

নেকবর
হোসেন,
কুমিল্লা
প্রতিনিধি:
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ‘নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু।
তিনি বলেন, ‘গ্রাম বাংলার মা-বোনদের সামাজিক বিবর্তন ও সাংস্কৃতিক জাগরণে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যাপক ভূমিকায় তিনি (খালেদা জিয়া) নোবেল প্রাইজ পাওয়ার যোগ্য। গ্রাম বাংলার মা-বোনদের সংস্কৃতির যে বিবর্তন তার একমাত্র কারণ খালেদা জিয়া।’
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন।
বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে মেয়েদের বিনা বেতনে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করেছেন। উপবৃত্তির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তখন অনেকে আমাকে বলেছিলেন ‘মেয়েদের ফ্রি লেখাপড়া হচ্ছে, ছেলেদের কী হবে?’ তখন আমি খালেদা জিয়াকে বিষয়টি বললাম, এর উত্তরে তিনি বলেন- ‘আজকে যেসব মেয়ে লেখাপড়া করছে তারাই একদিন মা হবেন। যে পরিবারে মা শিক্ষিত সেই পরিবারের সন্তান শিক্ষিত হয়।’ তার এ যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত মা-বোনদের সামাজিক ও সংস্কৃতিক বিবর্তনে অন্যতম অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। ৯০-এর গণঅভ্যুত্থান খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছিল। সেই অভ্যুত্থানের পর চাইলে সেনাবাহিনী ক্ষমতা নিয়ে যেতে পারত। কিন্তু তারা ক্ষমতা নেয়নি। কারণ আমাদের সেনাবাহিনী দেশপ্রেমিক ও মুক্তিযুদ্ধের বাহিনী। তারপর ১৯৯১ সালে একটি ব্যাপক গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে। যে নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। শেখ মুজিব বাকশাল গঠন করে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে বাকশাল বহাল না রেখে কেউ কোনো নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে চাইলে রাষ্ট্রপতি বরাবর আবেদন করার কথা বলেন। এরপরই আব্দুল মালেক উকিল প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কাছে আওয়ামী লীগকে পুনরায় গঠন করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি চান। সেই আ.লীগ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অনুদানে প্রাপ্ত দল। সেদিন যদি মালিক উকিলের আবেদনে জিয়াউর রহমান সাড়া না দিতেন তাহলে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব থাকত না।’
আগামী নির্বাচন বিএনপির জন্য সহজ নয় উল্লেখ করে বরকত উল্লাহ বুলু আরও বলেন, দেশি-বিদেশি অনেক শক্তিই বিএনপির বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। ভূ-রাজনৈতিক কারণে সারা বিশ্বের অনেক ঈগল পাখির চোখ বাংলাদেশে। সেই চোখ উপেক্ষা করে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে। এর জন্য বিএনপির বিকল্প নেই। আমরা উগ্র রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। যারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাকে বিশ্বাস করে না, তাদের বাংলাদেশে ভোট চাওয়ার ও রাজনীতি করার অধিকার নেই।
নেতাদের উদ্দেশ্যে বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, আপনারা এমন কোনো আচরণ করবেন না, যে কারণে বিএনপি, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তারেক রহমানকে নিয়ে কথা উঠে। আর কেউ যদি এমন আচরণ করেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো হাইব্রিড যেন বিএনপিতে স্থান না পায় সে বিষয়ে সতর্ক নজর রাখতে হবে বলেও আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাক মিয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর মাহমুদ ওয়াসিম, যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজি জসিম উদ্দিন, বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, স্বজনপ্রীতি পরিহার করে স্বচ্ছতার সঙ্গে
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করতে হবে। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা সরকারি সহায়তা পাবেন।
তিনি
আরও বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান ও দু’জন
সমাজসেবকের সমন্বয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে টিম গঠন করা হবে। এর মাধ্যমে
উপকারভোগীদের যথার্থতা যাচাই করে সম্পূর্ণ দলীয়প্রভাবমুক্ত থেকে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা যাবে।
আজ
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশাল সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে জেলা পর্যায়ের
কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিসংখ্যান
ব্যুরোর কাজের নির্ভুলতা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, একটি রাষ্ট্র কতটা সভ্যতা
ও প্রাতিষ্ঠানিক চরিত্র অর্জন করেছে সেটা নির্ভর করে সঠিক পরিসংখ্যানের ওপর। এক্ষেত্রে
নিখুঁত তথ্য সংগ্রহ, তথ্যের সংরক্ষণ এবং দ্রুত তথ্য সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জহির
উদ্দিন স্বপন বলেন, আধুনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ডাটাবেস
সিস্টেম। সঠিক ডাটাবেস সিস্টেম না থাকলে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব নয়। বরিশালের
স্বাস্থ্যসেবাকে আধুনিকীকরণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ দিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বরিশাল দক্ষিণ
বাংলার রাজধানী হওয়া সত্ত্বেও উন্নত চিকিৎসার অভাব রয়েছে।
তিনি
বলেন, গুরুতর অসুস্থ রোগীদের সুচিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়া কষ্টসাধ্য এবং সাধারণ মানুষের
জন্য ব্যয়বহুল। এই সংকট নিরসনে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন
হাসপাতালে রূপান্তর করা এখন সময়ের দাবী। বরিশালে
একটি বিশেষায়িত ট্রমা সেন্টার স্থাপন করাও জরুরি হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
মতবিনিময়
সভায় জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পুলিশ
সুপার ফারজানা ইসলাম। সভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে
ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা।
তিনি
বলেন, সরকার শুরু থেকেই তিনটি ম্যান্ডেট সামনে রেখেছিল- বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচন।
এর মধ্যে সর্বশেষ ম্যান্ডেট ছিল নির্বাচন আয়োজন।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ১২ ফেব্রুয়ারি ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অবস্থিত আনন্দ স্কুল (সরকারি জামিলা আইনুল আনন্দ স্কুল অ্যান্ড
কলেজ) ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদান ও কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে
তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা
বলেন, ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করছেন, এখানে কারও ব্যক্তিগত পছন্দ
চাপিয়ে দেয়ার সুযোগ নেই।
তিনি
বলেন, মানুষের মধ্যে ভোট নিয়ে আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনী বুথগুলো অত্যন্ত
সুশৃঙ্খল এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকারের পদটি প্রধান বিরোধী
দল জামায়াতে ইসলামকে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদের সমঝোতার প্রতি
সম্মান জানিয়ে সংসদে ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দল থেকে নিয়োগ দেওয়া হবে।
সোমবার
(২ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে বের
হয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, ঐক্যমতের ভিত্তিতে জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে। রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে
জুলাই জাতীয় সনদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমরা এখন থেকে তা বাস্তবায়ন শুরু করতে চাই।
সেজন্য আমরা আমাদের দলের পক্ষ থেকে প্রধান বিরোধী দলকে মৌখিক ও সাক্ষাতে অফার করেছি
যে তারা যেন ডেপুটি ঠিক করেন। এবং স্পিকার নির্বাচনের দিনই যেন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত
হতে পারে।
তাহলে
কি এবারই উচ্চকক্ষ গঠিত হচ্ছে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আলাপ-আলোচনার বিষয়। তবে
আমরা ডেপুটি স্পিকার দেওয়ার বিষয়টি এখন অফার করতেই পারি। যদিও চাইলে সরকারি দল স্পিকার
ও ডেপুটি স্পিকার দুটোই নিতে পারে। তবে জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী ডেপুটি স্পিকার একজন
বিরোধী দল থেকে হবেন। সেটা আমরা এখনই গুড উইল হিসেবে অফার করেছি।
মন্তব্য করুন


বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামী ১২ তারিখের
নির্বাচন যাতে কেউ বানচাল করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, সবাইকে সজাগ
থাকতে হবে। জনগণ যদি ১২ তারিখে সতর্ক থাকে তাহলে ১৩ তারিখ থেকে শুরু হবে জনগণের দিন
ইনশাআল্লাহ। এই বাংলাদেশে ১৩ তারিখ থেকে হবে জনগণের দিন। জনগণের প্রত্যাশা, জনগণের
আশা, জনগণের আকাঙ্ক্ষা, যে সকল আছে সেসব বিষয়ের কাজগুলো ধীরে ধীরে পর্যায়ক্রমিকভাবে
শুরু হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক
মাদরাসা মাঠে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক
রহমান।
তারেক রহমান বলেন, একটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করছে। ভেতরে
ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে। কীভাবে এই নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যায়, কীভাবে বাধাগ্রস্ত
করা যায়।
তিনি আরও বলেন, বেকারদের কর্মসংস্থানের সমস্যার সমাধানের
কাজ শুরু হবে, মা-বোনদের ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু হবে, কৃষক ভাইদের কৃষক কার্ডের
কাজ শুরু হবে, পদ্মা ব্যারেজের কাজ আমরা শুরু করব। কৃষি লোন মওকুফের কাজ শুরু করব।
এই কাজগুলো হচ্ছে জনগণের কাজ। এই কাজগুলো ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখে ধানের শীষ জয়যুক্ত করলে
পরে ইনশাআল্লাহ ১৩ তারিখ থেকে শুরু হবে জনগণের জয়যাত্রা।
এ সময় রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিএনপির প্রার্থীদের
পরিচয় করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেকের হাতে আমি ধানের শীষ তুলে দিয়ে গেলাম। এখন আপনাদের
দায়িত্ব হচ্ছে ১২ তারিখ পর্যন্ত এদেরকে দেখে রাখা। ১২ তারিখে ইনশাআল্লাহ ভোট দিয়েন।
যখন আপনারা জিতিয়ে আনবেন তখন ১৩ তারিখ থেকে এদের দায়িত্ব হচ্ছে আপনাদেরকে দেখে রাখা।
জনসভায় সভাপতিত্ব করবেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি
মামুন-অর-রশিদ।
সঞ্চালনায় ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক
মাহফুজুর রহমান রিটন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন। তার আগমন ঘিরে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয়
সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বিএনপি। রাজনৈতিক অঙ্গনে তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে
আলোচনা চললেও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে তারেক রহমানের
আদরের পোষা বিড়াল ‘জেবু’।
নেটিজেনদের
মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—তারেক রহমানের সঙ্গে কি জেবুও দেশে ফিরছে? ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রে জানা
গেছে, সাইবেরিয়ান ব্রিডের সাত বছর বয়সী এই বিড়ালটির জন্য পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিক
অনুমোদন ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে। ফলে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে, তারেক রহমান পরিবারসহ
তার আদরের পোষা বিড়াল জেবুকেও সঙ্গে নিয়েই দেশে ফিরছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
তারেক রহমানের ব্যস্ত সময়ের ফাঁকে পোষা বিড়াল জেবুর সঙ্গে খুনসুটি করার বিভিন্ন ছবি
ও মুহূর্ত আগেও বহুবার ভাইরাল হয়েছে। প্রাণীর প্রতি তার ভালোবাসা নেটিজেনদের মাঝে নানা
সময় প্রশংসাও কুড়িয়েছে।
সম্প্রতি বিবিসি
বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান তার পোষা প্রাণী এবং প্রাণীপ্রেমের বিষয়ে
তিনি বলেন, বিড়ালটি মূলত তার মেয়ের, তবে এখন পরিবারের সবারই আদরের হয়ে উঠেছে। সেই
সাক্ষাৎকারে তিনি বিড়ালের নাম ‘জেবু’ বলেও উল্লেখ করেন।
মানবিক ও ধর্মীয়
দৃষ্টিকোণ থেকে প্রাণীর প্রতি মমতার বিষয়েও তিনি মত প্রকাশ করেন। তারেক রহমান বলেন,
আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন— তাই তার প্রতিটি সৃষ্টির প্রতি
সম্মান ও যত্ন নেয়া মানুষের দায়িত্ব। প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হলে মানুষের জীবন বিপন্ন
হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সরকার সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার
খাল খননের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। শিগগিরই এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।
এরই অংশ হিসেবে বরিশালে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু হলো।
আজ
রবিবার ( ২২ ফেব্রুয়ারি ) বেলা ১১টায় কপালতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এসব
কথা বলেন। খালটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কাঁদাপাশা এলাকায় অবস্থিত।
মন্ত্রী
বলেন, বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলা সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ পুনঃখনন
কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে পানি ব্যবস্থাপনা উন্নত হবে এবং কৃষি উৎপাদন
বাড়বে।
তথ্যমন্ত্রী
আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে একসময় খাদ্য
উৎপাদনের সুফল পেয়েছে দেশের মানুষ। পরবর্তীতে খালগুলো মরে যাওয়ায় কৃষি উৎপাদন ব্যাহত
হয়েছে।
তিনি
বলেন, শহীদ জিয়ার খাল খননের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
নেতৃত্বে নতুন করে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জোয়ার-ভাটার পানি সরাসরি
কৃষকের জমিতে পৌঁছে যাবে।
তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, খাল পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি সরকারের বনায়ন কর্মসূচির অংশ
হিসেবে বৃক্ষরোপণ অভিযানও শুরু হয়েছে। আগামীতে এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
গণতান্ত্রিক
শাসনব্যবস্থার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরে স্বপন বলেন, আমরা দলীয় সরকার বা দলীয়
রাষ্ট্র গড়তে চাই না, জনগণের সরকার গড়তে চাই।
তিনি
বলেন, পরবর্তীতে নির্বাচিত হলে আমরা দায়িত্বে থাকব, না হলে সরে দাঁড়াব। তবে নির্বাচনী
ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হবে।
জহির
উদ্দিন স্বপন বলেন, জনগণের সেবায় কার্যকরভাবে কাজ করতে বেসামরিক প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীর
জন্য উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, ঐক্যবিহীন সংস্কার কিংবা সংস্কারবিহীন নির্বাচন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে
পারবে না।
আজ শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর
কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ আয়োজিত ‘ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন’
শীর্ষক জাতীয় সংলাপে দেওয়া ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আপনারা এই সংলাপে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছেন; ‘ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন’।
সংস্কার বিষয়ে আমাদের মধ্যে ঐকমত্য প্রয়োজন। এই তিন লক্ষ্যের কোনোটিকে ছাড়া কোনোটি
সফল হতে পারবে না। ঐক্যবিহীন সংস্কার কিংবা সংস্কারবিহীন নির্বাচন বাংলাদেশকে এগিয়ে
নিতে পারবে না।
সংস্কার ও নির্বাচনের প্রস্তুতি একই
সঙ্গে চলতে থাকবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, নির্বাচনের
প্রস্তুতির কাজ মূলত নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু সংস্কারের কাজে সকল নাগরিককে অংশগ্রহণ
করতে হবে। যারা ভোটার তারা তো অংশগ্রহণ করবেনই, তার সঙ্গে যারা ভবিষ্যতে ভোটার হবেন
তারাও সর্বাত্মকভাবে সংস্কারের কাজে নিজেদেরকে
নিয়োজিত করুন। সংস্কারের কাজটা নাগরিকদের
জন্য সহজ করতে আমরা ১৫টি সংস্কার কমিশন গঠন করে দিয়েছিলাম। তাদের প্রতিবেদন জানুয়ারি
মাসে পেয়ে যাব। প্রত্যেক সংস্কার কমিশনের দায়িত্ব হলো প্রধান বিকল্পগুলো চিহ্নিত
করে তার মধ্য থেকে একটি বিকল্পকে জাতির জন্য সুপারিশ করা। যার যার ক্ষেত্রে সংস্কারের
মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কীভাবে রচিত হবে তা বিভিন্ন পক্ষের মতামত নিয়ে সুপারিশমালা তৈরি করে
দেওয়া, নাগরিকদের পক্ষে মতামত স্থির করা সহজ করে দেওয়া। কমিশনের প্রতিবেদনে সুপারিশ
করলেই আমাকে-আপনাকে তা মেনে নিতে হবে এমন কোনো কথা নেই। এজন্য সর্বশেষ পর্যায়ে জাতীয়
ঐকমত্য গঠন কমিশন গঠন করা হয়েছে। যেমন একটা উদাহরণ দেই। কোন বয়সে একজন নাগরিক ভোটার
হতে পারবে তার জন্য নানা দেশে নানা বয়স নির্ধারণ করা আছে। নির্বাচন সংস্কার কমিশন
নিশ্চয়ই এরকম একটা বয়স সুপারিশ করবে। সে বয়স আমার পছন্দ হতেও পারে না-ও হতে পারে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ধরুন আমি
তরুণদের তাড়াতাড়ি ভোটার করার পক্ষে। যে যত তরুণ, পরিবর্তনের প্রতি তার আগ্রহ তত বেশি-এই
হলো আমার যুক্তি। তরুণরা সংখ্যায়ও বেশি। দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা আগ্রহী। নিজের ভবিষ্যৎ
নিয়ে তার মতামত নেওয়ার জন্য আমি মনে করি ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারিত হওয়া উচিত।
নির্বাচন সংস্কার কমিশন কী সুপারিশ করবেন তা আমার জানা নেই। কিন্তু দেশের বেশিরভাগ
মানুষ যদি কমিশনের সুপারিশ করা বয়স পছন্দ করে, ঐকমত্যে পৌঁছার জন্য আমি তা মেনে নেব।
সবকটা কমিশন মিলে আমাদের সামনে বহু সুপারিশ তুলে ধরবে। আমরা এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছি
যে যার যাই মতামত হোক না কেন আমরা দ্রুত একটা ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত করে সংস্কারের কাজগুলো
করে ফেলতে চাই। নির্বাচনের পথে যেন এগিয়ে যেতে পারি সেই ব্যবস্থা করতে চাই।
মন্তব্য করুন


শিল্প,
গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর
রহমান খান বলেছেন, দেশের প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা
করছে।
শনিবার
দুপুরে মাদারীপুরে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত ও স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন
শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তি আসন্ন নির্বাচনে বাধা
দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকার একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন
আয়োজন করবে। যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবে, তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
উপদেষ্টা
আরও বলেন, বাংলাদেশের কোনো দেশপ্রেমিক মানুষই নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করবে না। দেশের
প্রতিটি নাগরিকই আগামী নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এগিয়ে আসবে এবং সরকারকে সহযোগিতা
করবে।
এর
আগে তিনি মঠের বাজার এলাকায় জুলাই আন্দোলনে শহীদ নাইমুর রহমান ও শহীদ মামুনের কবর জিয়ারত
করেন এবং স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে শিবচর উপজেলায় হাউজিং প্রকল্প
ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্টের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।
এ
সময় মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আল নোমানসহ প্রশাসনের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা
বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত বিভিন্ন জেলায় গিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনের পাশাপাশি
জুলাই আন্দোলনের শহীদদের কবর জিয়ারত করা হচ্ছে এবং তাদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
বরিশাল বিভাগীয় জনসভা শুরু হয়েছে। আজ বুধবার ( ০৪ ফেব্রুয়ারি ) সকাল ১১টায় বরিশাল
বেলস পার্কে আয়োজিত এই জনসভা শুরু হয়। ইতিমধ্যে বিভাগের ছয়টি জেলা থেকে বিএনপি নেতাকর্মী
ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে সমাবেশ প্রাঙ্গণ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। শুরুতে
বক্তব্য রাখছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
দুপুর
১২টায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই জনসভার মঞ্চে উপস্থিত হবেন। এরপর তিনি নেতাকর্মীদের
উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন।
এখনো
খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও মহানগরের নেতাকর্মীরা সমাবেশে যোগ দিতে
আসছেন। নেতাকর্মীদের চোখেমুখে আনন্দের ছাপ দেখা যাচ্ছে।
দীর্ঘ
২০ বছর পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরিশালে আসছেন। জনসভায় বিভাগের ২১টি সংসদীয়
আসনের বিএনপি ও জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীরা উপস্থিত থাকবেন।
বিএনপির
বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, আমাদের দলীয় চেয়ারম্যান
তারেক রহমান ১২টায় সভা মঞ্চে আসবেন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন। দীর্ঘ ২০ বছর পর
তিনি বরিশালে আসছেন তাই বরিশালবাসীর অনেক চাওয়া-পাওয়া তার কাছে থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।
কারণ
বরিশালের যত উন্নয়ন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া
এবং তারেক রহমান করেছেন।
তিনি
বলেন, দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে জনসভায় যোগ দিতে আসছেন
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে একবার দেখার জন্য।
মন্তব্য করুন


ইন্টারপোলের ৯৩তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে মরক্কো গেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। আজ রোববার (২৩ নভেম্বর) তিনি মরক্কোর উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন।
আগামি সোমবার (২৪ নভেম্বর) থেকে ইন্টারপোলের সদস্যভুক্ত বিশ্বের ১৯৬ দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে মরক্কোর মারাকেশে ৪ দিনব্যাপী এ সম্মেলন শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সম্মেলন শেষ হবে। আইজিপি সম্মেলন শেষে আগামী ৩০ নভেম্বর দেশে ফিরবেন।
পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, সম্মেলনে ৩ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন পুলিশ প্রধান বাহারুল আলম। তিনি সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের পুলিশ প্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন। এসব অনুষ্ঠানে ইনফরমেশন শেয়ারিং (তথ্য আদান-প্রদান), যৌথ কার্যক্রম, সক্ষমতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময় করবেন। ইন্টারপোলের সাধারণ অধিবেশন বৈশ্বিক পরিসরে পুলিশি সহযোগিতার সর্ববৃহত আয়োজন। সম্মেলনে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, সাইবার অপরাধ দমন, মানবপাচার, অর্গানাইজড ক্রাইম (সংঘবদ্ধ অপরাধ), ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সীমান্তপারের অপরাধ), পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক সমন্বয়সহ গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ে নীতিনির্ধারণী আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
ইন্টারপোলের বার্ষিক সম্মেলনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে সংস্থাটির নীতি, কার্যপদ্ধতি, বাজেট এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। ইন্টারপোলের এবারের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি, বহুপাক্ষিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন