

তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার ২০২৪-২০২৫ সনের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট ২০২৫) বিকেল ৪টায় কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির দ্বিতীয় তলায় ৭নং হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ শহিদুল্লাহ এবং বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি কেন্দ্রীয় পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির সাবেক সভাপতি মোঃ এমদাদ হোসেন, বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি কেন্দ্রীয় পরিষদের সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মোঃ আবুল খায়ের খোকন, বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি কেন্দ্রীয় পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মোঃ আবু তাহের কালন এবং অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতির সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন- বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ হোসেন মিয়া।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুল হক মজুমদার, নির্বাচন কমিশনার মোঃ লোকমান হোসেন ও মোঃ মিজানুর রহমানসহ আইনজীবী সহকারীগণ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত পাঠ শেষে জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির প্রয়াত আইনজীবী সহকারীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত/সৎগতি কামনাসহ অসুস্থ্য আইনজীবী সহকারীদের সুস্থতা কামনার্থে একমিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মো. মনিরুল হক সাক্কুকে ডেকে পাটিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রাজধানীর গুলশানে মহাসচিবের বাসায় তাকে ডেকে পাঠানো হয়। সেখানে সাক্কুকে নিয়ে বৈঠক করেন বিএনপি মহাসচিব। বৈঠকে মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা-৬ আসনের রাজনৈতিক পরিবেশ মির্জা ফখরুলকে অবহিত করেন বলে জানা গেছে।
পরে বিকেলে মো. মনিরুল হক সাক্কু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমি কুমিল্লার আদি লোক। আদি বিএনপি। এখন যারা সবুজ সংকেত পেয়েছেন বলে মাঠে হইচই করছেন তারা বিএনপিতে আমার জুনিয়র। আগামী নির্বাচনে সদর আসনের সঠিক চিত্র কি হতে পারে, তা আমি মহাসচিবকে অবহিত করেছি। এ ছাড়াও কুমিল্লার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উনার সঙ্গে আলাপ হয়েছে।
এর আগে ২০২২ সালের মে মাসে বিএনপি থেকে মনিরুল হক সাক্কু আজীবনের জন্য বহিষ্কার হন। এরপরও তিনি দল থেকে দূরে না সরে সব কর্মসূচি পালন করছেন। কুমিল্লার ভোটের রাজনীতিতে সাক্কু বড় ধরনের ফ্যাক্টর বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার বলেছেন, সাম্প্রতিককালে দেশে সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ড আমাদের হৃদয়কে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে। বিশেষ করে ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সারা দেশের মানুষকে অনেকটা আতংকে ফেলেছে। একটি জলজ্যান্ত মানুষকে পিটিয়ে পাথর মেরে হত্যা করা হচ্ছে,অথচ এ ঘটনাস্থলের আশপাশে স্বাভাবিকভাবে মানুষ চলাচল করছে। কেউ কিছু বলছে না। এমনটা হতে পারে না। আমাদের মানবিক হওয়া প্রয়োজন। বিবেককে শাণিত করা প্রয়োজন। মানুষের দুঃখে সহানুভূতিশীল হওয়া প্রয়োজন।
কুমিল্লায় গুরুতর অপরাধের মধ্যে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে, এর পাশাপাশি চাঁদাবাজির ঘটনাও বেড়েছে। মাদকের অপব্যবহার ও চোরাচালান বেড়েছে। কুমিল্লায় চাঁদাবাজি বন্ধ ও মাদক সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সকল কিছুর নিয়ন্ত্রণ করা একা রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব নয়। জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আজ রবিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার আরও বলেন, কুমিল্লায় জলাবদ্ধতা দূরীকরণে রাজনৈতিক নেতাদের ভূমিকা রাখতে হবে। স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে নদী ও পুকুর ভরাট রোধ করতে হবে। গ্রাম আদালতকে অধিক কার্যকর করতে হবে। ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ছাড়পত্র দেয়ার ক্ষেত্রে পারিপার্শ্বিকতা যাচাই বাছাইয়ে কড়াকড়ি করতে হবে।
পুলিশ সুপার মোঃ নাজির আহমেদ খান বলেন, পুলিশ চাঁদাবাজদের বিপক্ষে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে গতমাসে পুলিশ ১৬৮ টি মামলা করেছে।
কুমিল্লায় মাদক মূলত প্রতিবেশী দপয় থেকে আসে।এটি একটি ষড়যন্ত্র। আমাদের যুব সমাজকে বিপদগ্রস্ত করতে এ কাজটি করা হচ্ছে। দেশে বর্তমানে যে সামাজিক অস্থিরতা বিরাজ করছে এ অবস্থায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে আটক না হয় সে ব্যাপারে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।
সভায় কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন ভাংচুর রাস্তাসমূহ সংস্কার, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও যানযট নিরসনের লক্ষে ব্যাপক আলোচনা করা হয়।
সভার শুরুতে বিগত সভার কার্যবিবরণী পাঠ করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজা মতিন।
বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা.মোঃ আলী নূর মোহাম্মদ বশির আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সচিব মোহাম্মদ মামুন, জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী, কুমিল্লা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর কাজী দীন মোহাম্মদ, মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মাহাবুবুর রহমান, অধ্যাপক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক, সিনিয়র সাংবাদিক মোতাহার হোসেন মাহবুব, আদর্শ সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হিজবুল বাহার ভূঞা, সচেতন নাগরিক কমিটি কুমিল্লার সভাপতি রোকেয়া বেগম শেফালী, দৈনিক আমাদের কুমিল্লার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শাহাজাদা এমরানসহ বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা
আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকায় আজ সকালে স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার।
এ
সময় তিনি বলেন ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট এই স্থানেই ছাত্র-জনতার উপর নির্মম হামলা চালানো
হয়েছিল। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এখানে স্থাপিত হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’। এতে প্রতিটি শহীদের নাম
যুক্ত থাকবে। এছাড়াও যেসব এলাকায় শহীদরা নিহত হয়েছেন,সেসব স্থানে নির্মাণ করা হবে
‘রোড মেমোরি স্ট্যান্ড’।”
জেলা
প্রশাসক জানান, প্রতিবছর ৫ আগস্ট স্মৃতিস্তম্ভ চত্বরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও বিশেষ শ্রদ্ধা
নিবেদনের আয়োজন করা হবে।
উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ নাজির আহমদ খান, মহানগর বিএনপির সভাপতি
উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, অতিরিক্ত
জেলা প্রশাসক পঙ্কজ বড়ুয়া, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুল ইসলাম, সিভিল
সার্জন ডা. মোঃ আলী নূর মোহাম্মদ বশির, এনসিপি নেতা মাছুমুল বারী কাউসার,উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা ফাতেমাতুজ জোহরা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিনা জাহানসহ জেলা প্রশাসনের
বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি
সঞ্চালনা করেন কুমিল্লা নজরুল ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক আল আমিন। দোয়া পরিচালনা
করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আইসিটি মাস্টার ট্রেইনার আব্দুল্লাহ নোমান।
শহীদদের
স্মরণে নির্মিত এই স্মৃতিস্তম্ভ কুমিল্লার ইতিহাসে একটি নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে, এমনটিই
প্রত্যাশা সকলের।
মন্তব্য করুন


রোহিঙ্গা
নাগরিকের ভুয়া পাসপোর্ট তৈরীতে সহায়তাকারী আরো ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৪ টি পাসপোর্টসহ
অন্যান্য কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।
গত
১৬ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় রুজুকৃত রোহিঙ্গা নাগরিকের পাসপোর্ট তৈরির
মামলা সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত মুল আসামী রোহিঙ্গা নাগরিক মোঃ ইয়াছির(১৯) কে বিজ্ঞ
আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ আদালতে সে তাকে সহায়তাকারী ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করে জবানবন্দি
প্রদান করে। উক্ত জবানবন্দির সুত্র ধরে কুমিল্লা ডিবি ও কোতয়ালী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে
অত্র মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামী ফয়সাল মিয়া(২৬)কে সহ অত্র মামলায় সন্দিগ্ধ আসামী
মোশারফ(৩৫) ও শরীফ(২৫) কে গ্রেফতার করা হয়। এজাহারনামীয় আসামী ফয়সাল মিয়া(২৬) কে রিমান্ডের আবেদনসহ বিজ্ঞ
আদালতে প্রেরণ করা হয়। আসামী মোশারফ(৩৫)কে কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকা
হতে গ্রেফতারকালে তার প্রতিষ্ঠান আল-মদিনা ট্যুর এ্যান্ড ট্রাভেলস হতে ৬ টি ভুয়া পাসপোর্ট
ও পাসপোর্ট জমার স্লিপ উদ্ধার করা হয়।
এ
সংক্রান্তে কোতয়ালী মডেল থানায় পাসপোর্ট আইনে আলাদা একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।
ভুয়া পাসপোর্ট তৈরিতে সহায়তাকারী অপর আসামী কম্পিউটার অপারেটর শরীফ(২৫) কে মুরাদনগর
কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় নকিব ট্রাভেলস হতে গ্রেফতারকালে তার প্রতিষ্ঠান হতে ৮ টি ভুয়া
পাসপোর্ট ও কিছু পাসপোর্ট জমার কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানের মালিক
নাসির উল্ল্যাহ(২৮) কৌশলে পালিয়ে যায়। এ সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীদ্বয়ের
বিরুদ্ধে মুরাদ নগর থানায় পাসপোর্ট আইনে অপর একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন
মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গতকাল (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা গোয়েন্দা
শাখা, কুমিল্লার একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং থানার চড়ানল এলাকার কুমিল্লা-টু-কসবাগামী
রাস্তার উপর হতে ১২২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী ছাব্বির হোসেন শুভ ও মোঃ
সোহাগকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: কুমিল্লা
জেলার বুড়িচং থানার পাঁচোড়া (আসকার বাড়ী) এলাকার মৃত আলম খান এর ছেলে ছাব্বির হোসেন
শুভ (২৫) এবং মৃত কবির হোসেন এর ছেলে মোঃ সোহাগ (২৭)।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা
দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ‘চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে নিজেদের নির্বাচনি ‘ইশতেহার’ ঘোষণা করেছে কুমিল্লা-৬ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী, কুমিল্লা মহানগরীর আমীর ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
ইশতেহারে একটি ‘সমৃদ্ধ কুমিল্লা বিনির্মাণের অঙ্গিকার’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয়কে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার প্রকাশ করেন কুমিল্লা-৬ আসনের এগার দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী। রাষ্ট্র পরিচালনায় যুবকদের প্রাধান্য, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত, প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ গঠন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপসহ বিভিন্ন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে কাজী দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনী ইশতেহারে।
যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল ইশতেহারে:
বিভাগ বাস্তবায়ন-
ক. কুমিল্লাকে কুমিল্লা নামেই আমরা বিভাগ করার যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবো।
খ. বৃহত্তর কুমিল্লার বিভিন্ন জেলাগুলোর সহজতর যোগাযোগ সুবিধা বিবেচনায় রেখে বিভাগীয় দপ্তর স্থাপন করা।
আধুনিক নগরায়ন-
নগরীর উল্লেখযোগ্য স্থাপনা সংস্কার করে আধুনিক, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা করা।
বিমান বন্দর-
কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা-
ক. পরিকল্পিত ড্রেনেজ সিস্টেম প্রতিষ্ঠা। খ. খাল ও জলাধারগুলো পর্যাপ্ত খনন ও পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা করা। গ. ইপিজেডের বিষাক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মানের বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপন।
যানজট নিরসন-
ক. ফুটপাথ দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করা। খ. ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করা।গ. পর্যাপ্ত ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, ফুটওভারব্রীজ নির্মাণ করা। ঘ. সড়কে অবৈধ পার্কিং বন্ধের উদ্যোগ গ্রহণ।
রেললাইন-
কুমিল্লা-ঢাকা সরাসরি রেললাইন নির্মাণ করা হবে কুমিল্লাবাসী যাতে স্বল্প সময়ে ট্রেনে চলাচল করে কুমিল্লা-ঢাকা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে।
শিক্ষা-
ক. প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন।খ. কুমিল্লা জিলা স্কুল ও ফয়জুন্নেছা সরকারি স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়ন করে ভর্তির কোটা বৃদ্ধি করা হবে।গ. সদর দক্ষিণে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কামিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ। ঘ. তরুণ সমাজকে দক্ষ করে তুলতে কয়েকটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ।
স্বাস্থ্য-
ক. কুমিল্লা সদর হাসপাতালকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ।খ. শিশু ও মায়েদের সুচিকিৎসার লক্ষ্যে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ।
গ. ক্যান্সার ও হৃদরোগীদের চিকিৎসায় আধুনিক হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা-
ক. গোমতী নদীতে বিদ্যমান চাঁনপুর ব্রীজকে প্রশস্থ করে পাকা করা এবং নদীর দু’পাড় রক্ষায় বাঁধ উঁচু করে নির্মাণ করা। খ. সকল ধরণের সড়ক প্রশস্থ করে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ।
মাদকমুক্ত কুমিল্লা গড়া-
ক. সর্বগ্রাসী মাদককে নির্মূলের লক্ষ্যে মোটিভেশন কার্যক্রম জোরদার করা।
খ. মাদক নিষিদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।গ. প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মনিটরিং সেল গঠন করা।
বেকারত্ব নিরসন-
ক. কুমিল্লায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন গঠন। খ. ফ্রিল্যান্সিং আইটি পার্ক প্রতিষ্ঠা।
গ. নতুন উদ্যোক্তাদের জন্যে বিনিয়োগ লোন স্কিম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ।
কৃষক ও শ্রমিকের জীবনোন্নয়ণ-
ক. বিনা সুদে ঋণ বিতরণ। খ. কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ। গ. কীটনাশক, সার ও বীজ স্বল্প মূল্যে প্রপ্তির ব্যবস্থাকরণ।ঘ. শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী ভূমিকা পালন।
ঘ. শ্রমিকদের জন্য সেফটি নেট, স্বাস্থ্য কার্ডের ব্যবস্থাকরণ।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহবস্থান-
ক. সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন-বাজেট তৈরী করণ। খ. ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যবস্থা গ্রহণ। গ. সকল ধর্মের লোকদের সমান নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা-
ক. সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। খ. ব্যবসা কেন্দ্র ও সমাজের সর্বস্তর থেকে চাঁদাবাজি ব্যবস্থা নির্মূলে চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ।
নারী ও শিশু উন্নয়ন
ক. নারীদের সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় ইভটিজিং বিরোধী নারী বান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ। খ. নারীর কর্মসংস্থান ও নারী উদ্যোক্তা তৈরীতে উদ্যোগ গ্রহণ। গ. শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে প্রতি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ তৈরীর ব্যবস্থা করা।
প্রবাসীদের জন্য কল্যাণমুখী উদ্যোগ গ্রহণ-
ক. দক্ষতা অর্জনের জন্য আর্থিক সহায়তা ও ঋণ সুবিধা প্রদান। খ. রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সন্তানদের অধিক হারে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান।
গ. প্রবাসীদের পরিবারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
গণমাধ্যম-
ক. গণমাধ্যম কর্মীদের দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ।
খ. গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো নির্ধারণ। গ. কুমিল্লা প্রেসক্লাব ভবন আধুনিক কমপ্লেক্সে রূপান্তর করণ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার
দাউদকান্দি উপজেলার মারুকা ইউনিয়নের মৈনগোর গ্রামের সুরুজ মিস্ত্রির ছেলে মোঃ পাবেল
(২৫) কে আটক করে ব্যাপক মারধর করে মুক্তিপণ চায় একটি চক্র। এমন খবরে স্ট্রক করে মারা
যান তার বাবা সুরুজ মিয়া ( ৬০)।
গতকাল
রবিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার গৌরীপুর পশ্চিম বাজারে এমন ঘটনা ঘটে। পড়ে পরিবারের
পক্ষে ৫০ হাজার টাকা দিলে চক্রটি পাভেলকে ছেড়ে দেয়।
নিহতের
পরিবার জানান, পাবেল রবিবার দুপুরে গৌরীপুর বাজারে কবুতর ক্রয় করতে যান। বাজারে পৌঁছালেই
গৌরীপুর বাজারে একটি চক্র তাকে টার্গেট করে। কিছুক্ষণ পড় ওই চক্রটি সুযোগ বুঝে তাকে
মারধর করে এক পর্যায়ে তার হাত পা চোখ বেধে কোন এক গলির বিল্ডিং এ নিয়ে যায়। পরে আটককৃত
পাভেলের ব্যবহৃত ফোন থেকে বাড়িতে ফোন দিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। ছেলের এমন সংবাদে
পাভেলের বাবা স্ট্রক করলে তাৎক্ষণিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ( গৌরীপুর) নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
"ভাই
তোরা কি মানুষ? এমন নিরহ মানুষদের সাথে কেউ এইরকম করে? আজ তোদের কারনে একটা মানুষের
জীবন শেষ। এমন অমানবিক নির্যাতনের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তীব্র নিন্দা,প্রতিবাদ জানিয়ে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আটকৃত পাভেলের মারধরের ছবি ভাইরাল হয়ে নেট দুনিয়ায়
ছডিয়ে পড়ে।
আটককৃত
পাভেলের মামাতো ভাই মো. কাইয়ূম বলেন, পাবেল একজন সহজ সরল ছেলে। তার বাবার ব্যবসায় চক্রতলা
বাজারে ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়াকসপের কাজ করেন। তার শত্রু কেউ আছে বলে আমার জানা নেই। আইন-শৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অনুরোধ জানাই ঘটনাটি উদ্ঘাটন করে চক্রটিকে আইনের আওতায় এনে
শাস্তি দেওয়া হোক।
এবিষয়ে
দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ঘটনার সাথে সম্পৃক্তদের
আটকে পুলিশি তৎপরতা চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


১
কোটি টাকা অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে আওয়ামী দোসরদের নিয়ে কুমিল্লা কেমিস্ট অ্যান্ড
ড্রাগিস্ট সমিতি কমিটি কেন্দ্র থেকে ঘোষণা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা,
মাদক ব্যবসায়ী, আওয়ামী রাজনীতিতে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে জড়িতরা কমিটিতে স্থান পেয়েছে।
কেন্দ্রীয় কমিটিতে এখনো আওয়ামী দোসররা বসে আছে। তাই এ কমিটিও দোসরমুক্ত হয়নি।
শনিবার
(৩১ মে) দুপুরে কুমিল্লা সদরের আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকার মেডিসিন কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে
সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন সদ্য ঘোষিত কমিটির সহ-সভাপতি মোরশেদুল হক খোকন।
লিখিত
বক্তব্যে খোকন আরো বলেন, সম্প্রতি আওয়ামী
দোসরদের একটি অংশ তাদের অপকর্ম ঢাকার জন্য মিথ্যে তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেছেন- কুমিল্লায় দুই ব্যক্তির কাছে ঔষধ ব্যবসায়ীরা জিম্মি ।
প্রকৃতপক্ষে চিত্রটা ভিন্ন। সদ্য ঘোষিত কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের পরিবার। তারা যাচাই-বাছাই করে মামলা দায়ের করেছেন। এতে আমাদের কোন হাত নেই। কারণ এখানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা রয়েছে, রয়েছে প্রশাসন। তাই এখানে অন্য কেউ চাইলেও কাউকে আসামি করতে পারবে না। ফলে তাদের এই অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আওয়ামী দোসররা মেডিসিন ব্যবসায়ী শিল্পী ও রুবেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছে। প্রকৃতপক্ষে তারাই অবৈধ মেডিসিন ব্যবসার সাথে জড়িত। ব্যবসার আড়ালে মাদক ব্যবসাও করছেন। বিভিন্ন সময় অবৈধ মেডিসিন ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। মূলত সদ্য ঘোষিত কমিটিতে আটজন আওয়ামী লীগের দোসর রয়েছে, যারা প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে আওয়ামী লীগে রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তারা আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা, সভা- সমাবেশে উপস্থিত থাকতেন। বিভিন্ন এমপি সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রামে তাদের ছবি রয়েছে। সেই অপবাদ ঢাকার জন্য তারা এখন শিল্পী ও রুবেলের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ এনেছেন। যা নিন্দনীয়। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
সদ্য
ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি পদে থাকা মো: আব্দুল আলীম ভূইয়ার সাথে কুমিল্লা সদরের সাবেক সংসদ
সদস্য হাজী বাহার ও চান্দিনা সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রাণ গোপালের জনসভা এবং
স্থানীয় সাবেক কুসিক কাউন্সিলর সরকার মাহমুদ জাবেদের সুসম্পর্ক ছিল। তাদের সাথে মো: আব্দুল আলীম ভূইয়ার উপস্থিতির ছবি রয়েছে। ১৯৯৬
সালে রেইসকোর্সে অবস্থিত গ্লাক্সো ফার্মাসিটিক্যালস এর ২০ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের মূল
পরিকল্পনাকারী ও ১৭ বছর আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা ও আওয়ামী লীগের পৃষ্ঠপোষকতাকারি
আব্দুল আলীম।”
এই
কমিটির সিনিয়র সভাপতি মো: নুরুল আলম চৌধুরীর ( নোমান) মা নাজমা আক্তার চান্দিনা উপজেলা
পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান ছিলেন।
কমিটির
সহ-সভাপতি মেসার্স লাবোনি মেডিকেল হলের মালিক এ.কে.এম মোস্তাফিজুর রহমান (শাহজাহান)
আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা ছিলেন। এছাড়া তিনি সদরের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী বাহার
ও চান্দিনার সাবেক সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ নিয়াজ
পাভেলের কাছের মানুষ ছিলেন। এই কমিটির সদস্য মেসার্স নিউ গ্রিণ ফার্মেসীর মালিক এনায়েত
উল্লাহ মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালিন কমিটিতে সদস্য ছিলেন। সর্বশেষ মহানগর আওয়ামী
লীগের কমিটিতে উপদেষ্টা পদ পান তিনি। কমিটির সদস্য মেসার্স নাড়িখান মেডিকেল হলের মালিক
মো: শামীম আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা ছিলেন।
সদস্য
মেসার্স নিউ মেডিকেল হলের মালিক বাবু ধনঞ্জয় কুমার দত্ত আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিলেন।
স্থানীয় কাউন্সিলর সরকার মাহমুদ জাবেদের রাজনীতিতে অর্থ যোগান দিতেন বলে জানা গেছে।
সদস্য মেসার্স যমুনা মেডিকেল হলের মালিক নিখীল চন্দ্র দত্ত আওয়ামী সমর্থক ছিলেন এবং
সদস্য মেসার্স রিয়া মেডিকেল হলের মালিক প্রহল্লাদ চন্দ্র দত্তের বিরুদ্ধে মেডিসিন ব্যবসায়
নানা অনিয়ম করেছে।
আওয়ামী
দোসর, অর্থ যোগানদাতা ও মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। যা নিন্দনীয়।
এই ঘটনা ২৪ এর আন্দোলন কে কলঙ্কিত করেছে। আমরা চাই অতিসত্বর এই দোসরদের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হোক।
সংবাদ
সম্মেলনে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মেডিসিন ব্যবসায়ী আবু বকর সিদ্দিক শিল্পী ও রুবেল
সহ আরো অনেকে। সংবাদ সম্মেলন শেষে মেডিসিন কমপ্লেক্সের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত
হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় মুসলিম বাল্যবন্ধুর জানাজার পেছনে বসে কাঁদা আলোচিত সেই সুধীর বাবু মারা গেছেন।
তিনি মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের চাপাচৌঁ গ্রামের নিজ বাড়িতে মারা যান ।
সুধীর বাবুর ছেলে অর্জুন চন্দ্র দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, “মঙ্গলবার রাতে বাবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।”
এর আগে ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুধীর বাবুর একটি ছবি ভাইরাল হয়। সেই সময় ছবিটি সম্পর্কে জানা যায়, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের চাপাচৌঁ গ্রামের আমির হোসেন নামে একজনের জানাজা চলছিল। সে সময় জানাজার পেছনে একটি গাছের গুঁড়িতে বসে কাঁদছিলেন সুধীর। মৃত আমির হোসেন সওদাগর সুধীর বাবুর বাল্যবন্ধু ছিলেন। বিষয়টি উপস্থিত সবার হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
স্থানীরা জানান, সুধীর বাবু ও আমির হোসেন ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে আড্ডা ও খেলাধুলা করে বড় হয়েছেন। বয়সের একপর্যায়ে দুজন গুণবতী বাজারের ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসার শত ব্যস্ততার ভিড়েও সুযোগ পেলেই দুই বন্ধু ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দিতেন। অবসর সময় কাটাতেন একসঙ্গে। ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বন্ধু আমির হোসেন মারা যাওয়ার ৪ বছর পর বন্ধু সুধীর বাবুও মারা গেলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রামে র্যাব পরিচয়ে সিএনজি অটোরিকশা ছিনতাইয়ের পর জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে
সিএনজিসহ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ। গত ১৭ই জুন রাত ১১ টায় চৌদ্দগ্রাম থেকে
সিএনজি অটোরিক্সাটি উদ্ধার করা হয়।
মিয়াবাজার
হাইওয়ে থানায় প্রেস ব্রিফিংয়ে কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশের সার্কেল এডিশনাল এএসপি খায়রুল
জানায়, গত ১৫ই জুন পদুয়ার বাজার থেকে বুচ্চি ভাঙ্গড্ডা সড়কে যাত্রী পরিচহন করা সিএনজি
অটোরিকশায় যাত্রীবেশে উঠেন আল মাহফুজ হৃদয়। পথিমধ্যে চালকের সাথে আলাপকালে চালক মনির
হোসেনকে র্যাব ১১ কুমিল্লা শাকতলার গোয়েন্দা অফিসার হিসেবে পরিচয় দেন। একপর্যায়ে সরকারী
বাহিনীর ডিউটি করেছেন কি না চালকের জানতে চান এবং তার মোবাইল নাম্বারটি সংগ্রহ করে
নেন। ১৬ তারিখ কল করে চালককে ১৭ তারিখ জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডে আসতে বলেন। এবং চালকের
সাথে দুই হাজার টাকা ভাড়া চুক্তি হয়। ১৭ তারিখ বিকেলে চালক মনির হোসেন জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ড
থেকে আল মাহফুজকে নিয়ে মিয়াবাজার যাওয়ার পথে শুয়াগাজি বাজার নামক স্থানে পৌঁছালে আল
মাহফুজ মোবাইলে অন্যের সাথে কথা বলে অন্য জায়গায় আকস্মিক অভিযানের কথা বলে গাড়ি ঘুরিয়ে
রাজেশপুর ইকোপার্কে নিয়ে যায়। এরপর সহযোগীদের নিয়ে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চালককে
দুটি গামছা দিয়ে গাছের সাথে বেঁধে অটোরিকশা নিয়ে চলে যায়।
সিএনজি
চালক মনির হোসেন বলেন, বৃষ্টির মধ্যে অন্ধকারে গাছের সাথে বেঁধে রাখা অবস্থায় আধা ঘন্টা
চেষ্টার পর বাঁধন খুলতে সক্ষম হই। পাশ্ববর্তী এক বাড়িয়ে সাহায্য না পেয়ে দেড় কিলোমিটার
দূরে স্থানীয় একটি বাজারে গিয়ে গাড়ির মালিক আমার বড় ভাইকে কল করে ছিনতাইয়ের ঘটনা জানাই।
আমার ভাই তৎক্ষণাৎ গাড়ির সেল সেন্টারে কল দিলে তারা গাড়িতে থাকা জিপিএস ট্র্যাক করে
গাড়ির অবস্থান নির্ণয় করে। সাথে সাথে হাইওয়ে পুলিশের মোবাইল টিমকে জানালে চৌদ্দগ্রামে
মহাসড়কের ডলি রিসোর্টের সামনে থেকে গাড়িসহ কথিত র্যাবের গোয়েন্দা শাখার অফিসার ছিনতাইকারী
আল মাহফুজকে আটক করে তারা।
মিয়াবাজার
হাইওয়ে থানার ওসি সাহাবুদ্দিন জানান, ছিনতাইকারী আল মাহফুজের বিরুদ্ধে রংপুর ও কুমিল্লায়
দুটি মামলা রয়েছে। তাকে প্রধান আসামী করে চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন