

ন্যায় ও ইনসাফের নতুন বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে সাধারণ একজন নাগরিক অপরাধের জন্য যেই শাস্তি পাবে প্রেসিডেন্টও অপরাধ করলে একই শাস্তি পাবে। বিচারের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অপরাধ বিবেচ্য বিষয় হবে। অপরাধ করলে কেউ ছাড় পাবে না। তিনি বলেন, ‘‘জামায়াত ক্ষমতায় গেলে প্রতি ৬ মাস পরপর জনপ্রতিনিধিদের জনগণের মুখোমুখি হতে হবে’’। বিগত ৬ মাসে জনগণের জন্য কী কী কাজ করেছে এবং পরবর্তী ৬ মাসে জনগণের জন্য কী কী কাজ করবে তার হিসাব জনগণকে দিতে হবে। জনগণের টাকায় দেশ চললে অবশ্যই জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জনপ্রতিনিধির নামে জনগণকে শোষণ করার দিন শেষ। জনপ্রতিনিধিদের শাসক নয় সেবক হতে হবে। দেশের সব নদী, খাল-বিল রক্ষায় জনপ্রতিনিধিদের বছরে ৪ বার নদী ও খাল-বিলে গোসল করানো হবে। কোনো এমপি, মেয়র, কমিশনার, চেয়ারম্যান বা মেম্বার ক্ষমতার প্রভাবে নদী, খাল-বিল দখল করতে পারবে না এবং ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করতে হবে না। যদি করে তাকে ময়লার ভাগাড়েই গোসল করতে হবে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-৪ ও ৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের কবল থেকে জাতিকে মুক্ত করতে যাত্রাবাড়ী অঞ্চলের মানুষ সর্বোচ্চ ত্যাগ শিকার করেছে। এই অঞ্চল শহীদের রক্তে রঞ্জিত। এই অঞ্চলের দায় রাষ্ট্রকেই শোধ করতে হবে। ঢাকা-৪ ও ৫ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা নিজ-নিজ এলাকার যেই সমস্যাগুলো তুলে ধরেছে জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে সকল সমস্যা গুলো সমাধান করা হবে।
কওমী মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে আমীরে জামায়াত বলেন, কওমী মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিটি সরকার চরম অবহেলা করেছে। কওমী মাদ্রাসার সিনিয়র লেভেলের সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হলেও নিচের দিকের কোনো সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। কেউ তাদের স্বীকৃতি না দিলেও জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে কওমী মাদ্রাসার সর্বস্তরের সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় বাংলা ভাষার পাশাপাশি আরবি ও ইংরেজি ভাষার উপর গুরত্বারোপ করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সারাবিশ্বে আমাদের আগামী প্রজন্ম দক্ষতার স্বাক্ষর রাখতে হবে। জামায়াতে ইসলামী সেই সুযোগ সৃষ্টি করবে। যুবকদের বেকার ভাতার নয় দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়ে তোলা হবে উল্লেখ করে আমীরে জামায়াত বলেন, বেকারত্ব জাতির অভিশাপ। যারা জাতিকে নিয়ে ভাবে না, জাতির জন্য যাদের পরিকল্পনা নেই; তারাই যুবকদের বেকার ভাতার দেওয়ার ঘোষণা দেয়। জামায়াতে ইসলামী যুবসমাজকে দক্ষ জাতি হিসেবে গড়ে তুলবে।
আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘‘পরিবারের মতোই দেশকে নারী-পুরুষের সমন্বয়ে গড়ে তুলতে হবে’’। বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতিতে সমানভাবে নারীরা অংশগ্রহনের সুযোগ পাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে, ‘‘নারী সমাজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় মহিলাদের জন্য বড় শহরে ইভেনিং বাস সার্ভিস চালু করা হবে’’। নারী সমাজের অধিকার, স্বাধীনতা, মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রীয়ভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা কোনভাবেই মেনে নেওয়া হবে না, সহ্য করা হবে না। তিনি আরও বলেন, আমরা ফ্যাসিবাদের ছায়ামুক্ত বাংলাদেশ চাই, আধিপাত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ চাই। যারা জনগণের মুখের ভাষা বুঝতে পারে না, জনগণ তাদেরকে ১২ ফেব্রুয়ারি সেটি বুঝিয়ে দিবে। নতুনরূপে কোনো ফ্যাসিবাদ জনগণ মেনে নেবে না। দেশের জনগণের অর্থে কেনা অস্ত্রে জনগণের বুকে আর গুলি চালানোর দৃশ্য দেখতে চাই না।
যারা চাঁদাবাজি নামক নতুন পেশা চালু করেছে তাদের উদ্দেশ্যে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে আমরা কোনো মায়ের সন্তানকে চাঁদাবাজ হতে দেবো না। চাঁদাবাজরা যদি তাওবা করে সরল পথে ফিরে আসে তাদের জন্যও আমরা কর্মের ব্যবস্থা করবো। তাদের আমরা বলবো যেই যেই ব্যবসায়ী থেকে চাঁদা নিয়েছিলে তাদের টাকা ফেরত দিয়ে আসো। চাঁদাবাজরা চাঁদা ফেরত দিয়ে আসলে রাষ্ট্র তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। একটি সুখি-সমৃদ্ধ মানবিক বাংলাদেশ গড়তে সমাজের অপরাধ দমনের জন্য যা যা করণীয় তার সব কিছু করা হবে। চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করতে বিশেষ অ্যাপস চালু হবে। সেই অ্যাপসের তথ্যের আলোকে চাঁদাবাজ মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। পরিশেষে তিনি উপস্থিত জনসাধারণকে জুলাই সনদের বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেনম, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি- ‘না’ মানে গোলামী।
১১ দলীয় জোট সমর্থিত ঢাকা-৫ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ঢাকা-৫ আসনে জলাবদ্ধতায় মানুষ নিদারুণ কষ্ট ভোগ করছে। এই এলাকাকে ময়লার ভাগাড় করে রাখা হয়েছে। বিগত সময়ে এই এলাকায় উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি। এখানকার দুটি জুটমিল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে বন্ধ থাকা জুটমিল দুটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া সহ মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। আমীরে জামায়াতের নির্দেশনার আলোকে জামায়াতের কোনো এমপি শাসক হবে না সেবক হবে। ভোগবিলাসের জন্য জনপ্রতিনিধি না হওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যত্যয় করে মোহাম্মদ কামাল হোসেন, ঢাকা-৫ সংসদীয় এলাকাকে নতুনরূপে গড়ে তুলতে তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চান।
১১ দলীয় জোট সমর্থিত ঢাকা-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকা হচ্ছে অবহেলিত এলাকা। আগামীতে জনগণ জামায়াতে ইসলামীকে নির্বাচিত করলে ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকাকে আধুনিক ঢাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, এই এলাকায় খেলাধুলার জন্য কোনো মাঠ নেই যার ফলে যুব সমাজ খেলাধুলার পরিবর্তে মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। যুবসমাজের খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের জন্য এই এলাকায় একটি খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে। এখানে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র নেই, সড়কের বেহাল দশা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার দূরবস্থা, গ্যাস সংকট নিত্যদিনের সঙ্গী। জনগণের যাবতীয় সমস্যা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধান করাই তার মূল লক্ষ্য বলে তিনি উপস্থিত জনসাধারণকে জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুর রব, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা-৫ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন, ঢাকা-৪ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মুফতি মুখলেসুর রহমান কাসেমী, জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য এবং জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক মোকাররম হোসাইন খান, জাকসু জিএস মাজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-৫ আসন কমিটির পরিচালক আব্দুস সালাম, ঢাকা-৪ আসন কমিটির পরিচালক ও কদমতলী থানা আমীর আব্দুর রহিম জীবন।
যাত্রাবাড়ী মধ্য থানা আমীর এডভোকেট এ.কে আজাদের পরিচালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জুলাই আন্দোলনের শহীদ আসলামের বোন শারমিন, এনসিপির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার, খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি মুফতি সানাউল্লাহ আমিনী, নেজামে ইসলাম পার্টি যাত্রাবাড়ী থানা সভাপতি মাওলানা ওহিদুজ্জামান, খেলাফত আন্দোলন যাত্রাবাড়ী থানা সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা লুৎফুর রহমান, ঢাকা-৫ আসন কমিটির সহকারী পরিচালক ও যাত্রাবাড়ী পূর্ব থানা আমীর মো. শাহজাহান খান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি মো. হেলাল উদ্দীন রুবেল, ঢাকা-৫ আসন কমিটির সদস্য সচিব ও ডেমরা মধ্য থানা আমীর মোহাম্মদ আলী, ঢাকা-৪ আসন কমিটির সদস্য সচিব ও কদমতলী মধ্য থানা আমীর মো. মহিউদ্দীন, যাত্রাবাড়ী উত্তর থানা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা জাকির হোসেন, শ্যামপুর থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দীন, কদমতলী দক্ষিণ থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান, শ্যামপুর পশ্চিম থানা আমীর মাওলানা আব্দুর রব ফারুকী, যাত্রাবাড়ী থানা আমীর মাওলানা সাদিক বিল্লাহ, ডেমরা উত্তর থানা আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, যাত্রাবাড়ী-কোনাপাড়া থানা আমীর মো. আখতারুজ্জামান চয়ন, যাত্রাবাড়ী পশ্চিম থানা আমীর মাওলানা আবুল হোসাইন, ডেমরা দক্ষিণ থানা আমীর মির্জা মো. হেলাল, ডেমরা পশ্চিম থানা আমীর মাওলানা মো. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের সকল থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে জননেতা আব্দুস সবুর ফকির বলেন, যাত্রবাড়ী শহীদের রক্তে রর্জিত এক ভূমি। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট পালিয়ে যাওয়ার পরও যাত্রাবাড়ীতে সন্ধ্যা পর্যন্ত গুলি চালানো হয়েছে। গুলি শেষ না হওয়া পর্যন্ত জনগণের বুকে গুলি চালানো হয়েছে। ফ্যাসিবাদের কবল থেকে জাতিকে মুক্ত করতে যাত্রাবাড়ী এলাকার জনগণের ত্যাগ সর্বোচ্চ। এই ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই এলাকাকে নতুনরূপে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, যাদের সামজের কল্যাণে রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি নাই তারাই এখনো একাত্তরের পরে আছে। জনগণের কল্যাণে কর্মসূচি না থাকলে আওয়ামী লীগের মতোই দেশ থেকে বিদায়ী নিতে হতে পারে উল্লেখ করে তিনি সকল দলকে জনগণের কল্যাণে জাতির স্বার্থে রাজনীতি করার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সাথে আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি।
সাক্ষাৎকালে, সেনাপ্রধান আসন্ন ঈদে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনী কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ; লঞ্চ টার্মিনাল, ট্রেন স্টেশন ও বাসস্ট্যান্ডসমূহে নিরাপদ সেবা নিশ্চিতকরণসহ সকল সড়কে নিরবিচ্ছিন্ন যান চলাচল; শিল্পাঞ্চলের মালিকদের সাথে শ্রমিকদের বোঝাপড়ার ব্যবস্থাকরণ এবং সেনাবাহিনীর চলমান বিবিধ কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা'কে অবহিত করেন। এছাড়া, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের সম্মানে দেশের সকল সেনানিবাসে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন এবং আহত যোদ্ধা ও শহীদ যোদ্ধাগণের পরিবারবর্গকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান সম্পর্কেও প্রধান উপদেষ্টা'কে অবহিত করা হয়। পরিশেষে, সেনাবাহিনী প্রধান মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা'কে অগ্রিম ঈদ শুভেচ্ছা জানান।
প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মোহাম্মদ ইসহাক দার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) বৈঠকে দুই নেতা
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান
বৃদ্ধি, তরুণ প্রজন্মের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সার্কের মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবনের
ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপপ্রধানমন্ত্রী দার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
মোহাম্মদ শেহবাজ শরিফের শুভেচ্ছা পৌঁছে দিয়ে বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী আপনাকে আন্তরিক
শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসও উষ্ণ শুভেচ্ছা
জানিয়ে শরিফের সঙ্গে অতীতে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘প্রতি বার আমাদের
সাক্ষাতে সার্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অভিন্ন, সার্ক আমাদের উভয়ের
কাছেই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত।
ইসহাক দার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির
সুযোগ তুলে ধরে বলেন, আমাদের দুই অর্থনীতি পরিপূরক। বহু ক্ষেত্রে আমরা একসঙ্গে কাজ
করতে পারি। তিনি দারিদ্র্য বিমোচন ও কমিউনিটি ভিত্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে অধ্যাপক
ইউনূসের ভূমিকার উচ্চ প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশ সৌভাগ্যবান যে, আপনার মতো একজন সরকারপ্রধান
রয়েছে— আপনি এমন একজন নেতা যিনি বিশ্বকে অনুপ্রাণিত
করেন।
সফরকালে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের বাণিজ্য ও জ্বালানি উপদেষ্টাসহ কয়েকজন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বিভিন্ন
রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আহ্বান
জানিয়ে বলেন, আমি সার্ককে উৎসাহিত করি এবং পাকিস্তানসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের
সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের একটি হিসেবে দেখি।
তিনি সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে
ধরে বলেন, যখন পাকিস্তানি শিল্পীরা বাংলাদেশে গান পরিবেশনা করেন, সবাই তাদের প্রশংসা
করে। এই চেতনার ওপরই আমাদের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
১৩ বছর পর বাংলাদেশ সফরে আসা পাকিস্তানের
কোন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন ইসহাক দার। তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে নৌ ও বিমান যোগাযোগ
উন্নত করার প্রচেষ্টা চলছে।
ইসহাক দার বলেন, অক্টোবরের মধ্যে ফ্লাই
জিন্নাহ ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া পিআইএও বেসরকারিকরণের
পর ঢাকা রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে।
বৈঠকে উভয় নেতা আশাবাদ ব্যক্ত করেন
যে, বাণিজ্য বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা দক্ষিণ এশিয়াকে আরও স্থিতিশীল
ও সমৃদ্ধ করবে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক
বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
(সূত্র- বাসস)
মন্তব্য করুন


ঢাকা-৯ আসন (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা) থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এনসিপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা। এ লক্ষ্যে তিনি ভোটারদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তাসনিম জারা জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে অন্তত ৪ হাজার ৬৯৩ জন ভোটারের স্বাক্ষর জমা দিতে হবে। তবে সময় হাতে রয়েছে মাত্র একদিন, যা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার ভাষায়, সবার সম্মিলিত সহযোগিতা ছাড়া এত অল্প সময়ে প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর সংগ্রহ করা অত্যন্ত কঠিন। তিনি ঢাকা-৯ আসনের যেকোনো ভোটার বা তাদের পরিচিতদের নির্ধারিত বুথে এসে স্বাক্ষর দেওয়ার আহ্বান জানান। স্বাক্ষর দেওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর সঙ্গে রাখার অনুরোধ করা হয়েছে, যা মোবাইলে লেখা কিংবা কাগজে লিখে আনলেও গ্রহণযোগ্য হবে। খিলগাঁও তালতলা মার্কেট সংলগ্ন ন্যাশনাল আইডিয়াল কলেজের বিপরীতে এবং বাসাবো বালুর মাঠ এলাকায় স্বাক্ষর সংগ্রহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তাসনিম জারা বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে একজন ভোটারের একটি স্বাক্ষরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, তাই সময়ের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রেখে সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি। উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী জোট গঠনের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে গত শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তিনি এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’
অ্যাপের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭ জন প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটার নিবন্ধন
করেছেন।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ১১ ডিসেম্বর ) সকাল ১০টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত
পোস্টাল ভোটিং আপডেট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এই
তথ্য অনুযায়ী, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ৩
লাখ ৭ হাজার ৫৭৭ জন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এই নিবন্ধনকারীদের মধ্যে ২ লাখ ৮৪
হাজার ৩৪৯ জন পুরুষ ভোটার ও ২৩ হাজার ২২৮ জন নারী ভোটার রয়েছেন।
দেশভিত্তিক
নিবন্ধনের মধ্যে সৌদি আরবে সর্বোচ্চ ৮৪ হাজার ৬০০ জন, কাতারে ২৫ হাজার ২৫৭ জন, যুক্তরাষ্ট্রে
২০ হাজার ৭৫৫ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৯ হাজার ৮৫২ জন, মালয়েশিয়ায় ১৮ হাজার ১৫৬ জন,
সিঙ্গাপুরে ১৫ হাজার ২৯৪ জন, যুক্তরাজ্যে ১৩ হাজার ৬৬৩ জন, ওমানে ১২ হাজার ৬২৫ জন,
ইতালিতে ৯ হাজার ৯৬৫ জন, কানাডায় ৯ হাজার ৮৫২
জন, দক্ষিণ কোরিয়ায় ৯ হাজার ৬০২ জন, অস্ট্রেলিয়ায় ৮ হাজার ২২১ জন, কুয়েতে ৮
হাজার ২০৪ জন ও জাপানে ৭ হাজার ৬৮ জন ।
সরকারি
চাকরিজীবীদের নিবন্ধন ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত: নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ও নিজ ভোটার
এলাকার বাইরে অবস্থানরত সরকারি চাকরিজীবীরা তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত
‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ
করতে নিবন্ধন করতে পারবেন। এ বিষয়ে ইসি’র বার্তায় বলা হয়েছে, ‘ত্রয়োদশ জাতীয়
সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ভোটার, নিজ ভোটার এলাকার বাইরে অবস্থানরত
সরকারি চাকরিজীবী এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররা নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে
২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ-এর মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন।
ইসি
সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, নির্বাচনের কার্যক্রমের সঙ্গে যারা সরাসরি
যুক্ত হবেন। পাঁচ দিন অথবা সাত দিনের জন্য যাদের ডেভলপমেন্ট হবে পুলিশ বাহিনী অথবা
সেনাবাহিনী বা আনসার বাহিনীর, তাদের নিবন্ধনটা পরবর্তীতে থাকবে। কিন্তু সরকারি চাকরিজীবী
এবং যারা আইনি হেফাজতে আছেন, তাদেরটা তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন
করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আউট অফ কান্ট্রি ভোটিংয়ের ব্যাপারে নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়িয়ে
২৫ ডিসেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়েছে। এখন সারা বিশ্বের যে কোন জায়গা থেকেই আমাদের
এই অ্যাপ ডাউনলোড করে, প্রাপ্তবয়স্ক যে কোন বাংলাদেশি ভোট দেওয়ার জন্য ভোটার নিবন্ধন
করতে পারেন।
সৌদি
আরবসহ ৭টি দেশে ঠিকানা সংশোধন ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত: প্রবাসী বাংলাদেশিদের পোস্টাল ভোট
বিডি অ্যাপে ঠিকানা সংশোধন করতে সৌদি আরবসহ ৭টি দেশের জন্য ১৪ ডিসেম্বর সকাল ৯টা পর্যন্ত
সময় বৃদ্ধি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
অন্য
যে ছয়টি দেশের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে, সেগুলো হলো— কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া,
ওমান, কুয়েত ও বাহরাইন।
এ
বিষয়ে ইসির এক বার্তায় বলা হয়েছে, ‘পোস্টাল ভোট বিডি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বৈদেশিক
ঠিকানা সংশোধনের সময়সীমা প্রবাসী ভোটারদের অনুরোধে শুধু সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব
আমিরাত, মালয়েশিয়া, ওমান, কুয়েত ও বাহরাইনে ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা পর্যন্ত
বর্ধিত করা হয়েছে। প্রবাসীদের সঠিক ঠিকানা দেওয়ার আহ্বান: পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপের
মাধ্যমে নিবন্ধনের সময় সঠিক ঠিকানা দেওয়ার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনুরোধে জানিয়েছে
নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির
বার্তায় বলা হয়েছে, পোস্টাল ব্যালট পেতে হলে, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’
অ্যাপে নিবন্ধনের সময় আপনার অবস্থানকালীন দেশের প্রচলিত নিয়মানুযায়ী সঠিক ঠিকানা প্রদান
করুন। প্রয়োজনে কর্মস্থল অথবা পরিচিত জনের ঠিকানা প্রদান করুন। সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা
প্রদান ব্যতিরেকে পোস্টাল ব্যালট পেপার ভোটারগণের কাছে প্রেরণ করা সম্ভব হবে না।
গত
১৮ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’
অ্যাপ উদ্বোধন করেন এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ১৪৮টি নির্দিষ্ট দেশে ভোটার
নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা করেন।
পোস্টাল
ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদানের জন্য প্রবাসী ভোটারকে অবশ্যই যেখান থেকে ভোট দেবেন, সে দেশের
মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতে হবে। নিবন্ধনের জন্য প্রথমে গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর
থেকে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপটি ডাউনলোড ও ইনস্টল করতে হবে।
বিদেশে ব্যালট প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য, সঠিক ঠিকানা প্রদান করা অপরিহার্য।
মন্তব্য করুন


আজ রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ।
সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন প্রার্থীরা।
তফশিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি বাছাই হবে। প্রত্যাহার করা যাবে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আর ভোটের তারিখ ১৪ মার্চ।
নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলে ভোটের প্রয়োজন হবে না। তাই এরই মধ্যে দলগুলো তাদের প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করেছে। এতে ভোট হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম সম্প্রতি জানিয়েছেন, ৫০টি সংরক্ষিত আসনের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৪৮টি আসন পাবে। আর জাতীয় পার্টি পাবে দুটি আসন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশের কাজে অবৈধভাবে কেউ বাধা দিতে পারবে না। পুলিশের আইনানুগ কাজে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করা যাবে না। একইসঙ্গে পুলিশের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে যাতে তাদের দ্বারা মানুষ হয়রানির শিকার না হয়৷
মন্ত্রী আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চেইন অভ কমান্ড বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে দেশে লটারি করে এসপি এবং ওসিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে৷ এতে করে যার যেখানে যাওয়ার কথা না সেখানে দেওয়া হয়েছে৷ এসব পদায়ন সার্ভিস রেকর্ড দেখে করা উচিত ছিল৷ তাছাড়া লটারি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন আছে। আমরা দক্ষতা ও উপযুক্ততা বিবেচনায় নিয়ে এগুলো নিয়ে কাজ করবো। তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক কারণে বিধির বাহিরে পুলিশ সুপাররা যেন কাউকে প্রটোকল না দেয় সে বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে- জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পরিচালনা করা৷ মন্ত্রী এ সময় দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুলিশের ২ হাজার ৭০১টি কনস্টেবলের শুন্য পদে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান।
মন্ত্রী আরো বলেন, ২০২৪ সালের ০৫ আগস্টের পর বেশকিছু মামলায় অনেক সুবিধাবাদী গ্রুপ ভোগান্তিতে ফেলতে নিরীহ ও সাধারণ অনেক মানুষকে মামলায় জড়িয়েছে৷ পুলিশ বিভাগকে এগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট দিয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুনরায় কমিশন গঠন করে সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখে সেই কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী এর বিচার করা হবে। তিনি আরো বলেন, এটা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারেও আছে। আমরা যেকোনো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় যে সকল আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে সেগুলো আমরা আবার ভেরিফাই করবো৷ সেগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় হয়েছে কিনা আমরা সেটা খতিয়ে দেখবো৷ তিনি বলেন, লাইসেন্স যারা পেয়েছে তারা এটা পাওয়ার উপযুক্ত কিনা সেটা যাচাই করা হবে৷ যেগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লাইসেন্স পেয়েছে সেগুলো বাতিল করা হবে৷ এসব লাইসেন্স এর অধীনে অস্ত্র থাকলে সেগুলোও বাতিল হবে৷
মন্ত্রী বলেন, পাসপোর্ট সেবা নিয়ে জনগণের অনেক অভিযোগ আছে। আমাদের অনেকেই অনলাইনে ইলেকট্রনিকভাবে পাসপোর্ট আবেদনে অভ্যস্ত নয়।সেজন্য পাসপোর্ট অফিসের আশপাশে কিছু লোকজনের সহযোগিতা নেয় যারা অনলাইনে কাজ করার মাধ্যমে আয় রোজগার করে। তাদের মাধ্যমে এবং পাসপোর্ট অফিসের কিছু লোকজনের যোগসাজশে জনগণ অনেক সময় ভোগান্তিতে পড়ে। সেটা নিরসনে রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখকদের ন্যায় তাদের নাম তালিকাভুক্ত করা হলে সেবা সহজীকরণ হবে এবং তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা যাবে। তাদের কাজের জন্য তারা যাতে সার্ভিস চার্জ পায়- সেটাও নির্ধারণ করে দেয়া হবে। তিনি বলেন, জনগণের হয়রানি ও ভোগান্তি নিরসনে ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে এটি পরীক্ষামূলকভাবে আমরা চালুর চিন্তাভাবনা করছি। যদি ট্রায়াল এন্ড এরর পদ্ধতিতে এটা টিকে যায়, পরবর্তীতে এটি সারাদেশে চালু করা হবে। এ বিষয়ে শীঘ্রই মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি নীতিমালা তৈরি করা হবে।
২০০৬ সালে নিয়োগ বঞ্চিত এসআই'দের নতুন করে নিয়োগ প্রদান করা হবে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নিয়োগ বঞ্চিত এসআই'দের ফাইলটি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সারসংক্ষেপ আকারে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে গিয়েছিলো। তখন কি কারণে ফাইলটি অনুমোদন হয়নি- জানিনা। তিনি বলেন, তদন্ত করে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের নিয়োগ প্রদান করা হবে।
মতবিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মোঃ দেলোয়ার হোসেন সহ আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র সংস্কারে দলের
প্রস্তাব প্রকাশ করেছেন। দলটি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য
রাখা, পুলিশের জন্য স্বাধীন কমিশন গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছে। এ সময় রাষ্ট্র
সংস্কারে সেক্টর অনুযায়ী আলাদা আলাদা ১০টি প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে দলটি।
বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজিত 'রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাবনা' শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
এর আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন,
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অবদানের
কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি। নিহত এবং আহতদের জন্য দোয়া কামনা করেন। অনুষ্ঠান
পরিচালনা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সম্পাদক মতিউর রহমান
আকন্দ।
জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, এই ১০ প্রস্তাব শুধুমাত্র অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য। নির্বাচিত কোনো সরকারের জন্য নয়।
এই সরকারের কাছে তাদের মোট ৪১টি প্রস্তাব
আছে, যার মধ্যে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গণমাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
জামায়াতের
সংস্কারের প্রস্তাবগুলো হলো--
১.
আইন ও বিচার
● উচ্চ আদালতে বিচারপতি নিয়োগের জন্য
সুষ্ঠু ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।
● বিচার বিভাগ থেকে দ্বৈত শাসন দূর
করতে হবে।
● বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে
পৃথকীকরণের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
● আইন মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা করে সুপ্রিম
কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
● ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে
বিদ্যমান আইনসমূহের প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও গণমানুষের মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যশীল আইন
প্রণয়ন করতে হবে।
● ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ওসকল কালো আইন বাতিল করতে হবে।
● বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে বিভাগীয়
পর্যায়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
● নিম্ন আদালতের যথাযথ স্বাধীনতা নিশ্চিত
করার জন্য পৃথক বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন করতে হবে।
● সকল ফৌজদারি মামলা তদন্তের জন্য স্বাধীন
তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।
● দেওয়ানি মামলার জন্য সর্বোচ্চ ৫
বছর এবং ফৌজদারি মামলাসমূহ সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বিধান করতে হবে।
২.
সংসদ বিষয়ক সংস্কার
● সংসদের প্রধান বিরোধীদল থেকে একজন
ডেপুটি স্পিকার মনোনীত করতে হবে।
● সংসদীয় বিরোধী দলীয় নেতার নেতৃত্বে
ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
● সংসদে বিরোধী দলীয় সদস্যদের পর্যাপ্ত
সময় দিতে হবে।
৩. নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার
● জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক
ব্যবস্থা (Proportional Representation-PR) চালু করতে হবে।
● সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত
করার লক্ষ্যে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে স্থায়ীভাবে সন্নিবেশিত করতে হবে।
● নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার
জন্য বিভিন্ন দেশে প্রত্যাখ্যাত ইভিএম ভোটিং ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে।
● কোনো সরকারি চাকরিজীবী তাদের চাকরি
ছাড়ার কমপক্ষে ৩ বছরের মধ্যে কোনো ধরনের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
● স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে
সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করতে হবে।
● অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার
জন্য সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ২০০৮ সালে প্রবর্তিত রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা বাতিল
করতে হবে।
● নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার
নিয়োগের জন্য প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও প্রধান বিচারপতির সমন্বয়ে সার্চ কমিটি
গঠিত হবে।
● জাতীয় সংসদ নির্বাচন একাধিক দিনে
অনুষ্ঠিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
● ঘওউ- ব্যবস্থাপনা নির্বাচন কমিশনের
অধীনে আনতে হবে।
৪. আইনশৃঙ্খলা সংস্কার
ক) পুলিশ বাহিনীর সংস্কার
● ১৮৬১ সালে ব্রিটিশ সরকার প্রণীত পুলিশ
আইন পরিবর্তন এবং পুলিশের জন্য একটি পলিসি গাইডলাইন তৈরি করতে হবে।
● পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি
এবং চাকরিচ্যুতির জন্য স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন করতে হবে।
● নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি এবং চাকরিচ্যুতির
ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক ব্যক্তির সুপারিশের সুযোগ রাখা যাবে না তথা সর্বপ্রকার
দলীয় ও ব্যক্তিগত প্রভাব বা হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।
● পুলিশ ট্রেনিং ম্যানুয়ালের মধ্যে
ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক অনুশাসন অন্তর্ভুক্ত
করতে হবে।
● পুলিশের মধ্যে মারণাস্ত্রের ব্যবহার
বাতিল করতে হবে।
● রিমান্ড চলাকালে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে
আসামি পক্ষের আইনজীবীর উপস্থিতি এবং মহিলা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের অভিভাবকের
উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
● বিচার বিভাগীয় সদস্যদের দ্বারা পুলিশ
ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান থাকতে হবে।
● পুলিশের ডিউটি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা
উন্নত করতে হবে।
● ‘পুলিশ আইন’ পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জনের
মাধ্যমে আধুনিকায়ন করতে হবে।
খ)
র্যাব বিষয়ক সংস্কার
● র্যাব ও অন্যান্য বিশেষায়িত বাহিনীর
প্রতি জনসাধারণের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে।
● গত সাড়ে ১৫ বছর যারা র্যাবে কাজ
করেছে তাদেরকে স্ব স্ব বাহিনীতে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং তাদেরকে পুনরায় র্যাবে নিয়োগ
দেয়া যাবে না।
● বিচারবহির্ভূত সকল প্রকার হত্যাকাণ্ড-
বন্ধ করতে হবে।
● র্যাবের সামগ্রিক কার্যক্রম মনিটরিং-এর
জন্য সেল গঠন করতে হবে। কোনো র্যাব সদস্য আইনবহির্ভূত কোনো কাজে জড়িত হলে এই সেল তার
বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করবে।
● মিডিয়ার ক্ষেত্রে নীতিমালা প্রণয়ন
ও অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে।
৫. জনপ্রশাসন সংস্কার
● জনবল নিয়োগ, বদলি, পদায়নে তদবির,
সুপারিশ ও দলীয় আনুগত্যের পরিবর্তে যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততাকে প্রাধান্য দিতে হবে।
● যে কোনো চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে
শুরু করে নিয়োগ পর্যন্ত সময়ক্ষেপণ না করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
● সরকারি চাকরিতে আবেদন বিনামূল্যে
করতে হবে।
● চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আগামী ২
বছরের জন্য ৩৫ বছর ও পরবর্তী বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩৩ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬২ বছর
নির্ধারণ করতে হবে।
● চাকরির আবেদনে সকল ক্ষেত্রে বয়সসীমার
বৈষম্য নিরসন করতে হবে।
● সকল সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি নিরোধকল্পে
বিশেষ ব্যবস্থা তৈরি করা যাতে করে কেউ দুর্নীতি করার সুযোগ না পায়। এ জন্য প্রয়োজনীয়
মনিটরিং-এর ব্যবস্থা করতে হবে।
● চাকরিতে বিরাজমান আন্তঃক্যাডার বৈষম্য
দূর করতে হবে।
● বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে সরকারি
চাকরিতে যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি, জালিয়াতি ও দলীয় বিবেচনায় চাকরি পেয়েছে তাদের
নিয়োগ বাতিল করতে হবে।
৬.
দুর্নীতি
● দুর্নীতি দমন কমিশনে পরীক্ষিত সৎ,
ন্যায়পরায়ণ, দক্ষ ও যোগ্য লোক নিয়োগ দিতে হবে।
● রাষ্ট্রের সকল সেক্টরে জবাবদিহিতা
নিশ্চিত করতে হবে।
● দুর্নীতি দমন কমিশনকে শক্তিশালী করে
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার স্বাধীনতা দিতে হবে।
● বিগত সরকারের আমলে দেশ থেকে পাচারকৃত
অর্থ ফেরত আনার উপযুক্ত বিধান প্রণয়ন ও তা কার্যকর করার পদক্ষেপ নিতে হবে।
● মন্ত্রণালয় ভিত্তিক দুর্নীতি দমন
কমিশন গঠন করতে হবে।
● দুর্নীতি দমন কমিশনের আইন সংস্কার,
জনবল ও পরিধি বৃদ্ধি করতে হবে।
● রাষ্ট্রীয় ও জনগণের সম্পদ অবৈধভাবে
ভোগ দখলকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সুস্পষ্ট আইন প্রণয়ন করতে হবে।
৭.
সংবিধান সংস্কার
● রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে
ক্ষমতার ভারসাম্য রাখার বিধান সংযুক্ত করতে হবে।
● একই ব্যক্তি পরপর দুই মেয়াদের বেশি
প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।
৮.
শিক্ষা ও সংস্কৃতি সংস্কার
ক) বিরাজমান সমস্যার আলোকে শিক্ষা সংস্কার
প্রস্তাব
● ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক
এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিকে উচ্চমাধ্যমিক হিসেবে বলবৎ রাখতে হবে। অষ্টম শ্রেণির পাবলিক
পরীক্ষা বাতিল করে পূর্বের পরীক্ষা পদ্ধতি ফিরিয়ে আনতে হবে।
● পাঠ্যপুস্তকে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের
বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস গুরুত্বের সাথে তুলে ধরতে হবে।
● সকল শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ধর্মীয়
মূল্যবোধবিরোধী উপাদান বাদ দিতে হবে।
● সকল শ্রেণিতে নবী করিম সা. এর জীবনীসহ
মহামানবদের জীবনী সংবলিত প্রবন্ধ সংযোজন করতে হবে।
● স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা
করতে হবে। বিদ্যমান স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোকে সরকারীকরণ করতে হবে।
● প্রতিটি জেলায় কমপক্ষে একটি করে কামিল
মাদরাসাকে সরকারীকরণ করতে হবে।
● কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে সাধারণ
শিক্ষার মূলধারায় যুক্ত করতে হবে।
● Department of Higher Education নামে
একটি স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে।
● শিক্ষা সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত শিক্ষা
কমিশনের সকল ধারা তথা সাধারণ, আলিয়া, কওমীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
খ)
সংস্কৃতি সংস্কার
● জাতির ঐতিহাসিক আন্দোলন-সংগ্রাম ও
মূল্যবোধের আলোকে বিভিন্ন ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে।
● জাতির ঐতিহাসিক দিনগুলোকে স্মরণীয়
করার লক্ষ্যে বিশেষ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তা পালনের ব্যবস্থা
করতে হবে।
● নাটক, সিনেমাসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক
অনুষ্ঠানগুলো অশ্লীলতামুক্ত করতে হবে। নাটক, সিনেমা ও বিভিন্ন কন্টেন্টে বিভিন্ন ধর্ম,
বিশেষ করে ইসলামকে হেয় করা থেকে বিরত থাকার বিধান প্রণয়ন করতে হবে।
● প্রাণীর মূর্তিনির্ভর ভাস্কর্য নির্মাণ
না করে দেশীয় প্রকৃতি, ঐতিহ্যকে বিভিন্ন চিত্রাঙ্কন-ভাস্কর্যে তুলে আনতে হবে।
● সকল গণমাধ্যমে শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম
প্রচার নিশ্চিত করতে হবে।
৯.
পররাষ্ট্র বিষয়ক সংস্কার
● পররাষ্ট্রীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে সকল
গণতান্ত্রিক দেশের সাথে সাম্য ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে
হবে।
● জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় চীন, নেপাল,
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার আন্তর্জাতিক নদীসমূহের পানিবণ্টন চুক্তির উদ্যোগ নিতে হবে।
● আসিয়ানভুক্ত দেশসমূহের সাথে বাণিজ্যিক
সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে।
● অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে বিগত সরকারের
আমলে সম্পাদিত সকল চুক্তি রিভিউ করতে হবে। এক্ষেত্রে একটি রিভিউ কমিশন গঠন করতে হবে।
● বাংলাদেশকে আসিয়ান জোটভুক্ত করার
উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
● শক্তিশালী SAARC পুনর্গঠনের উদ্যোগ
গ্রহণ করতে হবে।
● কোনো দেশের সাথে চুক্তি অথবা সমঝোতা
চুক্তি হলে পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে সেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক উত্থাপন করে বিস্তারিত
আলোচনা পূর্বক তা অনুমোদন করতে হবে।
১০. ধর্ম মন্ত্রণালয় সংস্কার
● ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশকে (ইফাবা)
রাষ্ট্রের কল্যাণে অর্থবহ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
● ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিকে স্বতন্ত্র
সংস্থা বা দপ্তরে রূপান্তর করতে হবে, যাতে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।
● ইসলামিক মিশনকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ের
অধীনে স্বতন্ত্র সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
● হজ ব্যবস্থাপনার জন্য স্বতন্ত্র অধিদপ্তর
প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
● হজ্জ ও উমরার খরচ কমানোর জন্য কার্যকর
উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
● ইসলামিক ফাউন্ডেশনে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান
প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেখানে দেশের বরণ্যে আলেমগণ সম্পৃক্ত থাকবেন।
● বিতর্কিত সকল বই বাতিল ও প্রকাশনা
বন্ধ করতে হবে।
● সকল ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় কার্যক্রম
পরিচালনার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয়
নেতা অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, আ ন ম শামসুল ইসলাম, এটিএম মাছুম, সাইফুল আলম খান মিলন,
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, এহসানুল মাহবুব
জুবায়ের, নূরুল ইসলাম বুলবুল, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ইয়াংওয়ান করপোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সাংয়ের নেতৃত্বে কোরিয়ার বিনিয়োগকারীদের একটি প্রতিনিধিদল আজ মঙ্গলবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় তারা
অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের উদ্যোগে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটি নতুন যুগের সূচনা হওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত রয়েছে
বলে ঘোষণা দেন।
প্রতিনিধিদলে এলজির কর্মকর্তাসহ কোরিয়ার টেক্সটাইল, ফ্যাশন, স্পিনিং, লজিস্টিকস, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বৃহৎ বেশ কয়েকটি কোম্পানির প্রতিনিধিরা ছিলেন।
বৈঠকে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধিদলটি গতকাল সোমবার চট্টগ্রামে কোরিয়ান ইপিজেড পরিদর্শন করেন। ইয়াংওয়ান করপোরেশন পরিচালিত এই শিল্পপার্কে অনেক বিনিয়োগকারী তাৎক্ষণিকভাবে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. ইউনূস বাংলাদেশে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নের জন্য শ্রম, শিল্প, জ্বালানি ও বিনিয়োগ নীতিতে গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এমন সময়ে আপনারা বাংলাদেশে এসেছেন যখন আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ করছি। এই নতুন বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ এখন সহজ ও ঝামেলামুক্ত। আপনাদের জন্য বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করা আমাদের দায়িত্ব। আমি জানি গত ১৬ বছরে আপনাদের অনেক চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে হয়েছে, আমরা সেই সময়ের ক্ষতিপূরণ দিতে চাই। ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশে আসা কিহাক সাং প্রধান উপদেষ্টার কথার সঙ্গে একমত পোষণ করেন এবং দেশের ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ও সরকারের ইতিবাচক নীতির প্রশংসা করেন।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ দেন যাতে তারা বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অবদান রাখতে পারেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে আপনাদের ব্যবসার গন্তব্য এবং অনুপ্রেরণার উৎস বানান। আপনারা কোটি কোটি মানুষকে অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা রাখেন।’
কিহাক সাং ঘোষণা দেন, ইয়াংওয়ান করপোরেশন চট্টগ্রামে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে একটি টেক্সটাইল ও ফ্যাশন কলেজ স্থাপন করবে, যা বাংলাদেশকে বিশ্বের শীর্ষ টেক্সটাইল হাবে পরিণত করতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করবে।
তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেরিত সাম্প্রতিক চিঠিরও প্রশংসা করেন, যা নতুন মার্কিন প্রশাসনের নীতির কারণে উদ্ভূত উদ্বেগ নিরসনে সহায়ক হয়েছে। তিনি বলেন, ‘চিঠিটি অত্যন্ত সুচিন্তিত ছিল’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের পরামর্শও দেন।
বাংলাদেশের সাপ্লাই চেইন কাঠামো অনন্য উল্লেখ করে কোরিয়ান ফ্যাশন ও রিটেইল খাতের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ থেকে পোশাক কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাতও দ্রুত বিকাশমান এবং বিশ্ব বাণিজ্য কাঠামোতে দেশটি শীর্ষ ওষুধ রপ্তানিকারক হতে পারে। একজন বিনিয়োগকারী দেশে একটি এপিআই (অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়েন্ট) কারখানা স্থাপনের আগ্রহ জানান।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস প্রতিনিধিদলের একজন শীর্ষ কোরীয় সার্জনকে চট্টগ্রামে একটি হাসপাতাল স্থাপনের প্রস্তাব দেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশে ফেরার পর তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যান সেনাপ্রধান। সেখানে তিনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া বলেছেন, সমন্বিত উদ্যোগে মাত্র ১২ ঘণ্টারও কম সময়ে সম্পন্ন হয়েছে রাজধানী ঢাকার
বিস্তৃত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম।
উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ বলেন, যারা ঘামের বিনিময়ে এই শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখেন, তাঁরা আমাদের নীরব
নায়ক। ১২ ঘণ্টারও কম সময়ে পরিচ্ছন্ন ঢাকা-এটাই কর্মের শক্তি, এটাই নিষ্ঠার গল্প। তারা
প্রচারে নেই, তবে তাদের কাজই শহরের মুখ। কোরবানির ঈদের আসল বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।
উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ তার ভেরিফাইড ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের
সমন্বিত উদ্যোগে মাত্র ১২ ঘণ্টারও কম সময়ে সম্পন্ন হয়েছে বিস্তৃত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম।
এটি শুধু দক্ষতা ও কর্মদক্ষতার প্রতিফলন নয়, বরং জনকল্যাণে নিবেদিত স্থানীয় সরকারের
দায়িত্বশীলতা ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের বাস্তব প্রমাণ।
এর
আগে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সরেজমিনে অংশ নেন স্থানীয়
সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রায় ২০ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মীর
অক্লান্ত পরিশ্রম এবং নগরবাসীর দায়িত্ববোধের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
সেবা
কার্যক্রমে যুক্ত প্রত্যেক পরিচ্ছন্নতা যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের জন্য বিশেষ
খাবার ও প্রণোদনার কথাও বলেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ ঈদুল আযহা উদযাপন শুরুর প্রাক্কালে বলেন, কোরবানির আনন্দ হোক সুস্থ, পরিচ্ছন্ন
ও পরিবেশবান্ধব। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা এবং জনগণের সমন্বিত
প্রচেষ্টায়, আমরা পারি ঈদের দিনকেও পরিচ্ছন্ন রাখতে। ত্যাগের এই দিনে আমাদের দায়িত্ব
কেবল কোরবানিতেই শেষ নয়, পরিবেশ রক্ষা করাটাও বড় ইবাদত।।আসুন সবাই মিলে নিজ নিজ এলাকার
কোরবানির বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ি।
মন্তব্য করুন