

মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
নগরীতে অভিনব এক চুরির ঘটনা সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রোববার (১০
মে) দুপুরে নগরীর ইসলামপুর এলাকায় একটি বাসার বারান্দার লোহার গ্রিলে আটকেপড়া মো. মারজান
হোসেন জিহাদ (২২) নামের এক চোরকে নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। সোমবার সকাল থেকে ওই ঘটনার একটি
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি সবার নজরে আসে। মারজান সদর দক্ষিণ উপজেলার ইয়াছিন মার্কেট
এলাকার আব্দুল বারেকের ছেলে। ওই ভবনটির মালিক ইসলামপুর এলাকার মোহাম্মদ আলী।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে কুমিল্লা আদালতের পূর্ব পাশে ইসলামপুর এলাকার মোহাম্মদ
আলীর মালিকানাধীন একটি ভবনের নিচ তলায় চুরির উদ্দেশ্যে গ্রিলের ফাঁক দিয়ে প্রবেশের
চেষ্টা করে জিহাদ। কিন্তু তার শরীর গ্রিলে এমনভাবে আটকে যায় যে, মাথার অংশ বাইরে এবং
পাসহ শরীরের বাকি অংশ ভেতরে আটকে পড়ে।
ভাইরাল
হওয়া ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, গ্রিল থেকে বের হওয়ার জন্য জিহাদ প্রাণপণ
চেষ্টা করছে এবং উৎসুক জনতার ভিড়ের মধ্যে চিৎকার করে বলছে, ‘স্যার, আমি বের হতে পারছি
না। আমার একটি বাচ্চা আছে।’ প্রায় আধা ঘণ্টা গ্রিলে ঝুলে থাকার
পর স্থানীয় লোকজন তাকে টেনে বের করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী
আব্দুল খালেক জানান, দুপুরে চিৎকার শুনে গিয়ে তারা দেখেন চোরটি গ্রিলের ফাঁকে আটকে
পড়ে আছে। সে যে ফাঁক দিয়ে ঘরে ঢুকেছিল, পালানোর সময় তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে সেখানেই আটকে
যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে টেনে ভেতরে বের করে আনেন।
কোতোয়ালি
মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার সোমবার রাতে জানান, ঘটনার পর হয়তো স্থানীয় লোকজন তাকে
মারধর করে ছেড়ে দেয়। রোববার রাতে পুলিশের টহল ডিউটি চলাকালে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরাকালে
ফৌজদারি মোড় এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২০ দিনের
সাজা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। কিন্তু চুরি করতে গিয়ে গ্রিলে আটকে যাওয়ার বিষয়টি
আমাদের জানা ছিল না। ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি আমাদের নজরে আসে। এরপর ছবি দেখে নিশ্চিত
হই, সে কারাগারে আছে।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা।
"জয় জগন্নাথ... জয় জগন্নাথ..."—হাজারো কণ্ঠের একযোগে উচ্চারিত এই ধ্বনি, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, ঘণ্টা-করতাল ও মহাহরিনাম সংকীর্তনের সুরে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মুখর হয়ে ওঠে কুমিল্লা নগরী। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি, আনন্দ আর সর্বজনীন সম্প্রীতির অপূর্ব মিলনে লাখো ভক্তের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় শ্রী শ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রাদেবীর পবিত্র উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব। এর মধ্য দিয়েই সমাপ্তি ঘটে নয় দিনব্যাপী রথযাত্রা মহোৎসবের।
দুপুরের পর থেকেই নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের ঢল নামে। ফুল, আলোকসজ্জা ও বর্ণিল সাজে সজ্জিত মন্দির এবং সুদৃশ্য রথ যেন এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি করে। ছোট-বড়, নারী-পুরুষ, তরুণ-বৃদ্ধ—সব বয়সের মানুষ ভক্তিভরে অংশ নেন এই মহোৎসবে। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি উৎসবটি পরিণত হয় সৌহার্দ্য, মানবতা ও সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলায়।
কুমিল্লার জগন্নাথপুর শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের মন্দির এবং ঠাকুরপাড়াস্থ শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর-নিতাই মন্দিরভিত্তিক আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), কুমিল্লার যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, পূজার্চনা, অগ্নিহোত্র যজ্ঞ, মহাহরিনাম সংকীর্তন, ধর্মসভা, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও মহাপ্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে এ মহোৎসব পালিত হয়।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে নগরীর শ্রী শ্রী গুন্ডিচা মন্দিরে সকাল সাড়ে ৭টা থেকেই শুরু হয় পূজার্চনা, দর্শন-আরতি, বিশ্বশান্তি কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞ, ভজন-কীর্তন এবং মহাপ্রসাদ বিতরণ। কুমিল্লাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে অসংখ্য ভক্ত ও দর্শনার্থী এতে অংশ নেন। অনেকেই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে জগন্নাথদেবের দর্শন গ্রহণ করেন এবং মহাপ্রসাদ গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ধন্য মনে করেন।
দুপুরে অনুষ্ঠিত ধর্মসভায় ধর্মীয় গুরু, বিশিষ্টজন, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সামাজিক-ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন)-এর সিনিয়র সহ-সভাপতি শ্রী শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ। উদ্বোধন করেন ইসকনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী শ্রীমৎ ভক্তিময় নিতাই স্বামী মহারাজ।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসূফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উৎবাতুল বারী আবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা (দক্ষিণ) জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম প্রমুখ।
ধর্মসভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জগন্নাথপুর শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের মন্দির ইসকন কুমিল্লার সহ-সভাপতি শ্রীমান ভদ্র নিমাই দাস ব্রহ্মচারী।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন- বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কুমিল্লা মহানগর শাখার আহ্বায়ক শ্রী শ্যামলকৃষ্ণ সাহা। স্বাগত বক্তব্য দেন- মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক শ্রীমান রূপচন্দ্র শ্যাম দাস ব্রহ্মচারী। উদ্বোধনী শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ করেন শ্রীমান সদা শিব সিংহ দাস ব্রহ্মচারী এবং সভাপতিত্ব করেন শ্রীমান সুদর্শন জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী।
ধর্মসভা শেষে শুরু হয় বহু প্রতীক্ষিত উল্টো রথযাত্রা। কীর্তনের তালে তালে হাজারো ভক্ত রথের রশি ধরেন। "হরে কৃষ্ণ, হরে রাম" এবং "জয় জগন্নাথ" ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে কুমিল্লার প্রধান সড়ক। করতাল, মৃদঙ্গ ও শঙ্খধ্বনির মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলে সুসজ্জিত রথ। দুই পাশে দাঁড়িয়ে হাজারো মানুষ এ দৃশ্য উপভোগ করেন। অনেকে মোবাইল ফোনে স্মরণীয় মুহূর্ত ধারণ করেন, আবার কেউ কেউ ভক্তিভরে রথকে প্রণাম জানান।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, রথের রশি স্পর্শ করা কিংবা রথ টানার সুযোগ পাওয়া পরম সৌভাগ্যের বিষয়। তাই নারী-পুরুষ, শিশু, যুবক ও প্রবীণ—সবাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তিভরে রথ টেনে নিজেদের সৌভাগ্যবান মনে করেন। অনেকের চোখেমুখে ফুটে ওঠে আবেগ, আনন্দ ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তির অনন্য প্রকাশ।
শোভাযাত্রায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা জেলা, মহানগর ও আদর্শ সদর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবটিকে এক সর্বজনীন সম্প্রীতির বন্ধনে রূপ দেয়।
উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য সম্পর্কে বক্তারা বলেন, রথযাত্রার সময় শ্রী শ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রাদেবী মূল মন্দির থেকে গুন্ডিচা মন্দিরে গমন করেন। নির্ধারিত সময় শেষে উল্টো রথযাত্রার মাধ্যমে পুনরায় নিজ মন্দিরে প্রত্যাবর্তন করেন। এই প্রত্যাবর্তনই উল্টো রথযাত্রা হিসেবে উদযাপিত হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, এই মহোৎসবে অংশগ্রহণ করলে ঈশ্বরের বিশেষ কৃপা লাভ হয় এবং ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে শান্তি, কল্যাণ ও সৌভাগ্য বয়ে আসে।
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), কুমিল্লার সভাপতি শ্রী সুকান্ত চক্রবর্তী (সুদর্শন জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী) বলেন, "শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি ভক্তি, সম্প্রীতি, মানবকল্যাণ ও বিশ্বশান্তির এক অনন্য বার্তা বহন করে। সকলের অংশগ্রহণেই এই মহোৎসব আরও অর্থবহ হয়ে ওঠে।"
তিনি আরও বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের পারস্পরিক অংশগ্রহণই সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম শক্তি। রথযাত্রার মতো ধর্মীয় উৎসব সমাজে সহনশীলতা, সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও সুদৃঢ় করে। তিনি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব সফল করতে রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক এবং সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
