

মো: মিজানুর রহমান মিনু :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে চুরির ২৪ ঘন্টার মধ্যে চোরাইকৃত ক্যাবল ও চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের ২ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো; ঘোলপাশা ইউনিয়নের ঈশানচন্দ্রনগর গ্রামের নোয়াব মিয়ার ছেলে মোঃ রাশেদ ও গুণবতী ইউনিয়নের গদানগর গ্রামের ছালেহ আহাম্মদের ছেলে মোঃ শাহজাহান।
শুক্রবার বিকেলে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় অবস্থিত নিপ্রো জেএমআই ফার্মা লিমিটেডের ভাউন্ডারী দেয়ালের ভিতর থেকে বৃহস্পতিবার ভোর রাত সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা চোর চক্রের সদস্যরা ফ্যাক্টরির নির্মানাধীন নতুন ভবনের বিদ্যুৎ লাইনের কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ ইলেক্ট্রিক ক্যাবল চুরি করে নিয়ে যায়। এরপর ফ্যাক্টরির ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম বাদি হয়ে থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার উপ-পরিদর্শক ছাইদুল ইসলাম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় শুক্রবার ভোরে হাড়িসর্দার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা চোরচক্রের সদস্য রাশেদ ও শাহজাহানকে আটক করে। এ সময় চোরাই যাওয়া ৩৬ মিটার ক্যাবল ও চোরাইকাজে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশা জব্দ করে পুলিশ।
চৌদ্দগ্রাম থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, চোরাই ক্যাবল ও একটি অটোরিকশাসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের ২ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে শুক্রবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
‘অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ ভরি’ এই স্লোগান নিয়ে কুমিল্লায় শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ। এই সপ্তাহ চলবে আগামী ২৪ আগস্ট পর্যন্ত।
সোমবার (১৮আগস্ট) জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে উদ্ভোদন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার।
এই সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল মালিক।
অনুষ্ঠানটি জেলা মৎস্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক অশোক কুমার দাস সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন আদর্শ সদর উপজেলার মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুদীপ্তি পাল।
জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার বলেন, মৎস্য সেক্টরের অবদান জিডিপিতে যুক্ত আছে। আমিষের চাহিদার ৬০ শতাংশ মাছ থেকে আসে। আমরা বদ্ধ জলাশয়ে মাছ চাষে নজর দিচ্ছি। সমুদ্রেও মাছ চাষের অপার সম্ভাবনা আছে। মাছ উৎপাদনে কুমিল্লা জেলা সারাদেশে দ্বিতীয়। কুমিল্লায় চাহিদার দ্বিগুণ বেশি মাছ উৎপাদন হচ্ছে। গত এক বছরে দুই হাজার মৎস্যচাষীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তিন হাজার মৎস্য চাষীকে পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ বছর পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার চান্দিনার যুগপুকুরিয়া এলাকার মো সহিদুল ইসলাম, চৌদ্দগ্রামের বাহেরগড়া এলাকার পাটোয়ারী বহুমুখী এগ্রো ফিসারীজের স্বত্বাধিকারী বায়েজীদ হোসেন পাটোয়ারী, দাউদকান্দির সিংগুলা এলাকার রহমত ফিসারীজের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ রহমত আলী।
সম্মাননা পেয়েছেন বুড়িচং উপজেলার কোরপাই এলাকার আগাতা ফিড মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রেমাংশু বিকাশ ভৌমিক ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মকিমপুর এলাকার আর কে ফিড এন্ড পোল্ট্রি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো রেহান উদ্দিন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ১৭টি উপজেলায় এ বছর ৭শ ৭৭টি পূজা মন্ডপে শারদীয় দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর সবচেয়ে বেশি পুজামন্ডপ রয়েছে মুরাদনগর উপজেলায় ১শ ৪৪টি। সবচেয়ে কম পূজামন্ডপ রয়েছে মেঘনা উপজেলায় ৯টি। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখা সূত্রে এসব তথ্য জানা গিয়েছে।
জানা যায়, কুমিল্লা মহানগরীতে ৬৮টি পূজা মন্ডপ রয়েছে, আদর্শ সদর উপজেলায় পূজা মন্ডপ রয়েছে ২৬টি, সদর দক্ষিন উপজেলায় ৩০টি, লালমাই উপজেলা ১৮টি, বরুড়া উপজেলায় ৯১টি, লাকসাম উপজেলায় ৩৫টি, মনোহরগঞ্জ উপজেলায় ১২টি, নাঙ্গলকোট উপজেলায় ১১টি, চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ২২টি, বুড়িচং উপজেলায় ৩৬টি, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ১৩টি, চান্দিনা উপজেলায় ৬৫টি, দেবিদ্বার উপজেলায় ৯৫টি, দাউদকান্দি উপজেলায় ৪০টি, হোমনা উপজেলায় ৪৯টি এবং তিতাস উপজেলায় ১৩টি।
পূজাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃংখলা বাহিনী নানা উদ্যোগ গ্রহন করেছে। দুর্গোৎসবকে সফলভাবে সম্পন্ন করতে আর যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সদা তৎপর থাকবে।
আর এসব বিষয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর সোমবার শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভায় শারদীয় দুর্গাপূজা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে আছে প্রশাসন উল্লেখ করে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুমিল্লা সেনানিবাসের ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উৎসবমুখর দুর্গাপূজা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন নই। কিন্তু আমরা সতর্ক আছি। আমি আপনাদের এই বার্তা দিতে এসেছি যে আমি আপনাদের সাথে আছি। আপনাদের সাথে সেনা বাহিনীর প্রতিটি সৈনিক আছে, প্রতিটি অফিসার আছে। আপনারা শুধু আমাদের তথ্য দিবেন-আমরা সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করবো। আমরা প্রতিটি জিনিস ঠিক করার চেষ্টা করবো। এ সময় জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সারের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা, মহানগর ও বিভিন্ন উপজেলার পুজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
এসময় আগত অতিথিরা সুন্দর ও সুষ্ঠভাবে পুজা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পরামর্শ ও নানা বিষয়ে আলোচনা করেন। জেলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে দুর্গোৎসব সবার মাঝে আনন্দ আর ভ্রাতৃত্বের বন্ধন বাড়িয়ে তুলবে বলে প্রত্যাশা সবার।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি ডা. এম এম হাসানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লা নগরীর পূর্বালী চত্বরে “সচেতন নাগরিক” ব্যানারে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন মো. আরিফ হোসেন, মোস্তফা জামান, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল লতিফ, আব্দুল ওয়াদুদসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন, “মেডিকেল কলেজে প্রতিবাদ সমাবেশের নামে ডা. এম এম হাসানের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে ডা. আরিফ হায়দার ও তার সহযোগীরা যে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। এতে শুধু একজন চিকিৎসকই নয়, বিএনপির ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ হয়েছে।”
তারা আরও বলেন, “সংগঠনের ভেতরে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
মানববন্ধনে বক্তারা দলীয় ঐক্য বিনষ্ট ও বিভাজন সৃষ্টির যেকোনো চেষ্টা রুখে দেওয়ার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন খাবার হোটেলে মাদক বিরোধী অভিযানে ১১ জন মাদক ব্যবসায়ী
ও একজন আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু গাঁজা ও ইয়াবা সহ আটক করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
গতকাল (২৮ জুন) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ছুপুয়া
এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন খাবার হোটেলে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে
তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃত আসামীরা হলো: ১। বাবলু মিয়া
(২৩), পিতা-জাকির হোসেন, সাং-আইরল, থানা-সরাইল, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া; ২। বিল্লাল হোসেন
(২২), পিতা-মাহবুল হক, সাং-ছুপুয়া দূর্গাপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা; ৩। মোঃ
মুন্না হোসেন (২২), পিতা-মোঃ রেজাউল করিম, সাং- আলিপুর, থানা-সাতক্ষীরা সদর, জেলা-সাতক্ষীরা;
৪। মোঃ সাইফুল ইসলাম কামাল (১৯), পিতা-মৃত লোকমান হোসেন, সাং-মহিশ্বর, থানা-নাঙ্গলকোট,
জেলা-কুমিল্লা; ৫। মোঃ সোহাগ (২৫), পিতা-আব্দুল খালেক, সাং-শফিবাদ, থানা-কচুয়া, জেলা-
চাঁদপুর; ৬। মোঃ ফয়সাল (২০), পিতা-আব্দুল বারেক, সাং-পানিপাড়া, থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লা
৭। ইমরান হোসেন বাবু (২৫), পিতা-মাহবুল হক, সাং-শহীদপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা;
৮। মোঃ সালমান হোসেন (১৯), পিতা-মৃত শহীদুল ইসলাম, সাং-মাঝিআলী, থানা- বাঘারপাড়া, জেলা-যশোর;
৯। মোঃ শাহেদ হাসান (২০), পিতা-মৃত কবির হোসেন, সাং-পানিপাড়া; ১০। মোঃ হুমায়ুন হোসেন
(২০), পিতা-মোঃ আবুল বাশার, সাং-ছুপুয়া দূর্গাপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা;
১১। মোঃ কাওসার (২২), পিতা-মৃত লোকমান হোসেন, সাং-মহিশ্বর, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লা’দেরকে
গ্রেফতার করা হয় এবং আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু ১২। মোঃ জসিম উদ্দিন (১৬), পিতা-মোঃ
জাফর আলী, সাং-পশ্চিম নোয়াগাও, থানা-লালমাই, জেলা-কুমিল্লা। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭৭০
গ্রাম গাঁজা ও ১৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানান, আসামীরা ও আইনের সহিত
সংঘাতে জড়িত শিশু দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের
পার্শ্ববর্তী খাবারের হোটেল গুলোতে ট্রাকের ড্রাইভার ও হেল্পারদের নিকট মাদক বিক্রয়
করে আসছিল। কিছু হোটেলের মালিক/ম্যানেজারগণ খাবার হোটেলের ব্যবসার সাথে সাথে মাদক ব্যবসার
সাথেও জড়িত রয়েছে বলে জানা যায়। ট্রাকের চালকেরা খাবার খাওয়া এবং বিশ্রামের জন্য উক্ত
খাবার হোটেল গুলোতে বিরতি নিয়ে থাকে। বিরতিকালে ড্রাইভার এবং হেলপাররা হোটেল গুলো থেকে
মাদকদ্রব্য ক্রয় করে এবং সেবন করে। মাদক সেবী ট্রাকের ড্রাইভাররা নেশাগ্রস্থ অবস্থায়
রাতে মহাসড়কে গাড়ি চালায়, যার পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক সময়ে মহাসড়কে সড়ক দূর্ঘটনার
হার আশংকাজনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং অভিযান পরিচালনা করে মাদক বিক্রয়কালে
অবৈধ মাদক সহ আসামীদেরকে হাতেনাতে গ্রেফতার ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে আটক করে।
মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামী ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকমন্ডলীর পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে শতবর্ষী বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয় এবং বাগমারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের যৌথ আয়োজনে দুই দিন ব্যাপি ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ-২০২৫ আজ শনিবার শেষ হয়। শুক্রবার সকাল ৯টায় বাগমারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়।
প্রশিক্ষণের ১ম দিনে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) এর উপ-পরিচালক ড. মো: আয়েত আলী, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ- বিদ্যালয় পরিদর্শক মো: আক্তার হোসেন, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের প্রাক্তন উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) ও বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম। উল্লেখ্য তিন প্রশিক্ষকই বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। এছাড়া প্রশিক্ষণের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯২ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিশিষ্ট শিল্প উদ্যেক্তা মো: সুমন আহমেদ হানিফ।
২য় দিনে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং সৃজনশীল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন বিষয়ে বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট (BEDU) এর কোর ট্রেইনার গোলাম কিবরিয়া খোন্দকার এবং আইসিটি বিষয়ে জেলা মাস্টার ট্রেইনার রুবাইয়া সুলতানা। প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী মূল্যায়ন ও সম্পর্ক, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা ও এ সংক্রান্ত বিধিবিধান, প্রাতিষ্ঠানিক শিষ্টাচার, পাবলিক পরীক্ষা আইন, শিক্ষকতা পেশার উতকর্ষ সাধনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, এবং সৃজনশীল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও উত্তরপত্র মূল্যায়ন ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন অধিবেশনে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন মজুমদার,বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের প্রোগ্রামার মো: আবদুর রউফ, বাগমারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো: গোলাম মহিউদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি কাজী আবুল হাছান।
এই প্রশিক্ষণে বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মনির আহমদ,বাগমারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: ফারুক হোসেন, বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক লিটন চন্দ্র রায়সহ দুই বিদ্যালয়ের সকল পর্যায়ের শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।সভায় বক্তারা বলেন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণ পঠন পাঠনে বৈচিত্র্য আনে। প্রশিক্ষণ নিলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। এটা বাড়াতে হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলার বরল এলাকায় মেঘনা কোল্ডস্টোরেজ নামে একটি আলু রাখার হিমাগারে জেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা এর যৌথ উদ্যোগে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২১ লক্ষ পিচ ডিম এবং প্রায় ২৪ হাজার কেজি মিষ্টি ও মিষ্টির সিরা উদ্ধার করে।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) বিকেলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শাওন ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন।
লাইসেন্সবিহীন হিমাগারে অবৈধভাবে খাদ্যপণ্য মজুদ করার দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অবৈধভাবে মিষ্টি রাখার দায়ে জরিমানা করা হয় আরও ৬০ হাজার টাকা।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শাওন বলেন,এই বিপুল পরিমাণ ডিম কোন কোন জায়গা থেকে সংগ্রহ করা এবং কত দিন যাবত মজুদ করা হচ্ছিল- কোল্ডস্টোরেজ কর্তৃপক্ষ জানাতে পারেনি। কোল্ডস্টোরেজটির কৃষি বিপণনের লাইসেন্স না থাকায় দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসব পণ্য বিপণনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম বলেন, আলু রাখার কোল্ডস্টোরেজে বিপুল পরিমাণ ডিম ও মিষ্টি মজুদ করে রাখা হয়েছিল। ৫ হাজার বান্ডেলে ৪২০টি করে ডিম সেখানে রাখা ছিল। এছাড়া ৮শ ড্রামের প্রতিটিতে ৩০ কেজি করে ২৪ হাজার কেজি মিষ্টি রাখা হয়েছিল। যা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং ভোক্তা অধিকার বিরোধী।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার ধর্মপুর রেলগেট এলাকায় মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রবিনকে ধরতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার দুপুরে তল্লাশি চেকপোস্টে এ হামলার পর পুলিশের তিন সদস্য আহত হন এবং পুলিশের একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযান চালিয়ে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, চেকপোস্টে তল্লাশির সময় রবিনের কাছ থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করা হলে সে উত্তেজিত হয়ে এক পুলিশ সদস্যের হাতে কামড় দেয় এবং পালিয়ে যায়। ওই সময় স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী চক্র পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় যাদের আটক করা হয়েছে তারা হলেন—ধর্মপুর এলাকার ইমরান হোসেন ওরফে ইমু/ইমন (২৮) এবং সিয়াম (১৯); মন্দবাগ রেলস্টেশন, কসবা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ও ধর্মপুরে ভাড়াটিয়া পারভেজ (৩০); ধর্মপুর রেলগেট এলাকার দুই ভাই আবুল কাশেম ওরফে কাইশ্যা (৫৫) এবং আব্দুর রহমান (৩৮); পশ্চিম বাগিচাগাঁওয়ের মাহফুজ (২৪); ধর্মপুর মেম্বার বাড়ির চামেলী (২৮), রুজিনা (৩০) ও পাখি (৩২); পলাতক রবিনের স্ত্রী সুমি আক্তার (১৮); এবং বলরামপুর এলাকার মো. মাহবুব আলম ওরফে মাসুম (৪৫)।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক বলেন, “চেকপোস্টে তল্লাশি চালানোর সময় রবিনের কাছে ছুরি পাওয়া গেলে সে পুলিশের ওপর হামলা করে পালিয়ে যায়। এতে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। ঘটনার পর তদন্ত ও অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে আটক করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, হামলাকারীদের শনাক্তে কাজ চলছে এবং পলাতক রবিনকে গ্রেপ্তারের জন্য বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অস্ত্রসহ একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১১ জানুয়ারী রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চান্দুল এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসামী শাহ নেওয়াজ নামের একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১ টি বিদেশী পিস্তল, ২ টি ম্যাগাজিন ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী শাহ নেওয়াজ (২৫) কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার গাজীপাড়া গ্রামের আব্দুল আমিন এর ছেলে।
র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার উপ-পরিচালক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, সে দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার খিলা সড়কের নাঙ্গলকোট মডেল মহিলা কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন উপজেলার মৌকরা ইউনিয়নের কেশতলা গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে ব্যবসায়ী আহসান হাবিব মজুমদার (৫২) ও উপজেলার পেড়িয়া ইউনিয়নের পেড়িয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের আবু জাফরের ছেলে হাফেজ আরিফুর রহমান নয়ন (১৮)।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, আহসান হাবিব পার্শ্ববর্তী মনোহরগঞ্জ উপজেলার খিলা বাজারের নিজের জুয়েলারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোটরসাইকেলযোগে নাঙ্গলকোট-খিলা সড়ক দিয়ে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। নাঙ্গলকোট মডেল মহিলা কলেজের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুজন গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহসান হাবিবকে উদ্ধার করে কুমিল্লা বেসরকারি মেডিকেল সেন্টার এবং আরিফুর রহমানকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে দুজন নিহতের কথা শুনেছি। তবে এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
সদর দক্ষিণের সোয়াগঞ্জ বাজার এলাকায় ইফতারির বাজার, মৌসুমি ফলসহ নিত্যপণ্যের
বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা।
রোববার (২৪ মার্চ) ভোক্তা-অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। পঁচা-বাসি এবং রং যুক্ত খাবার জব্দ করে ধ্বংস করা। অভিযানে ভোক্তা সাধারণের মাঝে যৌক্তিক মূল্যে তরমুজ বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।
এ
তদারকি অভিযানের সময় ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার যাচাই করা হয়। ন্যায্যমূল্যে
পণ্য বিক্রয় করতে, দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন করতে, মানুষের স্বাস্থ্যের
জন্য ক্ষতিকর এমন অপদ্রব্য না মেশাতে এবং মেয়াদহীন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয়
ও সংরক্ষণ না করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জাতীয়
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের
নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন এবং
জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন