

আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ১ টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর
২৩ বীর এর অধীনস্থ আদর্শ সদর সেনা ক্যাম্প হতে টহলদল আদর্শ সদর উপজেলার শাসনগাছা রেলগেট
এলাকায় এক মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা বিক্রেতাকে হাতেনাতে আটক করে, তবে সেনাবাহিনীকে দেখে
ক্রেতারা পালিয়ে যায়।
মাদক ব্যাবসায়ী মোঃ রাসেল (২৫) তাঁর
নিকট হতে মোট ১৮০০ পিস ইয়াবা (প্রতি প্যাকেটে ৩০০ পিস), ১টি মোটরসাইকেল (মাদক পরিবহনের
জন্য ব্যবহৃত) সহ তাকে যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


গত ২৬ জুন কুমিল্লা মুরাদনগরের পঞ্চকিট্রি
ইউনিয়নের বাহারচর গ্রামে এক হিন্দু নারীর সাথে অশোভনীয়
ঘটনা ঘটে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ভাইরাল হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা
যায় যে, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী দীর্ঘ ৫ বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। এ সময়ে একই
গ্রামের এবং পূর্বপরিচিত মোঃ ফজর আলী (৩২) এর সাথে উক্ত নারী ব্যক্তিগত সম্পর্কে জড়িয়ে
পড়েন। একই সাথে ফজর আলীর ছোট ভাই শাহপরান এর সাথেও তার (ভুক্তভোগী) সখ্যতা গড়ে উঠে।
ঘটনার দিন রাতে বড় ভাই ফজর আলী উক্ত
নারীর ঘরে অবস্থানকালে ছোট ভাই শাহপরান ও কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ঘরে ঢুকে তাদেরকে
মারধর করে এবং ভিডিও ধারণ করে।
উক্ত মারধরের ফলে ফজর আলী আহত হয়ে
প্রথমত কুমিল্লা এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে
গত ২৭ জুন উক্ত নারী মুরাদনগর থানায় ধর্ষণের
অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য যে, এ বিষয়ে তিনি (ভুক্তভোগী)
ডাক্তারী পরীক্ষা করাতে রাজি হননি। এ ব্যাপারে প্রশাসন ও যৌথ বাহিনী যথেষ্ট তৎপর রয়েছে
এবং মোঃ ফজর আলীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আটক করেছে কুমিল্লা জেলা পুলিশ।
এছাড়া ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশোভন ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে
ইতোমধ্যে সর্বমোট ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।
বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় যে, বিষয়টি
ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত এবং পারস্পারিক সমঝোতার মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে।
এখানে
বল প্রয়োগ, দরজা ভাঙ্গা বা ধর্ষণের সরাসরি কোন সম্পৃক্ততা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত
হয়নি। তথাপি প্রকৃত ঘটনাটি তদন্তের পূর্বেই অশোভন ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ছড়িয়ে দিয়ে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিঃসন্দেহে
অনাকাঙ্খিত। তবে আইন প্রযোগকারী সংস্থা কর্তৃক দুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন
পূর্বক দোষীদের অচিরেই শাস্তির আওতায় আনা
হবে বলে আশা করা যায়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লাকে একটি বাসযোগ্য -আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। দীর্ঘদিন এই অঞ্চলে কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। আমি নির্বাচিত হলে কুমিল্লার উন্নয়ন নিয়ে বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করবো।
আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা টাউন হল মাঠে আমার স্বপ্ন আমার কুমিল্লা শীর্ষক উন্নয়ন প্রস্তাবনা উপস্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কুমিল্লা বিভাগ কুমিল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। কুমিল্লা নোয়াখালী অঞ্চলকে নিয়ে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন অবিলম্বে করতে হবে। আমি সংসদে গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবো।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুর সঞ্চালনায় পরিকল্পনা প্রস্তাব উপস্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, সাবেরা আলাউদ্দিন হেনা, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট কাইমুল হক রিংকু, মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বপন, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজীব, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইউম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফারুক চৌধুরী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সারসহ মহানগর ও জেলার বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মনিরুল হক চৌধুরী আরো বলেন, ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা বিমানবন্দরটি বন্ধ হয়ে আছে। বিমানবন্দরের পাশেই রয়েছে কুমিল্লা ইপিজেড। প্রতিনিয়ত এখানে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যাতায়াত করে। বিমানবন্দর চালু হলে ইপিজেডে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে তথা এ অঞ্চলের প্রবাসীদের দুঃখ দুর্দশা লাঘব হবে। অচিরেই কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু করা আমার অন্যতম পরিকল্পনার অংশ।
