

আলোচনা সভা, র্যালী, হুইল চেয়ার বিতরন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনে কুমিল্লায় জাতীয় সমাজ সেবা দিবস পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারী) সকালে নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমী থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
পরে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অলোচনা সভা ও হুইল চেয়ার বিতরন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সমাজ সেবা অধিদপ্তর কুমিল্লার উপ-পরিচালক জেড এম মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা পুলিশ নাজির আহমেদ খাঁন, জেলা সিভিল সার্জন নাছিমা আক্তার।
পরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি ও শিশু পরিবারের নিবাসীদের অংশ গ্রহনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয় এবং ক্রেস্ট ও হুইল চেয়ার বিতরন করেন অতিথি বৃন্দ।
মন্তব্য করুন


নেকবর
হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা
থানার কড়াইবাড়ি গ্রামে নারীসহ একই পরিবারের ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বাঙ্গরা
থানার আকবপুর ইউনিয়নের কড়াইবাড়ি গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাঙ্গরা বাজার
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান।
এদিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঙ্গরা বাজার
থানার উপপরিদর্শক মো. নাহিদ জানান, এ ঘটনায় নিহত হয়েছেন রুবি বেগম (৫৮), তার ছেলে রাসেল
(৩৫) ও মেয়ে জোনাকি আক্তার (২৭)।
এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মাহফুজুর
রহমান বলেন, গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন, এ তিনজন দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাকারবারের সঙ্গে
জড়িত। স্থানীয়রা তাদের পিটিয়ে হত্যা করেছেন। আমরা ঘটনা তদন্ত করছি। এ নিয়ে এলাকায়
সামান্য উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সেখানে অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়ন রয়েছে
বলেও জানান বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিন উপজেলা থেকে একদিনে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকেলের মধ্যে জেলার লাকসাম, লালমাই ও আদর্শ সদর উপজেলা থেকে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ জন যুবক ও ১ জন মাদরাসাছাত্র বলে জানা গেছে।
আদর্শ সদর উপজেলার ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়ি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে উপজেলার দুতিয়ার দিঘিরপাড় থেকে সামিউল বাসির (১১) নামে এক মাদরাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সামিউল সদর দক্ষিণ উপজেলার আবু ইউসুফের ছেলে এবং দিঘিরপাড় এলাকার গাউছিয়া হাফেজিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা ও এতিমখানায় লেখাপড়া করতেন।
সামিউলের স্বজনরা জানান, ২৭ অক্টোবর দুপুরের পর থেকে তারা সামিউলের খোঁজ পাচ্ছিলেন না। এ নিয়ে আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি। ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক “মো. মমিরুল হক” বলেন, বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে সামিউলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, লাকসাম পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীমুড়া উত্তরপাড়ায় নিখোঁজের ৩ দিন পর সাব্বির হোসেন (২২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকালে গাজীমুড়া বড় মসজিদের পাশের একটি পরিত্যক্ত আইসক্রিম কারখানার ভেতর থেকে দুর্গন্ধ আসছিল। আশপাশের লোকজন গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে কারখানার ভেতরে সাব্বিরের মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেন। নিহত সাব্বির ওই এলাকার সৈয়দ আহমেদের ছেলে।
লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) “নাজনীন সুলতানা” বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে জানা যাবে কীভাবে মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে, সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের হরিশ্চর এলাকা থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ।
লাকসাম রেলওয়ে থানার (ওসি) “মো. জসিম উদ্দিন” বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ভোররাতের পর কোনো একসময় চট্টগ্রামগামী ট্রেনের ধাক্কায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শরীর ও মাথায় গুরুতর জখমের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফাতেমাতুজ জোহরা তন্বী, প্রতিবেদক:
নিটোল
পায়ে রিনিক ঝিনিক,পায়েলখানি বাজে
মাদল
বাজে সেই সংকেতে
শ্যামা
মেয়ে নাচে...
এস
ডি বর্মণের কণ্ঠে সেই প্রখ্যাত গান। বলছিলাম উপমহাদেশের সংগীতের রাজপুত্র কুমার শচীন
দেববর্মণের কথা।
শচীন
দেববর্মণ (১ অক্টোবর, ১৯০৬-৩১ অক্টোবর, ১৯৭৫) বিংশ শতাব্দীতে ভারতীয় বাংলা ও হিন্দী
গানের কিংবদন্তীতুল্য ও জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার, গায়ক ও লোকসঙ্গীত। আগরতলার বাসিন্দা হলেও শচীন দেবের শৈশব কেটেছে কুমিল্লায়
এবং শেষ জীবন মুম্বাইতে। তাঁর সহধর্মিণী মীরা দেবী এবং একমাত্র পুত্র রাহুল দেববর্মনও
মুম্বাই চিত্রজগতের প্রতিষ্ঠিত কণ্ঠশিল্পী।প্রায়শ তাঁকে এস ডি বর্মণ হিসেবেই উল্লেখ
করা হয়। কিছুটা অনুনাসিক কণ্ঠস্বরের জন্য তিনি তার শ্রোতাদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত।
প্রায় একশো বছর পার করেও বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে তার কালোত্তীর্ণ গানের আবেদন
কিছুমাত্র লঘু হয়নি। কেবল সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে নয়, গীতিকার হিসাবেও তিনি সার্থক।
তিনি বিভিন্ন চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পুত্র রাহুল
দেববর্মণ ভারতের বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। তাঁর ছাত্রী এবং পরবর্তীতে
সহধর্মিনী মীরা দেববর্মণ গীতিকার হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি রবি গুহ মজুমদার এর
অনেক গানে সুর দিয়েছেন এবং তা শিল্পে রূপান্তরিত করেছেন। তিনি ২ বার (১৯৫৫ ও ১৯৭৪)
সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং ১৯৭০ সালে শ্রেষ্ঠ নেপথ্য গায়ক হিসেবে
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত) লাভ করেন।
শচীন
দেব বর্মণ তার যুগের তুলনায় অনেকাংশে আধুনিক ছিলেন। তার অনেক গানই আজকাল রিমিক্স হচ্ছে
এবং জনপ্রিয়তাও পাচ্ছে। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানছেন না, গান গুলোর আসল
সুরকার এবং গায়ক শচীন দেববর্মণ। শচীন দেব অনেক বাংলা গানে সুর দিয়েছেন। ১৯৩৪ সালে
নিখিল ভারত সঙ্গীত সম্মিলনে গান গেয়ে তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৩৭ সাল থেকে পরপর
কয়েকটি বাংলা ছায়াছবিতে তিনি সঙ্গীত পরিচালনা করেন। এক্ষেত্রে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য
ছায়াছবি হলো: রাজগী, ছদ্মবেশী, জীবন-সঙ্গিনী, মাটির ঘর ইত্যাদি। তার বিখ্যাত কিছু
গান যেমন-
শোনো
গো দখিন হাওয়া
হৃদয়ে
দিয়েছো দোলা
কে
যাসরে
ঝিল
মিল ঝিল মিল
তুমি
আর নেই সেই তুমি
রজ্গীলা
তুমি
এসেছিলে পরশু ইত্যাদি।
প্রতি
বছর দু-তিন দিন জুড়েই পালিত হয় 'শচীন মেলা'। স্নিগ্ধতা এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা ব্যাখ্যা
দেয় সোনালী অতীতের। শচীন দেববর্মণের মতো মানুষরা অমর প্রজন্মের পর প্রজন্মে।
বাংলা ও হিন্দি গানের কিংবদন্তি সুরকার শচীন দেববর্মণ এর জন্মভিটা কুমিল্লার দক্ষিণ চর্থায়। একসময় রাজবাড়ি হলেও এখন সেটি ইতিহাসের কান্না বয়ে চলা এক পরিত্যক্ত ভবন।
সরকারি উদ্যোগে ‘সংস্কৃতি কমপ্লেক্স’ গড়ে তোলার কথা বলা হলেও বাস্তবে বাড়িটি পড়ে আছে অযত্নে-অবহেলায়।
আমরা কি তবে শচীন কর্তার সুরের স্মৃতি হারাতে বসেছি?
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলের পর কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন।
আজ শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুম্মার নামাজ শেষে ছাতিপট্রি মসজিদে তাঁর উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন এবং বেগম জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।
দোয়া মাহফিল শেষে বিকালে হাজী ইয়াছিন নগরীর ১৬ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের তেলিকোনা, গোবিন্দপুকুরপাড় ও আশপাশ এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা এবং কুমিল্লাকে নিয়ে তাঁর উন্নয়ন–ভিশন তুলে ধরে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, তরুণ ভোটার ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
গণসংযোগ চলাকালে তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের সংগ্রামের প্রতীক। তাঁর দ্রুত আরোগ্য পাওয়াই এখন আমাদের প্রত্যাশা। এজন্যই আজ আমরা আল্লাহর কাছে বিশেষভাবে দোয়া করেছি।
কুমিল্লা–০৬ আসনের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আরও বলেন,“এই এলাকার মানুষ পরিবর্তন চায়, ন্যায়বিচার চায়। আমি ঘরে ঘরে যাচ্ছি মানুষের কথা শুনতে। শান্তিপূর্ণভাবে আমরা মাঠে আছি—মানুষের আস্থা অর্জন ও তাদের প্রত্যাশার প্রতিদান দেওয়াই আমার লক্ষ্য।”
রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা নিয়ে হাজী ইয়াছিন বলেন,“দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে ন্যায়, জবাবদিহি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ঘোষিত এই ৩১ দফা জনগণের প্রকৃত আশা–আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। কুমিল্লাকে আমরা একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও নাগরিকবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
গণসংযোগ কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন—মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুব রহমান দুলাল, আব্দুল জলিল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মজিবুর রহমান কামাল, রিয়াজ খান রাজু, মনির হোসেন পারভেজ, কুমিল্লা মহানগর কৃষক দলের সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকি রাকিব, সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, ১৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফরহাদ হোসেন ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর হাবিবুল্লা, ১৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব, ১২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মনিরুল ইসলাম বাচ্চু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জুবায়ের আলম জিলানীসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


হৃদয় চন্দ্র দাস:
কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ে খন্দকার
হক টাওয়ার মার্কেটে জমকালো আয়োজনে শুভ উদ্বোধন হলো oppo এক্সক্লুসিভ শো-রুম। শুভ
উদ্বোধন উপলক্ষে মাসব্যাপী প্রত্যেকটি মডেলের সাথে থাকছে আকর্ষণীয় গিফট অফার। তাই
দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন এবং বুঝে নিন আপনার পছন্দের ডিভাইসের সাথে আকর্ষণীয়
সব গিফট অফার।
মন্তব্য করুন


বিবেক হচ্ছে কুমিল্লাস্হ একটি সামাজিক সংগঠন। সমাজের মানুষের সহযোগিতার কল্যাণে এ প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ বছর ধরে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে কাজ করে আসছে।
উক্ত প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান হলেন ইউসুফ মোল্লা টিপু যিনি কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব।
শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এর উদ্যোগে বিবেকের একটি টিম কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের বারেশ্বর গ্রামে অসহায় মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এসে দাঁড়িয়েছে।
বন্যায় কুমিল্লার আমড়াতলি ইউনিয়নের একটি পরিবার ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পরিবারটির ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা নিয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু ।
সহযোগিতার
হাত নিয়ে বিবেকের এই উদ্যোগ সামনের দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর পৃথক অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার।
আজ (২৬ এপ্রিল) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বানাশুয়া এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ এমরান (৪৬) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে আজ দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বানাশুয়া এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে সাইফুল (৩০) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ এমরান (৪৬) কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী থানার ফুলদি গ্রামের মোঃ সিরাজ এর ছেলে এবং ২। সাইফুল (৩০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বানাশুয়া গ্রামের শাহজাহান এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যাসোসিয়েশন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় -এর উদ্যোগে এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগিতায় ‘বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ ও বাংলাদেশের বাস্তবতা’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান।
বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসাইন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুর রহমান জীবল এবং ড. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। সেমিনারটির সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল।
এছাড়া লোকপ্রশাসন এবং আইন বিভাগের শিক্ষকগণও উক্ত সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণ এবং পৃথকীকরণ পরবর্তীতে বাংলাদেশের ওপর কী প্রভাব পড়বে- এ বিষয় নিয়ে সেমিনারটি আয়োজন করা হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, 'বাংলাদেশের চালিকাশক্তির তিনটা স্তম্ভ হলো-আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগ। এ তিনটা বিভাগের মধ্যে একধরনের প্রতিযোগিতা হওয়া দরকার ছিল, কোন বিভাগ কত ভালো করবে। স্বাধীনভাবে দেশ পরিচালনা করতে হলে বিচার বিভাগকে স্বাধীন হতে হবে। যারা নির্বাহী বিভাগে কাজ করেন তাদেরও স্বাধীন হতে হবে। অন্যথায় আবার সেই ফ্যাসিজম আরও ভয়ানকভাবে ফিরে আসবে।'
অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসেন বলেন, 'কীভাবে রাষ্ট্র কাঠামো হবে এর ওপর অনেকে তাদের বিজ্ঞ মতামত দিয়েছেন। আপনি একটা রাষ্ট্রের সংবিধান করবেন, আইন করবেন কিন্তু সেটা জনবান্ধব অথবা সেটা জনগণের জন্য কল্যাণকর কি-না, সংবিধান সেটা দেখার দায়িত্ব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট কে। কোনো আইন যদি জনকল্যাণকর না হয় তাহলে সুপ্রিমকোর্ট সেই আইন ডিক্লাইন করে দেয়।
তিনি আরও বলেন, '১৭৩১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ১৮৬ বছরে ১৮২ বার বিচার বিভাগকে আলাদা করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে। কারণ রাজা যে শাসন চালাবে, কেউ যদি তাকে হস্তক্ষেপ করে তাহলে সে তো এটা স্বাভাবিকভাবে নিবে না। ২০০৭ সালে আমার মামলায় (মাসদার হোসেন মামলায়) বিচার বিভাগকে কাগজ-কলমে আংশিক স্বাধীন করা হলেও আসলে এটি স্বাধীন হয়নি। তবে এখন সংস্কার কমিটির কাজ চলমান আছে।'
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, 'আমরা আশা করি বাংলাদেশ একটি উন্নত বিচার ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাবে। যেখানে মানুষ মনে করবে এটা তার শেষ আশ্রয়স্থল। সেখানে গিয়ে সে ন্যায় বিচার পাবে, সে যেই রাজনৈতিক দলের হোক, যে ধর্মের হোক, দুর্বল কিংবা শক্তিশালি হোক।'
সেমিনারটির সভাপতি মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, 'রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ণের কারণে প্রশাসক ও বিচারকদের স্বাধীনতা আমাদের দেশে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। মাসদার হোসেন মামলা ২০০৭ সালে ফয়সালা হয়েছে। উনি একজন জীবন্ত কিংবদন্তি, নিজেই একজন প্রতিষ্ঠান। দেশে-বিদেশে মাসদার হোসেন মামলা এখন পঠিত বিষয়। তিনি একজন বিচারক এবং আইন সংস্কার কমিশনেরও একজন সদস্য।'
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা -৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক সংসদ সদস্য আনওয়ারুল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলাসহ আহতদের দেখতে হাসপাতালে ছুটে এসেছেন বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা -৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল কালাম।
সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম।
এসময় তিনি সামিরা আজিম দোলাসহ আহত অন্যন্যদের খোঁজ নিয়ে সকলের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। পাশাপাশি হামলায় জড়িত সকল দুষ্কৃতিকারীদের আইনের আওতায় আনার জন্য সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এসময় আবুল কালামের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আমিরুজ্জামান আমিরসহ দক্ষিণ জেলা, লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুরে লাকসামের ছনগাঁও এলাকায় গণসংযোগকালে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সামিরা আজিম দোলার গাড়িবহরে হামলা করে দুর্বৃত্তরা। এতে অন্তত ১০জন আহত হন। এদিন সন্ধ্যায় এই হামলার নিন্দা জানিয়ে ভিডিও বার্তা দেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল কালাম। তিনি বলেন, এটি নির্বাচন বানচাল করতে একটি ষড়যন্ত্র। এই ষড়যন্ত্রকারীদের ৭২ ঘন্টার মধ্যে আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনকে অনুরোধ করেন বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নাশকতা ঘটিয়ে ছাত্রজনতা হত্যা চেষ্টা সহ নাশকতা মামলার ০২ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২০ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখ সন্ধ্যায় র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন বড়পুকুরপাড় এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নাশকতা ঘটিয়ে ছাত্রজনতা হত্যা চেষ্টা সহ নাশকতা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) এবং ২। মোঃ দুলাল (৩৮) নামক ০২ জন নাশকতাকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার সিন্দুরিয়া পাড়া গ্রামের আখলাক হায়দার এর ছেলে এবং ২। মোঃ দুলাল (৩৮) একই থানার পূর্বহুড়া গ্রামের মৃত আক্কাছ আলী এর ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে নাশকতা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৪/০৮/২০২৪ ইং তারিখ কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার অন্তর্গত নাজিরা বাজার এলাকায় ছাত্র আন্দোলনের ডাকে দিন ব্যাপী শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলছিল।
উক্ত কর্মসূচিকে প্রতিহত করার লক্ষ্যে ধৃত আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) ও ২। মোঃ দুলাল (৩৮) সহ তার অপরাপর সহযোগীরা তাদের হাতে থাকা ককটেল, রামদা, লোহার রোড সহ অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আন্দোলনকারী নিরীহ ছাত্র-জনতার উপর অতর্কিত হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং গুলি বর্ষণ করে। উক্ত ঘটনায় অনেক নিরীহ ছাত্র ককটেল, দেশীয় অস্ত্র ও গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। তৎপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানায় একটি হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের হয়, যার মামলা নং-০৭, তারিখ-০৭/০৯/২০২৪। মামলা দায়ের করার পর হতে র্যাব-১১, সিপিসি-২, এর আভিযানিক দল পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে ছায়া তদন্ত আরম্ভ করে। পরবর্তীতে র্যাব-১১ সিপিসি-২ এর চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে গত ২০ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখ সন্ধ্যায় কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার বড় পুকুরপাড় এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। আদনান হায়দার (৪০) ও ২। মোঃ দুলাল (৩৮)’দ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ে
গ্রফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ মামলায় অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন