

কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বারে
বড়শালঘর ইউ এম এ উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে ১৫ শিক্ষার্থী হিস্টিরিয়ায় আক্রান্ত
হয়েছেন। হিস্টিরিয়া এক ধরনের মানসিক রোগ। শিক্ষার্থীরা ভয়ে এ রোগে আক্রান্ত হয়।
আজ মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর)
সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ক্লাস চলাকালে এই ঘটনা ঘটে।
তারা সবাই নবম শ্রেণীর
শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে আটজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি
সাতজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে ভর্তি থাকা শিক্ষার্থীরা হলেন- মাহি ইসলাম, স্বপ্না আক্তার, মীম আক্তার,
মহিমা আক্তার, ইসরাত জাহান, সিফাত আক্তার ও জান্নাত আক্তার।
ক্লাসের অন্য শিক্ষার্থীরা
জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে নবম শ্রেণির ক্লাসে এক শিক্ষার্থী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে
পড়ে। তার মাথায় পানি ঢেলে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করেও সম্ভব না হওয়ায় তাকে হাসপাতালে
নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর একে একে ক্লাসের আরও ১৪ ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে পড়ে।
উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আরিফুল ইসলাম মুন্সি জানান, অসুস্থদের মধ্যে যাদের
অবস্থা গুরুতর তাদেরকে ভর্তি করে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছে।
দেবিদ্বার উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিগার সুলতানা জানান, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দ্রুত চিকিৎসা
দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আশা করি তারা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠবে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার তিতাসে পরকীয়ার জেরে ফোনে ডেকে নিয়ে নজরুলকে হত্যায় ব্যবহৃত কুড়াল ও ছুরি উদ্ধার করেছে তিতাস থানা পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত নজরুলের পিতা হানিফ ভূইয়া বাদী হয়ে খুনি দম্পতি হোসেন ও তার স্ত্রী স্মৃতিকে আসামি করে আরো ৩/৪ জনকে অজ্ঞাত রেখে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পরকীয়ার জেরে হোসেন ও তার স্ত্রী স্মৃতি নজরুলকে (৩৫) বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে টুকরো টুকরো করে বাজারের ব্যাগে ভরে বাড়ির পাশে খালে ফেলে দেয়। আটককৃত দম্পতির স্বীকারোক্তি মতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে স্থানীয় জেলেদের দিয়ে খণ্ডিত দুই হাতসহ হত্যায় ব্যবহৃত কুড়াল ও ছুড়ি উদ্ধার করেছে। এদিকে নিহতের বাকী অংশবিশেষ উদ্ধারে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ নেই।
এ বিষয়ে তিতাস থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদ উল্যাহ বলেন, নজরুলকে হত্যাকারী দম্পতিকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি এবং তাদের স্বীকারোক্তি মতে নিহতের খণ্ডিত দুই হাত উদ্ধার করাসহ হত্যায় ব্যবহৃত কুড়াল ও ছুরি উদ্ধার করেছি। নিহতের বাকি অংশবিশেষ উদ্ধারের চেষ্টা করছি। এ ঘটনায় নিহত নজরুলের পিতা হানিফ ভূঁইয়া বাদী হয়ে হোসেন ও তার স্ত্রী স্মৃতিকে আসামি করে এবং আরো ৩/৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আটককৃত দম্পতিকে সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত ৬ আগস্ট রাত আনুমানিক ১০টায় নজরুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নিজ ঘরে হত্যা করে হোসেন-স্মৃতি দম্পতি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা টাউন হলের মুক্তিযোদ্ধা কর্ণারে 'ইভেন্ট ৩৬০' কুমিল্লায় প্রথম বারের মতো আয়োজিত 'কুমিল্লা ম্যারাথন' দৌড় প্রতিযোগিতার লোগো উন্মোচন ও প্রতিযোগিতার তারিখ ঘোষণা করেছে। 'কুমিল্লা ম্যারাথন' দৌড় প্রতিযোগিতাটি আগামী ২০২৫ সালের ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় 'কুমিল্লা ম্যারাথন' দৌড় প্রতিযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন বছরব্যাপি এ-কার্যক্রম নিয়ে বিশদ বর্ণনা করেন 'ইভেন্ট ৩৬০' এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সাইক্লিস্ট মাহমুদুল হাসান ইফাজ।
