

বিভিন্ন
সময়ে হারিয়ে যাওয়া ৪৩ মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দিয়েছে পল্টন
মডেল থানা পুলিশ। বুধবার থানার সম্মেলন কক্ষে মতিঝিল জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার হুসাইন
মুহাম্মাদ ফারাবী ও পল্টন মডেল থানার বিভিন্ন অফিসারের উপস্থিতিতে উদ্ধার মোবাইল হস্তান্তর
করা হয়। বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া শাখা থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো
হয়। পুলিশ জানায়, বিভিন্ন কারণে মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মোবাইল মালিকদের সাধারণ
ডায়েরির পরিপ্রেক্ষিতে পল্টন মডেল থানা পুলিশ তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ০১ নভেম্বর থেকে
৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ৪৩ টি মোবাইল ফোনসেট দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল
চলতি সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম.
এম. নাসির উদ্দিন।
আজ
মঙ্গলবার ( ০৯ ডিসেম্বর ) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের
সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান
বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক শেষ হওয়ার পর সিইসি’র কাছে একজন সংবাদিক জানতে চান—
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল কখন ঘোষণা করা হবে। জবাবে তিনি বলেন, ‘এই সপ্তাহে তফসিল
হয়ে যাবে।
প্রধান
বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ
করতে এসেছি। উনি এ মাসে অবসরে যাবেন। আমরা এক সঙ্গে কাজ করেছি। সেজন্য উনার সঙ্গে বিদায়ী
সাক্ষাৎ করতে এসেছি।’
তিনি
বলেন, ‘উনারা ইলেক্টরাল ইনকোয়ারি কমিটি (নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি) ডেপ্লয় করবেন।
আমাদের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এই কাজটা যাতে উনি ত্বরান্বিত করেন, সে বিষয়ে উনাকে
অনুরোধ জানিয়েছি।’প্রধান বিচারপতি আশ্বাস দিয়েছেন কি
না এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘ইলেক্টরাল ইনকোয়ারি কমিটির যে ডেপ্লয়মেন্ট আছে,
সে ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং নেবেন, কোনো অসুবিধা হবে না বলে তিনি আশ্বস্ত
করেছেন।’
আরেক
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মামলা নিয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কোনো কথা হয়নি।’এর
আগে মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে প্রধান
নির্বাচন কমিশনার সুপ্রিম কোর্টে আসেন। এ সময় সিইসি’কে সুপ্রিম কোর্টে স্বাগত জানান রেজিস্ট্রার
জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী। এরপর দুপুর ২টা ৫ মিনিটের দিকে প্রধান বিচারপতির
সঙ্গে সিইসির বৈঠক শুরু হয়।
মন্তব্য করুন


আগামী
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শপথ নিতে যাচ্ছেন এয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নতুন মন্ত্রিসভা। এই শপথ অনুষ্ঠানে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর
রহমানের প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) সদস্য দেশগুলোর
পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এবারের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা
পাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ইচ্ছা অনুযায়ী প্রথা ভেঙে বঙ্গভবনের পরিবর্তে
সংসদ প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
আজ
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ
নজরুল এসব কথা জানান।
তিনি
জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন
কমিশনার (সিইসি) এই শপথ বাক্য পাঠ করাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপর সকাল সাড়ে ১১টা
থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে বিএনপি তাদের সংসদীয় দলের প্রধান (সংসদ নেতা) নির্বাচিত করবে।
সর্বশেষে বিকেল ৪টায় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে।
রাষ্ট্রপতি এই শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
কেন
বঙ্গভবনের বদলে সংসদের দক্ষিণ প্লাজাকে বেছে নেওয়া হলো—এমন
প্রশ্নে আসিফ নজরুল বলেন, “জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার যে অভ্যুত্থান এবং বিপুল আত্মত্যাগের
বিনিময়ে আমরা এই সংসদ পেয়েছি, তার গুরুত্ব অন্য সব সংসদের থেকে আলাদা। এই সংসদ প্রাঙ্গণেই
‘জুলাই ঘোষণা’ ও ‘জুলাই সনদ’-এর মতো ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানগুলো হয়েছে।
এ ছাড়া এখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা এবং শহীদ ওসমান হাদির স্মৃতি
জড়িয়ে আছে।
জুলাই
অভ্যুত্থানের বিভিন্ন ডকুমেন্টেশন প্রকাশের কেন্দ্রও হয়ে দাঁড়িয়েছিল এই সংসদ। এসব আবেগ
ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনা করে বিএনপির প্রস্তাব অনুযায়ী এটি সংসদ ভবনেই আয়োজনের সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়েছে।”
ভারতের
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতির বিষয়ে আসিফ নজরুল জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
থেকে এখন পর্যন্ত সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানোর খবর তিনি
মিটিংয়ে শুনেছেন। তবে কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী সশরীরে উপস্থিত থাকছেন কি না, সে বিষয়ে
এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য তার কাছে নেই।
উল্লেখ্য,
ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও ব্যস্ততার কারণে তার পরিবর্তে দিল্লির
কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত থাকতে পারেন বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো আগে আভাস দিয়েছিল।
সর্বশেষ
জানা গেছে, আগামী মঙ্গলবার তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন
লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি।
মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগ (কেবিনেট ডিভিশন) বর্তমানে কনভেনশন অনুযায়ী আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকা চূড়ান্ত
করছে। দক্ষিণ প্লাজাকে বর্ণিল সাজে সাজানোর কাজ শুরু হয়েছে। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের
চেতনাকে ধারণ করে এই শপথ অনুষ্ঠানটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে
থাকবে বলে মনে করছে অন্তর্বর্তী সরকার।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে অনুষ্ঠিত
হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি জানান, এই সময়ের
মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, তবে ৮ তারিখের এক–দুদিন পরে বা ১২ তারিখের এক–দুদিন
আগে—মাঝামাঝি কোনো এক সময় নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ৮
ফেব্রুয়ারি রোববার এবং ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার হওয়ায় মঙ্গলবারের দিকেই ভোটগ্রহণ
হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
এদিকে
ভোটের তফসিল চূড়ান্ত করতে আগামী সপ্তাহের রোববার (৭ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের বৈঠক
অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকেই নির্বাচনের সব তারিখ নির্ধারণ করা হবে। বৈঠকের পর দু-তিন দিন
সময় রেখে বৃহস্পতিবারের (১১ ডিসেম্বর) দিকে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
গণভোট
ও সংসদ নির্বাচন একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনা করছে
নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট চলে। এ সময় আরও এক ঘণ্টা
বাড়িয়ে নয় ঘণ্টা করার চিন্তা করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু
হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলতে পারে। একই কারণে ভোটকেন্দ্রে গোপন কক্ষ বা বুথের সংখ্যাও
বাড়ানো হতে পারে। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই
দিনে হওয়ায় বাড়তি প্রস্তুতি প্রয়োজন হবে। এজন্য সময় ও বুথ বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


এসএসসি
ও সমমানের পরীক্ষা আগামী এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে শুরু হতে যাচ্ছে। আর এইচএসসি ও সমমানের
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জুনের শেষ সপ্তাহে। এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে আগামী
১ মার্চ থেকে। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া
হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।
স্বাভাবিক
শিক্ষাসূচি অনুযায়ী প্রতিবছর ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি এবং এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
হলেও করোনা মহামারির প্রভাব ও পরবর্তী বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে গত কয়েক বছর ধরে এ
সূচি বজায় রাখা সম্ভব হয়নি।
চলতি
বছর জাতীয় নির্বাচন এবং পবিত্র রমজান মাসের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এসএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের
শেষ সপ্তাহে পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনী (টেস্ট)
পরীক্ষা ও ফরম পূরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে।
আন্তঃশিক্ষা
বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দকার এহসানুল
কবির সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। টেস্ট পরীক্ষা ও
ফরম পূরণসহ প্রাথমিক কাজগুলো শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে মাঠ পর্যায় থেকে বিশেষ কোনো অনুরোধ
এলে ফরম পূরণের সময় দু-এক দিন বাড়ানো হতে পারে।
এইচএসসি
পরীক্ষার বিষয়ে তিনি আরো বলেন, আগামী ১ মার্চ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ
শুরু হবে।
আশা
করছি, এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা যাবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর
হোসেন,
কুমিল্লা
প্রতিনিধি:
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ‘নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু।
তিনি বলেন, ‘গ্রাম বাংলার মা-বোনদের সামাজিক বিবর্তন ও সাংস্কৃতিক জাগরণে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যাপক ভূমিকায় তিনি (খালেদা জিয়া) নোবেল প্রাইজ পাওয়ার যোগ্য। গ্রাম বাংলার মা-বোনদের সংস্কৃতির যে বিবর্তন তার একমাত্র কারণ খালেদা জিয়া।’
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন।
বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে মেয়েদের বিনা বেতনে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করেছেন। উপবৃত্তির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তখন অনেকে আমাকে বলেছিলেন ‘মেয়েদের ফ্রি লেখাপড়া হচ্ছে, ছেলেদের কী হবে?’ তখন আমি খালেদা জিয়াকে বিষয়টি বললাম, এর উত্তরে তিনি বলেন- ‘আজকে যেসব মেয়ে লেখাপড়া করছে তারাই একদিন মা হবেন। যে পরিবারে মা শিক্ষিত সেই পরিবারের সন্তান শিক্ষিত হয়।’ তার এ যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত মা-বোনদের সামাজিক ও সংস্কৃতিক বিবর্তনে অন্যতম অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। ৯০-এর গণঅভ্যুত্থান খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছিল। সেই অভ্যুত্থানের পর চাইলে সেনাবাহিনী ক্ষমতা নিয়ে যেতে পারত। কিন্তু তারা ক্ষমতা নেয়নি। কারণ আমাদের সেনাবাহিনী দেশপ্রেমিক ও মুক্তিযুদ্ধের বাহিনী। তারপর ১৯৯১ সালে একটি ব্যাপক গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে। যে নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। শেখ মুজিব বাকশাল গঠন করে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে বাকশাল বহাল না রেখে কেউ কোনো নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে চাইলে রাষ্ট্রপতি বরাবর আবেদন করার কথা বলেন। এরপরই আব্দুল মালেক উকিল প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কাছে আওয়ামী লীগকে পুনরায় গঠন করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি চান। সেই আ.লীগ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অনুদানে প্রাপ্ত দল। সেদিন যদি মালিক উকিলের আবেদনে জিয়াউর রহমান সাড়া না দিতেন তাহলে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব থাকত না।’
আগামী নির্বাচন বিএনপির জন্য সহজ নয় উল্লেখ করে বরকত উল্লাহ বুলু আরও বলেন, দেশি-বিদেশি অনেক শক্তিই বিএনপির বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। ভূ-রাজনৈতিক কারণে সারা বিশ্বের অনেক ঈগল পাখির চোখ বাংলাদেশে। সেই চোখ উপেক্ষা করে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে। এর জন্য বিএনপির বিকল্প নেই। আমরা উগ্র রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। যারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাকে বিশ্বাস করে না, তাদের বাংলাদেশে ভোট চাওয়ার ও রাজনীতি করার অধিকার নেই।
নেতাদের উদ্দেশ্যে বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, আপনারা এমন কোনো আচরণ করবেন না, যে কারণে বিএনপি, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তারেক রহমানকে নিয়ে কথা উঠে। আর কেউ যদি এমন আচরণ করেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো হাইব্রিড যেন বিএনপিতে স্থান না পায় সে বিষয়ে সতর্ক নজর রাখতে হবে বলেও আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাক মিয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর মাহমুদ ওয়াসিম, যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজি জসিম উদ্দিন, বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
মন্তব্য করুন


বেনাপোল প্রতিনিধি :
ঈদুল আজহা কুরবানির ঈদ উপলক্ষে
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে টানা পাঁচ দিন আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সেই সঙ্গে
কাস্টমস এবং বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
শুক্রবার সকাল থেকেই ছুটি
শুরু বলে জানান বন্দর সংশ্লিষ্টরা।
বেনাপোল কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ
স্টাফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান ও বন্দর কর্তৃপক্ষ এ তথ্য
নিশ্চিত করেন।
ঈদের বন্ধের আগেই পচনশীল
পন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাস সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে অনেক পন্যবাহি ট্রাক বন্ধে আটকা
পড়বে বলে জানান তিনি।
১৭ জুন ঈদুল আজহা। এ উপলক্ষে
১৪ থেকে ১৮ জুন বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকবে। তবে এই সময়ের
মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের
অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম বলেন, পাঁচ দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও দুই
দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। এ সময় সাধারণত যাত্রী যাতায়াত
একটু বেশি থাকে। সেজন্য ডেস্ক এবং অফিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক
রেজাউল করিম বলেন, ১৪জুন থেকে শুরু হচ্ছে সরকারি ছুটি। চলবে ১৮জুন। তবে ঈদের দিন ব্যাতিত
এসময় গুরুত্বপূর্ন পন্য আমদানি-রফতানি করা যাবে।
১৯ জুন সকাল থেকে আবার আমদানি-রফতানি বাণিজ্য শুরু হবে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার তথ্য পর্যালোচনা ও মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব
পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের তারিখ নির্ধারণ করতে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) বৈঠকে বসতে যাচ্ছে
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
আজ
বুধবার (১৮ মার্চ) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বায়তুল মোকাররম
জাতীয় মসজিদে অবস্থিত বাংলাদেশ ইসলামী ফাউন্ডেশন-এর সম্মেলন কক্ষে সন্ধ্যা ৬টায় বৈঠকটি
অনুষ্ঠিত হবে।
এতে
আরও বলা হয়, এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
বাংলাদেশের
আকাশে কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ এবং ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭-
এই ফোন নম্বরগুলোতে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে
(ইউএনও) জানানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
মন্তব্য করুন


তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারাল। তাঁর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।
প্রফেসর ইউনূস বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না; তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁর অবদান, তাঁর দীর্ঘ সংগ্রাম এবং তাঁর প্রতি জনগণের আবেগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার চলতি মাসে তাঁকে রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর আপোষহীন নেতৃত্বের ফলে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে, মুক্তির অনুপ্রেরণা পেয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও জাতির কল্যাণে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং দৃঢ় মনোবল সব সময় পথ দেখিয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত রাজনীতিককে হারাল।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি’র চেয়ারপারসন, যিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তাঁর স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালে গৃহবধূ থেকে রাজনীতির মাঠে আসা বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব স্বৈরশাসক এরশাদের দীর্ঘ ৯ বছরের দুঃশাসনের পতন ঘটাতে প্রধান ভূমিকা রাখে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বহু কর্ম ও সিদ্ধান্ত দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে। তিনি মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালু করেন, যা বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়া ভীষণভাবে সফল ছিলেন। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনগুলোতে তিনি পাঁচটি পৃথক সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে তিনি যে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, সেখানেই তিনি জয়লাভ করেছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর অর্থনৈতিক উদারীকরণের মাধ্যমে তিনি দেশের অর্থনীতির একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সংগ্রাম ও প্রতিরোধের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর আপোষহীন ভূমিকা দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামে জাতিকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক সাফল্যের কারণেই বেগম খালেদা জিয়া চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন। মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় তাঁকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং দীর্ঘদিন কারাবাস করতে হয়েছিল।
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতির দিনে তিনি দেশবাসীকে শান্ত থাকার ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং যার যার অবস্থান থেকে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীরা নগরের আকবর শাহ থানা এলাকায় লাগেজভর্তি গাঁজা উদ্ধার করেছেন ।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সড়কে যানবাহন সামলানোর দায়িত্বপালনকালে তারা এই গাঁজা উদ্ধার করেন। পরে নৌ-বাহিনীর সহায়তায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
চট্টগ্রাম নৌ-বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, সন্ধ্যায় আকবর শাহ থানার সিটি গেট এলাকায় নৌ-বাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আফতাব উদ্দিনের নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের খবর দেয় লাগেজভর্তি গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে তারা আটক করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি সন্দেহজনকভাবে লাগেজ নিয়ে ঘোরাফেরা করছিল।
থানার নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তারাসহ আটক ব্যক্তি এবং মালামাল আকবর শাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়। ওজন করে দেখা গেছে জব্দ করা লাগেজে ১০ কেজি গাজা ছিল।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় তো বটেই, সব সংস্করণের ক্রিকেট মিলিয়েই পাকিস্তানের মাটিতে এটি বাংলাদেশের প্রথম সিরিজ জয়।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত যেন নতুন এক ইতিহাস গড়ারই অগ্রপথিক হলেন। এমন বর্ণিল সাফল্যের দিনে ঢাকা থেকে নিশ্চয়ই অভিনন্দনসিক্ত অনেক ফোন পেয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার মধ্যে একটি ফোনকল নিশ্চিতভাবেই আলাদা।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও যে ফোনে অভিনন্দন জানিয়েছেন তাঁকে। মাঠে দাঁড়িয়েই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের জন্য ম্যাচের পরই নাজমুল ও তাঁর ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়ে মুঠোফোনে প্রধান উপদেষ্টা অধিনায়ককে বলেছেন, ‘আমার ও সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন। পুরো জাতি তোমাদের নিয়ে গর্বিত।’
দেশে ফেরার পর বাংলাদেশ দলকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ড. ইউনূস।
বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন জানিয়ে একই পোস্ট দেওয়া হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজেও।
রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটে জয়। এরপর আজ একই মাঠে পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ২–০ তে সিরিজও জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ দল।
মন্তব্য করুন