

গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেতা মুশফিক আর ফারহান।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার (০৩ জানুয়ারি) রাতে তাকে আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
মুশফিক আর ফারহানের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, নাটকের শুটিংসেটে ফারহান হঠাৎ জ্বর ও শরীর ব্যথার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে শুক্রবার হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। সেখানে অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর তাকে দ্রুত আইসিইউতে নেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টা, মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর
অভিযোগে সাবেক স্ত্রী রিয়া মনির করা মামলায় গ্রেপ্তারের পর জামিন পেয়েছেন
কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম।
আজ
শনিবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাকিবুল হাসানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন
তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর বিকেল ৪ টা ১০
মিনিটের দিকে আদালতের এজলাসে তোলা হয়। এ সময় হিরো
আলমের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে শুনানি করেন। বাদীপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ২০০ টাকায় মুচলেকায় আদালত তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন। এ সময় মামলার
বাদী রিয়া মনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এর
আগে গত ১২ নভেম্বর
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামানের আদালত হিরো আলম ও তার সহযোগী
আহসান হাবিব সেলিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সেই পরোয়ানা পেয়ে শনিবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করে হাতিরঝিল থানার পুলিশ।
মামলার
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি হিরো আলম ও বাদী রিয়া
মনির মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়। এরপর হিরো আলম বাদীকে তালাক দিয়ে বাসা থেকে বের করে দেন।
গত
২১ জুন বাদীর পরিবারের সঙ্গে মীমাংসা করার জন্য হাতিরঝিল থানাধীন এলাকায় একটি বাসায় ডাকা হয়। সেই সময়ে হিরো আলমসহ ১০ থেকে ১২
অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বাদী ও তার পরিবারের
সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। পরে তারা বাদীর বর্তমান বাসায় বেআইনিভাবে প্রবেশ করে কাঠের লাঠি দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন
অংশে মারধর করে। এই হামলায় বাদীর
শরীরে জখম সৃষ্টি হয়। এ সময় তার
গলায় থাকা 'দেড় ভরি' ওজনের স্বর্ণের চেইন চুরি করে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
ওই
ঘটনায় গত ২৩ জুন
হাতিরঝিল থানায় রিয়া মনি বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের
ভৈরবে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকটি
দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে ।
আজ শনিবার সকাল
১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের মধ্যচর গ্রামের পূর্বপাড়া
ও পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
উভয়পক্ষের আহতরা
হলেন, সেলিম মিয়া (৩৫), হজকরুনি (৪৫), জনিয়া বেগম (২৪), ইমন (২২) সাদ্দাম মিয়া (৩০),
সাজু (৫৪), সবুজ মিয়া (৩৩), শরীফ (২৫), মাহবুর (৩৪), পাবেল (২৬), ইকবাল মিয়া (৫১),
সালমান ফরাজি (১৭)। এছাড়া বাকি আহতরা স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে
ফিরে যান।
আহতদের মধ্য
গুরুতর অবস্থা থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সবুজ মিয়া, সাদ্দাম, সালমান ফরাজিকে ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র
জানায়, ভৈরব উপজেলার মধ্যচর গ্রামের ঈদগাহ মাঠে স্থানীয় যুবকদের আয়োজনে একটি ফুটবল
টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়। এ ফুটবল খেলায় ৯ জানুয়ারি শুক্রবার বিকালে ঈদগাহ মাঠে উপজেলার
ভাটিকৃষ্ণ নগর গ্রামের সঙ্গে মধ্যেচর গ্রামের যুবকদের সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
এ খেলা চলাকালে ভাটিকৃষ্ণনগর যখন পরপর দুটি গোল দেয় এর উত্তেজনার জেরে দুপক্ষের লোকজন
মধ্য মাঠেই মারামারি ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় মাতব্বরা পরিস্থিতি সামাল দেয়। শনিবার সকালে
ঘটনাটি মীমাংসার জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজন বৈঠকে বসলে এমন সময় মধ্যচর গ্রামের পূর্বপাড়া
ও পশ্চিমপাড়ার লোকজন দেশীয়অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষের জড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৩ ঘণ্টা সংঘর্ষ চলার
পর উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সেনাবাহিনী ও পুলিশ সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনেন।
শিমুলকান্দি
ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আল আমিন বলেন, শুক্রবারের ফুটবল খেলায় গোল
দেওয়ার উত্তেজনায় দুপক্ষের মধ্য মারামারি ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে শনিবার সকালে ফের গ্রামের
দুপক্ষের মধ্য সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে ভৈরব
থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ জানান, গত শুক্রবার বিকেলে ফুটবল
খেলাকে কেন্দ্র করে মধ্যচর গ্রামের দুপক্ষের মধ্য সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
মন্তব্য করুন


ঝিনাইদহে
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকায় নিজের ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন এক
বাবা। গত সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে
হলফনামার মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন মো. আবু জাফর।
হলফনামা
সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটী ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ব্যবসায়ী
মো. আবু জাফর তার ছেলে মো. নাহিদ হাসান সবুজকে ত্যাজ্যপুত্র হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
অভিযুক্ত
নাহিদ হাসান সবুজ ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে
দায়িত্ব পালন করছেন।
হলফনামায়
মো. আবু জাফর উল্লেখ করেন, তার পুত্র দীর্ঘদিন ধরে তার অবাধ্য এবং অবান্তর জীবনযাপন
করে আসছিলেন। তিনি বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন না এবং নিজের খেয়ালখুশিমতো আলাদা
থাকেন।
তিনি
আরো উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও
নাহিদ হাসান এই সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে লিপ্ত ছিলেন। বিশেষ করে গত ২১ ফেব্রুয়ারি
ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের কার্যক্রম পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়ায় সবুজের
সক্রিয় অংশগ্রহণের সংবাদ পাওয়ার পর তাকে নিজ বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেন আবু জাফর।
হলফনামায়
স্পষ্ট বলা হয়েছে, আজ থেকে নাহিদ হাসান সবুজের কোনো প্রকার আয়-রোজগার, দায়-দেনা বা
কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পিতা বা তার পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের সম্পর্ক থাকবে না। তার কোনো
অপকর্মের দায়ভার পরিবার বহন করবে না। ভবিষ্যতে তার সঙ্গে পরিবারের সকল প্রকার রক্ত
সম্পর্কীয় ও আইনি বিচ্ছেদ বজায় থাকবে।
আবু
জাফর বলেন, ‘দেশের আইন ও নীতিমালার পরিপন্থী কোনো কাজ আমার সন্তান করুক তা আমি চাই
না।
বারবার
সতর্ক করার পরও সে শোধরায়নি, তাই বাধ্য হয়ে আমি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
মন্তব্য করুন


ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী
হিনা খান। সম্প্রতি তার ব্রেস্ট ক্যানসার শনাক্ত হয়েছে তার। এরইমধ্যে চিকিৎসা শুরু
হয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী নিজেই।
সামাজিকমাধ্যমে গুঞ্জন চাউর হয়, ক্যানসারে
আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী হিনা খান। কিন্তু এ নিয়ে নীরব ছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু শুক্রবার
(২৮ জুন) ইনস্টাগ্রাম পোস্টে গুঞ্জনকে সত্য বলে জানান হিনা খান।
ইনস্টাগ্রাম বিবৃতিতে হিনা খান লেখেন,
চলমান গুঞ্জন আমার নজরে পড়েছে। যারা আমার ভক্ত, যারা আমাকে ভালোবাসেন, সবার সঙ্গে একটি
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ শেয়ার করছি। আমি ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত, এখন তা তৃতীয় পর্যায়ে
রয়েছে। এমন একটি রোগ শনাক্ত হওয়ার পরও বলছি, আমি ভালো আছি। ক্যানসারমুক্ত হওয়ার বিষয়ে
আমি বেশ আত্মবিশ্বাসী। এরইমধ্যে আমার চিকিৎসা শুরু হয়েছে। ক্যানসারমুক্ত হওয়ার জন্য
যা যা করণীয় তা করার জন্যও আমি প্রস্তুত। আপনাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলছি, এই সময়ে
আমার প্রাইভেসি রক্ষায় সহযোগিতা করুন। আমার জন্য দোয়া করবেন।
মন্তব্য করুন


দ্বিতীয় স্বামীর পদবি মুছে সিঙ্গেল চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি । কারণ তিনি তার দ্বিতীয় স্বামীর পদবি মুছে দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি নিজেই এই ঘোষণা দেন।
দ্বিতীয় বিয়ের পর স্বামী রকিব সরকার ও একমাত্র ছেলে ফারিশকে নিয়ে বেশ ভালোভাবেই দিন কাটছিল চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির। কিন্তু অভিনেত্রীর সেই সংসারেও বেজে ওঠে ভাঙনের সুর। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে বসেন মাহি। এবার স্বামীর পদবি মুছে দিলেন এই চিত্রনায়িকা।
২০১২ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় মাহির। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শারমীন নিপা থেকে হয়ে ওঠেন মাহিয়া মাহি। এরপর থেকে এই নামেই পরিচিতি লাভ করেন তিনি। রকিব সরকারকে বিয়ের পর নিজের নাম রেখেছিলেন মাহিয়া মাহি সরকার। তবে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়ার পরই তার নামের সঙ্গে সংযুক্ত ‘সরকার’ পদবি বদলে ফেললেন মাহি।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তায় মাহি জানান, আমরা দুজন মিলেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে ভীষণ সম্মান করি আমি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদে যাচ্ছি। কবে আর কীভাবে হবে সেটাও দুজন মিলেই ঠিক করব।
বর্তমানে চলচ্চিত্রে আগের মতো নিয়মিত নন মাহি। রাজনীতিতেও নিজের শক্ত অবস্থান গড়তে পারেননি। একদিকে দ্বিতীয় সংসারও ভাঙল, অন্যদিকে অভিনেত্রীর ছেলের গায়ের রং নিয়েও রয়েছে নানান সমালোচনা। সব মিলিয়ে মানসিক অবসাদেই যেন ভুগছেন মাহি।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৪ মে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। এর কয়েক বছর পরেই ২০২০ সালে মে মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা জানান তিনি। পরে ২০২১ সালে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান সরকার রকিবকে বিয়ে করেন মাহিয়া মাহি।
মন্তব্য করুন


এমদাদুল হক সোহাগ, কুমিল্লা:
পাহাড় আর কাপ্তাই লেকের নীল জলরাশির মিতালীতে মুখর পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে বার্ষিক কর্পোরেট ট্যুর সম্পন্ন করেছে কুমিল্লার প্রথিতযশা সিসিএন শিক্ষা পরিবার। গত ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারি সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিসিএন ইউএসটি), সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং সিসিএন মডেল কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এই আনন্দভ্রমণ বা ‘কর্পোরেট রিট্রিট’ অনুষ্ঠিত হয়। দুই দিনব্যাপী এই ট্যুরে সিসিএন পরিবারের প্রায় ১২০ জন সদস্য রাঙামাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন। রাঙামাটির নীল জলরাশি ঘেরা অনন্য সুন্দর ‘দ্যা গ্র্যান্ড হিল তাজ রিসোর্ট’-এ অবস্থানকালে অংশগ্রহণকারীরা এক অনাবিল আনন্দে মেতে ওঠেন। তৈরি হয় প্রকৃতি ও আনন্দের অনন্য মেলবন্ধন।
নৌ-বিহারের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা উপভোগ করেন শুভলং ঝর্নার শীতল ধারা। পাহারি জীবন, বিভিন্ন ধরনের নৌকার আধিক্য, এছাড়াও আদিবাসী গ্রাম ও স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখার পাশাপাশি কাপ্তাই লেকের সুস্বাদু মাছ ও ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নেন তারা। তাছাড়া আদিবাসীদের পোষাক কিনে, সেই পোষাক পড়ে আবার ঘুরে বেড়িয়েছেন অনেক নারী শিক্ষক-ছোট শিশুরা। এই দৃশ্য অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ভিন্ন আনন্দ যোগ করেন। বিনোদনের অংশ হিসেবে ছিল ডার্ক বোর্ড, ব্যাডমিন্টন ও নারীদের জন্য বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা। রাতের আবহে অনুষ্ঠিত হয় জমকালো বারবিকিউ পার্টি। আধুনিক ও বিলাসবহুল স্যুটের পাশাপাশি অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় অনেকে রাত কাটিয়েছেন তাঁবুতে (ক্যাম্পিং), যা ট্যুরে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। তাবুতে আবার অনেকে মেতে ওঠেন গান-আড্ডা আর গানের কলি খেলায়। গ্র্যান্ড হিল তাজ রিসোর্ট-টিতে দোলনা হতে শুরু করে রিসোর্টের শৈল্পিক নির্মান বা স্ট্রাকচার অনেকটা ঐতিহাসিক তাজমহলের মতো। নীল জলরাশির কাছাকাছি পাহাড়ের বাজে ভাজে বসার জন্য বেঞ্চ, দোলনা, বাহারি সিড়ি, সবুজের সমারোহ বাড়তি আনন্দ যোগ করে। এর আগে কুমিল্লা থেকে রওনা হওয়া বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের বিশাল বহরটি যখন পাহাড়ের বুক চিরে আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পিচঢালা পথে এগোচ্ছিল, তখন জানালার ওপাশে ধরা দিচ্ছিল প্রকৃতির ভিন্ন এক রূপ। একদিকে আকাশছোঁয়া সবুজ পাহাড় আর বিরল সব বৃক্ষরাজি, অন্যদিকে গভীর খাদের রোমাঞ্চকর সৌন্দর্য—সব মিলিয়ে এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতায় ভাসছিলেন সিসিএন পরিবারের সদস্যরা। যাত্রাপথে দুচোখ ভরে উপভোগ করেছেন পাহাড়ের ঢালে গড়ে ওঠা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জনবসতি আর তাদের সহজ-সরল জীবনধারা। পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে প্রকৃতির এই আদিম ও অকৃত্রিম রূপ যেন সফরের ক্লান্তি ভুলিয়ে সবার মনে বুলিয়ে দিচ্ছিল এক প্রশান্তির পরশ।
আনন্দভ্রমণে উপস্থিত ছিলেন সিসিএন শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ডক্টর তারিকুল ইসলাম চৌধুরী। অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, "কাজের একঘেয়েমি দূর করতে এবং সহকর্মীদের মধ্যে আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ক জোরদার করতে এ ধরণের ভ্রমণ অত্যন্ত জরুরি। সিসিএন পরিবার একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তি, যা আজকের এই আনন্দঘন পরিবেশের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় হলো।" একটি সফল কনভোকেশন শেষে এমন ভ্রমণ আনন্দের মাত্রা বহুগুন বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে আরো বড়ো পরিসরে এমন আয়োজন করার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো: জামাল নাছের, লিবারেল আর্টস অনুষদের ডিন ডক্টর আলী হোসেন চৌধুরীসহ অন্যান্য বিভাগীয় প্রধান ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ। ট্যুর কো-অর্ডিনেটর ছিলেন, আইন বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারি অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।
৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে ফিরতি যাত্রা শুরু হয়। ফেরার আগে পাহাড় আর হ্রদের পটভূমিতে সবাই মিলে ফ্রেমবন্দি হন একটি গ্রুপ ছবিতে, যা এই ভ্রমণের স্মৃতিকে অমলিন করে রাখবে। অংশগ্রহণকারীরা জানান, পাহাড়-প্রকৃতির মাঝে এমন আয়োজন তাদের কর্মস্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
মন্তব্য করুন


দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী গৌরী জি. কিষাণ সম্প্রতি নিজের নতুন ছবি ‘আদার্স’–এর প্রচারণায় গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক ইউটিউবার, আর.এস. কার্তিক, হঠাৎ করে অভিনেত্রীর শরীর নিয়ে প্রশ্ন তুললে ক্ষোভে ফেটে পড়েন গৌরী।
চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে কার্তিক গৌরীর ওজন সম্পর্কে জানতে চান। সঙ্গে সঙ্গেই গৌরী প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “আমার ওজন নিয়ে আপনার আগ্রহ কেন? এর সঙ্গে ছবির কোনো সম্পর্ক নেই। আমার শরীর আমার ব্যক্তিগত বিষয়।” তিনি আরও জানান, “আমার প্রতিভা আমার পরিশ্রম ও অভিনয়ে প্রতিফলিত হয়, ওজন দিয়ে নয়।”
ঘটনার ভিডিওটি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে কার্তিকের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। নেটিজেনরা গৌরীর সাহসিকতার প্রশংসা করেন, পাশাপাশি ইউটিউবারের আচরণের নিন্দা জানান।
তিন দিন পর কার্তিক এক ভিডিও বার্তায় প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। তিনি বলেন, “গত কয়েক দিন মানসিকভাবে ভীষণ চাপে ছিলাম। আমি প্রশ্নটি মজা করে করেছিলাম, কিন্তু সেটি ভুলভাবে নেওয়া হয়েছে। আমি কাউকে কষ্ট দিতে চাইনি। যদি গৌরী আহত হয়ে থাকেন, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।”
তবে তার ক্ষমা চাওয়ার ধরন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। অ্যাসোসিয়েশন অব মালায়ালাম মুভি আর্টিস্টস (AMMA)–এর সভাপতি শ্বেতা মেনন মন্তব্য করেন, “কার্তিকের ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গি আন্তরিক মনে হয়নি। তার আচরণে অনুতাপের ছাপ ছিল না। আমরা গৌরীসহ সব নারীশিল্পীর পাশে আছি— তারা যে ইন্ডাস্ট্রিরই হোক না কেন।”
এ ঘটনার পর অনেক শিল্পী ও সংগঠন প্রকাশ্যে গৌরীর সমর্থনে বক্তব্য দেন। তার দৃঢ় অবস্থানকে ‘নারীশক্তির প্রতীক’ হিসেবে বর্ণনা করেন অনেকে।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয়
কৌতুক অভিনেতা হারুন কিসিঞ্জারের মৃত্যুর খবরটি সম্পূর্ণ গুজব বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে ফেসবুক ও টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে তার মৃত্যুর
খবর ছড়িয়ে পড়লে ভক্তদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। তবে এই অভিনেতা বর্তমানে জীবিত
আছেন এবং রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পারিবারিক
সূত্রে জানা গেছে, হারুন কিসিঞ্জার দীর্ঘদিন ধরে নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায়
ভুগছেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে গত কয়েকদিনের
তুলনায় এখন তিনি অনেকটা সুস্থ। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সব ঠিক থাকলে আগামী দুই-একদিনের
মধ্যেই তিনি বাসায় ফিরতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বাবার
মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হারুন কিসিঞ্জারের ছেলে রুবেল খন্দকার।
রোববার রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি একে 'নোংরা গুজব' বলে অভিহিত করেন। রুবেল লিখেছেন,
কিছু অসাধু ও সস্তা ভিউ-লোভী মানুষ আমার আব্বুর মৃত্যু নিয়ে মিথ্যে সংবাদ প্রচার করছে।
অসুস্থতা নিয়ে যারা ব্যবসা করে, তারা সমাজের আবর্জনা।
তিনি
আরও জানান, তার বাবা এখন আগের চেয়ে সুস্থ আছেন। একইসাথে এই ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে গুজব
রটনাকারীদের শনাক্ত করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন
তিনি।
নব্বই
দশকের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ও টেলিভিশন নাটকে স্বতন্ত্র কৌতুকাভিনয়ের মাধ্যমে
দেশজুড়ে পরিচিতি পান হারুন কিসিঞ্জার। ছোট পর্দার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রেও
তাকে দেখা গেছে। দীর্ঘদিন অভিনয়ে অনিয়মিত থাকলেও তার হাস্যরসাত্মক সংলাপ ও স্বতঃস্ফূর্ত
অভিনয় এখনো দর্শকদের মনে গেঁথে আছে।
মন্তব্য করুন


সুচিত্রা
সেন আন্তর্জাতিক বাংলা চলচ্চিত্র উৎসবের সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে দুই বাংলার জনপ্রিয়
অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় আসেন। তাকে স্বাগত জানান ফ্যাশন
ডিজাইনার ও চলচ্চিত্র প্রযোজক পিয়াল হোসাইন।
পিয়াল
হোসাইন জানান, সুচিত্রা সেন স্মরণে আগামী ২০-২১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের জ্যামাইকা পারফর্মিং
আর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠেয় চলচ্চিত্র উৎসবের সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে শুক্রবার কলকাতা
ফিরে যাবেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা।
এর
আগে, যুক্তরাষ্ট্রে বিচ্ছিন্নভাবে দুই বাংলার চলচ্চিত্র প্রদর্শনী হয়েছে। কিন্তু একটি
পূর্ণাঙ্গ উৎসব এবারই ১ম। ২ দিনব্যাপী ৩৫ ঘণ্টার ‘সুচিত্রা সেন আন্তর্জাতিক বাংলা চলচ্চিত্র
উৎসব’-এ দুই বাংলার ১০টি ফিচার ফিল্ম, ৫টি তথ্যচিত্র ও ৫টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
প্রদর্শিত হবে।
মন্তব্য করুন


অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন টালিউড অভিনেতা দেব। হেলিকপ্টারযোগে পশ্চিমবঙ্গের মালদা থেকে রানীনগরে যাচ্ছিলেন টালিউড অভিনেতা দেব। আর পথে হেলিকপ্টারে আগুন লাগে। তবে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই হেলিকপ্টারটিতে আগুন লেগেছে বলে ধারণা পুলিশের।
শুক্রবার (৩ মে) রাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে,
মালদা হেলিপ্যাড থেকে উড্ডয়নের পরপরই দেবকে বহন করা হেলিকপ্টারটিতে আগুন ধরে যায়।
পাইলট জরুরি অবতরণ করেন। অক্ষত অবস্থায় হেলিকপ্টার থেকে নামেন অভিনেতা দেব।
দুর্ঘটনার পর সড়কপথে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হন দেব।
গণমাধ্যমকে দুর্ঘটনার বিষয়ে দেব জানান, কিছুটা ট্রমায় আছি আমি। অশান্তি, ধোঁয়া ও গন্ধ আমার ওপর মানসিক প্রভাব ফেলেছে।
মন্তব্য করুন