কুমিল্লাকে ব্র্যান্ডিং করতে ও সুস্থসবল তরুণ প্রজন্ম গড়তে বিশেষ করে ডিজিটাল ডিভাইস আসক্তি ও মাদক বিরোধী সমাজগঠন এবং কুমিল্লা ম্যারাথনকে সফল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে দীপ্ত অঙ্গিকারের কথা উল্লেখ করেন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারি কুমিল্লার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াঙ্গনের নেত্রীবৃন্দ ও আয়োজক কমিটির তরুন-তরুনিরা।
আবৃত্তিকার রুবেল কুদ্দুস এর সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক বদরুল হুদা জেনু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহজাহান চৌধুরী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান, সংবাদিক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংগঠক দেলোয়ার হোসেন জাকির, সাবেক ক্রিকেটার ও সংগঠক মোঃ রফিকুল ইসলাম সোহেল, লোগো ডিজাইনার ও রোটারিয়ান আল মাহমুদ, রোটরিয়ান ও সমাজকর্মী আবদুল্লা হিল বাকী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান ও সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। আয়োজন সহযোগে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা সাইক্লিস্ট ও কুমিল্লা রানার্স এর অর্ধশত সদস্য।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
এলিট কারাতে পয়েন্টের সদস্যদের সার্টিফিকেট গ্রেডিং বেল্ট বিতরণ করা হয়। আজ বুধবার বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে এলিট কারাতে পয়েন্টের সদস্যদের সনদ বিতরণ করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
‘অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ ভরি’ এই স্লোগান নিয়ে কুমিল্লায় শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ। এই সপ্তাহ চলবে আগামী ২৪ আগস্ট পর্যন্ত।
সোমবার (১৮আগস্ট) জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে উদ্ভোদন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার।
এই সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল মালিক।
অনুষ্ঠানটি জেলা মৎস্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক অশোক কুমার দাস সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন আদর্শ সদর উপজেলার মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুদীপ্তি পাল।
জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার বলেন, মৎস্য সেক্টরের অবদান জিডিপিতে যুক্ত আছে। আমিষের চাহিদার ৬০ শতাংশ মাছ থেকে আসে। আমরা বদ্ধ জলাশয়ে মাছ চাষে নজর দিচ্ছি। সমুদ্রেও মাছ চাষের অপার সম্ভাবনা আছে। মাছ উৎপাদনে কুমিল্লা জেলা সারাদেশে দ্বিতীয়। কুমিল্লায় চাহিদার দ্বিগুণ বেশি মাছ উৎপাদন হচ্ছে। গত এক বছরে দুই হাজার মৎস্যচাষীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তিন হাজার মৎস্য চাষীকে পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ বছর পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার চান্দিনার যুগপুকুরিয়া এলাকার মো সহিদুল ইসলাম, চৌদ্দগ্রামের বাহেরগড়া এলাকার পাটোয়ারী বহুমুখী এগ্রো ফিসারীজের স্বত্বাধিকারী বায়েজীদ হোসেন পাটোয়ারী, দাউদকান্দির সিংগুলা এলাকার রহমত ফিসারীজের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ রহমত আলী।
সম্মাননা পেয়েছেন বুড়িচং উপজেলার কোরপাই এলাকার আগাতা ফিড মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রেমাংশু বিকাশ ভৌমিক ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মকিমপুর এলাকার আর কে ফিড এন্ড পোল্ট্রি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো রেহান উদ্দিন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লার সাংবাদিকতা অঙ্গনে এক উজ্জ্বল নাম মাসুক আলতাফ চৌধুরী। নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্ববোধকে মূল মূল্যবোধ হিসেবে ধারণ করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করে যাচ্ছেন। পেশাগত দক্ষতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির এই সমন্বয় তাঁকে কুমিল্লা অঞ্চলের সাংবাদিকতার ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়ে পরিণত করেছে।
নেতৃত্ব ও পেশাগত যাত্রা
দীর্ঘ কর্মজীবনে মাসুক আলতাফ চৌধুরী কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে প্রেস ক্লাব আরও ঐক্যবদ্ধ ও সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা কুমিল্লার সাংবাদিক সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।
এছাড়া তিনি দৈনিক কালবেলা পত্রিকার কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান হিসেবেও দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি ও তথ্যনির্ভর সংবাদ পরিবেশনার মাধ্যমে তিনি সহকর্মী ও পাঠকদের আস্থা অর্জন করেছেন।
নতুন অধ্যায়ে পদার্পণ
সম্প্রতি তিনি আয়কর আইনজীবী নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন— যা তাঁর কর্মজীবনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। সাংবাদিকতার পাশাপাশি আইনি জ্ঞান অর্জনের এই প্রয়াস তাঁর অধ্যবসায় ও আত্মউন্নয়নের প্রতিফলন।
জীবন দর্শন ও সামাজিক দায়বদ্ধতা
মাসুক আলতাফ চৌধুরীর জীবন দর্শনের মূলমন্ত্র—
“দায়িত্বের জায়গা থেকে সততার সঙ্গে কাজ করাই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।”
তিনি বিশ্বাস করেন, সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়; এটি সমাজ পরিবর্তনের এক শক্তিশালী মাধ্যম। তাই তিনি সবসময় ন্যায়, সত্য ও মানবিক মূল্যবোধের পক্ষে অবস্থান নেন।
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। মানবিক সহায়তা, সামাজিক উদ্যোগ ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে তিনি তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছেন।
সহকর্মীদের চোখে একজন অনুপ্রেরণার মানুষ
সহকর্মীরা তাঁকে একজন সহৃদয়, পরামর্শদাতা ও নৈতিকতার প্রতীক হিসেবে দেখেন। তরুণ সাংবাদিকদের পাশে থেকে দিকনির্দেশনা দেওয়া ও পেশাগত উন্নয়নে সহায়তা করা তাঁর নিত্যদিনের অংশ।
মাসুক আলতাফ চৌধুরী শুধু একজন সাংবাদিক নন
তিনি কুমিল্লার গণমাধ্যম অঙ্গনের এক অনন্য প্রেরণা।
তাঁর জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে ফুটে ওঠে দায়িত্ববোধ, সততা ও সমাজের প্রতি ভালোবাসা।
তিনি প্রমাণ করেছেন— পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধই একজন সত্যিকারের সফল মানুষের পরিচয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
সারাদেশের
ন্যায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কুমিল্লা অফিসে অভিযান পরিচালনা করছেন
দুনীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ
বুধবার (৭ মে) দুদক কুমিল্লা আঞ্চলিক অফিসের সহকারী পরিচালক মাসুম আলীর নেতৃত্বে তিন
সদস্যের একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।
এ
সময় কুমিল্লা দুদক সহকারী পরিচালক মাসুম আলী বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ
(বিআরটিএ) কুমিল্লা সার্কেল অফিসে দালাল ছাড়া কোনো কাজ হয় না। এ ছাড়াও বিআরটিএ অফিসে
আসা সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাই। পাশাপাশি আনসার বাহিনীর
সদস্য দায়িত্ব পালনের সময় এসব কাজে সরাসরি জড়িত রয়েছেন।
এসব
অনিয়ম দুনীতির অভিযোগের আলোকে প্রথমে আমরা ছদ্মবেশে অভিযান পরিচালনা করি। আমরা এ অভিযানে
সকল অভিযোগের সত্যতা পাই। অন্যদিকে আনসার বাহিনীর সদস্যদের কোন সত্যতা পাইনি। পাশাপাশি
এ অফিসের কোন কর্মকর্তা এ কাজে জড়িত আছে কি না, আমরা তা খতিয়ে দেখছি।
এ
অফিসের কেউ বাহিরে কাজ করছে কি না তাদের কিছু রেকর্ডপত্র আমরা চেয়েছি। তা পর্যালচনা
করে জানানো হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে সারা দেশের মতো কুমিল্লায়ও পালিত হয়েছে মৌন মিছিল ও কালো ব্যাজ ধারণ কর্মসূচি।
আজ শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেলে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
কান্দিরপাড়স্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিভিন্ন ওয়ার্ড ও উপজেলা থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে একত্রিত হন। পরে সেখান থেকে একটি বিশাল মৌন মিছিল বের হয়ে নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজগঞ্জ মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব ও সমাপনী বক্তব্য দেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারি আবু। বক্তব্য দেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম। সঞ্চালনা করেনমহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমিরসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক বিএনপি কর্মী-সমর্থক।
বক্তারা বলেন, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী শহিদরা দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অগ্রদূত। তাদের স্মরণে এই কর্মসূচি শুধু অতীতকে স্মরণ নয়, বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নতুন শপথ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৪ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল
(২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রাজমঙ্গলপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা
করে শাহ আলম (৪০) নামক ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৪
কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী শাহ আলম (৪০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বারপাড়া গ্রামের মৃত শেখ ফরিদ
এর ছেলে।
র্যাব
জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ
করে ঢাকা, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে
বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান
পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত
থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ থানাধীন পদুয়ার বাজার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হতে শনিবার রাতে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ডিএমপি ঢাকা জেলার মিরপুর থানার ৬৮নং জনতা হাউজিং, শাহ আলীবাগ এলাকার মৃত ওসমান গনির ছেলে মাঃ ইমামুল হক @শুক্কুর এবং কক্সবাজার জেলার কক্সবাজার সদর থানার পূর্ব মুক্তার পোল, ০৬ নং ওয়ার্ড এর মৃত দানু মিয়ার ছেলে দিদারুল আলম (৫০)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় জানায়, তারা উভয়েই একটি সংঘবদ্ধ মাদক চোরাচালান চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং তারা সাধারণ পেশার আড়ালে এসকল মাদকদ্রব্যের পরিবহন ও ক্রয়-বিক্রয় পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতারকৃত ০১ নং আসামী মোঃ ইমামুল হক শুক্কুর ড্রাইভার পেশার আড়ালে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল। এই চক্রটি পারস্পারিক যোগসাজসে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ অন্যান্য মাদকদ্রব্যের বড় আকারের চালান দীর্ঘদিন যাবৎ ট্রাক, পিকআপ, কার্ভাড ভ্যান সহ অন্যান্য যানবাহন ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরণের পণ্যদ্রব্য পরিবহনের আড়াঁলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে কুমিল্লা ও ঢাকা সহ পাশর্^বর্তী জেলা সমূহে সরবরাহ করে থাকে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় আরো জানায় এই বিপুল পরিমান ইয়াবা এর চালান ঢাকাসহ পাশর্^বর্তী বিভিন্ন জেলায় সরবরাহের জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। পরবর্তীতে গোয়েন্দা কার্যক্রম ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর আভিযানিক দল মাদক চোরাচালান চক্রের সক্রিয় সদস্য মোঃ ইমামুল হক @শুক্কুর ও দিদারুল আলম’দ্বয়কে গ্রেফতার পূর্বক তাদের দেখানো মতে সদর দক্ষিণ থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকার ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়ক হতে গ্রেফতার করে ০১ টি ব্যাগে সর্বমোট ৪০,০০০ পিস উদ্ধার করে যার আনুমানিক মূল্য ০১ কোটি ২০ লাখ টাকা।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে মাদক চোরাচালানের সাথে সম্পৃক্তদের বিষয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসংক্রান্তে জড়িত অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য র্যাব-১১ এর গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন