তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন ও নারীর ভূমিকা” বিষয়ে মতামত প্রদান করেন। তারা তামাক কোম্পানির সঙ্গে বৈঠক বাতিল, সংশোধিত আইন দ্রুত পাস করে আইনকে শক্তিশালী করা এবং জেলখানায় তামাকজাত দ্রব্য সরবরাহ বন্ধের দাবি জানান।
এ কর্মশালায় হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (কুমিল্লা), এসোসিয়েশন ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (এআরডি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া), শাহপুর দুঃস্থ মহিলা উন্নয়ন সংস্থা (ফেনী), ভয়েস এনজিও (লক্ষ্মীপুর), অনন্যা বহুমুখী কল্যাণ সংস্থা (নোয়াখালী), যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (চট্টগ্রাম), ঝুমকা মহিলা সমিতি (জামালপুর), ঢাকার তাবিনাজ সদস্য এবং স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
জাতীয় নাগরিক পার্টি'র (এনসিপি'র) কেন্দ্রীয় সদস্য সালাউদ্দিন জামিল সৌরভ বলেছেন, বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিভাগ সংখ্যা বৃদ্ধি একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। এই প্রেক্ষাপটে কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা করার দাবি দীর্ঘদিন ধরেই চলমান। দেশের পূর্বাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর হিসেবে কুমিল্লা একটি পূর্ণাঙ্গ বিভাগের মর্যাদা পাওয়ার উপযুক্ততা বহু আগে থেকেই অর্জন করেছে।
১. ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রশাসনিক গুরুত্ব:
কুমিল্লা দেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর আশপাশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও লাকসাম-নাঙ্গলকোট অঞ্চলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। এই অঞ্চলগুলো মিলে একটি স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক, ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক বলয় তৈরি করে, যা একটি আলাদা বিভাগের প্রাকৃতিক কাঠামো উপস্থাপন করে।
২. জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয়তা:
কুমিল্লা জেলা নিজেই বাংলাদেশের অন্যতম জনবহুল জেলা। কুমিল্লা অঞ্চল ও আশেপাশের জেলা মিলে জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটির কাছাকাছি। একটি বিভাগের মূল লক্ষ্য হলো প্রশাসনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো বড় বিভাগগুলোর তুলনায় এই অঞ্চলকে একটি আলাদা বিভাগে উন্নীত করলে জনগণের ওপর প্রশাসনিক চাপ কমবে এবং সেবা পৌঁছাবে আরও দ্রুত।
৩. অর্থনৈতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব:
কুমিল্লা প্রাচীন কালে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছিল। ময়নামতি, শালবন বিহার, এবং অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এই জেলার সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরে। কুমিল্লা শিল্প, কৃষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়েও এগিয়ে রয়েছে। এখানকার ইপিজেড, রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্প এবং কৃষিপণ্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্য। একটি বিভাগীয় শহর হিসেবে কুমিল্লার অর্থনৈতিক সক্ষমতা আরও বাড়বে।
৪. শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে এখানে। একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠা হলে এই অঞ্চলের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে সরকারি বরাদ্দ বৃদ্ধি পাবে, উন্নয়ন প্রকল্প আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হবে।
৫. দূরত্ব ও প্রশাসনিক জটিলতা কমবে:
চট্টগ্রাম বিভাগের অংশ হিসেবে বর্তমানে কুমিল্লা অনেক প্রশাসনিক কাজে চট্টগ্রাম নির্ভরশীল। কিন্তু কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার। ফলে সাধারণ মানুষকে বিভাগীয় কাজের জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বিভাগ স্থাপন হলে এই জটিলতা দূর হবে।
৬. জনআকাঙ্ক্ষা ও দীর্ঘদিনের দাবি:
কুমিল্লাকে বিভাগ করার দাবি অনেক পুরনো এবং জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য। এই দাবি শুধু রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক নয়, বরং এটি স্থানীয় মানুষের আত্মপরিচয়, মর্যাদা ও উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের এমন যৌক্তিক দাবি উপেক্ষা করা অনুচিত।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের অপসারণ প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে অপসারিত কাউন্সিলরা।
