

বিএনপি
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ড সবুজ সংকেত দিলেই
ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে কাতারের রয়েল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স।
বিএনপি
চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে
কাতারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তিনিই এই বিষয়ে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করছেন।
এনামুল
হক চৌধুরী বলেন, ‘ম্যডামের মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে কাতারের রয়েল অ্যাম্বুলেন্স
বাংলাদেশ আসবে। তারা এখন সেইভাবে প্রস্তুত আছেন। মেডিকেল বোর্ড যখনই সিদ্ধান্ত জানাবে
তখনই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে এবং বেগম জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার
জন্য লন্ডন নিয়ে যাবে। সবকিছুই কাতার কর্তৃপক্ষ অ্যারেজমন্ট করেছে।’
জার্মানি
থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আনার বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা নই, কাতার
কর্তৃপক্ষই জার্মানি থেকে একটি অত্যাধুনিক এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের অ্যারেজমেন্ট করে দিচ্ছে।
এনামুল
হক জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জন্য রয়েল কর্তৃপক্ষের
তত্ত্বাবধায়নে সবকিছু করা হচ্ছে। এখানে আমাদের কিছু নেই।
বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শারীরিক অবস্থা আগের মতই আছে। মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা ক্রিটিক্যাল
কেয়ার ইউনিটে বেগম খালেদা জিয়াকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।
একাধিক
চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, বিএনপি চেয়ারপারসন এখনও ফ্লাই করার সক্ষমতা অর্জন
করেননি। সেজন্য লন্ডন যাত্রা বিলম্ব হচ্ছে।
তারা
আরও জানান, গত দু’দিনে মেডিকেল বোর্ড কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা
করেছে। সেগুলোর প্রতিবেদনও তারা পর্যালোচনা করছেন। গতকাল (শুক্রবার) দু’দফা
মেডিকেল বোর্ডের বৈঠক হয়। প্রতিদিনই বোর্ডের সভায় খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার নিয়মিত
প্রতিবেদনগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
গত
২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চকিৎসাধীন আছেন বেগম খালেদা জিয়া।
অধ্যাপক
শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে একদল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড তাঁর
চিকিৎসা দিচ্ছে। তারেক রহমানের সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমানও সেই বোর্ডের সদস্য।
বেগম
খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন নিয়ে যেতে শুক্রবার ডা. জুবাইদা ঢাকায় এসে
পৌঁছান।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, শহীদ মিনার আমাদের প্রতিরোধ ও বিজয়ের
প্রতীক। এখান থেকেই শুরু করেছিলাম এবং এখানে এসেই আমরা বিজয় উদযাপন করতে পেরেছিলাম।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শেষ পর্যায়ে শিক্ষক, সমাজকর্মী ও সংস্কৃতি কর্মীরা রাজপথে নেমে
কারফিউ ভেঙে শহীদ মিনারে প্রোগ্রাম করেন, যা আমাদের ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করে। সবদিক
বিবেচনায় শহীদ মিনার আমাদের প্রতিরোধ ও বিজয়ের অনুষঙ্গ। এখান থেকেই ৩ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে
এক দফা ঘোষিত হয়েছিল।
আজ
শনিবার (২ আগস্ট) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই পুনর্জাগরণ র্যালী-
২০২৫ এর শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
র্যালীটি
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন চত্বর থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, গত বছরের অভ্যুত্থানে প্রায় দুই হাজার মানুষ শহীদ হন, ২০
থেকে ২৫ হাজার মানুষ আহত হন। এই আত্মত্যাগ স্মরণেই আমাদের কার্যক্রম। যতদিন আমরা শহীদদের
স্মরণে রাখবো, আহতদের মর্মপীড়া আমরা যতদিন অনুভব করবো, ততদিন আমরা নতুন বাংলাদেশ গঠনের
প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবো। শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে যেহেতু একটা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি,
বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ার একটা সুযোগ পেয়েছি, সেই সুযোগটা আমাদের কাজে লাগাতে হবে। আমরা অনেকগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, যার একটি
বড় অংশ বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে। অনেক কিছু পরিবর্তিত হয়েছে। হয়তো বাংলাদেশের সাধারণ
মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন এক বছরে সম্ভব হয়নি। তবে আমাদের চেষ্টা ছিল, এই চেষ্টা অব্যাহত
থাকবে। ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার কারণে অনেকে ন্যায্য অধিকার পাননি, বৈষম্যের শিকার হয়েছিলেন,
এখন ১৬ বছর পর তারা সেই অধিকার ও ন্যায্যতার দেখা পেয়েছেন। বৈষম্যহীনতার দেখা পেয়েছেন।
২০২৪
এর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ১৭ জুলাই গায়েবানা জানাজায় হামলার পর আমরা
আর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারিনি। ক্যাম্পাস থেকে আন্দোলন তখন ছড়িয়ে পড়ে সারা বাংলাদেশে,
বিশেষ করে ঢাকার প্রবেশপথের অন্তত আটটি পয়েন্টে তুমুল প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছিল। মানুষ
দলমত নির্বিশেষে অংশগ্রহণ করে, অসংখ্য মানুষ প্রাণ দিয়েছিল এই আন্দোলনে।
তথ্য
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম আরো বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটা পরিবর্তনের শুরু মাত্র। কিন্তু
এক বছর-দুই বছর অথবা একটা সরকার বা দুইটা সরকারের এটা বিষয় না। সরকার আসবে-যাবে, কিন্তু
জুলাই অভ্যুত্থানের কারণে পুরাতন ব্যবস্থা ও পুরাতন বন্দোবস্তে ছেদ পড়েছে। আমরা একটা
পর্ব পেরিয়ে নতুন পর্বে রওয়ানা দিয়েছি। আমি মনে করি এই পর্বে সকল গণতান্ত্রিক ও বহুমাত্রিক
প্রকাশ এক বা দুই বছরে দেখা যাবে না। আমি মনে করি, আমাদের যেই প্রজন্ম এই গণতন্ত্রের
অভিযাত্রা সূচনা করেছে, তাদের যদি দেশের সকল সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠান স্মরণ রাখবে, যখন জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের
অবিরত চেষ্টা চালিয়ে যাবে, আমরা আশা রাখি বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে রূপান্তরিত
হবে।
(সূত্র-
বাসস)
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে মোট ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার
করেছেন। ফলে এখন মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
মঙ্গলবার
দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য
প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বাসসকে এ তথ্য জানান।
তিনি
জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ২৯৮টি আসনে (পাবনা-১
ও পাবনা-২ আসন বাদে) মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ইসির
কর্মকর্তারা জানান, ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে ১ হাজার
৮৫৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। পরে
৬৩৯ জন প্রার্থী আপিল করেন। আপিলের মাধ্যমে ৪৩১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে
পান।
ইসির
তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল ২০ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
আজ
বুধবার ( ২১ জানুয়ারি ) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ
দেওয়া হবে। আগামীকাল ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে নির্বাচনী প্রচারণা, যা ভোট গ্রহণের
৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত চালানো যাবে।
আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে
ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয়
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে।
এর
আগে গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল
ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
তফসিল অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের (কুসিক) পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও মাস্টাররোলভিত্তিক স্টাফদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এসব আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়। এ উপলক্ষে ৪১ লাখ ৬০ হাজার টাকার অনুদান কর্মীদের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হয়।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর ধর্মসাগর এলাকা সংলগ্ন শিশু পার্ক প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কুসিকের নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ সহায়তা বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠানে কুসিকের ৮৩৩ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মীর প্রত্যেককে নগদ ৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়। ঈদকে সামনে রেখে এ সহায়তা পেয়ে কর্মীদের মধ্যে স্বস্তি ও সন্তোষের ভাব লক্ষ্য করা গেছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তিনি কুমিল্লাকে একটি ‘গ্রিন ও ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে নগরবাসীর প্রতি নিজ নিজ বাসাবাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখা এবং নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নগরের সার্বিক উন্নয়নে সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কুসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মামুন, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভ’ঁইয়া, মো. মাঈন-উদ্দিন চিশতীসহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


বীরশ্রেষ্ঠ
নূর মোহাম্মদ শেখের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আগামীকাল বৃহস্পতিবার। বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ
শেখ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের মহিষখোলা (বর্তমান
নাম নূর মোহাম্মদনগর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মোহাম্মদ আমানত শেখ এবং
মা’র নাম জেন্নাতুন্নেছা। বাল্যকালেই বাবা-মাকে হারান তিনি।
সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন তিনি। বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জন্মভূমি
মহিষখোলার নাম পরিবর্তন করে ২০০৮ সালের ১৮ মার্চ নূর মোহাম্মদনগর করা হয়।
বীরশ্রেষ্ঠ
নূর মোহাম্মদের কর্মময় জীবন থেকে জানা যায়, ১৯৫৯ সালের ১৪ মার্চ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান
রাইফেলস (ইপিআর) এ যোগদান করেন তিনি। যা বর্তমানে ‘বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ’
(বিজিবি) হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন দিনাজপুর সীমান্তে চাকরি করার পর ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই
যশোর সেক্টরে বদলী হন তিনি। পরবর্তীতে ল্যান্স নায়েক হিসেবে পদোন্নতি পান তিনি। ১৯৭১
সালে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। নূর মোহাম্মদ শেখ
যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর সীমান্তের বয়রা অঞ্চলে ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার নের্তৃত্বে
পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ শত্রুমুক্ত করেন। ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের
গোয়ালহাটি ও ছুটিপুরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে গুলিতে সহযোদ্ধা
নান্নু মিয়া গুরুতর আহত হলে নূর মোহাম্মদ শেখ হাতে এলএমজি এবং কাঁধে আহত সাথীকে নিয়ে
শত্রু পক্ষের দিকে এগিয়ে যান এবং গুলি ছুড়তে থাকেন। এ সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর
ছোড়া মর্টার শেলের আঘাতে মারাত্মকভাবে জখম হন তিনি। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ নূর মোহাম্মদ
আশংকাজনক অবস্থায়ও নিজের জীবনের কথা না ভেবে যুদ্ধ চালিয়ে যান এবং গুলি চালাতে চালাতে
সামনের দিকে অগ্রসর হন। এক সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। এদিন পাকিস্তানি হানাদার
বাহিনীকে প্রতিরোধ এবং দলীয় সঙ্গীদের জীবন ও অস্ত্র রক্ষা করতে গিয়ে শহীদ হন নূর মোহাম্মদ
শেখ। যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুরে তাকে
সমাহিত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বীরশ্রেষ্ঠ’
খেতাবে ভূষিত হন তিনি।
নূর
মোহাম্মদের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ট্রাস্ট ও জেলা প্রশাসনের
উদ্যোগে নূর মোহাম্মদ নগর ও বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ গ্রন্থাগার
ও স্মৃতি জাদুঘর মিলনায়তনে কোরআনখানি, স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ ও গার্ড অব অনার
প্রদান, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে
জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা
করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্তকরণ ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন মহানগরীর বিভিন্ন সড়ক ও ফুটপাতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
মঙ্গলবার সকালে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয় রাজশাহী নগর ভবনের গ্রেটার রোড থেকে। এরপর বর্ণালির মোড়, রাজীব চত্বর, ঐতিহ্য চত্বর, বিভাগীয় গণগ্রন্থাগার, মেডিকেল জরুরি গেট, লক্ষ্মীপুর মোড়, সিএন্ডবি মোড়, ফায়ার সার্ভিস মোড়, সোনাদিঘী মোড়, গণকপাড়া মোড় পর্যন্ত রাস্তা-ফুটপাতে গড়ে ওঠা সব প্রকার অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারীদের প্রাথমিকভাবে সতর্ক করা হয়। অভিযানকালে গণগ্রন্থাগার ও মেডিকেল জরুরি গেটের সামনে প্রায় ৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে জব্দকৃত একটি জেনারেটর নগর ভবনে নিয়ে রাখা হয়।
উচ্ছেদ অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও রাসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান রাজশাহী সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাফিজ মিশু।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
টেলিভিশন চ্যানেল একাত্তর টিভি, যমুনা টিভি, বাংলাভিশন এবং মোহনা টিভির ইউটিউব চ্যানেলের
সম্প্রচার ভারতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত কারণ দেখিয়ে ভারত
সরকারের অনুরোধের পর এ পদক্ষেপ নিয়েছে ইউটিউব।
আজ
শুক্রবার (৯ মে) এই চার চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করা হয় বলে জানিয়েছে তথ্যব্যবস্থায়
প্রযুক্তির প্রভাব নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ডিজিটালি রাইটের তথ্য যাচাইয়ের উদ্যোগ
ডিসমিসল্যাব।
ডিসমিসল্যাবের
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একাত্তর টিভি, বাংলাভিশন, যমুনা টিভি এবং মোহনা টিভির ইউটিউব
চ্যানেল ভারতের দর্শকেরা দেখতে পারবেন না। ভারতের ভূ-অবস্থান থেকে এই চ্যানেলগুলোতে
প্রবেশের চেষ্টা করলে একটি বার্তা সামনে আসে। তাতে বলা হয়, এই কনটেন্টটি বর্তমানে এই
দেশে প্রবেশযোগ্য নয়। কারণ, এটি জাতীয় নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত সরকারি আদেশের
আওতায় রয়েছে।
মন্তব্য করুন


শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় প্রিয় প্রাঙ্গণ সুপ্রিম কোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও সাবেক এটর্নি জেনারেল বিশিষ্ট আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফকে শেষ বিদায় জানালো তাঁর দীর্ঘ দিনের সহকর্মী, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীগণ।
শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে ধানমন্ডি ৭ নম্বর জামে মসজিদে এএফ হাসান আরিফের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
শুক্রবার বিকেল ৩টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে মারা যান উপদেষ্টা হাসান আরিফ। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) বৈঠকে বসবেন ।
সোমবার (১২ আগস্ট) সচিবালয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে একথা জানিয়ে ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, আমাদের কাছে কিছু অভিযোগ এসেছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর এবং উপাসনালয় আক্রমণ হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশে ধর্ম মন্ত্রণালয় সব সময় আছে। আগেও ছিল এখনো আছে, আগামীতেও থাকবে। এখন আমরা জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত উপাসনালয় এবং যাদের বাড়িঘর বা অন্যান্য ক্ষতি হয়েছে, তাদের তালিকা সংগ্রহ করছি।
সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উপাসনালয় এবং বাড়িঘরে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ বৈঠক হচ্ছে।
খালিদ হোসেন বলেন, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণকারীরা দুর্বৃত্ত। তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
উপদেষ্টা আরো বলেন, আগামীকাল বিকেলে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতাদের একটা বৈঠকের ব্যবস্থা করেছি। ওখানে আমরা আরও বিস্তারিত কথা শুনবো। আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সাহায্য কতটুকু করতে পারি সেই বিষয়ে আমরা কালকে সিদ্ধান্ত নেব। এছাড়া মাঝখানে পুলিশের অনুপস্থিতির কারণে আক্রমণটা একটু বেশি হয়েছে। পুলিশ যেহেতু যোগদান করেছে আমরা আশাবাদী এরকম দুর্ঘটনা আর ঘটবে না।
পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ প্রতিরোধে তথ্য জানানোর জন্য একটি হটলাইন চালু করা হবে বলেও জানিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কবিরহাট চাপরাশিরহাট পশ্চিম বাজারে নৈশপ্রহরীকে হত্যা করে দুটি স্বর্ণের দোকান লুট করেছে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল।
ঘটনার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ৭ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে লুন্ঠিত ৬০ ভরি স্বর্ণ, ১৬০ ভরি রুপা, স্বর্ণ বিক্রির ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, একটি দেশীয় তৈরী পাইপগান, দুই রাউন্ড কার্তুজ, একটি গ্যাস সিলিন্ডার ও একটি পাইপ।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন, নোয়াখালীর পুলিশ সুপার এসপি মো.শহীদুল ইসলাম। এর আগে, গত শুক্রবার ৮ ডিসেম্বর ভোর রাতের দিকে কবিরহাট ডাকাতির ঘঠনা ঘটে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার বলেন,গত শুক্রবার ১০-১৫ জনের একটি ডাকাত দল রাত ৩টার পর চাপরাশিরহাট পশ্চিম বাজারে প্রবেশ করেন। ওই সময় অস্ত্রের মুখে নৈশপ্রহরীসহ অন্যান্য চলাচলকারী লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। এরপর প্রায় দুই ঘন্টা ডাকাতি সংঘটন করে। এ সময় ডাকাত দলকে বাধা দিলে নৈশ প্রহরী শহীদুল্লাহকে মাথায় আঘাত করলে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন বলে
জানিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। বুধবার নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টের
মাধ্যমে তিনি এ তথ্য জানান।
সেই
ফেসবুক পোস্টে তিনি রাজধানীর নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে প্রতীক বরাদ্দের কাগজ
হাতে নিয়ে একটি ছবি যুক্ত করে ক্যাপশনে লিখেন ‘সকল বাধা পেরিয়ে ফুটবল প্রতীক নিয়েই
আমরা নির্বাচন করছি!’
এর
আগে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি জানান, নির্বাচন
কমিশন আমার আপিল মঞ্জুর হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা
করা হয়েছে। এখন আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতীকের জন্য আবেদন করব এবং আমার পছন্দ
ফুটবল প্রতীক। সেটার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করব।
এর
আগে গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঢাকার রিটার্নিং কর্মকর্তা তাসনিম জারার
আবেদনটি বাতিল ঘোষণা করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া
১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের তালিকায় ১০ জনের মধ্যে দুইজনের গরমিল দেখিয়ে তার প্রার্থিতা
বাতিল করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন