

মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লার কোতোয়ালী মডেল থানায় অস্থায়ী ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন।বুধবার (২৬ নভেম্বর) বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়।জানা যায়, বহুল প্রত্যাশিত মডেল ব্যারাক নির্মাণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে কোতোয়ালী মডেল থানার পুরোনো ভবন ভাঙার প্রস্তুতি চলছে। নতুন ভবন নির্মাণকাজ চলাকালে থানার নিয়মিত প্রশাসনিক ও দাফতরিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে পুলিশ সুপারের উদ্যোগে এই অস্থায়ী ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খাঁন বলেন, “অস্থায়ী এই অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের কর্মপরিবেশ আরও উন্নত হবে। একই সঙ্গে সেবাগ্রহীতারা আগের তুলনায় দ্রুত, নিরাপদ ও মানসম্মত সেবা পাবেন।” তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন যে নতুন স্থাপনা নির্মিত হলে থানার সার্বিক প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত হবে।
থানা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ফোর্স সদস্যদের জন্য উপযোগী আবাসন এবং কার্যকরী অফিস পরিবেশ নিশ্চিত করতেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানানো হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনবান্ধব পুলিশিং এবং সেবার মান বৃদ্ধিতে এই অস্থায়ী ভবন সহায়ক হবে বলে মন্তব্য করেন কর্মকর্তারা।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রাশেদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক, কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম, ডিবি ওসি মোঃ আবদুল্লাহসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


কবি হেলাল হাফিজের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এক শোক বার্তায় প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দ্রোহ ও প্রেমের কবি হেলাল হাফিজের মৃত্যু বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।
প্রধান উপদেষ্টা কবির পরকালীন জীবনের শান্তি কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তিনি আরও বলেন, কবি হেলাল হাফিজ ছিলেন তারুণ্যের শক্তি এবং স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক সাহসী কণ্ঠ। তার কালজয়ী কবিতার মতোই তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন মানুষের হৃদয়ে।
মন্তব্য করুন


ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
বলেছেন, এ দেশ আমাদের সকলের। দেশের ভাবমূর্তি রক্ষা ও উজ্জ্বল করার দায়িত্বও সকল ধর্মের
মানুষের।
আজ (১০ অক্টোবর) বিকেলে শারদীয় দুর্গাপূজা
উপলক্ষে রাজধানীর বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সমবেত ভক্ত ও পূজারিদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা
বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ হোসেন বলেন, আমরা
একটি পরিবারের মতো। আমাদের সকলের সাংবিধানিক অধিকার সমান। দেশের ভাবমূর্তি যাতে নষ্ট
না হয় সেবিষয়ে আমাদেরকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল হতে হবে। শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন করতে
সকল ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় পুলিশ,
আনসার-ভিডিপি, সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ধর্ম
বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে। কোন দুর্বৃত্ত পূজামণ্ডপে হামলা
কিংবা প্রতিমা ভাংচুর করতে আসলে তাদেরকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করতে
হবে। সরকার প্রচলিত আইনে এই দুর্বৃত্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করবে। আমাদের অন্তর
সংকীর্ণ। আমরা সকলেই প্রচন্ড রকম আত্মকেন্দ্রিক। আমরা অন্যদেরকে আমাদের অন্তরে স্থান
দিতে পারিনা। আমাদের অন্তরকে বড় এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত করতে হবে। আমাদের পারস্পরিক
সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়াতে হবে। আগের সরকারগুলো দুর্গাপূজাতে পূজামণ্ডপগুলোতে সহযোগিতা
করার জন্য সাধারণত দুইকোটি টাকা বরাদ্দ দিতো।
কিন্তু বর্তমান সরকার এবছর চার কোটি টাকা বরাদ্দ
দিয়েছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে ধর্মীয়
ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করতে পারে সেবিষয়ে
সরকার সম্ভাব্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ বহু ধর্ম ও গোত্রের মানুষের সমন্বয়ে
একটি বৈচিত্র্যময় দেশ। একটি বাগানে নানা প্রজাতির ফুল থাকলে বাগানটি যেমন দৃষ্টিনন্দন
ও বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠে। বাংলাদেশও ঠিক মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, জৈন ও ক্ষুদ্র
নৃগোষ্ঠীর সম্মিলনে বৈচিত্র্যময়। আমরা এই সৌন্দর্যকে লালন করতে চাই। আমরা পারস্পরিক
সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিকে দৃঢ় করতে চাই। সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা
অর্জন করেছি। আমাদের সকলের অধিকার সমান। ধর্মচর্চা, ধর্ম পালন ও ধর্ম অনুশীলন আমাদের
সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার সমুন্নত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর।
এসময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা
বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন,
ধর্মসচিব মু.আ. হামিদ জমাদ্দার, গুলশান বনানী পূজা ফাউন্ডেশনে সাধারণ সম্পাদক
অসীম কুমার জোয়ার্দারসহ পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) পদক পেলেন ১২০ র্যাব সদস্য।
সেবা ও সাহসিকতা এবং পেশাগত কাজে অসামান্য অবদানের জন্য তারা এ পদক পেলেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলায় র্যাব সদর দপ্তরে আয়োজিত র্যাব মেমোরিয়াল ডে অনুষ্ঠানে এ পদক তুলে দেন র্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেন।
এ সময় পদক প্রদান ছাড়াও দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত ৩৩ র্যাব সদস্যের পরিবারের হাতে সম্মাননা ও আর্থিক অনুদান তুলে দেন র্যাব মহাপরিচালক।
এছাড়া র্যাবের মহাপরিচালক আভিযানিক কার্যক্রমে শহীদ র্যাব সদস্যদের স্মৃতি স্মরণে তাদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি
এই অর্ধেক জনসংখ্যাকে যদি আমরা পেছনে রাখি, শিক্ষা এবং অর্থনৈতিকভাবে তাদেরকে যদি ক্ষমতায়িত
করতে না পারি, তাহলে দেশকে কোনোভাবেই সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।’
আজ
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানীতে কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি মাঠে ‘ফ্যামিলি
কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে সারা দেশের ১৪টি স্থানে একযোগে
এই কার্ড বিতরণ শুরু হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারী ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ
মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকারের উদাহরণ টেনে তারেক রহমান বলেন, এর আগে দেশনেত্রী
বেগম খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তখন সমগ্র বাংলাদেশে তিনি নারীদের
স্কুল পর্যায় থেকে ইন্টারমিডিয়েট লেভেল পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিনামূল্যে করার
ব্যবস্থা করেছিলেন। সেই শিক্ষিত নারী সমাজকে আজকে আমরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়িত করতে
চাই, অর্থনৈতিকভাবে তাদের সচ্ছল করতে চাই।
সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বর্তমান সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করছে কীভাবে নারীর
ক্ষমতায়ন আমরা করব, অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল করে তুলব। তারই অংশ হিসেবে আজকে এই ফ্যামিলি
কার্ড আমরা সমগ্র বাংলাদেশে পর্যায়ক্রমে ইন্ট্রোডিউস (পরিচিত) করলাম।
তারেক
রহমান বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে ১৪টি জায়গায় বা ১৪টি উপজেলায় এই কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে
এই মুহূর্তে প্রায় ৩৭ হাজার নারী অংশগ্রহণ করছে। আমাদের এই কড়াইল এলাকা, ভাষানটেক এলাকা
এবং সাততলা এই তিন এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার নারীকে এই কার্ডের সুবিধার আওতায় আজকে নিয়ে
আসা হয়েছে।
সরকারের
পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন,‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সরকার পর্যায়ক্রমিকভাবে
বাংলাদেশে যে চার কোটি পরিবার রয়েছে, সেই চার কোটি পরিবারে যারা নারী প্রধান তাদের
কাছে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমিকভাবে সকলের কাছে এই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে যেতে
সক্ষম হবে।’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফল। এ উদ্যোগকে তিনি তাঁর সরকার
ও বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক একটি দিন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি
আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আজকের এই অনুষ্ঠানটি আমাদের জন্য অত্যন্ত একটি
গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, একটি স্মরণীয় দিন এবং একটি ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান।’
দায়িত্বশীল
সরকারের ভূমিকা পালন করার অঙ্গীকার করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা একটি
দায়িত্বশীল সরকারের ভূমিকা পালন করতে চাই, যে সরকার জনগণের জন্য কাজ করবে, যে সরকার
কাজ করবে দেশের জন্য।’
তিনি
বলেন, ‘আমরা জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে চাই এবং তারই একটি অংশ হিসেবে আমাদের দল বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দল নির্বাচনের পূর্বে আমরা বাংলাদেশের মানুষ ও নারী সমাজের কাছে প্রতিশ্রুতি
দিয়েছিলাম যে বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে আমরা এই ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু করব।
আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনে বিগত নির্বাচনে সরকার গঠন করার এক মাসেরও
কম সময়ের মধ্যে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কাজ আমরা শুরু করেছি।’
তিনি
জানান, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’
চালুর কাজও শুরু হয়েছে এবং আগামী মাসের মধ্যে অনেক কৃষকের হাতে সেই কার্ড তুলে দেওয়া
সম্ভব হবে।
এ
ছাড়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ
করা হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা কৃষক ভাইদের কাছে প্রতিশ্রুতি
দিয়েছিলাম, যাদের কৃষি ঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আছে, সুদসহ সেই ঋণ আমরা মওকুফ করব।
গত সপ্তাহে সেই ঋণ মওকুফ করা হয়েছে।’
ফ্যামিলি
কার্ড কর্মসূচি চালুর দিনটি তাঁর জন্য ব্যক্তিগতভাবে আবেগঘন বলেও উল্লেখ করেন তারেক
রহমান। তিনি বলেন, ‘এই ফ্যামিলি কার্ডটি ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য অত্যন্ত আবেগঘন। কারণ
অনেক বছর ধরে আমরা পরিকল্পনা করেছি, সুযোগ পেলে এটি বাস্তবায়ন করব। আল্লাহর রহমতে আজকে
আমরা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পেরেছি।’
মধ্যপ্রাচ্যের
অস্থিরতাসহ সমসাময়িক বৈশ্বিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের
মানুষের প্রত্যাশা বর্তমান সরকারের কাছে অনেক, সেটি আমরা বুঝতে পারি। আমরা যে প্রতিশ্রুতি
গুলো দিয়েছিলাম, তা থেকে বিন্দুমাত্র অবস্থান পরিবর্তন করব না। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির
কারণে ক্ষেত্রবিশেষে কিছু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে হয়তো সময় বেশি লাগতে পারে। তাই সবাইকে
ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলার অনুরোধ করছি।’
বক্তব্যের
শেষে তিনি তাঁর নির্বাচনী স্লোগান মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, প্রত্যেকটি নির্বাচনী জনসভায়
একটি কথা আমার বক্তব্যের শেষে আমি তুলে ধরতাম। সেই কথাটি ছোট্ট একটি স্লোগানের মাধ্যমে
আপনাদের সকলের কমবেশি জানা আছে, সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের কাছে স্লোগানটি পৌঁছে গেছে।
আজকে সেই স্লোগানটি দিয়েই আমি আমার বক্তব্য শেষ করতে চাই, সেই স্লোগানটি ছিল: করব কাজ,
গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ! সবার আগে বাংলাদেশ!
রাজধানীর
বনানীতে টিঅ্যান্ডটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে
যোগ দিতে সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সেখানে পৌঁছান। তবে, মঞ্চে ওঠার আগেই
তিনি সোজা চলে যান মাঠে অপেক্ষমাণ নারীদের কাছে।
এ
সময় প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন নারীরা। নানা স্লোগান দেন তারা। দেশের
প্রধানমন্ত্রীকে এতো কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকে।
মন্তব্য করুন


এয়ারবাসের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াউটার ভ্যান ওয়ার্শ আজ মঙ্গলবার লন্ডনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তাঁর হোটেলে সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (১০ জুন) লন্ডনের একটি হোটেলে এই সাক্ষাৎ হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা চার দিনের সরকারি সফরে আজ স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৫ মিনিটে লন্ডন পৌঁছান।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল শনিবার (৩০ নভেম্বর) কুমিল্লার মুরাদনগরে নিজ জন্মভূমিতে সংবর্ধিত হবেন স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, জুলাই বিপ্লবের অন্যতম এ নেতাকে বরণে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টায় মুরাদনগর ডিআর সরকারি হাইস্কুল মাঠে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেব বক্তব্য রাখবেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এরপর যাবেন পৈত্রিক বাড়ি আকুবপুরে। অনুষ্ঠানে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করবেন। উপদেষ্টার আগমন ঘিরে উপজেলা জুড়ে উৎসব আমেজ বিরাজ করছে। তরুণ এ উপদেষ্টার সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে উচ্ছ্বসিত ছাত্র সমন্বয়ক ও আয়োজকবৃন্দ।
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহমান জানান, মধ্যাহ্ন ভোজের আগে উপদেষ্টা উপজেলার কর্মকর্তাদের সাথে একটি মতবিনিময় করবেন। এরপর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে শীত বস্ত্র বিতরণ কমসূচিও রয়েছে। মুরাদনগরবাসীর পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবর্ধনার সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন।
মন্তব্য করুন


আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ২য় সভা আজ মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা এবং কমিটির আহবায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে করণীয়, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায়, পার্বত্য জেলাসমূহে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সশস্ত্র গ্রুপের অপতৎপরতা রোধে করণীয়, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও জঙ্গি প্রতিরোধ, নির্মূল ও নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ, অস্ত্র জমা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনা, বিভিন্ন মাজার-দরগা এর নিরাপত্তা বিধান, মাদকের বিস্তার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, গার্মেন্টস কারখানা ও ঔষধ শিল্পসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির তৎপরতা রোধে করণীয়, মায়ানমার সীমান্ত ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ এ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
মন্তব্য করুন


তীব্র
তাপদাহকালীন মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখা
সংক্রান্ত নতুন কিছু নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
রোববার
(১৯ মে) দেশের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও স্কুল এন্ড কলেজ এবং বেসরকারি নিম্ন
মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও স্কুল এন্ড কলেজের প্রধানদের কাছে এই
নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায়
বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন মাধ্যমিক
পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তীব্র তাপ প্রবাহকালীন শ্রেণি কার্যক্রম চালু অবস্থায়
নিম্নে বর্ণিত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো-
১।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রাত্যহিক সমাবেশ বন্ধ রাখা।
২।
শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালীন শ্রেণি কক্ষের সব দরজা-জানালা খোলা রাখা।
৩।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈদ্যুতিক পাখা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (যদি
থাকে) সচল রাখা।
৪।
পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানির সুব্যবস্থা রাখা।
৫।
শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থীদের প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পানের ব্যবস্থা করা।
৬।
নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা, যেন কোন শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক
জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা যায়।
৭।
প্রয়োজনীয় খাবার স্যালাইনের ব্যবস্থা রাখা।
৮।
শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক শ্রেণিকক্ষে অবস্থান নিশ্চিত করা।
৯।
বেলা ১১টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থীরা যেন যথাসম্ভব
সূর্যের আলো থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখে সে বিষয়টি নিশ্চিত করা।
মন্তব্য করুন


ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী জাহাঙ্গীর আলমের নামে থাকা প্রায় দুই কোটি টাকার জমি ও ফ্ল্যাট জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তার স্ত্রী কামরুন নাহারের নামে থাকা সাতটি ব্যাংক হিসাব সাময়িকভাবে অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক আবেদনের শুনানি শেষে মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ নির্দেশনা দেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জানান, জাহাঙ্গীর আলমের নামে নোয়াখালীর সদর ও চাটখিল উপজেলায় মোট ৩৫ শতাংশ জমি রয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য এক কোটি ৩৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৪০ টাকা। পাশাপাশি ঢাকার মিরপুর এলাকায় অবস্থিত ১ হাজার ৩৮৫ বর্গফুট আয়তনের একটি ফ্ল্যাটও জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছে, যার মূল্য ধরা হয়েছে ৪১ লাখ ৮২ হাজার টাকা।
এ ছাড়া তার স্ত্রী কামরুন নাহারের নামে পরিচালিত সাতটি ব্যাংক হিসাবে মোট এক কোটি তিন লাখ ৫৩ হাজার ৩৬৯ টাকা জমা রয়েছে বলে আদালতকে জানানো হয়। এসব হিসাবও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
জমি, ফ্ল্যাট জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আবেদন করেন দুদকের সহকারী পরিচালক পিয়াস পাল। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ১৮ কোটি ২৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তার ব্যক্তি মালিকানাধীন ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ৬২৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের তথ্য পাওয়ায় দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে সম্পদ জব্দ প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
অন্যদিকে, কামরুন নাহারের বিরুদ্ধেও ছয় কোটি ৮০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। তার নামে থাকা সঞ্চয়ী ও ডিপিএস মিলিয়ে সাতটি হিসাবে প্রায় পাঁচ কোটি ৯৬ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ায় দুদক পৃথক মামলা দায়ের করেছে। এ কারণেই ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদন করা হয়।
এর আগে ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা তার বাসায় কর্মরত এক পিয়নের অস্বাভাবিক সম্পদের কথা উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, ওই ব্যক্তি কয়েকশ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন এবং তার জীবনযাপনে হেলিকপ্টার ব্যবহারের কথাও বলেন। যদিও সে সময় নাম প্রকাশ করা হয়নি, তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি আলোচনায় এলে জাহাঙ্গীর আলমের নাম সামনে আসে। পরবর্তী সময়ে তার ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ দেওয়া হয়।
জাহাঙ্গীর আলম টানা দুই মেয়াদে শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিরোধী দলে থাকার সময়েও তিনি তার ব্যক্তিগত স্টাফ ছিলেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর জন্য বাসা থেকে খাবার ও পানি বহনের দায়িত্ব পালন করায় তিনি ‘পানি জাহাঙ্গীর’ নামেও পরিচিত ছিলেন। পরবর্তীতে নানা অভিযোগের মুখে তাকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম একসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয় ব্যবহার করে তদবির ও প্রভাব খাটিয়ে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হন এবং নোয়াখালী ও ঢাকায় উল্লেখযোগ্য সম্পদ গড়ে তোলেন। এ প্রেক্ষাপটে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই।
জুলাইয়ের গণআন্দোলনের পর শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দুদক তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের ঘোষণা দেয়। মামলার আগে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জাহাঙ্গীর আলম একটি নিম্ন আয়ের পরিবারের সন্তান এবং একসময় জাতীয় সংসদ ভবনে দৈনিক মজুরিতে কাজ করতেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তার আর্থিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন ঘটে। সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-১ (চাটখিল–সোনাইমুড়ী) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় দেওয়া হলফনামায় তিনি নিজের নামে প্রায় ২১ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তার স্ত্রী কামরুন নাহারের নামে প্রায় সাত কোটি ৩০ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য উল্লেখ করা হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
বৃহস্পতিবার
(১৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে নরেন্দ্র মোদী এই শুভেচ্ছা
জানিয়েছেন।
চিঠিতে
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতের জনগণ এবং ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে
এবং বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতীম জনগণকে ঈদুল ফিতরের আনন্দময় উৎসবে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।
নরেন্দ্র
মোদী বলেন, গত এক মাস ধরে ভারতের পাশাপাশি সারা বিশ্বের মুসলমানরা পবিত্র রমজান
মাস পালন করেছে।
রোজা
ও প্রার্থনায় পবিত্র সময় কাটিয়েছে। ঈদুল ফিতর উদযাপন আমাদের সমবেদনা, ভ্রাতৃত্ব
এবং ঐক্যের চিরকালীন মূল্যবোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। আমরা বিশ্বব্যাপী মানুষের জন্য
শান্তি, সম্প্রীতি, সুস্বাস্থ্য এবং সুখের আশা করি এবং প্রার্থনা করি।
তিনি
আরও বলেন, আমাদের দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও দৃঢ় হোক।
মন্তব্য করুন