

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে
দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও পাঁচ জনকে কুপিয়ে
জখম করা হয়েছে।
রবিবার (১৩ অক্টোবর)
রাতে উপজেলার খিলা ইউনিয়নের সাতেশ্বর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় করা
মামলায় প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার (১৪ অক্টোবর)
সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত তরুণের নাম বাবুল
মিয়া (২৭)। তিনি সাতেশ্বর গ্রামের সোলেমান মিয়ার ছেলে। তিনি দিনমজুরের কাজ করতেন। বাবুলের
আড়াই বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা
গেছে, রবিবার বেলা ১১টায় সাতেশ্বর গ্রামের নড়াই বাড়ির পাশ দিয়ে অটোরিকশা চালিয়ে যাচ্ছিলেন
একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে রিমন হৃদয়। দ্রুতগতিতে অটোরিকশা চালিয়ে যাওয়ায় ওই
বাড়ির শিশুদের গায়ে ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে ওই বাড়ির বাসিন্দাসহ স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে
অটোরিকশাচালকের বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে হৃদয় ফেরার সময় বিষয়টি নিয়ে ওই বাড়ির
লোকজনের সঙ্গে আবার ঝামেলা হয়। ঘটনাটি সমাধানের জন্য সন্ধ্যার পর সাতেশ্বর পূর্বপাড়ার
একটি দোকানের সামনে সালিশ বৈঠক বসে।
এ সময় ইউনিয়ন যুবদলের
সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল
মতিন, ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি এমরান হোসেনসহ গ্রামের গণ্যমান্যরা দুই পক্ষকে মিলিয়ে
দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু অটোরিকশাচালক হৃদয়সহ তার পক্ষে থাকা সুমন, রুবেল, অন্তর,
রিপন, আবদুল্লাহসহ বেশ কয়েকজন এ সিদ্ধান্ত মেনে নেননি।
তারা অপর পক্ষের ওপর
হামলা করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে বাবুলসহ স্থানীয় লোকজন তাদের থামাতে
গেলে হৃদয়সহ তার লোকজন চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এ সময় বাবুলের পায়ে, পিঠে
ও হাতে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার
করে লাকসাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি
হাসপাতালে আসার আগেই মারা গেছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত দুলাল মিয়া, আবদুল মান্নান, মনির
হোসেন, যুবদল নেতা এমরান হোসেনসহ পাঁচ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়েছে।
মনোহরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার পর রাতেই লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অটোরিকশাচালক হৃদয়সহ তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জেনেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। এতে ১০ জনের নাম ও অজ্ঞাত ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার মূল আসামি ও বাবুলকে ছুরিকাঘাত করা সুমনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ সীমান্ত
রক্ষী বাহিনী (বিজিবি) এর কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর সফল অভিযানে ৩০ লক্ষ
৪৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় বাসমতি চাউল জব্দ করা হয়েছে।
১৪ মার্চ রাত ১টায় কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের
আওতাধীন বিবির বাজার বিওপির কটকবাজার পোষ্টের একটি বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদক
ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পালপাড়া নামক স্থানে সীমান্ত শূন্য
লাইন থেকে আনুমানিক ৭ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মালিকবিহীন অবস্থায় ৬,৭৭০ কেজি
অবৈধ ভারতীয় বাসমতি চাউল উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত চাউলের বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ
৪৬ হাজার ৫০০ টাকা। জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমস এ জমা করা হবে।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর
অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
সদর উপজেলার মির্জানগর গ্রামের মোতালেব মিয়া নামে এক প্রবাসীর বাড়ি থেকে ২০০ কেজি
গাঁজা জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় মোতালেব মিয়ার স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৩৭) এবং মেয়ে
ইসরাত জাহানকে (১৯) আটক করা হয়েছে। তাসলিমা ও ইসরাত সম্পর্কে মা ও মেয়ে।
আটকের
বিষয়ে কোতয়ালি থানা পুলিশ জানায়, বুধবার ভোর রাতে মির্জানগরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
অভিযান পরিচালনা করা হয় মালয়েশিয়া প্রবাসী মোতালেব মিয়ার বাড়িতে। এ সময় তার বাড়ি
থেকে পাঁচ মন গাঁজা জব্দ করে পুলিশ। আটক করা হয় ইসরাত জাহান ও তাসলিমা বেগমকে। এই
সময় ওমর ফারুক, হান্নান ও আমজাদ নামে তিন মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়।
তারা
সবাই মিলে মাদক পাচার ও ব্যবসার সাথে জড়িত বলে জানিয়েছে কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মাহিনুল ইসলাম।
গ্রেফতারকৃত
ইসরাত জাহান কোতোয়ালি থানাধীন মির্জানগর গ্রামের মোতালেব মিয়ার মেয়ে ও তাসলিমা আক্তার
মোতালেব মিয়ার স্ত্রী।
কোতয়ালি
থানা ওসি মাহিনুল ইসলাম জানান, তাসলিমা বেগমের বিরুদ্ধে আগেরও একটি মাদকের মামলা রয়েছে।
এবার মা-মেয়ে দুজনই আটক হলেন। অভিযানে মোতালেবের ঘরে লুকানো অবস্থায় ১০ টি বড় ধরনের
বস্তায় ভর্তি ৫ মন গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওমর ফারুক,
হান্নান ও আমজাদ পালিয়ে যায়। তারা তিনজন ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদকের
এই সিন্ডিকেট টি ওই বাড়িতে রেখে দীর্ঘদিন ধরে গাঁজার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলো।
এই ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃত মা-মেয়েকে
আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সীমান্ত এলাকা থেকে ৪২০ বোতল
ফেনসিডিল এবং একটি সিএনজিসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)
সদস্যরা।
আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) ভোরে চাঁনপুর
এলাকা থেকে আটক করেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আরাফাত হোসেন অনি।
বিজিবি জানায়- মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর)
ভোর ৬টায় কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ কটকবাজার পোস্ট এর টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত
অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক সীমান্ত পিলার ২০৮০/এম হতে ০৪ কি. মি. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে
চাঁনপুর মসজিদ নামক স্থান হতে ৪২০ বোতল ফেন্সিডিল এবং একটি সিএনজি সহ এক জন মাদক চোরাকারবারিকে
আটক করে। আটককৃত সিএনজি এবং মাদকদ্রব্যের সর্বমোট মূল্য ৬,৬৮,০০০/- (ছয় লক্ষ আটষট্টি
হাজার) টাকা বলে ধারণা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলার ১৮টি থানা এলাকায় এই বছর স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে সর্বমোট ৪০৯টি পশুর হাট
বসবে।
আসন্ন
ঈদ-উল আযহা উপলক্ষ্যে পশুর হাটের ইজারাদারদের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক ও ট্রাফিক
ব্যবস্থাপনা নিয়ে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (১০ জুন) দুপুরে কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে কনফারেন্স রুমে উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার)।
উক্ত
মতবিনিময় সভায় কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানার পশুর হাটের ইজারাদারগণ উপস্থিত ছিলেন।
উক্ত আলোচনা সভায় পশু হাটের ইজারাদারগণ তাদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা ও পর্যবেক্ষণ
তুলে ধরে মতামত ব্যক্ত করেন।
পরবর্তীতে পুলিশ সুপার পশুর হাট সংক্রান্তে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও হয়রানি রোধ, জালটাকা সনাক্তের জন্য মেশিন স্থাপন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়সহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্তে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
উক্ত
মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) খন্দকার
আশফাকুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ট্রাফিক
(অতিরিক্ত দায়িত্বে ডিবি) মোঃ নাজমুল হাসান, অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার (ডিএসবি) কাজী মোঃ মতিউল ইসলাম, অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ কামরান হোসেন, অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল) মোঃ রবিউল ইসলামসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন
কর্মকর্তাগণ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা রিপোর্টার্স ক্লাবের ২০২৫-২৬ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে দৈনিক পূর্বাশার সিনিয়র রিপোর্টার রাসেল সোহেলকে সভাপতি ও এশিয়ান টিভির কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি মাহফুজ আনোয়ার সৌরভকে সাধারণ সম্পাদক এবং বার্তা ২৪ এর জেলা প্রতিনিধি মইন নাসের খাঁন রাফিকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।
আজ
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল ) রাতে সকলের সম্মতিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।এ কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন মাই টিভির জসিম উদ্দিন,রূপসী বাংলার স্টাফ রিপোর্টার ফারুক আজম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমস ও দৈনিক আজকের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার মো.হাবিবুর রহমান মুন্না,কোষাধ্যক্ষ পদে রয়েছেন জিটিভির কুমিল্লা উওর প্রতিনিধি মো.মাঈন উদ্দিন,দপ্তর সম্পাদক পদে রয়েছেন চ্যানেল এস এর জেলা প্রতিনিধি রাজিব সাহা,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে রয়েছেন দৈনিক কুমিল্লা ডাকের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে রয়েছেন লাখোকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক ভোরের কলামের স্টাফ রিপোর্টার জবিউল্লাহ মাহিন।
নির্বাহী সদস্য পদে রয়েছেন ডেইলি স্টারের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি খালিদ বিন নজরুল, দৈনিক ভোরের কলামের সম্পাদক মো.তৌহিদ মাহমুদ অপু,আলোকিত কুমিল্লার সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সুমন,ঢাকা মেইলের জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক ভোরের সূর্যোদয়ের স্টাফ রিপোর্টার সাকলাইন যোবায়ের,দৈনিক পূর্বাশার সিনিয়র রিপোর্টার ও ম্যাক নিউজের সম্পাদক রকিবুল ইসলাম (ম্যাক রানা), দেশ রূপান্তরের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি দুলাল মিয়া, সময়ের আলো ও রাইজিং বিডির কুমিল্লা প্রতিনিধি রুবেল মজুমদার, বাংলাদেশ কন্ঠের প্রতিনিধি মো.ইয়াছিন মিয়া।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০২ কেজি গাঁজাসহ ৫ জন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
বুধবার (৯ অক্টোবর) রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি
থানাধীন হোসেনপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ দেলোয়ার হোসেন,
২। সুমন, ৩। মোঃ আব্দুল হালিম, ৪। মোঃ জাহিদ হাসান রতন এবং ৫। আব্দুর রব হাওলাদার নামের
৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ১০২ কেজি গাঁজা ও মাদক
পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার এবং একটি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ১নং আসামী মোঃ দেলোয়ার
হোসেন (৩০) খাঁগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা থানাধীন মাটিরাঙ্গা গ্রামের মৃত বাবুল মিয়া
এর ছেলে, ২নং আসামী সুমন (৩৭) কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন আলমপুর গ্রামের মৃত
জসীম এর ছেলে, ৩নং আসামী মোঃ আব্দুল হালিম (৪০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানাধীন
মাদলা গ্রামের মৃত সিরাজ আলী এর ছেলে, ৪নং আসামী মোঃ জাহিদ হাসান রতন (৪৫) ঢাকা জেলার
বংশাল থানাধীন আলু বাজার গ্রামের আব্দুল ছাত্তার এর ছেলে এবং ৫নং আসামী আব্দুর রব হাওলাদার
(৭০) ঝালকাঠি জেলার নলসিটি থানাধীন বিন নারায়ণ গ্রামের মৃত আব্দুল আজীজ হাওলাদার এর
ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত
প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি
ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ
হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১
এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীতে র্যাব পরিচয়ে প্রবাসীর কাছ
থেকে চাঁদা নিতে এসে দুজন আটক হয়েছে।
শনিবার (৮ মার্চ) বিকেলে নগরীর পিপলস হাসপাতাল
থেকে তাদের আটক করা হয়।
কুমিল্লা ইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো.
সাইফুল ইসলাম রাত ১০টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলো— নগরীর চর্থা এলাকার জয় আহমেদ
রুবেল (৩৫) প্রকাশ চশমা রুবেল ও একই এলাকার বাসিন্দা নিরব আহমেদ রুবেল (৩৫)।
তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতি, অস্ত্র, মাদকসহ
কুমিল্লার বিভিন্ন থানায় অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে।
ভুক্তভোগী কাতারপ্রবাসী মো. ফারুক জেলার
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের অলীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জানান, গত ৫
মার্চ সকাল ৯টার দিকে আমার ছেলের শরীরে গরম ডাল পড়ে ঝলসে যায়। পরে তাকে কুমিল্লা
মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিষয়টি জেনে রাতেই তিনি কাতার থেকে বাংলাদেশে
আসেন। ৬ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য দুপুর ১২টার দিকে তার ছেলেকে কুমিল্লা নগরীর
টমছমব্রিজ পিপলস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। দুপুর ২টার দিকে তার স্ত্রী শিমুল
আক্তারের কাছে অপরিচিত একটি নাম্বার থেকে ফোন আসে। আহত আরাফাতকে দেখতে এক অভিভাবক
আসবেন বলে জানানো হয় ফোনে রাত ৯টার দিকে ওই ব্যক্তি হাসপাতালে আসেন দেখা করতে। এ
সময় তিনি জানান, তার এক ছেলে আরাফাতের সঙ্গে মাদরাসায় পড়ে। সেই জন্য তাকে দেখতে
এসেছেন। এরপর রাত ১১টার দিকে ওই ব্যক্তিসহ মোট চারজন হঠাৎ রুমে ঢুকে পড়ে।
একপর্যায়ে প্রবাসী ফারুককে পাশের একটি খালি রুমে নিয়ে র্যাব পরিচয়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে
পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে তারা। দাবীকৃত টাকা না দিলে ক্রসফায়ারে দেওয়ারও হুমকি
দেওয়া হয়।
জীবন বাঁচাতে তাদের প্রস্তাবে রাজি হয়ে
তাৎক্ষণিক ২০ হাজার টাকা এবং বাড়িতে ফোন করে আরো ৫০ হাজার টাকা এনে তাদের দেন
ফারুক। শনিবার (৮ মার্চ) আবার হাসপাতালে ঢুকে বাকি চার লাখ ৩০ হাজার টাকা দাবি করা
হয় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আসে বিষয়টি। পর দুজনকে আটক
করে ৯৯৯-এ ফোন করলে ইপিজেড ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিকেল ৫টায় তাদের আটক করে
নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে কুমিল্লা ইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির ইনর্চাজ
মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯-এ সংবাদ পেয়ে দুজনকে আটক করা হয়। আটক জয় আহমেদ রুবেল
প্রকাশ চশমা রুবেলের বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্রসহ চারটি মামলা এবং নিরব আহমেদ রুবেলের
বিরুদ্ধে ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদকসহ সাতটি মামলা রয়েছে। চাঁদাবাজির ঘটনায় দুজনের
বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বড় ধর্মপুর এলাকার লালমাই পাহাড়ে অনেক বছর ধরে একটি গুঞ্জন প্রচলিত–এখানে তেল-গ্যাসের সন্ধান মিলেছিল, বিদেশি কোম্পানি এসে খননও করেছিল; কিন্তু একটি অদৃশ্য হেলিকপ্টার এসে কূপ সিলগালা করে দেয়। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসায় এলাকাজুড়ে আবারও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশে এখনও বড় আকারের খনিজ তেলের মজুত আবিষ্কৃত হয়নি। দেশের প্রধান জ্বালানি নির্ভরতা প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর। সিলেটের হরিপুর ও মৌলভীবাজারের বরমচাল ছাড়া উল্লেখযোগ্য তেল উৎপাদনের ইতিহাসও সীমিত। ফলে দেশের অধিকাংশ জ্বালানি তেল এখনও বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-১৮ সালের দিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স) লালমাই এলাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রম চালায়। সেখানে ‘লালমাই-১’ ও ‘লালমাই-২’ নামে দুটি কূপ খনন করা হয়। অনুসন্ধানের শুরুতে কিছু পরিমাণ তেলের অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও পরীক্ষামূলক উত্তোলনে উৎপাদন খুবই কম ছিল। লালমাই-১ কূপ থেকে দৈনিক মাত্র ২০ থেকে ২৫ ব্যারেল তেল উত্তোলন সম্ভব হচ্ছিল। লালমাই-২ কূপে চাপ কম থাকায় সেটিও বাণিজ্যিক উৎপাদনের উপযোগী হয়নি।
কথিত আছে–প্রতিদিন অন্তত কয়েকশ ব্যারেল তেল উত্তোলন সম্ভব হলে একটি তেলকূপকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক ধরা হয়। সেই তুলনায় লালমাইয়ের উৎপাদন ছিল খুবই সীমিত। এ ছাড়া তেলের সঙ্গে অতিরিক্ত পানি উঠে আসা, চাপ কমে যাওয়া এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্পটি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ঝুঁকি এড়াতে নিয়ম অনুযায়ী কূপগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ বা ‘প্লাগ অ্যান্ড অ্যাবানডন’ করা হয়।
মো. সিরাজ নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এখানে তেল-গ্যাস পাওয়া গিয়েছিল। আমরা নিজের চোখে দেখেছি। ২০০২ সালে কোরিয়ান কোম্পানি খনন করতে আসে। পরে তারা চলে যায়। হাজার-হাজার মিটার খনন করা হয়েছিল। এক সময় হেলিকপ্টার এসে এটি সিলগালা করে দেয়।
বড় ধর্মপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শহীদ বলেন, এ জায়গাটা আমাদের বাড়ির পাশে। ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি এটা সিসা ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। কিন্তু কেন বন্ধ করা হলো, কে করল আজও জানি না। সরকার চাইলে আবার অনুসন্ধান করতে পারে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিত্যক্ত তেল বা গ্যাসকূপ খোলা অবস্থায় রেখে দিলে গ্যাস লিক, অগ্নিকাণ্ড কিংবা ভূগর্ভস্থ পানি দূষণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসরণ করে অলাভজনক কূপগুলো সিলগালা করা হয়।
পেট্রোবংলার উপব্যবস্থাপক সৈকত মাহমুদ বলেন, লালমাই এলাকায় অনুসন্ধান চালানো হলেও সেখানে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক তেলের মজুত পাওয়া যায়নি। ফলে কূপগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


আজ
কুমিল্লায় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী বাজার পরিস্থিতি ও সরবরাহ চেইন তদারক
ও পর্যালোচনার জন্য জেলা পর্যায়ে গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
বিকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে অংশগ্রহণ করেন জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ক্যাবের প্রতিনিধি এবং জেলা পুলিশের একটি টিম।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
পৃথক দুইটি অভিযানে কোতয়ালী মডেল থানা এলাকা হতে জাবেদ মিয়া হত্যা মামলার যাবজ্জীবন
সাজাপ্রাপ্ত দুইজন আসামী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৯ সেপ্টেম্বর রাতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন ফৌজদারী মোড় ও বাটপাড়া চৌমুহনী এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে
জাবেদ মিয়া হত্যা মামলার দুইজন যাবজ্জীবন যাজাপ্রাপ্ত আসামী ১। মোঃ আল আমিন এবং ২। রতন দত্ত কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোঃ আল আমিন (৪১) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার লক্ষীপুর গ্রামের মোঃ সেলিম মিয়া
এর ছেলে এবং ২। রতন দত্ত (৩৮) একই জেলার কোতয়ালী মডেল থানার কালিয়াজুরি গ্রামের হরিপদ
দত্ত এর ছেলে।
র্যাব জানান, আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, গত ২৭/০১/২০১২ ইং তারিখে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় ও তার অন্যান্য সহযোগীরা মিলে চাঁদা দাবীর বিষয়ে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাইয়া ভিকটিম মোঃ জাবেদ মিয়া (২৫) কে হত্যা করে। উক্ত ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার বিচারকার্য শেষে বিজ্ঞ আদালত গত ১৮/০৭/২০২৪ ইং তারিখে পেনাল কোড ৩০২/৩৪ ধারায় বর্ণিত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডের রায় প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করে আসামীদ্বয়কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন