

বিয়ে
করেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান সাবাব এবং আলোচিত সংগীতশিল্পী জেফার
রহমান। দীর্ঘদিনের ‘ওপেন সিক্রেট’ প্রেমের সম্পর্ক এবার আনুষ্ঠানিকভাবে
পরিণয়ে রূপ নিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের খবরটি নিজেই নিশ্চিত করেছেন রাফসান সাবাব।
বিয়ের
একটি বিশেষ মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে রাফসান সাবাব লেখেন, “পরিবার ও ভালোবাসার মানুষদের
পাশে নিয়ে আমাদের নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। আপনাদের দোয়া ও আশীর্বাদ আমাদের কাম্য।
আজ আমাদের দুই জীবন এক হলো, শুরু হলো একসাথে পথচলার এক সুন্দর গল্প।”
এই
খবরে অভিনন্দনের জোয়ার বইছে শোবিজ অঙ্গনে। সহকর্মী ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় ভরে উঠেছে নবদম্পতির
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের টাইমলাইন। এর মধ্যে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবিরের
আবেগঘন মন্তব্যটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে নেটিজেনদের।
সাফা
কবির লিখেছেন, “দৃশ্যটি কী যে চমৎকার! আমি চোখ ফেরাতে পারছি না। আনন্দে আমার বুক ভরে
উঠছে, চোখ যেন খুশির অশ্রুতে ভরে উঠেছে। এই দুই সুন্দর মানুষ যখন এক হতে যাচ্ছে, সৃষ্টিকর্তার
আশীর্বাদ থাকুক। আল্লাহ আপনাদের জীবন সীমাহীন ভালোবাসা আর নিয়ামতে ভরিয়ে দিন।”
উল্লেখ্য,
রাফসান সাবাব দীর্ঘদিন ধরে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন ইভেন্ট ও শো উপস্থাপনার মাধ্যমে
নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অন্যদিকে, জেফার রহমান তার গায়কী ও ফ্যাশন সেন্স দিয়ে তরুণ
প্রজন্মের মধ্যে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন। দুই ভিন্ন ভুবনের দুই সফল মানুষের এই নতুন
পথচলা বিনোদন জগতে যোগ করলো নতুন এক মাত্রা।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরে
খাদ্য অধিদপ্তরের ‘সহকারী খাদ্য পরিদর্শক’ পদে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি, অবৈধ ডিভাইসসহ মিফতাহুল জান্নাত ও শিরিন আক্তার
নামের দুই পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।
আজ
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে দিনাজপুর কারিগারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও সদর উপজেলার
পরাজপুর ফাসিলাডাঙ্গা হাই স্কুল কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক
মিফতাহুল রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ছোটরসুলপুর গ্রামের রেজাউল করীমের ছেলে ও রংপুর কারমাইকেল
কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি দিনাজপুরের ওমর ফারুক নামের একজনের হয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে এসেছিলেন।
তাকে
মাতা সাগর দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) থেকে আটক করা হয়।
অপরদিকে
অবৈধ ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা দিতে এসে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন শিরিন আক্তার নামের এক চাকরিপ্রত্যাশী। তিনি পঞ্চগড়
জেলার বাসিন্দা। দিনাজপুর সদর উপজেলার পরাজপুর ফাসিলাডাঙ্গা হাইস্কুল কেন্দ্র থেকে তাকে আটক করা হয়।
সংশ্লিষ্ট
সূত্র জানায়, সহকারী খাদ্য পরিদর্শক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) মিফতাহুল নামের এক যুবকের উত্তরপত্রে
স্বাক্ষর করতে গিয়ে ছবির মিল না পাওয়ায় সন্দেহ
হয় কক্ষে দায়িত্বরতদের। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের জিজ্ঞাসাবাদে প্রক্সি দিতে আসার কথা স্বীকার করেন মিফতাহুল। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
প্রাথমিক
জিজ্ঞাসাবাদে মিফতাহুল জানান, রংপুর শহরের নজরুল চত্বর এলাকায় মেসে থাকেন তিনি।
সেখানে
বাসা ভাড়া ও খাবার খরচ
বাবদ আট হাজার টাকা
বকেয়া পড়েছিল। দুই মাস ধরে তা পরিশোধ করতে
পারছিলেন না। দুই দিন আগে মেস মালিক শরীফ বাবু তাকে প্রস্তাব দেন খাদ্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় অন্যের হয়ে পরীক্ষা দিলে মেসের বকেয়া টাকা দিতে হবে না। সে জন্য তিনি
অন্যের পরীক্ষা দিতে আসেন।
এ
বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এস
এম হাবিবুল হাসান বলেন, ‘কিছুদিন আগে ডিভাইস নিয়ে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ঘটনায় একটি চক্রের তিন সদস্যকে আমরা আটক করেছিলাম।
এ
ধরনের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আরো একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। চক্রের অন্য সদস্যদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কাজ করছে। আজকের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্র সচিবকে মামলা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারম্যান তারেক রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিশ্বসেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের
তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম বিশ্লেষণভিত্তিক ওয়েবসাইট সোশ্যাল ব্লেড প্রকাশিত শীর্ষ ১শ ফেসবুক কনটেন্ট
ক্রিয়েটরের তালিকায় তার অবস্থান ৬৩ নম্বরে।
সোশ্যাল
ব্লেডের Top 100 Facebook Creators by Social শীর্ষক তালিকা অনুযায়ী, ফেসবুকে প্রকাশিত
কনটেন্টের সংখ্যার বিএনপির চেয়ারম্যান বিচারে তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও ওপরে অবস্থান করছেন।
সোশ্যাল
ব্লেডের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ বলতে তাদেরই বোঝানো হয়, যাদের ঘিরে
ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি পোস্ট, আলোচনা ও কনটেন্ট প্রকাশিত হয়।
এই
মানদণ্ডে তারেক রহমান বর্তমানে বিশ্বের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা, আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব
ও সেলিব্রিটিদের কাতারে উঠে এসেছেন।
বিশ্লেষকদের
মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারেক রহমানকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা ও সক্রিয়তার প্রতিফলন
হিসেবেই এই তালিকায় তার অবস্থান নিশ্চিত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে মজুরি ঘোষণা করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান।
পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী, আট হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি পাচ্ছিলেন পোশাকশ্রমিকরা। আগের তুলনায় ন্যূনতম মজুরি বেড়েছে সাড়ে ৪ হাজার টাকা।
আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কার্যকর হবে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ এবং নিরপক্ষ প্রতিনিধিদের নিয়ে দ্রুত নতুন মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন শ্রমজীবী মানুষ আন্দোলন করে আসছেন মজুরি বাড়ানোর জন্য। মালিক ও শ্রমিকপক্ষকে নিয়ে মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আলাপ-আলোচনার মধ্যদিয়ে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।মজুরির যদি কোনো তারতম্য হয়ে যায় আমরা শেষ সম্বল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বারস্থ হই সবসময়। উনার মৌখিক নির্দেশে আজকে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ঘোষণা করছি।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের রেশনের দাবি আছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একটি পরিবারের জন্য একটি ফ্যামিলি কার্ডের মধ্যেই নির্ধারিত থাকবে যতগুলো সদস্য কার্ডটি ব্যবস্থা করতে পারবে। পরবর্তীতে এ কার্ডের মাধ্যমে রেশনিং ব্যবস্থা চালুর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।এখানে শ্রমজীবী মানুষ ও রাষ্ট্রের স্বার্থ আছে। শিল্প বাঁচলে শ্রমিক বাঁচবে। শ্রমিকের সঙ্গে শিল্পও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উভয়দিক লক্ষ্য রেখেই মজুরি ঘোষণা করা হচ্ছে।
মজুরি ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়বে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আট হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা করা হয়েছে। ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট বহাল আছে।
আন্দোলন-অবরোধের কারণে শিল্পাঞ্চলের বাড়িভাড়া মওকুফের জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ডিসেম্বরের বেতন নতুন বেতনের আলোকে হবে। গেজেট এখনই করতে দেবে, কোনো সংশোধন থাকলে ১৪ দিনের মধ্যে করবে।
মজুরি ঘোষণার সময় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী মোল্লা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তৌফিকুল আরিফ, বিকেএমইএ'র সভাপতি সেলিম ওসমান, বিজিএমইএ'র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, শ্রমিক প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম রনি উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন সচিবরা।
আজ (৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক শুরু হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর এই প্রথমবারের মতো সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করছেন সরকারপ্রধান।
জানা গেছে, সাধারণত সচিব সভায় কয়েকটি নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডার বাইরেও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। এবার এ বৈঠকের জন্য বিস্তারিত এজেন্ডা থাকছে না। এছাড়া সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে সারা দেশে প্রশাসনিক কাজগুলো কীভাবে দ্রুত স্বাভাবিক ধারায় আনা যায়, এ-সংক্রান্ত পরামর্শ শুনতে চাইতে পারেন প্রধান উপদেষ্টা। একই সঙ্গে তার সরকার এসব বিষয়ে কী ভাবছে, সে সংক্রান্ত নির্দেশনা সরাসরি সব সচিবকে দেবেন ড. ইউনূস।
মন্তব্য করুন


গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে ২৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দুজন মারা গেছেন। অন্যদিকে গত একদিনে চট্টগ্রাম বিভাগে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী (৮৪ জন) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬৪ জন ছাড়াও বরিশাল বিভাগে ৪৫ জন, ঢাকা বিভাগে ৪২ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯ জন এবং খুলনা বিভাগে দুজন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ (ন্যাশনাল
চার্টার) বিষয়ে গণভোট পর্যবেক্ষণে এখন পর্যন্ত ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক আসার
বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
আজ
শনিবার ( ৩১ জানুয়ারি ) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা
(ওআইসি)-সহ ছয়টি আন্তর্জাতিক সংস্থা অন্তত ৬৩ জন পর্যবেক্ষক পাঠাতে সম্মত হয়েছে। এর
পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ১৬টি দেশ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ৩২
জন ব্যক্তি পর্যবেক্ষক হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
এ
নিয়ে আসন্ন নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩০ জন, যা ২০২৪ সালের
৭ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ওই নির্বাচনে আন্তর্জাতিক
পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
এর
আগে ১২তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫৮ জন, ১১তম জাতীয় নির্বাচনে ১২৫ জন এবং ১০ম নির্বাচনে
মাত্র চারজন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ছিলেন।
ওআইসি’র
দুই সদস্যের পর্যবেক্ষক দলটির নেতৃত্ব দেবেন সংস্থাটির নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ইউনিটের
প্রধান শাকির মাহমুদ বান্দার। এছাড়া এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রেল) থেকে
২৮ জন, কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট থেকে ২৫ জন, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান
ইনস্টিটিউট (আইআরআই) থেকে সাতজন এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) থেকে
একজন পর্যবেক্ষক আসবেন।
পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভয়েস ফর জাস্টিস, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল,
এসএনএএস আফ্রিকা, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এবং পোলিশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল
অ্যাফেয়ার্স-এর মতো সংস্থার প্রতিনিধিত্বকারী ৩২ জন ব্যক্তি পর্যবেক্ষক হিসেবেও নির্বাচনী
কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন।
আন্তর্জাতিক
পর্যবেক্ষকদের সফর সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র সচিব ও এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ
বলেন, আমরা আশা করছি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা আরো বাড়বে। আমন্ত্রণ জানানো কয়েকটি
দেশ এখনো তাদের প্রতিনিধিদের নাম নিশ্চিত করেনি।
যেসব
দেশ এখনো প্রতিনিধি চূড়ান্ত করেনি— তাদের মধ্যে রয়েছে ভারত, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া,
ব্রাজিল, কানাডা, মিসর, ফ্রান্স, কুয়েত, মরক্কো, নাইজেরিয়া ও রোমানিয়া। এছাড়া দক্ষিণ
এশিয়ার নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলোর ফোরাম ফেমবোসা শিগগিরই তাদের পর্যবেক্ষকদের
নাম ঘোষণা করতে পারে।
এবারের
নির্বাচনে ৫০টির বেশি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার প্রার্থী
৩০০টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে
অনুষ্ঠিত হবে জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোট।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের
সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির
সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী আসাদুজ্জামান
ফুয়াদ। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে পৃথকভাবে এ
সংক্রান্ত আবেদন করেন তারা।
প্রধান
নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ
ও মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে লিখিত আবেদন জমা দেন কাজী রেহা কবির
সিগমা।
কাজী
রেহা কবির সিগমা আবেদনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করে
তিনি নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন এবং এরই মধ্যে ব্যাপক জনসমর্থন পেয়েছেন
বলে উল্লেখ করেছেন।
আইনানুগ
গণসংযোগ কার্যক্রমে ভীতি সৃষ্টি ও বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম
থানার পুলিশ ন্যক্কারজনকভাবে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়ে তিনি জানান, ১৬ ডিসেম্বর
দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে তার এক নিরপরাধ কর্মীকে গ্রেপ্তার করে ভুয়া মামলায় কিশোরগঞ্জ
আদালতে পাঠানো হয়েছে। এতে তার কর্মীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন এবং নির্বাচনী কার্যক্রম
মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
গ্রেপ্তার
মো. কিয়ামত আলী (৫০) একজন নিরীহ ও জনপ্রিয় ব্যক্তি উল্লেখ করে সিগমা বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে
আগে কোনো মামলা বা অভিযোগ ছিল না।
তাকে
২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর দায়ের করা একটি মামলায় আসামি দেখানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা
ও বানোয়াট। ওই মামলায় কিয়ামত আলী এজাহারভুক্ত আসামি নন। অষ্টগ্রাম থানার খুব কাছাকাছি
বসবাস করলেও গত এক বছরে পুলিশ কখনো তার খোঁজ নেয়নি। এতে স্পষ্ট বোঝা যায়, শুধু তার
কর্মীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি
তদন্ত করে অবিলম্বে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আসন্ন নির্বাচন
সুষ্ঠু ও প্রশ্নাতীত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সিইসির হস্তক্ষেপ কামনা করেন
তিনি। এদিকে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচন
কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার
আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়টি তুলে ধরেন।
প্রার্থী
নিরাপত্তার শঙ্কা নিয়ে ইসিতে আসছেন, এ বিষয়ে কমিশন কী ব্যবস্থা নিচ্ছে—জানতে
চাইলে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘ব্যারিস্টার ফুয়াদ এসেছিলেন। তার অভিযোগ
হচ্ছে, পুলিশ তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছে না। আমরা সার্বিকভাবে সব প্রার্থীর নিরাপত্তার
বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি।
সব
প্রার্থী বিজয়ী হতে পারবেন না। জনগণ যাকে বেশি ভোট দেবেন, তিনিই বিজয়ী হবেন।’
সব প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের আচরণ বিধিমালা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের কদমরসুল এলাকায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম নুরুল ইসলাম প্রকাশের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে তিনটার দিকে মুখোশধারী ছয়জন একটি গ্রুপ এসে চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং দুইটি পেট্রোল বোমা রেখে চলে যায়।
পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। বিস্ফোরণের ফলে ভবনের জানালার কাচ ভাঙলেও কেউ হতাহত হয়নি। তবে পরিবার আতঙ্কে আছে।
নুরুল ইসলামের ছেলে আবু সুফিয়ান শিবলু বলেন, “কারা এবং কেন এই হামলা করেছে, তা জানাতে পারছি না। আমরা নিরাপদে আছি না।” তার মা ও পরিবারের সদস্যরাও আতঙ্কের কারণে ঘরে থাকতে চাচ্ছেন না।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল এবং দুটি ছোট কাচের বোতল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে এবং এগুলো নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


বিভিন্ন
শ্রেণি-পেশার লাখো জনতার অংশগ্রহণে জুলাই বিপ্লবী ও আধিপত্যবাদবিরোধী ‘ইনকিলাব মঞ্চ’র
মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে।
আজ
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ জানাজা অনুষ্ঠিত
হয়। জানাজা পড়ান তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক।
জানাজায়
অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন
আহমদ, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টাসহ
বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের জনতা।
এছাড়াও
জানাজায় ছিলেন শরিফ ওসমান হাদির পরিবারের সদস্য এবং তার সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা। জানাজার আগে সংসদ ভবন প্লাজার সামনের মাঠ কানায়
কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। অনেকেই সংসদ ভবনের মাঠে প্রবেশ করতে না পেরে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের
রাস্তায় দাঁড়িয়ে হাদির জানাজায় অংশ নেন। জানাজার
পর ওসমান হাদিকে দাফন করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের
কবরের পাশে নিয়ে আসা হবে।
নজরুলের
পাশেই সমাহিত করা হবে জুলাই বিপ্লবী হাদিকে। জানাজার আগে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বক্তব্য
রাখেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও হাদির ভাই আবু বকর সিদ্দিক। আবু
বকর সিদ্দিক তার বক্তব্যে হাদির স্মৃতিচারণ করেন এবং তার জন্য দোয়া কামনা করেন। এসময়
সেখানে কান্নার রোল পড়ে যায়।
চব্বিশের
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা ওসমান হাদি পরে ‘ইনকিলাব মঞ্চ’
গড়ে তুলে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আলোচনায় আসেন। বিভিন্ন
টেলিভিশনের টক শোতেও নিয়মিত আমন্ত্রণ পেতে থাকেন তিনি। তার যুক্তিতর্কের অনেক ক্লিপ
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৮
আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন।
তিনি
গত নভেম্বরে নিজের ফেসবুক পেজে বলেছিলেন, দেশি-বিদেশি অন্তত ৩০টি নম্বর থেকে তাকে ফোনকল
করে এবং মেসেজ পাঠিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ওই পোস্টে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের
‘খুনি’ ক্যাডাররা তাকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখছে। তবে প্রাণনাশের
আশঙ্কা সত্ত্বেও ইনসাফের লড়াই থেকে পিছিয়ে যাবেন না তিনি।
১২
ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় প্রচারে যাওয়া
ওসমান হাদিকে গুলি করে মোটরসাইকেলে আসা দুই সন্ত্রাসী। রিকশায় থাকা হাদি মাথায় গুলিবিদ্ধ
হন। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর তাকে
নেওয়া হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। অবস্থা গুরুতর দেখে সেখান থেকে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে
যায় সরকার। চিকিৎসকদের সর্বাত্মক চেষ্টার পরও মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ে হেরে যান হাদি।
বৃহস্পতিবার রাতে তার মৃত্যুর খবর জানান চিকিৎসকরা।
ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল সন্দেহভাজন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর শেখ। তারা ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে বিভিন্ন সূত্র।
মৃত্যুর
পর ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ওসমান হাদির লাশ বাংলাদেশে আনা হয়। সেখান থেকে লাশ জাতীয় হৃদরোগ
ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের হিমঘরে নেওয়া হয়।
হাদির
মৃতুতে আজ রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হচ্ছে। দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত
প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে
জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


যশোরে হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া তীব্র শীতে বিপাকে পড়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ। সকাল গড়ালেও ঘর থেকে বের হতে কষ্ট হচ্ছে অনেকেরই। কয়েক দিন ধরে কনকনে ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন।গত তিন থেকে চার দিন ধরে যশোরজুড়ে প্রচণ্ড কুয়াশা ও উত্তরের ঠান্ডা বাতাস বইছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জেলায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুপুরে সূর্যের দেখা মিললেও রোদের তাপ ছিল খুবই কম। চারপাশে এমন কুয়াশা নেমেছে, যেন হালকা বৃষ্টির মতো ঝিরঝির করছে। ঠান্ডায় মানুষ ও প্রাণিকুল—দুজনেই কাঁপছে।যশোর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও সকাল থেকে উত্তরের বাতাস বইতে থাকায় শীতের অনুভূতি কমেনি। কুয়াশার কারণে ঠান্ডার প্রকোপ আরও বেড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া ও স্বল্প আয়ের মানুষ।শহরের ধর্মতলা এলাকার রিকশাচালক শিমুল হোসেন বলেন, প্রচণ্ড শীতে রিকশা চালাতে গিয়ে হাত-পা শক্ত হয়ে যাচ্ছে। ঠিকভাবে ব্রেক ধরা যাচ্ছে না, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।খড়কি এলাকার আরেক রিকশাচালক নূর হোসেন জানান, গত কয়েক দিনে শীত এতটাই বেড়েছে যে বাইরে রিকশা চালানো কষ্টকর হয়ে উঠেছে। তবে কাজ না করলে সংসার চালানো সম্ভব নয়, তাই বাধ্য হয়েই রাস্তায় নামতে হচ্ছে।শহরের বেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা আবু সাঈদ বলেন, তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কারণে সকালে সন্তানকে স্কুলে পাঠানো নিয়েও দুশ্চিন্তা হচ্ছে। ঠান্ডা লেগে সর্দি-জ্বরসহ নানা অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপও বাড়ছে। জ্বর, সর্দি-কাশি ও ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। চিকিৎসকরা শীতকালীন রোগ থেকে বাঁচতে গরম কাপড় ব্যবহার, উষ্ণ পানি পান এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন।আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা জানান, শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যশোরে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামীতে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে, ফলে শীতের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মন্তব্য করুন