আয়োজকরা জানান, ভক্তদের নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন। ফলে পুরো মহোৎসব শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
নয় দিনব্যাপী এই রথযাত্রা মহোৎসবজুড়ে পূজার্চনা, ধর্মসভা, মহাহরিনাম সংকীর্তন, ভজন-কীর্তন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মহাপ্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে ভক্তদের মাঝে ধর্মীয় চেতনা, মানবসেবা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও বিশ্বশান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
দিনশেষে যখন জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রাদেবীর রথ পুনরায় নিজ মন্দিরে ফিরে আসে, তখন ভক্তদের কণ্ঠে আবারও ধ্বনিত হয়—"জয় জগন্নাথ"। প্রার্থনায় মুখরিত হয় চারদিক। হাজারো ভক্তের বিশ্বাস, এই পবিত্র প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়েই নতুন আশীর্বাদ, নতুন আশা এবং মানবকল্যাণের এক চিরন্তন বার্তা ছড়িয়ে পড়ে সমাজের সর্বস্তরে। কুমিল্লার এবারের উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব তাই শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; এটি পরিণত হয়েছে ভক্তি, ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধের এক অবিস্মরণীয় মহামিলনমেলায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
লালমাই উপজেলায় এনায়েতুর রহমান ওরফে বাহার (৩৫) নামের এক যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনা
ঘটেছে। একইসঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রতিবেশী এক নারীকে আটক করা হয়েছে। এনায়েতুর
রহমান তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন বলে আত্মরক্ষার্থেই তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। শনিবার
(২৭ জুন) সকাল আটটার দিকে উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত এনায়েতুর রহমান ও প্রবাসী সুমন চৌধুরীর বাড়ি পাশাপাশি।
কয়েক বছর আগে দুই পরিবারের মধ্যে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি
হয়। প্রায় এক মাস আগে ছুটিতে দেশে এসে সুমন চৌধুরী তার স্ত্রীর প্রতি এনায়েতুর রহমানের
অসদাচরণের অভিযোগ তুলেছিলেন। তবে এনায়েতুর রহমান কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় স্থানীয়ভাবে
বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। চার দিন আগে সুমন আবার কর্মস্থলে চলে যান।
এ
বিষয়ে নিহত এনায়েতুর রহমানের মা নেহারা বেগম জানান, তার ছেলে শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন।
দুই হাতের কবজি ও আঙুল কার্যকর না থাকায় স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারতেন না।
এসময়
সকালে প্রতিবেশী নারী ঘরে ডেকে নিয়ে তার ছেলেকে গলা কেটে হত্যা করেছেন। এ ঘটনার সঙ্গে
জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান তিনি।
ওসি
বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আটক নারী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করেছেন, এনায়েতুর রহমান তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন।
আত্মরক্ষার্থেই তিনি তাকে হত্যা করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগরে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বিকেল ৪টায় মুরাদনগর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় তিনি প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন।
বাংলাদেশ পুলিশের মুরাদনগর থানার একটি চৌকস ইউনিট উপদেষ্টাকে নিজ উপজেলায় প্রবেশের পর গার্ড অফ অনারে বরণ করে নেয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাবিদরা।
আয়োজকরা জানান, কোরআন হিফজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং মেধাবীদের সম্মাননা জানানোর উদ্দেশ্যে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, "কুরআন হিফজকারীরা সমাজের গর্ব। তাদের মাধ্যমে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ সমুন্নত থাকবে। সরকারের পক্ষ থেকে এমন উদ্যোগকে সবসময় উৎসাহিত করা হবে।"অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আয়োজক কমিটির হাফেজ মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান জানায়, ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এই ধরনের প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নতুন
বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারুণ্যের উৎসব উদযাপনের অংশ হিসেবে কুমিল্লায় তায়কোয়ানদো
প্রতিযোগিতা উদ্বোধন হয়েছে।
আজ
শনিবার ( ১১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামের জিমনেশিয়ামে
এই খেলার উদ্বোধন করেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য
সচিব সুমন কুমার মিত্র।
এই
সময় উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল
আলম চপল, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক আজকের কুমিল্লার সম্পাদক
ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, কুমিল্লা কারাতে এসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ সভাপতি মোখলেছুর রহমান
আবু, সাধারণ সম্পাদক হাজী মামুন।
প্রতিযোগিতায়
বিচারকের ভূমিকায় ছিলেন, আবু জায়েদ খান, রাহিমা ইসলাম রিপা ও ফাতেমা আক্তার।
এই
প্রতিযোগিতায় ৬০ জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করেন।
কুমিল্লা
তায়কোয়ানদো এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় এ প্রতিযোগিতা
শুরু হয়। আগামীকাল রবিবার বিকেল ৪ টায় এ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


গতকাল শুক্রবার ও আজ শনিবার (২৫-২৬
অক্টোবর) ৫ম আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত কারাতে প্রতিযোগিতা ২০২৪ এ কুমিল্লা সরকারি কলেজ
অংশগ্রহণ করে।
উক্ত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশসহ চারটি
দেশ অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলংকা।
উক্ত প্রতিযোগিতায় কুমিল্লা সরকারি
কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র মোফাজ্জাল মাহিন চৌধুরী কুমিল্লা সরকারি কলেজের হয়ে ৪-৬
ব্যবধানে বাংলাদেশের সুনাম এবং আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদক অংশগ্রহণ অর্জন করে আনে।
মন্তব্য করুন


বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ১০.২০ টায় বিজয় র্যালি, সকাল ১০.৪০ টায় বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিকাল ৪.০০ টায় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। এ দিনটি উপলক্ষ্যে ক্যাম্পাসে দেশাত্ববোধক গান পরিবেশনের পাশাপাশি প্রশাসনিক ভবন, উপাচার্যের বাংলোর গেইট, বিশ্ববিদ্যালয় গেইট সংলগ্ন দেয়াল সমূহ, প্রধান গেইট থেকে গোল চত্বর পর্যন্ত এবং হল সমূহের সম্মুখভাগে আলোক সজ্জিত করা হয়েছে।
বিজয় র্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল হাকিম। এরপর পুষ্পস্তবক অর্পন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও বিভাগ সমূহ।
পুষ্পস্তবক অর্পন শেষে কেক কেটে মার্কেটিং বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত‘মার্কেটিং প্রিমিয়ার লীগ’শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৬১০ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে ধ্বংস করা হয়েছে শতবর্ষী ২টি পুকুর ও ২২ একর প্রাকৃতিক জলাশয়। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও পলাতক, হত্যা মামলার আসামী আবু জাহের রাতের আঁধারে গোমতী নদীর মাটি কেটে এই জলাধার ও পুকুর ভরাট করেন—যা পরিবেশ আইন ও প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।
আইনের অপমান
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন ২০০০ অনুযায়ী, কোনো পুকুর, খাল, নদী কিংবা প্রাকৃতিক জলাশয় ভরাট করা সম্পূর্ণ বেআইনি। কিন্তু কারাগারের অভ্যন্তরের পুকুরসহ ২২ একর জলাশয় বুলডোজারের নিচে চাপা পড়েছে নিরব প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনে।
ঐতিহাসিক জলাধার, আজ শুধু স্মৃতি
ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৬৭ একর জমির মধ্যে দুটি পুকুর ও একটি ২২ একরের বিশাল জলাশয় রয়েছে। একসময় এ জলাশয়ে হাজারো অতিথি পাখির সমাগম হতো। পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছিল। এসব পুকুরে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দও গোসল করেছিলেন—স্মৃতি হিসেবে সেই ছবিও সংরক্ষিত আছে।
কিন্তু এখন সেই পুকুরগুলোর দুটি সম্পূর্ণভাবে ভরাট, অপরটি আংশিকভাবে ভরাটের প্রক্রিয়ায়। আর বিশাল জলাশয়টি রাতারাতি মাটি ফেলে সমতল করা হয়েছে।সেখানে গড়ে উঠেছে দশতলা চারটি ভবন।
ক্ষমতার ছত্রছায়ায় কাজ
সূত্র মতে, কারাগারের এই উন্নয়ন কাজটি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় প্রভাব খাটিয়ে সাবেক এমপি আবু জাহের ও তার ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জলাধার ভরাটের ঠিকাদার ছিলেন আবু জাহের নিজেই। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের অধিকাংশ অর্থাৎ কোটি কোটি টাকার কাজ তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে দখলে রেখেছেন।অধিকাংশ কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর নির্লিপ্ত?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের কুমিল্লা অঞ্চলের উপ-পরিচালক মুসাব্বির হোসেন মোহাম্মদ রাজিব জানান, “আমরা কারা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি। বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ পর্যন্ত গিয়েছে। কাজ বন্ধের সিদ্ধান্ত আছে, তবে তারা আমাদের অনুমতি না নিয়েই জলাশয় ভরাট করেছে।”
গণপূর্ত বিভাগ দায় এড়ালো
গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ৬১০ কোটি টাকার প্রকল্পটি তাদের তত্ত্বাবধানে হলেও জলাধার ভরাটের বিষয়ে তিনি বলেন,খতিয়ান নাল জমি উল্লেখ আছে। “পুকুর ভরাটের জায়গার কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে, তবে কারা কর্তৃপক্ষ ভালো বলতে পারবে।”
কর্তৃপক্ষের নীরবতা
সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুনের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে রিজার্ভ গার্ডের প্রধান কারারক্ষী জানান, তিনি ব্যস্ত। পরে তাঁর সরকারি নম্বরে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। একইভাবে জেলার আব্দুল্লাহ আল-আমিনের নম্বরেও যোগাযোগ করা হলে সাড়া মেলেনি।
এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনা এবং প্রাকৃতিক জলাধার রক্ষার দাবিতে পরিবেশবাদী ও সচেতন মহল সরব হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মন্তব্য করুন


দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীর (১১) বিয়ে পড়ানো হয়েছে। কাজি ডাকারও তোড়জোড় চলছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ইউএনও। বিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান বর ও কনের পরিবার। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। সড়কে আটকে রেখে বসানো হয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। কারাদণ্ড দেওয়া হর বর, বরের খালা ও কনের মাকে।
সোমবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে জয়পুরহাট শহরের সাহেবপাড়া মহল্লায় এ ঘটনা ঘটেছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাশেদুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: শহরের সাহেবপাড়া এলাকায় ফয়জুল হকের ছেলে নাহিদ হাসান (২০), তার খালা রুমা ও কনের মা মাজেদা। এদের মধ্যে নাহিদকে এক মাস, তার খালা ও কনের মাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, মেয়ে ও ছেলের পরিবার একই মহল্লার বাসিন্দা। ১১ বছর বয়সী ওই মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। তার বিয়ে দেওয়ার জন্য ছেলেকে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। স্থানীয় মৌলভি ডেকে বিয়ে পড়ানো হয়। কাজী ডাকার তোড়জোড় চলছিল। কিন্তু গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে হাজির হন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাশেদুল ইসলাম।
আর এই খবরে পালিয়ে যান বর ও কনের পরিবার। তাদের পিছু নিয়ে সড়কেই আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বাল্যবিবাহের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে কনের মাকে ১৫ দিন। বরকে এক মাস ও অভিভাবক হিসেবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা বরের খালাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও ইউএনও মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে শোনা যায়, স্থানীয় মৌলভি ডেকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে রেজিস্ট্রি করা হয়নি বা কোনো ডকুমেন্ট নাই। মেয়ের বয়স কম, সে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। এ কারণে বাল্যবিবাহ আইনে মেয়ের মা, বর ও বরের খালাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
কারাদণ্ডের পর তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজা’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২৩ জুন রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রাঙ্গুরি মধ্যমপাড়া এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মারুফ হোসেন (২২) ও ২। সাকিবুল হাসান (২১) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মারুফ হোসেন (২২) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার রাঙ্গুরি মধ্যমপাড়া গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস এর ছেলে এবং ২। সাকিবুল হাসান (২১) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বামুইল গ্রামের মোঃ লিটন এর ছেলে।
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন