

হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তির কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন
আজ
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিবের গণমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ
তথ্য জানানো হয়েছে।
এর
আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল নয়।
গতকাল
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাতে
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে যান তিনি। এ সময় বলেন,
দূরত্ব বজায় রেখে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের চিনতে পেরেছেন এবং আমাদের সালামের উত্তর দিয়েছেন।
নানা
রোগে আক্রান্ত প্রায় ৮০ বছর বয়সী
খালেদা জিয়া ফুসফুসে সংক্রমণ ও হৃদযন্ত্রের সমস্যার
কারণে গত ২৩ নভেম্বর
ফের হাসপাতালে ভর্তি হন।
মেডিক্যাল
বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সিসিইউতে তার চিকিৎসা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও
তদুর্ধ্ব সমপদমর্যাদার কমিশন্ড কর্মকর্তাদের (কোস্টগার্ড ও বিজিবিতে প্রেষণে নিয়োজিত
সমপদমর্যাদার কর্মকর্তাগণসহ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা আরও সাড়ে চার মাস
বাড়ানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন
জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
১২ নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত
তারা সারা দেশে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কর্মকর্তারা ‘ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮’-এর ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারার অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে ‘ঐতিহাসিক দায়িত্ব’ পালনে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
আসন্ন নির্বাচনকে দেশের জন্য ‘শত বছরের ভিত্তি নির্মাণের’ সুযোগ উল্লেখ করে তিনি এ দায়িত্বকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে বর্ণনা করেন।
তিনি বলেন, ‘ভূমিকম্প হলে আমরা বিল্ডিং কোড মানা হয়েছে কি না তার কথা বলি। এই নির্বাচন আমাদের সমাজের জন্য সেই বিল্ডিং কোড তৈরি করার সুযোগ। এমন একটি কোড তৈরি করতে হবে, যা যত বড় ঝাঁকুনিই আসুক, নড়বে না।’
পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনাদের ওপর যে ঐতিহাসিক দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তার জন্য আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ হোন। জীবনের শেষে যখন আমরা ভাবব, কী করেছি—তখন এটিই প্রথমে আসা উচিত যে, আমরা এই বিল্ডিং কোড তৈরিতে অংশ নিতে পেরেছি।’
আজ সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে দেশের ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) এবং পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রফেসর ইউনূস বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচন শুধু পাঁচ বছরের একটি প্রচলিত নির্বাচন নয়, জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি এবার একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।’
তিনি বলেন, ‘গণভোট আরও বড় বিষয়—এটা সেই ‘বিল্ডিং কোড’। আমরা যে বিল্ডিং কোড স্থাপন করব, সেটাই আগামী একশ বছর জাতিকে পথ দেখাবে।’
তিনি বলেন, নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এসপিদের পদায়নে দৈবচয়ন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এটি সহজভাবে নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব:) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি বক্তব্য রাখেন।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পুলিশের আইজিপি বাহারুল আলম।
আসন্ন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ‘একটি নতুন বাংলাদেশ’ জন্ম নেবে উল্লেখ করে প্রফেসর ইউনূস বলেছেন, ‘আমাদের কাজ হবে ধাত্রীদের মতো—একটি নতুন জাতির জন্ম দিতে সহায়তা করা।’
তিনি বলেন, এই নির্বাচন বিশ্বে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। ‘পর্যবেক্ষকরা বাইরে থেকে এসে আমাদের মধ্যে ত্রুটি খুঁজতে চাইবে... কিন্তু আমরা এমন একটি (স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর) নির্বাচন উপহার দেব, যা তারা উদাহরণ হিসেবে বহন করে বহু দেশে আলোচনা করবে।’
এই নির্বাচন তাদের জন্য একটি স্মরণীয় পরিদর্শন ও অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে,’ যোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘এটি গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নির্বাচন। জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে যারা অংশ নিয়েছিল এবং আমরা যারা সেই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত—এই নির্বাচন তাদের আদর্শ ও স্বপ্ন পূরণের মাধ্যম।’
‘যে স্বপ্নের জন্য তারা জীবন দিয়েছে, সে স্বপ্ন আমরা এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করব,’ বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগ পর্যন্ত প্রতিদিন দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানিয়ে প্রফেসর ইউনূস বলেন, ‘একটি সুন্দর, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিদিন ভাবতে হবে—আজ আমার করণীয় কী—এবং সেটি সম্পন্ন করতে হবে।’
সেবার মান বাড়াতে ও কর্মসম্পাদনে সৃজনশীলতা দেখাতে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সেরা কর্মসম্পাদনকারী কর্মকর্তাকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হবে।
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া দশম শ্রেণির ছাত্র শাহরিয়ার খান আনাস (১৭)-কে স্মরণ করতে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। আনাস মিছিলে যোগ দেওয়ার আগে তার মায়ের কাছে যে চিঠি লিখেছিল, তার একটি অংশ উদ্ধৃত করার সময় প্রফেসর ইউনূসের চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে।
তিনি আনাসের চিঠি উদ্ধৃত করে বলেন, ‘আমি স্বার্থপরের মতো বসে থাকতে পারি না। আমি যদি ফিরতে না পারি, তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিও।’
কিছুক্ষণ নীরব থাকার পর তিনি বলেন, ‘তার (আনাসের) কথাই আমাদের দায়িত্ব নির্ধারণ করে। আমরা নিষ্ক্রিয় থাকতে পারি না।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আনাস যেভাবে বলেছিল কাপুরুষের মতো বসে থাকতে চায় না—আমরাও বসে থাকতে চাই না। তার স্বপ্ন আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই। সেটিই আমাদের দায়িত্ব।’
তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের আগামী তিন মাস নিরলসভাবে কাজ করে আনাসের স্বপ্ন বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
তিনি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান, মিছিলে যোগ দেওয়ার আগে আনাস তার মায়ের কাছে যে চিঠি লিখেছিল, সেটি সঙ্গে রাখার জন্য।
সভায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার ইয়াসমিন খাতুন এবং জামালপুরের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোহাম্মদ জাবের সাদেক বক্তব্য দেন।
এ সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো.মান্নান ভূইয়াকে (৫৮) অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী। গত (২৮ নভেম্বর ) শুক্রবার রাত্রে সাহাপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তিতাস থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তি ওই ওয়ার্ডের মৃত মোহাম্মদ আলী ভূইয়ার ছেলে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (এস আই) মাহমুদুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও তিতাস থানা পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বাসার বহিঃ বাথরুমের ছাদ থেকে বস্তাবন্দি দেশীয় তৈরী পাইপ গান সদৃশ্য ১টি,সিসা কার্তুজ ৫টি, দুটি রামদা, ১টি পুরাতন চাপাতি ও ১টি লম্বা ছোড়া এবং ঘর থেকে দুই লাখ তেষট্টি হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে ঐ ব্যাক্তির স্ত্রী হাজেরা খাতুন জানায়,আমাদের গ্রামের আওয়ামী লীগের লোকদের সাথে মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে, তারই জেরে পরিকল্পিতভাবে আমার বাসার বাহিরে বাথরুমের ছাদে এইগুলো দিয়ে আমার স্বামীকে গ্রেফতার করিয়েছে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট আমি ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করছি।এ ঘটনায় তিতাস থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং মান্নান ভূইয়াকে আজ শনিবার(২৯ অক্টবর ) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘‘পুরোনো ব্যবস্থার রাজনীতি ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে আগামীর বাংলাদেশ পরিচালিত হবে”। যেই রাজনীতি হবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে, খুনের বিরুদ্ধে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে, মামলাবাজদের বিরুদ্ধে, দুর্নীতি-অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারুণ্যের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মান না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চলবেই। যত বাঁধা, ভয়ভীতি আসুক আমরা থেমে যাবো না। আমরা জাতির স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, আগামীর নির্বাচনে কোনো ধরনের কারিগরি ষড়যন্ত্র জনগণ হতে দেবে না। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে কোনো আনুকূল্য চাই না কিন্তু কমিশন যদি কারো প্রতি আনুকূল্য দেখায় তবে সেটি বরদাস্ত করা হবে না। কালো টাকায় কেউ মানুষকে কেনার চেষ্টা করলে মানুষ মুখে ছাঁই মেরে দেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত জাতিকে কেউ কালো টাকায় কিনতে পারবে না।
আমীরে জামায়াত বলেন, পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের ওপর অবিচার করার কারণে, বৈষম্যের সৃষ্টি করায় মানুষ ফুঁসে উঠেছিল। যারা ৭০ এর নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছিল তারা জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বৈষম্যহীন শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলবেন। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর তারা ক্ষমতায় বসে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছিল। তারা বহুদলীয় গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। রক্ষী বাহিনী গঠন করে যখন যাকে ইচ্ছে তাকে খুন করা হয়েছিল, মা-বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন করা হয়েছিল। বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে পরিবারতন্ত্রের শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের ছেলেরা ব্যাংক ডাকাতি করেছিল। বিদেশী দাতা সংস্থাদের দান করা খাদ্য সামগ্রী ও অর্থ লুট করা হয়েছিল। তাদের সাড়ে চার বছরের দুঃশাসন মানুষকে বিদ্রোহী করে তুলেছিল। কে তাদেরকে হত্যা করেছিল?- একাত্তরের রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দেওয়া জাতীয় বীরদের হাতেই তারা হত্যার শিকার হয়েছিল। কেন হত্যার শিকার হয়েছে সেই উত্তর আওয়ামী লীগকেই খুঁজতে হবে। ৭২ এর ১০ জানুয়ারী, ৯৬ এর ১০ জানুয়ারী, ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারী তারা তিনবার ক্ষমতায় এসেছে। ৯৬ সালে তারা ক্ষমতায় আসার আগে অতীতে তাদের দল যেই খুন করেছে, জুলুম করেছে তা স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিল। জনগণ সরল বিশ্বাসে তাদেরকে ক্ষমতায় বসানোর পর তারা আবার নিজের রূপে ফিরে আসে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী চট্রগ্রামে গিয়ে ঘোষণা দিয়েছিল তার দলের একজন মারা গেলে ১০ জনকে হত্যা করা হবে। একজন প্রধানমন্ত্রী কতটা দায়িত্ব জ্ঞানহীন হলে এমনটা বলতে পারে। সেই সময় তারা মানুষকে হত্যা করে খালে-বিলে লাশ ফেলেছে।
পরবর্তীতে তারা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টন মোড়ে মানুষকে সাপের মতো পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। শুধু তাই নয় হত্যার পর তারা লাশের উপর নৃত্য করেছিল। যেই দৃশ্য দেখে পুরো বিশ্ব ব্যথিত হয়েছে। ২০০৯ সালে আবার ক্ষমতায় এসে তারা প্রথমেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। একে একে তারা জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যা করেছিল। শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে এদেশের আলেম-ওলামাদের হত্যা করেছিল। তাদের শাসনামলের ১৫ বছরে এমন কোনো জনপদ নেই যেখানে আওয়ামী লীগের জুলুম থেকে মানুষ রক্ষা পেয়েছে। যার কারণে জুলাই আন্দোলনে তাদের বিরুদ্ধে পুরো দেশবাসী ফুঁসে উঠেছিল। তারা জনরোষের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। এখন তারা পলাতক থেকেই চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছে। তাদের টার্গেট এখন এদেশের তরুণ ও বিপ্লবীরা। সেই টার্গেটের অংশ হিসেবে তারা জুলাইয়ের অন্যতম শীর্ষ নেতা ওসমান হাদীকে হত্যা চেষ্টা করেছে। ওসমান হাদীর কিছু হলে বিপ্লবীরা বসে থাকবে না। আওয়ামী লীগ ভেবেছে ওসমান হাদীকে শেষ করতে পারলে কিংবা কয়েকজন বিপ্লবীকে শেষ করতে পারলে তারা সফল হবে কিন্তু না! বিপ্লবীর সংখ্যা তারা কমাতে পারবে না। বরং ক্রমেই বিপ্লবী তরুণদের সংখ্যা বাড়বে। তরুণরা আওয়ামী লীগের সকল অপশক্তি রুখে দিতে প্রস্তুত রয়েছে। আমীরে জামায়াত, উপস্থিত যুব সমাজকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী সভায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘‘রাজপথে বিজয়ে, চলো এক সাথে বাংলাদেশ গড়ি’’- স্লোগানে জামায়াতে ইসলামী সকলকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে প্রস্তুত। আজকের এই যুব ম্যারাথন অতীতের বস্তা পঁচা রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ধারার রাজনীতির বার্তা দেয়। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা যেই স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছিলাম সেই বাংলাদেশে মানুষের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি। ৭১ এর চেতনা বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই চব্বিশে নতুন চেতনায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে জুলাই বিপ্লব অর্জিত হয়েছে। জুলাই চেতনার নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ হবেই, হবে। বুলেট-বোমাকে ভয় না করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ যুব সমাজকে দৃঢ় শপথ নিতে হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেনের পরিচালনায় যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনী সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক প্রমুখ। এসময় কেন্দ্রীয় এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী সভা শেষে, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে যুব ম্যারাথন উদ্বোধন করেন। যুব ম্যারাথনে অর্ধ লাখ তরুণ যুবক অংশগ্রহন করেন। ম্যারাথনটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে শুরু করে শাহবাগ-সাইন্সল্যাব হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রাক্কালে আজ দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠকে রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে বিস্তারিত অবহিত করা হয়। প্রস্তুতি জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা করার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গেছে।ইসির প্রতিনিধি দল ও আলোচ্য বিষয়,সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে কমিশনের প্রতিনিধি দলে ছিলেন চারজন নির্বাচন কমিশনার এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।বৈঠক শেষে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বলেন, রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিগুলো সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।আলোচিত মূল বিষয়গুলো ছিল: ভোটার তালিকা: ভোটার তালিকার ক্রম সংযোজন ও হালনাগাদ প্রক্রিয়া। রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন: নতুন ও পুরাতন রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধনের অবস্থা। গণভোট: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই সম্ভাব্য গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি। ভোটের সময় বৃদ্ধি: ভোটগ্রহণের নির্ধারিত সময় এক ঘণ্টা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা। সচিব আখতার আহমেদ জানান, ইসি তাদের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কেও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেছে। তফসিল ঘোষণার আগে কমিশনের পক্ষ থেকে এটি ছিল রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাক্ষাৎ।
মন্তব্য করুন


বর্তমান
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৩ দিনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে
বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ রবিবার (১ মার্চ) দুপুরে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন তিনি।
দেশের
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ যত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী
আছে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন-শৃঙ্খলা
পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভালো, আরো উন্নতির চেষ্টা করা হচ্ছে।’
তিনি
বলেন, ‘সীমান্ত নিরাপত্তা, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ নিযুক্ত
হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সীমান্তে যাতে আর কোনো বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা করা
না হয় সে বিষয় তাদের বলা হয়েছে।’
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী কবে ব্যারাকে ফিরে যাবে সে ব্যাপারে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে
সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই এ সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।’
চট্টগ্রামে
ব্যবসায়ের বাসায় গুলি বর্ষণের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শীর্ষ সন্ত্রাসীদের আইনের
আওতায় আনতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
লাইসেন্সকৃত
যেসব অস্ত্র এখনো জমা হয়নি সে ব্যাপারে একটি আইনি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে জানিয়ে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনো লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল কি না তা নিশ্চিত
করতে একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।’
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুরে
বেলাল হোসেন নামে এক বিএনপি নেতার ঘরে দরজায় তালা লাগিয়ে ও পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার
অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ঘরের ভেতর আগুনে পুড়ে ওই বিএনপি নেতার সাত বছর বয়সী এক মেয়ের মৃত্যু
হয়েছে এবং তিনিসহ আরও দুই মেয়ে দগ্ধ হয়েছেন।
গতকাল
শুক্রবার গভীর রাতে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমনসা গ্রামের সূতারগোপ্তা এলাকায়
এ ঘটনা ঘটে।
বেলাল
হোসেন লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক এবং সূতারগোপ্তা বাজারের
সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী।
আগুনে
পুড়ে মারা যাওয়া শিশুর নাম আয়েশা আক্তার। দগ্ধ তিনজন হলেন, বেলাল হোসেন (৫০) ও তার
দুই মেয়ে বীথি আক্তার (১৭) ও স্মৃতি আক্তার (১৪)। এর মধ্যে বীথি আক্তার ও স্মৃতি আক্তারকে
চিকিৎসার জন্য জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। বেলালকে
সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আগুনে বেলাল হোসেনের ঘরটিও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
পরিবার
ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের খাবার খেয়ে বেলালের পরিবারের সদস্যরা সবাই ঘুমিয়ে
পড়েছিলেন। পরে রাত দুইটার দিকে দরজায় তালা লাগিয়ে ঘরে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ায় দ্রুত তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
জেলা
বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে
দেয়। এর আগে দরজায়ও তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। পরিকল্পিতভাবে এ কাজটি করেছে সন্ত্রাসীরা।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’
লক্ষ্মীপুর
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রণজিৎ কুমার দাস বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত
অবস্থায় এক শিশুকে উদ্ধার করা হয়। এছাড়া দগ্ধ অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে
পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে দুজনের অবস্থা শঙ্কাজনক। আগুন কীভাবে লেগেছে তা খতিয়ে দেখা
হচ্ছে।
লক্ষ্মীপুর
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, আগুনে পুড়ে ঘুমন্ত
এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে ওই ঘরে কেউ আগুন লাগিয়ে দিয়েছে কি না, সেটি খতিয়ে
দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে চিত্রনায়িকা শারমিন আক্তার নিপা মাহিয়া ওরফে মাহিয়া মাহিকে ১
হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে রাজশাহীর তানোর পৌর এলাকার গোল্লাপাড়া বাজারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবিদা সিফাত ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ জরিমানা করেন।
চিত্রনায়িকা
শারমিন আক্তার নিপা মাহিয়া ওরফে মাহিয়া মাহি রাজশাহী-১ (তানোর- গোদাগাড়ী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। তার প্রতীক হচ্ছে ট্রাক।
নির্বাচনি আচরণবিধি ভেঙে অতিরিক্ত মাইক ব্যবহার করে মাহির ট্রাক প্রতীকের প্রচার-প্রচারণা চলছিল। এ সময় খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবিদা সিফাত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১
হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রাজশাহীর তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং বিল্লাল হোসেন জানান, আচরণবিধি ভেঙে একসঙ্গে ৭টি মাইক ব্যবহার করছিলেন মাহির প্রচারকাজের সঙ্গে জড়িত লোকজন। এ কারণে জরিমানা করা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থলে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি নিজে উপস্থিত ছিলেন না।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
কমিশন (ইসি) আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনভিত্তিক ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ
করছে। আইন অনুযায়ী নির্বাচনের ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশের করার বিধান রয়েছে।
আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ
সরকারি মুদ্রণালয়ে ধারাবাহিকভাবে গেজেট ছাপানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা।
ইসির
অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, এবার ৪ হাজার ১০৩টি ভোটকেন্দ্রে চূড়ান্ত করা
হয়েছে।
কর্মকর্তারা
জানান, গত ৪ ডিসেম্বর থেকে ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ শুরু হয়। এটি ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন
করা হবে।
ইসির
উপসচিব (নির্বাচন সমন্বয় ও সহায়তা শাখা) মো. মাহবুব আলম শাহ স্বাক্ষরিত ভোটকেন্দ্রের
গেজেট সকলের জ্ঞাতার্থে প্রকাশ করছে ইসি সচিবালয়। এতে ভোটকেন্দ্রের ক্রমিক নম্বর, ভোটকেন্দ্রের
নাম ও অবস্থান, ভোটকক্ষের সংখ্যা, ভোটার এলাকা, পুরুষ, নারী, হিজড়া ভোটার এবং মোট ভোটার
সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে।
ইসির
অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছিল ২ হাজার
৭১৬টি। তারমধ্যে বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাতিল করেছেন ৭৩১টি, যা মোট দাখিলকৃত
মনোনয়নপত্রের ২৬ দশমিক ৯২ শতাংশ বা ২৭ শতাংশ। আর বৈধ হয়েছে ১ হাজার ৯৮৫টি মনোনয়নপত্র,
যা দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের ৭৩ দশমিক ০৮শতাংশ বা ৭৩ শতাংশ।
ইসি
সচিব মো. জাহাংগীর আলম জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫৬১টি আপিল
আবেদন জমা পড়েছে। আর ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর শুনানি আপিল আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন
কমিশন।
ইসি
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা
প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনি প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।
আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি। এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার
৬৩৩ জন।
মন্তব্য করুন


গতকাল রোববার চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত
হয়েছে। এবার এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ শিক্ষার্থী। উত্তীর্ণদের
মধ্যে ছাত্র ৮ লাখ ৬ হাজার ৫৫৩ এবং ছাত্রী ৮ লাখ ৬৫ হাজার ৬০০ জন।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী উত্তীর্ণ
শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হবে আগামী ২৬ মে।
সোমবার (১৩ মে) দুপুরে শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ে আন্ত:শিক্ষা বোর্ডের সাথে মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে নেয়া এ সিদ্ধান্ত এর বিষয়টি
নিশ্চিত করে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত)
অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল মনছুর ভুঁঞা বলেন, ২৬ মে থেকে একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু হবে।
বিষয়টি চূড়ান্ত করতে আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় মন্ত্রণালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় আর সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
।
চলতি বছর অনলাইনে নির্ধারিত
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণির ভর্তির আবেদন করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী
যতগুলো কলেজে আবেদন করবেন, তার মধ্য থেকে তার মেধা, কোটা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি
কলেজে তার অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।
শিক্ষা বোর্ড বলছে, এবার
সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে আসন সংখ্যা ২৪ লাখ যা পাস করা শিক্ষার্থীদের তুলনায় অনেক
বেশি। তাই ভর্তিতে কোনো ধরনের সংকট হবে না।
তবে যেসব শিক্ষার্থী বিশেষ
চাহিদাসম্পন্ন হিসেবে এসএসসি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারা বোর্ডে ম্যানুয়ালি ভর্তির
জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এছাড়া প্রবাসীদের সন্তান
ও বিকেএসপি থেকে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বোর্ডে ম্যানুয়ালি আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রে
বোর্ড প্রমাণপত্র যাচাই-বাছাই করে শিক্ষার্থীকে ভর্তির ব্যবস্থা নেবে।
মন্তব্য করুন