

সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর চন্ডীদার বিওপি কর্তৃক
২৬ লক্ষ ৫৭হাজার ৫শত টাকা মূল্যের বাংলাদেশী পিকআপসহ ভারতীয় অ-বৈ-ধ গাঁজা জ*ব্দ।
গতকাল ১৭ মে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ
এলাকার ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার কসবা উপজেলাধীন সীমান্তবর্তী এলাকা রাজনগর নামক স্থান
হতে অভিনব কায়দায় চোরাচালানের সময় মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন
অবস্থায় ২৬ লক্ষ ৫৭হাজার ৫শত টাকা মূল্যের
৪৫ কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ ১ টি টাটা পিকআপ জব্দ করে।
সর্বদা সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে ৬০ বিজিবির
আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা সর্বোতভাবে অব্যাহত রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায়
সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব অবৈধ ভারতীয় মালামাল জব্দ করা হচ্ছে বলে
জানিয়েছেন সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ জিয়াউর রহমান,
পিবিজিএম, বিজিবিএমএস, এএসসি।
মন্তব্য করুন


জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম (উওর) প্রতিনিধি:
"গাছ লাগাই পরিবেশ বাঁচাই"এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট)) বিকেলে ফুলবাড়ী উপজেলা ছওয়াব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৫০ জন উপকারভোগীর মাঝে ১টি লটকন ও ১ টি মেহগনি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
ফুলবাড়ী উপজেলা ছওয়াব ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার মাহফুজার রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল-মামুন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ছওয়াব ফাউন্ডেশনের
ঢাকা হেড অফিসের জেনারেল ম্যানেজার আবুল হাসানসহ আরো অনেকে।
এ সময় বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছ লাগানো খুবই জরুরী। গাছের মাধ্যমে আমরা অক্সিজেন পাই, আর অক্সিজেন গ্রহণ করে আমরা বেঁচে থাকি। বনজ গাছ থেকে আমরা বিভিন্ন আসবাব পত্র তৈরী এবং জ্বালানী কাঠ পাই। ফলজ গাছ থেকে বিভিন্ন ফল পাই। ফল আমাদের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা মেটায়। গাছ লাগানো ছদকায়ে জারিয়া। মানুষ মারা গেলেও তার লাগানো গাছ বেঁচে থাকলে সে কবরে শুয়ে শুয়ে ছওয়াব পেতে থাকবে। পরিবেশ সুরক্ষায় তাই আসুন প্রত্যেকে এই মেীসুমে কমপক্ষে ২ টি করে গাছ লাগাই।
মন্তব্য করুন


শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে কুমিল্লা শহরে ভোরবেলায় শীতার্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে বাংলাদেশ ইয়ংস্টার সোশ্যাল অর্গানাইজেশন।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকদের সরাসরি অংশগ্রহণে এ মানবিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফুটপাত ও খোলা স্থানে অবস্থানরত দরিদ্র মানুষের মাঝে কম্বলসহ প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। শীতের সকালে ঠান্ডায় কাঁপতে থাকা মানুষদের জন্য এই উদ্যোগ স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসে।
সংগঠনের দায়িত্বশীলরা জানান, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের মূল লক্ষ্য। শীত মৌসুমে যেন কোনো মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করতে না হয়, সে লক্ষ্যেই তারা নিয়মিতভাবে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
তারা আরও জানান, ভবিষ্যতেও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ সংগঠনের এই উদ্যোগকে প্রশংসা করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মানিককান্দি এলাকায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে অস্ত্র ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিএ-১১৫২১ ক্যাপ্টেন ইসফাক ইবনে আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে ৩ ই বেঙ্গল, দাউদকান্দি আর্মি ক্যাম্পের একটি দল তিতাস উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রামে বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রসহ দুইজন আসামিকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন—আটক এসহাক মোল্লা জুয়েল ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান আবু মোল্লার ছেলে ও একই গ্রামের আশরাফ হোসেনের ছেলে আব্দুল হাসান।স্থানীয় সূত্র জানায়, এসহাক মোল্লা জুয়েল এর আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগদান করেছিলেন। তবে কী কারণে এবং কোন প্রেক্ষাপটে তিনি অস্ত্র বহন করছিলেন—সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।
সেনাবাহিনী সূত্র আরও জানায়, আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে এবং তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে।অভিযানকালে আসামিদের হেফাজত থেকে একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড গুলি, একটি চাপাতি, পাঁচটি দেশীয় অস্ত্র (চাকু), তিনটি লোহার পাইপ, ছয়টি পাসপোর্ট, নগদ ২০ হাজার টাকা এবং মোট ১০টি মোবাইল ফোন (এর মধ্যে পাঁচটি নষ্ট) উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটককৃত আসামি ও উদ্ধারকৃত মালামাল সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফেনীর সোনাগাজীতে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য শাহজাহান সাজুকে (৫০) গ্রেফতার করেছে সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের সমপুর গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শাহজাহান সাজু উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের সমপুর গ্রামের মাইন উদ্দিনের ছেলে।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, শাহজাহান সাজু একজন স্বীকৃত দুর্ধর্ষ ডাকাত। তার বিরুদ্ধে ১০টি ডাকাতি মামলার পাশাপাশি একাধিক চুরি ও ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং 'ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার' এর আওতায় মোতায়নরত সেনাসদস্যদের পরিদর্শনের লক্ষ্যে কুমিল্লা এরিয়া পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি।
পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান এবং অসামরিক প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় করেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে সেনাপ্রধান কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।
এ সময় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
মতবিনিময়কালে সেনাপ্রধান পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও নাগরিকবান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
কুমিল্লা এরিয়া পরিদর্শনকালে, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; এ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল; জিওসি ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, কুমিল্লা এরিয়া এবং সেনাসদর ও কুমিল্লা এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দের পাশাপাশি অসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক জব্দ করেছে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী।
মঙ্গলবার ( ২০ জানুয়ারি) ভোররাতে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মৌটুপি এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের নিমিত্তে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে মৌটুপি এলাকা হতে ১টি ৯ মিঃমিঃ পিস্তল, ২ রাউন্ড গোলাবারুদ, ১টি দেশীয় অস্ত্র এবং ২৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক তিতাস থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪০ লাখ ৪৮ হাজার টাকার মূল্যের অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার বাজি এবং গাঁজা উদ্ধার করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
শনিবার (৪ অক্টোবর) ভোর ৫টায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার লক্ষ্ণীপুর ও সদর উপজেলার কটকবাজারসংলগ্ন স্থান থেকে এসব মালামাল জব্দ করা হয়। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়।
দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নিশ্চিত করেছে বিজিবি।
বিজিবি জানায়, ভোর ৫টার দিকে যশপুর বিওপি’র অধীনস্থ লক্ষীপুর পোস্টের একটি বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সীমান্তের ৭ কিলোমিটার অভ্যন্তরে মান্দারী কবরস্থান ও পালপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৪ হাজার ৫৬০ পিস বাজি এবং ৪৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায় বলে জানানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত বাজি ও গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪০ লাখ ৪৮ হাজার টাকা।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে তারা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ভোলার লালমোহন উপজেলায় বিশেষ অভিযানে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকালে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তির নাম মো. রুবেল (৩৮)। তিনি উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বালুরচর এলাকার বাসিন্দা এবং মো. আসমত আলীর ছেলে।
লালমোহন সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সত্যজিৎ কুমার ঘোষ দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোরে বালুরচর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় রুবেল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান চলমান থাকবে এবং এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রেখে আন্দোলনের নামে গ্রাহক ভোগান্তি, রাষ্ট্রবিরোধী আচরণ ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনা করার অভিযোগে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর ১৫৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী।
শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিল্টন ঘোষ ওই মামলা করেন। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আসামি করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে আন্দোলন করে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এতে লাখ লাখ গ্রাহক চরম ভোগান্তির শিকার হয়।
আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার বাইমানা গ্রামের নূরুল আনোয়ারের ছেলে সহিদুল ইসলাম (২৬), চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলার কামানকান্দি মাথাভাঙ্গা গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে নূর মোহাম্মদ (২৮), চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারি উপজেলার খন্দকিয়া গ্রামের সিকদার চৌধুরীর ছেলে ফয়সাল চৌধুরী (৩৭), নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার পবনপুর তারাবো গ্রামে ফরিদ উদ্দিনের ছেলে তানভীর আহমেদ (৩৩), ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলা সদরের খায়রুল কবিরের ছেলে মিজানুর রহমান সাগর (৩০)। তারা সকলে চান্দিনাস্থ কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কর্মকর্তা।
সন্ধ্যার পর দ্বিতীয় দফা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে আন্দোলন করাকালে চান্দিনার পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেড়াও করে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা। এ সময় যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আটক করে। পরে দায়ের হওয়া মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: নাজমুল হুদা জানান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনকালে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় আন্দোলনকারীরা। এতে সমিতির আওতাধীন চার উপজেলার লাখ লাখ গ্রাহকের ভোগান্তি দেখা দেয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ আমরা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে তাদের সাথে আলোচনা করে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করি। সন্ধ্যার পর আবারো তারা দুই ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ায় এলাকার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কার্যালয় ঘেড়াও করে। এ সময় যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে নাশকতা, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম পরিচালিত করায় ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মামলা করেন। ওই মামলায় তাদেরকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে
চলমান এসএসসি পরীক্ষায় ছাদ বেয়ে নকল সরবরাহের দায়ে ইমরান হোসেন (১৯) নামের এক যুবককে
ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭
এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে পেরিয়া ইউনিয়নের ডা. যোবায়েদা হান্নান হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ
কেন্দ্র থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
রাফিদ খান এ দণ্ডাদেশ দেন।
এ সময় উপজেলার আরও
চারটি কেন্দ্র থেকে নকলের অভিযোগে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি দায়িত্বে
অবহেলার অভিযোগে মৌকারা মাদ্রাসার চারজন শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা
যায়, ইংরেজি ২য় পত্র চলাকালে ডা. যোবায়েদা হান্নান হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র
পরিদর্শনে যান ট্যাগ অফিসার শহীদুল ইসলাম।
এদিকে ইমরান হোসেন
ভবনের তৃতীয় তলা চাদ বেয়ে নকল দিতে যান আত্মীয়কে। যা নজরে আসে ট্যাগ অফিসার শহীদুল
ইসলামের। সঙ্গে সঙ্গে তাকে একই ভবনের তৃতীয় তলা থেকে আটক করা হয়। ইমরানকে উপজেলা নির্বাহী
অফিসে আনা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে নাঙ্গলকোট
দারুল আফসারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা ৪ জন, ধাতিশ্বর স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২ জন, জোড্ডা
আলিম মাদ্রাসা ৫ জন ও জোড্ডা উচ্চ বিদ্যালয় ৪ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।
জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
রাফিদ খান বলেন, নকল সরবরাহের সময় ইমরান হোসেনকে হাতে-নাতে ধরা হয়। পরে নিয়ম অনুযায়ী
পরীক্ষা আইন ১৯৮০ (১১-ক) ধারায় ৬ মাসের মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরীক্ষা সুষ্ঠু রাখতে
প্রশাসন কঠোর অবস্থানে আছে।
মন্তব্য করুন