

কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ তিনজনকে গ্রেফতার হয়েছে। আটককৃতদের
থেকে মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার শেষে অপরাধীদের স্থানীয় চৌদ্দগ্রাম থানায় সোপর্দ
করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর
২৩ বীর ক্যাম্প জানায়, ৯ মে ভোর ৪ টায় খাটরা এলাকা থেকে ২ কেজি গাঁজাসহ শাহাবুদ্দিন
বাবু (২৯) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস
মাদক ব্যবসা চাঁদাবাজিসহ বহু অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়ভাবে।
অপর
এক অভিযানে একই দিন ভোরে গুনবতী ইউনিয়নের খাটরায় অভিযান চালিয়ে সুজন মিয়া (২৩) নামের
এক কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তার বাড়ি তল্লাশি করে ১টি চাইনিজ কুড়াল,
১টি সাধারণ কুড়াল এবং ১টি দা উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, এই অস্ত্রগুলো ব্যবহার করে
সে বিভিন্ন গ্যাং-সম্পর্কিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।
তৃতীয়
অভিযানে, খাটরা এলাকা থেকে আরেক কিশোর গ্যাং সদস্য জাহিদ হাসান (২২) কে গ্রেফতার করা
হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তাকে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করতে দেখা যায় এবং
পরে সে গুনবতী ইউনিয়নে গ্যাং কার্যক্রমে জড়িত হয়। সে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী তুয়ানের
সহযোগী ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে জড়িত বলেও জানা যায়।
চৌদ্দগ্রাম
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, শুক্রবার সকালে আটককৃত তিনজনকে
থানায় সোপর্দ করেছে সেনাবাহিনী। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা শেষে আদালতের মাধ্যমে
জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩০ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর)
রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শিমপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ
শাকিব আহমেদ নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৩০ কেজি
গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ শাকিব আহমেদ (২২) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার চরপাড়া গ্রামের মৃত বাবুল
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার সদর দক্ষিণে পদুয়ার বাজার এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজন নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি কাভার্ডভ্যান চালক মো. আরিফ হোসেন (২৩) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়ার বাজার পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে ইউটার্নে এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান বরুড়া উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের ওমর আলী(৮০), তার স্ত্রী নূরজাহান বেগম (৬৫) এবং দুই ছেলে আবুল হাসেম (৫০) ও আবুল কাশেম (৪৫)।
এ ঘটনায় একই দিন সদর দক্ষিণ থানায় সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর ৯৮/১০৫ ধারায় মামলা (নং-৩৩, তারিখ: ২২/০৮/২০২৫) দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, কাভার্ডভ্যান (চট্ট মেট্রো-৮-৮১-১৪৪৩) চালক আরিফ হোসেন দুর্ঘটনার সময় গাড়িটি চালাচ্ছিলেন।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইকবাল বাহার মজুমদারের নেতৃত্বে একটি টিম ফেনী সদর থানাধীন ফতেপুর স্টার লাইন ফিলিং স্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত আরিফ হোসেন নোয়াখালীর সুধারাম থানার চন্দ্র ভল্লব গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে। পুলিশ বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ওই গাড়িতে থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে কুমিল্লায় পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০ টায় চাঁদপুর থেকে শুরু হয়ে পদযাত্রাটি শেষ হবে কুমিল্লায়।
সোমবার (২২ জুলাই) দুপুরে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মুখ্য সমন্বয়ক ও কুমিল্লা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক নাভিদ নওরোজ শাহ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কর্মসূচির বিস্তারিত জানান।
এ সময় জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পদযাত্রাটি চাঁদপুর-কুমিল্লা মেইন রোড ধরে কুমিল্লার দিকে অগ্রসর হবে। কুমিল্লায় পৌঁছে শহীদ মাসুমের কবর জিয়ারতের পর টমছম ব্রিজ এলাকায় গাড়ি থেকে নেমে মূল পদযাত্রা শুরু হবে। এরপর পদযাত্রাটি টমছম ব্রিজ, পূবালী চত্বর, ঝাউতলা, পুলিশ লাইন হয়ে জেলা পরিষদ/সিটি কর্পোরেশন রোড ধরে ফৌজদারি রোড, প্রেসক্লাব, শিল্পকলা মোড়, মোগলটুলি, রাজগঞ্জ, মনোহরপুর, লিবার্টি চত্বর হয়ে টাউন হলে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে একটি জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।
সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা শাসন গাছা, আলেখারচর হয়ে ক্যান্টনমেন্টের পাশ দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দিকে যাত্রা করবেন।
এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আক্তার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা দিনা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমীন, যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারী এবং সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদসহ আরও অনেকে উপস্থিত থাকবেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বারে শ্বশুরবাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার হওয়া করিম ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, স্ত্রী তাছলিমা বেগমের পরিকল্পনায় তার তিন ভাই ইসরাফিল, গোলাম হাক্কানী ও মোজাম্মেল হক মিলে করিম ভূঁইয়াকে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ সেপটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখেন।
আজ রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, আগের দিন শনিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার আমলী আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন চার ঘাতক।
পুলিশ জানায়, নিখোঁজের একমাস পাঁচদিন পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের শ্বশুর বাড়ির একটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় করিম ভূঁইয়ার (৪৮) গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত করিম ভূঁইয়া উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মন্ত্রীবাড়ি এলাকার মৃত আবুল কাশেম ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি গত ১৩ আগস্ট সকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
গ্রেপ্তারদের জবানবন্দী সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ আগস্ট রাতে স্ত্রী তাছলিমা বেগমের পরিকল্পনায় মাদক সেবনের লোভ দেখিয়ে করিমকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নেন শ্যালক ইসরাফিল। সেখানে প্রথমে তিন ভাই মিলে তাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করেন। এ সময় তার মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় স্ত্রী তাছলিমা সেই রক্ত মুছে ফেলেন। পরে বড় ভাইয়ের বিল্ডিংয়ের টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে মরদেহ ফেলে দেওয়ার কথা বলা হয়। তিনি রাজি না হওয়ায় প্রথমে মরদেহ বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়। সকালে মরদেহ ভেসে উঠলে আবারও স্ত্রী এবং ভাইয়েরা মিলে খাল থেকে তুলে এনে হাত-পা বেঁধে বড় ভাইয়ের টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেন।
মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের বড় ভাই আমির হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় ঘাতক স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও তার তিন ভাই ইসরাফিল, গোলাম হাক্কানী ও মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তারা শনিবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দেন।
দেবিদ্বার থানার ওসি সামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, স্ত্রী তাছলিমার পরিকল্পনায় মাদক সেবনের লোভ দেখিয়ে ভালো ব্যবহার করে ডেকে নিয়ে তিন ভাইসহ চারজনে মিলে করিম ভূঁইয়াকে হত্যা করে। নিহতের ভাই আমির হোসেন থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে। পরে সন্দেহভাজন আসামিদের ওপর নজরদারি ও গ্রেপ্তারের ভিত্তিতেই মরদেহ উদ্ধার এবং হত্যার রহস্য উদঘাটন করা হয়। নিহত করিম ভুইয়া প্রায় স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও মেয়েকে পাশবিক নির্যাতন করতেন। এতে তারা অতিষ্ঠ হয়ে এ হত্যাকান্ডটি ঘটায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিনহাদুল হাসান রাফিকে গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা ডিবি পুলিশ।
আজ শুক্রবার ( ১ আগস্ট) ভোর রাতে ফেনী জেলা থেকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মিনহাদুল হাসান রাফি গতকাল কলকাতা থেকে গোপনে কুমিল্লা এসেছিলেন। এ খবর পেয়ে কুমিল্লা ডিবি পুলিশ স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী চারটি মামলা রয়েছে।
কুমিল্লা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মোঃ আব্দুল্লাহ তার গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাফিকে গ্রেফতারের পর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা ও ৫০ বোতল ফেন্সিডিল’সহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
(০২ জুলাই) তারিখ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ শাহিন উদ্দিন (২৫) এবং ২। মনি আক্তার (২৯) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা, ৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে (০২ জুলাই) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মাঝিগাছা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৩) নামক ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ শাহিন উদ্দিন (২৫) কক্সবাজার জেলার সদর থানার মধ্যম মাইজপাড়া গ্রামের শামসুল আলম এর ছেলে, ২। মনি আক্তার (২৯) নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার গুরুবদী গ্রামের হানিফ মিয়া এর মেয়ে এবং ৩। মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ভরজালা গ্রামের মৃত আলী আকবর এর ছেলে। আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা ও ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর ১৪ নং ওয়ার্ড মুরাদপুরে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ইয়াবা, ফেনসিডিল
ও দেশীয় অস্ত্রসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে বউ বাজার এলাকায় এ অভিযান
চালায় সেনাবাহিনীর ২৩ বীরের আওতাধীন একটি আর্মি প্যাট্রল দল।
আটক ব্যক্তিরা হলেন , সোহেল (৩৫), মামুন (৩৫), মো. জুয়েল
(২৫), সোহেল মিয়া (২৪) ও সবুজ আহমেদ (২৮)।
সেনা সূত্রে জানা গেছে, আটককৃতদের মধ্যে দুইজন বিভিন্ন
মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১ হাজার ৪০০ পিস
ইয়াবা, ২ বোতল ফেনসিডিল, ২টি ওয়াকিটকি সেট, ১১টি মোবাইল ফোন, ৬টি চাইনিজ ছুরি, একটি
চাপাতি, একটি দেশীয় তৈরি ছুরি, ৩টি পেন ড্রাইভ ও ৪টি মেমোরি কার্ড।
অভিযান শেষে সেনাবাহিনী আটককৃতদের মাদক ও অস্ত্রসহ স্থানীয়
থানায় হস্তান্তর করে।
সেনা সূত্র জানায়, জাতীয় নিরাপত্তা ও মাদক নির্মূলের অংশ
হিসেবে তথ্যভিত্তিক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই)
পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে কুমিল্লার রসমালাই। ২০২৪ সালে কুমিল্লার রসমালাই সহ মোট চারটি
পণ্য জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। পণ্যগুলো হলো টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম,কুমিল্লার
রসমালাই, বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল এবং কুষ্টিয়ার তিলের খাজা।
বৃহস্পতিবার (২ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় কুমিল্লার রসমালাই জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করেন। এসময় তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পঙ্কজ বড়ুয়াসহ জেষ্ঠ্য সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে জিআই সনদ প্রদর্শন করেন।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু:
মুশফিকুর রহমান বলেন, কুমিল্লার ইতিহাস ঐতিহ্যের ভাণ্ডার অনেক প্রাচীন। কুমিল্লার রসমালাই
জিআই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মধ্যদিয়ে এটির বৈশ্বিক স্বীকৃতি মিলেছে। এই স্বীকৃতির
মাধ্যমে পণ্যটির বাণিজ্যিকীকরণের সুবিধা বাড়লো। এই রসমালাই এখন দেশের বাইরেও রপ্তানি
করা যাবে। আমরা কুমিল্লার খাদি, বিজয়পুরের মৃৎশিল্প নিয়ে জিআই পণ্য হিসেবে অনুমোদনের
জন্য কাজ শুরু করবো। এছাড়াও কুমিল্লার বরুড়ার লতি, হোমনার শ্রীমদ্দির বাঁশি নিয়েও
পরবর্তীতে এগিয়ে যাবো।
কুমিল্লার রসমালাইয়ের জিআই স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে অনির্বাণ সেনগুপ্ত কুমিল্লা জেলা প্রশাসনসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় পৃথক দুইটি অভিযানে ২০ কেজি
গাঁজা ও ৯০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
৩ জুলাই রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি
বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন নালনগর
এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মনির হোসেন নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি
সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে ৩ জুলাই রাতে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পান্ডানগর এলাকা থেকে আসামী মোঃ আনিছুর রহমান
তুষার নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৯০৫ পিস ইয়াবা
ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মনির হোসেন
(৩২) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার তেলিহাটি গ্রামের মৃত নজির ইসলাম এর ছেলে এবং
২। মোঃ আনিছুর রহমান তুষার (২৮) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সুবর্নপুর গ্রামের
মৃত জাকির হোসেন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা ও ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক
ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর
মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো
সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের
বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা ভগবতী এন্ড পেড়া ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট কিরণময় দত্ত ঝুনু পরলোকগমন করায় আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নিয়ম অনুসারে শেষকৃত্য পালনের জন্য কিরণময় দত্ত ঝুনু'র সহধর্মিণী অনিতা দত্তের হাতে ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা বুঝিয়ে দিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক গাজী মোঃ নজরুল ইসলাম মানিক ও এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার সহ আরো অনেকে।
উল্লেখ্য যে, এডভোকেট কিরণময় দত্ত ঝুনু গতকাল শুক্রবার রাত পৌনে ৮টার সময় ইহলোকের মায়ামমতা ত্যাগ করে পরলোকগমন করেন।
মন্তব্য করুন