সিটি করপোরেশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মেগাসিটিতে রূপ নেয়নি। সিটি করপোরেশনের সীমানাও বৃদ্ধি করা হয়নি। আমি নির্বাচিত হলে কুমিল্লা সিটিকে মেট্রোপলিটন সিটিতে রূপদান ও সীমানা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
নগরীর যানজট প্রসঙ্গে বলেন, যানজট কুমিল্লা নগরীর বর্তমানে প্রধান সমস্যা। পুরোনো শহরে সংকীর্ণ রাস্তায় ছোট পরিকল্পনায় যানজট নিরসনে সুদূরপ্রসারী সুবিধা পাওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে দরকার বৃহৎ পরিকল্পনা। শহরকে বিকেন্দ্রীকরণ করে দক্ষিণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানান্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করলে মানুষ দক্ষিণমুখী হবে। উত্তরে গোমতী পাড় হয়ে উপশহর করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ, ভিক্টোরিয়া কলেজের আলাদা ক্যাম্পাস স্থাপন করলে শহরে মানুষের চাপ কমবে।
পয়োনিষ্কাশন নিয়ে তিনি জানান, জলাবদ্ধতা এখন কুমিল্লার অন্যতম সমস্যা। বিশেষ করে বর্ষায় জলাবদ্ধতা লেগেই থাকে। এক্ষেত্রে পুরোনো দখলকৃত খাল উদ্ধার ও খনন, ড্রেন বড় করা ও খনন করা, বড় খালের সাথে লিংকেজ করে দিলে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব। আমি নির্বাচিত হলে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
তাছাড়া অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভেঙ্গে পড়েছে। জগন্নাথপুরে যে বর্জ্য প্রতিদিন ফেলা হয় তা পাহাড়ের আকার ধারণ করেছে। এতে ওই বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ নানাবিধ রোগবালাইয়ে ভুগছে। শুনেছি ওই এলাকায় বর্জ্যের গন্ধে কেউ আত্মীয়তাও করতে চায় না। এক্ষেত্রে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জরুরি। এর জন্য আমার 'ওয়েস্ট রিসাইকল প্রজেক্ট' বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
কোটবাড়ি ও লালমাই পাহাড়কে ঘিরে রয়েছে স্যাটেলাইট সিটি ও ইকো ট্যুরিজম হাব বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে তার।
তিনি বলেন, এছাড়াও ঢাকা- কুমিল্লা বিকল্প সড়ক পথ ও সরাসরি রেললাইন (কর্ডলাইন) স্থাপনের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে। আমি অনেকদিন ধরে সরাসরি রেললাইন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি। সর্বশেষ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) নিকট পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছি। আশাব্যঞ্জক হলো এডিবি সরাসরি রেললাইনে অর্থ দিতে রাজি হয়েছে। সরকারের সাথে এ নিয়ে আলাপ আলোচনা চলছে। অচিরেই এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নগরবাসীর জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শাহ আলম নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে পরিদর্শন কালে তিনি সড়কে যান চলাচলের প্রধান প্রতিবন্ধকতাগুলো ঘুরে দেখেন। এ সময় অবৈধ পার্কিং, রাস্তার সংকীর্ণতা, যত্রতত্র যানবাহন দাঁড় করানো এবং বিদ্যমান ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বাস্তব চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক শাহ আলম সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও ট্রাফিক বিভাগের সদস্যদের সঙ্গে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। তিনি যানজট নিরসনে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করেন।এ সময় তিনি বলেন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এলাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঘনবসতিপূর্ণ নগরী। এখানে যানজট নিরসন করা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়; বরং নাগরিকদের সম্মিলিত সচেতনতারও প্রয়োজন। নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যান চলাচলকে আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সিটি কর্পোরেশনের এই উদ্যোগকে নগরবাসী স্বাগত জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রশাসনের সক্রিয় তৎপরতার মাধ্যমে কুমিল্লা নগরীর দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা শিগগিরই অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং নাগরিক জীবনে স্বস্তি ফিরবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
হাসনাত আবদুল্লাহ'র প্রতি হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কুমিল্লা দেবীদ্বারে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের আহত, শহীদ পরিবার ও ছাত্র-জনতা।
মঙ্গলবার (২০শে মে) দুপুরে দেবিদ্বার রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পরে দেবীদ্বার পৌর মার্কেট গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তারা হাসনাত আবদুল্লাহ'র কে হত্যার হুমকির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আওয়ামীলীগ দোসরদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ সময় বক্তারা বলেন, গতকাল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে হাসনাত আব্দুল্লাহ ভাইকে নিয়ে এই ধরনের কথা বলায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না হাসানাত আব্দুল্লাহ কে ছিলেন, আজকে তারা স্বাধীনভাবে প্রেস ক্লাবে কথা বলতেছে কার জন্য।
তারা আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে তারা ১৭ সেকেন্ডের জন্য তাদের স্থান প্রেস ক্লাবে হয় নাই। কিন্তু আজকে তারা স্বাধীনভাবে সবকিছু করতেছে এসব বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলপ্রসু। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না যে জাতি বিপ্লবীদের অমর্যাদা করে সে জাতি ভবিষ্যৎ অন্ধকার। তাদেরকে অনুরোধ করবো আপনারা আপনাদের সম্মান রক্ষা করুন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা–০৬ (সদর, সদর দক্ষিণ, সিটি কর্পোরেশন ও সেনানিবাস) আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে টানা নয়দিন ধরে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীতে বিশাল মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন বলে আয়োজকরা দাবি করেন।
সন্ধ্যায় টাউন হল মাঠ থেকে মশাল মিছিলটি শুরু হয়। এরপর মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূবালী চত্বরে এসে সমাবেশ করে। পুরো সমাবেশ ও মিছিলজুড়ে নেতাকর্মীরা শ্লোগান দিতে থাকেন— “কুমিল্লা–৬ জনতার দাবি, ইয়াছিন ভাইয়ের মনোনয়ন এবার চাই”, “ত্যাগীর মর্যাদা দিতে হবে, ইয়াছিন ভাইকে মনোনয়ন দিতে হবে”,
"১৭ বছর যাকে পাই নেতা মোদের ইয়াছিন ভাই", "জেল জুলুম জামিনে যাকে পাই নেতা মোদের ইয়াছিন ভাই", "এই কুমিল্লার মাটি ইয়াছিন ভাইয়ের ঘাটি","এক দুই তিন চার মনির চৌধুরী, কুমিল্লা ছাড়", "উড়ে এসে নমিনেশন, মানি না মানবো না"।
মিছিলের একাধিক অংশে দেখা যায়, নেতাকর্মীরা হাতে মশাল, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে দলের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্দেশে ইয়াছিনকে মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
সমর্থকরা জানান, গত ৩ নভেম্বর রাতে মহাসড়ক অবরোধের মধ্য দিয়ে এই আন্দোলনের সূচনা হয়। পরদিন ৪ নভেম্বর নগরীর কান্দিরপাড়সহ বিভিন্ন এলাকায় মশাল মিছিল বের করা হয়। ৫ নভেম্বর নারী সমর্থকদের উদ্যোগে নারীদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
৬ নভেম্বর নফল রোজা রেখে সমর্থকেরা সন্ধ্যায় গণ–ইফতারের আয়োজন করেন। ৭ নভেম্বর জুমার নামাজের পর নগরীর বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ৮ নভেম্বর কান্দিরপাড় পূর্বালী চত্বরে অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে মনোনয়ন দাবিতে চাপ বাড়ানো হয়।
৯ নভেম্বর কারা–নির্যাতিত বিএনপি নেতাকর্মীদের পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে হাজী ইয়াছিনের পক্ষে মানবিক ও রাজনৈতিক যুক্তি তুলে ধরা হয়। আর ১০ নভেম্বর স্থানীয় তরুণদের উদ্যোগে ‘তারুণ্যের সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বক্তারা ইয়াছিনকে “সৎ, ত্যাগী ও এলাকার উন্নয়ন–বান্ধব নেতা” হিসেবে তুলে ধরে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান।
টানা কর্মসূচির নবম দিনে অনুষ্ঠিত হলো মঙ্গলবারের মশাল মিছিল। নেতাকর্মীদের দাবি, কুমিল্লা–৬ আসনে ত্যাগী, গ্রহণযোগ্য এবং শ্রমীচেতন রাজনীতিক হিসেবে হাজী ইয়াছিনই হচ্ছেন এলাকার মানুষের পছন্দের প্রার্থী।
নেতাকর্মীরা আরও জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জাকির হোসেন (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মৌকরা ইউনিয়নের গোমকোট গ্রামের চৌকিদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জাকির হোসেন ওই গ্রামের মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় পুলিশ প্রতিবেশী রবিউল হোসেন (৫০) ও তাঁর স্ত্রী রেহানা বেগমকে (৪৫) আটক করেছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বারে
বড়শালঘর ইউ এম এ উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে ১৫ শিক্ষার্থী হিস্টিরিয়ায় আক্রান্ত
হয়েছেন। হিস্টিরিয়া এক ধরনের মানসিক রোগ। শিক্ষার্থীরা ভয়ে এ রোগে আক্রান্ত হয়।
আজ মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর)
সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ক্লাস চলাকালে এই ঘটনা ঘটে।
তারা সবাই নবম শ্রেণীর
শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে আটজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি
সাতজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে ভর্তি থাকা শিক্ষার্থীরা হলেন- মাহি ইসলাম, স্বপ্না আক্তার, মীম আক্তার,
মহিমা আক্তার, ইসরাত জাহান, সিফাত আক্তার ও জান্নাত আক্তার।
ক্লাসের অন্য শিক্ষার্থীরা
জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে নবম শ্রেণির ক্লাসে এক শিক্ষার্থী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে
পড়ে। তার মাথায় পানি ঢেলে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করেও সম্ভব না হওয়ায় তাকে হাসপাতালে
নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর একে একে ক্লাসের আরও ১৪ ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে পড়ে।
উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আরিফুল ইসলাম মুন্সি জানান, অসুস্থদের মধ্যে যাদের
অবস্থা গুরুতর তাদেরকে ভর্তি করে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছে।
দেবিদ্বার উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিগার সুলতানা জানান, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দ্রুত চিকিৎসা
দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আশা করি তারা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় বৈষম্য বিরোধী শিক্ষার্থীরা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালনকালে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ২০০বোতল ফেনসিডিল ভর্তি কার্টন জব্দ করেন।
পরে উপস্থিত
সেনা সদস্যদের কাছে বিষয়টি অবহিত করে এগুলো তাদের হাতে শিক্ষার্থীরা হস্তান্তর করে।
শনিবার ১০ আগস্ট সকালে তাদের আটক করা হয়।
জব্দকৃত মাদক
পরে ধ্বংস করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
“প্রযুক্তি নির্ভর যুবশক্তি, বহুপাক্ষিক অংশীদারিত্বে অগ্রগতি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। পরে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলী রাজিব মাহমুদ মিঠুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী এবং যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কুমিল্লার ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মোঃ শফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নজরুল ইসলাম সরকার। এছাড়া সহকারী পরিচালক মোঃ শহীদুল্লাহ, এনসিপির প্রধান মুখ্য সমন্বয়কারী মোঃ সিরাজুল হক, যুগ্ম সমন্বয়কারী মোঃ রাশেদুল হাসানসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী, যুব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, উদ্যোক্তা, সংগঠক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে যুব সংগঠনগুলোকে নিবন্ধন সনদ ও যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি সফল যুব সংগঠক ও উদ্যোক্তা আত্মকর্মীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নার্গিস আক্তারকে স্বপদে বহালের দাবীতে বিবৃতি দিয়েছে বিশিষ্ট নাগরিকরা। লিখিত এক বিবৃতিতে তারা জানান, আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল, বর্তমানে স্কুল এন্ড কলেজটি প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই ভালো পড়াশুনা এবং ভালো ফলাফল করে আসছিল। ৫ই আগস্ট ২০২৪ এর পর স্কুলটিতে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতির কারণে অধ্যক্ষ নার্গিছ আক্তারকে তাঁর দায়িত্ব পালন করতে দিচ্ছে না। আমরা মনে করি এটা অন্যায় । অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে তাহলে আইন-আদালতের মাধ্যমে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অধিকার করো আছে বলে আমরা মনে করি না । আর যেহেতু এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং এটি জেলা প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে, তাই জেলা প্রশাসকের কাছে অধ্যক্ষকে পূর্ণ নিরাপত্তাসহ কর্মস্থলে যোগদান করানোর দাবী জানাচ্ছি। ইতোমধ্যে অনেক দিন হয়ে গেছে, অধ্যক্ষবিহীন বা অধ্যক্ষের অনুপস্থিতে পড়াশুনা চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। তাই অবিলম্বে অধ্যক্ষ মহোদয়কে সম্পূর্ণ নিরাপত্তাসহ যোগদান করানোর জন্য জেলাপ্রশাসককে আহ্বান জানাই । বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন- সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জহিরুল হক দুলাল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান , কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ , মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. ফরিদ উদ্দীন, রাজনীতিবিদ আবদুর রাজ্জাক , সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবুল কাশেম , রাজনীতিবিদ শেখ আবদুল মান্নান , লেখক ও গবেষক আহসানুল কবীর, কবি ও কথাশিল্পী সফিকুল বোরহান , কবি ও প্রকাশক হালিম আবদুল্লাহ, কবি ও গীতিকার শিহাব উদ্দিন, চিত্রশিল্পী মো. শাহ আলম, নাট্যকর্মী নন্দন ভৌমিক, কবি ও কথাশিল্পী গাজী মোহাম্মদ ইউনুস , সাংস্কৃতিক কর্মী জসীম উদ্দিন আহমেদ, সংগীত শিল্পী নির্মল সূত্রধর , আইনজীবী স্বর্ণকমল নন্দী পলাশ ।
মন্তব্য করুন