বুধবার দুপুরে নগরীর মনোহরপুর একটি পার্টি সেন্টারে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
জনপ্রতিনিধির অপসারন, জনভোগান্তির মূল কারন উল্লেখ্য করে সংবাদ সম্মেলনে বক্তরা বলেন, বিগত সিটি নির্বাচনে বিএনপি জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর আওয়ামীলীগের শত শত মামলা ও হামলার কারনে ঠিকমত কাজ করতে পারিনি। আওয়ামীলীগ বিতারিত হলেও আমরা অপসারনের শিকার হয়েছি, আন্দোলনে যোগ দিয়েও বৈষম্যর শিকার হয়েছি। এসময় তারা অন্তবর্তীকালিন সরকারের প্রতি তাদের পূর্ণবহানের দাবী জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সিটির অপসারিত কাউন্সিলর কাজী গোলাম কিবরিয়া, কাজী মাহবুবুর রহমান, তাহমিনা আক্তার লিন্ডাসহ অন্যরা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে
চলমান এসএসসি পরীক্ষায় ছাদ বেয়ে নকল সরবরাহের দায়ে ইমরান হোসেন (১৯) নামের এক যুবককে
ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭
এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে পেরিয়া ইউনিয়নের ডা. যোবায়েদা হান্নান হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ
কেন্দ্র থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
রাফিদ খান এ দণ্ডাদেশ দেন।
এ সময় উপজেলার আরও
চারটি কেন্দ্র থেকে নকলের অভিযোগে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি দায়িত্বে
অবহেলার অভিযোগে মৌকারা মাদ্রাসার চারজন শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা
যায়, ইংরেজি ২য় পত্র চলাকালে ডা. যোবায়েদা হান্নান হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র
পরিদর্শনে যান ট্যাগ অফিসার শহীদুল ইসলাম।
এদিকে ইমরান হোসেন
ভবনের তৃতীয় তলা চাদ বেয়ে নকল দিতে যান আত্মীয়কে। যা নজরে আসে ট্যাগ অফিসার শহীদুল
ইসলামের। সঙ্গে সঙ্গে তাকে একই ভবনের তৃতীয় তলা থেকে আটক করা হয়। ইমরানকে উপজেলা নির্বাহী
অফিসে আনা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে নাঙ্গলকোট
দারুল আফসারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা ৪ জন, ধাতিশ্বর স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২ জন, জোড্ডা
আলিম মাদ্রাসা ৫ জন ও জোড্ডা উচ্চ বিদ্যালয় ৪ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।
জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
রাফিদ খান বলেন, নকল সরবরাহের সময় ইমরান হোসেনকে হাতে-নাতে ধরা হয়। পরে নিয়ম অনুযায়ী
পরীক্ষা আইন ১৯৮০ (১১-ক) ধারায় ৬ মাসের মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরীক্ষা সুষ্ঠু রাখতে
প্রশাসন কঠোর অবস্থানে আছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
২১ মার্চ রাতেকুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ আজগর আলী (৩০), ২। মোঃ নাঈম হোসেন হৃদয় (২৬) এবং ৩। শেখ মোঃ মেহতাব দ্বীন (৪৮) নামক ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ আজগর আলী (৩০) গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুর থানার জানবাগ গ্রামের আব্দুল গফুর মোল্লা এর ছেলে, ২। মোঃ নাঈম হোসেন @ হৃদয় (২৬) একই জেলার কাশিয়ানী থানার পদ্মবিলা গ্রামের মোঃ আতর আলী এর ছেলে এবং ৩। শেখ মোঃ মেহতাব দ্বীন (৪৮) কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী জেলার কুমারখালী গ্রামের শেখ মোঃ নাছির উদ্দিন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে গোপালগঞ্জ, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত ০১ নং আসামী মোঃ আজগর আলী এর বিরুদ্ধে পূর্বে বিভিন্ন থানায় ৮ টি মাদক মামলা সহ মোট ৯ টি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
নানা
কর্মসূচী পালনের মধ্যদিয়ে কুমিল্লায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ২০২৫ পালিত হয়েছে। দিবসটিতে
এবছরে প্রতিপাদ্য বিষয়ছিলো গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসনের জন্য সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের
স্বাধীনতা জরুরী। এর মূলবিশ্লেষন হচ্ছে স্বাধীন ও বহুমুখী সাংবাদিকতা চর্চার নিশ্চয়তা
দেওয়া। এই ঘোষণার মাধ্যমে বোঝানো হয় যে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জাতির গণতন্ত্র বিকাশের
জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতা জরুরি। মূলত ৩ মে এই 'উইন্ডহক ডিকলারেশন' ঘোষিত হওয়ায় প্রতি
বছর বিশ্ব সংবাদপত্র স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়।
কুমিল্লাতে
নানা কর্মসূচী পালনের মধ্যদিয়ে সাংবাদিক কল্যাণ
পরিষদ, কুমিল্লা দিবসটি পালন করেছে। ৩ মে শনিবার সকালে কুমিল্লা নগরীর বাগিচাগাও রোটারী
ক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাংবাদিক সম্মাননার
আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ, কুমিল্লার সভাপতি ওমর ফারুকী তাপসের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন- প্রবীণ সাংবাদিক ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের
সাবেক সভাপতি আবুল হাসানাত বাবুল, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও কালবেলা পত্রিকার
কুমিল্লার ব্যুরো প্রধান মাসুক আলতাফ চৌধুরী, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও
দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোঃ লুৎফুর রহমান, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের বর্তমান
সভাপতি ও একাত্তর টিভির নিজস্ব প্রতিনিধি কাজী এনামুল হক ফারুক, দেবিদ্বার প্রেসক্লাবের
সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার।
এই
বছর গণমাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক
প্রতিবেদনের জন্য কুমিল্লার ৬জন সাংবাদিককে সম্মননা ক্রেষ্ট ও ফুলের মালা গলায়দিয়ে
শুভেচ্ছা জানানো হয়। যারা সম্মননা পেয়েছেন তারা হলেন- এখন টিভির কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান
খালেদ সাইফুল্লাহ, দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার কুমিল্লার ব্যুরো রিপোর্টার মুহাম্মদ আবুল
খায়ের, দৈনিক সমকাল পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোঃ কামাল উদ্দিন, দৈনিক মানব জমিন পত্রিকার
স্টাফ রিপোর্টার ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, অনলাইন পোর্টাল
কুমিল্লার জমিন এর সম্পাদক শাহাজাদা এমরান, ও সাপ্তাহিক গোমেতি সংবাদ পত্রিকার প্রকাশক মোবারক হোসেন।
দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ, কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, দিবসের ওপর বক্তব্য রাখেন যমুনা টিভির কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন, সিনিয়র সাংবাদিক দৈনিক পূর্বাশার প্রতিনিধি মোঃ সহিদুল্লাহ, সমতট পত্রিকার সম্পাদক ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের পাঠাগার সম্পাদক জামাল উদ্দিন দামাল, সাপ্তাহিক চলন পত্রিকার সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান কাশেম, ডেইলী প্রেজেন্ট টাইমস পত্রিকার প্রতিনিধি অধ্যাপক মাসুদ মজুমদার, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি শাহ আলম সফি, পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটির সভাপতি বাবর হোসেন, বুড়িচং প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শাখাওয়াত হোসেন, ব্রাহ্মণপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ আহমেদ লাভলু, সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ, কুমিল্লার সহ সাধারণ সম্পাদক রবিউল বাশার খান ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নেকবর হোসেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদী ও চট্টগ্রাম ৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লায় প্রতিবাদ মিছিল করেছে মহানগর ও জেলা বিএনপি।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে নগরীর কান্দিরপাড়ের জিলাস্কুল গেট থেকে শুরু হয়ে কান্দিরপাড় পূবালী চত্বর হয়ে বিএনপি কার্যালয়ে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, তফসিল ঘোষণার পর দেশ এখন নির্বাচনী ট্রেনে উঠে গেছে। নির্বাচনকে বানচাল করতে দেশী বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের এরশাদ উল্লাহর পর গতকাল ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা ৮ আসনের সতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। স্বৈরাচারের বিদায় হলেও চক্রান্ত থেমে নেই।
তিনি বলেন, অবিলম্বে এরশাদ উল্লাহ ও ওসমান হাদীর ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতার করার দাবি জানাচ্ছি।
প্রতিবাদ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা ৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, মহানগর বিএনপির বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, কৃষক দলের সভাপতি মোস্তফা জামান, সাধারণ সম্পাদক হাজী মামুন হুদা, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আক্তার হোসেন, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক ফয়সালুর রহমান পাভেল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ, সাবেক কাউন্সিলর খলিলুর রহমান মজুমদার, স্বেচ্ছাসেবকদলে যুগ্ম আহ্বায়ক-১ আতিক সেলিম রুবেলসহ জেলা ও মহানগরের বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি;
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কুমিল্লা জেলায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। পূজা উৎসবকে ঘিরে উদ্ভূত যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন কুমিল্লা র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম।
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন শ্রী শ্রী রাজরাজেশ্বরী কালী বাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে।
মেজর সাদমান বলেন, “পূজা মণ্ডপে র্যাবের নিয়মিত টহল, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি, সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ এবং জরুরি প্রয়োজনে মোবাইল টহল পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কুমিল্লা শহরসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষ টহলের ব্যবস্থা থাকবে।”
মেজর সাদমান আরও জানান, ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় র্যাব সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ। পূজার সময় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে স্বাভাবিক থাকে সেজন্য র্যাবের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। এখানে সব ধর্মের মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
এবারের দুর্গাপূজায় কুমিল্লা জেলার ৮১২টিরও বেশি পূজা মণ্ডপ বসছে। প্রতিটি মণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাবের সদস্যরা নিয়মিত টহল ও পর্যবেক্ষণে থাকবেন। পাশাপাশি, গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে থাকবে কন্ট্রোল রুম, মেটাল ডিটেক্টর এবং হ্যান্ডহেল্ড স্ক্যানার।
সাংবাদিকদের মাধ্যমে মেজর সাদমান কুমিল্লার সাধারণ জনগণকে আহ্বান জানান, পূজার সময়ে সন্দেহজনক কিছু দেখলে বা কেউ বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করলে সাথে সাথে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে। “নিরাপত্তা শুধু বাহিনীর একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেন তিনি জানান ।
মন্তব্য করুন


গত ২৬ জুন কুমিল্লা মুরাদনগরের পঞ্চকিট্রি
ইউনিয়নের বাহারচর গ্রামে এক হিন্দু নারীর সাথে অশোভনীয়
ঘটনা ঘটে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ভাইরাল হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা
যায় যে, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী দীর্ঘ ৫ বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। এ সময়ে একই
গ্রামের এবং পূর্বপরিচিত মোঃ ফজর আলী (৩২) এর সাথে উক্ত নারী ব্যক্তিগত সম্পর্কে জড়িয়ে
পড়েন। একই সাথে ফজর আলীর ছোট ভাই শাহপরান এর সাথেও তার (ভুক্তভোগী) সখ্যতা গড়ে উঠে।
ঘটনার দিন রাতে বড় ভাই ফজর আলী উক্ত
নারীর ঘরে অবস্থানকালে ছোট ভাই শাহপরান ও কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ঘরে ঢুকে তাদেরকে
মারধর করে এবং ভিডিও ধারণ করে।
উক্ত মারধরের ফলে ফজর আলী আহত হয়ে
প্রথমত কুমিল্লা এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে
গত ২৭ জুন উক্ত নারী মুরাদনগর থানায় ধর্ষণের
অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য যে, এ বিষয়ে তিনি (ভুক্তভোগী)
ডাক্তারী পরীক্ষা করাতে রাজি হননি। এ ব্যাপারে প্রশাসন ও যৌথ বাহিনী যথেষ্ট তৎপর রয়েছে
এবং মোঃ ফজর আলীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আটক করেছে কুমিল্লা জেলা পুলিশ।
এছাড়া ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশোভন ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে
ইতোমধ্যে সর্বমোট ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।
বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় যে, বিষয়টি
ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত এবং পারস্পারিক সমঝোতার মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে।
এখানে
বল প্রয়োগ, দরজা ভাঙ্গা বা ধর্ষণের সরাসরি কোন সম্পৃক্ততা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত
হয়নি। তথাপি প্রকৃত ঘটনাটি তদন্তের পূর্বেই অশোভন ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ছড়িয়ে দিয়ে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিঃসন্দেহে
অনাকাঙ্খিত। তবে আইন প্রযোগকারী সংস্থা কর্তৃক দুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন
পূর্বক দোষীদের অচিরেই শাস্তির আওতায় আনা
হবে বলে আশা করা যায়।
মন্তব্য করুন