

নিজস্ব প্রতিবেদক - মজিবুর রহমান পাবেল
কুমিল্লার সুযোগ্য
জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ আমিরুল কায়সার সম্পর্কে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন
সাংবাদিক এরশাদ রানা। নিজের ব্যক্তিগত কাজে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে তিনি
দেখেছেন প্রশাসনিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব, যা কুমিল্লার ২৩৫ বছরের সমৃদ্ধ
ইতিহাসের অংশ।
এরশাদ রানা তার ফেসবুক
পোস্টে উল্লেখ করেছেন, শতাধিক জেলা প্রশাসকের পদচিহ্ন থাকলেও মোঃ আমিরুল কায়সার
ছিলেন ব্যতিক্রমী এক ব্যক্তি— অহংকারহীন, ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে দূরে এবং অত্যন্ত বিনয়ী।
ব্যস্ততার মাঝেও তিনি ধৈর্যসহকারে সাংবাদিকের কথা শুনেছেন এবং তাৎক্ষণিক
সুপারিশসহ আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সরাসরি
আবেদনপত্রটি পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছেন, যা তার প্রশাসনিক দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার
পরিচয় বহন করে।
সাংবাদিক এরশাদ রানা বলেন, "এই প্রথমবারের মতো কুমিল্লার জেলা
প্রশাসকের কার্যালয়ে এতটা বিনয়ী ও মানবিক ডিসি দেখলাম।" তার এই মন্তব্য থেকে
বোঝা যায়, জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে জেলা প্রশাসক কতটা আন্তরিক।
জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল ও মানবিক প্রশাসনের এমন উদাহরণ নিঃসন্দেহে
প্রশংসনীয়। তবে তিনি কতদিন কুমিল্লায় জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে থাকবেন, তা অজানা।
তবে যতদিন থাকবেন, কুমিল্লাবাসীর জন্য তা সৌভাগ্যের বিষয় হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১০ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৩ নভেম্বর দুপুরে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন নূরপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী মোঃ সুজন নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১০
কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ সুজন (২৯) দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানার মধ্য বাঁশদূতপুর গ্রামের মৃত হাকিম এর
ছেলে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার
বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে
আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,প্রতিবেদন:
কুমিল্লার চান্দিনায় নকল কোমল পানীয় ও জুস তৈরির আড়ালে যৌন উত্তেজক সিরাপ তৈরিসহ বাজারজাত করে চলছে ‘ইহান ফুড’ নামের অনুমোদনহীন নাম সর্বস্ব একটি ফ্যাক্টরী। স্থান পরিবর্তন করে বিভিন্ন বাড়ি ভাড়া নিয়ে ওই ফ্যাক্টরীটি পরিচালনা করে আসছে হাসান গাজী নামের এক ব্যক্তি।
চান্দিনায় ওই ফ্যাক্টরীতে বিএসটিআই এর সীল ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জুস, কোমলপানীয় ও যৌন উত্তেজক সিরাপের নাম ও মোড়ক হুবহু নকল করে পণ্য তৈরি ও অবাধে বাজারজাত করে আসছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (১০ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার হারং ভূইয়া বাড়িতে ওই ফ্যাক্টরীতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুর। এসময় সেনাবাহিনী ও পুলিশের একাধিক টিম ভ্রাম্যমান আদালতকে সহযোগিতা করে। অভিযানে পাঁচ হাজার নকল স্টিকার যুক্ত কোমলপানীয়, চার হাজার বোতল নকল জিনসিন প্লাস যৌন উত্তেজক সিরাপ জব্দ করা হয়। এছাড়াও ওইসব তৈরীর কাঁচামাল ও মেশিন জব্দ করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- কুমিল্লা সদর থানার বাগিচাগাঁও এলাকার কামাল হোসেনের ছেলে মো. খাইরুল ইসলাম অপু (৩৩) ও মজিবুর রহমানের ছেলে মো. আল-আমিন (৩০)।এই ঘটনার সাথে জড়িত দুই জনকে আটক করে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে ভ্রাম্যমান আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুর জানান- হাসান গাজী নামের এক ব্যক্তি অবৈধ ভাবে ওই ফ্যাক্টরীটি পরিচালনা করে আসছে। ওই ফ্যাক্টরীতে মানহীন অস্বাস্থ্যকর শিশুদের ফলের জুস, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল জুস ও কোমল পানীয় তৈরী করছে। পাশাপাশি ‘জিনসিন প্লাস’ নামের একটি কোম্পানীর মোড়ক হুবহু নকল যৌন উত্তেজক সিরাপ তৈরি করে আসছে। বেশ কয়েকদিন যাবৎ আমরা খোঁজ নিয়ে ওই ফ্যাক্টরীর সন্ধান পাই। অভিযান চালিয়ে অনেক অস্বাস্থ্যকর খাদ্য পণ্য ও কাঁচামাল ধ্বংসসহ জব্দ করা হয়েছে। দুইজনকে আটক করে সাজা প্রদান করা হয়েছে। ফ্যাক্টরীর মালিকের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার:
ভাই-বোনের
সম্পর্ককে মজবুত করতে রাখইর থালায় রাখি, মিষ্টি, প্রদীপ, সিঁদুর, লাল সুতো, ধান ও দূর্বা
দিয়ে সাজিয়ে বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান রাখি বন্ধন উৎসব পালিত হয়।
সোমবার
(১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরীতেও জেলা ঐক্য পরিষদ
নেতা এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এর একমাত্র মেয়ে অর্পিতা সরকার এভাবেই রাখি বন্ধনের
মাধ্যমে তাঁর ছোট ভাই অরন্য সরকার প্রিন্স এর দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করেন। তদ্রুপ
ভাইও বোনের রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। ঐদিন পরিবারের সকলে একত্রে মিলিত হয়ে
বিশেষ খাবার দাবার ও উপহার এর ব্যবস্থা করা হয় এবং সকলে মিলে আনন্দ ফুর্তিতে মেতে ওঠে।
এই বিশেষ দিনে পরিবেশে “যম” তত্ত্ব বেশি থাকে, এতে ভাইয়ের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে
কিন্তু রাখি বন্ধনের ফলে তা দূর হয়ে যায়।
জানা
যায়- রাখি বন্ধন বা রাখি পূর্ণিমা উৎসবটি ভাই-বোনদের পবিত্র সম্পর্কের এক নিবিড় উদযাপন।
রাখি পূর্ণিমার ঠিক পাঁচদিন আগে ঝুলন পূর্ণিমা শুরু হয় এবং রাখি পূর্ণিমার সাতদিন পর
জন্মাষ্টমী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর শ্রীকৃষ্ণের এই দুই লীলার মাঝে শ্রাবণ মাসের
পূর্ণিমা তিথিতে রাখি পূর্ণিমা অনুষ্ঠিত হয় বলে এর আরেক নাম শ্রাবণী পূর্ণিমা। এই দিনটির
জন্য প্রত্যেক ভাইবোন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে। বোন ভাইয়ের হাতে রাখি পরিয়ে দেয়
আর ভাই বোনকে রক্ষার অঙ্গীকার বদ্ধ হয়। এই ভাবেই এই অনুষ্ঠিত যুগের পর যুগ ধরে পালিত
হয়ে আসছে। রাখি বন্ধন মূলত বিহারী সংস্কৃতি হলেও পরবর্তীকালে এই অনুষ্ঠান বাঙালি সংস্কৃতির
সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে পরে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৪০ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
৭ নভেম্বর রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন তৈলকুপি এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিনব কৌশলে
পিকআপ ভ্যানের বডির ভিতরে গোপন প্রকোষ্ঠ বানিয়ে মাদকদ্রব্য গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী
১। মোহসীন এবং ২। হৃদয় জীবন নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের
কাছ থেকে ৪০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো: ১। মোহসীন (৫৮) মুন্সীগঞ্জ জেলার টংগীবাড়ি থানার ধীরপুর গ্রামের আবুল কাশেম এর
ছেলে এবং ২। হৃদয় জীবন (১৯) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার মিরপুর গ্রামের জাকির হোসেন
এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা
দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা
সহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয়
করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিনব কৌশল
অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের
অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১
এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকায় ভোক্তা অধিদপ্তরের একটি অভিযানে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে
অনিয়ম ও ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আজ বুধবার (২৮ মে) দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার ও প্রযুক্তিবিদ (টেকনোলজিস্ট) না থাকায় “কুমিল্লা তিতাস মেডিকেল” প্যাথলজিকে ৫০,০০০ টাকা এবং আল নুর হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগে রেডিওলজিস্ট না থাকায় ২০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা
অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা তিতাস মেডিকেলে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া রিএজেন্ট ব্যবহার
করা হচ্ছিল এবং সেখানে কোনো রেজিস্টার্ড মেডিকেল টেকনোলজিস্ট কর্মরত ছিলেন না। অন্যদিকে,
আল নুর হাসপাতালে এক্স-রে পরীক্ষার সময় কোনো রেডিওলজিস্ট উপস্থিত না থাকায় রোগীদের
সেবা বিঘ্নিত হচ্ছিল। এছাড়া, প্রতিষ্ঠান দুটি রোগীদেরকে প্রতিশ্রুতিসম্মত সেবা প্রদান
করতে ব্যর্থ হয়।
ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর অধীন এ অনিয়মের জন্য মোট ৭০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
পাশাপাশি, ভবিষ্যতে সঠিকভাবে সেবা প্রদান ও নিয়ম মেনে চলার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া
হয়।
জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়ার নেতৃত্বে
এই অভিযান পরিচালিত হয়। তাকে সহযোগিতা করেন অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা
জেলা পুলিশের একটি টিম।
ভোক্তা
অধিদপ্তর জানিয়েছেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো প্রতিষ্ঠানই
ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে রেয়াত পাবে না।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় বন্যায়
ক্ষতিগ্রস্থ প্রান্তিক মৎস্যচাষীদের রুই জাতীয় পোনামাছ অবমুক্তকরণ ও বিতরণ করা হয়।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজস্ব
বাজেটের আওতায় ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ
প্রান্তিক মৎস্যচাষীদের ৮৪ জনের মাঝে ৭৫৩ কেজি রুই জাতীয় পোনামাছ অবমুক্তকরণ ও বিতরণ
করা হয়। উক্ত পোনামাছ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন কুমিল্লা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা
মো: বেলাল হোসেন।
এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা সদর
দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া খানম,
চট্টগ্রাম বিভাগের মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক (সংযুক্ত) শায়লা শারমিন, কুমিল্লা
সদর দক্ষিণ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা হিজবুল বাহার ভূঁঞা সহ সুফলভোগীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি-কুমিল্লার মাদকবিরোধী যৌথ অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবা, ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির ১ লাখ ১৩ হাজার ৯শত টাকাসহ দুইজনকে আটক।
সোমবার ( ১৪ অক্টোবর) সকাল ৪:৪৫ মিনিট থেকে ৬:৪৫ মিনিট পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে লাকসাম থানাধীন খুন্তা দক্ষিণ পাড়াস্থ আসামী মোহাম্মদ আলীর নিজ ঘর এবং মিশ্রী মধ্যম পাড়াস্থ আসামী মো: মামুন এর নিজ ঘর থেকে ইয়াবা,গাঁজা ও টাকা সহ তাদের আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এর সার্বিক তত্বাবধানে ও পরিদর্শক মো: সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা এর নেতৃত্বে এবং লাকসাম উপজেলা ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন এর সার্বিক সহযোগিতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ডিএনসি কুমিল্লা, সেনা সদস্য, লাকসাম থানার পুলিশ সদস্য ও লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি মেডিকেল টিম অংশগ্রহণ করেন।
আটককৃত আসামীরা হলো-১/ লাকসাম থানাধীন মিশ্রী(মধ্যপাড়া) গ্রামের মৃত আব্দুল মালেক এর ছেলে মো: মামুন (৪৪), ২/ খুন্তা দক্ষিণ পাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মজিদ এর ছেলে মোহাম্মদ আলী(৫০)।
আসামীদের বিরুদ্ধে পরিদর্শক মো: সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা বাদী হয়ে লাকসাম থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় বাস, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে অগ্নিদগ্ধ হয়ে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুইজন শিশু রয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার।
তিনি জানান, বাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষের পর মোটরসাইকেলের জ্বালানির ট্যাংক থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো বাসটিতে আগুন ধরে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন নিয়ন্ত্রণের পর ঘটনাস্থল থেকে একজন নারী, একজন পুরুষ ও দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার আরও জানান, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করছে। দুর্ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি (যুদ্ধসমাধি)
থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
তাদের দেহাবশেষ জাপানে নেওয়া হবে। এরই মধ্যে জাপানের পক্ষ থেকে ৭ সদস্যদের একটি ফরেনসিক
বিশেষজ্ঞ দল ওই ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছেন। যেটি
শেষ হবে আগামী ২৪ নভেম্বর।
কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম
পাশে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান
হিসেবে পরিচিত। সেখানে রোববার বিকেল পর্যন্ত খনন করা হয়েছে ১০টি সমাধি। জাপানের বিশেষজ্ঞ
ফরেনসিক টিমকে সহায়তা করছেন বাংলাদেশ সরকার। পুলিশি নিরাপত্তায় খনন কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে
নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের ৭৩৭জন বীর সৈনিককে ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রিতে সমাহিত করা হয়েছিল।
এর মধ্যে ১৯৬২ সালে একজন সৈনিকের দেহাবশেষসহ সমাধির মাটি তার স্বজনরা যুক্তরাষ্ট্রে
নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে ২৪ জন জাপানি সৈনিকের মরদেহ রয়েছে। গত বুধবার থেকে খনন কাজ
শুরু হয়।
সমাধিস্থলের মাটি খুঁড়তেই মিলছে দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈনিকদের মাথার খুলিসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড়। সেগুলো অত্যন্ত
যত্নসহকারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন এই যুদ্ধ সমাধি ক্ষেত্র
তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে আসছে।
সমাধিস্থলের খননকাজে জাপানের প্রতিনিধিদের
সহায়তা করছেন মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.)
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কবর (সমাধি) শনাক্তকরণ, দেহাবশেষ
সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছেন। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ সরিয়ে আনার কাজটিও করেছেন
তিনি। জাপানের প্রতিনিধিদলের পক্ষে পুরো কর্মযজ্ঞের বর্ণনা দিয়েছেন তিনি।
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বলেন, ‘জাপান
সরকার ২০১৩ সালে আমাকে তাদের দূতাবাসে ডেকেছিল এই ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে
নেওয়ার বিষয়ে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে ওই সময়ে সেটি সম্ভব হয়নি। গত বছর থেকে তারা বিষয়টি
নিয়ে আবারও যোগাযোগ করে। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে জাপান সরকার আমাদের সরকারের কাছে চিঠি
লেখে এবং কমনওয়েলথের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে এই কাজ শুরু করেছে। এখানে জাপানের পক্ষ থেকে
সাতজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ কাজ করছেন, যারা এ কাজে অত্যন্ত দক্ষ। তাদের ছয়জন জাপানি ও
একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এই সমাধিগুলো ৮১ বছরের পুরোনো। এরই মধ্যে খনন করে আমরা
১০ জনের দেহাবশেষ সমাধি থেকে উত্তোলন করতে পেরেছি।’
দেহাবশেষে কী কী পাওয়া যাচ্ছে, জানতে
চাইলে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘৮১ বছর পর খুব বেশি কিছু পাওয়ার সুযোগ নেই। আমরা
প্রতিটি সমাধির দুই ফুটের মতো খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে খুঁড়ছি। বাকিটা ম্যানুয়ালি
অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে খনন করা হচ্ছে। কোনোটিতে তিন ফুট, আবার কোনোটিতে ছয় ফুট খননের
পর দেহাবশেষ পাওয়া যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত যেগুলো খনন করা হয়েছে, সেসব সমাধিতে মাথার খুলি,
শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড় পাওয়া যাচ্ছে। তবে যা-ই পাচ্ছি, সবকিছুই জাপানের বিশেষজ্ঞ
দল যত্নসহকারে সংরক্ষণ করছে।’
তিনি বলেন, আমরা এক তরুণ সৈনিকের দেহাবশেষ
তুলতে গিয়ে মাথার খুলির মধ্যে বুলেটের চিহ্ন পেয়েছি। রেকর্ড অনুযায়ী ওই সৈনিকের বয়স
২৮ বছর ছিল। আমার তখন বুকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করেছে। এত তরুণ বয়সে পৃথিবী থেকে চলে গেছে
সে। এখানে জাপানের সৈনিকদের ২৪ সমাধির মধ্যে ২০টির নাম-পরিচয় আছে। বাকি চারটির পরিচয়
শনাক্ত করা এখনো সম্ভব হয়নি। নিশ্চয়ই তারা (জাপানের প্রতিনিধিদল) দেহাবশেষ নিয়ে গেলে
ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হবে।’
কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশনের পক্ষে
দায়িত্ব পালন করা কান্ট্রি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর আবদুর রহিম সবুজ বলেন, গত বুধবার সকাল
থেকে জাপানের প্রতিনিধি দল কার্যক্রম শুরু করে। এখানে সমাহিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের
সময় নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবস উপলক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও রোগমুক্তি কামনায় কুরআন খতম ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কুমিল্লা–০৬ আসনের জননেতা ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এর উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে নগরীর কান্দিরপাড়ে কুরআন তেলাওয়াত ও খতমের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বিকেলে অনুষ্ঠিত বিশেষ দোয়া-মাহফিলে শহীদদের রুহের মাগফেরাত এবং দেশনেত্রী বেগম জিয়ার শারীরিক সুস্থতার জন্য মোনাজাত করা হয়। এতে কুমিল্লা মহানগর বিএনপি, জেলা বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।
দোয়া-মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ বারী সেলিম, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুবুর রহমান দুলাল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম, জাসাস মহানগর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুরুল আলম ভূইয়া।
এ ছাড়া অংশ নেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রনি, সালমান সাঈদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, যুবদল নেতা সাজ্জাদ হোসেন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রবিনসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী।
দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে শহীদদের স্মরণে দোয়া করা হয়। এছাড়া দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় হাজী ইয়াছিন গত ১১ দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে করআন খতম, দোয়া, খাবার বিতরন, পশু সদকাসহ ধর্মীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। নেতাকর্মীরা এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিচ্ছেন এবং দেশনেত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন।
মন্তব্য করুন