

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের দায়ে আটক পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিককে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে কুমিল্লার সীমান্ত মেইন পিলার-২১২৫ এর কাছে গীলাবাড়ী এলাকায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিজিবির নিকট হস্তান্তর করা হয়।
হস্তান্তরকৃতরা হলেন-নওগাঁর পত্নীতলার মো. রাফি (২৫), চাঁদপুরের শাহরাস্তির মো. আবুল বাশার (৫৫), ফেনীর পরশুরামের এমদাদ হোসেন (২৭) ও সাইদুজ্জামান ভূঁঞা (২৯) এবং ছাগলনাইয়ার মো. গিয়াস উদ্দিন (৪০)।
বিজিবি জানায়, আটককৃতরা বিভিন্ন সময়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভেতরে প্রবেশ করলে স্থানীয় পুলিশ ও বিএসএফ তাদের আটক করে। পরবর্তীতে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ বিজিবির সাথে যোগাযোগ করে ফেরত প্রদানের উদ্যোগ নেয়। স্থানীয় পুলিশ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তাদের নাগরিকত্ব ও ঠিকানা যাচাই সঠিক পাওয়া গেলে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেওয়া হয়।
পরে যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে আটক পাঁচজনকে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ফেনী মডেল থানায় সোপর্দ করেছে বিজিবি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লা জেলার সীমান্ত এলাকা থেকে ৬৮ লাখ ৩৮ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ শাড়ি ও শাল জব্দ করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) গভীর রাতে আদর্শ সদর উপজেলার বিবিরবাজার সীমান্ত এলাকা থেকে এসব চোরাচালানের পণ্য জব্দ করা হয়। কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের (১০ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ জানান, আন্তসীমান্ত চোরাচালান ও অবৈধ মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিবিরবাজার বিওপির কটকবাজার পোস্টের একটি বিশেষ টহল দল অভিযান শুরু করে।
অভিযান চলাকালে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পালপাড়া এলাকায় একটি মিনি পিকআপ পরিত্যক্ত অবস্থায় দেখতে পান বিজিবির সদস্যরা। গাড়িটি তল্লাশি করে ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শাড়ি ও শাল জব্দ করা হয়। জব্দ মালপত্রের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬৮ লাখ ৩৮ হাজার টাকা।
বিজিবি সূত্র জানায়, মালিকবিহীন অবস্থায় জব্দ করা এসব পণ্য যে পথে আনা হয়েছে, সেটি ফেনসিডিল, গরু, সোনা, মাদক ও অন্যান্য চোরাচালানের জন্য ব্যবহৃত একটি সক্রিয় পয়েন্ট। চোরাচালান প্রতিরোধে ওই এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলে বিজিবি জানিয়েছে।
জব্দ মালপত্র পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব নুরুল হক নুর এবং কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে গণ অধিকার পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখা।
শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে কুমিল্লা কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় এ অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচিতে দলীয় নেতাকর্মীরা নুরুল হক নুরের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অবরোধ চলাকালে বক্তারা বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমাতে সরকার বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর একের পর এক হামলা চালানো হচ্ছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নুরুল হক নুরসহ গণ অধিকার পরিষদের কোনো নেতাকর্মীর ওপর আবারো হামলা হলে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
আন্দোলন কারিরা টায়ার জালিয়ে বিক্ষাভ করে।
এ সময় সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে এবং এলাকাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করে।
পুলিশের হস্তক্ষেপে আধাঘন্টা পর আন্দোলনকারীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেন।তুলে নেয়ার আগে ২৪ ঘন্টার মধ্যে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্হা না করলে আবারও রাজপথ অচল করে দেয়া হবে। যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২৫ বোতল বিদেশী মদসহ একজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (৫ জুলাই) বিকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন রাজমঙ্গলপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ ইয়াসিন (২০)
নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১২৫ বোতল বিদেশী মদ
উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ ইয়াসিন (২০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার রাজমঙ্গলপুর গ্রামের মৃত আবু তাহের এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য বিদেশী মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা এবং কুমিল্লার উন্নয়ন-অভিমুখী ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জনগণের হাতে পৌঁছে দিতে বর্ণাঢ্য মিছিল ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন হয়েছে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে কান্দিরপাড়স্থ বিএনপি দলীয় কার্যালয় থেকে হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে এক বিশাল মিছিল বের হয়। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগরীর চর্থা চৌমুহনীতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
এই গণসংযোগ-মুখী উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল নগরবাসী, নতুন ভোটার, ব্যবসায়ী-শ্রেণি, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী নাগরিক—সকলের মাঝে রাষ্ট্র মেরামত সংক্রান্ত ৩১ দফা এবং বিশেষভাবে কুমিল্লার উন্নয়নে হাজী ইয়াছিনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরা। নেতৃবৃন্দের মতে—এটি ছিল জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতির একটি ক্ষেত্রভিত্তিক প্রয়াস।
মিছিলে অংশ নেন কুমিল্লা মহানগর, সদর দক্ষিণ ও আদর্শ সদর উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মাহাবুবর রহমান দুলাল, আতাউর রহমান ছুটি, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ মাহমুদ জহির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহরম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিবসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
মিছিল চলাকালে নেতারা জনতার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বার্তা লিফলেটের মাধ্যমে তুলে ধরেন। লিফলেটগুলোতে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার প্রতিটি পয়েন্টের বাস্তবিক প্রভাব তুলে ধরা হয়। এলিট রাজনীতি থেকে জনগণের রাজনীতিতে ফেরার যে স্লোগান বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে উচ্চারিত হয়েছে—এই কর্মসূচিও ছিল তারই ধারাবাহিকতা।
সমাবেশে বক্তারা কুমিল্লার অতীত-বর্তমান সামাজিক–অর্থনৈতিক বাস্তবতায় পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন—কুমিল্লা মহানগর একটি ঐতিহ্যবাহী শহর হলেও এখনো নাগরিক সেবা, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, তরুণদের কর্মসংস্থান, ব্যবসায়িক সুযোগ বাড়ানো এবং শিক্ষা সুবিধা উন্নয়নে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে সুশাসন, জবাবদিহিতা, এবং স্থানীয় জনসম্পৃক্ত অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন মডেল দরকার। সমাবেশে হাজী ইয়াছিনের কুমিল্লার জন্য প্রস্তাবিত পরিকল্পনার তুলে ধরা হয়েছে। মিছিলে কুমিল্লা–০৬ আসনের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীরা হাতেহাতে লিফলেট নিয়ে অংশ নেন এবং নাগরিকদের মাঝে সরাসরি বিতরণ করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনের ১ হাজার ৪৯১টি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপারসহ প্রয়োজনীয় ভোটগ্রহণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল থেকে জেলার ১৭টি উপজেলার নির্ধারিত ভেন্যুতে ব্রিফিং শেষে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের কাছে এসব সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্স, সিল, স্ট্যাম্প, ভোটার তালিকাসহ প্রয়োজনীয় সকল সরঞ্জাম সরবরাহ করা হচ্ছে। সকাল ১০টা থেকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং অফিসার, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা নিজ নিজ কেন্দ্রের সরঞ্জাম গ্রহণ করেন।
নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ২৬ হাজারেরও বেশি সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন।
জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পুরো জেলায় ৩ হাজার ৯৫৯ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ৭৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ২৫ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ৫৫ প্লাটুন সেনাবাহিনী, ৩৯ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ২৪টি টিম, ব্যাটালিয়ন আনসারের ২৭২ জন সদস্য এবং আনসার ও ভিডিপির ১৯ হাজার ৩৮৩ জন সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, কঠোর নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক তৎপরতার মধ্য দিয়ে কুমিল্লায় একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
১৪ উপজেলাতেই লেগেছে বন্যার ছোবল। স্মরণকালের ভয়াবহতার শিকার হয়েছেন কুমিল্লাবাসী।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বুড়িচং, নাঙ্গলকোট, চৌদ্দগ্রাম ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা অন্তত
আড়াই শ’ গ্রাম।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলাজুড়ে ৭২৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৭০ হাজারের মতো মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।
এদিকে গোমতী, সালদা ও ঘুংঘুর নদীর ভাঙনের মাঝে পড়ে বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষ এখন পানির তলায়। ডুবছে দেবিদ্বারও। লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, তিতাস উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে। বন্যায় বাড়ছে প্রাণহানি, ভাঙনের তোড়ে ভেসে গেছে বাড়িঘর খেত খামার, মাছের প্রজেক্ট।
সরকারি হিসেবে, বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন ২ শিশুসহ ৪ জন। বন্যাকবলিত ক্ষতিগ্রস্ত জনসংখ্যা সাড়ে ৯ লাখ, আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয়গ্রহণকারীর সংখ্যা ৬৭ হাজার। বেসরকারি হিসেবে, এসব সংখ্যা ছাড়িয়েছে বহু গুণ।
বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাহত হওয়ায় খোঁজও নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না দুর্গত এলাকাগুলোর।
এ দিকে কৃষি বিভাগের তথ্য, ৬০ হেক্টর কৃষি জমি আক্রান্ত হয়েছে বন্যায়। পনিতে তলিয়ে যাওয়া সবজির আবাদ সবই বিনষ্ট হয়েছে।
বন্যাকবলিত এলাকায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি, স্বেচ্ছাসবী সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বিভিন্ন উপজেলায়। তবে নৌকা ও স্পিডবোট কম থাকার কারণে সেসব ত্রাণও সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে উদ্ধার কাজও ব্যাহত হচ্ছে প্রকটভাবে।
পানি
উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন, বিপৎসীমার
১ সেন্টিমিটার ওপরের পানিও ঝুঁকির। বর্তমানে গোমতীর পানি বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার
ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঘণ্টায় দেড় থেকে ২ সেন্টিমিটার পানি কমছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বিভাগের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নিয়ে ঢাকা থেকে ফেরার পথে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জন্য নোয়াখালীর একটি যাত্রীবাহী বাস আটকে দিয়েছে কুমিল্লার বিক্ষুদ্ধ জনতা। কুমিল্লাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়ায় বাসটি আটকে দেওয়া হয়।
শনিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় লাল সবুজ নামের বাসটি আটকে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সরি বলায় বাসটি ছেড়ে দেন বিক্ষুব্ধরা। কুমিল্লা জেলা পুলিশের দক্ষিণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, ঢাকায় বিভাগের আন্দোলন শেষে বাসে করে নোয়াখালীর দিকে ফেরেন আন্দোলনে অংশ নেওয়া নোয়াখালীর মানুষ। শনিবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী ফেরার পথে কুমিল্লা অংশে এলে কুমিল্লাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দিতে থাকেন বাসের জানালা খুলে। তাতে ক্ষুব্ধ হন কুমিল্লার বিভাগ আন্দোলনের অংশীজনরা।
সন্ধ্যা ৭টার দিকে নোয়াখালীগামী লাল সবুজ পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় এলে ফুটওভার ব্রিজের নীচে আটক করেন কুমিল্লার বিক্ষুদ্ধ জনতা।
খবর পেয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম ঘটনাস্থলে যান তার ফোর্স নিয়ে। পরে স্থানীয় গণ্যমান্যদের মাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়া নোয়াখালীর মানুষেরা সরি বলায় বাসটিকে ছেড়ে দেন আটককারীরা।
সহকারী পুলিশ সুপার মুস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, বাসে থাকা লোকজন জানালা দিয়ে মাথা বের করে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়ায় বিক্ষুদ্ধরা বাসটিকে আটক করেন। পরে সরি বলায় বাসটি ছেড়ে দেন বিক্ষুব্ধরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের অপসারণ প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে অপসারিত কাউন্সিলরা।
বুধবার দুপুরে নগরীর মনোহরপুর একটি পার্টি সেন্টারে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
জনপ্রতিনিধির অপসারন, জনভোগান্তির মূল কারন উল্লেখ্য করে সংবাদ সম্মেলনে বক্তরা বলেন, বিগত সিটি নির্বাচনে বিএনপি জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর আওয়ামীলীগের শত শত মামলা ও হামলার কারনে ঠিকমত কাজ করতে পারিনি। আওয়ামীলীগ বিতারিত হলেও আমরা অপসারনের শিকার হয়েছি, আন্দোলনে যোগ দিয়েও বৈষম্যর শিকার হয়েছি। এসময় তারা অন্তবর্তীকালিন সরকারের প্রতি তাদের পূর্ণবহানের দাবী জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সিটির অপসারিত কাউন্সিলর কাজী গোলাম কিবরিয়া, কাজী মাহবুবুর রহমান, তাহমিনা আক্তার লিন্ডাসহ অন্যরা।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা :
কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার রাজগঞ্জ বাজারের দেশওয়ালী পট্রি এবং কুচাইতলীতে ঈদুল আযহাকে উপলক্ষ করে মসলার মিলগুলিতে ভোক্তা অধিকার অভিযান পরিচালনা করেন।
এই ভালো মরিচের সাতজে নষ্ট মরিচ মিক্স
করে ভাংগানোর সময় হাতেনাতে ধরে পরে। এছাড়াও খুবই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হলুদের গুড়া
এবং মরিচের গুড়া সংরক্ষণ ও ক্রাসিং করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী 'আল-আমিন
মসলাত মিলকে ১ লাখ এবং 'বায়জিদ মসলার মিলকে ১০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ ১০ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: কাউছার মিয়া।
উক্ত অভিযানে সহযোগিতা করেন কুমিল্লা
জেলা পুলিশের একটি টিম, ক্যাব কুমিল্লা এবং অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনার কুমিল্লা জেলার রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জনশুমারির কুমিল্লা জেলার রিপোর্ট ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার)।
কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন) ডা. অমৃত কুমার দেবনাথ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা এবং স্বাগত বক্তব্যসহ জনশুমারির জেলার তথ্য তুলে ধরেন জেলা পরিসংখ্যান ব্যুরোর উপ-পরিচালক হাবিবুর রহমান।
পরে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান জনশুমারি ও গৃহগণনার কুমিল্লা জেলার রিপোর্টের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। জেলা প্রশাসক অনুষ্ঠানে উপস্থিত সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলদের বইটি ব্যবহারের ওপর গুরত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে জনশুনানির রিপোর্টে বলা হয়, ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী কুমিল্লার বর্তমান জনসংখ্যা ৬২ লাখ ১২ হাজার ২শ ১৬ জন। জনসংখ্যায় পুরুষের তুলনায় নারী সংখ্যা বেশি।
বর্তমানে কুমিল্লা মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার কারী ৭১ দশমিক ৪২ ভাগ। এর মধ্যে নারী চেয়ে পরুষ ব্যবহারকারী সংখ্যা বেশী। ইন্টারনেট ব্যবহার কারী কুমিল্লায় ৫০ দশমিক ২৯ ভাগ।নারী চেয়ে পুরুষ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেশী।
এদিকে কুমিল্লায় বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছেন জেলার ৯৯ দশমিক ৩৪ ভাগ মানুষ। যেখানে ১৯৯১ সালে ছিলো ১২ দশমিক ১৪ ভাগ। এছাড়াও জনশুমারিতে উঠে আসা জেলার নানা তথ্য তুলে ধরা হয় এই রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে।
মন্তব্য করুন